13/01/2026
গ্যাসের চুলার প্রতি একচেটিয়া ভরসা কমিয়ে আনুন
নিজের কয়েক বছরের অভিজ্ঞতা শেয়ার করছি জাস্ট 🪧
⛔ বর্তমানে গ্যাসের বাজার সিন্ডিকেটের কবলে। এর জন্য শুধু ব্যবসায়ী নয় আমাদের উচ্চ বিলাসীতা, প্রতিযোগীতা আর একচেটিয়া নির্ভরশীলতা অনেকাংশে দায়ী। তাই আমরা নিজেদের স্থান থেকে কিছুটা সচেতন ও সামর্থ্যকে অনুভব করি।
🔰 নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করি:
আমি গ্যাসের পাশাপাশি রাইস কুকার ও ইনফ্রারেড কুকার ব্যবহার করি৷ ফলে গড়ে মাসে বিল আসে ২০০-২৫০(+-) বেশি। এবং সিলিন্ডার যায় মিনিমাম ৭-৮ মাস। অর্থাৎ সংসার জীবনে গত আড়াই বছরে মাত্র ৩ টা কিনছি সিলিন্ডার৷
এবং ঠিক একই কারণে লাইনের গ্যাসের বাসা নেয়া থেকেও বিরত থাকি৷ এতে করে খরচ অনেক কমে যায়।
মাসে গড়ে রান্না বাবদ খরচ আসে ২০০-২৫০ টাকা
বছরে ২৪০০-৩০০০ টাকা - (ইনফ্রারেড/রাইস কুকারের সমন্বয়ে)
আর যদি সিলিন্ডার বা লাইনের গ্যাসই একমাত্র উপায় হয়,
তবে মাসে ১২০০+ আর বছরে প্রায় ১৪০০০ এর উপর খরচ যায়। একটু হিসাব মিলালেই বুঝবেন।
তাহলে গ্যাসের বদলে আমরা অন্যসব উপায় সহায়তার জন্য নিয়ে রান্নার খরচ কমাতে পারি, জ্বালানী গ্যাসের অপচয়ও কমাতে পারি।
💠 ১. সর্বপ্রথম আপনি বাজেটের ভিতর একটি রাইস কুকার কিনে নিন। বর্তমানে একই রাইস কুকারে ভাতসহ বিভিন্ন তরকারীও রান্না করা যায়। এতে বিল খুব বেশি উঠে না। এবং যতটুকু উঠে তাও কতটা সাশ্রয়ী তা হিসাব করে বুঝিয়ে দিবো একটু পরই।
💠 ২. রাইস কুকারের পাশাপাশি আপনি সুযোগ করে একটা ইনডাকশন/ইনফ্রারেড কুকার কিনে নিন। এতে আপনি সকল রান্নাই অনায়াতে করতে পারবেন। বিদ্যুৎ বিল যা আসবে তা আপনার গায়ে লাগবে না।
📌 তবে, ইনডাকশন কিনলে বিশেষ পাতিল কিনতে হবে, এতে কিছুটা বাড়তি খরচ হবে তবে রান্না দ্রুত হয়। আর ইনফ্রারেড কিনলে সব পাতিলই ব্যবহার করতে পারবেন, রান্না একটু সময় নেয়, ছোট পরিবারের জন্য এটাতে সমস্যা হয় না।
🪧 যারা শহরের বাসিন্দা, তারা এই দুটি উপায় নির্বিঘ্নে করতে পারেন। গ্যাসের সিলিন্ডার না কিনে সে টাকা দিয়ে এগুলো কিনলে বহুদিন ব্যবহার করতে পারবেন। কারণ, ২ মাস পর গ্যাস শেষ হবে, কিন্তু কুকারগুলো শেষ হবার নয়।
📌 আর যারা গ্রামে থাকি, তারা প্রাকৃতিক উপায় অবলম্বন করুন। চুলা রেখে টিনের বাড়িতেও গ্যাস ব্যবহার করে আধুনিক হবার চেষ্টা ঠিকই করছেন, তবে এতে নিজেদের অর্থ ও পরিবেশ দুই নষ্ট হচ্ছে৷
আমরাই পারি নিজেদের ভালো করতে
আমাদের পরিবেশকে বাঁচিয়ে তুলতে।
- Admin