20/09/2021
মজিদ সাহেবের সাথে রাহাত মিয়ার বেশ ঝগড়া। দা কুমড়া সম্পর্ক বললেই চলে। দুইজনেরই বড় দোকান আছে বাজারে। যে যার মত নিজেদের গোডাউনে চাল রাখেন। একদিন মজিদ সাহেবের মাথায় হাত। কাল রাতে দোকানে আগুন লেগে গেছে। হায়! কিভাবে লাগল? তাঁর দোকানে ক্যামেরা ছিল। ক্যামেরায় দেখলেন কয়েকজন লোক রাতে তেল ঢেলে দোকানে আগুন দিয়ে গেছে। পুলিশে খবর দিলেন তিনি। কিছুদিন পরে তদন্ত শেষে জেলে গেলেন রাহাত সাহেব আর তাঁর সাঙ্গপাঙ্গরা। কিভাবে সম্ভব হল রাহাত সাহেবকে ধরা?
মজিদ সাহেবকে এবারের মত বাচিয়ে দিল একটা ক্যামেরা। সার্ভাইল্যান্স ক্যামেরা। সার্ভাইল্যান্স ক্যামেরাকে সিসিটিভি ক্যামেরার সাথে তুলনা করা যায়। তবে সিসিটিভি ক্যামেরা আইপি নেটওয়ার্কে যুক্ত না থাকায় খুব দূরের জায়গা থেকে নজরদারি চালানো যায় না। সার্ভাইল্যান্স ক্যামেরার সুবিধা এখানেই। হাজার মেইল দূরে বসে দেখতে পারবেন বাড়ির পাশে কি হচ্ছে।
এখন আবার এসেছে মোশন ডিটেক্টর সার্ভাইল্যান্স ক্যামেরা। ক্যামেরার সামনে কেউ নড়াচড়া করলেই ক্যামেরায় রেকর্ড হতে শুরু করবে সবকিছু। এলাকায় চোর আসতেই পারে। তবে নিশ্চিত থাকেন, ক্যামেরায় ধরা না পরে চোর পালাতে পারবে না।
চাকুরিজীবী অনেক মা আছেন, অফিসে বাচ্চা নিয়ে যেতে পারেন না। সারাদিন অফিসে থাকেন। এসময় বাচ্চার সাথে থাকে কাজের বুয়া। প্রায় সময় দেখা যায় কাজের বুয়ারা খুব একটা বিশ্বস্ত হয় না। তাছাড়াও, বাইরের একটা মানুষকে খুব একটা বিশ্বাসও নিশ্চয়ই করা যায় না। অনেক সময় পেপার কিংবা টিভিতে কাজের লোকের হাতে গৃহকর্মী খুন এমন খবর দেখে বিশ্বাস যায় আরো কমে। চিন্তা নেই আপনার। সার্ভাইল্যান্স ক্যামেরা দিয়ে আপনি অফিসে বসেই দেখতে পারবেন ঘরে কি হচ্ছে। কাজের বুয়া ঠিক মত বাচ্চার দিকে খেয়াল রাখছে? ঠিক মত খাওয়াচ্ছে নাকি টিভি আর মোবাইল নিয়ে পড়ে আছে।
বৃদ্ধ বাবা মাকে নিয়েও অনেকের থাকে দুশ্চিন্তা। বিশেষত যাদের ঘরে থাকার মত কেউ নেই আর বাবা কিংবা মায়ের যেকোনো একজন মারা গেছেন। সারাদিন অফিসে থাকতে হয় বলে দূশ্চিন্তা বাড়ে আরো বেশি। আহা! হঠাৎ স্ট্রোক কিংবা হার্ট ফেইলের মত কিছু হয় গেলে আপনি জানতেও পারবেন না। অফিস থেকে যেতে যেতে বড্ড বেশি দেরি। হাসপাতালে নিয়ে বাঁচে কি মারা যান তা নিয়ে ভয়। যদি একটু আগে হাসপাতালে ভর্তি করতে পারতেন! তাহলে বোধহয় বেঁচে থাকার সম্ভাবনা আরো বেশি থাকত। এমন ধরনের দূশ্চিন্তায় যারা থাকেন, তারা ব্যবহার করতে পারেন সার্ভাইল্যান্স ক্যামেরা। বাসায় নজর রাখতে পারবেন আপনি অফিসে থাকলেও। কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে সাথে সাথে জানাতে পারবেন এম্বুলেন্সকে কিংবা নিয়ে যেতে পারবেন হাসপাতালে। ফলে অসুস্থ মানুষের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে। আর আপনার দূর্ভাবনা কমানোর ফলে কাজ করতে পারবেন পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে। অফিসে বসের গালাগালিও শুনতে হবে কম। মনোযোগ ধরে রাখতে পারার কারণে বাড়বে কর্মক্ষমতা।
চুরি ডাকাতি রাতে বেশ বেড়ে যায়। এসব ক্যামেরায় আছে নাইট ভিশন। যার ফলে দেখতে পাবেন রাতের বেলাতেও। কেউ চুরি ডাকাতির চেস্টা করলে ধরা পরবেই। বাসার যে কোনো অপৃতিকর ঘটনা রেকর্ড হয়ে থাকবে ৯০ দিনের চেয়েও বেশি।
সার্ভাইল্যান্স ক্যামেরা চারপাশ দেখার জন্য এত বেশি উপর্যুক্ত যে আমেরিকার বেশিরভাগ শহরে পথঘাটের নজরদারিতে একে ব্যবহার করা হচ্ছে। ব্যবহার করা হচ্ছে যুদ্ধ ক্ষেত্রেও। বাড়ির আশে পাশে কেউ চুরি ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে বা বাসার সামনের রাস্তার মিছিলে ভাংচুর? সাথে সাথে দেখা যাচ্ছে মনিটরে আর আপনা হাতে ধরে থাকা মোবাইলে।
ক্যামেরা লাগালে বিদ্যুৎ খরচ নিয়ে চিন্তা করছেন? চিন্তার কিছু নেই। খুব কম বিদ্যুৎ লাগে এই ক্যামেরার। মাত্র ৪ থেকে ১৫ ওয়াট।
তো আর দেরি কেন? এক্ষুনি নিচে দেওয়া লিংক থেকে দেখে নিন খুবই ভালো মানের একটি সার্ভাইল্যান্স ক্যামেরা। আর থাকুন নিশ্চিন্তে।
https://pinzira.com/product/ranger-2c-ipc-ta22cp-b-night-vision-full-hd-cc-camera-obagu