18/11/2021
পালে নাই ঘি, ঠকঠকালে হবে কি? এমন খনার বচনসহ বাংলা ভাষায় ঘি নিয়ে রয়েছে হাজারও কথন। জেনে নেই ঘি কেন মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ?
ঘি, দুধের প্রক্রিয়াজাত খাদ্য উপাদান। বাঙ্গালীর খাবার পাতে উঠেছিল, হাজার বছর আগে।
পোলাও, বিরিয়ানী, ভর্তায় শুধু নয়, সাদা ভাতের সাথেও ঘি, অনেক ভোজনরসিকের কাছে অতিব প্রয়োজনীয়।
গবেষণা বলছেন, ঘি পুষ্টি উপাদানে ভরপুর। তাই আয়ূর্বেদ শাস্ত্রেও ব্যবহার হয় ওষুধ হিসেবে।
এতে রয়েছে ক্যালোরি, প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, ভিটামিন 'এ', 'ডি', 'ই' এবং 'কে'। তাছাড়াও আছে স্যাচুরেটেড, মনো আনস্যাচুরেটেড এবং পলি আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট।
ঘিতে থাকা কনজুগেটেড লিনোলেনিক এসিড কমায় ওজন, প্রতিরোধ করে ক্যান্সার এবং হৃদরোগ।
এতে থাকা ভিটামিন 'এ', 'ডি', 'ই' এবং 'কে' হাড়কে করে শক্তিশালী এবং মস্তিস্কের ধারণক্ষমতা বাড়াতে দারুণ সহায়ক। আর বিউটারিক এসিড মানবদেহের পরিপাকতন্ত্রকে রাখে সুস্থ।
পুষ্টিবিজ্ঞানীরা বলছেন, দুধে ক্যাসেইন নামে এক ধরণের রাসায়নিক উপাদান থাকার কারণে অনেকের পেটে হজম না হলেও, ঘি খেতে পারেন তারাও একদম নিশ্চিন্তে।
পুষ্টিবিজ্ঞানী ড. মনিরুল ইসলাম বলেন, 'ঘি আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। যদিও আমরা চর্বির ভয়ে দুধ খেতে পারিনা। কিন্তু ঘিতে ভাল চর্বি বিদ্যমান। যা আমাদের হার্টের জন্য ভাল। এজন্য ঘি আমরা নির্ভয়ে খেতে পারি। প্রতিদিন যদি নিয়ম করে আধা চামচ বা এক চামচ ঘি খাই, তাহলে তা আমাদের হার্টের জন্য ভাল। স্বাস্থ্য ও ত্বকও ভাল থাকবে। দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি পাবে। হজমে সহায়তা করবে।'