Anee's Dream shop

Anee's Dream shop সততাই প্রাপ্তি ❤️

21/12/2023

আপনারা কি কখনো শীতের দিনে ধোঁয়া ওঠা গরম ভাতের সাথে এক চামচ ঘি,কাঁচা লঙ্কা আর এক চিমটি লবণ দিয়ে ভাত মেখে খেয়েছেন?যদি না খেয়ে থাকেন তবে আজই খেয়ে দেখুন এই সামান্য মেনু যে কতটা মজার হতে পারে। কিন্তু এর জন্য দরকার এক নাম্বার খাঁটি প্রিমিয়াম ঘি যা পাওয়া যাবে শুধুমাত্র Anee's Dream shop এ।তাই দেরি না করে এখনই ইনবক্স করুন।

তিনটি মোবাইল সেট বিক্রি করা হবে Samsung j7 prime Huawei y5 Huawei y3 আগ্রহীরা 01711115133 নাম্বারে যোগাযোগ করুন।
21/12/2023

তিনটি মোবাইল সেট বিক্রি করা হবে
Samsung j7 prime
Huawei y5
Huawei y3
আগ্রহীরা 01711115133 নাম্বারে যোগাযোগ করুন।

ওজন কমানোর কথা ভাবছেন? তবে আজই অর্ডার করে ফেলুন গৌরনদির এক নাম্বার খাঁটি গাওয়া প্রিমিয়াম ঘি Anee's Dream shop  থেকে।,তার...
05/11/2023

ওজন কমানোর কথা ভাবছেন? তবে আজই অর্ডার করে ফেলুন গৌরনদির এক নাম্বার খাঁটি গাওয়া প্রিমিয়াম ঘি Anee's Dream shop থেকে।,তার আগে ঘি নিয়ে কিছু কথা জেনে নেই.......

‘ঘি’ শব্দটি সংস্কৃত শব্দ, যার অনুবাদ ‘ছিটানো’। এটি এক ধরনের মাখন যা দুধ থেকে বের করা হয়। গরম আবহাওয়ায় মাখন প্রায়ই নষ্ট হয়ে যেত। ঘি আবিস্কারের ফলে এই সমস্যার সমাধান হয়ে গিয়েছে। ঘি’তে দুধের কঠিন পদার্থ থাকে না, তাই এটিকে হিমায়নের প্রয়োজন হয় না। কয়েক সপ্তাহের জন্য ঘি ঘরের তাপমাত্রায় রাখা যেতে পারে।

ম্যাক্রোবায়োটিক নিউট্রিশনিস্ট এবং হেলথ প্র্যাকটিশনার শিল্পা অরোরা লাইফস্টাইল এশিয়াকে একটি সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, ঘিতে রয়েছে চর্বি-দ্রবণীয় ভিটামিন। যা ওজন কমাতে সাহায্য করে। হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখে। স্বাস্থ্যকর কোলেস্টেরল বজায় রাখতেও ঘি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

এর বাইরেও ঘি এর রয়েছে বেশ কিছু উপকারিতা, লাইফস্টাইল এশিয়া জানিয়েছে সেগুলো। তাই চেষ্টা করুন প্রতিদিন অল্প পরিমাণ হলেও ঘি খাওয়া।

নাক আটকানো সারায়

আয়ুর্বেদ অনুসারে, ঘি আপনার শরীরকে ভেতর থেকে উষ্ণ রাখতে সাহায্য করে। এটি নাক আটকে থাকা নিরাময় করতেও সাহায্য করে। ঠাণ্ডার জন্য ন্যাস চিকিৎসা আয়ুর্বেদে খুবই কার্যকরী উপায়। এই চিকিৎসার জন্য সকালে প্রথমে কয়েক ফোঁটা উষ্ণ খাঁটি গরুর ঘি নাসারন্ধ্রে ঢেলে দেওয়া হয়। নাক বন্ধ থাকলে এটি সঙ্গে সঙ্গে ফলাফল দিবে।

অন্ত্রের প্রদাহ কমায়

ক্ল্যারিফাইড মাখন বা ঘি বুট্রিক অ্যাসিডের একটি বড় উৎস। এই ফ্যাটি অ্যাসিড প্রদাহের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। এটি বিভিন্ন রোগের সাথে লড়াই করে টি-কোষ তৈরি করে। যা হজম শক্তি বৃদ্ধি করে।

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে

চিকিৎসকরা পরামর্শ দেন যে, দুধ এবং ঘি কোষ্ঠকাঠিন্যের জন্য একটি কার্যকর প্রতিকার। এক কাপ গরম দুধে এক বা দুই চা চামচ ঘি মিশিয়ে ঘুমানোর আগে খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়।

ত্বকের পুষ্টি

ত্বকের জন্য ঘি পুষ্টিকর এজেন্ট হিসাবে কাজ করে। ঘি আপনাকে নরম এবং কোমল ত্বক প্রদান করবে। এটি সব ধরনের ত্বকের জন্য উপযোগী। ত্বকের কোষকে হাইড্রেশন প্রদান করে। একটি পাত্রে দুই টেবিল চামচ বেসন,ঘি এবং পানি মিশিয়ে নিন। মাস্কটি ২০ মিনিটের জন্য মুখে লাগান। মুখের জেল্লা বাড়াতে সপ্তাহে ৩ দিন মাস্কটি লাগান।

চুলের জন্য ঘি

ঘি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ। এটি চুলে লাগালে মাথার ত্বকের আর্দ্রতা লক করতে পারে। ঘি মাথার ত্বককে মসৃণ রাখে। কম জ্বালা অনুভব করতে সহায়তা করে। ঘি ব্যবহারে চুলে কম তেল লাগে। চুল দেখায় আরও প্রাণবন্ত।

হাড় মজবুত

ঘিতে ভিটামিন কে রয়েছে। এটি ক্যালসিয়াম শোষণে সাহায্য করে। হাড়কে করে মজবুত। দাঁতের ক্ষয় রোধেও সাহায্য করে।

ওজন কমাতে

ঘিতে থাকা লিনোলিক অ্যাসিড স্থূলতার বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে। এটি অপরিহার্য অ্যামিনো অ্যাসিড, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ডকোসাহেক্সায়েনোইক অ্যাসিড (ডিএইচএ) এবং ওমেগা-৬ (সিএলএ) দ্বারা পরিপূর্ণ। এই স্বাস্থ্যকর চর্বি শরীরের অতিরিক্ত চর্বি দূর করে। ঘি চর্বি কোষ পুড়িয়ে শরীরে অতিরিক্ত শক্তি যোগায়।

ঘি খাওয়ার উপকারিতা

ঘিতে কনজুগেটেড লিনোলিক অ্যাসিড থাকে। যা পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট যা চর্বি কমাতে সাহায্য করে। দুগ্ধজাত উপাদানে যাদের অ্যালার্জি বা সংবেদনশীলতা রয়েছে তাদের জন্য ঘি, মাখনের চেয়ে ভাল। চেষ্টা করুন প্রতিদিন এক বা দুই টেবিল চামচ ঘি খাওয়ার।

😊
18/10/2023

😊

আপনার শিশু আপনার নিকট সবচেয়ে মুল্যবান তাই শিশুর জন্য ঘি কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা জেনে নিন।

শিশুর খাবারে ৬ মাসের আগ পর্যন্ত মায়ের বুকের দুধ ছাড়া অন্য কোনো খাবার খাওয়ানো মোটেই উচিত নয়। ৬ মাস হওয়ার পর শিশুর খাবারে যে পুষ্টিকর খাবারগুলো অন্তর্ভুক্ত করা উচিত, সেসব খাবারের মধ্যে ঘি একটি। শিশুর বিকাশে ঘি এর পুষ্টিগুণ অনেক। শিশুর খাবারে ঘি রাখার যত উপকারিতা রয়েছে তা অন্যান্য খাবার থেকে পাওয়া যায় না। কিন্তু আমাদের দেশে শিশুদেরকে ঘি খাওয়ানোর প্রচলন খুব একটা দেখা যায় না বললেই চলে।

কিন্তু আপনার আদরের সন্তানকে ঘি না দিয়ে তার বিকাশে কোনো বাঁধা সৃষ্টি করছেন না তো? জেনে নিন শিশুর খাবারে ঘি এর গুণাগুণ



শিশুর খাবারে ঘি
ঘি হচ্ছে মাখনের উপাদান যার বেশিরভাগই দুধ। গরু, মহিষ ও ছাগলের দুধ থেকে ঘি তৈরি করা হয়। যার প্রায় ৯৯%-ই দুধের উপাদান। দুধে যেমন অনেক পুষ্টিগুণ রয়েছে, ঘি-য়েও তেমন গুণ পাওয়া যায়। ঘি – তে থাকে ভিটামিন-এ, ভিটামিন-ডি, ভিটামিন-ই, ভিটামিন-কে, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ফসফরাস, সোডিয়াম, ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি এসিড, ওমেগা-নাইন, লিপিড, প্রোটিন, ভালো মাত্রার ক্যালরি ও দুধ থেকে প্রাপ্ত স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ও এন্টিঅক্সিডেন্ট।

এই পুষ্টি উপাদান গুলো শিশুর বিকাশে ব্যাপক ভূমিকা রাখে। দরকারী এই পুষ্টি উপাদান গুলো আপনার বাচ্চাকে দিতে চাইলে অবশ্যই তার খাবারে ঘি রাখুন।

শুধু শিশুর খাবারেই নয়, অতীতকাল থেকে ঘি এর বিভিন্ন ব্যবহার চলে আসছে। খাবারের স্বাদ বৃদ্ধিতে, শরীর মালিশের কাজে, রোগের চিকিৎসা সহ বিভিন্ন কাজে ঘি-য়ের সুনাম রয়েছে।

ঘি শিশুর পরিপূর্ণ বিকাশে সহায়ক খাবার। এত পুষ্টি উপাদান যুক্ত খাবারটি শিশুকে খাওয়ানো বাদ দিবেন না।

শিশুর জন্য ঘি এর উপকারিতা গুলো :

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি

অন্যান্য দুধের চেয়ে গরুর দুধের ঘি বেশি উপকারী। কারণ তাতে থাকে লিপিড ও প্রোটিন যা সরাসরি দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতায় যুক্ত হয়ে ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলে। আরও রয়েছে বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজ উপাদান। যার ফলে আপনার কলিজার টুকরা শিশু বিভিন্ন রোগে সহজে আক্রান্ত হওয়ার হাত থেকে দূরে থাকে। এবং আস্তে আস্তে তার দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠে।

হাড় গঠন

কোমল হাড়ের অধিকারী শিশুর বেড়ে ওঠার জন্য তার দেহের হাড়গুলোর গঠনও সবল হতে হয়। ঘি – তে রয়েছে ভিটামিন-ডি ও ক্যালসিয়াম যা হাড় গঠনে খুবই কার্যকর।

ব্রেইনের বিকাশ

জন্মের পর প্রথম এক বছরে শিশুর ব্রেইন গঠন হতে থাকে। ব্রেইন গঠনে ভিটামিন, ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি এসিড, ফ্যাট অতি প্রয়োজনীয় উপাদান। এই উপাদান গুলো পাওয়া ঘি – তে। ফলে শিশুর মেধা বিকাশে এটি সাহায্য করে।

ওজন বৃদ্ধিতে

কোন বয়সে শিশুর ওজন কত হওয়া উচিত তা জেনে নিন। শিশুর ওজন যদি বয়সের অনুপাতে না হয়, তাহলে শিশুকে অন্যান্য খাবারের সাথে ঘি দিন। ঘি দ্রুত ওজন বাড়াতে কার্যকর। কারণ এতে থাকে ফ্যাট, ভিটামিন, ওমেগা-থ্রি। ওজন বাড়ানোর জন্য ফ্যাট কার্যকর উপাদান।

শিশুর পেট ভালো রাখতে

শিশুর পাকস্থলী থাকে দূর্বল ও ছোট। এই ছোট পাকস্থলীতে সব খাবার সয় না। যার কারণে দেখা যায় কিছুদিন পরপরই শিশু পেটের অসুখে আক্রান্ত হচ্ছে। এই অবস্থা থেকে বাঁচাতে তার খাবারে ঘি রাখুন। লিপিড ও ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি এসিড পরিপাকতন্ত্র, অন্ত্র, পাকস্থলীর সুরক্ষায় দারুণ কার্যকর। যা আপনি পাবেন ঘি – তে।

শিশুর কাশি থামাতে

প্রায়ই দেখা যায় অনেক শিশু শুকনো কাশিতে খকখক করে কাশছে। যা শিশুর জন্য কষ্টকর। তাকে এই কষ্ট থেকে স্বস্তি দিতে নিয়মিত তাকে ঘি খেতে দিন। কয়েকদিনের মধ্যেই তার এই কষ্ট লাঘব হবে।

মালিশ করতে

বেড়ে ওঠার সময়টুকুতে শিশু হামাগুড়ি, হাঁটাচলা করতে শিখে। হাড় যদি ঠিকমতো শক্ত ও সবল না হয়, তাহলে শিশুর নড়াচড়ায় তা ক্ষতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে। তার হাড়ের সবলতা ও নমনীয়তা বাড়াতে খাওয়ানোর পাশাপাশি ঘি শরীরে মালিশ করলেও তা হাড়ের জন্য ভালো।

বিভিন্ন ইনফেকশন থেকে মুক্ত রাখতে

যার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী থাকে, সে কখনও সহজে কোনো রোগ কিংবা ইনফেকশনে পড়ে না। ঘি যেহেতু রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে উন্নত করতে কাজ করে, সেহেতু অন্যান্য রোগ থেকেও এটি শিশুকে দূরে রাখতে ভূমিকা পালন করে।

শিশুর ত্বক ভালো রাখতে

ওমেগা-থ্রি, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ও কিছু এন্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় শিশুর ত্বক থেকে ব্রণ, ফুসকুড়ি, চামড়া ছিলে যাওয়ার মতো স্কিনের সমস্যা দূরে থাকে। ত্বক হয়ে ওঠে নরম, কোমল ও মসৃণ।

হরমোনের স্বাভাবিকতায়

হরমোনের নিঃসরণ ঠিকমতো না হলে, অস্বাভাবিক মাত্রায় হরমোন কাজ করলে শিশুর শারীরিক ও মানসিক বৃদ্ধির উপর খারাপ প্রভাব পড়ে। ঘি – তে থাকা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উপাদান গুলো হরমোনের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখে।

শক্তি বাড়াতে

ঘি – তে পুষ্টি উপাদান গুলোর পাশাপাশি ভালো মানের ক্যালরি পাওয়া যায়। যা শিশুকে আরও সবল ও শক্তিশালী করে তুলবে।

কৃত্তিম দুধ দিয়ে বানানো ঘি খাওয়ানো হলে আসল ঘি এর পুষ্টিগুণ পাওয়া যাবে না। কৃত্রিম দুধে রাসায়নিক থাকলে তা বিভিন্ন শারীরিক সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।

আমরা সবসময় শিশুর প্রতি যত্নশীল। শিশুর খাবারে ঘি এর প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেই আমরা ঘি তৈরি করি। তাই আমাদের কাছ থেকে নিশ্চিন্তে ঘি নিতে পারেন।তাই দেরি না করে আজই অর্ডার করে ফেলুন।

আপনার শিশু আপনার নিকট সবচেয়ে মুল্যবান তাই শিশুর জন্য ঘি কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা জেনে নিন।শিশুর খাবারে ৬ মাসের আগ পর্যন্ত মা...
18/10/2023

আপনার শিশু আপনার নিকট সবচেয়ে মুল্যবান তাই শিশুর জন্য ঘি কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা জেনে নিন।

শিশুর খাবারে ৬ মাসের আগ পর্যন্ত মায়ের বুকের দুধ ছাড়া অন্য কোনো খাবার খাওয়ানো মোটেই উচিত নয়। ৬ মাস হওয়ার পর শিশুর খাবারে যে পুষ্টিকর খাবারগুলো অন্তর্ভুক্ত করা উচিত, সেসব খাবারের মধ্যে ঘি একটি। শিশুর বিকাশে ঘি এর পুষ্টিগুণ অনেক। শিশুর খাবারে ঘি রাখার যত উপকারিতা রয়েছে তা অন্যান্য খাবার থেকে পাওয়া যায় না। কিন্তু আমাদের দেশে শিশুদেরকে ঘি খাওয়ানোর প্রচলন খুব একটা দেখা যায় না বললেই চলে।

কিন্তু আপনার আদরের সন্তানকে ঘি না দিয়ে তার বিকাশে কোনো বাঁধা সৃষ্টি করছেন না তো? জেনে নিন শিশুর খাবারে ঘি এর গুণাগুণ



শিশুর খাবারে ঘি
ঘি হচ্ছে মাখনের উপাদান যার বেশিরভাগই দুধ। গরু, মহিষ ও ছাগলের দুধ থেকে ঘি তৈরি করা হয়। যার প্রায় ৯৯%-ই দুধের উপাদান। দুধে যেমন অনেক পুষ্টিগুণ রয়েছে, ঘি-য়েও তেমন গুণ পাওয়া যায়। ঘি – তে থাকে ভিটামিন-এ, ভিটামিন-ডি, ভিটামিন-ই, ভিটামিন-কে, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ফসফরাস, সোডিয়াম, ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি এসিড, ওমেগা-নাইন, লিপিড, প্রোটিন, ভালো মাত্রার ক্যালরি ও দুধ থেকে প্রাপ্ত স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ও এন্টিঅক্সিডেন্ট।

এই পুষ্টি উপাদান গুলো শিশুর বিকাশে ব্যাপক ভূমিকা রাখে। দরকারী এই পুষ্টি উপাদান গুলো আপনার বাচ্চাকে দিতে চাইলে অবশ্যই তার খাবারে ঘি রাখুন।

শুধু শিশুর খাবারেই নয়, অতীতকাল থেকে ঘি এর বিভিন্ন ব্যবহার চলে আসছে। খাবারের স্বাদ বৃদ্ধিতে, শরীর মালিশের কাজে, রোগের চিকিৎসা সহ বিভিন্ন কাজে ঘি-য়ের সুনাম রয়েছে।

ঘি শিশুর পরিপূর্ণ বিকাশে সহায়ক খাবার। এত পুষ্টি উপাদান যুক্ত খাবারটি শিশুকে খাওয়ানো বাদ দিবেন না।

শিশুর জন্য ঘি এর উপকারিতা গুলো :

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি

অন্যান্য দুধের চেয়ে গরুর দুধের ঘি বেশি উপকারী। কারণ তাতে থাকে লিপিড ও প্রোটিন যা সরাসরি দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতায় যুক্ত হয়ে ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলে। আরও রয়েছে বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজ উপাদান। যার ফলে আপনার কলিজার টুকরা শিশু বিভিন্ন রোগে সহজে আক্রান্ত হওয়ার হাত থেকে দূরে থাকে। এবং আস্তে আস্তে তার দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠে।

হাড় গঠন

কোমল হাড়ের অধিকারী শিশুর বেড়ে ওঠার জন্য তার দেহের হাড়গুলোর গঠনও সবল হতে হয়। ঘি – তে রয়েছে ভিটামিন-ডি ও ক্যালসিয়াম যা হাড় গঠনে খুবই কার্যকর।

ব্রেইনের বিকাশ

জন্মের পর প্রথম এক বছরে শিশুর ব্রেইন গঠন হতে থাকে। ব্রেইন গঠনে ভিটামিন, ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি এসিড, ফ্যাট অতি প্রয়োজনীয় উপাদান। এই উপাদান গুলো পাওয়া ঘি – তে। ফলে শিশুর মেধা বিকাশে এটি সাহায্য করে।

ওজন বৃদ্ধিতে

কোন বয়সে শিশুর ওজন কত হওয়া উচিত তা জেনে নিন। শিশুর ওজন যদি বয়সের অনুপাতে না হয়, তাহলে শিশুকে অন্যান্য খাবারের সাথে ঘি দিন। ঘি দ্রুত ওজন বাড়াতে কার্যকর। কারণ এতে থাকে ফ্যাট, ভিটামিন, ওমেগা-থ্রি। ওজন বাড়ানোর জন্য ফ্যাট কার্যকর উপাদান।

শিশুর পেট ভালো রাখতে

শিশুর পাকস্থলী থাকে দূর্বল ও ছোট। এই ছোট পাকস্থলীতে সব খাবার সয় না। যার কারণে দেখা যায় কিছুদিন পরপরই শিশু পেটের অসুখে আক্রান্ত হচ্ছে। এই অবস্থা থেকে বাঁচাতে তার খাবারে ঘি রাখুন। লিপিড ও ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি এসিড পরিপাকতন্ত্র, অন্ত্র, পাকস্থলীর সুরক্ষায় দারুণ কার্যকর। যা আপনি পাবেন ঘি – তে।

শিশুর কাশি থামাতে

প্রায়ই দেখা যায় অনেক শিশু শুকনো কাশিতে খকখক করে কাশছে। যা শিশুর জন্য কষ্টকর। তাকে এই কষ্ট থেকে স্বস্তি দিতে নিয়মিত তাকে ঘি খেতে দিন। কয়েকদিনের মধ্যেই তার এই কষ্ট লাঘব হবে।

মালিশ করতে

বেড়ে ওঠার সময়টুকুতে শিশু হামাগুড়ি, হাঁটাচলা করতে শিখে। হাড় যদি ঠিকমতো শক্ত ও সবল না হয়, তাহলে শিশুর নড়াচড়ায় তা ক্ষতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে। তার হাড়ের সবলতা ও নমনীয়তা বাড়াতে খাওয়ানোর পাশাপাশি ঘি শরীরে মালিশ করলেও তা হাড়ের জন্য ভালো।

বিভিন্ন ইনফেকশন থেকে মুক্ত রাখতে

যার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী থাকে, সে কখনও সহজে কোনো রোগ কিংবা ইনফেকশনে পড়ে না। ঘি যেহেতু রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে উন্নত করতে কাজ করে, সেহেতু অন্যান্য রোগ থেকেও এটি শিশুকে দূরে রাখতে ভূমিকা পালন করে।

শিশুর ত্বক ভালো রাখতে

ওমেগা-থ্রি, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ও কিছু এন্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় শিশুর ত্বক থেকে ব্রণ, ফুসকুড়ি, চামড়া ছিলে যাওয়ার মতো স্কিনের সমস্যা দূরে থাকে। ত্বক হয়ে ওঠে নরম, কোমল ও মসৃণ।

হরমোনের স্বাভাবিকতায়

হরমোনের নিঃসরণ ঠিকমতো না হলে, অস্বাভাবিক মাত্রায় হরমোন কাজ করলে শিশুর শারীরিক ও মানসিক বৃদ্ধির উপর খারাপ প্রভাব পড়ে। ঘি – তে থাকা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উপাদান গুলো হরমোনের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখে।

শক্তি বাড়াতে

ঘি – তে পুষ্টি উপাদান গুলোর পাশাপাশি ভালো মানের ক্যালরি পাওয়া যায়। যা শিশুকে আরও সবল ও শক্তিশালী করে তুলবে।

কৃত্তিম দুধ দিয়ে বানানো ঘি খাওয়ানো হলে আসল ঘি এর পুষ্টিগুণ পাওয়া যাবে না। কৃত্রিম দুধে রাসায়নিক থাকলে তা বিভিন্ন শারীরিক সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।

আমরা সবসময় শিশুর প্রতি যত্নশীল। শিশুর খাবারে ঘি এর প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেই আমরা ঘি তৈরি করি। তাই আমাদের কাছ থেকে নিশ্চিন্তে ঘি নিতে পারেন।তাই দেরি না করে আজই অর্ডার করে ফেলুন।

ফ্রি,ফ্রি,ফ্রি:বরিশালে ডেলিভারি চার্জ একদম ফ্রি।গ্যারান্টি দিয়ে ঘি বিক্রি,ভালো না লাগলে টাকা ফেরত।খাঁটি গাওয়া ঘি।এবার বল...
17/10/2023

ফ্রি,ফ্রি,ফ্রি:বরিশালে ডেলিভারি চার্জ একদম ফ্রি।
গ্যারান্টি দিয়ে ঘি বিক্রি,ভালো না লাগলে টাকা ফেরত।খাঁটি গাওয়া ঘি।এবার বলি ঘি নিয়ে কিছু কথা:

ঘি খাওয়ার উপকারিতা

ঘিতে রয়েছে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, সেলেনিয়াম, জিঙ্ক এবং আয়রন যা যেকোনো ঋতুতে স্বাস্থ্যকর হাড়, ত্বক ও চুল বজায় রাখতে সাহায্য করে। এটি রক্তশূন্যতার মতো রোগ থেকেও রক্ষা করে। তাই ঋতু যাই হোক না কেন প্রতিদিন ঘি খাওয়া উচিত। ঘি শুধু আপনার স্বাস্থ্যের উন্নতিই করে না খাবারের স্বাদও বাড়ায়।গরুর দুধের তৈরি ঘি কোলেস্টেরলের সমস্যার চিকিৎসায় খুবই উপকারী।

গরম ভাতে ঘি খাওয়ার অভ্যাস থাকলে তা আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘি তখনই শরীরের ক্ষতি করবে যখন তা অতিরিক্ত পরিমাণে খাওয়া হয় ।
মাখনের চেয়ে ঘি বেশি স্বাস্থ্যকর
ঘি খেলে পাবেন অনেক উপকার, বাড়বে না ওজন! এতে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি ভাইরাল উপাদান থাকে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হলে ঘি খাওয়া উচিত।

প্রতিদিন সকালে এক বা দুই চা-চামচ ঘি খাওয়া যেতে পারে। এরপর গ্রিন টি বা সাধারণ চা ও কফি খেলে উপকার পাওয়া যায়।
ঘি ওজন কামানো থেকে শুরু করে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে, ঘি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ।
শীতে ঘিয়ের উপকারিতা অনেক,
সবজির তরকারিতে বা এক চা চামচ করে নিয়মিত ঘি খাওয়ার ফলে শরীরে অভ্যন্তর থেকে উষ্ণতা বজায় থাকে।ঘিয়ের উপকারিতা এত বেশি, যে এটিকে বিশেষজ্ঞরা সুপারফুড হিসেবেও বলে থাকেন।

তাই দেরি না করে এখনি সুস্বাদু ঘি order করতে inbox করুন।

ধন্যবাদ।

Address

Motin Villa, Halima Khatun School Lane, Bottola
Barishal

Telephone

+8801711118221

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Anee's Dream shop posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Anee's Dream shop:

Share