Winbazar

Winbazar order.winbazar

Permanently closed.
31/03/2022

প্রসঙ্গ # একক নেতৃত্ব
ব্যক্তি # জনাব মোহাম্মদ রফিকুল আমিন
প্রতিষ্ঠান: ডেসটিনি গ্রুপ

সারা পৃথিবীতে যত প্রতিষ্ঠান সাফল্য অর্জন করেছে ঐ সকল প্রতিষ্ঠানেই কোন একজন ব্যক্তির একক নেতৃত্তের কারণেই ওই প্রতিষ্ঠানগুলি সফলতার মুখ দেখেছে। অর্থাৎ একজন কে কেন্দ্র করে একটা বিন্দু সৃষ্টি হয়। এই বিন্দুই প্রতিষ্ঠানকে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়া এবং ধরে রাখার দায়িত্ব পালন করেন। যার প্রমাণ আমাদের দেশে এবং সারা পৃথিবীতে প্রতীয়মান।

আমাদের দেশের আঙ্গিনায়
# বসুন্ধরা গ্রুপ
সোবহান সাহেবের দীর্ঘ 40+ বছর ধরে গড়ে তোলা প্রতিষ্ঠান নাম বসুন্ধরা গ্রুপ। জি এই কথা সত্য প্রথম অবস্থায় এই প্রতিষ্ঠান চরম সফলতার মুখ দেখেনি। সোবহান সাহেবের একনিষ্ঠ প্রচেষ্টায় প্রতিষ্ঠানটি 20 বছরের মধ্যে দেশে ভাল প্রতিষ্ঠান হিসেবে একটা পর্যায়ে আসে। যখন তার সন্তানরা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বভার গ্রহণ করে স্টার এবং সুপারস্টার হিসাবে প্রতিষ্ঠানকে আরো ব্যাপক সফলতা অর্জন করার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখে। প্রতিষ্ঠান ভিত্তি কিন্তু সুবহান সাহেব করে দিয়েছিলেন এবং এখনো ধরে রেখেছেন। সুবাহান সাহেব যদি একক ভাবে দায়িত্ব পালন না করতেন বসুন্ধরা গ্রুপে পর্যাপ্ত কিনা প্রশ্ন থেকে যায়।
এইভাবে পৃথিবীর সকল বড় কর্পোরেশনে কোন এক একক ব্যক্তির নেতৃত্তের কারণেই প্রতিষ্ঠান বড় সফলতা অর্জন করে।
# পারটেক্স গ্রুপের এম এ হাশেম সাহেব
# আকিজ গ্রুপের আকিজ সাহেব
# বেক্সিমকো গ্রুপের সালমান এফ রহমান
# যমুনা গ্রুপের মরহম বাবুল সাহেব
# স্কয়ার গ্রুপের স্যামসান চৌধুরী
# মেঘনা গ্রুপের মোস্তফা সাহেব
এরকম অসংখ্য গ্রুপ অফ কোম্পানি ব্যক্তির একক নেতৃত্বেই প্রতিষ্ঠান সফলতার চূড়ায় উঠেছে।

আমাদের পাশের দেশ ইন্ডিয়াতে
# টাটা গ্রুপ রতন টাটা
# রিলায়েন্স গ্রুপ মুকেশ আম্বানি
এরকম অসংখ্য উদাহরণ পাওয়া যাবে

আন্তর্জাতিক পর্যায়ে
# Facebook মার্ক জুকারবাগ
# Apple স্টিভ জব
# আলিবাবা জ্যাক মা
# অ্যামাজন জেফ বেজোস
# মাইক্রোসফট বিল গেটস

# ডেসটিনি গ্রুপ জনাব মোহাম্মদ রফিকুল আমীন
তাই যারা জনাব মোহাম্মদ রফিকুল আমীনের একক নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন এবং সমালোচনা করছেন তাদের মধ্যে অচিরেই সঠিক উপলব্ধি আসবে এটা আমার বিশ্বাস। ধন্যবাদ সবাইকে।

08/10/2021

🍀🍀🍀🍀🍀গল্প-১🍀🍀🍀🍀🍀

একদা এক সম্পদশালী ও ক্ষমতাবান শিল্পপতি বাস করত। জগতের প্রতিটি সমুদ্র ও মহাদেশের যত দূরেই দিগন্ত প্রসারিত দৃষ্টি পড়ত - এমনই অসীম ছিলো তার সাম্রাজ্য।
তার সুবিশাল সুসজ্জিত বাসভবন হতে তার সফলতার পুঞ্জিভূত প্রতিষ্ঠানগুলোকে তিনি নিয়ন্ত্রণ করতেন। যে প্রতিষ্ঠান গুলোতে প্রত্যেকে অন্যের নিকট থেকে আয় করার লক্ষ্যে উৎপাদন প্রক্রিয়ায় অংশ গ্রহণ করতেন। হাজার হাজার লোক তার জন্য কাজ করতেন। তাদের জীবনযাত্রা নির্বাহ ও বসবাস করার ব্যবস্থা এই একজন ব্যক্তির দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হতো। মানব স্বভাব, প্রকৃতি আয়ত্তকারি হিসেবে তিনি একজন সুনিপুণ ও সুনিয়ন্ত্রণকারী ব্যক্তি ছিলেন।

যদিও তাঁর ব্যক্তিগত সহকারি ছিল তথাপি তিনি সবকিছু বেশ চমৎকার ভাবে নিজেই করতেন। তিনি বাস করতেন সুসজ্জিত বাসভবনে। তার ছিল চমৎকার শিল্পকর্ম সম্পন্ন সুসজ্জিত আসবাবপত্র ও অন্যান্য রান্নার সামগ্রী। আঙ্গুর নির্যাস দিয়ে তৈরি করা সরাব তার নিজের আঙ্গুর বাগান হতে সংগ্রহ করা হতো একদল সুন্দরী রমণীদের দ্বারা এবং একদল সৈনিক ছিল তার কর্মচারী। তার সকল ছোঁয়া, দেখা-শোনা ছিল চমৎকার বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন।

কিন্তু তার সম্পদের মধ্যে সবচাইতে ব্যাপক ছিল তাঁর নিজস্ব চিড়িয়াখানা। এটা ছিলো পরিপূর্ণ একটি চিড়িয়াখানা, যা জগতের অন্য কোথাও বিরল। তথাপি কোনো পরিদর্শককে কখনো তা দেখার অনুমতি দেওয়া হতো না, তার চমৎকার সমগ্র বিশ্বের সব জীববিদদের জন্য ছিল ঈর্ষণীয়।

একদিন তার এক কর্মচারী তাকে এশিয়া মহাদেশের একটি গোপন উপত্যকায় এক ধরনের মায়াবী পশুর বিচরণ করার কথা জানালেন। একটি মিনারের উপর দাঁড়িয়ে শিল্পপতি তার চিড়িয়াখানার উন্মুক্ত মাঠে বিচরণরত পশুদের দিকে তাকিয়ে পশুদের মধ্যে উপযুক্ত ও সর্বশেষ যুক্ত হওয়া পশুর অভাব অনুভব করলেন।

তিনি তার কর্মচারীদের জড়ো হতে বললেন এবং অনতিবিলম্বে দূরবর্তী পাহাড়ে যেখানে ওইসব বিরল প্রাণী বসবাস করে সেখানে একটু অভিযান চালানোর কথা বললেন।
আর তিনি হিমালয়ের কেন্দ্রস্থলের বাইরে একটি বিচ্ছিন্ন গ্রামের নামলেন।
তিনি তার লোকজনকে অনুসন্ধানে নামালেন এবং বুঝতে পারলেন তাদের সরঞ্জামের অভাব রয়েছে। তারা প্রত্যেকটি স্থানে তন্ন তন্ন করে খুঁজেছেন। তারপরেও তিনি যখন ঐসব জন্তুদের আটক করার কথা বললেন তখন তারা তা উপহাসের ব্যাপারে পরিণত করলো।

তার সাহায্যকারীরা ব্যাখ্যা করলেন এমন কেউ নেই যারা এখানে বসবাস করছে এবং উপত্যকায় অনুসন্ধান করা হয়েছে এমন লোকদের যারা আশা করতে পারে এসব বন্য ও সতর্ক প্রাণীদের আটক করার কথা।
তিনি গ্রামবাসীদের বললেন, "আমি একমাসের মধ্যে ফিরে আসব।" তিনি আরও বললেন, "আমি সকল জন্তুদের আটক করবো"। আমি চাচ্ছি একটিমাত্র দিকনির্দেশনা যা আমাকে নির্দেশ করবে কোথায় তারা?
একমাস পরেও তিনি খালি হাতে ফিরলেন। গ্রামবাসী তাকে নিয়ে হাসাহাসি, উপহাস করলেন। এরপর তিনি সকলকে বললেন, "আমার সাথে আসুন। "
তিনি তাদের সকলকে উচ্চ পর্বতের তৃণভূমির মধ্যে দাঁড়িয়ে রাখলেন। গ্রামের লোকজন প্রচণ্ড অবিশ্বাস ও আগ্রহ নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন। সেখানে একটি বনাঞ্চল থেকে সকলের সামনে কয়েক শতজন্তুকে নিরাপত্তার সাথে আটক করে সুরক্ষিত খাঁচায় রাখলেন। এরপর তিনি ব্যাখ্যা করতে শুরু করলেন তিনি কী করেছিলেন
প্রথম সকালে পর্বত সংলগ্ন তৃণবহুল মাঠে উচ্চমান সম্পন্ন খাদ্য ছড়িয়ে দেন এবং এক বোঝা খড় রাখেন। পরবর্তী সকালে আবার সেখানে যান এবং তার পরদিন আবার যান, এভাবে প্রতিটি সকালে তিনি নতুন খাদ্য ও খড়ের যোগান দেন। শীগ্রই জন্তুগুলি সেখানে আসে এবং খাবার গ্রহণ করে। প্রথমে অল্পসংখ্যক আসলেও প্রতিদিনের এ সংখ্যা ক্রমে ক্রমে বাড়তে থাকে। অবশেষে তৃণবহুল মাঠে সবগুলো জন্তু খাবার খেতে আসে।

তারপর থেকে প্রতিদিন বিকেলে বিকেলে তিনি বেড়ায স্থাপন করার জন্য খুঁটির গর্ত খনন করেন। প্রতিরাতে দুই বা তিনটি খুঁটি স্থাপন করেন, যখন খুঁটি লাগানোর মাধ্যমে বৃত্ত তৈরীর কাজ শেষ হলো তিনি তাতে বেড়া লাগাতে শুরু করেন। তিনি তা করেন মাটির নিচ হতে, যাতে জন্তুগুলির জন্য চলাচল সহজ হয়।
প্রতিদিন বিকেলে বেড়া স্থাপনের জন্য একটি করে লাইন তৈরি করেন। বিশাল খাঁচার প্রতিটি পাশ উঁচু করে তৈরি করেন। চূড়ান্ত পর্যায়ে যেন জন্তুগুলি প্রবেশ করতে পারে এবং যেন বেরিয়ে যেতে পারে বেড়ার ছোট্ট একটি অংশ খোলার মাধ্যমে।

২৯তম দিন বিকেল বেলায় তিনি একটি গেট নির্মাণ করেন। শেষ দিনে সকল জন্তুগুলি যখন সেই সংকীর্ণ খোলা পথে হেঁটে প্রবেশ করে তখন তিনি পিছন থেকে গেইটটি বন্ধ করে দেন। এতে করে তারা আটকা পড়ে যায় এবং ঐ সমস্ত সুন্দর ও স্বাধীন প্রাণীগুলো বুঝতে পেরেছে যা ঘটেছে - তারা ফাঁদে আটকা পড়েছে।
তিনি বিস্মিত গ্রামবাসীদের বললেন, "আমি যে কোন জন্তুকে খুব সহজেই আটক করতে পারি যদি সে খাবারের জন্য আমার উপর নির্ভরশীল হয়। একই পন্থায় আমি যে কোন মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারি। এটা একটা অবাধ-বিনিময়, বাস্তবিকপক্ষে, আমি তাদের খাবার দেই আর তারা আমাকে তাদের স্বাধীনতা ও সৌন্দর্য দিয়ে দেয় এবং এটাই হলো আমার সম্পদ ও ক্ষমতার উৎস।

💐💐💐💐💐গল্প-২💐💐💐💐

একদিন বনে একটি সারস পাখি গান করছিল। এক কৃষক একটি কেঁচো ভর্তি বাক্স নিয়ে বনের পথ দিয়ে যাওয়ার সময় সারস পাখি তাকে জিজ্ঞেস করলো, "তোমার বাক্সে কি আছে এবং তুমি কোথায় যাচ্ছো? "
কৃষকটি জবাব দিল যে সে বাজারে এই কেঁচো বিক্রি করে কিছু পালক কিনবে। সারস পাখি বলল, "আমার অনেক পালক আছে আমি সেগুলো থেকে কয়েকটি তোমাকে দেব, তুমি আমাকে ওই কেঁচোগুলি দিয়ে দাও, তাহলে আমাকে আর খাবার খোঁজ করতে হবে না।"
কৃষকটি কেঁচোগুলি সারস পাখিকে দিয়ে দিলো এবং সারস পাখিটি প্রতিদানে তার ডানা থেকে কয়েকটি পালক দিল, পরের দিন একই রকম লেনদেন হলো এবং তার পরের দিনও। তার কিছুদিন পর দেখা গেল যে, সারস পাখির সমস্ত পালক কৃষক নিয়ে নিয়েছে।
পালকের অভাবের সারস পাখিটিকে দেখতে হলো কুৎসিত, সে উড়তে পারেনা এবং তার কেঁচো বা খাদ্য খোঁজার সামর্থ্যও আর নেই। এ অবস্থায় পাখিটি গান করতে ভুলে গেল এবং কিছুদিনের মধ্যে মারা গেল। এই গল্পটির নীতিশিক্ষা কি? নীতিশিক্ষা খুব স্পষ্ট।

💐💐💐💐💐 গল্প-৩ 💐💐💐💐💐

এক রাজার সম্পর্কে গল্প আছে। তো এই রাজা একদিন তার উপদেষ্টাদের ডেকে বিভিন্ন যুগের জ্ঞানগর্ভ বানীগুলিকে সংকলন করতে বলেন যাতে তিনি সেগুলি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য রেখে যেতে পারেন।
অনেক পরিশ্রমের পর উপদেষ্টারা বেশ কয়েকটি খন্ডে জ্ঞানগর্ভ বাণীগুলোকে সংকলন করে রাজার নিকট উপস্থিত করলেন। রাজা উপদেষ্টাদের বললেন যে এগুলি এত বিরাট যে লোকে এতো পড়বে না। তখন তারা এগুলোকে সংক্ষিপ্ত করা শুরু করলেন। পরে উপদেষ্টারা মাত্র একটি খন্ডে সংক্ষিপ্ত করে রাজার কাছে পেশ করলেন। রাজা আবার একই কথা বললেন।
তখন তারা প্রথমে এক অধ্যায় এবং পরে এক পৃষ্ঠায় সংক্ষিপ্ত করে দিলেন। কিন্তু রাজা এতেও সন্তুষ্ট হলেন না।
শেষ পর্যন্ত উপদেষ্টারা একটি বাক্যে সমস্ত জ্ঞানকে সংক্ষিপ্ত করে রাজার নিকট উপস্থিত হলেন। এতে রাজা সন্তুষ্ট হলেন। তিনি বললেন, এই একটিমাত্র জ্ঞানগর্ভ বাক্যই তিনি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে চান।
বাক্যটি হলো, "বিনা পয়সায় জীবনের প্রকৃত আনন্দ উপভোগ করা যায় না। "

22/09/2021

উদ্দ্যোক্তা হওয়ার প্রেরণা যাদের আছে তারা যোগাযোগ করুন, ইংশাল্লাহ
সফলতার রাস্তা খুঁজে পাবেন আমাদের TC তে
HSC/সমমান পাশকৃত, বগুড়ার জন্য প্রযোজ্য

20/09/2021

🍀🍀🍀কাজের সুযোগ🍀🍀🍀
এর চেয়ে সহজ কাজের সুযোগ আর তেমনটা নেই
💐🦅আপনার ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে আজকে আপনি বিকল্প কি বেছে নিচ্ছেন তার উপর-R.T.Kiyosaki🦅🍁

পদঃ Entrepreneurs Marketing Trainee (EMT)

সংখ্যাঃ ২০ জন অধিক (স্তরবিন্যস্ত)
সময়ঃ দৈনিক ৩-৪ ঘন্টা (সপ্তাহে ৬ দিন)
বয়সঃ ১৮ বছরের উপর
প্রকৃতিঃ ছেলে - মেয়ে উভয়ই
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ সর্বনিম্ন HSC বা সমমানের পাশকৃত (লেখাপড়া ও শিক্ষায় আগ্রহী)

🤔 সুবিধাদিঃ
১). বেসিক সম্মানি
১-৩ মাস (৩০০০, ৭০০০, ৮০০০), শিক্ষানবিশকাল
৪-৬ মাস (১০০০০-২০০০০), নিশ্চয়নকাল
২). এছাড়া অন্যান্য উৎসাহ ভাতা, বোনাস। ইত্যাদি
৩). অন্যান্য জব বা কাজে সম্পৃক্ত থাকার স্বাধীনতা

🤨কর্মপ্রকৃতিঃ
১). প্রধানত অফিসিয়াল, ফিল্ড ওয়ার্ক প্রয়োজনবোধে।
২). ট্রেনিং এবং শিক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে নিজেকে এবং অপরকে সাহায্য করা।

🤔🤔সিদ্ধান্ত গ্রহনে প্রাথমিক ওরিয়েন্টেশনঃ

(কেন? কারণ - আমরা এমন ব্যক্তিদেরকে সম্পৃক্ত করতে আগ্রহী নই যাদের মধ্যে অধ্যবসায়ের মনোযোগ নেই, এতে আমাদের প্রতিষ্ঠান ও কার্যক্রম পরিচালনা বিঘ্নিত হয়)

১ম দিনঃ প্রি-টেস্ট, পারষ্পরিক প্রত্যাশিত আলোচনা, লক্ষ্য উদ্দেশ্য, যোগাযোগ প্রক্রিয়া, ট্রেনিং ওয়ার্কশপ।
২য় দিনঃ কাজ সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা ও কর্ম সহজী করণ মেথড। আমাদের বর্তমান অবস্থা ও অবস্থান সম্পর্কে ধারণা।
৩য় দিনঃ সিদ্ধান্ত ও প্রস্তুতি মূলক মডেল টেস্ট, কর্মযোগে নিশ্চয়ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করণ

🏪কর্মস্থলঃ
আমাদের নিজস্ব অফিস, এবং বাংলাদেশের যেকোনো জেলায়।

🛂কর্মদায়িত্বের প্রকৃতিঃ
১). নিজেকে, কর্মীদেরকে এবং আমাদের সেবাগ্রহীতাদেরকে শিক্ষামুলক কার্যক্রমে চলমান অংশগ্রহণ করানো।
২). কম্পিউটার (আইটি) প্রশিক্ষণ, মার্কেটিং, পরিক্ষা, কারিগরি দক্ষতা উন্নয়ন, উদ্দ্যোক্তা সৃষ্টি ও পরামর্শ প্রদান, GDP&SDG লক্ষ্য বাস্তবায়নে অংশিদারিত্ব কর্মশালা পরিচালনা করা।
৩). টিম তৈরি ও তাদের প্রত্যেকের উন্নয়ন ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে পরামর্শ প্রদান।
৪). উপরোক্ত বিষয়গুলি বাস্তবায়নের মাধ্যমে পন্য ও সেবা বিপণনে নির্দিষ্ট পরিমাণ লক্ষ্য অর্জন।
৫). কমিউনিটিতে আমাদের সেবাসমুহ প্রদানের মাধ্যমে ভেন্ডর সৃষ্টিকরণ এবং সেবা গ্রহীতাদের সন্তুষ্টি অর্জন।
৬). কাজের দায়-দায়িত্ব ও অন্যান্য বিষয় নিয়মনীতি অনুযায়ী প্রযোজ্য।

☔💼অগ্রাধিকার যোগ্যতাঃ
১). যেকোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষক বা শিক্ষক হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন বা আছেন।
২). মার্কেটিং পেশা, সেলস পেশা বা ব্যবসায় সম্পৃক্ত ছিলেন বা আছেন এমন ব্যক্তি।
৩). পেশাদারিত্বের উন্নয়নে নিজের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ বিনিয়োগ ও ইতিবাচক পরিবর্তন মানসিকতা আছে এমন আগ্রহী ।

😵🤨পছন্দনীয় না হলেঃ
১). হয় নিজে কোনো সিস্টেম গড়ে তুলুন।
২). নয়তো কোনো সিস্টেম ক্রয় করুন।
৩). নয়তো কোনো সিস্টেম ব্যবহার করুন।

📲যোগাযোগঃ
Modern Multiple Network with Winbazar
অফিস
চারমাথা, বগুড়া সদর, বগুড়া।
ব্যক্তিগত অফিসঃ জলেশ্বরীতলা, বগুড়া।
মোবাইল নং (০১৭২৩-৬২০০২৭)
সাক্ষাৎকার দিন এবং সময়ঃ
Online Messenger Chat অথবা E-mail থেকে সিডিউল নিন

05/07/2021

ক্যাশ অন ডেলিভারির নামে যে কাস্টমারেরা প্রতারণা করে থাকেন, এর সমাধান বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কীভাবে করবে? বাংলাদেশের ই-কমার্স সাইটগুলোতে প্রায় ৪৫ শতাংশ ভুয়া অর্ডার পড়ে থাকে, যা এ খাতের ব্যবসায়ীদের জন্য একটি গুরুতর হুমকি। অগ্রীম মূল্য পরিশোধ করা থাকলে আমাদের আচরণ হয় একরকম, আর মূল্য পরিশোধ করা না থাকলে আমাদের আচরণ হয় সম্পূর্ণ ভিন্ন রকম। কোনো কাস্টমার যখন সম্পূর্ণ ক্যাশ অন ডেলিভারিতে অর্ডার করেন, তখন নিচের ঘটনাগুলো ঘটে থাকে:

১। পার্সেল কুরিয়ারে বুকিং দেয়া হয়েছে। কুরিয়ারের খরচও ই-কমার্স কোম্পানি বহন করেছে। পার্সেল কাস্টমারের নিকটস্থ শাখায় পৌঁছার পর আর কাস্টমারের খবর নেই। সে আর ফোন ধরে না। পার্সেলও সংগ্রহ করে না।

২। কাস্টমার হঠাৎ ফোন ধরে বলবে, আমি অর্ডার ক্যান্সেল করেছি (আসলে সে অর্ডার ক্যান্সেল করে নি, ক্যান্সেল করলে পার্সেল পাঠানোই হতো না)।

৩। আমি এখন নিতে পারবো না। আমার কাছে টাকা নেই। এ পর্যায়ে যদি বলা হয়, পার্সেলটি পাঠাতে আমাদের ১৫০ টাকা লেগেছে, ফেরত আনতে আরও ১৫০ টাকা লাগবে, তখন বলবে- আপনাদেরটা আপানারা বুঝেন। আমি কোনো টাকা দিতে পারবো না।

৪। কখন অর্ডার করেছিলাম? কী অর্ডার করেছিলাম? মনে পড়ছে না তো। আচ্ছা একটা ছবি পাঠান, দেখি কী অর্ডার করেছি। ছবি পাঠানোর পর আর কাস্টমার ফোন ধরবে না। অথবা বলবে, যার জন্য অর্ডার করেছিলাম সে এখন নিবে না, বা সে বিদেশে চলে গেছে।

৫। ঢাকার ভেতরের ঠিকানা হলে ডেলিভারিম্যানের জান নাকাল। কাস্টমার ফোন ধরে বলবে, আজ না, কাল আসেন। কাল গেলে বলবে, আজ না, পরশু আসেন। পরশু গেলে বলবে, আমি তো অর্ডার ক্যান্সেল করেছি।

৬। অমুক সময়ে পার্সেল নিয়ে আসেন। আমি এখন বাসায় নেই। অমুক সময়ে গেলে বলবে, এই ঠিকানায় না, অফিসের ঠিকানায় অফিস টাইমে আসেন। অফিস টাইমে অফিসের ঠিকানায় গেলে আর ফোন ধরবে না।

৭। অর্ডার ভেরিফাই করার জন্য ফোন দিলে বলবে, আমি তো অর্ডার করি নাই, আমার নামে অন্য কেউ করছে।

৮। আমি এখন ঢাকার বাহিরে আছি। ঢাকায় এসে ফোন দেবো। এই ফোন আর কখনো আসে না।

৯। বার বার কল দিচ্ছেন কেন? দেখেন না ব্যস্ত আছি? (অগ্রীম টাকা দেয়া থাকলে কিন্তু কাস্টমারের এই ব্যস্ততা থাকে না)

১০। অনেক সময় ছিনতাইকারীরা কাস্টমার সেজে অর্ডার দিয়ে থাকে। দামি মোবাইল, দামি এক্সেসোরিজ, এগুলো। ডেলিভারি ম্যান পার্সেল নিয়ে গেলে বলবে, অমুক গলিতে আসেন, আমি বাসার নিচে দাঁড়াইছি। ব্যস, পার্সেল নিয়ে দৌড়!

প্রতিটি ভুয়া অর্ডারে প্রায় ২০০ থেকে ১২০০ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়। প্যাকেজিং খরচ, ডেলিভারি খরচ, রিটার্ন খরচ, বিজ্ঞাপন খরচ, কর্মীদের পারিশ্রমিক, ইত্যাদি আমলে নিলে এসব প্রতারণামূলক ভুয়া অর্ডারের বিপরীতে যে টাকা ব্যয় হয়, তা সামাল দিতে প্রতিষ্ঠানগুলোকে চড়া দামে পণ্য বিক্রি করতে হয়। এই রিস্ক ফ্যাক্টরগুলো না থাকলে, ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো আরও কম দামে পণ্য বিক্রি করতে পারতো।

পৃথিবীর কোনো সভ্য দেশে এ ধরণের ফালতু কাস্টমার ক্লাস খুঁজে পাওয়া যাবে না।

সবাই ই-কমার্সের প্রতারণা নিয়ে লিখছে, আমি একটু আমাদের ফেরেশতাতুল্য কাস্টমারদের চরিত্র নিয়ে লিখলাম। এই ফেরেশতাদের কাছ থেকে অন্তত ২০% মূল্য অগ্রীম না নিয়ে পার্সেল পাঠানো উচিত নয়।

04/07/2021

নানামুখী বিতর্কের মুখে দেশের অন্তত ১০টি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান থেকে কেনাকাটায় নিজেদের ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড গ্রাহকদের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে বেশকিছু ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কোনো নির্দেশনা ছাড়াই স্ব-উদ্যোগী হয়ে ব্যাংকগুলো নিজ গ্রাহকদের জন্য ওই বিধিনিষেধ আরোপ করেছিল। এ অবস্থায় অনলাইনে কেনাকাটা বা ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর পণ্য মূল্য ও সেবা মাসুল পরিশোধের বিষয়ে নীতিমালা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস বিভাগ থেকে গতকাল এ নীতিমালা জারি করা হয়।

দেশের সবক’টি তফসিলি ব্যাংক, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস প্রোভাইডার (এমএফএস), পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার (পিএসপি) ও পেমেন্ট সিস্টেমস অপারেটরের (পিএসও) ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে নীতিমালার কপি পাঠানো হয়েছে। নীতিমালায় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর পণ্য বা সেবা মূল্য পরিশোধের সময়সীমা নির্ধারণ করে দেয়া হয়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, খাদ্য, মুদি, ওষুধ, রাইডশেয়ারিং, মোবাইল রিচার্জ, সার্ভিস ডেলিভারি বা ইউটিলিটি, শিক্ষা ফি, হোটেল বুকিং, টিকেটিং (বাস, এয়ার, ট্রেন, লঞ্চ) কিংবা অনুরূপ নিত্যপ্রয়োজনীয় ও জরুরি পণ্য বা সেবা সঙ্গে সঙ্গে বা অনধিক পাঁচদিনের (পণ্য-সেবার ধরন ও স্থান বিবেচনায়) মধ্যে সরবরাহকারী ডিজিটাল কমার্স প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে পরিশোধ সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো লেনদেনের ঝুঁকি, গ্রাহকসেবার মান, পণ্য সরবরাহ সম্পর্কে সন্তুষ্টি এবং পারস্পরিক ব্যবসায়িক সম্পর্ক ইত্যাদি পর্যালোচনা করে স্বীয় বিবেচনায় বিদ্যমান সেটেলমেন্ট প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখতে পারবে।

নিজস্ব উৎপাদিত পণ্য-সেবা বা দোকান বা শোরুমের (এরূপ উদ্দেশ্যে ট্রেড লাইসেন্সপ্রাপ্ত) মাধ্যমে পণ্য-সেবা বিক্রয়ের পাশাপাশি ডিজিটাল কমার্স ব্যবস্থায়ও পণ্য-সেবা বিক্রয় করে এবং বিক্রীত পণ্য-সেবা সঙ্গে সঙ্গে বা অনধিক সাতদিনের (পণ্য-সেবার ধরন ও স্থান বিবেচনায়) মধ্যে সরবরাহ করে থাকে এ ধরনের ডিজিটাল কমার্স প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে পরিশোধ সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো লেনদেনের ঝুঁকি, গ্রাহকসেবার মান, পণ্য-সেবা সরবরাহ সম্পর্কে সন্তুষ্টি এবং পারস্পরিক ব্যবসায়িক সম্পর্ক ইত্যাদি পর্যালোচনা করে স্বীয় বিবেচনায় বিদ্যমান সেটেলমেন্ট প্রক্রিয়াও অব্যাহত রাখা যাবে।

এ দুই ধরনের ডিজিটাল কমার্স প্রতিষ্ঠান ব্যতীত অন্য ডিজিটাল কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে পরিশোধ সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো মার্চেন্ট পেমেন্টের জন্য গ্রাহকের কাছ থেকে সংগৃহীত অর্থ নিজস্ব সেটেলমেন্ট হিসেবে ধারণ করবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এক্ষেত্রে ডিজিটাল কমার্স প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ওই অর্থ ছাড়করণের জন্য বেশকিছু নির্দেশনা দেয়া হয়। এতে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট ডিজিটাল কমার্স প্রতিষ্ঠান গ্রাহককে পণ্য-সেবা সরবরাহ বা প্রদানের পর অর্থ ছাড়করণের জন্য গ্রাহকের নাম, মোবাইল নম্বর এবং সরবরাহকৃত ক্রয়াদেশের বিবরণসহ এ-সংক্রান্ত একটি তালিকা ব্যাংক, পিএসও ও ই-ওয়ালেট সেবা প্রদানকারী এমএফএস বা পিএসপি (পরিশোধ সেবাদানকারী) প্রতিষ্ঠানকে প্রদান করবে।

ডিজিটাল কমার্স প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রদত্ত তালিকা থেকে দৈবচয়ন ভিত্তিতে গ্রাহকের পণ্য-সেবা প্রাপ্তির বিষয়ে সন্তুষ্ট হওয়া সাপেক্ষে পরিশোধ সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান অর্থ ছাড় এবং এ-সংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষণ করবে।

ডিজিটাল কমার্স প্রতিষ্ঠান কর্তৃক পণ্য-সেবা সরবরাহের বিপরীতে অর্থ ছাড়করণের জন্য দাবীকৃত তালিকার কোনো গ্রাহকের পণ্য-সেবা সরবরাহ না হওয়ার বিষয়ে পরবর্তী সময়ে গ্রহণযোগ্য প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ডিজিটাল কমার্স প্রতিষ্ঠানকে ভুল তথ্য প্রদানের বিষয়ে পরিশোধ সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান সঙ্গে সঙ্গে কারণ দর্শানোর জন্য নোটিস প্রদান করবে এবং নোটিস প্রাপ্তির অনধিক ১০ দিনের মধ্যে ওই প্রতিষ্ঠানের জবাব দেয়ার সময় নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

নীতিমালা অনুযায়ী, ভুল তথ্য প্রদানের বিষয়ে ডিজিটাল কমার্স প্রতিষ্ঠান সন্তোষজনক কারণ দেখাতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট ডিজিটাল কমার্স প্রতিষ্ঠানকে পরিশোধ সেবা প্রদান স্থগিত এবং তালিকাভুক্ত করে পরিশোধ সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ব্যাংককে অবহিত করতে হবে। এ ধরনের তালিকাভুক্ত ডিজিটাল কমার্স প্রতিষ্ঠান পরবর্তী সময়ে সব ধরনের পরিশোধ সেবা প্রাপ্তির যোগ্যতা হারাবে।

ভবিষ্যতে অর্থ ছাড়করণের প্রক্রিয়াটি অটোমেশনের আওতায় নিয়ে আসার লক্ষ্যে পরিশোধ সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো স্বীয় বিবেচনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাদি গ্রহণ করবে, যেখানে গ্রাহক কর্তৃক পণ্য-সেবা সরবরাহ প্রাপ্তি নিশ্চিতকরণের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত থাকবে নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ডিজিটাল কমার্স প্রতিষ্ঠান (মার্কেটপ্লেস) কর্তৃক ইস্যুকৃত ভাউচারের বিপরীতে পণ্য ক্রয়-সেবা গ্রহণ না করা পর্যন্ত অর্থ ছাড় করা যাবে না। ভাউচার ইস্যুকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক দাবীকৃত খরচের অর্থের পরিমাণ সম্পর্কে সন্তুষ্ট হয়ে খরচের সমপরিমাণ অর্থ ছাড় করা যাবে।

পরিশোধ সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক গ্রাহকের কাছ থেকে সংগৃহীত এরূপ অর্থ মার্চেন্ট দায় পরিশোধ ব্যতীত অন্য কোনো উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা যাবে না উল্লেখ করে নীতিমালায় বলা হয়, অপরিশোধিত মার্চেন্ট দায়ের সমপরিমাণ অর্থ এ হিসাবে সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে।

রিফান্ড বা চার্জব্যাকের ক্ষেত্রে গ্রাহকের পরিশোধিত মাধ্যমেই ওই অর্থ ফেরত দিতে হবে। এক্ষেত্রে কোনো চার্জ প্রযোজ্য হলে তা ডিজিটাল কমার্স সেবাপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকে বহন করবে।

জারীকৃত প্রজ্ঞাপনের নির্দেশনা পরিপালনের জন্য পরিশোধ সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান কোনোরূপ চার্জ বা মাশুল আরোপ করতে পারবে না বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এছাড়া গ্রাহক কর্তৃক পণ্য-সেবা প্রাপ্তির পর পরিশোধের বিদ্যমান ক্যাশ অন ডেলিভারি বা পেমেন্ট অন ডেলিভারি পদ্ধতি অব্যাহত থাকবে। ওপরের নির্দেশনাগুলো শুধু ব্যক্তি গ্রাহক পর্যায়ের লেনদেনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সংবাদ মাধ্যমঃ বণিক বার্তা

21/06/2021

টেকসই পরিকল্পনা ছাড়া Job Placement করা যায় না
R
টেকসই প্রতিষ্ঠানগুলি আপনার সাময়িক সমস্যার সমাধান নিয়ে চিন্তা করে না

নিজস্ব উৎপাদিত চিয়া সীড
31/03/2021

নিজস্ব উৎপাদিত চিয়া সীড

31/03/2021
Our Organic Chia Seed Production
16/03/2021

Our Organic Chia Seed Production

Address

Bangladesh, Fulbari, Bogra. (South Side Of AH College Old Bhaban)
Bogura
5800

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Winbazar posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Winbazar:

Share