Insaf Service

Insaf Service সহজ ও বোধগম্যতার খোঁজে।

05/12/2024

"আপনার জন্য সবচেয়ে উত্তম স্থান হলো কারো দোয়ায় আপনি উপস্থিত থাকতে পারা। কারণ সে আপনার ব্যাপারে আল্লাহর সাথে কথা বলছে, আর আল্লাহ্ হলো সর্বোত্তম শ্রবণকারী।"
- ড. বিলাল ফিলিপ্স

16/11/2024

😢😢😢

"ধর্মের মাঝে বিজ্ঞান মেশানো"ইসলাম 'ধর্ম'-এর আধুনিক সংজ্ঞায় ধর্ম না। ধর্ম বলতে পশ্চিমারা বোঝে নিখাদ ভাববাদ-কে। যার সাথে ব...
12/11/2024

"ধর্মের মাঝে বিজ্ঞান মেশানো"
ইসলাম 'ধর্ম'-এর আধুনিক সংজ্ঞায় ধর্ম না। ধর্ম বলতে পশ্চিমারা বোঝে নিখাদ ভাববাদ-কে। যার সাথে বস্তুর সম্পর্ক নাই। কিন্তু ইসলাম নিছক ভাববাদ না। ইসলাম ভাব ও বস্তু, শরীর ও আত্মা, ইহলোক ও পরলোকের সমন্বয়ে পরিপূর্ণ সংজ্ঞা, পরিপূর্ণ জীবন বিধান।

সুতরাং বস্তুজগত নিয়ে ইসলামের বক্তব্য আছে। বিজ্ঞান বস্তুবাদ ডীল করবে, ধর্ম ভাববাদ ডীল করবে। সুতরাং এ দুয়ের মাঝে কোনো সম্পর্ক নাই। এই কথা ভাববাদী ধর্মগুলোর জন্য সত্য। যেহেতু ইসলাম ভাবজগতও ডীল করে বস্তুজগতও ডীল করে সুতরাং বিজ্ঞানের সাথে ইসলামের কমন কিছু গ্রাউন্ড আছে। বিজ্ঞান থেকে ইসলামকে পুরো খারিজ করা যায় না। যারা খারিজ করতে চায়, তারা জীবনের সর্বক্ষেত্রে ইসলামের এখতিয়ার স্বীকার করতে চায় না। জ্ঞানতত্ত্বেও ওহীর এখতিয়ার আছে, এটা তারা মানতে অস্বীকার করে। ফলে সেক্যুলারায়নেরই পক্ষ তারা, জেনে বা না জেনে।

ঢাবি'র কেমিস্ট্রির একজন প্রফেসরের একটা পোস্টার নিয়ে তারা খুব ট্রলবাজি করছে। অথচ পুরো পোস্টারে গবেষণা-রিসার্চ জাতীয় কোনো আলাপ নেই। বুঝাই যাচ্ছে এটা একান্তই তার বিশ্বাসগত কিছু ধারণা। তিনি বলেনওনি এটা গবেষণা করে পেয়েছেন। তবে জিনিসটা নেহাত বোকা বোকা। এতোটা বোকা বোকা হওয়াটা মানায় না৷ ইসলামই আমাদেরকে পার্থিব বিষয়ে যুক্তিভিত্তিক সিদ্ধান্ত নিতে শিখিয়েছে, তাহকীক-যাচাই শিখিয়েছে। ইসলামই জন্ম দিয়েছে বিজ্ঞানভিত্তিক চিন্তার। সুতরাং আরেকটু যৌক্তিকতা কাম্য আমাদের কাজকর্মে।

যে যেই সাবজেক্ট পড়ছেন সেই সাবজেক্ট থেকে ইসলামের দিকে তাকান। পোস্টারটিতে আমি কেমিস্ট্রির ও কিছু পেলাম না। স্রেফ অপ্রয়োজনীয় কিছু ধারণা পেলাম। আমি যে কাজ করি তা কোনো না কোনোভাবে আমার ফিল্ড (মেডিকেল সায়েন্স, ফিজিওলজি) এর সাথে কানেক্টেড। এমনকি নারীবাদ নিয়ে আমি যে আলাপ করি, তাও শারীরবিদ্যার (নিউরোফিজিওলজি, রিপ্রোডাক্টিভ ফিজিওলজি) পরিধির মাঝে বলি।

ন্যাচারাল সায়েন্সকে ইসলাম মানবজ্ঞানের উপর ছেড়ে দিয়েছে। আর হিউম্যান সায়েন্স (অর্থনীতি-রাষ্ট্রবিজ্ঞান-সমাজবিদ্যা-ইথিক্স-আইন) নিয়ে ইসলাম সুস্পষ্ট অবস্থান নির্দেশ করেছে। সুতরাং কর্তব্য হল, ন্যাচারাল সায়েন্সের মুসলিমরা ইসলামী ইথিক্স বজায় রেখে নিজ টপিকে রিসার্চ করে যাওয়া। আর হিউম্যান সায়েন্সের মুসলিমরা ধর্মমুক্ত পশ্চিমা লিবারেল কাঠামোর বিপরীতে ইসলামের কাঠামোর তুলনা পেশ করা। ইসলামের হিউম্যান সায়েন্স কাঠামোর শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করা।

বিজ্ঞানের ভিতরেও ইসলামের কিছু বলার আছে। বিজ্ঞান ও ইসলাম আলাদা করার ফলেই আজ পরিবেশ বিপর্যয়। এমনকি ন্যাচারাল সায়েন্সেও ইসলামের ইথিক্স প্রবেশ করানো দরকার। জিয়াউদ্দিন সরদারের Touch of Midas বইটায় বিস্তারিত আলাপ পাবেন। আজ যে পুঁজিবাদের দাসে পরিণত হয়েছে বিজ্ঞান, পরিবেশ ধ্বংসের হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে বিজ্ঞান, এর সমাধানও ইসলামকে বিজ্ঞানের মাঝে প্রয়োগের ভিতর।

সুতরাং ধর্মের মাঝে বিজ্ঞান আনবেন না, এটা অন্য ধর্মের জন্য। ইসলাম ভাববাদী ধর্ম না। ইসলামে বিজ্ঞান থাকবে, বিজ্ঞানেও ইসলাম থাকবে। ইসলাম আমাদের পার্থিব জীবনের বস্তুগত যে অংশটুকু ডীল করে, সেই বিজ্ঞান ও ইসলামের কমন গ্রাউন্ড।

আইনস্টাইন যা বুঝলো, আধুনিক মোজলেমরা বুঝতে চায় না। ধর্মওয়ালা বিজ্ঞান পঙ্গু না, বিজ্ঞানওয়ালা ধর্ম অন্ধ না। জীবন-জগত সম্পর্কে সত্যিকার ধারণা আসতে বস্তুবাদ-ভাববাদের সমন্বয় লাগবে। ওহী-গাইডেড বিজ্ঞান ও নৈতিক প্রযুক্তিই বিশ্বের সমাধান। মুসলিমরা যখন অমুসলিমদের মত কথা বলে ইসলামকে খারিজ করে সেটা একটা আইরনি।
- Shamsul Arefin Shakti
https://shamsularefin.com/religion-and-science

"অপেক্ষা"বিশাল একটা স্টেশন, এখানে অজস্র মানুষের যাতায়াত প্রতিদিন। ট্রেনের হুইসেল বাজছে, মালপত্র মাথায় নিতে জনে-জনে গিয...
08/11/2024

"অপেক্ষা"
বিশাল একটা স্টেশন, এখানে অজস্র মানুষের যাতায়াত প্রতিদিন। ট্রেনের হুইসেল বাজছে, মালপত্র মাথায় নিতে জনে-জনে গিয়ে চিৎকার করে অনুরোধ করছে কুলিরা, প্রিয়জনদের পেয়ে কেউ চিৎকার করে ডাকছে, কারো চোখে অশ্রু – কাছের মানুষদের মিলনে অথবা বিরহে।

মাহফুজ চুপচাপ বসে আছে ওয়েইটিং রুমের কোনার একটা চেয়ারে। এইখানে এত শত-শত মানুষ — তাদের কেউ-ই তার আপন নয়, কাউকে চেনেনা। এখন গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে গেলেও এক গ্লাস পানি কেউ দিবেনা — একথা ভাবতেই কেমন অস্থির হয়ে উঠলো তার মনটা। তার প্রিয়জনদের কথা ভাবতেই এমন লাগছে। অনেকদিন ধরে আজকের দিনটার জন্য অপেক্ষায় ছিল মাহফুজ। রুমের পড়ার টেবিলের উপরে রাখা ডেস্ক ক্যালেন্ডারটাতে দিন কেটে দিতে সে একটা লাল সাইনপেন কিনেছিল, লাল রঙ দিয়ে দাগ দিলে তাতে রাগ বেশি ঝাড়া যায়। কয়েক সপ্তাহ ধরে সে যত্ন করে কেটেছে একেকটা দিন। আজ সকালে ইস্ত্রি করা শার্টটা বের করে পরেছে, অডিকোলন গায়ে দিয়েছে, দিনের পরিশ্রমে যেন তার ছিমছাম পরিপাটি ভাবখানা ছুটে না যায় সেজন্য তার চেষ্টার কমতি নেই। অফিস থেকে বসকে বলে আগেই বেরিয়ে এসেছে, অনেকদিনের এই অপেক্ষার কথা অফিসের কলিগরা আগেই জানত, তারা সবাই মুচকি হেসে বিদায় দিলো দুপুরে লাঞ্চের পরেই।

ওয়েইটিং-রুমে বসে থেকে মাহফুজের কান সজাগ, নতুন কোনো ঘোষণা কিনা, হুইসেল শোনা যায় কিনা নতুন ট্রেন আগমনের। কোন ট্রেন এলেই খোঁজ করছে এটা ‘অরণ্য নীলিম’ কিনা। যাদের অপেক্ষায় এখানে এসেছে সে, তাদের কারো সাথে আবার ফোন নেই, তাই যোগাযোগ করতে পারছেনা। কেবল অপেক্ষার প্রহর গুণে চলেছে, এই বুঝি এলো! কিন্তু অমন অনেকগুলো ট্রেন এলেও তারটার দেখা নেই…

পাশের চেয়ারে পড়ে থাকা জীর্ণ পুরনো পত্রিকাটা হাতে নিয়ে পড়ার ব্যর্থ চেষ্টা চালায় সে – নাহ! মন বসছে না কিছুতেই। উশখুশ করছে মাহফুজ। অনেকদিন পর আসবে সে, তাই ঘরদোর নিজের হাতে পরিষ্কার করেছে সে ক’দিন ধরে। নতুন জানালা-দরজার পর্দা লাগিয়েছে, বিছানার চাদর কিনেছে সাদার ভেতর উজ্বল নীল রঙ্গা ফুলে ছাপানো। এই কন্ট্রান্সটটা তাসনীয়ার অনেক পছন্দ!

হাতের ঘড়ির দিকে চেয়ে দেখল সন্ধ্যা প্রায়। দিন প্রায় পুরোটাই চলে গেল। স্টেশন মাস্টারের রুমে উকি ঝুকি দিল সে- চেয়ারটা ফাঁকা দেখে বিরক্তিতে ভ্রু কুঁচকে এলো। এইসবের কোনো মানে হয়? একটা কোনো এনাউন্সমেন্ট পর্যন্ত নেই। প্ল্যাটফর্মে ইতস্তত পায়চারী করতে থাকে সে। স্টেশন মাস্টারের রুমের বাইরের আয়নায় নিজেকে আরেকবার দেখে নিলো সে। যেন পরিপাটি লাগে তাই গেল হপ্তায় শুক্রবার দিন চুল কাটিয়েছে। তাছাড়া একা থাকার সময়টায় সপ্তাহের ছুটির দিনেই অনেক কাজ পড়ে যায় তার –একা একা কাপড় ধোয়া, রান্নাঘরের সিঙ্কে জমানো গাদা গাদা বাসন কোসন ধোয়া এমনি আরো কত কী! আরেকজন তার এইসব কষ্টটুকুর জন্য কতইনা মন খারাপ করে ভেবে ভালোবাসায় মুখটা রক্তিম হয়ে এলো মাহফুজের। হঠাৎ মুখে স্মিত হাসি ফুটে ওঠে তার। পকেটে হাত ঢুকিয়ে কাগজ ছুঁলো সে একটা — তালিকা লিখেছে কাজ ভাগাভাগির। এইটা নিয়ে দু’জনের ঢিশুম ঢিশুম ফাইট হবে সে জানে। তাইতো যত্ন করে লিখে রেখেছে। এতদিন পর দেখা হবে, একটু খুনসুঁটি না হলে হয়? লাজুক হাসিতে নিচের ঠোঁটটা কামড়ে ধরে মাহফুজ।

মাগরিবের ওয়াক্ত প্রায় হয়ে এলো। গোধূলির আলোতে প্ল্যাটফর্মে একটা ধোঁয়াটে পরিবেশ তৈরি হয়েছে। এখনো আলো জ্বালানো হয়নি সবগুলো। হঠাৎ দূরে ট্রেনের হুইসেলের শব্দে সম্বিত ফিরে পায় মাহফুজ। বুকের স্পন্দন টের পাচ্ছে সে — ধুকধুক ধুকধুক। আনন্দ, উত্তেজনা আর ভালোবাসার স্পন্দন বুঝি এমনই হয়। এত অপেক্ষার পর যদি প্রিয়জনটি নেমে আসে সিঁড়ি বেয়ে, সুস্থ শরীর আর মনের পরিচয় প্রকাশক একটা হাসি দেয় — সেই আনন্দ, সেই উদ্বেলিত হৃদয়ের অনুভূতি কি কখনো ভাষায় প্রকাশ করা যায়? যারা অমন অপেক্ষা করেনি কোনদিন, তারা কীভাবে বুঝবে অপেক্ষার পরে প্রিয়জনদের কাছে পাওয়ার ভালোবাসা কত তীব্র থাকে, তাতে কত গভীরতা থাকে, সেই হৃদয়ে কত আকুতি থাকে…

অনেক দূরে দাঁড়িয়ে ‘চ’ বগির দরজায় চোখ লাগিয়ে রাখে মাহফুজ। সাদা-নীল স্কার্ফ পরা চিরচেনা মানবীর অবয়ব দেখে যেন আবেগ উথলে উঠে মাহফুজের। তার অপেক্ষার পালা বোধহয় শেষ হল। এক মাস হলো তাসনীয়া গিয়েছিলো মা’র বাড়ি। তার কাছে যেন মনে হচ্ছিলো এক যুগ দেখেনি সে মেয়েটির গভীর মমতামাখা চোখদুটো, দুষ্টুমি ভরা হাসি, শোনা হয়নি অফিস থেকে ফিরে বাসার দরজা খুলেই ভালোবাসামাখা কন্ঠের জিজ্ঞাসা — “আসসালামু আলাইকুম! আজ শরীর মন ভালো তো স্যার?”

[Source : https://hoytoba.com/id/4732 ]

18/02/2024

24/06/2022

জুমুআর দিনের ৩টি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাহ
_________________________
(১) সুরা কাহাফ তেলাওয়াত করা
জুমার দিনে কুরআন মাজীদের সুরা কাহাফ (১৮ নাম্বার সুরা) তেলাওয়াত করা মুস্তাহাব (উত্তম)। যে ব্যক্তি সুরা কাহাফ পড়বে, পরবর্তী জুমা পর্যন্ত তার দিনগুলো নূরানি (আলোকিত) হয়ে থাকবে। পুরোটা সম্ভব না হলে, অন্তত প্রথম ১০ আয়াত ও শেষ ১০ আয়াত পড়া উচিৎ। যারা পড়তে পারেন না, তারা তেলাওয়াত শিক্ষা করার পূর্বে শুনতে পারেন। যারা পড়তে পারেন তারাও সুরা কাহাফের তেলাওয়াত শুনতে পারেন। তবে, শুনা কখনো পড়ার বিকল্প নয়। সুরা কাহাফ তেলাওয়াত করার সময় হলো বৃহস্পতিবার মাগরিব থেকে শুক্রবার মাগরিবের পূর্ব পর্যন্ত। একবারে পুরোটা পড়তে না পারলে ২-৩ বারে ভাগ করে পড়া যাবে।
সূরা কাহাফের ফজিলত:
নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি সূরা কাহাফের প্রথম দশটি আয়াত মুখস্ত করবে, তাকে দাজ্জালের ফিতনা হতে হেফাজতে রাখা হবে”। [সহিহ মুসলিম]
নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরও বলেছেন, “যে ব্যক্তি সূরা কাহাফ পাঠ করবে, কিয়ামতের দিন তার জন্য এমন একটি নূর হবে, যা তার অবস্থানের জায়গা থেকে মক্কা পর্যন্ত আলোকিত করে দিবে। আর, যে ব্যক্তি এর শেষ দশটি আয়াত পাঠ করবে, তার জীবদ্দশায় দাজ্জাল বের হলেও সে তার কোন ক্ষতি করতে পারবে না।”
[সিলসিলা সহিহাহ: ২৬৫১]
_____
(২) রাসূলের উপর দরুদ পাঠ করা
আল্লাহ তায়ালা বলেন, “নিশ্চয় আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবির প্রতি সালাত ও সালাম পেশ করেন। হে মুমিনগণ! তোমরাও তাঁর প্রতি সালাত পেশ করো এবং তাঁকে যথাযথভাবে সালাম জানাও।” [সুরা আহযাব, আয়াত: ৫৬]
নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জুমার দিনে বেশি বেশি করে দুরুদ পড়তে বলেছেন। সর্বশ্রেষ্ঠ দুরুদ হচ্ছে ‘দুরুদে ইব্রাহিম’ যা সালাতে পড়া হয়।
দুরুদ পড়ার ফজিলত: রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “যে ব্যক্তি আমার প্রতি একবার দরুদ পাঠ করবে, আল্লাহ তার উপর দশবার রহমত করবেন।” [সহিহ মুসলিম: ৩৮৪]
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “কিয়ামতের দিন সেই ব্যক্তি সব লোকের চেয়ে আমার বেশি নিকটবর্তী হবে, যে তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমার উপর দরুদ পড়বে।” [সুনানে তিরমিযি: ৪৮৪, হাদিসটি হাসান]
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমাদের দিনগুলোর মধ্যে সর্বোত্তম দিন হলো জুমুআর দিন। সুতরাং ঐদিন তোমরা আমার উপর বেশি করে দরুদ পড়ো। কেননা, তোমাদের দরুদ আমার কাছে পেশ করা হয়।” [আবু দাউদ: ১০৪৭, নাসায়ি: ১৩৭৪, হাদিসটির সনদ সহিহ]
________
(৩) দু‘আ কবুলের বিশেষ সময়টিতে বেশি করে দু‘আ করা
জুমুয়ার দিন সংক্ষিপ্ত একটা সময় আছে, ঐ সময়ে বান্দা যা চায় তাই দেওয়া হয়। অধিকাংশ আলেমের মতে, সেটি আসরের পর থেকে মাগরিব পর্যন্ত।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “জুমুআহর দিনের বারো ঘন্টার মধ্যে একটি বিশেষ মুহূর্ত রয়েছে, তখন কোন মুসলমান আল্লাহর নিকট যেই দুআ করে, আল্লাহ তাই কবুল করেন। তোমরা সেই মুহূর্তটিকে আসরের শেষদিকে অনুসন্ধান করো।”
[সুনানে নাসাঈ, সুনানে আবু দাউদ: ১০৪৮, হাদিসটি সহিহ]
সুতরাং দু‘আ কবুলের সময়টা পাওয়ার জন্য উত্তম হচ্ছে, আসরের সালাত আদায় করে জায়নামাযেই বসে থেকে মাগরিবের সালাতের জন্য অপেক্ষা করা, বিভিন্ন যিকর-আযকার, তিলাওয়াত এবং দু‘আ করতে থাকা। অন্তত মাগরিবের আযানের আধা ঘণ্টা পূর্বে অবসর হয়ে জায়নামাজে বসে যাওয়া।

21/11/2021
😢🕐
30/10/2021

😢🕐

06/05/2021

আরবীতে একটি প্রবাদ আছে, ‘সময় সে তো জীবন, সুতরাং তাকে হত্যা করো না।’ আসলে সময়ের শেকলে বাঁধা আমাদের হায়াতের জীবন। যার শেকল যত দীর্ঘ। তার হায়াতও তত দীর্ঘ। আমাদের প্রতিদিনের হায়াতের শেকল হচ্ছে ৮৬ হাজার ৪০০ সেকেন্ডের। অথচ এর মাত্র ১টি সেকেন্ড পাওয়ার জন্য কোটি কোটি মৃত প্রানগুলো প্রতিনিয়ত হায় আফসোস করে চলেছে। আর আমরা উল্টা এই অমূল্য সময়গুলোকে নষ্ট করছি বাঙ্গি, তরমুজ আর রসালো গল্পের আলোচনায়।
রমজানের প্রতিটা মূহুর্ত বরকতময়। একটি ফরজ আদায় করলে ৭০ টি ফরজ আদায়ের সওয়াব। এটা সংযম, আত্মশুদ্ধি, গুনাহ মুক্তির মাস। এটা কোরআনের মাস। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, ‘ধ্বংস হোক ওই ব্যক্তি, যে রমজান পেয়েও নিজের গুনাহ মাফ করাতে পারল না।’
আগেই বলেছি, আমাদের জীবনটা হল সময়ের সমষ্টি মাত্র। আল্লাহ এই সময়কে আমাদের জন্য মূলধন হিসেবে দিয়েছেন। এই মূলধন আমরা কোথায় বিনিয়োগ করবো। আর কিভাবে ব্যয় করবো। তার পরিপূর্ণ হিসেব নেয়া হবে। যার কাছে পৃথিবীর সবকিছুই আছে। কিন্তু তার ভোগ করার সময়টুকু নেই। সে-ই জানে সময়ের সামনে এই সবকিছু কতটা মূল্যহীন। সময় বা আয়ু আল্লাহর দেয়া শ্রেষ্ঠ এক নেয়ামত। আর আল্লাহ বলেন, “সেদিন তোমাদেরকে প্রতিটি নেয়ামত সম্পর্কে প্রশ্ন করা হবে।” (সূরা তাকাসুর: ৮)। কি উত্তর দিবো আমরা সেদিন? যেদিন সবাই কাঁদবে। হায় আফসোস করবে। ফেলে আসা এতটুকু সময়ের জন্য। আল্লাহ বলেন- “যখন তাদের কারো নিকট মৃত্যু উপস্থিত হয় তখন সে বলেঃ ও আমার পালনকর্তা আমাকে ফিরিয়ে দিন যেন আমি যে কাজগুলো সম্পাদন করতে পারিনি তা করতে পারি।” (সুরা মু’মিনুন : ৯৯-১০০)
আজকের এই সময়গুলোকে ফিরে পাওয়ার জন্য কালকে কেয়ামতের দিন আমরা যেন হায় আফসোস না করি। আল্লাহ আমাদের ক্ষনিক জীবনের, ক্ষয়িষ্ণু সময়ের, মূল্য অনুধাবন করে এর সঠিক ব্যবহার করার তওফিক দান করুন।

(ড. তুহিন মালিক)

Address

Mirpur-1
Dhaka-1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Insaf Service posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share