Md.Mahadi Hasan Khondoker

Md.Mahadi Hasan Khondoker Pharmacy

বিলুপ্তপ্রায় শিল্প!
13/09/2022

বিলুপ্তপ্রায় শিল্প!

11/09/2022

মানুষকে কখনও নিজের সরলতা বুঝতে দিতে হয়না
কেননা মানুষ সরলতা কে দূর্বলতা
মনে করে

30/08/2022

জাহান্নাম থেকে বাঁচা

দোয়াটি হলো : (সাত বার): اللَّهُمَّ أَجِرْنِى مِنَ النَّارِ

বাংলা উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা আজিরনি মিনান নার।

বাংলা অর্থ : “হে আল্লাহ! আমাকে জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তি দাও

[আবু দাউদ-৫০৮১ নাসায়ি সুনানে কুবরা-৯৯৩৯ সহি ইবনে হিব্বান-২০২২]

ফজিলত : হজরত মুসলিম ইবনে হারেস তামিমি [রা.] বলেন রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে কানে কানে বললেন, যখন মাগরিবের নামাজের সালাম ফেরাবে, তখন কারো সঙ্গে কথা বলার আগে এই দোয়াটি সাত বার পড়বে। যদি তুমি পড় আর ওই রাতেই তুমি মারা যাও তাহলে তোমার জাহান্নাম থেকে মুক্তির ফায়সালা লিখে দেয়া হবে। ফজরের নামাজের পরও এ দোয়াটি একই নিয়মে সাতবার পড়বে। যদি তুমি পড়ে থাক আর ওই দিনেই তুমি মারা যাও তাহলে তোমার জন্য জাহান্নাম থেকে মুক্তির ফায়সালা লিখে দেয়া হবে।

28/08/2022
বড় বাবাটাকে সাথে নিয়ে ঢাকা যাচ্ছি
17/12/2021

বড় বাবাটাকে সাথে নিয়ে ঢাকা যাচ্ছি

20/11/2021

‘জ্ঞানী পুরুষকে হতবুদ্ধি করার মোক্ষম হাতিয়ার হ’ল নারী’।
[মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত, হা/১৯ ‘ঈমান’ অধ্যায়।]

03/11/2021

"যে ব্যক্তি আমার হেদায়াতের পথ অনুসরণ করবে, সে কখনো পথভ্রষ্ট হবে না এবং হতভাগ্য হবে না।"
(সূরা ত্বোয়াহা, ১২৩)

08/09/2021

যারা বিশ্বাসী (মুমিন)

তারা সফলকাম হয়ে গেছে।
(সূরা মুমিনুন, ১)

05/09/2021

"যা কিছু তোমার জন্য লিখিত সেটা পাহাড়ের চূড়ায় থাকলে ও তোমারই হবে। আর যা কিছু তোমার জন্য লেখা হয় নি, সেটা দুই ঠোঁটের মধ্যখানে থাকলেও তোমার হবে না।"
ইমাম শাফিঈ (রহ.)

27/08/2021

#মাংসপেশির_ব্যথা_বা_ফাইব্রোমায়ালজিয়া
( স্নায়ু তন্ত্র পর্ব – ২ )
ফাইব্রোমায়ালজিয়া বলতে যা বুজায় তা হল ঃ- ফাইব্রো ( ফাইব্রাস টিস্যু বা তন্তু কলা ) + মায়া ( মাসল বা মাংশপেশী ) + অ্যালজিয়া ( পেইন বা ব্যাথা ) = ফাইব্রোমায়ালজিয়া বা শরীরের মাংসপেশি ও টেন্ডন, লিগামেন্ট ইত্যাদির ব্যাথা ।
ফাইব্রোমায়ালজিয়া একটি দীর্ঘ স্থায়ী – মাংসপেশি ও তার সাথে সম্পর্ক যুক্ত অঙ্গের ব্যাথাকেই বুজায় – যদি ও ফাইব্রোমায়ালজিয়া প্রথম অবস্থায় শরীরের সকল অঙ্গে দেখা দেয় না , বরং যে কোন একটি অংশে দেখা দেয় যা পরবর্তীতে – দুই হাত, দুই পা, পিঠ, ঘাড় , নিতম্ব এবং হাটুর গোছালিতে ছড়িয়ে পড়ে বা অনেক সময় শরীরের কোথায় ব্যাথা হচ্ছে রোগী সঠিক ভাবে বলতে পারেনা – তখন ব্যাথা নাশক ঔষধে বা সাধারণ ব্যায়াম জাতীয় কিছু করার পর ও তেমন ভাল ফল পাওয়া যায় না — ইত্যাদি । অসুখটি ক্রনিক পর্যায়ে যাওয়ার পর বা বয়স বাড়ার সাথে সাথে বাড়তে থাকে এবং পারিবারিক, মানসিক ( শারীরিক নির্যাতন ) , দুর্ঘটনা জাতীয় শারীরিক আঘাত, দাম্পত্য কলহ অথবা ছোটবেলায় নির্যাতনের কোনো ইতিহাস ইত্যাদি থাকলে এ রোগ হওয়ার আশঙ্কা দ্রুত বৃদ্ধি পায় । ফাইব্রোমায়ালজিয়া পুরাতন বা ক্রনিক অবস্থায় চলে গেলে সাথে মাইগ্রেন জাতীয় অসুখ , মহিলাদের পি ভি আই অথবা মাসিকে অত্যধিক ব্যাথা (Dysmenorrhoea) একটু বেশী দেখা দেয় – অথবা মধ্য বয়স হওয়ার সাথে সাথে রিউমাটয়েড আরথ্রাইটিস, বাত ব্যাথা সহ শরীরের মাংসপেশির অবশতা জাতীয় সমস্যায়ই বেশী লেগে থাকে …।। ইত্যাদি
🔵🔺কারন ঃ🔵🔺
ঘুমের সমস্যা, বিশেষত ডেল্টা স্লিপের পরিমাণ কমে গেলে অর্থাৎ দীর্ঘ দিন যাদের ঘুমের দ্বিতীয় ধাপে যেতে বাধা প্রাপ্ত হয়ে থাকেন তাদের বেলায় এই অসুখ টি বেশী হয় , যা রোগী নিজে কোন দিন ই বুজতে পারেনা । সে কারনেই যারা বেশী স্বপ্ন দেখেন, তারা অল্প বয়সে খুবী কম ফাইব্রোমায়ালজিয়ায় আক্রান্ত হয়ে থাকেন ।
শরীরের ব্যথা নিয়ন্ত্রণকারী কেন্দ্রে কোনো সমস্যা হলে। যেমন- শরীরের নির্দিষ্ট কিছু জায়গায় ব্যথা অনুভবের মাত্রা ও সহ্য ক্ষমতা কমে গেলে – ( সাবস্ট্যান্স পি, গ্লুটামেট(SubstanceP, Glutamate) এর মাত্রার অসামঞ্জস্য পরিবর্তন বা বেড়ে যাওয়ার ফলে তা হয়ে থাকে ) ।
মস্তিষ্কে কিছু কিছু নিউরোট্রান্সমিটারের পরিমাণ কমে গেলে করটিসেলের মাত্রা বেড়ে যায় তখন অসুখ টি দেখা দেয় ।
থ্যালামাসে রক্তের পরিবহন কমে গেলে অথবা কর্টিসল নামক হরমোনের মাত্রায় তারতম্য হলে অথবা হাইপোথ্যালামো-পিটুইটারি-এড্রেনাল এক্সিসে কোনো সমস্যা হলে এ রোগ দেখা দেয় ( সে সময় অটোন্যামিক নার্ভাস সিস্টেমের ব্যাঘাত জনিত কারনের লক্ষন বিদ্যমান থাকবে …। )
আঘাত জনিত কারন অথবা স্নায়ুর ইনফেকশন জনিত কারনে দেখা দিতে পারে, বিশেষ করে উপরের মেরুদণ্ড বা ঘাড়ে ভাইরাস বা ব্যাক্টোরিয়া জনিত প্রদাহের কারনে ফাইব্রোমায়ালজিয়ায় হওয়ার সম্বাভনা বেশী থাকে ।
বংশগত ধারাবাহিকতায় এই রোগ হতে পারে , বিশেষ করে যাদের পরিবারে রিউমাটয়েড আরথ্রাইটিস অথবা লোপাস জনিত অসুখের ধারাবাহিকতা আছে তাদের বেশী হওয়ার সম্বাভনা আছেই ।
এ ছাড়া ফাইব্রোমায়ালজিয়া পুরুষের চাইতে মহিলারা বেশী আক্রান্ত হয়ে থাকেন যা প্রতি ১১ জনের মধ্যে ১০ জন ই মহিলা ।
🔵🔺ফাইব্রোমায়ালজিয়ার উল্লেখযোগ্য লক্ষণ ও উপসর্গ :
১- ব্যাপক ব্যথা ঃ
মাংসপেশীতে অবিরাম হালকা ব্যথা (Dull ache) থাকে যা টেন্ডার পয়েন্টস নামে শরীরের ১৮টি ব্যথাপ্রবণ জায়গায় ব্যথার মাত্রা বেশী থাকবে এবং কম পক্ষে ৯ টি পয়েন্টে ব্যাথা থাকবেই। যার ইতিহাস কমপক্ষে ৩ মাস হতে কয়েক বছরের থাকবে — বিশেষ করে যে মাংশপেশী সমূহ হাড়ের সাথে সংযোক্ত বেশী থাকে – ( নিচের চিত্র থেকে শরীরের পয়েন্ট গুলো দেখে নিন )
এবং আক্রান্ত লিগামেন্ট টেন্ডন সমুহে কামড়ানোর মত যন্ত্রণা হয়., ৬৫% বেলায় ব্যথা ঘাড় এবং কাঁধে বেশী হয়ে থাকে এবং পরবর্তীতে শরীরের উভয় পাশে এবং কোমরের উপরের ও নিচে তীব্র ব্যথা ছড়িয়ে পড়ে – অনেকের হাটুর নিচের গোছারি বা বাহুর মধ্যে চড়িয়ে পড়ে । মাঝে মধ্যে অনেকের আঙ্গুলে, হাতের কব্জিতে , পায়ের আঙ্গুল, বা পায়ের মধ্যে অবসতা অনুভূত হতে পারে ।
ব্যাথা হাল্কা থেকে কঠিন হতে পারে যা জ্বলে যাওয়ার মত অনুভুত হয় , ব্যাথার অঞ্ছল শক্ত হয়ে যাওয়া, আক্রান্ত অঞ্চলের মাংসপেশি কম্পিত হওয়া ইত্যাদি ধরণের যন্ত্রণা অনুভুত হয় – এবং কোন কোন সময় আক্রান্ত অঞ্চলে ফোলে যাওয়ার মত দাগ পরিলক্ষিত হয়, যা দেখে অনেক সময় বাত- ব্যাধির ফোলার মত মনে হলেও অসুখ টি কোন সময় উক্ত অঞ্চলের মাংসপেশি অথবা হাড় ক্ষয় করার মত মারাত্মক কোন ধরণের ক্ষতি করেনা বিধায় ইহা বাত জাতীয় অসুখ নয় ।
ব্যাথা বাড়ার সাথে শরীরের নিদৃষ্ট কিছু “পয়েন্ট” এ চাপ দিলে রোগী ব্যাথা অনুভব একটু বেশী করে ।
🔵🔺*** উল্লেখযোগ্য ব্যথাপ্রবণ অঞ্চল সমূহ হচ্ছে ঃ
মাথার পিছনে– কাঁধের চ্যাপটা হাড়ের মাঝে (Between shoulder blades) — কাঁধের উপরে– গলার সামনের দিকে– বুকের উপরিভাগে (Upper chest)– কনুইয়ের বাইরের দিকে (Outer elbows)– নিতম্বের উপরিভাগে (Upper hips)– নিতম্বের পাশে– হাঁটুর ভিতরের দিকে (Inner knees)
২- ক্লান্তি এবং অবসাদ ঃ
অনেক ঘুম হবার পরও রোগী ক্লান্তি এবং অবসাদ অনুভব করে বা অনেক সময় মাংস পেশী ব্যাথার কারনে রোগীর ঘুমে ব্যাঘাত ঘটে থাকে যা মাসে ৩/৪ রাত হয়ে থাকে এবং সে সময় রোগী স্লিপ আপনিয়ায় ও পায়ের বিশ্রাম হিনতায় ((RLS) সামান্য ঘুমের মধ্যে পা চুড়তে থাকে ।
৩- কোন কিছু পরিস্কার ভাবে চিন্তা করতে বিব্রত বোধ হওয়া ঃ (called “fibro fog”)
৪- কম ব্যায়ামে সহনশীলতা – মানসিক ভীতি জনিত উদ্বেগ- খিটখিটে স্বভাব, ভুলে যাওয়ার প্রবণতা, মনোযোগহীনতা, হাত ও হাতের আঙুল ফুলে যাওয়া এবং ঝিনঝিন করা
৫ – মাথাব্যাথা- মাথা ঘোরা, চর্মের সংবেদনশীলতা, স্বাভাবিক পরিস্রম করার পর বেশী ব্যাথা অনুভব করা , পেটের ব্যথা ও বিনা কারনে পেট ডাকা , ডায়রিয়া, এবং কোষ্ঠকাঠিন্য ,আইবিএস, ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া, কোনো কানে বেশি শোনা এবং ঘন ঘন ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়া ও বয়স বাড়ার সাথে সাথে লুপাস (Lupas)- ও গিঁটে বাতের অনেক লক্ষন দেখা দেয় । –
৬-প্যারাস্থেসিয়া দেখা দেওয়া Paresthesia ঃ- ( শরীরের একটি অস্বাভাবিক সংবেদনশীলতা তৈরি হওয়া – বিশেষ করে হাতের বা পায়ের আঙুল সমুহে , হাতের কুনু অথবা পায়ের গোছারিতে বেশী ট্যাঙ্গেলিং ( এক ধরণের টিংটিং শব্দ ) বা জ্বলা অনুভূত হওয়া কে বুজায় )
৭ – মহিলাদের মাসিক স্রাবের সময় ব্যাথা এবং এন্ডোমেট্রিওসিস দেখা দিতে পারে
এন্ডোমেট্রিওসিস (ইহা নারীদের এক বিশেষ ধরণের রোগ যাতে জননতন্ত্রের বিভিন্ন অংশ আক্রান্ত হয়। এরোগের আক্রমণস্থল হচ্ছে জরায়ু, যোনিদেশ, ডিম্বাশয় এবং ডিম্বনালী যা উক্ত স্থানে মিউকাস টিস্যু বা এন্ডোমেট্রিয়াম জাতীয় টিস্যু অল্প অল্প জমা হতে থাকে যার ফলে সংশ্লিষ্ট স্থানসমূহ বেদনান্বিত ও স্ফীত হয়ে নানারূপ রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়। একেই এণ্ডোমেট্রিওসিস (Endometriosis) বলে। দীর্ঘদিন এ রোগে ভুগলে বন্ধ্যাত্ব দেখা দেয় )
এ ছাড়া ও পরিস্থিতি ও রোগের অবস্থার উপর অন্যান্য লক্ষন দেখা দিতে পারে ।
🔵🔺কি ধরণের পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন হতে পারে ঃ
এক কথায় ফাইব্রোমায়ালজিয়ার নিদৃষ্ট কোন পরিক্ষা নেই ! তার চাইতে অভিজ্ঞ চিকিৎসকরা শারীরিক পরিক্ষা নিরীক্ষা করেই , খুব সহজেই অসুখটি কে চিহ্নিত করতে পারেন – রুগির ইতিহাস কম পক্ষে ৩ মাসের পুরানো থাকবে এবং সেই সাথে ১৮টি ব্যথাপ্রবণ জায়গায় ব্যথার মাত্রা দেখে রোগ নির্ণয় করা বা বুঝা সম্বভ ( কম পক্ষে ৯ টি তে কম বেশী ব্যাথা থাকবেই ) – সাথে প্রয়োজন বোধে রক্তের টি সি ডিসি – ই এস আর এবং থায়রয়েড ফাংশন টেস্ট অথবা সদ্য আবিষ্কৃত করটিসেল ম্যাজারম্যান্ট পরিক্ষা করার জন্য বলতে পারেন । তবে এক্সরে বা অন্যান্য মাল্টিমিডিয়া ডায়াগনোসিস করে কোন লাভ নেই বা অসুখটি ধরা পরার কথা নয় ।
🔵🔺কি ধরণের উপকৃত চিকিৎসা আছেঃ (Updated by Dr.Helal Kamaly )
( ফাইব্রোমায়ালজিয়া অসুখ স্থায়ী হয়ে গেলে যিনি হাড়- জোড়া রোগ , নিউরোলজি ও সাইকোলজি বিষয়ে অভিজ্ঞ তিনিকেই দেখানো উচিৎ )
🔵🔺ঔষধ সেবন করার আগে কিছু বিষয় জেনে নিন?
মনে রাখবেন যেভাবে ফাইব্রোমায়ালজিয়া অসুখটি এক্সরে, রক্ত পরিক্ষা করে একক ভাবে অসুখটি ধরা সহজ নয় ঠিক তেমনি একক ভাবে কোন ঔষধ সেবনে ভাল হওয়ার কথা নয় । এখানে আমার বাক্তিগত রিসার্চের অভিজ্ঞতা থেকে একটা বিষয় উল্লেখ করতে হয় – যেমন আপনি এ্যলোপ্যাথিক মেডিসিন ব্যাবহার করিতেছেন কিন্তু যে কোন কারনে আপনি ট্রাঙ্কুলাইজার ড্রাগস অথবা ব্যাথা নাশক ঔষধ সেবন করলে শারীরিক ভাবে অন্যান্য ক্ষতি হওয়ার ভয়ে তা সেবন করতে পারছেন না – সে ক্ষেত্রে আপনি উপযোক্ত ভেষজ গ্রোফের ঔষধ তার পরিবর্তে ব্যাবহার করতে পারেন – অথবা ভেষজ গ্রোফের যে কোন ঔষধ আপনি সংগ্রহ করতে পারেন নাই , সে ক্ষেত্রে এ্যলোপ্যাথিক সমমান গ্রোফের ঔষধ সেবন করতে পারেন- একই সাথে । তবে ভেষজ ঔষধ দীর্ঘ দিন ব্যাবহার করতে হয় কিন্তু এ্যলোপ্যাথিক ঔষধ দীর্ঘ দিন ফাইব্রোমায়ালজিয়ার জন্য ব্যাবহার করলে শারীরিক অন্যান্য জঠিলতা দেখা দিবেই । এ ছাড়া যদি ও চিকিৎসকরা ব্যাথা নাশক ঔষধের সাথে পরিপাক তন্ত্রের উক্তেজনা নিবারন করার জন্য এন্ট-এসিডিটি ড্রাগস ( এন্টাসিড, অমিপ্রাজল ইত্যাদি ) দিয়ে থাকেন কিন্তু তার ফলে ফাইব্রোমায়ালজিয়ার ঔষধ আশানুরূপ কাজ করেনা – সে ক্ষেত্রে কম্বাইন্ড চিকিৎসা পদ্ধতি অনুসরণ করাই ভাল ।
অথবা ভাল একজন আকুপাংচার বিশেষজ্ঞকে দেখাতে পারেন যদি তিনির এ্যলোপ্যাথিক মেডিসিন প্রেসক্রিপশন করার বৈধতা থাকে । নতুবা পুরাতন লেভেলের যারা তারা এখন ও অপ্রমাণিত ভেষজ দিয়ে সনাতন পদ্ধতির চিকিৎসা দিয়ে থাকেন- তাথে লাভবান হওয়ার কথা নয় । ফাইব্রোমায়ালজিয়ায় আকুপাংচার পদ্ধতি বিশেষ একটা যাদুকরী চিকিৎসা – যদি আকুপাংচার বিশেষজ্ঞ সঠিক পয়েন্টে চিকিৎসা করেন ।
🔵🔺ড্রাগস থ্যারাপি ঃ ( অবশ্যই রেজিঃ চিকিৎসকের পরামর্ষে সেবন করতে হবে )
ক ঃ ( এফ ডি এ এবং বি এম সি কৃতক যা অনুমোদিত )- তবে ক্রনিক পর্যায়ের অসুখ টি কমতে হলে এখন ও ফিজিক্যাল – সাপ্লিমেন্টারী ও সঠিক ভেষজ মেডিসিন এবং ব্যায়াম ছাড়া তেমন ভাল ফল নাও পেতে পারেন – সে জন্য কম্বাইন্ড পদ্ধতি ব্যাবহার করা ভাল ।
🔵🔺সেগুলো হল ঃ
১– প্রিগ্যাবালিন (Pregabalin),ডুলোক্সেটিন(Duloxetin),মিলনাসিপ্রান(Milnacipran)
প্রিগ্যাবালিন ঃ ৫০ মিগ্রাঃ করে দিনে দুই বার অথবা ব্যাথার উপর নির্ভর করে আপনার চিকিৎসক এর পরিমান বৃদ্ধি করতে পারেন – বিস্তারিত আপনার চিকিসকের কাছ থেকে জেনে নিবেন ।
২- যদি নিদ্রায় যাওয়ার পর ব্যাথা বাড়ে বা ঘুমের ব্যাঘাত সৃষ্টি করে, তাহলে নিম্ন মাত্রার এন্টি-ডিপ্রেসেন্ট ঔষধ ব্যাবহারের পরামর্ষ দেওয়া হয় – যেমন – fluoxetine (Prozac) and sertraline (Zoloft), milnacipran (Savella), and diloxetine (Cymbalta) ইত্যাদি যে কোন একটি ঔষধ সেবন করার কথা বলা হয় । ( বিদ্রঃ ফাইব্রোমায়ালজিয়া মূলত মানসিক রোগ নয়, এন্টি-ডিপ্রেসেন্ট ঔষধ ব্যাবহার করার সুপারিশ করা হয় উক্তেজিত স্নায়ু কে প্রশমিত করে রাখার জন্য ও সেরোটেনিনের মাত্রা বৃদ্ধি করার জন্য )
৩- ব্যাথা নাশক বা এনালজেসিক ঔষধ হিসাবে ডাইক্লোফেন(Diclofen), ন্যা্প্রোক্সেন(Naproxen), ইত্যাদি ব্যাবহার করতে পারেন তবে ইহা বেশী ফলদায়ক নয়। অথবা মাংসপেশি চিবানু-খিচানু নিবারন করার জন্য সাইক্লো-ব্যাঞ্জাপিরিন ( cyclobenazaprine – Flexeril) ঔষধ কয়েক দিনের জন্য দেওয়ার পরামর্ষ দিয়ে থাকেন ।
৪- অসহ্য ব্যাথা হলে অবশ্য ব্যাথা যুক্ত অঞ্চলে স্প্রে অথবা স্থানীয় অচেতন কারক ঔষধ ব্যাবহার করা যেতে পারে ।
৫- থায়রোয়েড হরমোন জনিত কারনে হলে ( T3 levels ) প্রাকৃতিক হরমোন জনিত চিকিৎসা করা উচিৎ ।
সাথে সাপ্লিমেন্টারী ভেষজ বা ঔষধ অথবা মালিশ ব্যাবহার করতে পারেন – এবং সঠিক ব্যায়াম ও কিছু খাবার থেকে দীর্ঘ দিন বিরত থাকতে হবে — ( নিম্নে দেওয়া আছে )
🔵🔺খঃ ভেষজ ও সাপ্লিমেন্টারী ড্রাগস ঃ ( মেডিক্যাল সাইন্স এন্ড রিসার্চ অনুসারে যা প্রমানিত )
( ভেষজ ও ফিজিক্যাল মেডিসিন, দীর্ঘ দিন ব্যাবহার করতে হয় এবং এর মুল সুত্র খাদ্য এবং ব্যায়ামের মাধ্যমে দেহ থেকে উৎপাদিত ক্ষরিত পদার্থের মাধ্যমে দেহ কে সুস্থ ও সবল করা )
১– এড্যাপ্টোজেন ভেষজ ( Adaptogen Herbs ) যে ভেষজ শরীরের স্থিতিস্থাপকতা ও মানসিক ভাবে শান্তি স্থাপন করে অর্থাৎ শরীরের প্রাকৃতিক হরমোন জনিত শক্তি বৃদ্ধি করে ) নিচে উল্লেখ যোগ্য ও প্রমানিত কিছু ভেষজ দেওয়া আছে তবে সব কয়টি সমান ভাবে কার্যকর নয় । যে কোন একটি নির্বাচিত করতে পারেন এন্টি স্ট্রেস ড্রাগস হিসাবে ।
অশ্বগন্ধার মুল (Withania somnifera ) ইহা ও একটি এন্টি স্ট্রেস গ্রোফের অন্তর্ভুক্ত ভেষজ ( মস্তিষ্কের করটিসেল নিয়ন্ত্রন করতে পরীক্ষিত একটি ভেষজ ) ভেষজ টি উদ্বিগ্ন চিন্তা ও মানসিক শীতলতা আনতে গাবা রিসেপ্টর হিসাবে কাজ করে ) . সে জন্য অশ্বগন্ধার মুল থেকে প্রস্তুত কৃত পাউডার অথবা ট্যাবলেট সেবন করতে পারেন — কমপক্ষে ৩ মাস –
কোরিয়ান জিন্সিং রোট বা মুল (Panax ginseng) — কোডনোপসিস (Codonopsis pilosula) চাইনিজরা সিন বলে ডাকে — চাইনিজ আস্টাগ্যাস (Astragalus membranaceus) -ইত্যাদি ছাড়া ও মাধ্যম ধরণের এন্টি-স্ট্রেস ঔষধ হিসাবে তুলসি পাতাকে বিবেচনে করা হয় –
তুলসী পাতার রস ( ইহা ও একটি স্নায়ু-মানসিক এড্যাপ্টোজেন – ২/৪ টি তুলসি পাতা কিছু পানি অথবা মুধুর সাথে মিশিয়ে প্রতি দিন ২ বার সেবন করতে পারেন । তবে সবচেয়ে ভাল তুলসি পাতা থেকে রিফাইনিং করা তৈল যা ২০/৩০ ড্রপ পানির সাথে মিশিয়ে সেবন করুন – ২৮ দিন ) — এ ছাড়া রিসি মাশরুম ও উপকারী ……। ইত্যাদি —
২- – স্নায়ু প্রসান্তি দায়ক ( Relaxing Nervines ) কিছু ভেষজ আছে যা সেবনে শরীরের স্নায়ু সমূহের প্রশান্তি এনে থকে অথবা এক ধরণের নিদ্রা কারক বলতে পারেন –
ক্রামপ বারক ঃ- ক্রাম-পারক ভেষজ টি শরীরের মাংসপেশি এবং স্নায়ুর খিঁচুনি অথবা যন্ত্রণা লাগব করে – সে জন্য বাজার থেকে ক্রাম-পারক ভেষজ থেকে তৈরি ক্যাপসুল অথবা ট্যাবলেট সেবন করতে পারেন । ( Cramp Bark Tab/ Cap )
অথবা ভেলারিন বা মখ মল শিম থেকে প্রস্তুত পাউডার, ক্যাপসুল সেবন করতে পারেন ( Valerian Extract Tab/Cap ) অথবা
যব বা জই ফল ( Milky oats ) থেকে প্রস্তুত কৃত পাউডার অথবা ট্যাবলেট সেবন করতে পারেন – জই ফল ও একটি মাঝারী ধরণের সেডেটিভস ।
এ ছাড়া চ্যামলি চা, ( Chamomile ) , লেমন বাম, সেন্ট জন্স ইত্যাদি স্নায়ুবিক অসুখে ভাল ফল দায়ক ভেষজ ।
৩ – স্নায়ু নিস্তেজ এবং ব্যাথা নাশক ঃ Anodyne Herbs ঃ
লবঙ্গঙ্গ অথবা দারুচিনির তৈল ঃ(Clove and cinnamon ) ব্যাথা যুক্ত অঞ্চলে নারিকেল তৈলের সাথে ২/৩ ফোটা মিশিয়ে মালিশ করুন – যা দীর্ঘ দিন ব্যাবহারে তেমন ক্ষতি হওয়ার ভয় নাই । অথবা আরনিকার তৈল , সেন্ট জন্স রুটের তৈল ,ইত্যাদি ব্যাবহার করতে পারেন ।
৪- ব্যাথা নাশক (Anti-Inflammatory Herbs)
হলুদ অথবা আদার পাউডার ঃ ২০০/৩০০ মিগ্রাঃ পাউডার ঘি অথবা নারিকেল তৈলের সাথে ব্যাবহার ক্ররুন- মনে রাখবেন হলুদ এবং আদা প্রাকৃতিক ভাবে খুব ভাল একটি প্রদাহ বিরোধী ঔষধ । এ ছাড়া পাপরিকা , আফিম, হেওথরন ও ল্যাভেন্ডার তৈল ও খুব ভাল একটি ব্যাথা নাশক ঔষধ ।
৫ -বায়ুনাশকারী ভেষজ ( Carminative Herbs পর্ব টি নতুন ভাবে সংযোজিত )
– রিসার্চ অনুসারে দেখা যায় – অনেকের ফাইব্রোমায়ালজিয়া কারন বিহীন ,বয়স্কতা জনিত অথবা বংশগত কারনে মনে করলে কারমোনেটিভ ভেষজ ব্যাবহার বিশেষ ফল দায়ক –তবে সে ক্ষেত্রে রুগীর কুস্ট কাঠিন্যতার লক্ষন বিদ্যমান থাকবে ।
🔵🔺সদ্য রিসার্চে দেখা যায় -ঃ- খাবার গ্রহন করার পর অন্ত্রের এনজাইম সমূহ ব্যাস্থ হয়ে পড়ে খাবার পরিপাক করার জন্য এবং তখন tryptophan ( as brush-border enzymes ) এনজাইম বাধাগ্রস্থ হয়ে পড়ে বা প্রচুর সেরোটেনিন উৎপাদন করতে ব্যাহত হয় বিধায় স্নায়ুবিক উক্তেজন বৃদ্ধি পেয়ে ফাইব্রোমায়ালজিয়ার ব্যাথা বৃদ্ধি পায় ।
অন্ত্রের ব্যাক্টোরিয়া বৃদ্ধি পেয়ে (SIBO) ক্ষুদ্র ভেগাস নার্ভ সমূহ কে ব্লক করে রাখে তখন ফাইব্রোমায়ালজিয়ার ব্যাথা বৃদ্ধি পায় -এবং শরীরের জরুরী এনজাইম সমূহ নিঃসরণ কম হয় – সে ক্ষেত্রে অন্ত্রের গোলাযোগ জনিত লক্ষন বিদ্যমান থাকবে ।
মৌরি বীজের তৈল – (Foeniculum vulgare) ঃ মৌরি বায়ুরোগের জন্য উপকারী, তাই এটা জোলাপ বা ল্যাক্সিটেভ তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। পানিমিশ্রিত মৌরির রস পেট ফাঁপা এবং পেট কামড়ের জন্য উপকারী। – এ ছাড়া আদা , এলাচি, অথবা পুদিনা পাতার জুস বিশেষ উপকারী ।
গ- ফিজিক্যাল মেডিসিন ( Physical Medicine ) অথবা সাপ্লিমেন্টারী মেডিসিন ঃ
( ঔষধ সমূহ স্পোর্টস মেডিসিন ফার্মেসিতে কিনতে পাওয়া যায় )
যে কোন একটি আপনার জন্য বিশেষ সহায়ক হতে পারে – যা আপনার চিকিৎসক বলে দিবেন
সামি -সাপ্লিমেন্টরি ড্রাগস ( SAMe ) ঃ যা S-Adenosyl-L-Methionine এনজাইম সমৃদ্ধ
৫-এইচ টি পি সাপ্লিমেন্ট (5) এ ছাড়া ক্যালসিয়াম ভিটামিন ডি এবং ই – সমৃদ্ধ ঔষধ — ম্যাগনেসিয়াম- ক্যালসিয়াম – এল ক্যারোটেনিন – মাছের তৈল বা অমেগা-৩ – ইত্যাদি ভাল সহায়ক ।
ঘ- আকুপাংচার পদ্ধতি ঃ
আকুপাংচার পদ্ধতিতে ৭৫% ফাইব্রোমায়ালজিয়ার সম্পূর্ণ ব্যাথা কমানো সম্বভ । সে জন্য নিম্নের পয়েন্ট গুলোই কম পক্ষে ৪ সতাহ থেকে ১২ সপ্তাহ পর্যন্ত প্রয়োগ করার প্রয়োজন মনে করেন বিশেষজ্ঞরা
GV 14 + UB 23+ GV 4+ UB 20+ CV 6+ SP 10+ UB 13+ UB 17= one times 4 weeks সাথে ম্যাসেজ বা ডিপ হিট ও ইলেকট্রোথেরাপির প্রয়োজন হতে পারে এবং যথা যত এ্যলোপ্যাথিক অথবা ভেষজ ঔষধ সেবন করতে পারেন ।
ঙ- শারীরিক ব্যায়াম
একেক অঙ্গের ব্যাথার জন্য একেক ধরণের ব্যায়াম বা অনুশীলন প্রয়োজন যা ধারাবাহিক ভাবে প্রত্যেকটি অসুখের সাথে জানতে পারেবেন , অথবা আপনার চিকিৎসকের কাছ থেকে জেনে নিন-
তবে অনেকের বেলায় তার প্রয়োজন নেই যদি নিয়মিত সাতার কাটা, নিয়মিত হাটা ও আস্তে আস্তে দৌড়ানো ইত্যাদি প্রতিদিন করে অভ্যস্থ হতে পারেন । সেই সাথে থ্যাই- চি বা ইয়গা ইত্যাদি করার প্রয়োজন নেই যদি পবিত্র নামাজের সঠিক পদ্ধতি অনুসরন করে তা আদায় করেন ।
🔵🔺লাইফ স্টাইলের কিছু পরিবর্তন করলে ভাল ঃ
মানসিক চিন্তা ভয় ভীতি ইত্যাদি থাকলে তা থেকে যত দূরে থাকবেন তথোই মঙ্গল – সময় মত ঘুমানুর অভ্যাস গড়ে তুলুন –
সেই সাথে প্রতিদিন নিয়মিত পুস্টিকর খাবার বিশেষ করে এন্টি-অক্সাইডেন্ট খাবার খাওার চেস্টা করুন । তা ছাড়া বেশী গ্লুটেন সমৃদ্ধ খাবার ( সাদা চাল এবং ময়দার পরিবর্তে সিদ্ধ চাল এবং আটা ) এবং ডায়েরী ফুড, চা-কফি, চক্লেট , চিনি জাতীয় খাবার সমূহ কম খাবেন – মাছ একটু বেশী খাওার চেস্টা করুন ও নিয়মিত কয়েক গ্লাস পানি পান করার অভ্যাস গড়ে তুলুন — একি সাথে ঘুমানুর খাট বা বিছানা একটু শক্ত আছে কিনা দেখে নিন- ঘুমানুর পজিশন লম্বা লম্বি হয়ে ঘুমানুর চেস্টা করুন — ইত্যাদি
ধন্যবাদ ———————-

Address

Barishal
8550

Opening Hours

Monday 08:00 - 12:00
15:00 - 22:00
Tuesday 08:00 - 12:00
15:00 - 22:00
Wednesday 08:00 - 12:00
15:00 - 22:00
Thursday 08:00 - 12:00
15:00 - 22:00
Friday 08:00 - 12:00
15:00 - 22:00
Saturday 08:00 - 12:00
15:00 - 22:00
Sunday 08:00 - 12:00
15:00 - 22:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Md.Mahadi Hasan Khondoker posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Md.Mahadi Hasan Khondoker:

Share