29/06/2026
🔴 বড় খবর: করমুক্ত আয়সীমা বেড়ে ৪ লাখ টাকা!
প্রিয় করদাতা ভাই-বোনেরা,
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে স্বস্তির খবর এসেছে। ব্যাপক চাপ ও সমালোচনার মুখে সরকার করমুক্ত আয়সীমা ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪ লাখ টাকা করার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেছে।
✅ যাদের বার্ষিক বেতনভিত্তিক আয় ৬ লাখ টাকার কম (বেতনের ১/৩ অংশ করমুক্ত সুবিধা সহ), তাদের আর আয়কর দিতে হবে না।
✅ ব্যাংক হিসাব খোলার জন্য TIN বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব থেকে সরকার সরে এসেছে।
✅ জমি-ফ্ল্যাটের প্রকৃত মূল্য প্রদর্শনের নতুন কঠোর বিধানও বাতিল হচ্ছে।
✅ শেয়ারবাজার বিনিয়োগকারীদের জন্য সুখবর — লভ্যাংশ আয়ের ওপর আগের মতোই ২০% করহার অপরিবর্তিত থাকছে।
⚠️ স্ল্যাব হার পুনর্বিন্যাসের কারণে মধ্যম ও উচ্চ আয়ের করদাতাদের ওপর কর-বোঝা সামান্য বাড়তেও পারে।
📌 এই নতুন সীমা ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ — দুই অর্থবছরের জন্য বহাল থাকবে।
🔔 জরুরি দ্রষ্টব্য: এই পরিবর্তন চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের (Assessment Year 2026-27) রিটার্নের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। চলমান আয়বছরের জন্য করমুক্ত আয়সীমা আগের মতোই ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা থাকবে। নতুন ৪ লাখ টাকার সীমা কার্যকর হবে ২০২৬-২৭ আয়বছর (Assessment Year 2027-28) থেকে।
🫡🫡আর মাত্র তিন দিন বাকি🥴🥴🇧🇩🇧🇩
জুনের আগে বিনিয়োগ করুন, কর রেয়াত নিশ্চিত করুন।
সময়মতো রিটার্ন দাখিল করুন, ৫% প্রণোদনা পান।
অগ্রিম কর সমন্বয় করুন, বাড়তি চাপ কমান।
অতিরিক্ত কর ফেরত দাবি করুন।
বিনিয়োগ পরিকল্পনা আপডেট করুন, ভবিষ্যৎ কর সাশ্রয় নিশ্চিত করুন।
জুন শেষ হতে আর বেশি সময় নেই।
যারা এখনো ট্যাক্স রিবেটের হিসাব মিলিয়ে দেখেননি, এখনই একবার দেখে নিন। অনুমোদিত বিনিয়োগে ঘাটতি থাকলে, bKash app-এর Savings option থেকে DPS খুলে রাখা যেতে পারে। মাসিক DPS করা যায় সর্বোচ্চ ৳২০,০০০ পর্যন্ত।
শেষ মুহূর্তে তাড়াহুড়া না করে নিজের হিসাবটা আজই গুছিয়ে নিন।
ট্যাক্স রিবেটের পরিমাণ করযোগ্য আয় ও অনুমোদিত বিনিয়োগের ওপর নির্ভর করে, তাই প্রয়োজন হলে কর পরামর্শ নিয়ে সিদ্ধান্ত নিন।
📢 নরমাল এসেসমেন্টের ঝুঁকি এড়াতে ৩০ জুন ২০২৬-এর মধ্যেই আপনার ২০২৫-২৬ করবর্ষের আয়কর রিটার্ন দাখিল করুন।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করলে—
✅ অপ্রয়োজনীয় জটিলতা এড়ানো যায়
✅ আইনগত বাধ্যবাধকতা পূরণ হয়
✅ কর-সংক্রান্ত ঝুঁকি কমে
⏳ শেষ সময়: ৩০ জুন ২০২৬
💥 আয়কর সাশ্রয়ের শেষ সুযোগ!
৩০ জুন ২০২৬-এর মধ্যে বিনিয়োগ করুন, বৈধভাবে কর রেয়াত (Tax Rebate) সুবিধা নিন
📅 সময় সীমা: ৩০ জুন ২০২৬
১ জুলাই থেকে নতুন অর্থবছর শুরু হবে। তাই কর রেয়াতের সুবিধা পেতে হলে ৩০ জুনের মধ্যেই বিনিয়োগ সম্পন্ন করতে হবে।
✅ কর রেয়াত পাওয়ার জন্য অনুমোদিত ৯টি বিনিয়োগ খাত:
১. সঞ্চয়পত্র (Savings Certificate)
সরকার অনুমোদিত সকল ধরনের সঞ্চয়পত্র ক্রয়।
২. ডিপিএস (DPS)
ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বার্ষিক সর্বোচ্চ ১,২০,০০০ টাকা পর্যন্ত।
৩. শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ
DSE/CSE তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ার, মিউচুয়াল ফান্ড ও ডিবেঞ্চার।
৪. জীবন বীমা (Life Insurance)
জীবন বীমার প্রিমিয়াম পরিশোধ।
৫. প্রভিডেন্ট ফান্ড
স্বীকৃত ভবিষ্য তহবিলে (Provident Fund) চাঁদা।
৬. কল্যাণ তহবিল ও গোষ্ঠী বীমা
অনুমোদিত কল্যাণ ও গোষ্ঠী বীমা তহবিলে চাঁদা।
৭. সুপার অ্যানুয়েশন ফান্ড
অনুমোদিত Superannuation Fund-এ অবদান।
৮. সিকিউরিটিজ ক্রয়
সরকার নির্ধারিত সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ (নির্ধারিত সীমার মধ্যে)।
৯. দাতব্য ও জনহিতকর প্রতিষ্ঠান
সরকার অনুমোদিত হাসপাতাল, ট্রাস্ট বা দাতব্য প্রতিষ্ঠানে অনুদান।
📊 কর রেয়াত (TAX REBATE) কীভাবে নির্ধারণ হয়?
নিম্নের ৩টির মধ্যে যেটি সর্বনিম্ন হবে, সেই পরিমাণ কর রেয়াত পাওয়া যাবে:
✅ মোট করযোগ্য আয়ের ৩%
✅ অনুমোদিত বিনিয়োগের ১৫%
✅ সর্বোচ্চ ১০ লক্ষ টাকা
🎯 কেন এখনই বিনিয়োগ করবেন?
✔️ করের পরিমাণ কমবে
✔️ বৈধভাবে কর সাশ্রয় হবে
✔️ ভবিষ্যতের জন্য সঞ্চয় ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাবে
✔️ আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে
⏳ শেষ মুহূর্তের অপেক্ষা নয়!করদাতাদের তথ্যভান্ডার আরও সমৃদ্ধ হবে এবং আর্থিক লেনদেনে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পাবে
আজই আপনার বিনিয়োগ পরিকল্পনা সম্পন্ন করুন এবং কর সাশ্রয়ের সুযোগ গ্রহণ করুন। 🔰সময় থাকতে রিটার্ন দিন, নিশ্চিন্ত থাকুন।যোগাযোগ করুন 8801731858085
তাই এখন যারা রিটার্ন দাখিল করছেন, তারা পুরোনো নিয়মেই হিসাব করবেন। আগামী বছরের রিটার্নে নতুন সীমা প্রযোজ্য হবে।
নিজের রিটার্ন প্রস্তুতি বা ট্যাক্স প্ল্যানিং #বাজেট২০২৬২৭ #করমুক্তআয়সীমা #ট্যাক্সরিটার্ন