Confidence Computer Training Center

Confidence Computer Training Center Confidence Computer Training Cente

র‌্যাম কাকে বলে? র‌্যাম কত প্রকার ও কি কি? (RAM in Bengali)র‌্যাম কাকে বলে? (What is called RAM in Bengali/Bangla?)মাদার...
11/10/2022

র‌্যাম কাকে বলে? র‌্যাম কত প্রকার ও কি কি? (RAM in Bengali)
র‌্যাম কাকে বলে? (What is called RAM in Bengali/Bangla?)
মাদারবোর্ডের সাথে সরাসরি সংযুক্ত যে মেমোরিতে রিড (পঠন) এবং রাইট (লিখন) দুটি কাজই সম্পন্ন করা যায় সে মেমোরিকে র‌্যাম (RAM) বলে।

এটি একটি অস্থায়ী মেমোরি। কম্পিউটারে যতক্ষণ বিদ্যুৎ প্রবাহ চালু থাকে, ততক্ষণ র‌্যামে তথ্যসমূহ সংরক্ষিত থাকে। বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে র‌্যাম তার সমস্ত তথ্য মুছে ফেলে। এজন্য র‌্যামকে কম্পিউটারের অস্থায়ী (Volatile) মেমোরি বলা হয়। এছাড়া র‌্যামকে মেইন স্টোরেজ (Main Sotrage) এবং কোর স্টোরেজ (Core Storage) হিসেবেও অভিহিত করা হয়। র‌্যাম হচ্ছে কম্পিউটারের কর্ম এলাকা। মাইক্রোপ্রসেসর প্রাথমিকভাবে র্যাম এলাকায় প্রয়োজনীয় তথ্য জমা করে। মাইক্রোপ্রসেসর সরাসরি র‌্যামের জন্য জানা অবস্থান বা ঠিকানা থেকে তথ্য সংগ্রহ করে বা তথ্য প্রক্রিয়াজাত করে। এখানে সরাসরি তথ্য সংগ্রহের জন্য যাওয়া যায় বলে একে Random Access Memory বলা হয়।

র‌্যাম এর বৈশিষ্ট্য (Characteristics of RAM)

র‌্যামের বৈশিষ্ট্য নিম্নে তুলে ধরা হলো–
১. এটি একটি লিখন ও পঠন স্মৃতি।
২. এটি একটি অস্থায়ী বা ক্ষণস্থায়ী মেমোরি বা স্মৃতি।
৩. বিদ্যুৎ প্রবাহ চালু হলে RAM স্মৃতি সচল হয় এবং বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হলে RAM স্মৃতির তথ্য মুছে যায়।
৪. এর তথ্যকে পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করে পুনরায় সংরক্ষণ করা যায়।
৫. RAM-এর সঞ্চিত তথ্যের ভিত্তিতে কাজ করা যায় বিধায় RAM-এ সঞ্চিত যেকোনো তথ্য বা প্রোগ্রাম মুছে নতুন সমস্যা সমাধানের জন্য তথ্য বা প্রোগ্রাম সঞ্চয় করা যায়।

৬. RAM স্মৃতির কোষ থেকে তথ্য আনতে যে সময় লাগে RAM স্মৃতির কোষে তথ্য জমা রাখতেও ঠিক একই সময় লাগে।
৭. RAM-এ সঞ্চিত তথ্যের ভিত্তিতে কাজ করা যায়। RAM-এ সঞ্চিত যেকোনো তথ্য মোছা যায় এবং নতুন তথ্য সঞ্চয় করা যায়।
র‌্যামের প্রকারভেদ (Types of RAM)

RAM বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে। যথা :
i. নিশ্চল/গতিশূন্য র‌্যাম (Static RAM);
ii. গতিশীল র‌্যাম (Dynamic RAM);
iii. TTL RAM;
iv. CMOS RAM;
v. SIMM RAM ইত্যাদি।

মাদারবোর্ড কাহাকে বলে মাদারবোর্ড দিয়ে কি হয় মাদারবোর্ড হল কম্পিউটারের প্রধান মুদ্রিত circuit board । যার সাহায্যে কম্প...
06/10/2022

মাদারবোর্ড কাহাকে বলে মাদারবোর্ড দিয়ে কি হয়

মাদারবোর্ড হল কম্পিউটারের প্রধান মুদ্রিত circuit board । যার সাহায্যে কম্পিউটারের গুরুত্বপূর্ণ হার্ডওয়্যার (যেমন CPU, Ram, hard drive ইত্যাদি) গুলি ধরে রাখে এবং তাদের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপনের কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে।

০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০
মাদারবোর্ড হল ব্যক্তিগত কম্পিউটারের মতো জটিল ইলেকট্রনিক সিস্টেম এর মূল সার্কিট বোর্ড (পিসিবি)। মাদরবোর্ডকে কখনও কখনও মেইনবোর্ড বা সিস্টেম বোর্ড -ও বলা হয়। তবে ম্যাকিনটোশ কম্পিউটারে এটিকে লজিকবোর্ড বলা হয়। মাদারবোর্ডের মাধ্যমে কম্পিউটারের সকল যন্ত্রাংশকে একে অপরের সাথে সংযুক্ত করা হয়।

03/10/2022
03/10/2022

ফ্রিল্যান্সিং কাহাকে বলে?

সোজা ভাবে বললে, ফ্রিল্যান্সিং এমন একটি আলাদা মাধ্যম বা উপায়, যার দ্বারা আপনারা অনলাইন কাজ করে টাকা আয় করতে পারবেন। এমনিতে, একটি চাকরি (job) করা ব্যক্তিকে সকাল ১০ থেকে বিকেল ৬ অব্দি অফিসে গিয়ে এক ধরণের কাজ করতেই হবে। কিন্তু, freelancing এর মাধ্যমে কাজ করা লোকেরা স্বনির্ভর (self-employed) থাকেন।

03/10/2022

ফ্রিল্যান্সিং কি (freelancing ki?)

ফ্রিল্যান্সার কে কোন কোম্পানি অনলাইন বা অফলাইনে মারফত ভাড়া করে, কাজ আদায় করার পর টাকা মিটিয়ে দিয়ে থাকে। ফ্রিল্যান্সিং কাজ যারা করে তাদের ফ্রিল্যান্সার বলা হয়।

03/10/2022

আউটসোর্সিং কাহা কে বলে?

কম্পিউটার ও ইন্টারনেটের মাধ্যমে অনলাইন মার্কেটপ্লেসে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছ হতে অর্ডার নিয়ে হাজার হাজার কাজ অর্থের বিনিময়ে সম্পাদন করাকে আউটসোর্সিং বলে। আউটসোর্সিংকে ফ্রিল্যান্সিং বা উন্মুক্ত পেশা বলা হয়।

03/10/2022
03/10/2022

ফ্রিল্যান্সিং কত প্রকার
ফ্রিল্যান্সিং কাজ কত প্রকারের হতে পারে ?
বর্তমানে ইন্টারনেট-নির্ভর যুগে ফ্রীলান্সিং হল সবথেকে জনপ্রিয় জীবিকার মধ্যে একটি।

এই পৃথিবীতে এরকম অসংখ্যক ফ্রীলান্সিং পেশা রয়েছে, যা আপনি আপনার বাড়ি থেকে বসেই সেরে নিতে পারবেন।

এমন অনেক কোম্পানিও রয়েছে, যারা দক্ষ ব্যক্তিদের স্কিলগুলোর উপর ভিত্তি করে তাদের নানান ধরণের প্রজেক্ট ও পেশাগত কাজকর্ম মিটিয়ে নিতে আগ্রহী থাকে।

আজকে আমাদের এই আর্টিকেলে আমার আলোচনা করবো, এখনকার বেশ কতগুলো জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং কাজের ধরণ ও পেশাগত যোগ্যতার সম্পর্কে।

ফ্রিল্যান্সিং কি ?
কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং শিখব এবং শুরু করব ?
আপনি এই আর্টিকেল থেকে ধারণা পেয়ে যাবেন, আজকালকার সময়ের কত ধরণের ফ্রিল্যান্সিং কাজ রয়েছে ও তাদের প্রকারগুলোর সম্বন্ধে-

ফ্রিল্যান্সিং কত প্রকার ও কি কি ?
এই সময়ের বেশিরভাগ ফ্রীলান্সিং পেশাই আপনাকে ওয়ার্ক-ফ্রম-হোমের স্বাধীনতা দিয়ে থাকে।

এখানে আপনি কোনো কোম্পানির অধীনস্ত কর্মী না হয়েও, নিজে স্বাধীনভাবেই সেই কোম্পানির সাথে যুক্ত থেকে, আপনার পেশা অনুযায়ী কাজ চালিয়ে যেতে পারেন।

তাই, এখনকার দিনে সারা বিশ্বে এমন হাজার হাজার ফ্রিল্যান্স চাকরি রয়েছে, যা একজন ব্যক্তিকে অর্থ উপার্জনের সুগম পথ করে দেয়।

এর মধ্যেই বেশ কয়েকটা অতি জনপ্রিয় ফ্রীলান্সিং পেশা নিয়ে নিচে আলোচনা করা হল –

১. কপিরাইটিং ও ফ্রিল্যান্সিং রাইটিং:
ডিজিটাল যুগে মনে হয় ফ্রীলান্স রাইটিং ও কপিরাইটিং-এর চাহিদা সবথেকে বেশি।

এই ধরণের কাজে আপনাকে নানা কোম্পানি বা ক্লায়েন্টের হয়ে ডিজিটাল কনটেন্ট লিখতে হয়।

সেক্ষেত্রে, আপনি অন্য কারোর হয়ে লিখে থাকলে সেটাকে ঘোস্ট রাইটিং বলা হয়ে থাকে।

এখানে আপনাকে অন্যের জন্যে ব্লগ, আর্টিকেল, ই-বুক, বই, রিসার্চ পেপার, প্রেস রিলিস, মার্কেটিং কিংবা পি.আর বা বিজ্ঞাপনের কপি ও অন্যান্য লেখা লিখতে হতে পারে।

কনটেন্ট রাইটিং কি ?
আপনি ইন্টারনেট ব্যবহার করে নিজের ল্যাপটপ বা মোবাইল থেকেও এই ধরণের পরিষেবা দিতে পারবেন।

প্রয়োজনীয় দক্ষতা:

ভালো সৃজনশীল লেখার ক্ষমতা থাকা।
নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে লেখা শেষ করার ক্ষমতা থাকাটা দরকারি।
২. কোডিং, প্রোগ্রামিং, ডেভেলপিং:
প্রোগ্রামিং পৃথিবীর সবচেয়ে চাহিদাপূর্ণ পেশাগুলোর মধ্যে অন্যতম।

যেকোনো ব্যবসা, ক্রিয়েটিভ প্রজেক্ট ও প্রতিষ্ঠানের অনলাইন উপস্থিতি (যেমন – ওয়েবসাইট মেকিং) তৈরী করার জন্যে ব্যাপকভাবে সুদক্ষ ডেভেলপার, প্রোগ্রামার ও কোডারের উপর নির্ভর করে।

প্রায়শই, অভিজ্ঞতার উপর নির্ভর করে ফ্রিল্যান্স ডেভেলপাররা নানান ধরনের ডেভেলপিং-এর ক্ষেত্রগুলোতে বিশেষজ্ঞ হয়ে থাকেন।

ফ্রন্ট-এন্ড ডেভেলপিংয়ের ক্ষেত্রে কোড থেকে গ্রাফিক্যাল ইন্টারফেস তৈরী করতে জানাটা একান্তই আবশ্যক।

আপনি ব্যাক-এন্ড ডেভেলপার হলে আপনাকে ওয়েবসাইটের আর্কিটেচার, স্ক্রিপ্টিং ও ডাটাবেস তৈরিতে একেবারেই এক্সপার্ট হতে হবে।

কোডিং কি ?
মূলত, ওয়েব ডিজানিং ও ডেভেলপমেন্ট সম্পর্কে সম্যক ধারণা থাকা চাই।

প্রয়োজনীয় দক্ষতা:

চাহিদাপূর্ণ কোডিং ল্যাঙ্গুয়েজে (যেমন – রুবি, জাভা, এইচটিএমএল, জাভাস্ক্রিপ্ট ও ইত্যাদি) ব্যাপকভাবে পারদর্শী হতে হবে।
ড্রিমউইভার, .NET ও জাভা জাতীয় সফটওয়্যার টুলকিট সম্পর্কে জ্ঞান থাকতে হবে।
ওয়ার্ডপ্রেস জানা থাকলে তা অ্যাডেড স্কিলের মধ্যে পড়ে।
৩. গ্রাফিক ডিজানিং:
গ্রাফিক ডিজানিং বহু বছর ধরেই পৃথিবীর জনপ্রিয় পেশাগুলোর মধ্যে একটি হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।

বিশেষ করে, ভারতে মতো দেশের ফ্রিল্যান্সিং গ্রাফিক ডিসাইনারদের বেশ চাহিদা রয়েছে।

একজন ভালো গ্রাফিক ডিজাইনারের নির্দিষ্ট স্তরের কারুশিল্প ও সৃজনশীলতা থাকাটা একান্তই প্রয়োজন।

ভালো ফ্রিল্যান্স গ্রাফিক ডিজাইনার হতে গেলে আপনাকে আপনার বিশেষত্ব ও নিস্ টা (niche) সবার আগেই নির্ধারণ করতে হবে।

আপনি একজন দক্ষ টাইপগ্রাফার, টি-শার্ট ডিসাইনার হতে পারেন কিংবা কোনো এ-কমার্স স্টোরের হয়েও ডিসাইনিং করতে পারেন।

গ্রাফিক্স ডিজাইন কি ?
প্রয়োজনীয় দক্ষতা:

গ্রাফিক ডিজানিং-এর প্রফেশনাল ডিগ্রি থাকতে হবে।
ডিজানিং সম্পর্কে হাতে-কলমে জ্ঞান থাকতে হবে।
গ্রাফিক সফটওয়্যারগুলো ব্যবহারে দক্ষ হতে হবে।
৪. ভার্চুয়াল অ্যাসিসটিং:
একজন ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্টের নানান রকমের কাজ থাকতে পারে।

এই পেশাতে প্রশাসনিক সহায়তা থেকে শুরু করে গ্রাহক সহায়তা দেওয়া, ইমেলের উত্তর দেওয়া ও নিয়োগকর্তার জন্য মিটিং নির্ধারণ করা ও নানান ধরণের প্রজেক্টের কাজ পরিচালনা পর্যন্ত করতে হতে পারে।

এখানে আপনাকে লেখার বাইরেও বিভিন্ন কাজ করতে হয়, যেমন – চ্যাট সাপোর্ট দেওয়া, যোগাযোগ পরিচালনা করা, অনুসন্ধান করা, সময়সূচী পরিচালনা করা ও আরও অন্যান্য।

ফ্রিল্যান্স লেখকদের মতোই, আপনার দ্রুত শেখার দক্ষতা থাকলে ও অনলাইনে কাজ করার সামান্য ব্যবস্থা থাকলেই আপনি ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কাজ করতে পারেন।

এই পেশায় ক্লায়েন্ট অনুযায়ী আপনার প্রজেক্টের ধরণ পাল্টাতে পারে।

প্রয়োজনীয় দক্ষতা:

বেসিক রাইটিং-এর জ্ঞান থাকতে হবে।
অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ কাজের ধরণ সম্পকে জ্ঞান রাখতে হবে।
ইমেইল, সময়সূচী, মিটিং ও অ্যাপয়েন্টমেন্ট পরিচালনা করতে জানতে হবে।
৫. মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট:
কোডিং ল্যাঙ্গুয়েজের মধ্যে জাভা সম্পর্কে আপনার ভালো জ্ঞান থাকলে, আপনি ফ্রিল্যান্স মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপমেন্টকে পেশা হিসেবে বেছে নিতে পারেন।

তবে, এখানে কোডিং সম্পর্কে আপনার যথেষ্ট অভিজ্ঞতা থাকাটা দরকারি।

এছাড়াও, আপনি যদি এমএস উইন্ডোস কিংবা অ্যাপল আইওএস প্লাটফর্ম নিয়ে কাজ করে থাকেন, তবে সেক্ষেত্রে আপনার ফ্রীলান্সিং কাজ পাওয়াটা অনেকটা সহজ হবে।

এখানে মূলত আপনাকে আপনার ক্লায়েন্টের হয়ে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডিসাইন করতে হয়।

প্রয়োজনীয় দক্ষতা:

অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট সম্পর্কে আগ্রহী হতে হবে।
আগের অ্যাপ ডেভেলপমেন্টের অভিজ্ঞতা থাকাটা বাঞ্চনীয়।
৬. বুক কিপিং:
প্রথাগত অ্যাকাউন্টিং-এর পেশাতে যারা আগ্রহী তারা ফ্রিল্যান্সিংয়ের জন্যে অ্যাপ্লাই করতে পারেন।

এক্ষেত্রে, আপনাকে হিসেবে রাখায় দক্ষ হওয়ার পাশাপাশি এই বিষয় সংক্রান্ত আধুনিক সফটওয়্যার গুলোতেও পারদর্শী হতে হবে।

এমন অনেক ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান আছে, যারা তাদের ব্যবসার হিসেবপত্র রাখার জন্যে ফ্রিল্যান্স একাউন্ট্যান্ট রাখতে পছন্দ করে।

তাই, আপনি একজন হিসাবরক্ষক হিসেবে সেই কোম্পানির হয়ে এই ধরণের কাজগুলো আরামসে করে দিতে পারেন।

প্রয়োজনীয় দক্ষতা:

একাউন্টিং-এ দক্ষ হতে হবে।
এক্সেল সম্পর্কে ব্যাপক জ্ঞান থাকতে হবে।
ট্যাক্স আইন সম্পর্কে জ্ঞান ও বাণিজ্যিক সচেতনতা থাকা চাই।
আধুনিক বুককিপিং ও একাউন্টিং সফটওয়্যার সম্পর্কে জ্ঞান থাকতে হবে।
৭. ব্র্যান্ডিং ও পি.আর:
সারা পৃথিবীতে লক্ষ-লক্ষ ব্র্যান্ড সারাক্ষণ তাদের ব্র্যান্ডিং ও ইমেজ ম্যানেজমেন্টের জন্যে দক্ষ পি.আর ও ব্র্যান্ড ম্যানেজমেন্টের লোকজন হায়ার করে।

রোজদিন নিত্য-নতুন প্রজেক্ট ও প্রোডাক্ট লঞ্চের কাজের পাশাপাশি, সাধারণ জনগণের সাথে কোম্পানির ভালো সম্পর্ক গড়ে তুলতে ভালো পি.আর টিম থাকাটা সবসময়েই জরুরি।

তাই, আপনি এই চাহিদার সাথে নিজেকে তৈরী করে একজন ফ্রিল্যান্স পি.আর হিসেবে কাজ করতে পারেন।

এই পেশার মূল কাজ থাকে- ব্র্যান্ড সক্রিয়করণ, ব্র্যান্ড সচেতনতার প্রচার, আঞ্চলিক বিজ্ঞাপন পরিচালনা ও অন্যান্য।

পি.আর হতে গেলে সম্পাদনার পাশাপাশি আপনার দৃঢ় ভিজ্যুয়াল দক্ষতাতেও অভিজ্ঞ হতে হবে।

প্রয়োজনীয় দক্ষতা:

দক্ষ যোগাযোগের ও কথোপকথনের ক্ষমতা চাই।
সম্পাদনা সম্পর্কে জ্ঞান থাকতে হবে।
অভিজ্ঞ ভিসুয়ালাইজেশন জরুরি।
সৃজনশীল ও অনন্য ধারণা থাকতে হবে।
৮. এসইও প্রফেশনাল:
এসইও বা সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন বা সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং হল এখনকার মার্কেটের প্রায় সবথেকে জনপ্রিয় ফ্রীলান্সিং পেশাগুলোর মধ্যে অন্যতম।

সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশান হল একটা সম্পূর্ণ দক্ষতা-নির্ভর পেশা।

এখানে মূলত আপনাকে কোনো ওয়েবসাইটকে গুগল সার্চ রেজাল্টের শীর্ষ তালিকাতে নিয়ে যেতে হয়।

তাই, আপনাকে লিংক বিল্ডিং, ট্রাফিক জেনারেশন, পান্ডা এফেক্ট, গুগলের বিহেভিয়ার, আলগোরিদম ও আরও অন্যান্য বিষয়ে অভিজ্ঞ হতে হয়।

এমনিতে SEO মানে কি, এই বিষয়ে আমি আগেই আপনাদের বিস্তারিত আলোচনার মাধ্যমে বুঝিয়েছি।

প্রয়োজনীয় দক্ষতা:

গুগল-এর আলগোরিদমের ও এসইও টুলস সম্পর্কে মাস্টার হতে হবে।
কীওয়ার্ড ও ট্রাফিক জেনেরেশনের জ্ঞান থাকতে হবে।
গুগল অ্যাড সেন্স সম্পর্কে জানতে হবে।
৯. এইচ.আর ম্যানেজমেন্ট:
হিউম্যান রিসোর্স বা এইচ.আর পদ হল যেকোনো প্রতিষ্ঠানের একটা গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ।

এই এইচ.আরের নানারকমের ভূমিকা থাকতে পারে,

যেমন – কর্মী নিয়োগ, প্রশাসনিক দায়িত্বপালন, সিভি তৈরী, বেতন পরিচালনা ও অন্যান্য।

এই পেশাতে একজন ব্যক্তি সরাসরি কোম্পানির অফিস গিয়ে কিংবা বাড়ি থেকেও কাজ করতে পারেন।

এই ধরণের কাজে যুক্ত হতে গেলে, প্রথেমই এই কাজ-সম্পর্কে আপনাকে নূন্যতম জ্ঞান রাখতে হয়।

তাই, এই ধরণের পেশাতে ফ্রেশার কর্মীদেরও যথেষ্ট সুযোগ দেওয়া হয়।

প্রয়োজনীয় দক্ষতা:

কর্মী নিয়োগ ও পরিচালনাতে ব্যাপকভাবে অভিজ্ঞতা লাগে।
স্ট্রং নেটওয়ার্কের অধিকারী হতে হবে।
ভালো কম্যুনিকেশন স্কিল দরকার।
আকর্ষণীয় রেজ্যুমে থাকাটা বাঞ্চনীয়।
১০. ক্যাড ও 3D মডেলিং:
বর্তমানে ফ্রীলান্সিং কাজের ক্ষেত্রে দক্ষ ক্যাড ও 3D মডেলিং জানা লোকের যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে।

যদিও এই কাজটি সম্পূর্ণ দক্ষতা-নির্ভর, তা সত্ত্বেও বহু ক্লায়েন্ট ও কোম্পানি এই পেশাতে বহু অভিজ্ঞ ফ্রীলান্সার কর্মী নিযুক্ত করে থাকে।

প্রয়োজনীয় দক্ষতা:

এক্ষেত্রে একটা পেশাদারি ডিগ্রি থাকতে হবে।
ক্যাড ও 3D মডেলিং সম্পর্কে যথেষ্ট জ্ঞান থাকাটা বাধ্যতামূলক।
১১. ট্রান্সলেশন:
বিভিন্ন বিজ্ঞাপনী সংস্থা, প্রকাশক ও গ্লোবাল কর্পোরেশনগুলোর জন্য স্থানীয় কনটেন্ট প্রস্তুত করা সবচেয়ে কার্যকর বিক্রীবাটার উপায় গুলোর মধ্যে অন্যতম।

আর, এইসব আঞ্চলিক কনটেন্ট প্রস্তুত করার জন্যে, এই ধরণের কোম্পানি গুলো নানান পারদর্শী ফ্রীলান্স ট্রান্সলেটরদের খোঁজ করে।

আপনি যদি একাধিক ভাষার ক্ষেত্রে পারদর্শী হয়ে থাকেন আর আপনার কোনো ট্রান্সলেশনের ডিগ্রি থেকে থাকে, তবে এই ধরণের কাজ আপনার জন্যে খুবই উপযুক্ত।

এছাড়াও, ট্রান্সলেশন, ফ্রীলান্সারদের কাছে বেশ জনপ্রিয় একটা পেশাও বটে।

প্রয়োজনীয় দক্ষতা:

বিশ্বের বিভিন্ন ভাষার ব্যাপারে সম্পূর্ণ দক্ষতা থাকতে হবে।
সাহিত্য জ্ঞান থাকাটা বোনাস অ্যাডভান্টেজ।
১২. সোশ্যাল মিডিয়া স্পেশালিস্ট:
সোশ্যাল মিডিয়া স্পেশালিস্টরা ক্লায়েন্টের ব্যবসার প্রচারের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া কৌশল পরিকল্পনা করে।

এরা ক্লায়েন্টের টার্গেট অডিয়েন্সেরা কোন ধরণের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে থাকে, সেই নিয়ে গবেষণা করে তাদেরকে ক্লায়েন্টের ব্র্যান্ড ওয়েবসাইট দেখার জন্যে আকৃষ্ট ও প্ররোচিত করে বিজনেস বাড়াতে সাহায্য করে।

তারা এমন ধরণের বিষয়বস্তু নিয়মিত তৈরী ও শেয়ার করে যা তাদের ক্লায়েন্টের ব্যবসার অনলাইন উপস্থিতি পরিচালনা করে। আর, তার পাশাপাশি জনসাধারণের মধ্যে ব্র্যান্ড সচেতনতা তৈরী করে।

প্রয়োজনীয় দক্ষতা:

অনলাইন বিষয়বস্তুকে ব্যাপকভাবে বিশ্লেষণ করতে হবে।
সোশ্যাল মিডিয়া এনালিটিকাল টুলস ব্যবহারে দক্ষ হতে হবে।
মার্কেটিং প্রফেশনালদের সাথে সুসম্পর্ক থাকাটা জরুরি।
আমাদের শেষ কথা,,
ওপরে বলা এই পেশাগুলো ছাড়াও, আপনি গেম ডেভেলপমেন্ট, ওয়েব রিসার্চ, লিগাল সার্ভিসেস, ট্রান্সক্রিপশন, অনলাইন টিউশন, সম্পাদনা, মার্কেটিং স্পেশালিস্ট, ফোটোগ্রাফি, ভিডিওগ্রাফি, সিনেমাটোগ্রাফি, স্ক্রিপ্ট রাইটিং, বিসনেস ও মার্কেটিং কনসালটেন্ট, ও আরও অন্যান্য ফ্রীলান্সিং পেশার সাথেও আপনি বর্তমান মার্কেট পরিস্থিতি অনুযায়ী যুক্ত হতে পারেন।

আমাদের আজকের ফ্রিল্যান্সিং-এর প্রকৃতি / ফ্রিল্যান্সিং কত প্রকার নিয়ে লেখা আর্টিকেলটি এখানেই শেষ হল।

আশা করছি এখন আপনারা বুঝতেই পেরেছেন যে, ফ্রিল্যান্সিং এর কাজের ক্ষেত্রে আপনারা কত রকমের কাজ গুলো করতে পারবেন এবং অনলাইনে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

আপনারা হয়তো জানেন কম্পিউটার বিভিন্ন উপাদান দ্বারা তৈরি করা হয়। আর এই উপাদান গুলোর মধ্যে একটি হলো হার্ডডিস্ক। যারা হার্ডড...
02/10/2022

আপনারা হয়তো জানেন কম্পিউটার বিভিন্ন উপাদান দ্বারা তৈরি করা হয়। আর এই উপাদান গুলোর মধ্যে একটি হলো হার্ডডিস্ক। যারা হার্ডডিস্ক কি (what is hard disk in bangla) এই সম্পর্কে জানেন না, আজকের আর্টিকেলটি তাদের জন্য।

কারণ এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আমি হার্ডডিস্কের তথ্য বিস্তরিত ভাবে আলোচনা করবো। তাই সম্পর্ন লেখাটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।

হার্ডডিস্ক এর একটা উদারহণ দিলে আপনারা পরিস্কার ভাবে বুঝতে পারবেন। মনে করুন, আপনার ঘরে একটি আলমারি রয়েছে। আর সেই আলমারিতে আপনার সমস্ত জিনিসপত্র গুলো আলমারিতে রাখেন।

ঠিক একই ভাবে কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক হলো আপনার ঘরের আলমারির মতো। যেখানে কম্পিউটারের সমম্ত ডাটা, তথ্য গুলো এই Hard Disk এ সংরক্ষণ করে রাখা যাবে।

Hard Disk এ কম্পিউটারের সকল ছবি, ভিডিও, অডিও, ফাইল, ডকুমেন্ট, ফাইল সহ সব কিছু এই হার্ডডিস্ক এ সেব হয়ে থাকবে। যখন আমরা কম্পিউটার বন্ধ করে দিবো, তখন কম্পিউটার হার্ডডিস্ক আমাদের সকল তথ্য গুলো সেব করে রাখবে।

SSD কি? জানুন HDD এবং SSD এর মধ্যে পার্থক্য গুলো
আবার যখন আমরা কম্পিউটার চালু করবো তখন কম্পিউটার হার্ডডিস্ক এ সংরক্ষিত তথ্য গুলো আমাদের কাছে পাঠিয়ে দিবে। এভাবে hard disk তথ্য সংরক্ষিত করে রাখে।

Table of Contents
হার্ডডিস্ক কি? (What is Hard Disk in bangla)
সহজে হার্ডডিস্ক কাকে বলে?
হার্ডডিস্ক কত প্রকার ও কি কি?
PATA Hard Disk
SATA Hard Disk
SCSI Hard Disk
SSD Hard Disk
হার্ডডিস্ক কিভাবে কাজ করে?
হার্ডডিস্ক (Hard Disk) এর বৈশিষ্ট্য
হার্ডডিস্ক এর অসুবিধা
আজকে আমরা কি জানলাম
হার্ডডিস্ক কি? (What is Hard Disk in bangla)
হার্ডডিস্ক বা হার্ড ড্রাইভ হলো কম্পিউটারের ডাটা, তথ্য সংরক্ষণ করে রাখার যন্ত্র। যেখানে কম্পিউটারের তথ্য, ডাটা জমা রেখে পরবর্তী সময়ে আমরা সেটাকে আবার দেখতে বা পড়তে পারি।

হার্ডডিস্কে সমকেন্দ্রিক একাধিক চাকতি থাকে, যাকে প্লেটারস বলা হয়। এটাকে চৌম্বকীয় ধাতুর দিয়ে আচ্ছাদিত থাকে এবং প্লেটারস গুলো চৌম্বকীয় মাথার সাথে জোড়া দেওয়া থাকে।

সহজে হার্ডডিস্ক কাকে বলে?
সহজ ভাবে বলতে গেলে হার্ডডিস্ক হলো কম্পিউটারের মেমিরি। যেখানে বিভিন্ন ধরনের ডাটা, তথা জমা থাকে। আমরা মোবাইলে যেমন মেমিরি কার্ড ব্যবহার করি, ঠিক তেমনি কম্পিউটারের মেমিরি হলো হার্ডডিস্ক।

আশাকরি, বুঝতে পারছেন Hard disk কি বা কাকে বলে। এবার চলুন নিচে থেকে এই বিষয়ে আরো বিস্তরিত কিছু জেনে আসি।

হার্ডডিস্ক কত প্রকার ও কি কি?
১৯৫৬ সালে প্রথম হার্ডডিস্ক তৈরি করেছিলো Reynold এবং B Jonson. তারা দুইজন IBM কোম্পানিতে কাজ করতো। বলতে গেলে হার্ডডিস্কের ইতিহাস অনেক পুরাতন।

তবে, আগের তুলনায় বর্তমানের hard disk গুলোতে অনেক পরিবর্তন এসেছে। এই সময়ের হার্ডডিস্ক গুলোকে ৪ ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথাঃ

PATA Hard Disk
SATA Hard Disk
SCSI Hard Disk
SSD Hard Disk
চলুন নিচে থেকে আমরা এই বিষয় সম্পর্কে জেনে আসি।

PATA Hard Disk
PATA এর মানে হলো parallel advanced technology attachment. এটা অনেক পুরোনো একটি হার্ডডিস্ক যাকে তৈরি করতে অনেক সময় লেগেছে। ১৯৮৫ সাল থেকে ১৯৮৭ সালের মধ্যে এটাকে তৈরি করা হয়েছিলো।

SATA Hard Disk
SATA এর মানে হলো, serial advanced technology attachment. pata এর তুলনায় sata hard disk অনেক ভালো ছিলো এবং স্পিড ও অনেক বেশি ছিলো। এটার ডাটা স্পিড ছিলো ৫০০MB/s. আর এটাতে ছোট ছোট ক্যাবল ব্যবহার করা হয়েছিলো।

SCSI Hard Disk
SCSI এর মানে হলো, small computer system interface. এই হার্ডডিস্ক এর মাধ্যমে অনেক দ্রুত ডাটা ট্রান্সফার হতো। এটার ডাটা ট্রান্সফার স্পিড হলো ৭০০MB/s.

SSD Hard Disk
SSD এর মানে হলো, solid state drive. বর্তমান সময়ে আমরা যে হার্ডডিস্ক গুলো ব্যবহার করি সেটাই হলো SSD.

হার্ডডিস্ক কিভাবে কাজ করে?
আমরা মূলত হার্ডডিস্ক ব্যবহার করি আমাদের ডাটা বা তথ্য গুলো সংরক্ষন করে রাখার জন্য। এবং সেই সংরক্ষিত ডাটা গুলো পরবর্তীতে যেন আবার আমরা ব্যবহার করতে পারি।

কিন্ত, এই ডাটা বা তথ্য গুলো হার্ডডিস্কে কিভাবে সংরক্ষণ থাকে? বা হার্ডডিস্ক কিভাবে কাজ করে? চলুন নিচে থেকে এই সম্পর্কে জেনে আসি।

হার্ড ডিস্কে আমাদের ডাটা গুলো চির পরিচিতি রূপে জমা থাকে না। এগুলো হার্ড ডিস্কের ম্যাগনেটিক প্যাটার্নে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ভাগে গেইন হিসাবে জমা থাকে। আর এই গেইন গুলোকে চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি করে ডাটা গুলোকে জমা থাকে।

ডাটা এন্ট্রি কি? Data Entry কত প্রকার এবং কিভাবে শুরু করবেন?
মনে রাখবেন কম্পিউটারের ডাটা বা তথ্য মানে 0 এবং 1 এর মধ্যে খেলা। আর এটাকে আমরা বাইনারি পদ্ধতি বলে থাকি। আমাদের ডাটা গুলো কেবল মাত্র কম্পিউটারের কাছে 0 এবং 1 এর মাধ্যমে কিছু সাজানো কোডের মাধ্যমে সংরক্ষিত থাকে।

এবার অনেকের মনে প্রশ্ন তৈরি হতে পারে, তাহালে বিদ্যুৎ সংযোগ না হলে কিভাবে 0 এবং 1 এর মাধ্যমে ডাটা গুলো সংরক্ষিত থাকে। আসলে এখানে চৌম্বক ক্ষেত্রের মাহাত্ম্য কাজ করে। এখানে বিদ্যুৎ সংযোহ না থাকলে ও এর মাধ্যমে ধরে রাখতে পারে।

চৌম্বক ক্ষেত্রের বাম দিকে যদি 0 হয় তাহালে ডান দিকে হবে 1. এবার প্রশ্ন হলো এই বাইনারি কোড গুলো কিভাবে সংরক্ষিত হয়? প্রথমে বাইনারি সংখ্যা দুইটাকে ডিক্সের চৌম্বক ক্ষেত্রের দিকে পরিবর্তনের জন্য বিদ্যুৎ প্রবাহ করা হয়।

এবং একটি ইলেক্ট্রো ম্যাগনেটের মাধ্যমে কোড গুলোকে দিক পরিবর্তন করার জন্য ডিক্সে পাঠানো হয়। এভাবে সব গুলো বিটকে ডিক্সে বসানোর পর একটি ফাইল সংরক্ষণ করা হয়। আর সকল প্রক্রিয়া গুলো সম্পর্ন হয় কয়েক মিলি সেকেন্ডের মধ্যে।

হার্ডডিস্ক (Hard Disk) এর বৈশিষ্ট্য
হার্ডডিস্ক কম্পিউটারের সুরক্ষিত অবস্থায় থাকে যার ফলে নষ্ট হয় কম।
এটার ধারণ ক্ষমতা অনেক বেশি।
এটা একটি দ্রুত গতিসম্পন্ন স্টোরেজ ডিভাইস।
এটা অনেক টেকসই এবং মজবুত।
হার্ড ডিস্ক সাধারণত কম্পিউটারের মধ্যে থাকে।
এর মধ্যে দীর্ঘদিন ডাটা গুলো জমা রাখা যায়।
সামান্য তাপ ও আর্দ্রতায় হার্ড ডিস্ক নষ্ট হয় না।
এটার এক্সেস টাইম ফ্লাপি ডিস্কের চেয়ে অনেক কম।
এটার ডাটা সংরক্ষণ করার ক্ষেত্রে ফ্লপি ডিস্কের তুলনায় অনেক বেশি নির্ভরযোগ্য।
হার্ডডিস্ক এর অসুবিধা
এটা নষ্ট হলে সহজে ঠিক করা যায় না।
কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক বা ল্যাপটপের হার্ডডিস্ক এর দাম অনেক বেশি।
এটাকে ফ্লপি ডিস্কের মতো যখন তখন ড্রইভ থেকে খোলা সম্বভ হয় না।
আজকে আমরা কি জানলাম
তাহালে, বন্ধুরা আজকে আমরা জানলাম হার্ডডিস্ক কি এবং কম্পিউটার হার্ডডিস্ক কত প্রকার, কিভাবে কাজ করে। আশাকরি আমার লেখা হার্ডডিস্ক ড্রাইভ (HDD) কি সেটা সহজে বুঝতে পারবেন।

Address

College Road, Daulatkhan
Barishal
8300

Telephone

+8801753523133

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Confidence Computer Training Center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Confidence Computer Training Center:

Share