Bismillah jewellers

Bismillah jewellers Jewellery Business

আপনার পকেটের হাজার টাকার নোট ছাপানো হয় ২০০৮ সালে। ২০০৮ সালে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরির দাম ছিলো ২৬০০০ টাকা (প্রায়) অর্থাৎ ...
18/09/2025

আপনার পকেটের হাজার টাকার নোট ছাপানো হয় ২০০৮ সালে।
২০০৮ সালে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরির দাম ছিলো ২৬০০০ টাকা (প্রায়)
অর্থাৎ আপনি ২০০৮ সালে ২৬ টি ১ হাজার টাকার নোট দিয়ে এক ভরি স্বর্ণ পেতেন।
আজকে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরির দাম ১৮৯০০০ টাকা (প্রায়)
অর্থাৎ আজকে আপনাকে ১৮৯ টি ১ হাজার টাকার নোট লাগবে এক ভরি স্বর্ণ কিনতে।
এবার আসুন এই ১ হাজার টাকার মান এখন কত।

২৬০০০ ÷ ২৬ = ১০০০
২৬০০০÷১৮৯= ১৩৭
আপনার ২০০৮ সালের ১ হাজার টাকার নোট টির আজকের মূল্য ১৩৭ টাকা।
এখানে চালাকি করে বলা হয় যে স্বর্ণের দাম বেড়েছে। আপনিও সেটা ধরে নেন।
কিন্তু প্রকৃত ব্যাপার হলো আপনার পকেটের/ব্যাংকের টাকার মূল্যমান কমেছে, যা আপনাকে বুঝতে দেওয়া হয়না। ...

।✅টাকা দিয়ে গোল্ড কিনাই শ্রেয়:

জেনে নেই স্বর্নের মাপ ও খুটিনাটি :দেশীয় হিসাব স্বর্ণ পরিমাপের একক১ ভরি = ১৬ আনা১ ভরি = ৯৬ রতি১ আনা = ৬ রতিভরি গ্রাম কেজি...
07/05/2025

জেনে নেই স্বর্নের মাপ ও খুটিনাটি :
দেশীয় হিসাব স্বর্ণ পরিমাপের একক
১ ভরি = ১৬ আনা
১ ভরি = ৯৬ রতি
১ আনা = ৬ রতি

ভরি গ্রাম কেজি এ সমস্ত যেমন মাপের একক-ঠিক তেমনি ভরি সোনা ২৪ ক্যারেট ধরে হিসাব করা হয়। ৯৬ রতিতে হয় ১ ভরি। সে হিসাবে ৯৬ কে ২৪ দিয়ে ভাগ করলে হয় ৪ রতি,আর এই ৪রতি সমান ১ ক্যারেট।
কিন্তু বিদেশে বা আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণ কিনতে গেলে ভরি হিসেবে কিনতে কেনা যায় না। কারণ, বিদেশে স্বর্ণ বিক্রির একক হিসেবে ওজন পরিমাপের আন্তর্জাতিক একক “কিলোগ্রাম” বা “আউন্স” ব্যবহার করা হয়। কিলোগ্রামের ভগ্নাংশ হচ্ছে "গ্রাম"। স্বর্ণ যেহেতু অনেক মূল্যবান, তাই লোকে অত্যন্ত অল্প পরিমাণে এটা কিনে থাকে।

তাই স্বর্ণের ওজন পরিমাপে গ্রাম বা আউন্স-ই বেশি ব্যবহার হয়। অবশ্য অনেকেই জানেন না, যে কত গ্রাম বা আউন্স -এ কত ভরি হয়। এটা জানা থাকলে দেশ-বিদেশে স্বাচ্ছন্দে স্বর্ণ কেনাকাটা করা যায় একই সঙ্গে দামের পার্থক্যটাও ধরা পড়ে।
৮ আনা = ৫.৮৩২ গ্রাম
১৪ আনা = ১০.২০৬ গ্রাম
১ ভরি = ১১.৬৬৩৮ গ্রাম
আবার,
১ আউন্স = ২৮.৩৪৯৫ গ্রাম
১ আউন্স = ২.৪৩০৫ ভরি
১ ভরি = ০.৪১১৪৩ আউন্স

স্বর্ণের বিশুদ্ধতা
অনেকে বিয়ে উপলক্ষে স্বর্ণ কেনার কথা ভাবছেন। এছাড়াও নতুন সন্তানের মুখ দেখতে, জন্মদিন ,আকিকা, সুন্নাতে খতনা, মুখে ভাত সহ বিবিধ উপলক্ষে স্বর্ণালংকারের চাহিদা থাকে বছরের সব সময়ই। অতি মূল্যবান ধাতু এই স্বর্ণের গহনা কেনার সময় এর বিশুদ্ধতা যাচাই করাও আবশ্যক। এতে করে ক্রেতা জানতে পারবেন যে তিনি কষ্টার্জিত অর্থ খরচ করে কতটুকু খাঁটি স্বর্ণ পেয়েছেন আর কতটুকু খাঁদ খাঁদ বা ভেজাল।

স্বর্ণালংকার কেনার সময় জানতে হবে ক্রেতা কত ক্যারেটের স্বর্ণ কিনবেন। স্বর্ণ সাধারনত: ২৪, ২২, ২১ ও ১৮ ক্যারেটের হয়ে থাকে বা ১৪ এবং ১০ ক্যরেটেরও স্বর্ণ আছে। ২৪ ক্যারেট সোনা হচ্ছে খাঁটি সোনা। যা কেবল বার হিসাবে পাওয়া যায়।

তৈরি গহনার মধ্যে ২২ ক্যারেট সবচেয়ে ভালো। ক্যারেট হিসাবে তাতে ২ ক্যারেট বাদ গেলে ১ আনা ২ রতি খাঁদ বা ভেজাল থাকবে। আপনি যদি ২১ ক্যারেট গহনা কিনতে চান তাহলে তাতে খাঁদ থাকবে ২ আনা আর ১৮ ক্যারেট কিনলে খাঁদ থাকবে প্রতি ভরিতে ৪ আনা।

ক্যারেট অনুযায়ী বিশুদ্ধতার আন্তর্জাতিক তালিকা
ক্যারেট বিশুদ্ধতার পরিমাণ:
২৪ ক্যারেট ৯৯.৯৯ % পিউর
২২ ক্যারেট ৯১.৬০ % পিউর
২১ ক্যারেট ৮৭.৫০% পিউর
১৮ ক্যারেট ৭৫.০০ % পিউর
১৪ ক্যারেট ৫৮.৫ % পিউর
১০ ক্যারেট ৪১.৭ % পিউর

যখনই স্বর্ণালংকার ক্রয় করা হবে অবশ্যই অর্ণামেন্টেস-এর গায়ে খোদাই করা ক্যারেট লেখা দেখে নেয়া উচিত। অর্ণামেন্টেস-এর গায়ে অথবা চেনের হুকে খোদাই করা লেখা থাকবে ৯৯৯৯ অর্থাৎ ২৪ ক্যারেট , ৯১৬ অর্থাৎ ২২ ক্যারেট, ৮৭৫ অর্থাৎ ২১ ক্যারেট, ৭৫০ অর্থাৎ ১৮ ক্যারেট।

21/04/2025
16/01/2025

21/10/2024
30/09/2024
26/09/2024

Address

Cumilla

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bismillah jewellers posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share