Al-Goni Tax Associates

Al-Goni Tax Associates We provide TAX & VAT Related Services,
TIN & BIN Registration, e-Return, VAT Return

🚨 ব্যবসায় BIN যাচাইয়ে নতুন নির্দেশনা!🇧🇩 বাংলাদেশ ব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ সার্কুলার | ১১ অক্টোবর ২০২৬📢 ব্যাংক হিসাব, ঋণ, ট্...
12/10/2026

🚨 ব্যবসায় BIN যাচাইয়ে নতুন নির্দেশনা!

🇧🇩 বাংলাদেশ ব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ সার্কুলার |
১১ অক্টোবর ২০২৬

📢 ব্যাংক হিসাব, ঋণ, ট্রেড লাইসেন্স, MFS Merchant Account ও অন্যান্য ব্যবসায়িক কার্যক্রমে BIN বা তালিকাভুক্তির প্রমাণক বাধ্যতামূলক!

অর্থ আইন, ২০২৬-এর মাধ্যমে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২-এর ধারা ৪-এ নতুন উপধারা (৩) সংযোজন করা হয়েছে।

এর পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ব্যাংক ১১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১ থেকে একটি সার্কুলার জারি করেছে।

🔎 কোন ৭টি ক্ষেত্রে BIN বা তালিকাভুক্তির প্রমাণক উপস্থাপন করতে হবে?

✅ ১. ব্যাংক হিসাব: ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের চলতি হিসাব (Current Account) বা STD হিসাব খোলা ও পরিচালনা।

✅ ২. ব্যাংক ঋণ: ব্যাংক, NBFI বা অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ব্যবসায়িক ঋণ গ্রহণ।

✅ ৩. ট্রেড লাইসেন্স: ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন।

✅ ৪. MFS Merchant Account: মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসের মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট খোলা।

✅ ৫. বাণিজ্য সংগঠনের সদস্যপদ: ব্যবসায়িক সংগঠনের সদস্যপদ গ্রহণ বা নবায়ন।

✅ ৬. ইউটিলিটি সংযোগ: ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংযোগ গ্রহণ।

✅ ৭. যানবাহন নিবন্ধন: BRTA থেকে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের নামে যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন গ্রহণ।

⚖️ আইনগত ভিত্তি
📖 মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২
📖 অর্থ আইন, ২০২৬
📖 সংশোধিত ধারা ৪(৩)
📖 বাংলাদেশ ব্যাংক সার্কুলার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

⚠️ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়: সংশোধিত আইনে উপধারা (১) ও (২)-এ যা-ই থাকুক না কেন, নির্ধারিত ক্ষেত্রগুলোতে ব্যবসায় শনাক্তকরণ সংখ্যা (BIN) অথবা তালিকাভুক্তির প্রমাণক উপস্থাপনের বিধান রাখা হয়েছে।

📌 ব্যবসায়ীদের করণীয়
✔️ প্রতিষ্ঠানের BIN বা তালিকাভুক্তির অবস্থা যাচাই করুন।
✔️ সংশ্লিষ্ট সনদ ও তথ্য হালনাগাদ রাখুন।
✔️ ব্যাংকিং ও ব্যবসায়িক কার্যক্রমে প্রয়োজনীয় দলিল প্রস্তুত রাখুন।
✔️ আইনগত নিবন্ধন ও কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করুন।

মোঃ ওসমান গণি
Al-Goni Tax Associates
01815-942413

বকেয়া আয়কর আদায়:আইনে কী ব্যবস্থা আছে?আয়কর নির্ধারণের পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কর পরিশোধ না করলে করদাতাকে খেলাপি করদ...
26/09/2026

বকেয়া আয়কর আদায়:

আইনে কী ব্যবস্থা আছে?

আয়কর নির্ধারণের পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কর পরিশোধ না করলে করদাতাকে খেলাপি করদাতা হিসেবে গণ্য করা হতে পারে।
আয়কর আইন, ২০২৩-এ বকেয়া কর আদায়ের জন্য একাধিক ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

১. দাবির নোটিশ — ধারা ২৬৪

কর প্রদেয় হলে করদাতাকে করের পরিমাণ, পরিশোধের সময়সীমা ও পদ্ধতি উল্লেখ করে দাবির নোটিশ দেওয়া হয়। প্রয়োজনে নির্দিষ্ট শর্তে সময় বৃদ্ধি বা কিস্তিতে পরিশোধের সুযোগ দেওয়া যেতে পারে।

২. কর আদায়ের সার্টিফিকেট — ধারা ২৬৬

করদাতা খেলাপি হলে বকেয়া কর আদায়ের জন্য উপকর কমিশনার ট্যাক্স রিকভারি অফিসারের কাছে সার্টিফিকেট পাঠাতে পারেন।

৩. আদায়ের ব্যবস্থা — ধারা ২৭১

আইনানুগ প্রক্রিয়ায় সম্পত্তি ক্রোক/বিক্রয়, রিসিভার নিয়োগ এবং নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে গ্রেপ্তার ও আটক রাখার ব্যবস্থাও রয়েছে।

৪. জেলা কালেক্টরের মাধ্যমে আদায় — ধারা ২২০

নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় বকেয়া কর ভূমি রাজস্বের বকেয়ার ন্যায় আদায় করা যেতে পারে।

৫. অন্যান্য আদায় ব্যবস্থা — ধারা ২২০

পরিস্থিতি অনুযায়ী ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের থেকে পণ্য/সেবা স্থানান্তরের বন্ধ, তৃতীয় পক্ষের কাছে থাকা অর্থ বা সম্পদ থেকে কর আদায় এবং নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি বা অন্যান্য সেবা সংযোগ বিচ্ছিন্নের ব্যবস্থাও নেওয়া যেতে পারে।

৬. আপিলের প্রভাব

কর দাবির বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ থাকলে এবং আইন অনুযায়ী আপিল দায়ের করা হলে তার প্রভাবও বিবেচ্য। তাই কোনো দাবির নোটিশ বা কর আদায়ের পদক্ষেপ পেলে বিষয়টি অবহেলা না করে দ্রুত আইনগত পরামর্শ নিন।

গুরুত্বপূর্ণ:

কর দাবির বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ থাকলে এবং আইন অনুযায়ী আপিল দায়ের করা হলে তার প্রভাবও বিবেচ্য। তাই কোনো দাবির নোটিশ বা কর আদায়ের পদক্ষেপ পেলে বিষয়টি অবহেলা না করে দ্রুত আইনগত পরামর্শ নিন।

Al-Goni Tax Associates
01815-942413

📢 অসচেতনতায় পাহাড় সমান জরিমানা!!মানুষ না জেনে, না বুঝেই হঠাৎ একটা টিন সার্টিফিকেট খুলে ফেলে। তারপর আপনার আয় থাকুক আর না ...
17/09/2026

📢 অসচেতনতায় পাহাড় সমান জরিমানা!!

মানুষ না জেনে, না বুঝেই হঠাৎ একটা টিন সার্টিফিকেট খুলে ফেলে। তারপর আপনার আয় থাকুক আর না থাকুক বাংলাদেশ আয়কর আইন ২০২৩ অনুযায়ী প্রতি বছর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে রিটার্ন দেয়া বাধ্যতামূলক। অনেকেই আইন জেনে সময়মতো রিটার্ন দেয় কিন্তু অনেকের মধ্যেই দেখা যায় চরম অসচেতনতা।

অনেকে বলেন-
☞ রিটার্ন দিয়ে কি হবে?
☞ রিটার্ন দিবো না?
☞ যা হবে দেখা যাবে?
☞ যখন দরকার তখন দিবো?
☞ এতোদিন কিছু হয়নি সামনেও কিছু হবে না?
☞ কি করবে দেখে নিবো?
☞ দেশ আমাকে কি দিয়েছে?

বর্তমান পরিস্থিতি -
২০২৬-২০২৭ সালে এসে বিগত বছরে যারা সময়মতো রিটার্ন জমা দেয়নি তাদের প্রত্যকের ফাইলে ৫,০০০ টাকা জরিমানা যোগ হয়েছে। আপনি এখনো রিটার্ন দেননি প্রতি বছর এই জরিমানা যোগ হতে থাকবে।

আবার অনেকেই ভুয়া টিন বা রিটার্ন ব্যবহার করছে। আজ অথবা কাল এই ভুয়া টিন ও রিটার্ন আপনার গলার কাটা হয়ে যাবে।

🚨 একবার ভেবে দেখুন বিগত ১০ বছর আগে আইন-কানুন কেমন ছিল?
🚨 বর্তমানে কেমন?
🚨 ১০ বছর পরে কেমন হবে?

সেদিন আর খুব বেশি দেরি নাই, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) এর মতো টিন সার্টিফিকেট প্রত্যেকটি কাজে ব্যবহার করতে হবে। আর সেদিন আপনার ফাইলে পাহাড় সমান জরিমানা জমে যাবে, যেগুলো না দিয়ে আপনি ফাইল বের করতে পারবেন না।

আজ ভুয়া বা অল্প কিছু টাকা দিয়ে ম্যানেজ করে ফেলেছেন, যেদিন সামনে ২১২ ধারায় নোটিশ ইস্যু হয়ে যাবে, সাথে আরো ১০,০০০ টাকা জরিমানা যোগ হয়ে যাবে।

এছাড়াও, এখনো অনেক স্থানে দেখা যায়, ভুয়া রিটার্ন দিয়ে জমি রেজিস্ট্রির কাজ করে ফেলছেন। জেনে রাখুন, ভূমি মন্ত্রণালয়ের সকল দলিলপত্র চূড়ান্ত অনলাইন আপডেট হওয়ার পথে, আজ হোক আর ৫ বছর পরে হোক- আপনার এতো কষ্টের টাকা দিয়ে কেনা জমির জন্য আপনার রাতের ঘুম হারাম হয়ে যাবে।

সময় থাকতে সচেতন হোন।
Al-Goni Tax Associates
01815-942413

জমি/ফ্ল্যাটের প্রকৃত মূল্য না দেখানো ঝুঁকি কি?সেদিন একজন আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘আয়কর রিটার্নে কি ফ্ল্যাটের প্রকৃত মূল্য...
15/09/2026

জমি/ফ্ল্যাটের প্রকৃত মূল্য না দেখানো ঝুঁকি কি?

সেদিন একজন আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘আয়কর রিটার্নে কি ফ্ল্যাটের প্রকৃত মূল্য দেখানো যাবে? আমি ফ্ল্যাটটি কিনেছি যে দামে, রেজিস্ট্রি করেছি তার থেকে অনেক কম দামে। আনুষঙ্গিক খরচ বাঁচাতে দলিলে মূল্য কম দেখানো হয়েছে। এখন আমার প্রশ্ন হচ্ছে, রিটার্নে আমার করণীয় কী?

​আমাদের দেশে এটি একটি অত্যন্ত সাধারণ চিত্র। স্ট্যাম্প ডিউটি, রেজিস্ট্রেশন ফি এবং আনুষঙ্গিক কর বাঁচাতে অনেকেই দলিলে জমি বা ফ্ল্যাটের মূল্য বাস্তবের চেয়ে অনেক কম দেখান। কিন্তু বছর শেষে আয়কর রিটার্নের পরিসম্পদ ও দায়ের বিবরণী (IT-10B) পূরণের সময় বিষয়টি নিয়ে তৈরি হয় বিভ্রান্তি।

​এমন পরিস্থিতিতে রিটার্নে দলিলে লেখা কম মূল্যটা দেখাবেন, নাকি পকেট থেকে যাওয়া প্রকৃত বেশি অর্থ দেখাবেন? চলুন বিষয়টির বিভিন্ন দিক বিশ্লেষণ করা যাক—

​🟥 ​প্রকৃত বেশি মূল্যটি কি দেখানো যাবে❓

​🔰 হ্যাঁ, অবশ্যই। আপনার কাছে যদি ওই অতিরিক্ত অর্থের বৈধ আয়ের উৎস (Valid source of fund) রিটার্নে প্রদর্শিত থাকে, তবে দলিলে উল্লিখিত মূল্যের পরিবর্তে আপনার প্রকৃত বিনিয়োগ বা ক্রয়মূল্য (Actual Cost) দেখানোই আইনসম্মত ও সবচেয়ে নিরাপদ।

​🟥 ​প্রকৃত ক্রয়মূল্য না দেখালে কী সমস্যা হতে পারে❓

​🔰 মূলধনি লাভ (Capital Gain) সংক্রান্ত জটিলতা: ভবিষ্যতে যখন আপনি এই ফ্ল্যাট বা জমিটি বিক্রি করতে যাবেন, তখন বিক্রয়মূল্য থেকে আপনার এই 'কম ক্রয়মূল্য' বাদ দিয়ে মূলধনি লাভ হিসাব করা হবে। ক্রয়মূল্য কম দেখানোর কারণে কাগজে-কলমে আপনার লাভের পরিমাণ বিশাল হয়ে যাবে এবং আপনাকে বিনা কারণে অনেক বেশি হারে অতিরিক্ত কর (Capital Gains Tax) দিতে হতে পারে।

​🔰 ন্যায্য বাজারমূল্যের ভিত্তিতে আয়কর আরোপ: আপনার কেনা সম্পত্তির প্রকৃত মূল্য কোনোভাবে আয়কর কর্তৃপক্ষের নিকট প্রকাশিত হলে আপনাকে অপ্রদর্শিত ক্রয়মূল্যের ওপর পুনরায় কর প্রদান করার মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। এক্ষেত্রে ন্যায্য বাজারমূল্যের ভিত্তিতে পুনরায় হিসাবনিকাশ হতে পারে।

​🟩 ​প্রকৃত মূল্য দেখালে কী সুবিধা পাবেন❓
​সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো ফাইলের স্বচ্ছতা। আপনার বৈধ আয়ের টাকা দিয়ে কেনা সম্পদটি সঠিক মূল্যে আপনার রিটার্নে যুক্ত হয়ে যাবে। ভবিষ্যতে এই সম্পদ বিক্রি বা অন্য কোনো আর্থিক লেনদেনে আপনার ট্যাক্স ফাইলের শুদ্ধতা নিয়ে কোনো প্রশ্ন উঠবেবিধা নেই। আপনার কষ্টার্জিত বৈধ অর্থ আজীবন বৈধ বা ‘হোয়াইট মানি’ হিসেবেই সুরক্ষিত থাকবে।

​🟥 ​ক্রেতা ও বিক্রেতার ঝুঁকি কার কতটুকু❓

🔷 ​এক্ষেত্রে ক্রেতার কোনোই সমস্যা নেই। ক্রেতা যদি তার বৈধ আয়ের উৎস থেকে প্রকৃত খরচের হিসাবটি রিটার্নে তুলে ধরেন, তবে আয়কর আইনের দৃষ্টিতে তিনি সম্পূর্ণ সুরক্ষিত।

🔷 ​তবে মূল ঝুঁকিটি তৈরি হতে পারে বিক্রেতার জন্য। ক্রেতা যখন তার রিটার্নে প্রমাণসহ দেখাবেন যে তিনি দলিলে উল্লেখিত মূল্যের চেয়ে অনেক বেশি টাকা পরিশোধ করেছেন, তখন আয়কর কর্তৃপক্ষ চাইলে বিষয়টি ক্রস-চেক করতে পারে। বিক্রেতা যেহেতু দলিলের বাইরে অতিরিক্ত অর্থ গ্রহণ করেছেন, আয়কর কর্তৃপক্ষ সেই গোপন করা অতিরিক্ত অর্থপ্রাপ্তির জন্য বিক্রেতাকে নোটিশ পাঠাতে পারে এবং ওই অপ্রদর্শিত আয়ের ওপর কর নিরূপণ (Tax Assessment) করে জরিমানাসহ কর দাবি করতে পারে।

​✅ সম্পদের দলিলে আনুষঙ্গিক খরচ বাঁচাতে মূল্য কম দেখালেও, একজন সচেতন করদাতা হিসেবে আয়কর রিটার্নে কোনো তথ্য গোপন করা উচিত নয়। আপনার আয়ের সঠিক উৎস থাকলে, রেজিস্ট্রেশন খরচ ও অন্যান্য ফিসহ সম্পদের প্রকৃত অর্জন মূল্যই (Cost of Acquisition) রিটার্নে প্রদর্শন করা সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।

Al-Goni Tax Associates
01815-942413

প্রান্তিক পর্যায়ে মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাটের আওতা সম্প্রসারণ করার লক্ষ্যে প্রতি মাসে ইউনিয়ন পর্যায়ের দোকানপাট ও ক্ষুদ্র...
11/09/2026

প্রান্তিক পর্যায়ে মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাটের আওতা সম্প্রসারণ করার লক্ষ্যে প্রতি মাসে ইউনিয়ন পর্যায়ের দোকানপাট ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য ৫০০ টাকা, উপজেলা পর্যায়ে ১ হাজার টাকা এবং জেলা সদর ও জেলা পৌর শহর এলাকায় ২ হাজার টাকা নির্ধারিত ভ্যাট আরোপ করা হতে পারে।

ইতিমধ্যে বিভিন্ন উপজেলায় দোকান বা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের তালিকা তৈরি করেছে ভ্যাট বিভাগের কর্মকর্তারা। তালিকা চূড়ান্ত হওয়ার পর এই ভ্যাট আরোপের বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসবে।

যেহেতু বার্ষিক বিক্রয় বা লেনদেন ৫০ লাখ টাকার বেশি হলে ভ্যাট নিবন্ধন বাধ্যতামূলক, তাই ৫০ লাখ টাকার নিচে বিক্রি বা লেনদেন হয়, এমন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ভ্যাট নিবন্ধন না থাকলেও তাদের ক্ষেত্রে ন্যূনতম ভ্যাটের বিধান চালু করতে প্রান্তিক পর্যায়ের দোকানপাট ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে ভ্যাটের আওতায় আনতে চায় এনবিআর।

এক্ষেত্রে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা যেন কোনোভাবে হয়রানির শিকার না হয় সেদিকে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের খেয়াল রাখতে হবে। তাছাড়া তাদের জন্য ভ্যাট প্রদান পদ্ধতি অত্যন্ত সহজ এবং ঝামেলামুক্ত হওয়া বাঞ্ছনীয়।

জমি ক্রয়-বিক্রয়ে ট্যাক্স কে দিবে???বাংলাদেশে জমি ক্রয়-বিক্রয়ের সময় একটি গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক দায়বদ্ধতা হলো উৎসে কর (Tax D...
07/09/2026

জমি ক্রয়-বিক্রয়ে ট্যাক্স কে দিবে???

বাংলাদেশে জমি ক্রয়-বিক্রয়ের সময় একটি গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক দায়বদ্ধতা হলো উৎসে কর (Tax Deducted at Source – TDS) পরিশোধ। আয়কর আইন ও উৎসে কর বিধিমালায় এ বিষয়ে সুস্পষ্ট বিধান থাকলেও বাস্তবে এর প্রয়োগে নানা অসঙ্গতি লক্ষ করা যায়।

🟩 আইন বলে— জমি, ফ্ল্যাট বা ভবন বিক্রির ক্ষেত্রে উৎসে কর প্রদানের দায় বিক্রেতার। কারণ এখান থেকে বিক্রেতার মূলধনি আয় উদ্ভূত হয়। সুতরাং, বিক্রেতা তার প্রাপ্ত অর্থ থেকে কর কর্তন করে সরকারকে প্রদান করবেন।

⭕ কিন্তু বাস্তবে বিক্রেতা নয়, বরং ক্রেতাকেই উৎসে কর দিতে হয়। কেন? কারণ, যুগ যুগ ধরে এটাই চলে আসছে। যেহেতু, ক্রেতা সম্পদের মালিক হচ্ছেন সেহেতু, সব খরচই তার। এমনকী রেজিস্ট্রেশন শেষে বিক্রেতাকে ভরপেট খাওয়ানোরও অলিখিত রীতি এই দেশে রয়েছে! মজার বব্যাপার হলো— ক্রেতা উৎসে করের টাকা দিলেও আয়কর রিটার্নে সুবিধা কিন্তু ঠিকই বিক্রেতা নিয়ে থাকেন। এক্ষেত্রে আইন মানতে বিক্রেতা ভুল করেন না।

📛 ক্রয়মূল্য বনাম রেজিস্ট্রেশন মূল্য: বাংলাদেশে প্রায়শই জমির প্রকৃত কেনা দাম ও সরকার নির্ধারিত রেজিস্ট্রেশন মূল্য (মৌজা রেট)-এর মধ্যে পার্থক্য থাকে। সাধারণত বাজারমূল্য অনেক বেশি হলেও রেজিস্ট্রেশনের সময় কম দাম উল্লেখ করা হয়, যাতে স্ট্যাম্প ডিউটি ও কর কম পড়ে। ক্রেতা সবসময়ই চান মৌজা রেট অনুযায়ী রেজিস্ট্রেশন করতে; কারণ তাতে করে তার ওপর জোর করে চাপানো করের ভার কম পড়ে। এর ফলে—

🔷 সরকারের বিপুল পরিমাণ রাজস্ব কমে যায়;
🔷 জমির প্রকৃত লেনদেনমূল্য গোপন থাকে, যা কালো টাকার জন্ম দেয়;
🔷 ক্রেতা কালো টাকা (যা রিটার্নে প্রদর্শিত নেই) দিয়ে জমি কিনে তার আয়কর রিটার্নে করফাঁকি দেন। এই ব্যবস্থা তার দুর্নীতি করে উপার্জিত টাকা ব্যয় করার পথকে সহজ ও সুগম করে দেয়;
🔷 বিক্রেতার কাছে কালো টাকা জমে, যা তিনি রিটার্নে প্রদর্শন করতে পারেন না।

🟥 ক্রেতার ঝুঁকি কোথায়❓

ক্দলিলে কম মূল্য (মৌজা রেট) দেখালে শুধু বিক্রেতার নয়, ক্রেতারও একটি বড় ক্ষতি আছে। ভবিষ্যতে ওই ক্রেতা যখন জমিটি বিক্রি করবেন, তখন কেনার দাম কম থাকায় তার 'মূলধনি আয়' (Capital Gain) অনেক বেশি হিসেবে গণ্য হবে। ফলে তখন তাকে অনেক বেশি কর দিতে হতে পারে।

যাইহোক, এভাবেই চলছে। এই ব্যবস্থার সংস্কার দরকার। এজন্য প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা গড়ে তোলা দরকার। মৌজা রেট বাজারমূল্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে নিয়মিত বিরতিতে নির্ধারণ করা দরকার। ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা দরকার।

✅ শেষ করি বিক্রেতাদেরকে একটা পরামর্শ দিয়ে। প্রকৃতমূল্যে রেজিস্ট্রেশন করুন। রেজিস্ট্রেশন করার সময় উৎসে কর আইন মেনে নিজেই পরিশোধ করুন এতে করে, ক্রেতাও রাজি হবেন এবং আপনি আপনার আয়কর রিটার্নে পুরো টাকাটা দেখাতে পারবেন। এই টাকা নিশ্চিন্তে খরচ করতে পারবেন, বিনিয়োগ করতে পারবেন।

Al-Goni Tax Associates
01815-942413

06/09/2026

📜 নোটারী পাবলিক (Notary Public) কী এবং কেন এটি আপনার আইনি সুরক্ষার জন্য জরুরি?

⚖️অনেকেই আমরা ‘নোটারী’ বা ‘নোটারী পাবলিক’ শব্দটির সাথে পরিচিত, কিন্তু এর আসল কাজ বা আইনগত গুরুত্ব কী, তা হয়তো পরিষ্কারভাবে জানি না। বিশেষ করে জমি কেনাবেচা, চুক্তিপত্র বা সরকারি কোনো কাজের ক্ষেত্রে নোটারী করার প্রয়োজন পড়ে।

আসুন আজ খুব সহজ ভাষায় জেনে নিই নোটারী সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য:

🔍 ১. নোটারী পাবলিক কী?
নোটারী পাবলিক হলেন সরকার কর্তৃক নিয়োজিত একজন অভিজ্ঞ আইনজীবী বা উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, যিনি বিভিন্ন আইনি দলিল বা নথিপত্রের সত্যতা যাচাই এবং প্রত্যয়ন (Verify & Attest) করার আইনি ক্ষমতা রাখেন। তার প্রধান কাজ হলো— কোনো দলিলে স্বাক্ষরকারী ব্যক্তিটি আসল কি না এবং তিনি স্বেচ্ছায় স্বাক্ষর করছেন কি না, তা নিশ্চিত করা।

💼 ২. কী কী কাজে নোটারী করা হয়?
আমাদের দৈনন্দিন এবং ব্যবসায়িক জীবনে অসংখ্য কাজে নোটারী প্রয়োজন হয়। যেমন:
🤝 চুক্তিপত্র সম্পাদন:
ফ্ল্যাট বা দোকান ভাড়া, ব্যবসা বা অংশীদারিত্বের (Partnership) চুক্তিপত্র।

🚗 সম্পত্তি হস্তান্তর:
গাড়ি বিক্রি বা বায়না দলিলের প্রাথমিক চুক্তি।

🎓 শিক্ষাগত ও চাকুরির নথিপত্র:
বিদেশ যাত্রা বা উচ্চশিক্ষার জন্য সার্টিফিকেট এবং মার্কশিট সত্যায়িত করা।

🗺️ হলফনামা (Affidavit):
নামের ভুল সংশোধন, বিবাহ বা বিবাহবিচ্ছেদ, এবং ধর্ম পরিবর্তনের ঘোষণা।

✈️ স্পন্সরশিপ ও ভিসা:
বিদেশে থাকা আত্মীয়ের কাছে যাওয়ার জন্য স্পন্সরশিপ লেটার বা ফিন্যান্সিয়াল ডকুমেন্টস ভেরিফাই করা।

👶 অভিভাবকত্ব ঘোষণা:
নাবালক সন্তানের বা অন্য কোনো আইনি অভিভাবকত্ব সংক্রান্ত দলিল।

🏛️ ৩. নোটারীর আইনগত গ্রহণযোগ্যতা কতটুকু?আদালতে অকাট্য প্রমাণ:
নোটারী করা যেকোনো দলিল আদালতে একটি শক্তিশালী প্রাথমিক প্রমাণ হিসেবে গণ্য হয়। নোটারীকৃত দলিলের স্বাক্ষরকে আইনগতভাবে "স্বীকৃত" ধরে নেওয়া হয়।

প্রতারণা রোধ:
যেহেতু নোটারী করার সময় মূল ব্যক্তি এবং তার জাতীয় পরিচয়পত্র সরাসরি যাচাই করা হয়, তাই পরবর্তীতে কেউ "আমি এই দলিলে সই করিনি" বলে সহজে অস্বীকার করতে পারে না।

আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি:
দেশের বাইরে (যেমন ভিসা বা স্কলারশিপের আবেদনের জন্য) বাংলাদেশের কোনো ডকুমেন্ট জমা দিতে হলে, সেটি নোটারী করা থাকলে আন্তর্জাতিকভাবে তার গ্রহণযোগ্যতা বহুগুণ বেড়ে যায়।

⚠️ একটি জরুরি সতর্কবার্তা:
নোটারী করার অর্থ এই নয় যে একটি অবৈধ বা ভুয়া দলিল বৈধ হয়ে যাবে। নোটারী শুধুমাত্র দলিলের স্বাক্ষর ও ব্যক্তির সত্যতা নিশ্চিত করে, দলিলের ভেতরের শর্ত বা মালিকানার সত্যতা নয়। তাই যেকোনো বড় লেনদেনের আগে মূল দলিল ও কাগজের সত্যতা যাচাই করে নেওয়া আবশ্যক।আইনি সচেতনতা বজায় রাখুন, সুরক্ষিত থাকুন! 🤝

আয়কর রিটার্ন দাখিল কোনো সাধারণ কম্পিউটার অপারেটিংয়ের কাজ নয়—এটি আইন ও দায়িত্বের বিষয়।দুঃখজনক হলেও সত্য, প্রয়োজনীয় প্রশিক...
06/09/2026

আয়কর রিটার্ন দাখিল কোনো সাধারণ কম্পিউটার অপারেটিংয়ের কাজ নয়—এটি আইন ও দায়িত্বের বিষয়।

দুঃখজনক হলেও সত্য, প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ, আইনগত জ্ঞান ও বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন না করেই অনেকেই করদাতাদের আয়কর ফাইল প্রস্তুত ও রিটার্ন দাখিলের কাজ শুরু করে দিয়েছেন।

কেউ কেউ আবার শুধু কম্পিউটার চালাতে জানেন বলেই দোকানে সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দিয়ে আয়কর রিটার্ন প্রস্তুতের সেবা দিচ্ছেন। অথচ একজন করদাতার জন্য আয়কর রিটার্ন কতটা গুরুত্বপূর্ণ—তা হয়তো তারা নিজেরাই যথাযথভাবে উপলব্ধি করেন না।

বিশেষ করে একজন নতুন করদাতা যখন প্রথমবার রিটার্ন দাখিল করেন, তখন তার আয়, সম্পদ, দায়, বিনিয়োগ, উৎসে কর কর্তন, কর রেয়াত, কর অব্যাহতি, পূর্ববর্তী সম্পদ ও অন্যান্য তথ্য সঠিকভাবে বিশ্লেষণ করে প্রযোজ্য আইন ও বিধি-বিধান অনুসরণ করে রিটার্ন প্রস্তুত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

প্রথম রিটার্নে করা একটি ভুল পরবর্তীতে সংশোধন করা অনেক সময় সহজ হয় না। ভুল তথ্য, ভুল আয় খাত, ভুল সম্পদ প্রদর্শন কিংবা আইনের ভুল প্রয়োগ ভবিষ্যতে করদাতার জন্য অপ্রয়োজনীয় কর জটিলতা, অতিরিক্ত করদায় কিংবা আইনগত সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।

তাই করদাতাদের প্রতি অনুরোধ—

শুধু কম পারিশ্রমিক দেখে আয়কর রিটার্নের দায়িত্ব কাউকে দেবেন না।

যিনি আপনার রিটার্ন প্রস্তুত করবেন, তিনি সংশ্লিষ্ট আয়কর আইন, বিধি-বিধান, পরিপত্র ও রিটার্ন প্রস্তুতের প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো সম্পর্কে যথাযথ জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা রাখেন কি না—তা নিশ্চিত করুন।

কারণ,

“রিটার্ন দাখিল করাই শেষ কথা নয়; সঠিকভাবে রিটার্ন দাখিল করাটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।”

আসুন, করদাতা হিসেবে আমরা সচেতন হই।
সঠিক আইন জানি, সঠিক তথ্য প্রদান করি, সঠিকভাবে রিটার্ন দাখিল করি এবং ভবিষ্যতের অনাকাঙ্ক্ষিত কর জটিলতা থেকে মুক্ত থাকি।
সচেতন করদাতা—সঠিক রিটার্ন—নিরাপদ কর ভবিষ্যৎ।

Capital Gain✅ সম্পদ বিক্রির মূলধনী আয় (Capital Gain) এর উপর ৫% অথবা ১৫% অথবা নিয়মিত হার (স্ল্যাব অনুযায়ী) এর মধ্যে যে...
06/09/2026

Capital Gain

✅ সম্পদ বিক্রির মূলধনী আয় (Capital Gain) এর উপর ৫% অথবা ১৫% অথবা নিয়মিত হার (স্ল্যাব অনুযায়ী) এর মধ্যে যেকোনো একটি হারে গেইন ট্যাক্স প্রযোজ্য হবে।

✅ এক্ষত্রে স্বর্ণালংকার, রত্ন-হিরক কিম্বা গহনা বিক্রির লাভে ৫% গেইন ট্যাক্স প্রযোজ্য।

✅ জমি-জমা, ফ্ল্যাট, বাড়ি, শেয়ার এসব অর্জনের ৫ বছরের মধ্যে বিক্রি করলে "স্ল্যাব অনুযায়ী" এবং ৫ বছর পরে বিক্রি করলে ১৫% গেইন ট্যাক্স প্রযোজ্য।

✅ উল্লেখ্য, ডেভলপারকে জমি দিয়ে ফ্ল্যাট পেলেও একই বিধান প্রযোজ্য।

Al-Goni Tax Associates

৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আয়কর রিটার্ন দাখিল করুন এবং সর্বোচ্চ ৳২৫,০০০ কর প্রণোদনা গ্রহণ করুন!Al-Goni Tax Associates 01815-9...
04/09/2026

৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আয়কর রিটার্ন দাখিল করুন এবং সর্বোচ্চ ৳২৫,০০০ কর প্রণোদনা গ্রহণ করুন!

Al-Goni Tax Associates
01815-942413

Address

Nazirhat Bazar, Malek Colony Road
Chittagong
4353

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Al-Goni Tax Associates posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share