Allah is Almighty

Allah is Almighty Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Allah is Almighty, Chittagong.

18/05/2026

ধর্মব্যবসায়ীদের চেনার জন্য, নিচে কোরআনের রেফারেন্স এবং আয়াত দিয়ে দিলাম। কিন্তু দুঃখজনক বিষয় কি জানেন, কোরআনের সুস্পষ্ট বিধান দেখার পরেও কিছু নির্বোধ, ধর্মব্যাবসার এবং ধর্মব্যাবসায়ীদের পক্ষে কথা বলে।
১.اِنَّ الَّذِیۡنَ یَکۡتُمُوۡنَ مَاۤ اَنۡزَلَ اللّٰهُ مِنَ الۡکِتٰبِ وَ یَشۡتَرُوۡنَ بِهٖ ثَمَنًا قَلِیۡلًا ۙ اُولٰٓئِکَ مَا یَاۡکُلُوۡنَ فِیۡ بُطُوۡنِهِمۡ اِلَّا النَّارَ وَ لَا یُکَلِّمُهُمُ اللّٰهُ یَوۡمَ الۡقِیٰمَۃِ وَ لَا یُزَکِّیۡهِمۡ ۚۖ وَ لَهُمۡ عَذَابٌ اَلِیۡمٌ
﴿সুরা বাকারা-১৭৪﴾

নিশ্চয় যারা গোপন করে যা আল্লাহ নাযিল করেছেন এবং এর বিনিময়ে স্বল্প মূল্য গ্রহণ করে, এরা নিজেদের পেটে একমাত্র আগুন ভক্ষণ করে, ওদের সাথে আল্লাহ ক্বিয়ামাতের দিন কথা বলবেন না এবং ওদেরকে পবিত্রও করবেন না; এবং ওদের জন্য আছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।
২. وَ اٰمِنُوۡا بِمَاۤ اَنۡزَلۡتُ مُصَدِّقًا لِّمَا مَعَکُمۡ وَ لَا تَکُوۡنُوۡۤا اَوَّلَ کَافِرٍۭ بِهٖ ۪ وَ لَا تَشۡتَرُوۡا بِاٰیٰتِیۡ ثَمَنًا قَلِیۡلًا ۫ وَّ اِیَّایَ فَاتَّقُوۡنِ﴿০﴾
وَ لَا تَلۡبِسُوا الۡحَقَّ بِالۡبَاطِلِ وَ تَکۡتُمُوا الۡحَقَّ وَ اَنۡتُمۡ تَعۡلَمُوۡنَ
﴿সুরা বাকারা-৪১, ৪২﴾
আর তোমরা ঈমান আন সেই কিতাবের প্রতি, যা তোমাদের নিকট আছে তার প্রত্যয়নকারী এবং তোমরাই তার প্রথম প্রত্যাখ্যানকারী হয়ো না এবং আমার আয়াতের বিনিময়ে সামান্য মূল্য গ্রহণ করো না, তোমরা কেবল আমাকেই ভয় কর।
আর তোমরা সত্যকে মিথ্যার সাথে মিশ্রিত করোনা এবং জেনে-বুঝে সত্য গোপন করো না।
৩. اِنَّ الَّذِیۡنَ یَشۡتَرُوۡنَ بِعَهۡدِ اللّٰهِ وَ اَیۡمَانِهِمۡ ثَمَنًا قَلِیۡلًا اُولٰٓئِکَ لَا خَلَاقَ لَهُمۡ فِی الۡاٰخِرَۃِ وَ لَا یُکَلِّمُهُمُ اللّٰهُ وَ لَا یَنۡظُرُ اِلَیۡهِمۡ یَوۡمَ الۡقِیٰمَۃِ وَ لَا یُزَکِّیۡهِمۡ ۪ وَ لَهُمۡ عَذَابٌ اَلِیۡمٌ ﴿সুরা ইমরান-৭৭﴾
নিশ্চয় যারা আল্লাহর সাথে কৃত অঙ্গীকার এবং নিজেদের শপথকে তুচ্ছ মূল্যে বিক্রয় করে, এরা আখেরাতের কোন অংশই পাবে না এবং আল্লাহ ক্বিয়ামাতের দিন তাদের সঙ্গে কথা বলবেন না, তাদের প্রতি দৃষ্টিপাত করবেন না এবং তাদেরকে পবিত্র করবেন না, বস্তুতঃ তাদের জন্য আছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।
৪.اتَّبِعُوۡا مَنۡ لَّا یَسۡـَٔلُکُمۡ اَجۡرًا وَّ هُمۡ مُّهۡتَدُوۡنَ ﴿সুরা ইয়াসিন-২১﴾
অনুসরণ কর তাদের যারা তোমাদের নিকট কোন প্রতিদান চায় না এবং যারা সৎপথপ্রাপ্ত।
৫.وَ مَا تَسۡـَٔلُهُمۡ عَلَیۡهِ مِنۡ اَجۡرٍ ؕ اِنۡ هُوَ اِلَّا ذِکۡرٌ لِّلۡعٰلَمِیۡنَ
﴿সুরা ইউসুফ-১০৪﴾

আর আপনি তাদের কাছে কোন পারিশ্রমিক দাবি করছেন না। এ (কুরআন) তো সৃষ্টিকুলের জন্য উপদেশ ছাড়া কিছু নয়।
৬.قُلۡ مَاۤ اَسۡـَٔلُکُمۡ عَلَیۡهِ مِنۡ اَجۡرٍ وَّ مَاۤ اَنَا مِنَ الۡمُتَکَلِّفِیۡنَ
﴿সুরা সোয়াদ-৮৬﴾
বল, ‘আমি উপদেশের জন্য তোমাদের নিকট কোন প্রতিদান চাই না[1] এবং যারা মিথ্যা দাবী করে, আমি তাদের অন্তর্ভুক্ত নই।[2]
৭. ذٰلِکَ الَّذِیۡ یُبَشِّرُ اللّٰهُ عِبَادَهُ الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا وَ عَمِلُوا الصّٰلِحٰتِ ؕ قُلۡ لَّاۤ اَسۡـَٔلُکُمۡ عَلَیۡهِ اَجۡرًا اِلَّا الۡمَوَدَّۃَ فِی الۡقُرۡبٰی ؕ وَ مَنۡ یَّقۡتَرِفۡ حَسَنَۃً نَّزِدۡ لَهٗ فِیۡهَا حُسۡنًا ؕ اِنَّ اللّٰهَ غَفُوۡرٌ شَکُوۡرٌ ﴿সুরা শুরা-২৩﴾
এটা তাই, যার সুসংবাদ আল্লাহ তার বান্দাদেরকে দেন- যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে। বল, ‘আমি এর জন্য তোমাদের কাছে আত্মীয়তার সৌহার্দ ছাড়া অন্য কোন প্রতিদান চাই না’। যে উত্তম কাজ করে, আমি তার জন্য তাতে কল্যাণ বাড়িয়ে দেই। নিশ্চয় আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল, বড়ই গুণগ্রাহী।
৮.اَمۡ تَسۡـَٔلُهُمۡ خَرۡجًا فَخَرَاجُ رَبِّکَ خَیۡرٌ ٭ۖ وَّ هُوَ خَیۡرُ الرّٰزِقِیۡنَ ﴿সুরা মুমিনুন-৭২﴾
অথবা তুমি কি তাদের কাছে কোন প্রতিদান চাও? তোমার প্রতিপালকের প্রতিদানই শ্রেষ্ঠ এবং তিনিই শ্রেষ্ঠ রিজিকদাতা।
৯. یٰقَوۡمِ لَاۤ اَسۡـَٔلُکُمۡ عَلَیۡهِ اَجۡرًا ؕ اِنۡ اَجۡرِیَ اِلَّا عَلَی الَّذِیۡ فَطَرَنِیۡ ؕ اَفَلَا تَعۡقِلُوۡنَ ﴿সুরা হুদ-৫১﴾
‘হে আমার সম্প্রদায়, আমি তোমাদের কাছে এর বিনিময়ে কোন প্রতিদান চাই না। আমার প্রতিদান তো কেবল তাঁরই কাছে যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন। এরপরও কি তোমরা বুঝবে না’?
১০.وَ مَاۤ اَسۡـَٔلُکُمۡ عَلَیۡهِ مِنۡ اَجۡرٍ ۚ اِنۡ اَجۡرِیَ اِلَّا عَلٰی رَبِّ الۡعٰلَمِیۡنَ
﴿সূরা শুআরা-১০৯, ১২৭, ১৪৫, ১৬৪, ১৮০﴾
আমি তার জন্য তোমাদের কাছে কোন প্রতিদান চাই না। আমার প্রতিদান একমাত্র বিশ্বজগতের প্রতিপালকের কাছেই আছে।’
১১. فَاِذَا قُضِیَتِ الصَّلٰوۃُ فَانۡتَشِرُوۡا فِی الۡاَرۡضِ وَ ابۡتَغُوۡا مِنۡ فَضۡلِ اللّٰهِ وَ اذۡکُرُوا اللّٰهَ کَثِیۡرًا لَّعَلَّکُمۡ تُفۡلِحُوۡنَ ﴿সুরা জুমুআ-১০﴾
অতঃপর যখন সালাত সমাপ্ত হবে তখন তোমরা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড় আর আল্লাহর অনুগ্রহ হতে অনুসন্ধান কর এবং আল্লাহকে বেশি বেশি স্মরণ কর, যাতে তোমরা সফল হতে পার।

#ধর্মব্যবসা
Collected

22/05/2025

কোন পুরুষ কখনোই সার্জারির মাধ্যমে নারী হতে পারেন না। কোন নারী কখনোই সার্জারির মাধ্যমে পুরুষ হতে পারেন না। একজন নারী কখনোই তাঁর বায়োলজিকাল সিস্টেমে স্পার্ম প্রডিউস করতে পারবেন না, যেমনটা একজন পুরুষ ওভারি ডেভেলাপ করে এগ প্রডিউস করতে চিরদিনই অক্ষম।

তাহলে ট্রান্সজেন্ডাররা আসলে করে কী? সোজা বাংলায় একজন পুরুষ তার পেনিস কেটে ফেলেন (অনেকে আবার রেখেও দেন!) এবং টেস্টোস্টেরন-ব্লকার হরমোন নেন। এতে তার শরীরে টেস্টোস্টেরন প্রডাকশন বন্ধ হয়ে যায়। পাশাপাশি তিনি অ্যাস্ট্রোজেন নেন, যা তার শরীরে সেকেন্ডারি সেক্সের (তার ক্ষেত্রে নারী) ক্যারেক্টারিস্টিক্স ডেভেলাপ করে।

মহিলারা ক্ষেত্রে উল্টা। তারা শরীরে টেস্টোস্টেরন নেয়া শুরু করেন যা তার শরীরে সেকেন্ডারি সেক্সের (তার ক্ষেত্রে পুরুষ) ক্যারেক্টারিস্টিক্স ডেভেলাপ করে।

এতে আসলে কী হয়?

মূলত পুরুষের শরীরে নারীর মত কোমলতা আসে। দাড়ি-গোঁফ ওঠা কমে আসে, ব্রেস্ট ডেভলাপ করে। কিন্তু সে কখনই বায়োলজিকাল নারী হতে পারে না। তার সন্তানধারনের ক্ষমতা আসে না। তার মেন্সট্রুয়াল ব্লিডিং হয় না। তার শরীর সারাজীবনই পুরুষের থাকে - দেখতে কেবল নারীর মত হয়।

নারীর ক্ষেত্রেও ব্যাপারটা তেমনই। সে কখনই স্পার্ম প্রডিউস করতে পারে না। কাউকে ইম্প্রেগনেইট করতে পারে না। শুধুমাত্র তার মূত্রত্যাগের স্থানটিকে পেনিসের মত করে রূপান্তর করা হয় যাতে সে একটা মেইড-আপ পেনিস পায় এবং পুরুষের মত মূত্রত্যাগ করতে পারে। ব্রেস্ট কেটে ফেলে যাতে তার বুকটা ছেলেদের মত দেখায়।

সংক্ষেপে এই হলো ট্রান্সজেন্ডারদের কর্মকান্ড। এখন প্রশ্ন হলো এরা কীসের অধিকারের কথা বলে? এরা বলে সমঅধিকারের কথা। অবশ্যই তারা সমঅধিকার পাবে। কেউ যদি আজকে তার নাক কেটে ফেলে বা কান কেটে ফেলে, তাকে কি ডিসক্রিমিনেট করা হবে? অবশ্যই না।

কিন্তু এরা সমঅধিকারের নামে যা বলে সমস্যা সেখানে। এরা চায় সমাজ এদের তারা যেটা বলে সেটা হিসেবেই ট্রিট করুক। একটা ছেলে পেনিস কেটে মেয়ে হবার ভান করবে, সমাজকে তাকে নাকি মেয়ে হিসেবেই মেনে নিতে হবে। তাকে ছেলের সাথে বিয়ে দিতে হবে, তাকে নারী কোটায় চাকরি দিতে হবে, নারীদের হোস্টেলে থাকতে দিতে হবে, নারীদের স্পোর্টসে তাকেও কম্পিট করতে দিতে হবে। অথচ সে পুরোদস্তুর একজন ছেলে।

বিপরীতে নারীদের দাবিও তাই। সে ব্রেস্ট কেটে ফেলে, ভ্যাজাইনা কেটে ফেইক পেনিস প্রতিস্থাপন করে, তার দাবি হলো সে পুরুষের সাথেই থাকবে। তাকে পুরুষের মতই ট্রিট করা হবে, তাকে মেয়েদের সাথেই বিয়ে দিতে হবে।

এই ধরণের দাবি, ধর্মীয়ভাবে তো বটেই, সামাজিক ভাবেই ভয়ানক। এটা সমাজে নজিরবিহীন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির প্রয়াস ছাড়া আর কিছুই নয়। মেডিকেলের ভাষায় এটাকে জেন্ডার ডিসফোরিয়া বলা হয়, যা আগে জেন্ডার আইডেন্টিটি ডিসঅর্ডার বলা হতো (কমেন্টে রিসার্চ পেপারের লিঙ্ক আছে)। এই কমিউনিটি এখন প্রথম বিশ্বে বেশ প্রভাবশালী। তাই মেডিকেল টার্মও ডিসঅর্ডার থেকে ডিসফোরিয়া হয়ে গেছে।

একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আমাদের নিজেদের প্রশ্ন করা উচিত, সমঅধিকারের ঢাল ব্যবহার করে যে কেউ যা ইচ্ছা তাই করতে চাইলে, সেটাকে প্রশ্রয় দেয়া উচিত কি না। আপনার বোনের, কন্যার, স্ত্রীর বেডরুমে আপনি একজন পেনিস-কাটা, অ্যাস্ট্রোজেন হরমোন গ্রহণকারী পুরুষকে ঢুকতে দেবেন কি না? যদি উত্তর 'হ্যাঁ' হয়, তাহলে আপনার নিজের এথিকাল স্ট্যান্স নিয়ে প্রশ্ন তোলা জরুরি। যদি উত্তর 'না' হয়, তবে এদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া আপনার কর্তব্য।

এখানে কোন হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ব্যাপার নেই। নগর পুড়লে দেবালয় এড়ায় না। কেউ যদি ভাবেন এদের বিরুদ্ধে লাগাটা কেবল ধর্মান্ধ মুসলিমদের বাড়াবাড়ি, তবে আপনি এই অসুস্থতা আপনার অন্দরমহলে প্রবেশ করা অব্দি কেবল অপেক্ষা করুন। এই ভাইরাস একবার ছড়ালে আর কোন উপায় নেই সারাবার।

একজন মানুষ যদি নিজেকে কুকুর দাবি করে সার্জারি করে লেজ লাগিয়ে নেয় আর চার-পায়ে হাঁটে, কোনভাবেই আমি তার নাগরিক ও সামাজিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে পারবো না। তবে শুধু এটাই মাথায় রাখবো সে মানসিকভাবে বিকারগ্রস্ত, আর তার চিকিৎসা প্রয়োজন। কিন্তু তাকে ডগ-ফুড দিয়ে আমার ঘরের গেইটে চোর-খেদানোর জন্য গলায় বেড়ি পরিয়ে বসিয়ে রাখবো না। কারণ সে প্রকৃত কুকুর না।

সমঅধিকারের দাবি আর অন্যায় আবদারের পার্থক্য এইখানেই। সংগ্রহ।
Collected

09/08/2024

জন্ম সনদ এবং এন আইডি ভুলে জনসাধারণের যে ভোগান্তির শিকার হয়েছিল তা যেন আর না হয়, সেই দিকে অবশ্যই বর্তমান সরকার নজর দিবেন, যেন সহজভাবে সংশোধন করতে পারে, এই দুইটা কাগজ ভুলের কারণে একজন ব্যক্তির জীবন উন্নয়নের বিশাল ব্যাঘাত ঘটায়, আর যেসব অফিসার এই কাজগুলা পেন্ডিং করে অর্থ আদায় করছে তারা যেন আর ওই চেয়ারে না বসতে পারে,

09/08/2024

ঢাকা শহরের বাড়ি ভাড়া কমানো হোক
এত টাকা ভাড়া দিয়ে থাকা যায় না
দিন দিন বাসা ভাড়া বেড়েই চলছে

26/04/2024

"একটু মনোযোগ সহকারে পড়ুন"

*মানসিক ভাবে ভালো থাকার উপায়**

গরু আমাদের দুধ দেয় না, আমরা কেড়ে নেই। গাধাও বোঝা বয় না, ধোপারা এককালে জোর করে কাজটি করাতো। হিসেব মত সিংহীও দুধ দেয়, সিংহও ওজন বইতে সক্ষম। কিন্তু সিংহকে দিয়ে ওসব করানো মানুষের ক্ষমতার বাইরে।

ওই জন্য একটু বোকা আর ভালো মানুষদের গরু কিংবা গাধার সাথে তুলনা করা হয়। এই দুটো প্রাণীর নামে কোনো মানুষকে ডাকা মানে সেটা অপমান করা। কিন্তু কাউকে সিংহ বললে সে উল্টো গর্ববোধ করে। সেই সিংহ, যে আজ অবধি মানুষের উপকার করল না, যার সামনে মানুষ গেলে মুহূর্তের মধ্যে পরপারে চলে যাবে, সেই সিংহ হচ্ছে মানুষের চোখে রাজা। উপকারী গাধা হচ্ছে হাসির বস্তু।

অতিরিক্ত ভালো হওয়ার সমস্যাই এটা। অতিরিক্ত ভালো মানুষরা কারোর কাছে গুরুত্ব পায় না। তুমি নিঃস্বার্থভাবে ত্যাগ করতে থাকো, ভালো মনে কারোর ক্রমাগত উপকার করতে থাকো, আঘাতের পর আঘাত সহ্য করেও হাসিমুখে কাউকে ভালোবাসতে থাকো, তুমি তার চোখে 'গাধা' ছাড়া আর কিছুই হবে না। যদি মনে করো সে একদিন এগুলোর মূল্য বুঝবে, তাহলে তুমি সত্যিই গাধা। কারুর কাছে নিজের দাম পেতে গেলে একবার অন্তত সিংহের মত হতেই হয় ।

মৃত্যুর পরও ব্যাংকে আপনার টাকা রয়ে যায়। যাকাত দিবেন বলে কথা দিয়েও হয়তো কয়েকজনকে দেন নাই অথচ আমরা আমাদের জীবদ্দশায় খরচ করার জন্য প্রয়োজনীয় টাকা পাই না।

নিরেট সত্যটি হচ্ছে-অধিক ধনবান হওয়ার চেয়ে দীর্ঘ জীবন লাভ করা বেশি জরুরি। তাই অধিক ধনবান হওয়ার জন্য অবিরাম শ্রম না দিয়ে দীর্ঘ এবং সুস্থ্য জীবন যাপন করার চেষ্টা করা উচিত এবং নিজেকে সেভাবে গড়া উচিত।
আমাদের জীবনের নানা ঘটনাতেই এই সত্যটি মর্মে মর্মে উপলব্ধি করা যায় ।

দামি এবং অনেক সুবিধা সম্পন্ন একটি মোবাইল ফোনের ৭০% অব্যবহৃতই থেকে যায়।
মাদক ব্যাবসা করতো বা করে বা ভালো হয়ে গিয়েছে এমন বন্ধু বা পরিচিত কাউকে কখন ও বিশ্বাস করবেন না । এরা বেইমানী করবেই কারনে অকারনে ।

একটি মূল্যবান এবং দ্রুতগতি গাড়ির ৭০% গতির কোনো দরকারই হয় না।

প্রাসাদতুল্য মহামূল্যবান অট্টালিকার ৭০% অংশে কেউ বসবাস করে না।

কারো কারো এক আলমারি কাপড়-চোপড়ের বেশির ভাগ কোনদিনই পরা হয়ে উঠে না।

সারা জীবনের পরিশ্রমলব্ধ অর্থের ৭০% আসলে অপরের জন্যই। আপনার জমানো অর্থ যাদের জন্য রেখে যাবেন বছরে একবারও আপনার জন্য প্রার্থনা করার সময় তাদের হবে না। এমনকি বেঁচে থাকতেই আপনার অর্থের প্রাচুর্যে বেড়ে ওঠা মানুষগুলো আপনাকে বৃদ্ধাশ্রমে ছুড়ে আসতে পারে। তাই বেঁচে থাকতেই ১০০% এর সুরক্ষা এবং পূর্ণ সদ্ব্যবহার করাই শ্রেয়।

করণীয় কী ?

* অসুস্থ না হলেও মেডিকেল চেকআপ করুন।
* অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করবেন না।
* মানুষকে ক্ষমা করে দিন।
* রাগ পুষে রাখবেন না। মনে রাখবেন কেউ-ই রগচটা মানুষকে পছন্দ করে না। আড়ালে-আবডালে পাগলা বলে ডাকে।
* পিপাসার্ত না হলেও পানি পান করুন।
* সিদ্ধান্তটি সঠিক জেনেও কখনো কখনো ছাড় দিতে হয়।
* ক্ষমতাধর হলেও বিনয়ী হোন।
* ধনী না হলেও তৃপ্ত থাকুন।
* মাঝে মাঝে ভোরের সূর্যোদয় ,রাতের চাঁদ এবং সমুদ্র দেখতে ভুল করবেন না। বৃষ্টির পানিতে বছরে একবার হলেও ভিজবেন। আর দিনে ১০ মিনিট হলেও শরীরে রোদ লাগাবেন।
* মহাব্যস্ত থাকলেও নিয়মিত ব্যায়াম করুন আর ৩০ মিনিট হাঁটুন। আর মহান সৃষ্টিকর্তাকে নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত স্মরণ করুন। মিথ্যা ত্যাগ করুন ।
* সর্বদা হাসিখুশি থাকুন। সুযোগ পেলেই কৌতুক পড়বেন। পরিবারের সবার সঙ্গে মজার ঘটনাগুলো শেয়ার করবেন। মাঝে মাঝে প্রাণবন্ত ভাবে হাসবেন।
* সবার সাথে মিশবেন ছোটো বড় ভাববেন না।
--------------

Collected

13/04/2024

★জীবন চলার পথে কথা গুলো কাজে লাগবে---
১. কখনো বাসে জানালার পাশে বসে মোবাইল টিপবেন না। কখন নিয়ে যাবে,
টের পাবেন না।
-
২. রিকশাতে বসে কোলে ব্যাগ রাখবেন না। পাশ থেকে মটরসাইকেল কিংবা গাড়িতে করে এসে হ্যাচকা টান দেবে।
-
৩. রাস্তায় কিছু খাবেন না, কিছুই না। দূরপাল্লার যাত্রা হলে বাড়ি থেকে খাবার নিয়ে আসুন অথবা প্যাকেটজাত কিছু খান।
পাশের যাত্রী কিছু দিলে খান না, তাতে কি?
হয়তো যে পানি বা ডাব কিনলেন, বা
অন্যকিছু তাতেই থাকতে পারে ঔষধ।
-
৪. ট্রেন জার্নিতে দরজার পাশে, দুই বগির পাশে দাড়াবেন না। কিংবা যতোই ভালো লাগুক দরজায় দাঁড়িয়ে সিগারেট খাবেন না। ট্রেনের ছাদে চলাচল যতোই রোমান্টিক লাগুক, যে গ্যাং গুলো ছিনতাই করে, তারা খুবই নির্দয় এবং বেপরোয়া। অনেক
যাত্রীর লাশ পাওয়া যায় সারাদেশের ট্রেন লাইনের আশেপাশে। বেশিরভাগই বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন
করে ফেলা হয়।
-
৫. কপাল খারাপ হলে ছিনত্যাইয়ের শিকার হবেন। ধরা যাক হলেন। কি করবেন ? ছিনতাইকারী বেশ কয়েকজন। আপনি একা, চারপাশে কেউ নেই। আপনাকে ঘেরাও করে রেখেছে। আপনার পকেটে দামী ফোন। এসবক্ষেত্রে ভালো হয় ফোনের মায়া ত্যাগ করা। কারণ যারা ছিনতাইকারী তাদের বেশিরভাগই নেশাগ্রস্থ।
আপনার জীবনের দাম পৃথিবীর যেকোনো দামী ফোনের চেয়েও অনেক বেশি।
-
৬. বান্ধবী বা মেয়ে বন্ধুর সাথে রেস্টুরেন্ট বা পার্কে যাচ্ছেন। হঠাৎ দেখবেন আপনার চারপাশে একদল ছেলের আবির্ভাব। এরা কিন্তু একটা গ্যাং।
দেখবেন আপনাদের নিয়ে নানান রকম আজে বাজে কথা বলছে, বাজে ইঙ্গিত দিচ্ছে। আসলে ওরা চাইছেই আপনাকে উত্তেজিত করে একটা
ঝামেলায় বাধাতে।
এতে ওদের লাভ, সেটা
কিরকম ?
ধরাযাক আপনি মাথা গরম করে ঝামেলায় জড়ালেন। ওরা আপনাকে অপমান করেছে বলে আপনি পাল্টা কিছু বললেন বা করলেন। এই পেয়ে
গেলো সুযোগ। ওরা তখন বাইরে থেকে নেতা গোছের কাউকে ধরে আনবে। যিনি এসেই আপনাকে আপনার বান্ধবীর সামনেই নানান
রকমভাবে জেরা করবে। তারপর বিচারে আপনাকেই দোষী বানিয়ে দেবে।
অত:পর মিটমাট করার নাম করে আপনার কাছ থেকে জরিমানা
বাবদ টাকা পয়সা কিংবা দামী ঘড়ি, ফোন অথবা ল্যাপটপটা রেখে দেবে। তাই এসব জায়গায় কথা বাড়ানো
মানেই ঝামেলা ডেকে আনা। আর নির্জন জায়গা হলে এদের দেখা মাত্রই সরে পড়ুন।
-
৭. ভোররাতে ঢাকা এসে পৌঁছেছেন। সাহস দেখিয়ে রাস্তায় নেমে পড়তে যাবেন না। বাসস্টপে বা ট্রেন স্টেশনেই অপেক্ষা করুন। সকালে যখন রাস্তায় যথেস্ট মানুষ থাকবে তখন বের হন।
-
৮. ট্রেন স্টেশনে বা সদরঘাটে নিজে নিজে বয়ে নিয়ে যেতে পারেন না এমন বোঝা নিয়ে এসেছেন তো মরেছেন। মাথায় করে পৌঁছেব দেয়ার নামে আপনার কাছ থেকে চাদার মতো
৪০০-৫০০ টাকা খসিয়ে ছাড়বে কুলিরা। তাই সাবধানে থাকুন,
দরদাম করে তারপর কুলি ঠিক করুন।
-
৯. নিউমার্কেট বা নীলক্ষেতের মত জায়গায় কেনা কাটা করতে গেলে খুবই সাবধান। কৌতুহলের
বশে কোনো কিছুর দাম জিজ্ঞেস করলেও
এখানে আপনাকে পাল্টা দাম বলার জন্য জোরাজুরি করবে। মনে রাখবেন এখানে মেজাজ দেখিয়ে লাভ নাই, এখানকার দোকানীরা সংঘবদ্ধ হয়ে কাজ করে।
-
১০. বাসে উঠলে প্যান্টের পিছনের পকেটে মোবাইল, মানিব্যাগ এসব কিছু রাখা নিরাপদ না।
দেখবেন ভিড়ের মাঝে বাসে ওঠতেছেন যে কেউ টান মেরে নিয়ে যেতে পারে টের ও পাবেন না। তাই সামনের পকেটে এসব জিনিস রাখুন।
-
১১. বাণিজ্যমেলা, চিড়িয়াখানা, চন্দ্রিমা উদ্যান কিংবা শিশুপার্কে গিয়ে দাম খুব ভালো করে না জেনে কিচ্ছু খাবেন না। দেখা যাবে একটা সিংগাড়া কিংবা আধা প্লেট বিরিয়ানি খাইয়ে ৪০০-৫০০টাকার বিল ধরিয়ে
দেবে আপনাকে।
-
১২. রাতে ঘোরাঘুরি না করাই ভালো। ছিনত্যাইকারী ধরলেতো কথাই নেই। এমনকি ‌( কিছু বিপদগামী)পুলিশ ( সক‌লেই নয় )ধরলেও বিপদ। যতই নির্দোষ হন, পুলিশ যদি বুঝতে না চায়
আর আপনাকে আটকে রাখার নিয়ত যদি থাকে, তাহলে আপনার কিছুই করার থাকবে না।
-
১৩. বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে আছেন, হঠাৎ একটা মাইক্রোবাস এসে থামলো আপনার সামনে। সেটা প্রাইভেট গাড়িও হতে পারে। আপনাকে চালক
বলবে সে গ্যারেজে ফেরার পথে বাড়তি কিছু ‘ট্রিপ’ নিচ্ছে। খুব অল্প ভাড়ায় আপনাকে পৌছে দেবার কথা বলবে। আপনি উঠবেন না। মেয়ে
হলেতো আরো আগে না।
-
১৪. রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছেন। হঠাৎ ভদ্রবেশি কেউ এসে, সে হতে পারে ছেলে বা মেয়ে বা বয়ষ্ক পুরুষ কিংবা মহিলা, আপনার ফোন চাইলো।
বললো, উনার কোন একটা সমস্যার কথা, এক্ষুনি একটা ফোন দিতে হবে কাউকে। আপনি বিশ্বাস করে ফোনটা দিলেন, দেখবেন পরক্ষণেই হুট
করে বাইকে উঠে হাওয়া।
-
১৫. সাথে সবসময় আইডি কার্ডের ফটোকপি সাথে রাখুন। বিপদে পড়লে খুব কাজে দেয়। হয়তো কোনো দূর্ঘটনা ঘটেছে, অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছেন, তখন যারা
উদ্ধার কাজে আসবে তারা আপনার পরিবার পরিজনকে জানাতে পারবে।
-
১৬. নতুন বিবাহিত হলে এবং স্ত্রীকে সাথে নিয়ে ঘুরতে এলে কাবিননামার ছবি মোবাইলে তুলে রাখুন। কখন কোন কাজে লেগে যাবে বুঝতেও
পারবেন না।
সবচেয়ে বড় কথা, সবসময় সতর্ক
থাকুন, চোখ কান খোলা রাখুন।
মনে রাখবেন, দোয়া পড়ে বাহির হবেন।

আপনার নিরাপত্তা আপনারই হাতে।
এই বিষয়ে আপনারা সতর্ক থাকবেন।

নিজে সতর্ক ও সচেতন থাকুন এবং অন্যকেও সতর্ক ও সচেতন করুন।

শিক্ষা ও তথ্য কেন্দ্র

সংগৃহীত

01/04/2024

আমি তখন মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে চাকরি করি, খুব উচ্চ বেতন না হলেও বেশ ভাল বেতন পাই মাস শেষে।
খরুচে হাত, তার উপর পরিবার, সমাজ আর মানুষের উপর কিছু দায়িত্ব পালনের ভার।

বেশিরভাগ সময়েই মাস শেষে আবার কিছু টাকা ধার করে চলতে হত।
একবার কোন এক ঘটনা দুর্ঘটনায় মাসের দশ বারো দিন যেতেই হাত খালি। খালি মানে একেবারেই খালি, ৫০০ টাকা শেষ সম্বল। আমি তখন মিরপুরে দুই রুমের ছোট্ট একটা ফ্ল্যাটে একাই থাকি।

এই অবস্থায় আমি ঠিক করলাম, এডজাস্ট করতে হবে। ধার করা চলবেনা এবার।
দুপুরের লাঞ্চটা অফিসেই করতাম। মাস শেষে টাকা দিতে হত, তাই সেটা নিয়ে চিন্তা ছিলনা। আমার কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে গেল... ১৭ দিনের সকাল আর রাতের খাবারের হিসেবটা এই পাঁচশ টাকায় করা!

সকালে কখনো দুটো বিস্কিট আর পানি, কখনো কলা আর বন দিয়ে চলল নাস্তা। আর রাতে ডিম ভাত।
এই চলল আমার রুটিন।

রাতের বেলা এলাকার হোটেলে গিয়ে প্রথম যখন রিকশাওয়ালাদের প্যাকেজ এক প্লেট ভাত আর একটা ডিম দিয়ে খেতে শুরু করি, তখন হোটেলের বয়টা তাকিয়ে থাকত। আমি আস্তে করে ভাতের মধ্যে এক গ্লাস পানি ঢেলে দিতাম, সাথে দুটো কাঁচা মরিচ ডলে টুকটুক করে ডিম দিয়ে প্রোগ্রাসে ভাত খেতাম আর আলহামদুলিল্লাহ পড়তাম।

পরে দেখা গেল, আমি সেই ছোট্ট ১০/১৫ ফিটের ভাতের হোটেলটাতে ঢুকলে কিছু বলার আগেই ছেলেটা আমার সামনে এক প্লেট ভাত, একটা ডিম আর দুটো কাঁচা মরিচ নিয়ে হাজির হয়ে যেত। আমি সানন্দে ৩০ টাকার ডিনার শেষ করে চলে আসতাম আলহামদুলিল্লাহ পড়তে পড়তে।

৫০০ টাকায় ১৭ দিনের দুইবেলার খাবার খাওয়া মুশকিল হয়ে গেল। শেষের ১০ দিন এক দিন পর একদিন রাতে উপোষ দিলাম। কি কঠিন একটা অবস্থা আমার! অথচ কাউকেই কিছু জানালাম না।

ভাগ্যিস মাসের শুরুতেই টাংকি ভর্তি করে বাইকে তেল নিয়ে রেখেছিলাম!নইলে অফিসে যাতায়াতের খরচটাও এই পাঁচশ টাকার মধ্যে চলে আসতো!

বাইরের পৃথিবীতে আমি তখনো এই "ওয়াজেদ মহান" ই। শার্ট-প্যান্ট ইন করে পোচপাচ চলি, অফিস করি, ফেসবুকে এর তার বিপদ নিয়ে লিখি, হাসি... মাতি..

শেষের দিকে এসে একরাতে ওই ডিম দিয়ে ভাত খাওয়ার সময়ে আমার কোন কারণ ছাড়াই বুক ভেঙে কান্না নামল, আমার চোখ দিয়ে ঝরঝর করে জল মিশে গেল ভাতের পানিভর্তি থালায়।
কেন কান্না এল আমি বুঝলাম না, শুধু ভাবলাম আল্লাহ কোন দিকে আমার প্রতি আবার নারাজ হয়ে যান! এই ভয়ে আমি তখনো বলতে থাকি আলহামদুলিল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ...

জীবনে হুট করেই এমন কিছু কঠিন সময় চলে আসে, যখন চারপাশে অসহায়ত্ব ছাড়া আপনার আর কিছু থাকেনা। সে সময়টায় আমি শুধু বারবার উপরে তাকাই, খোদার করুণা ভিক্ষা করি আর ঐ আলহামদুলিল্লাহ পড়ি...

এই যে রমজান! সেহরিতে আমি প্রায় দিন ই ভাতে গ্লাসভর্তি পানি ঢেলে তাতে দুটো আলুর টুকরা আর কাঁচা মরিচ ডলে সেহরি করি।
নিষাদ(আমার বউ) বলতে থাকে মাছ নেন, মাংস নেন...
আমি সেদিকে ফিরেও তাকাইনা প্রায় সময় ই..
আমার কাছে এ খাবারটা অমৃত লাগে। আর খাবার শেষ করে প্রচন্ড কৃতজ্ঞতায় বলি আলহামদুলিল্লাহ।

এ গল্প বলার কারণ?
কারণ, চারপাশে আমি কোন মানুষের মধ্যে শুকরিয়া দেখিনা, কি ধনী কি গরীব কারোর মধ্যেই না। সবার মধ্যে কেবল নাই নাই, খাই খাই, আহা উহু আর হাপিত্যেশ! কেউ কারো জায়গায় সুখী না, সন্তুষ্ট না। এদের প্রতি আমার মায়া হয় খুব।

কেবলি মনে হয়.. ভরপেটে কিংবা উপোষে, সুস্থতায় কিংবা অসুস্থতায়, সামর্থ্যে কিংবা অসামর্থ্যে, সুখে কিংবা দু:খে, নিজ নিজ অবস্থান থেকে যে কোন অবস্থায় এ মানুষগুলো যদি তার সে অবস্থানের জন্য একটু শুকরিয়া আদায় করতে পারত!
তবে সে আরো বেশী ভাল থাকত আমি নিশ্চিত।

একদিন রাস্তার পাশে একটা দোকানে দাঁড়িয়ে চা খাচ্ছিলাম,
কোমর থেকে নিচের দিকে কিছু নেই এমন একটা মানুষ হাতে ভর দিয়ে ছেঁচাতে ছেঁচাতে পায়ের কাছে এসে বললেন... ভাই একটা কলা কিনে দিবেন?
আমি তাকে কলা আর পাউরুটি কিনে দিলাম। তিনি খুব ধীরে সুস্থে খেলেন..তারপর খুব জোরেশোরে বললেন....আলহামদুলিল্লাহ!

সৃষ্টিকর্তা তার কোমর কেটে নিয়েছেন, তাতে তার প্রতি তার কোন ক্ষোভ নেই, রাগ নেই, অভিযোগ নেই। সেসব ছাপিয়ে একটু রিযিকের ব্যাবস্থা করেছেন এ জন্য তিনি কি প্রচন্ড কৃতজ্ঞতায় তার প্রতি শুকরিয়া জানালেন!
দেখে চোখে পানি চলে এলো। আমিও মনে মনে বলতে থাকলাম.. আলহামদুলিল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ...

ফিলিস্তিনের এটুকু এটুকু বাচ্চা ঘাস খাচ্ছে কিছু খেতে না পেয়ে, কেউ বোমায় হাত পা হারিয়ে আহত হয়ে চিকিৎসাহীন হয়ে পড়ে আছে রাস্তায়
, কেউ আবার আশ্রয় হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে রোদে পুড়তে পুড়তে কাটিয়ে দিচ্ছে একেকটা দিন...
আর আমরা?

নিরাপদ আশ্রয়ে থেকে, তিন বেলা নানান পদের খাবার খেয়ে, শত রঙ বেরঙ্গের জামা কাপড় পরে, নিশ্চিন্তে জীবন যাপন করেও অনেকে ভাল নেই...
আমরা বরাবর বলে যাচ্ছি.... ভাল্লাগেনা কিছু, যদি ওই থাকত? এই হত! ওই পেতাম!

কত অকৃতজ্ঞ আমরা!

আসুন সৃষ্টিকর্তার প্রতি তার সমস্ত নেয়ামতের জন্য শুকরিয়া আদায় করতে শিখি। নিজের অবস্থা আর অবস্থানকে অনেকের চে হাজারগুণে শ্রেয়তর মেনে নিয়ে পরম করুণাময়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলি... আলহামদুলিল্লাহ

© ওয়াজেদ মহান Collected

17/11/2023

খুবই ভালো মনের চা বিক্রেতা এক চাচা সারা দিন চা বিক্রি করার পর রাতে অবশিষ্ট চা পৌরসভার ড্রেনে ফেলে দিতেন ৷ ঊনাকে বলেছিলাম, চা টা না ফেলে সকালে গরম করে বিক্রি করলেইতো পারেন ৷ তিনি বললেন, বাসি চাতে কালার থাকে না ৷ গরম করলে কালো হয়ে যাবে, সকালে ভালো চা না পেলে দোকানের বদনাম হবে কাস্টমার কমে যাবে ৷ বললাম, তাহলে ঝুট দোকানে যারা নাইট ডিউটি করে তাদের দিলে ওদের রূহ দোয়া করবে, আপনারও সওয়াব হবে ৷ জবাবে তিনি হাসতে হাসতে বললেন, এদেরকে যদি এখন মাগনা চা দেই কাল থেকে এরা কেউ আর আমার দোকানে চা খেতে আসবে না ৷ উল্টো মনে মনে দোয়া করবে যেন দিনে আমার চা বিক্রি কম হয়, যাতে রাতে মাগনা খেতে পারে ৷ লোকটাকে তখন ভীষণ স্বার্থপর মনে হয়েছিলো ৷

ইন্ডিয়ান হজ কমিটির পক্ষ থেকে হাজীদের খাবার পরিবেশনের পার্ট টাইম জব পেয়েছিলাম ৷ দেড়শ হাজীর খাবার আসলে অনায়াসে দুইশ জনের মাঝে বন্টন করা যায় ৷ এক বেলার খাবার অন্য বেলায় দেওয়ার নিয়ম নেই ৷ অতিরিক্ত খাবার ফেলে না দিয়ে হোটেলে কর্মরত দেশী ভাইদের দিতে লাগলাম ৷ শেষের দিন হাজীরা চলে যাবে বিধায় খাবার একটু কম এসেছিল ৷ ভাইদের বললাম, ভাই, আজকে খাবার কম এসেছে ৷ আপনারা হয় অপেক্ষা করেন, না হয় অন্য ব্যবস্থা করেন ৷ এরপরই প্রতিবাদী কন্ঠস্বর, আগে না করলেন না কেন? আপনার হাজীগো লাইগা আমরা বইসা থাকুম? আপনার লাগি কি আমরা পকেটে পয়সা নিয়া বইসা আছি? কাইল কইলেইতো খানা নিয়া আইতাম, ইত্যাদি ইত্যাদি ৷

দূর সম্পর্কের এক ভাইয়ের জায়গা সংকুলান না হওয়ায় বিয়েতে সমস্যা হচ্ছিল বিধায় আব্বা তাকে কিছু জায়গা ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছিলেন ৷ যে সময় অনুমতি দিয়েছিলেন সে সময়ে ভাইয়ের আর্থিক অবস্থা ভালো ছিল না ৷ সামর্থ্য হওয়ার পর তাকে তিনটা প্রস্তাব দিয়েছিলাম জায়গাটা ক্রয় করতে, না হয় এর বদলে অন্য জায়গা দিতে অথবা ছেড়ে দিতে ৷ তিনি কোনটাতেই রাজি হলেন না ৷

পরিচিত এক সেলুনে চুল কাটানোর পর একশত টাকার একটা নোট দেওয়ার পরেও ভাইটি মুখ বেজার করে রাখতো ৷ অপরিচিত সেলুনে একশ টাকার নোট দেওয়ার পরে ষাট টাকা ফিরিয়ে দিয়েছিল ৷ দশ টাকা বখশিষ দেওয়ার পর তার মুখে খুশির বন্যা বয়ে গিয়েছিল ৷ পরিচিত সেই সেলুন দোকানদার এখন দেখলে বলে, ভাই দেখি আগের মতো নাই ৷ নির্ধারিত ভাড়ার দ্বিগুণ দেওয়ার পরেও পরিচিত অটোওয়ালা ভাইদের মুখ কালো হয়ে থাকে ৷ অপরিচিত অটোওয়ালাদের নির্ধারিত ভাড়া থেকে পাঁচ-দশ টাকা বেশি দিলে খুশিতে চোখমুখ ঝলমল করে উঠে ৷ কেন এমনটা হয়?

অতিরিক্ত পেতে পেতে মানুষ তার ন্যায্য সীমা ভুলে যায় ৷ মনে করে অতিরিক্ত পাওনাটা তার অধিকার ৷ যখনই এই অধিকার বন্ধ করে দেওয়া হয়, তখন মানুষ ভাবে লোকটা কত স্বার্থপর ৷ একবারও নিজের সীমার হিসাব কষে না ৷ এক সময় যেসব ভালো মানুষকে বদলে যেতে দেখে মনে মনে স্বার্থপর ভাবতাম, তাদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী ৷

কেউ জন্মগতভাবে স্বার্থপর, কেউ অতিরিক্ত পেয়ে স্বার্থপর হয়ে যায়, আবার কেউ নিজের ন্যায্য পাওনা বুঝে নিতে গিয়ে স্বার্থপর হয় ৷ জন্মগত স্বার্থপরদের কখনো বদলানো যায় না ৷ মায়ার বশবর্তী হয়ে আমরা যাদের প্রাপ্য সীমার অতিরিক্ত পূরণ করে স্বার্থপর হিসেবে গড়ে তুলি, তাদের সংশোধন করার দায়িত্ব আমাদেরই ৷ না হয় একদিন তারা আমাদেরই স্বার্থপর হিসেবে চিহ্নিত করবে ৷

23/04/2023

এক কাঠা জায়গা দরকার,দশ লাখের নীচে জায়গা চট্টগ্রাম

24/10/2022

Urgent Needed Information : copy

জেনে রাখুন। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কোন ওয়ার্ডে কি চিকিৎসা দেওয়া হয় তার একটি ছক নিচে দেওয়া হলঃ--

ওয়ার্ড ১- জরুরী বিভাগ
ওয়ার্ড ২- চর্ম ও যৌন বিভাগ
ওয়ার্ড ৩- মানসিক বিভাগ
ওয়ার্ড ৬- রেডিওথেরাপি বিভাগ
ওয়ার্ড ৭- ডেন্টাল ও শিশু (বহিঃবিভাগ)
ওয়ার্ড ৮- শিশু ও মেডিসিন
ওয়ার্ড ৯- শিশু বিভাগ
ওয়ার্ড ১০- প্রসাশনিক ব্লক
ওয়ার্ড ১১- সি সি ইউ
ওয়ার্ড ১২- কার্ডিওলজি বিভাগ
ওয়ার্ড ১৩- মেডিসিন বিভাগ ১
ওয়ার্ড ১৪- মেডিসিন বিভাগ ২
ওয়ার্ড ১৫- রেডিওলজি বিভাগগ
ওয়ার্ড ১৬- মেডিসিন বিভাগ ৩
ওয়ার্ড ১৭- নেফ্রোলজী বিভাগ
ওয়ার্ড ১৮- নিউরো মেডিসিন বিভাগ
ওয়ার্ড ১৯- নাক,কান,গলা
ওয়ার্ড ২০- চক্ষু বিভাগ
ওয়ার্ড ২১-ও,টি (পশ্চিম)
ওয়ার্ড ২২- আই,সি,ইউ
ওয়ার্ড ২৩- ও,টি (পূর্ব)
ওয়ার্ড ২৪- সার্জারি ইউনিট ১
ওয়ার্ড ২৫- সার্জারি ইউনিট ২ ও থোরাসিক সার্জারি ইউনিট
ওয়ার্ড ২৬; ৭৯- অর্থোপেডিক্স সার্জারি
ওয়ার্ড ২৭- সার্জারি ইউনিট ৩
ওয়ার্ড ২৮- নিউরো সার্জারি বিভাগ
ওয়ার্ড ২৯- কেবিন (সাধারণ)
ওয়ার্ড ৩০- কেবিন (গৃহিণী)
ওয়ার্ড ৩১- গাইনী (স্ত্রী রোগ)
ওয়ার্ড ৩২- নিউনেটাল পেয়িং
ওয়ার্ড ৩৩- প্রসূতি বিভাগ
ওয়ার্ড ৩৪- মা ও শিশু বিভাগ
ওয়ার্ড ৩৫- ইউরোলজি বিভাগ
ওয়ার্ড ৩৬- বার্ণ ও প্লাস্টিক বিভাগ
ওয়ার্ড ৩৭- রক্ত রোগ বিভাগ
ওয়ার্ড ৭৭- কার্ডিয়াক সার্জারি
ওয়ার্ড ৮৩,৮৪- শিশু সার্জারি
ওয়ার্ড নং ২০৪ : পেডিয়াট্রিক ডেন্টিস্ট্রি ওয়ার্ড
এরা বাচ্চাদের দাঁতের(দুধদাঁত) যত্ন, সুরক্ষা ও চিকিৎসা, প্রভৃতি দিয়ে থাকেন।
ওয়ার্ড নং ২০২: অর্থোডন্টিকস ওয়ার্ড
আঁকাবাঁকা, উঁচুনিচু, ফাকা দাঁত সুবিন্যস্ত ও সুন্দর করেন।
ওয়ার্ড নং ২০১ : কনজারভেটিভ ডেন্টিস্ট্রি ও এন্ডোডন্টিকস ওয়ার্ড : দাঁতের ফিলিং, রিশেপিং, রুট ক্যানেল চিকিৎসা ইত্যাদি দিয়ে থাকেন।
ওয়ার্ড নং ১০৭ : ওরাল এন্ড ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জারী ওয়ার্ড :
আক্কেল দাঁতের সমস্যা,মুখমণ্ডল ও চোয়ালের ফ্র্যাকচার, সিস্ট, টিউমার,
মুখের ক্যান্সার, ঠোট ও তালু কাটা, চোয়ালের হাড় বাঁকা সহ মুখমণ্ডলের যাবতীয় রিকন্সট্রাক্টিভ সার্জারি করে থাকেন।
ওয়ার্ড নং২০৫ :প্রস্থোডন্টিকস ওয়ার্ড
দাঁত ও মাড়ির আংশিক বা সম্পূর্ণ প্রতিস্থাপন ইত্যাদি করেন।
ওয়ার্ড নং ১১০ : পেরিওডন্টোলজি ওয়ার্ডঃ দাঁতের স্কেলিং সহ মাড়ির রোগের চিকিৎসা করেন।
ওয়ার্ড নং ১০৩ :ওরাল & ম্যাক্সিলোফেসিয়াল যাবতীয় জটিল রোগের ডায়াগনোসিস ওয়ার্ড।
Collected.

Address

Chittagong
4216

Telephone

+8801881458009

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Allah is Almighty posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Allah is Almighty:

Share