LaaZ আপনাকে জিতিয়ে আমরা জিতব।

18/12/2025

রিযিক বন্ধ হয়ে যাওয়ার ২০টি গুনাহ।

১. সুদ (Riba):
যে ব্যবস্থার বিরুদ্ধে আল্লাহ নিজেই যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন, সেখানে কখনো বারকাহ আসতে পারে না।
📖 রেফারেন্স: সূরা আল-বাকারা ২৭৯ — “আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের পক্ষ থেকে যুদ্ধের ঘোষণা।”

২. অকৃতজ্ঞতা:
যে রিযিককে তুমি তুচ্ছ করো, সেটাই ধীরে ধীরে তোমার হাত থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়।
📖 রেফারেন্স: সূরা ইবরাহীম ৭ — “কৃতজ্ঞ হলে বাড়িয়ে দেব, অকৃতজ্ঞ হলে শাস্তি কঠিন।”

৩. আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা:
রিযিকের সাথে আত্মীয়তার সম্পর্ক সরাসরি যুক্ত। সম্পর্ক কেটে দিলে রিযিকের দরজা বন্ধ হয়।
📖 হাদিস: “যে রিযিক বাড়াতে চায়, সে যেন আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখে।” — বুখারি ২৯৮৬

৪. অসততা:
ব্যবসায় মিথ্যা বললে সাময়িক লাভ হতে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে রিযিক নষ্ট হয়।

৫. প্রতারণা:
কারও হক মেরে খেলে প্রতিটি হারাম টাকা জীবনে অভাব ডেকে আনে।
📖 হাদিস: “যে প্রতারণা করে, সে আমার উম্মতের মধ্যে নয়।” — মুসলিম ১০২

৬. সালাত অবহেলা:
আজান–সালাত গুরুত্বহীন মনে করলে রিযিকের বারকাহ কমে যায়।
📖 হাদিস: “রিযিক সালাতে আছে।” — সহিহ অর্থে বহু বর্ণনায় প্রমাণিত

৭. গীবত:
অন্যের পিঠ পেছনে খারাপ বলা তোমার নিজ জীবনের বারকাহ খেয়ে ফেলে।
📖 সূরা হুজুরাত ১২

৮. অহংকার:
রিযিক উপহার, প্রমাণ নয় যে তুমি শ্রেষ্ঠ। অহংকার আসমানের দরজা বন্ধ করে দেয়।
📖 হাদিস: “যার অন্তরে অহংকারের অণু পরিমাণ থাকে, সে জান্নাতে যাবে না।” — মুসলিম ৯১

৯. যাকাত আটকে রাখা:
যাকাত না দিলে সম্পদ অপবিত্র হয়ে যায় এবং ধ্বংস হতে থাকে।
📖 সূরা তাওবা ৩৪-৩৫

১০. কর্মচারীদের ওপর জুলুম:
যাদের তোমার ওপর কিছুটা অধিকার আছে, তাদের হক না দিলে রিযিক শুকিয়ে যায়।
📖 হাদিস: “মজদুরের মজুরি ঘাম শুকানোর আগেই পরিশোধ করো।” — ইবন মাজাহ ২৪৪৩

১১. বেচাকেনায় প্রতারণা বা জিনিসের দোষ লুকানো:
এতে সম্পদের বারকাহ সম্পূর্ণ তুলে নেওয়া হয়।

১২. লোভ:
যে শুধু আরও আরও চায় কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ বলে না—সে শেষ পর্যন্ত কম পায়।
📖 হাদিস: “মানুষের মন যদি দুই পাহাড় ভরা সম্পদ পায়, তবুও সে তৃতীয়টি চাইবে।” — বুখারি ৬৪৩৯

১৩. বাবা–মাকে অবহেলা:
তোমার রিযিক তাদের দোয়া বা অভিশাপের সাথে জড়িত।
📖 হাদিস: “রিযিক ও আয়ু বাড়ে বাবা-মাকে সন্তুষ্ট রাখলে।” — মুসলিম (হাসান সনদে বহু রেওয়ায়েতে প্রমাণিত)

১৪. জুলুম করে সম্পদ অর্জন:

সবার চাচা জমি মেরে দেয়, কিন্তু কারো বাবা জমি মেরে দেয় না.! 😏যে চাচা আপনার কাছে সাক্ষাৎ শয়তান, তিনি কার বাবা? এই একটি প্র...
01/09/2025

সবার চাচা জমি মেরে দেয়, কিন্তু
কারো বাবা জমি মেরে দেয় না.! 😏

যে চাচা আপনার কাছে সাক্ষাৎ শয়তান, তিনি কার বাবা? এই একটি প্রশ্নই সমাজের গভীরে লুকিয়ে থাকা এক বীভৎস সত্যের মুখে আমাদের দাঁড় করিয়ে দেয়। একই মানুষ দুটো ভিন্ন পরিচয়ে বেঁচে থাকে—একদিকে সন্তানের চোখে তিনি দেবতা, যিনি তাদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করতে সবকিছু করতে পারেন; অন্যদিকে ভাইপো বা ভাইঝির কাছে তিনি রক্তখেকো দানব, যিনি তাদের ন্যায্য অধিকার নির্লজ্জভাবে কেড়ে নেন।

আসলেই তো, "সবার চাচাই জমি মেরে দেয়, কিন্তু কারো বাবা দেয় না।" কী অদ্ভুত এক আত্মপ্রবঞ্চনা! যে মানুষটি ভাইয়ের এতিম সন্তানদের সম্পত্তি গ্রাস করে নিজের সন্তানের জন্য প্রাসাদ গড়েন, সেই সন্তানের কাছে তিনি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বাবা। তার কাছে বাবার এই অন্যায় কোনো অপরাধ নয়, বরং পরিবারের প্রতি 'কর্তব্য'। রক্তের সম্পর্ক এখানে পচে গলে স্বার্থের দুর্গন্ধে একাকার হয়ে যায়। যে দীর্ঘশ্বাস আর অভিশাপ এতিমের বুক চিরে বের হয়, তা কি সেই বাবার গড়া প্রাসাদের ভিত নাড়িয়ে দেয় না?

এবার নিজেকে কয়েকটি প্রশ্ন করুন, যা আপনার হৃদয়ে আগুন জ্বালিয়ে দিতে বাধ্য:

১. আপনার পরম শ্রদ্ধেয় বাবা কি আড়ালে কারো সেই 'জমি মেরে দেওয়া' চাচা নয় তো?
২. নিজের সন্তানের জন্য অন্যের হক কেড়ে নেওয়া কি পিতৃত্বের মহিমা, নাকি মানবতার চূড়ান্ত অপমান?
৩. যে সম্পত্তিতে অন্যের বুকচেরা হাহাকার আর অভিশাপ মিশে আছে, সেই সম্পত্তি ভোগ করে আপনি বা আপনার সন্তান কি আদৌ জীবনে শান্তি পাবে?

উত্তরটা নিজের বিবেককে জিজ্ঞাসা করুন, যদি সেই বিবেক এখনো বেঁচে থাকে। কারণ প্রতিটি 'ভিলেন' চাচার পেছনে একজন 'হিরো' বাবার মুখোশ লুকানো থাকে।

সংগ্রহ করা

23/07/2025

সুবহানাল্লাহ! একবার দেখুন!

এই ছবিটি কোনো শিল্পীর আঁকা জটিল শিল্পকর্ম নয়। এটি মহান আল্লাহতায়ালার এক অবিশ্বাস্য সৃষ্টি—আমাদের নিজেদের মেরুদণ্ডের ভেতর থেকে বেরিয়ে আসা স্নায়ু জালের এক বাস্তব চিত্র।

একবার গভীরভাবে চিন্তা করুন, আমাদের সৃষ্টিকর্তা কতটা নিখুঁতভাবে আমাদের তৈরি করেছেন! আমাদের মেরুদণ্ড থেকে মোট ৩১ জোড়া স্নায়ু বের হয়ে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়েছে—একদম নির্ভুল গণনায়। ঘাড় থেকে কোমর হয়ে একেবারে শেষ প্রান্ত পর্যন্ত প্রতিটি স্নায়ু তার নির্দিষ্ট দায়িত্ব পেয়ে ছড়িয়ে আছে।

এদের কাজ আমাদের কল্পনার চেয়েও বিশাল। আমাদের প্রতিটি পদক্ষেপ, প্রতিটি নিঃশ্বাস, প্রিয়জনের মুখের দিকে তাকানো, মায়ের হাতের স্পর্শ অনুভব করা, এমনকি আমাদের হৃদয়ের যে স্পন্দন—তার সবই এই স্নায়ুগুলোর মাধ্যমে মহান রবের ইশারায় নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। আমরা যখন ঘুমিয়ে থাকি, তখনও এই নেয়ামতগুলো আমাদের শরীরকে সচল রাখে।

আমরা কতই না গাফেল! সামান্য ব্যথা পেলেই অস্থির হয়ে যাই, কিন্তু যে মহান সত্তা এই জটিল ব্যবস্থা দিয়ে আমাদের আগলে রেখেছেন, তাঁর শুকরিয়া কি আমরা আদায় করি?

পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেন,
“আর তোমাদের নিজেদের মধ্যেও (আমার নিদর্শন) রয়েছে, তোমরা কি দেখো না?”
(সূরা আয-যারিয়াত, আয়াত: ২১)

এই ছবিটি সেই আয়াতের এক জীবন্ত উদাহরণ। আমাদের শরীর আল্লাহর অস্তিত্বের এক অকাট্য প্রমাণ, এক জীবন্ত মোজেজা। প্রতিটি মুহূর্তের জন্য, প্রতিটি সুস্থতার জন্য—আলহামদুলিল্লাহ!

Written By: AH Abubakkar Siddique

22/07/2025

রিকশাওয়ালারে আর জীবনে এক টাকা বাড়তি দিবেন না। এটা ফেসবুক ইমোশনাল পোস্ট হিসেবে মানায়।
বাট লজিক্যাল না...

আপনার এই ইমোশনাল স্টেটমেন্ট রাষ্ট্র গঠনে কোনো কাজে দিবে না ।

তাহলে কি কাজে দিবে?

জবাবদিহিতা ।

আমি মনে করি , রাষ্ট্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লোকটার যেমন জবাবদিহিতা থাকবে , তেমনি নাগরিক হিসেবে যে কামলা দিবে , তার ও জবাবদিহিতা থাকতে হবে ।

শহরগুলোতে রিকশাওয়ালারা একটা নির্দিষ্ট স্থানে রিকশা চালায় মাঝেমাঝে ।

মাইলস্টোনের পাশে যান ,কালকের এইসব পরিচিত রিকশাওয়ালা দেখলে জিজ্ঞেস করেন ,

— এই কাজটা ওরা কেনো করলো? যুক্তি কি?

কোন সাহসে চামারের বাচ্চারা এই গাদ্দারি করলো দেশের মানুষের সাথে।

রিকশাওয়ালারে পান না পান , যে দোকানগুলোতে পানির দাম ৬০০ টাকা চাইছে , ওদের তো পাবেন।

দোকান রিকশা- সিএনজির মতো উড়ে যায় না ।

যে আঙ্কেলটা বলছে পানির দাম ছয়শো চাইছে, উনারে দিয়া আইডেন্টিফাই করেন ।

ক্যামেরা অন করেন । অমানুষের বাচ্চার জবাবদিহিতা নেন । ও কেনো দুই লিটার পানির দাম ছয়শো চাইবে?

ওর বাপরে আখ বানাইয়া চিবাইয়া পানি বাইর করছে?

মববাজি করতে বলমু না , পুলিশ নিয়া যান । ভোক্তা অধিকাররে নিয়া যান ।

ভোক্তা অধিকার রিসিট ছাড়া হয়তো স্টেটমেন্ট নেয় না। কিন্তু আপাতত আঙ্কেলের স্টেটমেন্টই বড় রিসিট।

কামলার দল চায়ের দোকানে বইসা সারাদিন প্রধানমন্ত্রীরে গালি দিবে, মন্ত্রীরে গালি দিবে — অথচ নিজে চামার হইয়া বসে আছে , ঐদিকে নজর নাই ।

" আমাদের দুর্নীতিমুক্ত সরকার নাই বইলা আমরা আফসোস করি , কিন্তু আমরা নিজেরা কতটুকু সাধু দেশের ব্যাপারে ? '

বছর বছর ড্রেন পরিষ্কার করা হয় । আমরা বোতল ফেলে , ময়লা ফেলে সেসব ভরাট করি ।

তারপর বর্ষায় জলাবদ্ধতা হইলে গালি দি সরকাররে!

সব দোষ সরকারের । সব জবাবদিহিতা সরকারের ।

আমরা সব 'জাপানি " মানুষ ।

প্লেয়ার সব বোকা*** হইলে ভালো কোচ দিয়াও কাজ হয় না ।

অথচ আমরা পাইছি একসাথে বোকা*** কোচ এবং বোকাচো* প্লেয়ার ।

আর তাই দেশের হালের এই বেহাল দশা...

21/07/2025

মাইলস্টোন বিমান দুর্ঘটনায় শোক জানাচ্ছি।

বারান্দায় কাপড় শুকোতে দেয়া আমাদের মা-বোনদের নিত্যদিনের অভ্যাস। বিশেষত শহুরে ফ্ল্যাটে বারান্দা ছাড়া উপায়ও নেই যেন। তবে এ ...
15/01/2025

বারান্দায় কাপড় শুকোতে দেয়া আমাদের মা-বোনদের নিত্যদিনের অভ্যাস। বিশেষত শহুরে ফ্ল্যাটে বারান্দা ছাড়া উপায়ও নেই যেন। তবে এ ক্ষেত্রে অনেকেই মস্তবড় ভুলটি করে বসেন। শহরের ঘিঞ্জি এলাকায় তারা বারান্দায় কাপড় শুকোতে দিয়ে রাখেন, এমনকি পরিধেয় বিশেষ পোশাকটিও তারা বারান্দায় উন্মুক্তভাবে রোদে দেন। এতে কিছু সমস্যা হতে পারে।
যেমন আশেপাশের ফ্ল্যাট থেকে এসব কাপড়ের দিকে লোলুপ দৃষ্টি দেয়া হয়। এরপর এটা সীমা ছাড়িয়ে ইভটিজিংয়ে পরিণত হয়। ইভটিজিং না হলেও দুশ্চরিত্র ব্যক্তিরা এসব কাপড় দেখেই অনেক মাপজোখ করে ফেলে। এরপর থেকে অসৎ উদ্দেশ্যে বারবার উঁকিঝুঁকি মারতে থাকে।
এ জন্য উত্তম হলো, বারান্দায় বড় কাপড় দিয়ে পর্দা লাগিয়ে দেয়া। কমপক্ষে গাঢ় কালারের নেট-জাতীয় পর্দা হলেও লাগিয়ে নেয়া যেতে পারে। এরপর বারান্দায় কাপড় শুকানো। অথবা বারান্দায় দুই স্তর করে রশি লাগানো। সামনের দিকে পুরুষদের কাপড় দিয়ে ভেতরের দিকে মহিলাদের কাপড় শুকাতে দেয়া। এতে করে বাইরে থেকে শুধু পুরুষদের কাপড়গুলোই দেখা যাবে।
কাপড় শুকানোর পর রশিতে তা ফেলে না রাখা। অনেকেই একদিন গোসল করে কাপড় শুকাতে দেয়ার পর পরদিন গোসলের সময় রশি থেকে কাপড় আনতে যান। আবার কেউ কেউ ছাদেও সারারাত ধরে কাপড় ফেলে রাখেন। এতেও বদজিনের আছর পড়ার সমূহ আশঙ্কা থাকে।
এ ক্ষেত্রে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কাপড় পরার সময় সব সময় বিসমিল্লাহ বলে পরা। পোশাক-আশাক খোলা ও পরিধানের সময় দুআ পড়া। এবং নিরাপত্তার দুআসমূহের ওপর আমল করা।

22/08/2024

বন্যার্তদের পাশে দাঁড়ান। সামর্থ্যানুযায়ী প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে এগিয়ে আসুন মানবতার কল্যাণে।লাজ পরিবার আপনাদের সাথে আছে।ধন্যবাদ।

মোটরসাইকেল বা মোটরবাইক সার্ভিসিংয়ে যেসকল গুরুত্বপূর্ণ কাজ করা জরুরি.... 👉১ম কাজ : মোটরসাইকেল ধুয়ে মুছে পরিষ্কার করুন। ভা...
09/06/2024

মোটরসাইকেল বা মোটরবাইক সার্ভিসিংয়ে যেসকল গুরুত্বপূর্ণ কাজ করা জরুরি....

👉১ম কাজ : মোটরসাইকেল ধুয়ে মুছে পরিষ্কার করুন। ভালোভাবে কম্প্রেসার বাতাস দিয়ে শুকিয়ে ফেলুন।
👉২য় কাজ : স্পার্ক প্লাগ, প্লাগের স্থান পরিষ্কার করুন , প্লাগ এর গ্যাপ (০.৮ - ০.৯ এমএম ) ঠিক করুন।
👉৩য় কাজ : ভাল্ভ / টেপেট ক্লিয়ারেন্স ঠিক আছে কিনা দেখুন , না থাকলে ঠিক করুন। (হাতের আন্দাজে করলে ভালো হবে না, পারফেক্ট চাইলে ফিলার গজ দিয়ে কাজটা করুন।)
👉৪র্থ কাজ : আইডল আরপিএম ঠিক করুন। ১২০০-১৫০০ আরপিএম মধ্যে রাখুন।
👉৫ম কাজ : ফুয়েল লাইনের কোথাও লিক, ফাটা আছে কিনা দেখুন। চেক করুন।
👉৬ষ্ঠ কাজ : এয়ার ফিল্টার নির্দেশিকা অনুসারে পরিস্কার করুন।
👉৭ম কাজ : ইঞ্জিন অয়েল, অয়েল ফিল্টার পরিবর্তন করুন।
👉৮ম কাজ : সামনের এবং পিছনের ব্রেক চেক করুন। সমন্বয় করুন।
👉৯ম কাজ : ক্লাচ লিভার ফ্রি প্লে চেক করুন। সমন্বয় করুন। (সাধারনত ১০-১৫ এমএম।)
👉১০ম কাজ : চাকার হাল /অবস্থা দেখুন, কাচ, ছোট পিন, পেরেক কোথাও লুকায়ে আছে কিনা দেখুন। পরিষ্কার করুন। মেয়াদ উত্তীর্ণ মার্কিং স্পর্শ করলে চাকা পরিবর্তন করুন।
👉১১তম কাজ : উভয় চাকার বিয়ারিং ঢিলা বা ক্ষতিগ্রস্ত কিনা চেক করুন।
👉১২তম কাজ : হ্যান্ডেল বার ডান দিকে বাম দিকে মসৃন ভাবে ঘুরতেছে, কোথাও টাইট ঢিলা অনুভুত হলে এডজাস্ট করুন।
👉১৩তম কাজ : সামনের চাকার ফর্ক (সাসপেন্সান ), পিছনের চাকার শক (সাসপেন্সান ) ঠিকভাবে কাজ করছে, তেল লিক হচ্ছে কিনা চেক করুন।
👉১৪তম কাজ : ড্রাইভ চেইন বেশি ঢিলা , বেশি টাইট থাকলে এডজাস্ট করুন , চাকার দুপাশের মার্কিং অনুযায়ী চেইন সমান্তরাল করুন। নির্দেশিত লুব্রিকেন্ট চেইন এ লাগান।
👉১৫তম কাজ: সকল নাট বোল্ট চেক করুন , ঢিলা হলে টাইট করুন।
👉১৬তম কাজ : সকল বাতি, ইলেকট্রিকেল সুইচ পরীক্ষা করুন।
👉১৭তম কাজ : চাকার হাওয়ার প্রেসার চেক করুন, প্রয়োজনে হাওয়া দিন।
👉১৮তম কাজ : আইডল আরপিএম এ নির্গত ধোয়ায় কার্বন ডাই অক্সাইড পরিমাপ করুন, সমন্বয় করুন। (আধুনিক সুবিধাযুক্ত সার্ভিসিং সেন্টার ছাড়া সম্ভব নয়।)
👉১৯তম কাজ : সকল নড়াচড়া স্থান (মেটাল টু মেটাল) চেক করুন, লুব্রিক্যান্ট দিন। সাইড স্ট্যান্ড, সেন্টার স্ট্যান্ড , স্প্রিং এর দুই প্রান্ত।
👉২০তম কাজ : উভয় চাকার ব্রেক সুইচ চেক করুন।
👉২১তম কাজ : ক্লাচ ক্যাবল, থ্রটল ক্যাবল চেক করুন, ব্রেক কেবলে লুব্রিক্যান্ট দিন।
👉২২তম কাজ : উপরের সব শেষ হলে একটা টেস্ট ড্রাইভ দিন।এরপর ক্লিন করে পালিশ করুন।
সংগৃহীত।

01/06/2024

আপনার স্ত্রী যখন আপনার কাছ থেকে সময়,যত্ন,ভালোবাসা কম পাবে,তখন দেখবেন সে তার চাহিদা বাড়াতে থাকবে!

শাড়ি,গয়না,আসবাবপত্র, কিংবা ঘর সাজানোর যাবতীয় জিনিস কিনতে বায়না ধরবে।বিলাসবহুল জীবনযাপন করতে চাইবে।

আপনার থেকে যখন সময়,যত্ন কিংবা ভালোবাসা পাবে না,তখন সে অন্যকিছুতে নিজেকে ব্যস্ত রাখতে চাইবে!

আবারঃ
আপনার স্বামী যখন আপনার কাছ থেকে মানসিক এবং শারীরিক সাপোর্ট পাবে না,তখন তার মেজাজ খিটখিটে থাকবে আপনার সাথে!অকারণে ঝগড়া করবে,সব কাজে ভুল ধরা শুরু করবে!

স্ত্রী যদি মানসিক কিংবা শারীরিক চাহিদা পূরণে ব্যর্থ হয়,তবে সে পুরুষ কখনো সফলতার মুখ দেখতে পারে না!সে থাকবে কেবলই হতাশাগ্রস্ত!

সত্যি বলতে;
পুরুষ মানুষ সব সহ্য করতে পারে,শুধু তার শারীরিক কিংবা মানসিক চাহিদার অপূর্ণতা সহ্য করতে পারে না!আপনি আপনার স্বামীর সাথে যত শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখবেন,আপনাদের মাঝে তত দূরত্ব বাড়তে থাকবে!

জানেন তো?
মানুষ তার সঙ্গীর অবহেলা পেলে;মনে জেদ,তেজ আর রাগ পুষতে থাকে!যা একসময় অনেক বড় ধরনের ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়,সংসারে তৃতীয় পক্ষের আগমন ঘটে,সম্পর্ক বিচ্ছেদে রূপ নেয়!আর তখন পাশাপাশি এক বিছানায় থেকে শুধু নামেমাত্র সংসারের দায়িত্ব পালন করে গেলেও,মনের দূরত্বটা আজীবন থেকে যায়!

সংসারে স্বামী-স্ত্রীকে থাকতে হয় একে-অপরের পরিপূরক হিসাবে।পরস্পর পরস্পরের দোষ না খুঁজে বরং পরস্পরের যেটা প্রয়োজন,তা পরস্পর মিলেই মিটিয়ে নিন।একজনের মানসিক সাপোর্ট লাগলে,তাকে মানসিক সাপোর্ট দিন,সময় দিন,যত্ন দিন।অপরজনের শারীরিক সাপোর্ট লাগলে,তার শারীরিক চাহিদা পূরণ করুন।কেউ কাউকে দোষারোপ না করে,পরস্পরের মন জুগিয়ে চলার চেষ্টা করুন।

পৃথিবীর সবকিছুই ক্ষণস্থায়ী!
সংসার জীবনে অশান্তি নিয়ে,পৃথিবীর কোনো মানুষই ভালো থাকতে পারে না–কস্মিনকালেও না!

লেখায়ঃ- Fahad Mia🌼

21/03/2024

ভয়ংকর এক নারী প্রজন্মের অপেক্ষায় আমরা!!
৭৫% উচ্চ শিক্ষিত মেয়ে ২৭ থেকে ৩০ বছর বয়সেও বিয়েহীন। ক্যারিয়ার গড়তে গিয়ে এরা এমন এক সংকট তৈরী করেছে যে। আগামী ৫ বছরে লাখ লাখ মেয়ে বিয়েহীন থাকবে৷
তাদের যৌবনের চাহিদা, আবেগ,ভালোবাসা হারানোর ফলে। স্বামীর মন জয় করার পরিবর্তে স্বামীর প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েই সংসারে দরকষাকষি করবে৷ আর স্বামীও তাদের মাঝে আনুগত্য, কোমলত্ব,নারীত্ব না পেয়ে অসহ্য হয়ে উঠবে। তখন সংসার টিকানো অসম্ভব হয়ে পড়বে। কারণ তার স্ত্রী ৩০ টা বছর পুরুষের ফিতরাতে টেক্কা দিয়ে সে নিজেই পুরুষে বিবর্তিত হয়ে গেছে। তার আস্ত দেহটাই নারীর বৈশিষ্ট্য হলেও। সে মানসিকভাবে পুরুষ। স্বামী তাকে দৈহিক ভাবে নারী পেলেও সে মেন্টাল ভাবে পুরুষ।এমন একটা দিন আসতে যাচ্ছে। মেয়েরা আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে যৌবন থেকে যেমন বঞ্চিত হবে। বঞ্চিত হবে সংসার থেকেও। বঞ্চিত হবে আখিরাতের মুক্তি থেকেও।

Address

Chittagong

Telephone

+8801977997711

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when LaaZ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share