Fahim's Business Journey

Fahim's Business Journey Building real businesses step by step. Sharing products, profits, mistakes, lessons, and the journey behind it all.

এক বছরে নিজেকে বদলাতে চাইলে শুধু এই ৫টা জিনিস মনে রাখুন ইং শা আল্লাহ :🦈 Shark Mentality থেমে যাবেন না। প্রতিদিন একটু একট...
27/07/2026

এক বছরে নিজেকে বদলাতে চাইলে শুধু এই ৫টা জিনিস মনে রাখুন ইং শা আল্লাহ :
🦈 Shark Mentality
থেমে যাবেন না। প্রতিদিন একটু একটু করে হলেও এগিয়ে যান।
🦅 Falcon Mentality
একটা লক্ষ্য ঠিক করুন। সেটার দিকেই এগিয়ে যান, বাকি সব নয়েজ।
🦬 Bison Mentality
সমস্যা থেকে পালাবেন না, সেটাকে মোকাবিলা করতে শিখুন।
🦊 Fox Mentality
শুধু পরিশ্রম নয়, স্মার্টভাবে কাজ করুন, দেখবেন কাজও সহজ হবে এবং দ্রুত আপনার লক্ষ্যের দিকে পৌছাতে পারবেন ইং শা আল্লাহ।
🐜 Ant Mentality
প্রতিদিনের ছোট ছোট কাজই বড় সাফল্য তৈরি করে দেয়। কোনো কাজকে পড়ে করবো বলে ফেলে রাখবেন নাহ।
আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ৫ নম্বরটাই।
কারণ ধারাবাহিকতা ছাড়া বাকি চারটা কোনো কাজে আসে না।
নিজেকে প্রশ্ন করুন...
আপনার সবচেয়ে দুর্বল Mentality কোনটা?
Save করে রাখুন। এক বছর পর ফিরে এসে দেখবেন, আপনি আগের সেই মানুষটা নেই। 💙

**– Abdullah Al Fahim**

#পার্সোনাল_ব্র্যান্ডিং
#উদ্যোক্তা
#ব্যবসা





**ব্যক্তিগত ব্র্যান্ডিং করতে লজ্জা কেন হবে?**অনেকেই মনে করেন, নিজের কাজ বা ব্যবসা নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করলে মানুষ কী ভাবব...
27/07/2026

**ব্যক্তিগত ব্র্যান্ডিং করতে লজ্জা কেন হবে?**

অনেকেই মনে করেন, নিজের কাজ বা ব্যবসা নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করলে মানুষ কী ভাববে!

আমি একটু ভিন্নভাবে দেখি জিনিসটা;

আমি ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম বা লিংকডইন শুধু সময় কাটানোর জন্য ব্যবহার করি না। আমি এগুলো ব্যবহার করি নিজের কাজ, নিজের ব্র্যান্ড আর নিজের স্বপ্নকে মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে ও মানুষের সাথে সম্পর্ক তৈরি করতে আমার প্রোডাক্টস বা সার্ভিসের মাধ্যমে।

আমি বিশ্বাস করি, আপনি যদি নিজের কাজের কথা নিজেই বলতে লজ্জা পান, তাহলে অন্য কেউ আপনার হয়ে সেটা কখনো বলবে না আর করেও দিবেনা। মানুষ শুধু কথা শুনাতে পছন্দ করে আর কিছু করতে গেলেই সেটা অন্যভাবে বা ছোট করে দেখে এমনকি উলটো ডিমোটিভেট করে।

মানুষ কী বলবে, কে হাসবে, কে সমালোচনা করবে, এগুলো ভেবে যদি থেমে যাই, তাহলে নিজের লক্ষ্যও একদিন থেমে যাবে। আপনাকে কেউ এসে তখন ১০ টাকার উপকার করবে না। কিন্তু অপমান আর কটু কথা বলতে ঠিকি পারবে।

তাদের তো চিন্তা করা উচিত আমি বা যে করছে সে তো চুরি বা ডাকাতি করছে না, কষ্ট করে কিছু করার চেষ্টা করছে , তাদের কি উচিত নয় আরো সাহস দেওয়া বা উৎসাহ দেওয়া , কেউ তো আর বড় থেকেই শুরু করে না ছোট থেকেই আস্তে আস্তে বড় হয় যেমন একজন ছোট বাচ্চা আস্তে আস্তে বড় হয় এবং পরিস্থিতির সাথে মানিয়ে অনেক কিছু শিখে ও জানে।

আমার প্রোফাইলে ব্যবসা, শেখা, অভিজ্ঞতা, ব্যর্থতা, সাফল্য, নতুন প্রোডাক্ট কিংবা উদ্যোক্তা জীবনের গল্পই বেশি দেখবেন। কারণ এটাই আমার পরিচয়, এটাই আমার কাজ।

যদি এই ধরনের পোস্ট আপনার ভালো না লাগে, তাহলে নিশ্চিন্তে স্ক্রল করে যেতে পারেন। তাতে আমার কোনো সমস্যা নেই।

কিন্তু যারা এখনো নিজের প্রোডাক্ট, সার্ভিস বা দক্ষতা নিয়ে পোস্ট দিতে সংকোচ বোধ করেন, তাদের একটা কথাই বলব...

**আপনি যতদিন নিজের প্রতিভা , কাজ ও ব্যবসা যাই বলি না কেন সেটা লুকিয়ে রাখবেন, ততদিন মানুষ জানবেও না আপনি কী করতে পারেন।**

আজ থেকেই নিজের পরিচয় তৈরি করুন। কারণ এই ডিজিটাল যুগে **Personal Brand** কোনো বিলাসিতা নয়, এটা একটা সম্পদ।

**– Abdullah Al Fahim**

#পার্সোনাল_ব্র্যান্ডিং
#উদ্যোক্তা
#ব্যবসা





“মানুষের জীবনে সবকিছু বদলে দিতে পারে মাত্র দুটি গুণ — সময়ের কাজ সময়মতো করার অভ্যাস, আর নিজের নিয়ত ও দেওয়া কথার প্রতি অটল...
06/07/2026

“মানুষের জীবনে সবকিছু বদলে দিতে পারে মাত্র দুটি গুণ —

সময়ের কাজ সময়মতো করার অভ্যাস, আর নিজের নিয়ত ও দেওয়া কথার প্রতি অটল থাকা।

যে মানুষ দায়িত্ব থেকে পালায় না এবং প্রতিশ্রুতি ভাঙে না, তাকে হয়তো শুরুতে কেউ গুরুত্ব দেয় না; কিন্তু সময়ের সঙ্গে সবার আগে সেই মানুষটাই এগিয়ে যায়। কারণ সাফল্য শুধু ট্যালেন্টের পুরস্কার নয়, এটা শৃঙ্খলা, সততা আর দায়িত্ববোধের ফল।”







#সময়েরমূল্য
#দায়িত্ববোধ
#আত্মউন্নয়ন
#বাংলামোটিভেশন

"আমার তো টাকা নেই..."এই একটা বাক্য হয়তো হাজারো স্বপ্নের শেষ করে দেয়।কখনো কি নিজেকে এই কথাটা বলেছেন?"আমার তো টাকা নেই, ...
05/07/2026

"আমার তো টাকা নেই..."
এই একটা বাক্য হয়তো হাজারো স্বপ্নের শেষ করে দেয়।
কখনো কি নিজেকে এই কথাটা বলেছেন?

"আমার তো টাকা নেই, বড় কোনো কানেকশন নেই। আমি আর কী’বা করব?"

বিশ্বাস করুন, এই একটা বাক্য জবতে জবতে অনেকের জীবনের বছরের পর বছর চলে যায়।

অথচ পৃথিবীর অন্য প্রান্তে ঠিক একই সময়ে একটা ১৬ বছরের ছেলে নিজের তৈরি কোম্পানি বিক্রি করছে 7-figure এর অঙ্কে।
ছেলেটার নাম Yanal। আজ সে পৃথিবীর সবচেয়ে কম বয়সী self-made মিলিয়নিয়ারদের একজন।

কিন্তু এই গল্পটা টাকার নয়।
এই গল্পটা কোনো কিছু শুরু করার সাহসের।
মাত্র ১৪ বছর বয়সে Yanal-এর মাথায় একটা চিন্তাই ঘুরত সবসময়, কীভাবে এমন কিছু তৈরি করা যায়, যেটা মানুষ ব্যবহার করবে এবং যেটা থেকে আয় করা যাবে।

তার হাতে কী ছিল?
না কোনো বড় অফিস, না কোনো টিম, না কোনো বিনিয়োগকারী।
ছিল শুধু একটা ফোন আর ইন্টারনেট।
সেখান থেকেই শুরু।

একদিন সে "make money" বিষয়ক একটি Discord কমিউনিটিতে যোগ দিল। সেখানে সে ছিল একদম সাধারণ একজন সদস্য। কেউ তাকে চিনত না, কেউ আলাদা গুরুত্বও দিত না।
কিছুদিন পর সেই কমিউনিটির প্রতিষ্ঠাতা Ivelin তার affiliate program আবার চালু করলেন।

Yanal কোনো দ্বিধা না করে সুযোগটা নিল।
তার বানানো প্রথম ভিডিওই প্রায় ৩০ লাখ ভিউ পেল। একটু ভাবুন, মাত্র একটা ভিডিও।

শুধু একটা ভিডিওই তার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিল।
এরপর সে ওই কমিউনিটির ম্যানেজার হয়ে যায়। কিন্তু সেখানেই থেমে থাকেনি।

সে Ivelin-কে বলল,
"চলুন, আমরা নিজেদের clipping agency শুরু করি।"
সেখান থেকেই জন্ম নেয় Virality।
এরপর গল্পে যোগ দিল আরেকজন, Matt।
মজার ব্যাপার হলো, Matt-এর সঙ্গে তার পরিচয়ও অনলাইনে।
ঠিক তখন Matt-এর সামনে ছিল একটি বড় সুযোগ। Whop-এ Head of Clipping হিসেবে যোগ দেওয়ার অফার।
অনেকে হলে নিশ্চিত চাকরিটাই বেছে নিত।

কিন্তু Yanal তাকে বলল,
"চাকরিটা নিও না। চল, আমরা একসাথে নিজেরা কিছু তৈরি করি।"
Matt বিশ্বাস করল।
একটা নিশ্চিত ক্যারিয়ার ছেড়ে সে যোগ দিল একটা অনিশ্চিত স্বপ্নে।
তিনজন তরুণ।

কেউ কাউকে বাস্তবে কখনো দেখেনি।
পরিচয় শুধু ইন্টারনেটের মাধ্যমে।
হাতে বড় কোনো পুঁজি নেই।
পেছনে কোনো প্রভাবশালী পরিচয় নেই।

তারপরও মাত্র ১০ মাসের মধ্যে তারা এমন একটি কোম্পানি দাঁড় করাল, যার আয় ৩ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি।
সবচেয়ে অবাক করার বিষয়?
এক টাকাও বাইরের বিনিয়োগ নেয়নি।
তাদের নিয়ে লিখেছে Wall Street Journal।
তাদের তৈরি কনটেন্ট ব্যবহার করেছেন বিশ্বের পরিচিত উদ্যোক্তা ও বিলিয়নিয়াররা।

আর তাদের কনটেন্ট মিলিয়ে মোট ভিউ পৌঁছেছে ৩০ বিলিয়নেরও বেশি।

তবে এখানে একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আছে।
এই তথ্যগুলোর বেশিরভাগই Yanal-এর নিজের বক্তব্য এবং তার X (Twitter) পোস্ট থেকে এসেছে। এগুলো স্বাধীনভাবে অডিট করা আর্থিক প্রতিবেদন নয়।

আর clipping business এমন একটি নির্দিষ্ট স্কিলভিত্তিক ক্ষেত্র, যেখানে এমন সাফল্য খুবই বিরল।

তাই এই গল্পকে প্রেরণা হিসেবে দেখুন, শর্টকাট হিসেবে নয়।
এখন প্রশ্ন হলো, এই গল্প আমাদের কী শেখায়?
টাকা?
না।
কানেকশন?
সেটাও না।

Yanal-এর হাতে যখন কিছুই ছিল না, তখনও তার কাছে ছিল একটা ফোন আর ইন্টারনেট।
আজ আমাদের বেশিরভাগ মানুষের হাতেও ঠিক একই দুটি জিনিস আছে।
পার্থক্যটা কোথায়?

আমরা সেই ফোন দিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা স্ক্রল করি।
আর কেউ কেউ সেই একই ফোন দিয়ে নিজের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলে।
সফল আর অসফলের মধ্যে সবচেয়ে বড় পার্থক্য অনেক সময় প্রতিভা নয়।

পার্থক্যটা হলো, কে শুরু করল আর কে শুধু ভাবতেই থাকল।
আমরা যখন "সময় ভালো না", "সুযোগ নেই", "আমার দ্বারা হবে না" এসব অজুহাত সাজাতে ব্যস্ত থাকি, তখন পৃথিবীর কোথাও না কোথাও কেউ সেই একই সময়ে নিজের প্রথম ভিডিও আপলোড করে, প্রথম ক্লায়েন্ট খুঁজে বা প্রথম ব্যবসাটা শুরু করে দেয়।

মনে রাখবেন, সফল হতে সবসময় অসাধারণ আইডিয়ার দরকার হয় না।

দরকার হয় একটা শুরু।
তারপর প্রতিদিন একটু একটু করে এগিয়ে যাওয়ার ধৈর্য আর জেদ।
হয়তো আজ আপনি শুধু ফেসবুক স্ক্রল করছেন।
কিন্তু যদি আজই সেই স্ক্রল থামিয়ে নিজের স্বপ্নের দিকে প্রথম ছোট্ট পদক্ষেপটা নেন, তাহলে কয়েক বছর পর আপনার গল্পটাই হয়তো আরেকজনকে অনুপ্রেরণা দেবে।

বলুন তো, এই গল্পটা পড়ে আপনার ভেতরে নতুন করে শুরু করার জেদ জন্মেছে, নাকি একটু আফসোস হচ্ছে যে এতদিন শুধু ভাবতেই থেকেছেন?











#উদ্যোক্তা
#অনলাইন_ব্যবসা
#সফলতার_গল্প


একজন উদ্যোক্তা শুধু নিজের স্বপ্ন গড়ে তোলেন না, তার সঙ্গে অসংখ্য মানুষের জীবিকা, কর্মসংস্থান এবং ভবিষ্যতের আশাও তৈরি করে...
26/06/2026

একজন উদ্যোক্তা শুধু নিজের স্বপ্ন গড়ে তোলেন না, তার সঙ্গে অসংখ্য মানুষের জীবিকা, কর্মসংস্থান এবং ভবিষ্যতের আশাও তৈরি করেন। তাই কোনো উদ্যোক্তা যদি নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন, তবে শুধু একটি প্রতিষ্ঠান নয়, ক্ষতিগ্রস্ত হয় পুরো উদ্যোক্তা সমাজ।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্য অনুযায়ী, Mango Lover টিমের অফিসে হামলা, ভাঙচুর এবং প্রায় ১৫ লক্ষাধিক টাকা লুটের অভিযোগ উঠেছে। যদি এই অভিযোগগুলো সত্য প্রমাণিত হয়, তাহলে এটি শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের ওপর হামলা নয়, বরং দেশের উদ্যোক্তা পরিবেশের জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয়।

আজ যদি একজন উদ্যোক্তা নিরাপদ না থাকেন, তাহলে আগামীকাল নতুন কেউ সাহস করে ব্যবসা শুরু করতে চাইবেন না। বিনিয়োগ কমে যাবে, কর্মসংস্থানের সুযোগ সংকুচিত হবে এবং দেশের অর্থনীতিও তার প্রভাব অনুভব করবে।

আমাদের বিনীত অনুরোধ, সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যেন ঘটনাটির নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও দ্রুত তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসে। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যেন আইনের ঊর্ধ্বে না থাকে।

আমরা কোনো ব্যক্তির নয়, অপরাধের বিচার চাই। কারণ ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হলেই মানুষের আস্থা ফিরে আসবে, আর নিরাপদ পরিবেশেই নতুন উদ্যোক্তারা স্বপ্ন দেখার সাহস পাবেন।

একটা ব্যবসা দাঁড় করানো কখনোই একদিনের গল্প নয়। একটা ছোট্ট আইডিয়াকে ধীরে ধীরে একটি টেকসই ব্যবসায় রূপ দিতে অনেকেরই ৫–৬ বছর, কখনো তারও বেশি সময় লেগে যায়।

এই পথটা শুধু লাভের নয়। এর মধ্যে থাকে অসংখ্য নির্ঘুম রাত, অনিশ্চয়তা, আর্থিক চাপ, ব্যর্থতার ভয়, পরিবারকে সময় না দিতে পারার কষ্ট, আর প্রতিদিন নতুন করে লড়াই করার সাহস। তিল তিল করে মানুষ তার স্বপ্নকে বড় করে, ঠিক নিজের সন্তানের মতো যত্ন করে।

তারপর যদি একদিন হঠাৎ সেই স্বপ্নের ওপর হামলা হয়, বছরের পর বছর ধরে গড়ে তোলা সবকিছু মুহূর্তের মধ্যে ভেঙে চুরমার করে দেওয়া হয়, তাহলে শুধু একটি অফিস বা কিছু সম্পদ নষ্ট হয় না। ভেঙে যায় একজন উদ্যোক্তার মন, আত্মবিশ্বাস আর বেঁচে থাকার ইচ্ছাটাও।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্য অনুযায়ী, রাজশাহীভিত্তিক Mango Lover-এর অফিসে হামলা, ভাঙচুর, নগদ অর্থ লুট এবং কয়েকজন স্টাফ আহত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। যদি এসব অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হয়, তাহলে এটি অত্যন্ত মর্মান্তিক এবং দেশের উদ্যোক্তা সমাজের জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয়।

একজন উদ্যোক্তার ক্ষতি মানে শুধু একজন মানুষের ক্ষতি নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে অনেক পরিবারের জীবিকা, অনেক কর্মচারীর ভবিষ্যৎ এবং অসংখ্য স্বপ্ন।

দিনের পর দিন এমন খবর শুনতে শুনতে সত্যিই প্রশ্ন জাগে, নিরাপদভাবে কাজ করার পরিবেশ আমরা কবে পাব? বিচারহীনতার সংস্কৃতি যদি চলতেই থাকে, তাহলে নতুন উদ্যোক্তারা কীভাবে সাহস করে এগিয়ে আসবেন?

আল্লাহর কাছে আন্তরিক দোয়া করি, তিনি যেন ক্ষতিগ্রস্তদের ধৈর্য, শক্তি এবং আবার নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর তাওফিক দান করেন। আহতদের দ্রুত সুস্থতা দান করুন এবং সত্যকে প্রকাশ করে প্রকৃত অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করুন। ইনসাফ প্রতিষ্ঠিত হোক।

আর একটি কথা, তারা যখন আবার স্বাভাবিকভাবে ব্যবসায় ফিরবেন, ইনশাআল্লাহ আমি আমার সামর্থ্য অনুযায়ী তাদের কাছ থেকেই অর্ডার করব, আমার প্রয়োজন থাকুক বা না থাকুক। কারণ অনেক সময় একটি অর্ডার শুধু একটি পণ্য কেনা নয়, বরং একজন ভেঙে পড়া উদ্যোক্তাকে আবার উঠে দাঁড়ানোর সাহস দেওয়ার নাম।

আল্লাহ আমাদের প্রিয় দেশকে শান্তি, নিরাপত্তা, ন্যায়বিচার এবং পারস্পরিক সম্মানে পরিপূর্ণ করুন। আমীন।

"কেএফসি (KFC)-র ইন্টারভিউ দিতে গেছিল ২৪ জন। চাকরি পেল ২৩ জন। বাদ পড়ল শুধু একজন..." কে সেই হতভাগা? জানলে আপনার গায়ের লোম ...
03/06/2026

"কেএফসি (KFC)-র ইন্টারভিউ দিতে গেছিল ২৪ জন। চাকরি পেল ২৩ জন। বাদ পড়ল শুধু একজন..."

কে সেই হতভাগা? জানলে আপনার গায়ের লোম দাঁড়িয়ে যাবে! 👇
গল্পটা চীনের হ্যাংঝু শহরের একটা রোগা-পাতলা ছেলের।
চেহারা খুব একটা সুন্দর না, হাইটও কম।
পড়াশোনায়? একেবারেই তথৈবচ!

প্রাইমারি স্কুলে দুইবার ফেইল। মিডল স্কুলে তিনবার ফেইল।
ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হওয়ার জন্য এন্ট্রান্স পরীক্ষা দিল। একবার না, দুইবার না- তিনবার ফেইল করার পর কোনোমতে একটা থার্ড-ক্লাস কলেজে চান্স পেল!

সবাই বলল, "এই ছেলের ভবিষ্যৎ অন্ধকার।"
১: চাকরির বাজারে অপমান!
কলেজ শেষ করে ছেলেটা চাকরির সন্ধানে নামল।
পুলিশ ডিপার্টমেন্টে অ্যাপ্লাই করল। ৫ জন গিয়েছিল ইন্টারভিউ দিতে। ৪ জন চাকরি পেল।
অফিসার ছেলেটার মুখের ওপর বলল, "তোমাকে দিয়ে হবে না। তুমি আনফিট।"

তারপর এল সেই ঐতিহাসিক দিন।
শহরে নতুন KFC ব্রাঞ্চ খুলেছে। ২৪ জন ক্যান্ডিডেট লাইনে দাঁড়াল। ছেলেটাও ছিল তাদের একজন।
রেজাল্ট এল।
২৩ জন সিলেক্টেড।
মাত্র একজন রিজেক্টেড।
হ্যাঁ, ঠিক ধরেছেন। সেই রিজেক্ট খাওয়া ছেলেটাই আমাদের গল্পের নায়ক - জ্যাক মা (Jack Ma)।

চিন্তা করতে পারেন? আপনার যদি এমন অবস্থা হতো, আপনি কী করতেন? নিশ্চয়ই নিজেকে পৃথিবীর সবচেয়ে অপদার্থ ভাবতেন?
কিন্তু জ্যাক মা অন্য ধাতুর তৈরি।
২: ইংলিশ এবং পাগলামি!

জ্যাক দেখলেন তার কোনো স্কিল নেই। কিন্তু ট্যুরিস্টদের খুব শখ ছিল চায়না দেখার।
তিনি একটা বুদ্ধি বের করলেন। প্রতিদিন সাইকেল চালিয়ে ৪০ মিনিট দূরের একটা হোটেলে যেতেন।

সেখানে বিদেশি ট্যুরিস্টদের ফ্রি-তে গাইড হিসেবে ঘোরাতেন।
বিনিময়ে?
টাকা নিতেন না। শুধু তাদের সাথে ইংরেজিতে কথা বলতেন প্র্যাকটিস করার জন্য।

টানা ৯ বছর তিনি এই কাজ করেছেন! রোদ-বৃষ্টি-ঝড় সব উপেক্ষা করে।
এভাবেই তিনি তুখোড় ইংরেজি শিখে ফেললেন।
৩: ইন্টারনেটের সাথে প্রথম দেখা!

১৯৯৫ সাল। জ্যাক মা একটা ট্র্যান্সলেটর হিসেবে আমেরিকায় গেলেন।
সিয়াটলে তার বন্ধুর বাসায় তিনি জীবনে প্রথমবার একটা আজব জিনিস দেখলেন।
নাম - ইন্টারনেট।

বন্ধুর কম্পিউটারের সামনে বসে তিনি ভয়ে ছিলেন।
ভাবছিলেন, "চাপ দিলে যদি নষ্ট হয়ে যায়?"
বন্ধু বলল, "আরে দে তো, সার্চ কর কিছু একটা!"
জ্যাক লিখলেন "B**r" (বিয়ার)।
রেজাল্ট এল জার্মানি, আমেরিকা, জাপানের বিয়ার। কিন্তু চায়নার কোনো নাম নেই।
তারপর লিখলেন "China"।
রেজাল্ট: "No data found."

জ্যাকের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ল না, বরং একটা বাত্তি জ্বলে উঠল!
তিনি বুঝলেন, চায়নাকে ইন্টারনেটে আনতে হবে।
৪: কোডিং না জেনেও টেক কোম্পানি!
সবচেয়ে বড় টুইস্ট কী জানেন?
জ্যাক মা কোডিং পারতেন না।

কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার সম্পর্কে তার কোনো ধারণা ছিল না।
৩৩ বছর বয়স পর্যন্ত তার নিজের কোনো কম্পিউটারই ছিল না!
তিনি ছিলেন একজন সাধারণ ইংরেজি শিক্ষক।
তবুও তিনি রিস্ক নিলেন।
১৯৯৯ সাল। নিজের ছোট অ্যাপার্টমেন্টে ১৮ জন বন্ধুকে ডাকলেন।
তাদের সামনে দাঁড়িয়ে ২ ঘণ্টা ভাষণ দিলেন। বললেন, "আমরা এমন একটা কোম্পানি বানাব যা অ্যামাজন বা ইবে-র সাথে টক্কর দেবে।"
সবাই হা করে তাকিয়ে রইল। পকেটে টাকা নেই, কিন্তু স্বপ্ন আকাশছোঁয়া।

ওই ছোট রুমেই জন্ম নিল - আলিবাবা (Alibaba)।
শুরুর দিকে মানুষ তাদের পাগল বলত। ইনভেস্টররা মুখ ফিরিয়ে নিত।
সিলিকন ভ্যালিতে গিয়ে তিনি ফান্ডিং চাইলেন। সবাই রিজেক্ট করে দিল। বলল, "চায়নাতে ই-কমার্স? অসম্ভব!"
কিন্তু জ্যাক মা হাল ছাড়েননি।

আজ আলিবাবা বিশ্বের অন্যতম বড় কোম্পানি। আর যেই লোকটাকে KFC ঝাড়ুদার হিসেবেও নেয়নি, তিনি হলেন এশিয়ার অন্যতম ধনী ব্যক্তি।

আপনার জন্য লেসন!
ব্রো, জ্যাক মা একবার বলেছিলেন:
"আজকের দিনটা কঠিন। কালকের দিনটা আরও কঠিন হবে। কিন্তু পরশু দিনটা হবে সুন্দর।"

বেশিরভাগ মানুষ কালকের দিনেই হাল ছেড়ে দেয়, তাই তারা পরশু দিনের সূর্যটা দেখতে পায় না।
সো, পরীক্ষায় ফেইল করেছেন? বা কেউ রিজেক্ট করেছে?
প্যারা নাই।

হার্ভার্ড যাকে ১০ বার রিজেক্ট করেছে, তাকে আজ পুরো বিশ্ব স্যালুট দেয়।

আপনার রেজাল্ট কার্ড বা অন্যের জাজমেন্ট আপনার ভবিষ্যৎ ঠিক করে না। ঠিক করে আপনার জেদ।

ফোনটা রেখে এবার নিজের স্কিল বাড়াতে কাজে লেগে পড়ুন।
কে জানে, আজ যে ছেলেটা ফেসবুক স্ক্রল করছে, কাল সে-ই হয়তো বাংলাদেশের নেক্সট বড় আইকন হবে!
শুভকামনা, বস! ❤️

Experience ছাড়া business করা যায় না - এটা সবচেয়ে বড় মিথ্যা বা ভুল ধারণা। আপনার Experience টা হবে কিভাবে , যদি মাঠেই ...
22/05/2026

Experience ছাড়া business করা যায় না - এটা সবচেয়ে বড় মিথ্যা বা ভুল ধারণা।

আপনার Experience টা হবে কিভাবে , যদি মাঠেই না নামেন?

আমি কেন এই পেজটি তৈরি করেছি?😇শুরু করেছি আমি জানি…ইন্টারনেট ব্যবসায়িক বিষয়ে সফলতা দেখায়।কিন্তু যাত্রা অনেক কম।কেউ কোন ...
08/05/2026

আমি কেন এই পেজটি তৈরি করেছি?😇
শুরু করেছি আমি জানি…
ইন্টারনেট ব্যবসায়িক বিষয়ে সফলতা দেখায়।
কিন্তু যাত্রা অনেক কম।
কেউ কোন ক্ষতি করে…
ব্যর্থ পণ্য লঞ্চ…
বাজার এ ঠিক বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে শেয়ার করে…
এই পেজটি তৈরি করুম কারণ, আমি চাই আমার প্রকৃত ব্যবসায়িক যাত্রা কে ডকুমেন্ট করা।
আমি চাই আমার অনলাইন + অফলাইনে ব্যবসা গড়ে তোলা।
এবং আমি চাই এই যাত্রা কে শেয়ার করতে শুরু করুন থেকে।
প্রোডাক্ট রিসার্চ সম্পর্কে, কিভাবে প্রোডাক্ট সোর্স করতে হয়, মার্কেট থেকে আমি কি শিখি, গ্রাহকদের মানসিকতা, আমি যে ভুলগুলো করেছি, আমি শিখেছি — আমি যা কিছু শিখি বা সম্মুখীন হব, আমি তা এখানে সততার সাথে শেয়ার করার চেষ্টা করব।
আমি জাল অনুপ্রেরণা জিনিস শেয়ার করব না.
আমি রাতারাতি সাফল্যের গল্প দেখাব না।
আমি শিখব। আমি বাড়ার চেষ্টা করব।
এবং আমি চাই অন্য লোকেরা যারা সত্যিকারের কিছু তৈরি করতে চায় এই যাত্রায় আমার সাথে যোগ দিন।
এই পেজে আপনি যা পাবেন:

• বাস্তব ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা
• পণ্য গবেষণা ও ধারণা
• ভুল এবং শিক্ষা
• অনলাইন ও অফলাইন যাত্রা
• বাজার গবেষণা/সময় নির্ধারণ
• শূন্য থেকে শুরু করা
আসুন একসাথে শিখি, একসাথে বেড়ে উঠি এবং অর্থবহ কিছু গড়ে তুলি।🙏
— আব্দুল্লাহ আল ফাহিম

#বিজনেস 'sbusinessjourney

Address

Chattogram-bandar, Port Colony
Chittagong
4100

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Fahim's Business Journey posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share