সামিয়া বস্ত্র বিতান

সামিয়া বস্ত্র বিতান All kind of cloths retail seller

28/07/2021

অসাধারণ

বিজ্ঞান বলে একজন প্রাপ্ত বয়স্ক সুস্থ্য পুরুষ একবার সহবাস করলে যে পরিমান বীর্য নির্গত হয় তাতে ৪০ কোটি শুক্রাণু থাকে। তো, ...
03/10/2018

বিজ্ঞান বলে একজন প্রাপ্ত বয়স্ক সুস্থ্য পুরুষ একবার সহবাস করলে যে পরিমান বীর্য নির্গত হয় তাতে ৪০ কোটি শুক্রাণু থাকে। তো, লজিক অনুযায়ি মেয়েদের গর্ভে যদি সেই পরিমান শুক্রানু স্থান পেতো তাহলে ৪০ কোটি বাচ্চা তৈরি হতো!
এই ৪০ কোটি শুক্রাণু, মায়ের জরায়ুর দিকে পাগলের মত ছুটতে থাকে, জীবিত থাকে মাত্র ৩০০-৫০০ শুক্রাণু।

আর বাকিরা ? এই ছুটে চলার পথে ক্লান্ত অথবা পরাজিত হয়ে মারা যায়। এই ৩০০-৫০০ শুক্রাণু, যেগুলো ডিম্বানুর কাছে যেতে পেরেছে। তাদের মধ্যে মাত্র একটি মহা শক্তিশালী শুক্রাণু ডিম্বানুকে ফার্টিলাইজ করে, অথবা ডিম্বানুতে আসন গ্রহন করে। সেই ভাগ্যবান শুক্রাণুটি হচ্ছে আপনি কিংবা আমি, অথবা আমরা সবাই।

কখনও কি এই মহাযুদ্ধের কথা মাথায় এনেছেন?

১। আপনি যখন দৌড় দিয়েছিলেন" তখন ছিলনা কোন চোঁখ হাত পা মাথা, তবুও আপনি জিতেছিলেন।

২। আপনি যখন দৌড় দিয়েছিলেন"তখন আপনার ছিলোনা কোন সার্টিফিকেট, ছিলোনা মস্তিষ্ক তবুও আপনি জিতেছিলেন।

৩। আপনি যখন দৌড় দিয়েছিলেন তখন আপনার ছিলনা কোন শিক্ষা, কেউ সাহায্য করেনি তবুও আপনি জিতেছিলেন।

৪। আপনি যখন দৌড় দিয়েছিলেন তখন আপনার একটি গন্তব্য ছিলো এবং সেই গন্তব্যের দিকে উদ্দেশ্য ঠিক রেখে একা একাগ্র চিত্তে দৌড় দিয়েছিলেন এবং শেষ অবধি আপনিই জিতেছিলেন।

- এর পর, বহু বাচ্চা মায়ের পেটেই নষ্ট হয়ে যায় । কিন্তু আপনি মারা যান নি, পুরো ১০ টি মাস পূর্ণ করতে পেরেছেন ।
- বহু বাচ্চা জন্মের সময় মারা যায় কিন্তু আপনি টিকেছিলেন ।
- বহু বাচ্চা জন্মের প্রথম ৫ বছরেই মারা যায়। আপনি এখনো বেঁচে আছেন ।
- অনেক শিশু অপুষ্টিতে মারা যায়। আপনার কিছুই হয় নি ।
- বড় হওয়ার পথে অনেকেই দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছে, আপনি এখনো আছেন ।

আর আজ......

আপনি কিছু একটা হলেই ঘাবড়ে যান, নিরাশ হয়ে পড়েন, কিন্তু কেন? কেনো ভাবছেন আপনি হেরে গিয়েছেন ? কেন আপনি আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছেন ? এখন আপনার বন্ধু বান্ধব, ভাই বোন, সার্টিফিকেট, সবকিছু আছে। হাত-পা আছে, শিক্ষা আছে, প্ল্যান করার মস্তিষ্ক আছে, সাহায্য করার মানুষ আছে, তবুও আপনি আশা হারিয়ে ফেলেছেন। যখন আপনি জীবনের প্রথম দিনে হার মানেননি। ৪০ কোটি শুক্রাণুর সাথে মরণপণ যুদ্ধ করে, ক্রমাগত দৌড় দিয়ে কারো সাহায্য ছাড়াই প্রতিযোগিতায় একাই বিজয়ী হয়েছেন।

কেনো একজন আপনার লাইফ থেকে চলে গেলে,
সেটা মেনে নিতে পারেন না?
কেনো আপনি একটা কিছু হলেই ভেঙে পড়েন??
কেনো বলেন আমি আর বাচতে চাইনা?
কেনো বলেন আমি হেরে গিয়েছি?
এমন হাজারো কথা তুলে ধরা সম্ভব, কিন্তু আপনি কেনো হতাশ হয়ে পড়েন?
আপনি কেন হারবেন? কেন হার মানবেন? আপনি শুরুতে জিতেছেন, শেষে জিতেছেন, মাঝপথেও আপনি জিতবেন। নিজেকে সময় দিন, মনকে প্রশ্ন করুন কি প্রতিভা আছে আপনার। মনের চাওয়া কে সব সময় মূল্য দিন, সব সময় আল্লাহ্ হোকে স্বরণ করুন। দেখবেন আপনি জিতে যাবেন,

শুধু নিজের মনের জোর নিয়ে যুদ্ধ করতে থাকুন- আপনি জিতবেনই।
ইনশা আল্লাহ্
(ভালো লাগলে শেয়ার করবেন।।

02/09/2018

একদিন রাতের বেলা
মন্টু আর ছন্টু
মিলে অনেকগুলো আম
চুরি করছে,
কিন্তু
এতগুলা কোথায়
ভাগাভাগি করবে
বুঝতে পারতেছিল
না। সামনেই একটা
কবরস্থান ছিল।
তারা দেওয়াল
টপকে
কবরস্থানের ভিতর
ঢুকে পড়লো।
কিন্তু
দেওয়াল পার হওয়ার
সময় দুইটা আম
ঝাঁকি খেয়ে পড়ে
গেলো, তারা
সেটা তোলার সময়
পেলোনা। তো
এক
মাতাল সেই রাস্তা
দিয়া
যাইতেছিল,
কবরস্থানের পাশ
দিয়ে
যাওয়ার সময়
শুনতেছে "এটা তোর,
একটা
আমার, এটা তোর, এটা
আমার!" এই
শুনে
মাতাল দ্রুত হাঁটা
দিল। সামনেই
এক
পুলিশের দেখা পেয়ে
বলতেসে,
"ভাই,
কবরস্থানে ভূত
আছে। লাশ
ভাগাভাগি
করতাসে। আরেকটু
হইলে আমারেও
খাইসিলো। অনেক
কষ্টে বাঁইচা
আসছি।" পুলিশ বলল,
"চলেন দেখি,
কোথায় ভূত কোথায়
কি!" দুইজনেই
কবরস্থানের কাছে
পৌছে শুনতেছে
"এটা তোর, এটা
আমার, এটা তোর, এটা
আমার" পুলিশ তো
ভ্যাবাচ্যাকা
খেয়ে গেসে। হঠাৎ
মন্টু বলে
উঠলো,
"তাইলে দেওয়ালের
ওই পাশের
দুইডারে কি করবি?"
এই কথা শুইনা
পুলিশ
ও মাতাল ওখানেই
অজ্ঞান হইয়া
পড়ল।

11/08/2018

আজ টিউশনির প্রথম দিন। বহু
কষ্টে এক বড় ভাইকে তেল মেরে
চামচামি করে একটা টিউশনি
যোগাড় করেছি। কিন্তু বড়ভাই
সাবধান করে দিয়েছে আমি যেন
কোন উল্টা পাল্টা কাজ না করি
তাছাড়া আমার ছাত্র না কি ১
নাম্বারের ফাঁকিবাজ। তাই
আমি যেন খুব যত্ন সহকারে
পড়াই।
--তোমার নাম কি?
~স্যার আমার নাম ফটিক কিন্তু
আমার স্কুলের বন্ধুরা আমাকে
আদর করে ফটকাবাজ বলে
ডাকে।
ছাত্রের মুখ থেকে এই কথা শুনার
বুঝতে পারছিলাম ছাত্র আমার ১
নাম্বারের টাউটার। আমিও কম
যায় না। আমি আমার ছাত্রকে
বললাম,
--শুনো ফটিক আমি খুব রাগী
একটা মানুষ।তোমার মত অনেক
ফটকাবাজ ছেলেদের আমি
পিটিয়ে মানুষ করেছি।তাই
আমার সাথে কোন চালাকি
করবে না। প্রতিদিনের পড়া
প্রতিদিনেই শেষ করতে হবে।
ছাত্র আমার মুখের দিকে
তাকিয়ে বললো,
~আমি কি আপনাকে স্যার বলে
ডাকবো না কি দুলাভাই বলে
ডাকবো?
--দুলাভাই বলে ডাকবে মানে!!
ফাজলামি করো? স্যার বলে
ডাকবে।
~আসলে ২ দিন পর তো আপনি
আমার দুলাভাই হবেন তাই আগে
থেকে ডাকার অভ্যাস করে
নিচ্ছি।
-- দুলাভাই হবো মানে?
~স্যার আমার ৩ বোন। ২ বোনের
বিয়ে হয়ে গেছে। কিভাবে
হয়েছে জানেন?
-- কীভাবে?
~স্যার আমাদের পরিবারের
আর্থিক অবস্থা তেমন ভাল না।
তাছাড়া বর্তমানে মেয়ে বিয়ে
দেওয়া অনেক টাকার ব্যাপার।
আমার আব্বু আম্মু খুব চালাক।
তারা চালাকি করে ভার্সিটি
পড়ুয়া ভাল একটা ছেলেকে
আমাকে পড়ানোর জন্য
নির্বাচিত করে।তারপর ঐ স্যার
যখন আমায় পড়াতে আসে তখন
তাকে আমার আব্বু আম্মু খুব আদর
যত্ন করে। পড়ানোর সময় আমার
আপু খুব সুন্দর করে সেজে
স্যারের সামনে ঘুরঘুর করে। তো
একদিন আমাকে শিখেয়ে
দেওয়া হয় আমি যেন পড়ার সময়
মিথ্যা কথা বলে ওয়াশ রুমে চলে
যায়। আর আমিও তাই করি। তখন
আপু স্যারের রুমে এসে দরজা
বন্ধকরে দেয়। আর একটু পরেই
আব্বু আম্মু দরজা ধাক্কাধাক্কি
করতে থাকে। তখন আপুই
কান্নাভেজা চোখে দরজা খুলে।
তারপর আব্বু আম্মু জোর করে ঐ
স্যারের সাথে আপুকে বিয়ে
করিয়ে দেয়। তখন স্যারের কিছু
করার থাকে না কারণ আব্বু আম্মু
স্যারকে খুব ভয় দেখাই আর বলে
বিয়ে না করলে এলাকার
লোকদের জানাবে। তখন স্যার
নিরুপায় হয়ে কাঁদতে কাঁদতে
আপুকে বিয়ে করে।এতে টাকাও
খরচ হলো না আর ভাল ছেলের
সাথেও বিয়ে দেওয়া হলো।২
বোনের বিয়ে এভাবেই হয়েছে
আর ৩ নাম্বার বোনের বিয়ের
জন্য আব্বু আম্মু আপনাকে
নির্বাচিত করেছে ।
ছাত্রের মুখ থেকে এইসব কথা
শুনার পর আমার অবস্থা খুব
খারাপ হয়ে যায়। আমি উঠে
দাঁড়ানো শক্তি পর্যন্ত হারিয়ে
ফেলি।হাত পা আমার থরথর করে
কাঁপতে থাকে।
ছাত্র আমার কানের কাছে
ফিসফিস করে বললো,
~স্যার একটু পর আপু আসবে চা
দেবার নাম করে আপনাকে
দেখতে।
আমি তখন কথা বলার শক্তি
পর্যন্ত হারিয়ে ফেলেছি। ঠিক
তখনি দেখলাম কালো একটা
মেয়ে মুখে সাদা পাউডার
মেখেছে ঠোঁটে লাল লিপস্টিক
লাল টিপ একদম অদ্ভুত খারাপ
দেখতে হাতে চায়ের কাপ নিয়ে
আমার কাছে আসছে।
ছাত্র তখন আমায় আবার
ফিসফিস করে বললো,
~স্যার আমার আপু। তার সাথেই
আপনাকে আব্বু আম্মু জোর করে
বিয়ে দিবে।
জানি না আমার তখন কি
হয়েছিলো। শরীরের সমস্ত শক্তি
নিয়ে জোরে একটা চিৎকার
দিয়ে জ্ঞান হারালাম।
যখন জ্ঞান ফিরলো তখন দেখি
ছাত্রের মা আমার মাথায় পানি
ঢালছে আর ছাত্রের বাবা
আমার হাত পা মালিশ করছে।
আমি তখন সোজা ছাত্রের
মায়ের পায়ে ধরে কাঁদতে
কাঁদতে বললাম,
-- আন্টি আমায় মাফ করে দেন
আমি বিয়ে করতে পারবো না।
আমি খুব গরিব আমাকে নিয়ে
আমার বাবা মার অনেক স্বপ্ন।
তাছাড়া আমার গার্লফ্রেন্ডও
আছে।ও যদি জানে আমি বিয়ে
করেছি তাহলে ও আমায় খুণ
করবে।
~আরে বাবা তুমি আমার পা
ছাড়ো। আর বিয়ে করবে না
মানে কি?
-- আমি আপনার মেয়েকে বিয়ে
করতে পারবো না।
ছাত্রের মা আমার কথা শুনে
একদম চমকে গেলেন।তারপর
আমাকে সোফাই বসিয়ে বললেন,
~আমার মেয়ে মানে!! আমার তো
কোন মেয়ে নেই। আমার তো
একটা মাত্র ছেলে।
--তাহলে ঐ মেয়েটা কে?
~আমাদের বাসার কাজের
মেয়ে।
কথাটা শোনার পর আমার মাথায়
আকাশ ভেঙে পড়লো।শেষে কি
না এই পিচ্চি ছেলে আমায়
কাঁদিয়ে ছাড়লো।
আমি তখন ছাত্রের মাকে
বললাম,
-- আন্টি ফটিক কোথায়?
~ফটিক কে?
--আপনার ছেলে।
~আমার ছেলের নাম তো পিয়াস।
আর তুমি অজ্ঞান হবার পর
পিয়াস যেন কোথায় গেল।
আমার মাথা তখন ঝিমঝিম
করছে।এই ছেলে তো মহা
টাউটার। এই বয়সে যে রকম
টাউটারি করে বড় হলে না জানি
কি কি করে।
আন্টি তখন আমায় মাথায় হাত
রেখে বললো,
~ বাবা তোমার মনে হয় আজ
শরীরটা খারাপ। তুমি বরং আজ
চলে যাও।কাল থেকে না হয়
এসো...
আমি রাস্তাদিয়ে হাটছি আর
ভাবছি,
সারাজীবন আমি মানুষদের
সাথে ফটকাবাজি করেছি আর
আজ কি না আমার হাটুর বয়সী
ছেলে আমায় কাঁদিয়ে ছাড়লো।
বেচে থাকতে এই মুখ ঐ ছেলেকে
আর দেখাবো না।
® গল্পটি ভালো লাগলে অবশ্যই
লাইক, কমেন্ট করবেন | এবং
শেয়ার করবেন.... PLZ
— feeling funny.

11/08/2018

ছোট একটা শহরের প্রাথমিক স্কুলের পঞ্চম শ্রেণীর এক শিক্ষিকা, যাঁর অভ্যাস ছিল তিনি ক্লাস শুরু হওয়ার আগে রোজ "আই লাভ ইউ অল্" বলতেন l কিন্তু তিনি জানতেন, তিনি সত্য বলছেননা l তিনি জানতেন ক্লাসের সবাইকে একরকমভাবে তিনি ভালবাসেন না l
ক্লাসের রাজু নামে একটা বাচ্চা যাকে তিনি মোটেও সহ্য করতে পারতেননা l রাজু ময়লা জামাকাপড়ে স্কুলে আসত l তার চুলগুলো থাকত উষ্কো-খুষ্কো , জুতোর বকলস্ খোলা, শার্টের কলারে ময়লা দাগ ....ক্লাসে পড়া বোঝানোর সময়ও সে ছিল খুব অন্যমনস্ক l মিসের বকুনি খেয়ে সে চমকে তাঁর দিকে তাকিয়ে থাকত l কিন্তু তার শূন্য দৃষ্টি দেখে স্পষ্ট বোঝা যেত যে রাজু শারীরিকভাবে ক্লাসে উপস্থিত থাকলেও তার মন অন্য কোনখানে উধাও হয়ে গেছে, ধীরে ধীরে রাজুর প্রতি মিসের মনে ঘৃণার উদ্রেক হলো l ক্লাসে ঢুকতেই রাজু মিসের সমালোচনার শিকার হয়ে যেত l সবরকম খারাপ কাজের উদাহরণ রাজুর নামে হতে থাকল l বাচ্চারা তাকে দেখে আর খিলখিল করে হাসে, মিসও তাকে অপমান করে সন্তোষ লাভ করেন l রাজু যদিও এইসব কথার কোনও উত্তর দিতনা l মিসের তাকে নিষ্প্রাণ পাথর বলে মনে হতো যার মধ্যে অনুভূতি নামে কোন জিনিস ছিলনা l সমস্ত ধমক, ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ আর শাস্তির জবাবে সে শুধু নিজের ভাবনায় শূন্য দৃষ্টিতে তাঁকে দেখত আর মাথা নীচু করে নিত l এইভাবে সে মিসের অত্যন্ত বিরাগভাজন হয়ে উঠলো l প্রথম সেমেস্টার শেষ হয়ে রিপোর্ট বেরোনোর সময় হলে মিস প্রগতি পত্রে (রেজাল্ট কার্ড) তার সম্পর্কে সব খারাপ কথা লিখে দিলেন l মা -বাবাকে দেখানোর আগে প্রগতি পত্র হেড মিস্ট্রেসের কাছে পাঠাতে হতো l তিনি রাজুর রিপোর্ট দেখে মিসকে ডেকে পাঠালেন এবং বললেন, "মিস ! প্রগতি পত্রে কিছু তো প্রগতির কথা লেখা উচিত্ ! আপনি তো যা কিছু লিখেছেন তার থেকে রাজুর বাবা একদম নিরাশ হয়ে যাবেন l" মিস বললেন, "আমি মাফ চাইছি, কিন্তু রাজু এক অশিষ্ট আর নিষ্কর্মা বাচ্চা l আমার মনে হয়না আমি ওর উন্নতির সম্পর্কে কিছু লিখতে পারি !" মিস ঘৃণার সাথে এই কথা বলে সেখান থেকে উঠে এলেন l
হেড মিস্ট্রেস অদ্ভুত একটা ব্যাপার করলেন l তিনি চাপরাশির হাত দিয়ে মিসের ডেস্কের ওপরে রাজুর আগের বছরের প্রগতি পত্র রাখিয়ে দিলেন l পরের দিন যখন মিস ক্লাসে ঢুকলেন তখন রিপোর্টের ওপরে নজর পড়তে, উল্টে দেখেন সেটা রাজুরই প্রগতি পত্র ! ভাবলেন আগের বছরও নিশ্চয়ই সে এইরকম আচরণ করেছে ! ভাবার সাথে সাথেই তৃতীয় শ্রেণীর রিপোর্টটা খোলেন l রিপোর্টের মন্তব্য পড়ে ওনার আশ্চর্যের সীমা রইলনা, রাজুর উচ্ছ্বসিত প্রশংসায় রিপোর্ট কার্ডটি ভরা - তাতে লেখা আছে, "রাজুর মতো বুদ্ধিমান বাচ্চা আমি আজ পর্যন্ত দেখিনি l অতি সংবেদনশীল বাচ্চা এবং নিজের সহপাঠী আর শিক্ষকের প্রতি সম্মান এবং সহযোগিতা করে l" অন্তিম সেমেস্টারেও রাজু প্রথম স্থান আধিকার করে নেয় l অস্থিরভাবে মিস চতুর্থ শ্রেণীর রিপোর্ট খোলেন, সেখানে লেখা আছে "রাজুর লেখাপড়ার ওপর তার মায়ের অসুখের গভীর প্রভাব পড়ছে, পড়াশোনার প্রতি অমনোযোগী হয়ে উঠছে l" রাজুর মা মারা গেছে এবং সঙ্গে রাজুর জীবনের যাবতীয় আশা ভরসা আর সুন্দর ভবিষ্যতের আলোও l তাকে বাঁচাতে হবে .....আরও দেরী হয়ে যাওয়ার আগে l মিসের মাথায় যেন অত্যন্ত ভারী বোঝা চেপে আছে ....কাঁপা হাতে তিনি রিপোর্ট বন্ধ করেন l তার নয়ন অশ্রুসজল হয়ে উঠলো ....টপ টপ করে চোখের জল ঝরতে লাগলো l
পরের দিন যখন ক্লাসে ঢুকলেন তাঁর নিজের চির অভ্যস্ত বাক্যের পুনরাবৃত্তি করলেন, "আই লাভ ইউ অল্" l কিন্তু বুঝতে পারছিলেন আজও তিনি সত্যের অপলাপ করছেন l কারণ এলোমেলো চুলে এই ক্লাসে বসে থাকা বাচ্চাটা, রাজুর প্রতি যে স্নেহ তিনি হৃদয়ে অনুভব করছিলেন ....তা' ক্লাসের অন্য বাচ্চাদের জন্য হওয়া সম্ভবই ছিলনা l পড়া বোঝানোর সময় রোজের দিনচর্যার মতো রাজুর দিকে একটা প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলেন আর রাজুও রোজের মতো মাথা নীচু করে নিলো l যখন বেশ কিছুক্ষণ পর্যন্ত মিসের ধমক বা শ্লেষাত্মক কথার কোনটাই বা সহপাঠীদের সম্মিলিত হাসির শব্দ কানে এলোনা তখন সে আচমকা মাথা উঁচু করে তাঁর দিকে চেয়ে রইলো l অপ্রত্যাশিতভাবে তার মাথা আজ মুন্ডিত, কেশহীন ছিল l
তাঁর মুখে মৃদু হাসি l তিনি রাজুকে কাছে ডাকলেন এবং প্রশ্নের উত্তর বলে দিয়ে তা' আওড়াতে বললেন l
রাজু তিন-চারবার চেষ্টার পর অবশেষে বলতে পারলো l তার জবাব দেওয়ার সাথে সাথে মিস খুশি হয়ে শুধু নিজে তালি দিলেন না, বরং অন্য সব বাচ্চাদের দিয়েও দেওয়ালেন l তারপরে এটা প্রত্যেক দিনের দিনচর্যা হয়ে গেল l মিস সব উত্তর নিজের থেকে দিতেন, তারপর সস্নেহে রাজুকে বাহবা দিতেন l সব ভালো কাজের উদাহরণে রাজুর নাম বলা হতে লাগলো l ধীরে ধীরে বিষণ্ণতার কবর ফুঁড়ে রাজু বেরিয়ে আসলো l এখন থেকে আর মিসকে প্রশ্নের সাথে উত্তর বলে বলে দেওয়ার প্রয়োজন হতোনা l সে রোজ সঠিক উত্তর দিয়ে সবাইকে প্রভাবিত করতো এবং নতুন নতুন প্রশ্ন করে হয়রানও l
তার চুলগুলো এখন অনেকটা পরিপাটি থাকত, জামাকাপড়ও যথেষ্ট পরিষ্কার থাকতো, হয়তো সে নিজেই কাচতে শুরু করেছিল l দেখতে দেখতে বছর শেষ হয়ে গেল, রাজু দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে পরবর্তী ক্লাসে উত্তীর্ণ হলো l
বিদায়কালীন সমারোহে সব বাচ্চারা মিসের জন্য সুন্দর সুন্দর উপহার নিয়ে এলো আর মিসের টেবিলের ওপর একের পর এক পাহাড় জমে গেল l এত সুন্দরভাবে প্যাক করা উপহারের মধ্যে পুরানো কাগজে অগোছালোভাবে মোড়া একটা উপহার পড়েছিলো l বাচ্চারা তাই দেখে হাসতে লাগলো l কারও জানতে বাকি রইলো না যে উপহার হিসেবে সেটা রাজুই এনেছে l মিস উপহারের এই ছোট পাহাড় থেকে সেটা বার করে আনলেন l খুলে দেখলেন তার ভিতরে মহিলাদের আতরের অর্ধেক ব্যবহার করা একটা শিশি আর এক হাতে পরার মতো বড় একটা বালা যার বেশিরভাগ মোতি ঝরে গিয়েছিলো l মিস চুপচাপ শিশি থেকে নিজের গায়ে আতর ছিটিয়ে দিলেন এবং বালাটা হাতে পরে নিলেন l বাচ্চারা এই দৃশ্য দেখে খুব অবাক হয়ে যায় l রাজু নিজেও l শেষ পর্যন্ত রাজু থাকতে না পেরে মিসের কাছে এসে দাঁড়িয়ে পড়লো l
কিছুক্ষণ পর সে থমকে থমকে মিসকে বলল, "আজ আপনার গা' থেকে আমার মায়ের মতো গন্ধ আসছে l "
সময় পাখা মেলে উড়তে লাগলো l দিন সপ্তাহে, সপ্তাহ মাসে আর মাস বছরে বদলাতে আর কোথায় সময় লাগে ? কিন্তু প্রত্যেক বছরের শেষে রাজুর কাছ থেকে একটা চিঠি নিয়মিতভাবে আসতো যাতে লেখা থাকতো, "এই বছর অনেক নতুন টিচারের সংস্পর্শে এসেছি কিন্তু আপনার মতো কেউ ছিলনা l" তারপর রাজুর স্কুলপর্ব শেষ হয়ে গেল এবং চিঠির ধরাবাহিকতাও l কয়েক বছর পর মিসেরও রিটায়ার হয়ে গেল l একদিন তাঁর নিজের মেলে রাজুর চিঠি পেলেন যাতে লেখা ছিলো, "এই মাসের শেষে আমার বিয়ে, আপনাকে ছাড়া বিয়ের কথা ভাবতে পারিনা, আরেকটা কথা .....জীবনে আমি অনেক লোকের সাথে মিশেছি, আপনার মতো কেউ নেই ...ডক্টর রাজু
সাথে প্লেনে যাওয়া আসার টিকিটও খামের মধ্যে ছিলো l মিস নিজেকে কিছুতেই আটকে রাখতে পারছিলেন না l তিনি স্বামীর থেকে অনুমতি নিয়ে অন্য শহরে যাওয়ার জন্য রওনা দিলেন l বিয়ের দিনে যখন বিয়ের আসরে উপস্থিত হলেন তখন খানিকটা দেরী হয়ে গেছিলো l তাঁর মনে হয়েছিল বিয়ের অনুষ্ঠান নিশ্চয়ই শেষ হয়ে গেছে.....কিন্তু এটা দেখে তাঁর আশ্চর্য হওয়ার সীমা ছিলনা ; শহরের বড় বড় ডাক্তার, বিজনেসম্যান, এমনকি বিয়ে দেবেন যিনি সেই পণ্ডিতজীও ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন যে এখনও কার আসা বাকি আছে ....কিন্তু রাজু বিয়ের অনুষ্ঠানের মণ্ডপের বদলে গেটের দিকে চোখ লাগিয়ে তাঁর আসার অপেক্ষা করছিলো l তারপর সবাই দেখে ছোটবেলার এই টিচার গেটের ভিতরে ঢুকতেই রাজু তাঁর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে হাত ধরেছে যে হাতে তিনি এখনও সেই খারাপ হয়ে যাওয়া বালাটা পরেছিলেন ; তাঁকে সসম্মানে মঞ্চে নিয়ে যাওয়া হলো l মাইক হাতে নিয়ে সে এইরকম কিছু বলল, "বন্ধুরা ! আপনারা সবাই সবসময় আমাকে আমার মায়ের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতেন আর আমি আপনাদের সবার কাছে প্রতিজ্ঞা করতাম যে খুব শিগগির আপনাদের সবাইকে তাঁর সাথে পরিচয় করিয়ে দেবো l l l ......ইনি আমার মা - ----------".. ccollected...

কে কে বলতে পারেন।
21/11/2017

কে কে বলতে পারেন।

 # বন্যা কবলিত এলাকায় বিষাক্ত সাপের উপদ্রব থেকে রক্ষা পেতে শয়ন কক্ষে অথবা ঘরের নির্দিষ্ট স্থানে লাল রঙের লাইফবয় সাবান...
18/08/2017

# বন্যা কবলিত এলাকায় বিষাক্ত সাপের উপদ্রব থেকে রক্ষা পেতে শয়ন কক্ষে অথবা ঘরের নির্দিষ্ট স্থানে লাল রঙের লাইফবয় সাবান টুকরা টুকরা করে ছিটিয়ে রাখুন। কারন, লাইফবয় সাবানে কার্বক্সালিক এসিড/কার্বনিল এসিড থাকায় সাপ কাছে আসতে পারেনা।অথবা কার্বলিক এসিডের ছিপি খুলে ঘরের কোনে রাখতে হবে। কার্বলিক সাবান অথবা কার্বলিক এসিড পাওয়া না গেলে সজিনার ডাল কেটে টুকরো টুকরো করে ঘরের চারদিকে ছড়িয়ে দিতে হবে। এতে ঘরে সাপ ঢুকবে না।

প্রচারে: জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর।
পোস্ট:আলী বাবা

এখানে সকল প্রকার কাপড় পাওয়া যায়।01826142284
14/08/2017

এখানে সকল প্রকার কাপড় পাওয়া যায়।01826142284

18/12/2016
আমার ভাগিনা ভাগনি।
02/11/2015

আমার ভাগিনা ভাগনি।

Address

Kangshanagar Bazar
Cumilla
3532

Telephone

008801826142284

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সামিয়া বস্ত্র বিতান posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share