21/09/2026
স্কুল থেকে বাচ্চারা সরাসরি দোকানে চলে আসে। এখানেই খায়, এখানেই খেলে, এখানেই ঘুমায়, এখানেই পড়াশোনা করে…
যতক্ষণ restaurant খোলা থাকে, পুরো পরিবার এখানেই থাকে।
চীনের হোলসেল মার্কেটগুলোতে এলে, বিশেষ করে যে দোকানগুলো মালিকরা নিজেরাই চালান, সেগুলোর প্রায় সবগুলোতেই মোটামুটি একই অবস্থা দেখতে পারবেন।
আমাদের দেশে বাবা-মায়েরা ছোটবেলা থেকেই বাচ্চাদের ব্যবসা থেকে দূরে রাখেন। পড়াশোনায় পুরো মনোযোগ রাখার চেষ্টা করেন।
অনেক বড় ব্যবসা না হলে, বাবা-মায়েরা সাধারণত নিজেদের ব্যবসা ছেলেমেয়েদের দেন না, অথবা চান না ছেলেমেয়েরাও একই ব্যবসা করুক।
তাঁরা চাকরি করতে বলেন, বিদেশে যেতে বলেন, আরও অনেক কিছু।
তবে ছোট থেকেই ফ্যামিলি বিজনেসে যুক্ত হলে হয়তো পরিস্থিতিটা ভিন্ন হতে পারত। পড়াশোনার পাশাপাশি ব্যবসার হাতে-কলমে অভিজ্ঞতা হয়ে যেত। গ্র্যাজুয়েশন করতে করতে দেখা যেত, ব্যবসায় ৮–১০ বছরের অভিজ্ঞতা হয়ে গেছে।
আর সেই শেখাটা অনেকভাবেই কাজে লাগত - হয় নিজের ব্যবসায়, অথবা ফ্যামিলি বিজনেস এক্সপেনশনে, কিংবা চাকরিতে।
চাইনীজরা হয়তো এ জন্যই এত উন্নত। সমস্যা সমাধানে, নতুন নতুন উদ্ভাবনে সবচেয়ে এগিয়ে। পুরো বিশ্বে প্রোডাক্ট সাপ্লাই করছে, ব্যবসায় আধিপত্য বিস্তার করছে।
বাচ্চারা ছোট থেকেই ব্যবসার পরিবেশে বড় হচ্ছে। শিখছে, টাকার মূল্য বুঝতে পারছে। ক্যারিয়ারমুখী হচ্ছে।
এই রেস্টুরেন্টটা আমাদের হোটেলের পাশেই। পুরো পরিবার মিলে রেস্টুরেন্ট চালাচ্ছে। পরিবারের সবচেয়ে ছোট সদস্যটিও কাস্টমারদের অর্ডার নিচ্ছে, ঝাড়ু দিচ্ছে।
আর সেই ছোট সদস্যটির বয়স এখন বড়জোর ৮–১০ বছর হবে।
এটার আরেকটা দিকও আছে। এই ব্যবসাগুলো যাঁরা চালান, তাঁরা কর্মচারী রাখার চেয়ে পরিবারের সদস্যদের দিয়েই কাজ করান। এতে ঘরের টাকা ঘরেই থাকে।
হয়তো কর্মচারী রাখলে খরচ বেশি হতো, লাভ কমে যেত। তাই পরিবারের সদস্যরাই সব দায়িত্ব নিয়েছেন।