17/03/2020
করোনা: পটুয়াখালীতে কোয়ারেন্টাইনে ১৯ জন!
ডেস্ক নিউজ: পটুয়াখালীতে ১৯ জনকে রাখা হয়েছে কোয়ারেন্টাইনে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও স্থানীয়ভাবে ছড়াতে শুরু করেছে নতুন করোনাভাইরাস। এ পর্যন্ত মোট আক্রান্ত হয়েছে ১০ জন। এর মধ্যে চারজনই স্থানীয়ভাবে সংক্রমিত। নতুন আক্রান্ত তিনজনের দু’জনই শিশু।
যাদের বয়স ১০ বছরের নিচে। আক্রান্ত ১০ জনের মধ্যে তিনজন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এছাড়া আইসোলেশনে আছেন সন্দেহজনক আরও ১০ জন। সারা দেশে কোয়ারেন্টিনে আছেন ৩ হাজার ৪৮৮ জন। রোববার এই সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৭১ জন।
এক দিনের ব্যবধানে কোয়ারেন্টিনে থাকা সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা বেড়েছে ১ হাজার ১৭ জন। সর্বোচ্চ সংখ্যক কোয়ারেন্টিনে আছেন চট্টগ্রাম বিভগে ১ হাজার ৩৪৩ জন। সবচেয়ে বেশি কোয়ারেন্টিনে থাকা জেলা মানিকগঞ্জ। সেখানে ২৯৬ জন কোয়ারেন্টিনে।
যে এলাকগুলোয় স্থানীয় সংক্রমণ ঘটছে, সেই এলাকা লকডাউনের কথা ভাবছে কর্তৃপক্ষ। পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনায় নিয়ে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। এদিকে সোমবার সন্ধ্যায় কাতার এয়ারওয়েজের একটি বিমানে করে ৬৮ জন ইতালির যাত্রীসহ ৯২ জন দেশে ফেরেন। বিমানবন্দর থেকে তাদের আশকোনার হজক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়।
রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশে আরও তিনজনের মধ্যে নতুন করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে। যারা এর আগে আক্রান্ত এক প্রবাসীর পরিবারের সদস্য।
সোমবার করোনা সংক্রান্ত নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়ে তিনি বলেন, নতুন আক্রান্তদের মধ্যে দু’জন শিশু। এ তিনজনের একজন ২৫ বছর বয়সী নারী, একজন ছয় বছর বয়সী মেয়ে এবং একজন দুই বছর বয়সী ছেলেশিশু। দুই শিশুর জ্বর-সর্দি, কাশির সুস্পষ্ট লক্ষণ ছিল।
বরিশাল : ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল বিভাগের ১৭ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। এর আগে ৩১ জন হোম কোয়ারেন্টিনে ছিলেন। বর্তমানে বরিশাল জেলায় ১২, ঝালকাঠি জেলায় ৮, পটুয়াখালী জেলায় ১৯, পিরোজপুরে ৩, বরগুনায় ৩ এবং ভোলায় ৩ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। এদিকে বরিশালে আত্মগোপনে থাকা সেই প্রবাসী আবারও কোয়ারেন্টিনে ফিরেছেন। করোনা প্রতিরোধে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে।
করোনা সন্দেহ হলে কী করবেন?
করোনা সন্দেহ হলে – কী করবেন? আসুন জেনে নিই করোনাভাইরাস সন্দেহ হলে যা করবেন-
১. করোনাভাইরাস সন্দেহ হলে একা একা সারাসরি হাসপাতালে যাবেন না। ২. ফোনে হাসপাতালে চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করে পরামর্শ নিতে পারেন।
২. জ্বর-সর্দি-কাশি ১০ দিনের মধ্যে ভালো না হলে করোনা পরীক্ষা করাতে হবে।
৩. করোনা ধরা পড়লে শরীরের অবস্থা বুঝে চিকিৎসা নিন। হাসপাতালে থাকবেন নাকি বাড়িতে তা চিকিৎসকের কাছে জেনে নিন।
৪. করোনা ধরা পড়ার অন্তত ১৪ দিন বিশ্রাম নিতে হবে ও প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র খেতে হবে।
তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা
আইইডিসিআরের টিম গিয়ে তার কাছ থেকে নমুনা সংগ্রহ করে আনবে। হটলাইন নম্বর ৩৩৩, স্বাস্থ্য অধিদফতরের স্বাস্থ্য বাতায়নের হটলাইন নম্বর ১৬২৬৩, আইইডিসিআরের হটলাইন নম্বর ০১৫৫০০৬৪৯০১, ০১৫৫০০৬৪৯০২, ০১৫৫০০৬৪৯০৩, ০১৫৫০০৬৪৯০৪, ০১৫৫০০৬৪৯০৫, ০১৪০১১৮৪৫৫১, ০১৪০১১৮৪৫৫৪, ০১৪০১১৮৪৫৫৫, ০১৪০১১৮৪৫৫৬, ০১৪০১১৮৪৫৫৯, ০১৪০১১৮৪৫৬০, ০১৪০১১৮৪৫৬৩, ০১৪০১১৮৪৫৬৮, ০১৯২৭৭১১৭৮৪, ০১৯২৭৭১১৭৮৫, ০১৯৩৭০০০০১১, ০১৯৩৭১১০০১১। প্রত্যেকটি নম্বর একজন চিকিৎসকের সংঙ্গে সংযুক্ত। তারা ফোনকারীর কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।