11/08/2024
কোন কোম্পানী বা ব্যবসার জন্য ব্র্যান্ড নেম খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অনেকেই ব্র্যান্ড নেম সিলেক্ট করতে যেয়ে নাস্তানাবুদ হয়ে যান, আবার অনেক কোন ধরনের যাচাই বাছাই না করেই ব্র্যান্ড নেম ঠিক করেন যা তার ব্যবসায় কোন সুবিধা দিতে পারে না, বরং কোন কোন ক্ষেত্রে সমস্যা সৃষ্টি করে।
ব্র্যান্ড নেম নির্ধারণের জন্য যে সকল বিষয়গুলো মনে রাখবেনঃ
১) প্রত্যাকটা প্রোডাক্টের জন্য আলাদা আলাদা নাম রাখা যেতে পারে।
২) মালিকের নামানুসারে ব্র্যান্ডের নাম হতে পারে যেমন- Hewlett-Packard, আকিজ, আনয়ার।
৩) ব্যবসা বা পন্যের ধরণের উপর ভিত্তি করে ব্র্যান্ড নাম ঠিক করা যেতে পারে। যেমন- উত্তরবঙ্গের জন্য কুরিয়ার করোতোয়া কুরিয়ার।
৪) নতুন কোন শব্দ তৈরি করে নেয়া যেতে পারে , যেমন - গুগল।
৫) দারুন ক্রিয়েটিভ কোন নাম রাখা যেতে পারে যেটি একই সাথে মিনিংফুল।
৬) না পারলে ছোট এবং সহজবোদ্ধ নাম রাখা যেতে পারে।যেমন - Apple
৭) ইউনিক নাম খুজে বের করুন।
৮) প্রত্যাকটা পণ্যের বেলায় মার্কেটে প্রতিদন্দীদের খুজে বের করুন, তাদের নাম যাচাই করুন, এবার সেই পণ্যের জন্য একটু ভিন্নধর্মী, সহজে মনে রাখার মতো, ছোট, পণ্য বা সার্ভিসের সাথে মানানসই (যেন নাম শুনলে ক্রেতা বুঝতে পারে এটা কি ধরনের পণ্য) নাম সিলেক্ট করুন।
৯) ব্রান্ড নেম প্রচারের বাজেটের দিকে খেয়াল রাখুন।
১০) এমন নাম রাখুন যা ফোনে বললে অন্য প্রান্ত থেকে সহজেই বুঝা যায়, যেমন- কনফিউজিং- compact এবং Compaq
১১) খুব জনপ্রিয় শব্দকে নাম হিসেবে না নেয়াই ভালো, কারণ, গবেষনায় দেখা গেছে জনপ্রিয় নাম দীর্ঘমেয়াদে ভালো ফল দেয় না।
১২) এমন কোন নাম নেয়া উচিত না যা সহজেই ব্যাঙ্গ করা যায়।
১৩) বেশ কয়েকটা নাম সিলেক্ট করুন, এরপর বাছাই করুন।
১৪) নামগুলো যাচাই করুন,
প্রথমত- দেখুন, সিটি কর্পোরেশনে বা কোম্পানী তালিকায় অন্য কেউ আপনার সিলেক্ট করা নাম আগেই নিয়ে নিয়েছে কি-না,
২য়ত- আপনার পরিচিতদের জিজ্ঞাসা করুন তারা শব্দটা শুনেই বানান আইডিয়া করতে পারছে কি-না,
৩য়ত- দেখুন পরিচিত্রা নাম শুনেই পণ্যের ধরন বুঝতে পারছে কি-না। পরিচিতদের মধ্যে থেকে যাচাই এর জন্য কম বয়সীদের নিবেন, ১২ বছর থেকে শুরু করুন।
১৫) অনলাইন ফ্রেন্ডলী নাম বাছাই করুন। যাচাই করে নিন যে আপনার ব্র্যান্ড এর ডোমেইন নেম খালি আছে কি-না।
তথ্যসূত্র- সংগৃহীত এবং পরিমার্জিত।