X O Y

X O Y Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from X O Y, Business consultant, Paradise Khadeem Nibash 8 Chamelibagh Shantinagor, Dhaka.

As a consultant of business devlopment & information technology advise on, plan, design and install information technology systems to build proper structures in the IT industry.

27/05/2026
24/11/2025

বাংলাদেশের কর্পোরেট দুনিয়ায় আপনি যতই ট্যালেন্টেড হন, যতই কাজ জানুন —যদি আপনি “পলিটিক্স” না জানেন, তাহলে এক সময় বুঝবেন,আপনার জায়গাটা কেউ “Relationship” দিয়ে দখল করে নিয়েছে!
এই বাস্তবতাই আজ কর্পোরেট বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সত্যি —Talent হারায়, কিন্তু Team Politics জিতে যায়।

১️।“Work Hard” নয়, “Play Smart” কালচার
অনেকেই ভাবে কর্পোরেটে সফল হতে হলে শুধু কাজ জানলেই হবে। কিন্তু বাস্তবে অফিসের খেলাটা অন্যরকম। এখানে “Who you know” অনেক সময় “What you know” এর চেয়েও বড়! আপনি প্রেজেন্টেশন দারুণ করলেন, কিন্তু পাশের টিম মেম্বার শুধু বসের সাথে ভালো সম্পর্ক রাখলেই Promotion লিস্টে তার নাম আগে চলে আসে।

★ Harvard Business Review (2023) এর এক রিপোর্ট অনুযায়ী, “In South Asian workplaces, 67% promotions are influenced by internal politics, not just performance.”

২️। Individual Talent যতই উজ্জ্বল হোক, Team Dynamics সবকিছু পাল্টে দেয় Corporate world এমন এক জায়গা যেখানে আপনি যতই Brilliance দেখান,যদি টিমের কারো Ego hurt হয় —তাহলে আপনার প্রতি Support ধীরে ধীরে অদৃশ্য হয়ে যাবে।
★ আপনি ভুল ধরলে “Negative”
★ সঠিক পরামর্শ দিলে “Smart Aleck”
★ বেশি কাজ করলে “Show Off”
★ কম বললে “Silent Worker”

অর্থাৎ, আপনি যেভাবেই চলুন না কেন,
Politics-free zone বলে কিছু নেই!

৩️। Corporate Bangladesh: যেখানে Politics কে বলা হয় “Team Coordination” বাংলাদেশের অনেক কর্পোরেট অফিসে “Teamwork” নামে যা চলে,
তা আসলে Influence Game!
যে বেশি মিষ্টি কথা বলতে জানে,
যে বেশি “Sir” বলতে পারে,
যে বসের decision চ্যালেঞ্জ করে না —
তারাই টিকে যায়, তারাই “Culture Fit”!

অন্যদিকে, যে মানুষটা সত্যিই ট্যালেন্টেড, নতুন আইডিয়া দেয়, তাকে বলা হয় “Too aggressive”, “Doesn’t understand hierarchy”!

৪️। বাস্তব উদাহরণ, একজন ব্রিলিয়ান্ট মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ নতুন ক্যাম্পেইনের আইডিয়া দিলেন — ডেটা-বেসড, প্রফেশনাল, ইনোভেটিভ।কিন্তু সিনিয়র টিম মেম্বারদের কারও সাথে তার ভালো সম্পর্ক ছিল না।
ফলাফল? আইডিয়াটা “Rejected” হলো “Not aligned with team strategy” বলে। কয়েক সপ্তাহ পর সেই একই আইডিয়া বসের প্রিয় টিম মেম্বার তুলে ধরল, আর সেটা “Approved”! এটাই হলো কর্পোরেট রিয়েলিটি আইডিয়া নয়, আইডিয়া কার মুখ থেকে আসছে সেটাই মেইন ফ্যাক্টর।

৫️। মানসিক প্রভাব: এই পলিটিক্যাল কালচারে অনেক ট্যালেন্টেড মানুষ ধীরে ধীরে Demotivated হয়ে পড়ে, Creativity হারিয়ে ফেলে। কারণ তারা বুঝে যায় —
Corporate success is not just about Performance, it’s about Perception.

★ Bangladesh Employee Sentiment Survey (2024) অনুযায়ী, ৭৬% কর্পোরেট কর্মী বিশ্বাস করেন “Internal Politics” তাদের ক্যারিয়ার গ্রোথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
এবং ৬১% বলেন “Hard work is less valued than good connections.”

বাংলাদেশের কর্পোরেট দুনিয়ায় Talent alone doesn’t win — Strategy does. আপনি যদি শুধু কাজ জানেন,
তাহলে হয়তো আপনি ভালো কর্মী; কিন্তু আপনি যদি সম্পর্ক, যোগাযোগ আর Emotional Intelligence জানেন,তাহলে আপনি সত্যিকারের Corporate Player!
“In corporate life, performance makes you visible, but politics decides if you’ll survive.”

"কর্পোরেট পলিটিক্স—একটি প্রতিষ্ঠানের অদৃশ্য শত্রু" -প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে লক্ষ্য থাকে উন্নতি, উদ্ভাবন আর টিমওয়ার্ক। কিন্তু...
28/08/2025

"কর্পোরেট পলিটিক্স—একটি প্রতিষ্ঠানের অদৃশ্য শত্রু" -

প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে লক্ষ্য থাকে উন্নতি, উদ্ভাবন আর টিমওয়ার্ক। কিন্তু অনেক সময় এই তিনটি জিনিসকে ধ্বংস করে দেয় এক অদৃশ্য শত্রু—কর্পোরেট পলিটিক্স। কর্পোরেট পলিটিক্স—একটি প্রতিষ্ঠানের অদৃশ্য শত্রু। বাইরে থেকে হয়তো কোনো কোম্পানি সাফল্যের আলোয় ঝলমল করে, কিন্তু ভেতরে ভেতরে যখন স্বার্থের দ্বন্দ্ব, গোষ্ঠীবাজি আর ক্ষমতার লড়াই শুরু হয়—তখন সেই ঝলক ধীরে ধীরে ম্লান হয়ে যায়। সম্পর্ক আর রাজনীতি যখন যোগ্যতা ও কর্মদক্ষতার ওপর ছাপিয়ে যায়, তখন ভেঙে পড়ে দলগত সমন্বয়, প্রতিভাবান কর্মীরা হারিয়ে ফেলে প্রেরণা, আর কর্মপরিবেশ ভরে ওঠে অবিশ্বাস ও নেতিবাচকতায়। এভাবে অদৃশ্য ক্ষয় ভেতর থেকে ধ্বংস করে দেয় প্রকৃত উন্নয়নকে।
তবুও মনে রাখতে হবে—প্রতিটি সংকটের মধ্যেই পরিবর্তনের সম্ভাবনা লুকিয়ে থাকে। প্রতিষ্ঠান যদি স্বচ্ছতা, সততা ও সহযোগিতাকে সামনে আনে, তবে রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব নয়, বরং মেধা ও কর্মদক্ষতাই হবে সাফল্যের আসল মানদণ্ড। টেকসই উন্নতির পথ খুলবে তখনই, যখন প্রতিষ্ঠানে গড়ে উঠবে একটি ন্যায়সঙ্গত, স্বচ্ছ এবং পারফরম্যান্সভিত্তিক সংস্কৃতি।

কেন এটাকে অদৃশ্য শত্রু বলা হয়?
কারণ এটা কখনও সরাসরি সামনে আসে না—বরং ভেতরে ভেতরে নীরবে ক্ষয় করে।
🔹 টিমের মধ্যে বিশ্বাস নষ্ট করে।
🔹 প্রতিভার বদলে তোষামোদের দাম বাড়ায়।
🔹 সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করে ব্যক্তিগত স্বার্থে।
🔹 প্রতিষ্ঠানের গতিকে ধীর করে দেয়।

এর ভয়াবহ প্রভাব:
• সেরা ট্যালেন্টরা হতাশ হয়ে প্রতিষ্ঠান ছেড়ে যায়।
• মাঝারি মানের লোকেরা উপরে উঠে আসে—কারণ তারা রাজনীতি করতে জানে।
• ইনোভেশন ও পারফরম্যান্স জায়গা হারায়—প্রতিষ্ঠান ধীরে ধীরে পিছিয়ে পড়ে।

একজন সৎ কর্মীর সবচেয়ে বড় শক্তি হলো তার কাজ। সেই কাজই শেষ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলে, আনে প্রকৃত সম্মান। তাই আমাদের বেছে নিতে হবে রাজনীতির বিভাজন নয়, বরং যোগ্যতার শক্তি; গোষ্ঠীবাজির অন্ধকার নয়, বরং সহযোগিতার আলো। কারণ আসল বিজয়ী কখনও একক ব্যক্তি নয়—বরং সেই দল, যারা একসাথে লড়ে সাফল্যকে নিজেদের হাতেই তৈরি করে।

Collected **

06/08/2025

এই কথাগুলো দয়া করে আপনার হৃদয় আর মস্তিষ্কের নরম কোণায় ফেভিকলের মতো আটকে রাখুন।

এই দুনিয়া এখন ভণ্ড বিচারকদের দিয়ে ভর্তি হয়ে যাচ্ছে।
আজকাল টাকাই হয়ে উঠেছে জীবনের প্রধান চালিকাশক্তি — এতটাই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে যে মানুষ নিজের রক্তের সম্পর্ক পর্যন্ত ভুলে যাচ্ছে। 🤔
এক টুকরো কাগজ (টাকা বা সম্পত্তির কাগজ) আজকের দিনে মানুষের কাছে রক্তের চেয়েও বেশি মূল্যবান হয়ে উঠেছে… 🤑

“টাকাই সব নয়” —এ কথা বলা যতটা সহজ, বাস্তবে তা মানা ততটাই কঠিন। এই সমাজে টাকা ছাড়া কোনো মানুষের অস্তিত্বই যেন স্বীকৃত নয়…...
21/05/2025

“টাকাই সব নয়” —এ কথা বলা যতটা সহজ, বাস্তবে তা মানা ততটাই কঠিন। এই সমাজে টাকা ছাড়া কোনো মানুষের অস্তিত্বই যেন স্বীকৃত নয়…!!

যার হাতে টাকা নেই, তার কণ্ঠস্বর শোনা হয় না, তার দুঃখ-ব্যথা অনুভব করা হয় না। একজন মানুষ যখন অর্থহীন হয়ে পড়ে, তখন শুধু তার প্রয়োজনগুলোই অপূর্ণ থাকে না—সাথে সাথে সমাজ তার উপর ছুঁড়ে দেয় অবহেলার, অবজ্ঞার আর অপমানের তীক্ষ্ণ বাক্য।

টাকা না থাকলে—
তুমি এক ফোটা ওষুধ কিনতে পারবে না,
তোমার সন্তানের মুখে এক টুকরো হাসি ফোটাতে পারবে না,
তোমার মা-বাবার শেষ বয়সে চিকিৎসাটুকু করাতে পারবে না।

সত্যিটা নির্মম—অনেক বাবা-মা শুধুমাত্র গরিব থাকার কারণে বিনা চিকিৎসায় পৃথিবী ছেড়ে চলে যান। অনেক সন্তান নিজের স্বপ্ন ছুঁতে না পেরে ভেঙে পড়ে, থেমে যায়, কেবল টাকার অভাবে।

টাকা না থাকলে—
তুমি যতই ভালো ব্যবহার করো না কেন, কেউ মূল্য দেবে না। তুমি যতই সম্পর্ক ধরে রাখতে চাও, এক সময় সম্পর্কও তোমাকে ছেড়ে চলে যাবে।

এই সমাজ কেবল তখনই তোমাকে আপন ভাবে, যখন তোমার হাতে কিছু থাকে। আর যদি না থাকে? তখন তুমি তাদের চোখে শুধু একটা ‘বোঝা’।

টাকা ছাড়া—
না হয় ভালোবাসা কেনা যায় না, কিন্তু ভালোবাসার মানুষটাকে পাশে রাখতে হলেও টাকা লাগে। টাকা না থাকলে, সময়ের সঙ্গে সবাই দূরে সরে যায়…
কারণ এই সমাজ কেবল স্বপ্ন দেখে,
কেউ স্বপ্ন পূরণের দায় নেয় না।

কেউ যদি ভাবে, কিছু মানুষ কেবল টাকার পেছনে ছোটে—তবে তারা বোঝে না, যারা টাকার পেছনে ছোটে, তারা জানে অভাবের কষ্ট কতটা গভীর, তারা জানে সন্তানের মুখে দুমুঠো হাসি ফোটাতে কতটা যন্ত্রণা সহ্য করতে হয়, তারা জানে জীবনের প্রতিটা মুহূর্তে নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে কতটা যুদ্ধ করতে হয়।

টাকাই কি সব? না, হয়তো নয়।
কিন্তু টাকাই সেই ভিত্তি, যার ওপর দাঁড়িয়ে থাকে জীবন, দায়িত্ব, সম্পর্ক, স্বপ্ন আর আত্মসম্মান। যারা বলে টাকা দিয়ে সুখ কেনা যায় না, তাদের বোঝা উচিত— সুখ যদি না-ও কেনা যায়, সুখে বাঁচার রাস্তাটা কিন্তু টাকা দিয়েই তৈরি হয়।

আর সব থেকে বড় কথা দুবেলা দুমুঠো খাবার যোগাড় করার জন্যও কিন্তু ওই টাকাটাই প্রয়োজন।

তাই জীবনকে ছোট মনে কোরো না। টাকাকে ঘৃণা নয়—সৎভাবে উপার্জনের মানসিকতা গড়ে তুলো। বুদ্ধি, ব্যবহার, ভালোবাসা সবকিছুর পাশাপাশি টাকাও প্রয়োজন—

কারণ জীবন শুধু আবেগ দিয়ে চলে না, চলে প্রয়োজন পূরণের সক্ষমতা দিয়ে। আর সেই সক্ষমতার নামই “টাকা”।

সংগৃহীত

19/05/2025

🇧🇩 সেনাবাহিনীতে উত্তেজনা: নেতৃত্ব পরিবর্তনের গুঞ্জন ও গভীর আস্থার সংকট

১৯ মে, ২০২৫

আগামী ২০ মে সেনাবাহিনী সদর দপ্তরে এক প্রতীকী ও তাৎপর্যপূর্ণ ভাষণ দিতে যাচ্ছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান, জেনারেল ওয়াকার উজ জামান। বিশেষভাবে লক্ষণীয়, তিনি তার এই ভাষণে অংশ নেবেন পূর্ণ যুদ্ধ পোশাকে—একটি এমন দৃশ্য যা সাধারণত শান্তিপূর্ণ সময়ে দেখা যায় না। এই প্রতীকী উপস্থিতি ইঙ্গিত দিচ্ছে, দেশের সামরিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে যে অস্বাভাবিক উত্তেজনা বিরাজ করছে, সেটি আর গোপন কিছু নয়।



🔥 অন্তর্দ্বন্দ্বের সূত্রপাত: ওয়াকার বনাম কামরুল?

সেনাবাহিনী ও রাজনৈতিক মহলে ভেসে বেড়াচ্ছে একটি অস্বস্তিকর গুঞ্জন—তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পক্ষ থেকে জেনারেল ওয়াকারকে সরিয়ে লেফটেন্যান্ট জেনারেল কামরুল হাসানকে সেনাপ্রধান হিসেবে বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কামরুল হাসানের সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসনের সঙ্গে বৈঠক—যা প্রচলিত সামরিক রীতিনীতি ভঙ্গ করে হয়েছে—সিনিয়র সেনা কর্মকর্তাদের মধ্যে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।

বিশ্বস্ত সূত্র জানাচ্ছে, সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ জামান এই সম্ভাব্য ‘বাইপাস অপারেশন’ নিয়ে বেশ ক্ষুব্ধ, এবং পরিস্থিতি ক্রমেই স্পষ্ট করছে যে সেনাবাহিনীর মধ্যে ঐক্য ও কমান্ডের প্রতি আস্থার ঘাটতি তৈরি হয়েছে।



🩸 পুরোনো ক্ষত, নতুন রক্তপাত?

এই সংকট আরও ঘনীভূত হয়েছে যখন জানা গেছে, সরকার চুপিসারে ২০০৯ সালের বিডিআর বিদ্রোহে দণ্ডপ্রাপ্ত বেশ কয়েকজন সদস্যকে মুক্তি দিয়েছে। ওই বিদ্রোহে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা নির্মমভাবে নিহত হন—যা ছিল একটি জাতিগত ট্র্যাজেডি এবং সেনাবাহিনীর ইতিহাসে সবচেয়ে বেদনাদায়ক অধ্যায়।

অনেক সেনা কর্মকর্তা মনে করছেন, এই মুক্তির সিদ্ধান্ত শুধু সেনাবাহিনীর প্রতি অবমাননাকর নয়, বরং এটি নিরাপত্তা ও ন্যায়ের প্রশ্নে একটি মারাত্মক বার্তা দেয়।



🛑 সংকেত কী বলছে?

বর্তমান পরিস্থিতি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—যে কোনো প্রতিষ্ঠানের ভিত তখনই দুর্বল হয়, যখন নেতৃত্ব ও আস্থার সংকট একসঙ্গে দেখা দেয়। সেনাপ্রধানের যুদ্ধ পোশাক হয়তো একটি সতর্কবার্তা, একটি প্রতীকী প্রতিবাদ—অথবা, সম্ভাব্য সংঘাতের পূর্বাভাস।

যে প্রশ্নটি এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলাদেশ কি আরও একবার এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে?

প্রায় ১৬কোটি মুসলমান  যদি সর্বনিম্ন পন‍্য একটি করে ২ টাকার শ‍্যাম্পু কিনে তাহলে  ৩২ কোটি হয়।আমারা যদি একটি ২টাকার শ‍্যাম...
07/04/2025

প্রায় ১৬কোটি মুসলমান যদি সর্বনিম্ন পন‍্য একটি করে ২ টাকার শ‍্যাম্পু কিনে তাহলে ৩২ কোটি হয়।
আমারা যদি একটি ২টাকার শ‍্যাম্পু ও বয়কট করতে পারি তাহলে প্রায় ৩২ কোটি টাকা আমরা ই*স*রা*ই*লে পাঠানো থেকে বিরত থাকতে পারবো।

মনে রাখবেন, ই*হু*দি*দে*র একেটি পন‍্য আছে মানে আপনি আপনার ভাই-বোনদের রক্ত-মাংশ খাচ্ছেন।

একটা বিষয় খেয়াল আমরা যেন আমাদের টাকা দিয়ে আমাদের ভাই-বোনদের র*ক্ত মাংশ কিনে না খায়।

আসুন এখনি বয়কট করি।
এখন না তো আর কখনো না।

সবাই পোষ্ট টি শেয়ার করে দিন।

ছেলের বিয়ে হয়ে গেলে ছেলে আর নিজের থাকেনা, বউয়ের হয়ে যায়, কিন্তু মেয়ের বিয়ে হয়ে গেলেও মেয়ে কোনোদিন পর হয়না। এই কথাটা অনেক...
03/04/2025

ছেলের বিয়ে হয়ে গেলে ছেলে আর নিজের থাকেনা, বউয়ের হয়ে যায়, কিন্তু মেয়ের বিয়ে হয়ে গেলেও মেয়ে কোনোদিন পর হয়না। এই কথাটা অনেকেই বলেন,বকিন্তু একটু ভেবে বলুনতো কথাটা কি ঠিক?

আসলে কী জানেন, আপনি যদি মেয়েকে কিছু দেন তাহলে আপনি মেয়ের কাছ থেকে রিটার্ন কিছু চাননা বা আশা করেননা, মেয়ে সুখে থাকলেই আপনি সুখি, আপনি কখনও এটা তুলনা করেননা যে, আপনার মেয়ে আপনার চেয়ে কত ভালো বা সুখে আছে, আপনার মেয়ে যদি আপনার চেয়ে ১০ গুন সুখে থাকে, ভালো থাকে আপনি সেটা দেখে ১০ গুন খুশি হন, আপনার মেয়ের জীবনে সমস্যা আসলে সেটাকে নিজের সমস্যা মনে করেন, মেয়ে সুখি না হলে আপনিও দুঃখি হন,
সামর্থের বাইরে গিয়েও মেয়েকে, জামাইকে সাহায্য করেন, বিপদে পাশে দাঁড়ান।

অন্যদিকে ছেলের পিছনে যত খরচা করেন আর ভাবেন যে একটা সময় ছেলে এর বিনিময়ে কিছু দেবে, অনেক সময় দাবীও করেন, মনেও করিয়ে দেন যে তোর পিছে এতো খরচা করেছি।

ছেলের বিয়ে দিয়ে ছেলেকে পর ভাবতে শুরু করেন। ছেলে বিয়ে করলে বাবা মায়েদের ছেলের প্রতি একটা এমন মানসিকতা হয় যে, মনে মনে ভেবে নেয় যে, বিয়ে করেছিস তোর সমস্যা তোর, তোকেই এর সমাধান করতে হবে, বিয়ে করেছিস তোকে কোন সাহায্য করতে পারবোনা, পারলেও সাহায্য করেনা, অন্যদিকে মেয়েকে সাহায্য করার জন্য রেডি থাকে, সামর্থের বাইরে গিয়েও করে। ছেলে বউ কতটা সুখে আছে এটা নিজেদের সঙ্গে তুলনা করে, ছেলের বিবাহিত জীবনে সুখ কতজন সহ্য করতে পারে। ছেলের বিপদে ছেলেকে একা করেন কিন্তু ছেলের বেশি সুখ হলে আবার তার ভাগ চান।

আসলে মেয়ের কাছ থেকে কিছু আশা করেননা, কোন দায়িত্ব আরোপ করেননা, তাই মেয়ে যদি ৫% ও কিছু দেয় আপনি ভাবেন মেয়ে আমাদের কথা অনেক ভাবে আর এদিকে ছেলের উপর ১০০% দায়িত্ব, অনেক কিছু আশা করেন, এখন ছেলে সেটা দিতে না পারলে অথবা ৭০-৮০ % দায়িত্ব পালন করতে পারলেও যেটুকু পারছেননা সেটুকু ভেবেই ভাবেন যে ছেলে অনেক খা'রা'প।

মেয়ের পড়াশোনার পর বিয়েতে ১০ লক্ষ টাকা দিতে হলেও কি মেয়েকে পরে বলে তোর জন্য এতো খরচা করেছি, ছেলেকে পড়াশোনার পর ব্যবসা করতে ২ লক্ষ টাকা দিলেও মনে করিয়ে দেয় যে ব্যবসা করতে এতো দিয়েছিলাম, চাকরি পেলেও বলে এতো খরচা করে পড়াশোনা করিয়েছি। তো মেয়ের বিয়েতে যত খরচ করে, শখ আহ্লাদ করে, ছেলের বিয়েতে কি অতটা খরচ শখ আহ্লাদ করে?!

আচ্ছা বলেন তো মেয়ে-জামাইকে যতটা সম্মান, গুরুত্ব ভালোবাসা দেয় ছেলে-বউকেও কি এতটা সম্মান, গুরুত্ব ভালোবাসা দেয়? মেয়ের বাচ্চাদের যতটা ভালোবাসে, ছেলের বাচ্চাদের কি অতটা ভালোবাসে?

আসলে ছেলের সঙ্গে বাবা মায়ের সম্পর্কে
একটা বড়ো স্বার্থ থাকে!
#জীবন_চক্র

Address

Paradise Khadeem Nibash 8 Chamelibagh Shantinagor
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when X O Y posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to X O Y:

Share