Public Health Workers Association Bangladesh

Public Health Workers Association Bangladesh Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Public Health Workers Association Bangladesh, Business service, Imambari, Shankhala, Chunarughat.

14/06/2025
17/08/2024

হোমিওপ্যাথির ভবিষ্যৎ ভাবনা

রিপোর্ট-নিজস্ব প্রতিবেদক।

বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা কাউন্সিল স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় অধীনস্থ একটি সংবিধিবদ্ধ সরকারি প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটি হোমিওপ্যাথি কোর্সে স্নাতক এবং ডিপ্লোমা ডিগ্রি প্রদান করে। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড গঠন করা হয়। এই বোর্ডের অধীনে কোর্সের নামকরণ করা হয় ডিপ্লোমা ইন হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন অ্যান্ড সার্জারি (ডিএইচএমএস)।

হোমিওপ্যাথিক কলেজ অনুমোদন, নিয়ন্ত্রণ ছাড়াও শিক্ষাক্রম প্রণয়ন ও পরিচালনা ছিল এই বোর্ডের দায়িত্ব।

১৯৮২ সাল পর্যন্ত সরকার কর্তৃক নিযুক্ত ব্যক্তিরা এই বোর্ডের দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৮৩ সালে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক প্র্যাকটিশনার্স অধ্যাদেশ ১৯৮৩ জারি হলে বোর্ডটি স্বায়ত্তশাসনের অধীনে আসে এবং সৃষ্ট পদসমূহে ব্যাপক রদবদল আসে।

পরবর্তীতে ১৯৮৬ সালে বোর্ডটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে হোমিওপ্যাথিক কলেজ গুলোতে ব্যাচেলর অব হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন অ্যান্ড সার্জারি (বিএইচএমএস) ডিগ্রি চালু করে।

বাংলাদেশ সরকার ও কাউন্সিল স্বীকৃত হোমিওপ্যাথিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও স্বীকৃত কোর্সে পাসকৃত ডিগ্রিধারী হোমিওপ্যাথিক ডা. (ডাক্তার)দের মানোন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ, হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা ও উচ্চ শিক্ষা এবং গবেষণা ব্যবস্থা প্রভৃতির জন্য সময়ের চাহিদায় বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক প্র্যাকটিশনার্স অধ্যাদেশ ১৯৮৩ রহিতকরণ করে ০২ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা আইন ২০২৩ সর্বসম্মতভাবে পাস হয়।

১৩ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে আইনটি বাংলাদেশ গেজেটে প্রকাশিত ও কার্যকর হয়ে আইন অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকার এর স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এর স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ এর বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ডকে প্রতিস্থাপিত করে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ডের জায়গা ও অবকাঠামো এবং জনবল নিয়ে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা কাউন্সিল প্রতিষ্ঠা হয়েছে।

এতসব কিছুর পরেও হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা পদ্ধতি বর্তমানে চিকিৎসা সেবায় আদৌ কি কোন কাজে আসছে, বা অসূস্থ্য জনগোষ্ঠীর রোগ নিরাময়ে ভূমিকা রাখতে পারছে। এই প্রশ্ন এখন বিবেকবান সকলের।

সরকার মনোনিত ও নিয়োগ প্রাপ্ত বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা কাউন্সিলের নির্বাহী পরিষদে একজন চেয়ারম্যান কাউন্সিল পরিচালনায় নিয়োজিত থাকেন। বর্তমানে চেয়ারম্যানের পদটি খালি থাকায় বিভিন্ন মহলে জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়েছে। কে আসছেন নতুন চেয়ারম্যান?

বাংলাদেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা যুগোপযোগী ও জনগনের আস্তা অর্জন করার প্রয়োনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করা এখন সময়ের দাবী। যোগ্য নেতৃত্ব ছাড়া এটি বাস্তবে অসম্ভব। চিরাচরিত আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতির পাশাপাশি হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসারও কদর ছিল অনেকের কাছে। আধুনিক গবেষণা ও যথাযথ বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণের অভাবে একসময়ের জনপ্রিয় এই চিকিৎসা পদ্ধতিটি তার অতীত গৌরব ধরে রাখতে পারছে না। এর কারণ হিসাবে দেখা হিসাবে নিম্নোক্ত পয়েন্ট গুলো উল্লেখযোগ্যঃ

§ হোমিওপ্যাথিতে আধুনিক বৈজ্ঞানিক গবেষনার অভাব।

§ হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা শিক্ষা পরিষদে যোগ্য নেতৃত্বের অভাব।

§ হোমিও চিকিসকগন প্রচীন চিকিৎসা পদ্ধতি ও ধ্যান-ধারণা থেকে বেরিয়ে আসতে না পারা।

§ হোমিওপ্যাথিতে রোগনির্ণয়, রোগ প্রতিরোধ, পুষ্টিবিষয়ক জ্ঞান চর্চা, বৈজ্ঞানিক প্রমান ভিত্তক ফার্মাকোলজি চর্চা ইত্যাদিতে প্রয়োজনীয় আধুনিকায়নের অভাব।

§ অন্যান্য চিকিৎসা পদ্ধতির গবেষক ও চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের সাথে সমন্বয়হীনতার অভাব।

§ সরকারের স্বদিচ্ছার অভাব ও পরিষদকে দলীয় করণ করা প্রভৃতি।

এখন সময় এসেছে নতুন প্রজন্মকে সাথে রেখে সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে অন্যান্য চিকিৎসা পদ্ধতির সাথে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসাকে এগিয়ে নেয়া ও এর প্রয়োজনীয় আধুনিকায়ন করে স্বাস্থ্যসেবায় অবদান রাখা। হোমিওপ্যাথির ছাত্র- শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্ট অনেকের সাথে কথা বলে জানা যায়, বর্তমান সরকারের কাছে দাবী হচ্ছে, আধুনিক চিন্তা-ভাবনা সম্পন্ন একজন যোগ্য ব্যাক্তিকে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা পরিষদের চেয়ারম্যান নিয়োগ দেয়া। যাতে, তার মাধ্যমে সরকার ও জনগনের আাশা আকাক্ষার প্রতিফলন ঘটে। এক্ষেত্রে যে কয়েকজন হতে গোনা হোমিওপ্যাথির চিকিৎসক রয়েছেন, তাদের মধ্যে ডাঃ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামের নাম আসে সবার আগে। তাকে নিয়ে বেশি জল্পনা-কল্পনা হচ্ছে, হয়তঃ সরকার ‍তাকে বেঁচে নিতে পারেন। অনেকেই তার নাম প্রস্তাব করছেন ও সরকারের কাছে দাবী জানাচ্ছেন তাকে হোমিওপ্যাথির নির্বাহী পরিষদের চেয়ারম্যান নিয়োগের জন্য।। বাংলাদেশের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের মধ্যে তার রয়েছে বর্ণাঢ্য কেরিয়ার রয়েছে। তিনি একজন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ও রোগতত্ত্ববিদ। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের হয়ে দীর্ঘ প্রায় পনের বছর যাবত চিকিৎসা সেবায় অবদান রাখছেন তিনি। মুসলিম এইড ইউকে এর হয়ে বাংলাদেশে প্রায় তিন বছর সংস্থাটির স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের নেতৃত্ব দেন। এছাড়াও ইউএসএআইডি, ডিএফআইডি এর হয়ে বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমে প্রায় দশ বছর নেতৃত্ব দিয়েছেন। বাংলাদেশে সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেছেন আরো প্রায় পাঁচ বছর। বর্তমানে এই গুণী হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ও গবেষক, ঢাকায় একটি বেসরকারী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে নিয়োজিত আছেন। সংশ্লিষ্ট মহলের দাবী, তাকে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা ও শিক্ষা নির্বাহী পরিষদের চেয়ারম্যান নিয়োজিত করা

26/07/2021
02/07/2021

লকডাউন নয়, বিকল্প খোঁজার আহবান-
এন্টিবডি যা প্রাকৃতিগতভাবে দেহে তৈরি হয়ে থাকে এবং এর নির্দিষ্ট রোগাক্রমণ প্রতিরোধ ক্ষমতাবলে সংক্রমণ প্রতিরোধ হয়ে থাকে। কোভিড-১৯ প্রাকৃতিক এ নিয়মের বাইরে নয়। অদ্যবদি গবেষণায় এর বিপরীত প্রমান কেউ হাজির করতে পারে নি। জনগনের এন্টিবডি তৈরির প্রাকৃতিক গতি ঠিক রাখতে সকলের স্বাভাবিক রুটি-রুজির ব্যবস্থা চলমান রাখতে হবে। লকডাউন জাতির বড় একটা অংশের খাদ্য অনিশ্চয়তার কারণ। তাই দায়িত্বশীল মহল থেকে বিষয়টাকে নিয়ে তামাশা না করে বিবেকের সাথে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
কোভিড -১৯ প্রকৃতিতে আছে, এ ভাইরাস প্রকৃতিতে থাকা বা নির্মূল হওয়া মানুষের সাধ্যাতীত। এটা প্রকৃতি নির্ভর। এ ভাইরাস প্রকৃতিতে থাকবে, আর আমরা মানুষ লকডাউন দিয়ে ঘরে বসে থাকলে, এটা অসহায়ত্বের বহিঃপ্রকাশ ছাড়া আর কি হতে পারে? সমস্যা যখন যা, তাকে সাথে নিয়েই আমাদের চলতে হবে।
কোভিড-১৯ প্রতিরোধে হাত ধেয়া, মাস্ক পরা, দেহের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা ঠিক রাখতে প্রয়োজনীয় খাদ্য গ্রহন, পরিমিত কায়িক শ্রম/ব্যয়াম ইত্যাদি দরকার। আর রোগাক্রান্ত হলে চিকিৎসা করা। এযাবৎ বেশ কিছুু এন্টিভাইরাল ঔষধ আবিষ্কার হয়েছে বিধায় এন্টি কোভিড-১৯ ঔষধের ব্যপারে আমরা আশাহত হতে পারি না।
বর্তমানে চলমান চিকিৎসায়ও কোভিড-১৯ রোগী সূস্থ্য হচ্ছেন। তাই আমাদের দেশের জনগনের অবস্থা বিবেচনায় লকডাউন অযৌক্তিক।
(Copied from Rafiqul Islam post)

Address

Imambari, Shankhala
Chunarughat
3320

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Public Health Workers Association Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share