Alo Construction & Consultant BD.

Alo Construction & Consultant BD. The most trusted name in consulting industry has kicked off its services in 2019. Since started, ACC

Unity Tower
08/05/2024

Unity Tower

20/03/2024

রোজার শেষ দিকে বাংলাদেশের কওমী মাদ্রাসাগুলোতে এক করুন দৃশ্য দেখা যায়। সাধারণত ২৫ রোজা থেকে মাদ্রাসা গুলো ছুটি হতে থাকে। বেশিরভাগ ছাত্র ছাত্রীর অভিভাবক এসে বাচ্চাদেরকে বাসায় নিয়ে যায়। কিন্তু একদল বাচ্চাকে নিতে কেউ আসে না। এদের কারো বাবা-মা নেই, কারো বাবা নেই মায়ের অন্যত্র বিয়ে হয়ে গেছে। অনেকের মা নেই, বাবা বাচ্চার খোজ রাখে না। খুব বেশি ভাগ্যবান হলে কারো কারো মামা খালা চাচা এসে কাউকে কাউকে নিয়ে যায়। বাকীরা সারাদিন কান্না করে। তারা জানে তাদেরকে কেউ নিতে আসবে না। তারা সারা বছর কাঁদে না। কিন্তু যখন সহপাঠীদেরকে সবাই বাসায় নিয়ে যায় অথচ তাদেরকে কেউ নিতে আসে না তখন তাদের দুঃখ শুরু হয়ে যায়। মৃত মা বাবার উপর তাদের অভিমান সৃষ্টি হয়- কেন তারা তাদেরকে দুনিয়ায় রেখে এই বয়সে মারা গেল? তারা কি আর কিছুটা দিন বেঁচে থাকতে পারত না? মা বাবা বেঁচে নাই তো কী হইছে? মামা চাচারা কেউ তাদেরকে নিতে আসল না কেন? মা বেচে থাকতে মামারা কত আদর করত! বাবা বেঁচে থাকতে চাচারা কত আদর করত! এই বয়সেই তারা দুনিয়ার একটা নিষ্ঠুর চেহারা দেখেছে।
একটা অনুরোধ - এই ঈদে আপনার কাছাকাছি এতিমখানায় যান। কয়জন বাচ্চা ঈদে বাড়ি যায় নি খোজ নিন। তাদের জন্য আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী যা পারেন তা নিয়ে যান। এই গরমে তাদের আইসক্রিম খাওয়াতে পারেন। নিদেন পক্ষে একটা চকলেট খাওয়ান। মনে রাখবেন, আজ আপনি বেঁচে না থাকলে আপনার ছোট সন্তান এতিম হয়ে যাবে!
আমি ইনশাআল্লাহ চেষ্টা করব যদি আল্লাহ্ সহায়ক হয়
(সংগৃহীত)

12/02/2024

Topics: বেসিক সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং [Brick Work বা ইটের গাথুনি]। ★টাইমলানে রেখে দিন★
একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের জন্য অন্যান্য সাধারণ কাজগুলোর মধ্যে ব্রিক ওর্য়াক হচ্ছে অন্যতম একটি। আমাদের দেশে আমরা সাধারণত দুই ধরনের ব্রিক ওয়ার্ক করে থাকি। দুইটা নিয়েই বিস্তারিত আলোচনা থাকবে।

✅ Ordinary Brick Work:
যা আমাদের দেশে সবচেয়ে বেশি প্রচলিত, এই ধরনের কাজে ইট দিয়ে গাথুনি তৈরির পর গাথুনি পৃষ্ঠকে ড্যাম্প ও আবহাওয়ার ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা এবং সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য প্লাস্টার দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়।

✅ Pointing Brick Work:
যেখানে ব্রিক ওয়ালের জয়েন্টগুলোর সৌন্দর্য প্রদর্শনের জন্য ইহার উপরে কোন আস্তর বা প্লাস্টার প্রদান করা হয়না, গাথুনি পরবর্তীতে জয়েন্টগুলোকে পয়েন্টিং করে দেওয়া হয়। পয়েন্টিং ব্রিক ওয়ার্ক সচরাচর ১০ ইঞ্চির হয়ে থাকে।

✅ ব্রিক ওয়ালের প্রকারভেদ:
বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন ধরনের ব্রিক ওয়াল প্রচলিত হয়েছে, তন্মধ্যে আমাদের দেশে মূলতঃ দুই ধরনের ব্রিক ওয়ালের বেশি প্রচলন রয়েছে;

☑️ Stretcher Bond:
যা আমাদের দেশে ৫” ব্রিক ওয়াল নামে পরিচিত, ইহা পার্টিশন ওয়াল, ইন্টারনাল বা এক্সটার্নাল উভয় ক্ষেত্রেই হয়ে থাকে।

☑️ English Bond:
যা ১০ “ ব্রিক ওয়াল নামে পরিচিত, সচরাচর ইহা বহি:স্থ বা আউটার দেওয়াল হিসেবে প্রদান করা হয়।

✅ এ ছাড়াও যেসব ব্রিক ওয়াল হয়ে থাকে:
ফ্লেমিশ বন্ড, হেডার বন্ড, ফেসিং বন্ড, রেকিং বন্ড, হেরিং বোন বন্ড, জিকজ্যাক বন্ড, Stack Bond, Dutch Bond ইত্যাদি।
……………………………………………………………….......
তো চলুন জেনে নেওয়া যাক গাথুনির কাজ শুরুর পূর্বেই আমাদেকে যা যা করতে হবে:-

🔺 ইট ভিজানো:
ইটকে ভালভাবে ভিজাতে হবে এবং কাজ শুরুর ২৪ ঘন্টা পূর্বে পানি থেকে তুলে ফেলতে হবে। মনে রাখবেন ইট যদি শুষ্ক থাকে তবে সিমেন্ট মসলার পানি শুষে নিবে, ফলশ্রুতিতে পানির অভাবে সিমেন্টের হাইড্রেশন ক্রিয়া ব্যহত হবে, যার দরুন গাথুনি দূর্বল হবে। একই ভাবে ইটের মধ্যে অত্যাধিক পানি থাকার কারণে যা হতে পারে;

☑️ সিমেন্ট মসলা নরম হয়ে জয়েন্ট থেকে ইটের গা বেয়ে পড়ে যাবে। যার দরুন জয়েন্টের মসলার পুরুত্ব খুবই কম থাকবে।
☑️ গাথুনি ভার্টিক্যালি শল আউটের প্রবল সম্ভাবনা থাকবে।
☑️ মিস্ত্রি কাজ করতে অনীহা প্রকাশ করবে, সাধারণত অত্যাধিক ভিজা ইটের কারণে তাদের হাতের স্কিন ক্ষয় হয়ে যায়।

🔺 বালি চালা এবং ভিজানো:
যদিও সময় এবং আর্থিক দিক বিবেচনা করে সচরাচর আমরা এই দুটো কাজ করিনা, তবে উত্তম কোয়ালিটি পেতে হলে বালিকেও ইটের মত ভিজিয়ে নিতে হবে, সেই সাথে চেলেও নিতে হবে।

🔺 চিপিং:
অবশ্যই, অবশ্যই এবং অবশ্যই আপনাকে ব্রিক ওয়ার্ক শুরুর পূর্বে পুরাতন/ নতুন সকল RCC সারফেস কে ভালভাবে চিপিং [ 2-3mm deep & 3/4 to 1” c/c distance] করে নিতে হবে। সেই সাথে তা ভাল করে #ভিজিয়ে ও পরিস্কার করে কাজ শুরু করতে হবে।

🔺 সিমেন্ট স্যান্ড মসলা:
পানি দেওয়ার পূর্বে শুষ্ক সিমেন্ট ও বালিকে ভালভাবে মিক্সিং করে নিতে হবে, ভাল ফল পেতে আমরা সাধারনত শুষ্ক মিশ্রনকে তিন ধাপে নেড়ে নেই, যাকে মিস্ত্রির ভাষায় তিন কাটা বলে, তবে কখনোই দুই কাটার কম হবেনা। মনে রাখতে কেবল মাত্র সমসত্ত্ব মিশ্রনের ফলেই মসলার সর্বোচ্চ ফলাফল পাওয়া সম্ভব।

☑️ আমরা সাধারণত ৫” গাথুনিতে ১:৪ অথবা ১:৫ এ মসলা প্রস্তুত করে থাকি।
☑️ ১০” এর জন্য ১:৬ অথবা ১:৫ এ মসলা প্রস্তুত করে থাকি।

বি.দ্র: মসলা প্রস্তুতের ৪৫ মিনিট থেকে ১ ঘন্টার মধ্যে শেষ করে ফেলা উত্তম।
……………………………………………………………….......
🔺 কাজ চলাকালীন সতর্কতা সমূহ:

🔘 লে আউট:
এ ক্ষেত্রে আমরা সাধারণত ড্রইং এর মাপ অনুযায়ী দরজার জন্য নির্দিষ্ট ফাকা রেখে প্রতি রুমে এক ইট করে লে-আউট গাথুনি করে থাকি।

যেটা আগেই বলেছি, চিপিং এর পর ফ্লোরকে ভালভাবে পানি দিয়ে ভিজিয়ে নিয়ে পরিষ্কার করে গাথুনির কাজ শুরু করতে হবে।
যদিও এটা বই পুস্তকে কোথাও দেখিনি, তবে অধিকাংশ ইঞ্জিনিয়ারগনই পুরাতন RCC সারফেসে নতুন গাথুনি বা ঢালাই শুরুর পূর্বে সিমেন্টের #গ্রাউটিং সাজেস্ট করে থাকেন [আমিও ফলো করি]। গ্রাউটিং এর বেলায় লক্ষ্য রাখতে হবে ইহা যেন শুকিয়ে না যায়, আদ্র থাকা অবস্থাতেই মসলা ফেলতে হবে।

বিশেষ ভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে ডায়াগোনাল মাপ যেন ঠিক থাকে যদি রুমগুলো স্কয়ার টাইপের হয়, রুম সাইজ একটু কম বেশি করে হলেও দেওয়ালকে কলাম এবং বিম ফ্ল্যাশে রাখতে হবে, না হলে রুমের ভিতর ১/২” বা ১” অফসেট বের হবে যা দেখতে দৃষ্টিকটু হবে।

🔘গাথুনির হাইট:
৫” হলে একদিনে বুক সমান উচ্চতায় বা সর্বোচ্চ ৪.৫ ফিট করতে পারবে, ১০” হলে ৫ ফিট পর্যন্ত করা যাবে। এর বেশি হলে গাথুনি শল আউট কিংবা যে কোন এক দিকে হেলে পড়তে পারে।

🔘 উলম্ব শল:
কাজ শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত যে কোন একটি ইটকে ধরে শল চেক করতে হবে, নচেৎ গাথুনি শলে থাকবেনা। দেখা যায় অনেক মিস্ত্রি এক সময় এক ইটে শল ধরে, এতে করে গাথুনি বাকা হবার সম্ভাবনা থাকে। এখানে যেটা করা যেতে পারে, প্রথম ধাপে সবার নিচের ইটকে শলে রেখে পরবর্তীতে ৪.৫ ফিটের মাথায় আরেকটিকে স্থির করে অবশিষ্ট গাথুনি শেষ করতে হবে।

🔘 মসলার জয়েন্ট:
মসলার জয়েন্টে হরিজনটালি এবং ভার্টিক্যালি ১/২” বা 12mm করে মসলা বা মর্টার দিতে হবে এবং ইহা সর্বত্র একই থাকবে।

🔘 লেভেল:
যদি মসলার জয়েন্টে একই পুরুত্বের মসলা দেওয়া হয় তবে গাথুনি লেভেলে থাকবে, বিশেষ করে ৭ ফিটে গিয়ে অবশ্যই গাথুনির লেভেল করে নিতে হবে, না হলে লিল্টেন বসাতে অসুবিধে হবে।

🔘 জয়েন্টে মসলার ছিদ্র বা ভয়েড:
গাথুনির কাজে এটা কোন ভাবেই এলাউ না, অনেক সময় দেখা যায় মসলা দেওয়ার পরও জয়েন্টের ভিতরের ছিদ্র দিয়ে এপাশ থেকে ওপাশের সব দেখা যায়😄। মনে রাখবেন ইহা অবশ্যই পরিহার করতে হবে, না হলে যা হবে;
☑️ গাথুনি দূর্বল হবে❗️
☑️ প্লাস্টারের পরও ফাঁকা দিয়ে পানি প্রবেশ করে দেওয়ালকে আদ্র করবে, ফলশ্রুতিতে পেইন্ট নষ্ট হয়ে যাবে❗️
সুতরাং এই ফাঁকা বা ছিদ্র বন্ধের জন্য ঠেলা গাথুনি Allow করবেন না, মিস্ত্রিকে অবশ্যই জয়েন্টে কর্নি দিয়ে মসলা কুপিয় দিতে বলবেন এবং ইটের উপরে ও পার্শ্বে কর্নি দিয়ে হালকা আঘাত করে গাথুনি করতে বলবেন।

🔘 ফ্ল্যাশ সাইড:
আউটার দেওয়ালের ক্ষেত্রে বাহিরের দিকে ফ্লাশ রাখা উত্তম, এতে করে প্লাস্টারের পুরুত্ব ঠিক রাখা যায়, সর্বপরি বাহির থেকে দেখতেও সুন্দর লাগে।

🔘 ফ্রগমার্ক:
ইটের ফ্রগমার্ক বা সিল সব সময় উপরের দিকে থাকবে, এতে করে দুই ইটের মাঝে উত্তম বন্ডের সৃষ্টি হয়।

🔘 বিমের নিচের গাথুনি বা সর্বশেষ গাথুনি:
সর্বশেষ গাথুনি বা বিমের নিচের গাথুনিকে করার সময় খেয়াল রাখতে হবে যাতে ফাকা না থাকে, যদি খুব বেশি ফাকা থাকে তবে মসলার সাথে ইটের টুকরা ঢুকিয়ে দিবেন। না হলে পরবর্ততে RCC এর সাথে প্লাস্টার ছেড়ে দিয়ে বিমের নিচে ফাটলের ন্যায় দেখাবে।

🔘 মাটাম বা টুথিং:
কোন দেওয়ালে সাথে আড়াআড়ি বা 90 ডিগ্রি এ্যাংগেলে নতুন গাথুনি করার জন্য প্রতি এক ইট পর পর ইটকে কিছুটা বর্ধিত রাখাকে টুথিং বলে, যাকে মিস্ত্রিরা মাটাম বলে। উত্তম বন্ডিং এর জন্য ইহার বিকল্প নেই।

🔘 পুটলগ বা ডগনার ছিদ্র:
৫ ফিটের উপরে গাথুনি কিংবা ছাদ ও দেওয়ালের প্লাস্টারের জন্য মিস্ত্রিরা ১২/১৩ ইটের লেয়ারে কিছু দূর পর পর যে ফাকা রাখে তাকে পুটলগ বলে, মিস্ত্রিদের ভাষায় যাকে ডগনার ছিদ্র বলে। ‌উপরের কিংবা বাহিরের কাজ শেষ হলে প্লাস্টারের পূর্বে অবশ্যই ইহাকে ব্রিক দ্বারা ভালভাবে ভরাট করে দিতে হবে, না হলে এখান দিয়ে লিকেজের সম্ভাবনা থাকে❗️
🔘 ঝাড়ু বা পরিষ্কার:
খুব সুন্দর করে ঝাড়ুর মাথাকে চেপে ধরে জয়েন্টগুলো হরিজনটালি এবং ভার্টক্যালি ঝাড়ু দিয়ে দিবেন, তাতে করে দেখতে সুন্দর লাগবে ও ফাকা বা ছিদ্র থাকলে তা ভরাট হয়ে যাবে।

🔘 লিন্টেল ও দরজার সাটারিং:
কখনোই গাথুনি শক্ত হবার পূর্বে তার সাথে সাটারিং করতে দিবেন না, তাতে করে গাথুনিতে ফাটল দেখা দিতে পারে।

🔘 কিউরিং:
প্রতিদিন দুইবেলা করে ৭ থেকে ১৪ দিন কিউরিং করবেন।

12/02/2024

ছাদে ইলেকট্রিক পাইপ ওয়্যারিং কৌশল
**************
কনসিল্ড কন্ডুইট ওয়্যারিং করার জন্য আমাদের দেশে ছাদে পাইপ স্থাপন করা হয় । আর এই পাইপ স্থাপন করার আগে আমাদের ফেন লাইট ইত্যাদির পয়েন্ট স্থাপন করে পাইপ ওয়্যারিং করতে হয়। এই পোস্ট এ আমরা দেখবো এই পাইপ বসাতে হবে কি কি সতর্কতা মেনে কাজ করতে হয়।
১.ছাদের রড বাইন্ডিং-এর পর তার উপর দিয়ে কনসিল ওয়্যারিং এর জন্য পাইপ ফেললে ছাদ ফেটে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে! রুফ-স্ল্যাবে কনসিল ওয়্যারিং করতে চাইলে টেকনিক্যালি ক্যালকুলেশন করে স্ল্যাব থিকনেস বাড়ানোর দরকার হয়!
*
২.বর্তমান সময়ের উন্নত মানের সিমেন্ট, উচ্চ-গ্রেডের রড ও আবহাওয়া জনিত তাপমাত্রার বৃদ্ধির কারনে ব্যবহৃত বিল্ডিং ম্যাটেরিয়ালস এর মধ্যে সমন্বয়ের গড়মিলের কারনে অনেক ছাদেই ফাটল দেখা দিচ্ছে!
*
৩. রুফ স্ল্যাবে আপনি যদি বেশি ওয়্যারিং পাইপ ফেলবেন, তার কনটিনিউটি ও ইউনিফরমিটি ক্ষতিগ্রস্ত হবে! ফলে টেনসাইল ও কমপ্রেসিভ ইলাসট্রিসিটির মধ্যে আনুপাতিক বৈষম্য ঘটবে! এর সঙ্গে যুক্ত হবে আবহাওয়া জনিত তাপমাত্রার প্রভাব!
আমরা জানি রিইনফোর্সমেন্ট (রডের) ও পিভিসি পাইপের উপাদানের আপেক্ষিক তাপ, স্থিতিস্থাপকতা সমমানের নয়! আর এইভাবে সৃষ্ট অভ্যন্তরীন পীড়নের কারনে ফাটল আসা খুবই স্বাভাবিক!
*
৪.এই ধরনের ফাটল ছাদ ঢালাই এর ৩ মাস পরও দেখা যেতে পারে আবার ১০ বছর পরও দেখা যেতে পারে!
*
৫. মূলত ছাদে একটা পাইপ ফেলার দরকার হয় যা শুধুমাত্র ফ্যানের জন্য। কিন্ত ইলেকট্রিশায়ানরা একটা দেওয়াল থেকে বিপরীত দেওয়ালে কানেকশান নিয়ে যাওয়ার সমস্ত পাইপ ছাদের মধ্যে দিয়ে নিয়ে যান। ফলে ছাদে পাইপের পরিমান বেড়ে যায়! এর ফলেই ঘটে বিপত্তি!
*
৬.ডি.বি. বক্স-এর কাছে যেখানে অনেক পাইপ এসে একসাথে মিলিত হয়, সেখানে বিপদের সম্ভাবনা সবথেকে বেশি। গোছা গোছা পাইপের কারনে, ফাটল এরকম জায়গা থেকে শুরু হয়, এবং এরপর পাইপের পথ বরাবর এগিয়ে চলে। যা ধীরে ধীরে স্ট্রাকচারাল ফেইলিউর এর দিকে ধাবিত হতে থাকে।
তাহলে কি করবেন?
********
১. ছাদের ক্ষেত্রে ফ্যান পয়েন্টের জন্য একটি মাত্র সরু পাইপ (হাফ ইঞ্চির থেকেও সরু মাপে যে পাইপটি পাওয়া যায়) ব্যবহার করতে হবে। এই পাইপটি একটি দেওয়াল থেকে ফ্যান হুক পর্যন্ত যাবে। পাইপটি ঘরের এক কর্নার থেকে ফ্যান পয়েন্ট পর্যন্ত প্লেস করবেন।
বিমের সমান্তরাল ভাবে পাইপ ফেলবেনা না! অপর দেওয়াল পর্যন্ত যাবে না। কখনোই কোনো পাইপের দ্বারা রুফ স্ল্যাব দিখন্ডিত করা যাবে না!
*
২.বাকী পাইপ মেশিন দিয়ে দেওয়াল কেটে পারাপার করবেন! কলাম থাকলে কলাম কাটবেন না!
*
৩.লিন্টলের উপর 3-ইঞ্চি অ্যাডিশনাল (রড বিহীন) ঢালাই করে তার মধ্যে দিয়ে কনসিল ওয়্যারিং-এর পাইপ নেওয়া সবথেকে যুক্তিযুক্ত!
*
৪.গ্রাউন্ড ফ্লোর-এর ক্ষেত্রে মেঝের রাফ ঢালাই-এর মধ্যে দিয়ে পাইপ পারাপার করতে পারেন!
*
৫.যেক্ষেত্রে ছাদে পাইপ ফেলা ছাড়া উপায় নেই, সেই ক্ষেত্রে রুফ-স্ল্যাব নয়, বিমের মধ্যে দিয়ে পাইপ ফেলুন! তবে রডের খাঁচার (স্টিরাপ) মধ্যে দিয়ে নয়, বাইরে দিয়ে বা কভারিং জোন দিয়ে পাইপ প্লেস করুন।
*
৬.কলাম স্ট্রাকচারে বড় স্প্যানের ক্ষেত্রে লোড বিয়ারিং বিমের মধ্যে দিয়ে পাইপ ফেলবেন না।
*
৭.যেসব স্ল্যাব ৩-ইঞ্চি পুরু সেসব ছাদে কোনো পাইপ ফেলবেন না! আর বাড়ীর শেষ ছাদে কোনো পাইপ ফেলবেন না।
*
৮.দেওয়ালে পাইপ ফিটিং করার পর প্লাস্টারিং (রেন্ডারিং) এর আগে প্রত্যেকটি দেওয়ালের ছবি তুলে রাখুন! পরে দেওয়ালে বিভিন্ন কারনে ফুটো করার সময় কনসিল পাইপের গতিপথ আপনার রেকর্ডে থাকবে! ভুলবসত ড্রিল মেসিনের ফলা কনসিল পাইপকে ফুটো করবে না!
*
৯.ইলেকট্রিশিয়ান বা রাজমিস্ত্রী তাদের কাজের সুবিধার জন্য আপনাকে নানা রকম বোঝাবে! এজন্য ইঞ্জিনিয়ার এর রক্ষনাবেক্ষনে কাজ করুন।
*
১০.ছাদের স্ট্রেন্থ এর কথা চিন্তা করলে, সবথেকে বুদ্ধিমানের কাজ হলো ক্যাপিং-ক্যাসিং ওয়্যারি করা! কিন্তু এই পদ্ধতি দৃষ্টিনন্দন নয়!

12/02/2024

ওয়াটারপ্রুফিং সলিউশন

১.ওয়াটারপ্রুফিং কি?
২.ওয়াটার প্রুফিংয়ের ক্ষেত্রগুলো কোথায়?
৩.ওয়াটারপ্রুফিং কয় ধরণের হয়?

#ওয়াটারপ্রুফিং কি: ওয়াটারপ্রুফিং একটি সলিউশন অথবা পদ্ধতি যার মাধ্যমে ছাদের কংক্রিটের শোষণকৃত পানি অপসারণ করা যায় অথবা কংক্রিটে পানি যাতে শোষিত না হয় তাহার যথাযথ ব্যবস্থা করা যায়। ওয়াটারপ্রুফিং না করার কারণে আমাদের দেশের অধিকাংশ ঘরবাড়িতে লোনা অথবা ড্যাম্প দেখা দেয়। ওয়াটারপ্রুফিং এর প্রধান উপকারিতা হচ্ছে আপনার নির্মিত স্থাপনাকে শুষ্ক,সাস্থ্য সম্মত ও নিরাপদ রাখে।

#ওয়াটারপ্রুফিংয়ের ক্ষেত্রগুলো কোথায়:

১.বেইজমেন্ট ওয়াটারপ্রুফিং।
২.সুইমিংপুল ওয়াটারপ্রুফিং।
৩.ওয়াটারট্যাংক ওয়াটারপ্রুফিং।
৪.টেরেস বা ছাদ ওয়াটারপ্রুফিং।
৫.ভিতর বা বাহিরের দেয়াল ওয়াটারপ্রুফিং।

#ওয়াটারপ্রুফিং কয় ধরণের হয়:

ওয়াটারপ্রুফিং কয়েকধরণ হয়ে থাকে যেমন:

(ক)সিমেন্টেশিয়াস ওয়াটারপ্রুফিং
(খ)বিটুমিনাস মেমব্রেন ওয়াটারপ্রুফিং
(গ)পিইউ/ইপোক্সি ইনজেকশন
(ঘ)এ্যাকরেলিক ওয়াটারপ্রুফিং
(ঙ)পলিউরিয়া স্প্রে ওয়াটারপ্রুফিং

এরই মধ্যে বাংলাদেশের আবহাওয়া অনুসারে সচরাচর ৩(তিন) ধরণের ওয়াটারপ্রুফিং সলিউশন/পদ্ধতি সর্বাধিক প্রচলিত যথাক্রমে:

(ক)সিমেন্টেশিয়াস ওয়াটারপ্রুফিং
(খ)বিটুমিনাস মেমব্রেন ওয়াটারপ্রুফিং
(গ)এ্যাকরেলিক ওয়াটারপ্রুফিং

12/02/2024

প্রজেক্টে চৌকাঠ লাগানোর সময় যেসকল বিষয় খেয়াল রাখা জরুরী:
১.মেইন ডোর এর ক্ষেত্রে ৮ টি এবং পার্টিশন ডোর এর ক্ষেত্রে ৬ টি ক্লাম্প দেয়া যেতে পারে।( ৪" ক্লাম্প)

২.চোকাঠ ক্লাম্প এর পয়েন্টগুলো নির্ধারন করে এমনভাবে গ্রুফ কাটতে হবে যাতে ক্লাম্প এর জায়গা ব্যাতীত অধিক ব্রিকস না ভাঙে।

৩.ওয়ালের ক্লাম্প পয়েন্ট এর মাপ অনুসারে চৌকাঠ এ ক্লাম্প লাগাতে হবে।( ২" তারকাটা এবং ২ " স্ক্রু ব্যাবহার করা যেতে পারে)

৪.যত্নসহকারে চৌকাঠ এর ফ্রন্ট সাইড এবং ব্যাকসাইড নির্ধারন করে ক্লাম্প লোকেশনে দাড় করাতে হবে।

৪.চোকাঠ গাথুনির সাথে প্রায় ১/২" অফসেট আকারে থাকবে।

৫.লেভেল পাইপ দিয়ে চৌকাঠ এর উপরের অংশের লেভেল ঠিক করতে হবে।

৬.বাইরের পাশের চৌকাঠ এর দুই পায়ায় শল দিয়ে চেক করে নিতে হবে।

৭.অনভুমিক মাপ ঠিক আছে কি না? টেপ দিয়ে চেক করে নিতে হবে।

৮.ঢালাই এর পূর্বে ক্লাম্প এর জন্য খাজ কাটা অংশ ভিজিয়ে নিতে হবে এবং উত্তম ভাবে মশলা বানিয়ে খাজ কাটা অংশে ক্লাম্প ঢালাই করে দিতে হবে।

৯.ঢালাই এর জায়গাটুকু ন্যুনতম ৭-১৪ দিন কিউরিং করতে হবে।

ধন্যবাদ

Working Details:1. Architectural Design & Drawing.2. Structural Design & Drawing.3. Sanitary & Electrical Drawing.PROJEC...
23/10/2023

Working Details:
1. Architectural Design & Drawing.
2. Structural Design & Drawing.
3. Sanitary & Electrical Drawing.

PROJECT NAME: Hasan Manzil
OWNER: Md. Md Osman Goni
ADDRESS: Pinder Hati, Jamalpur Sadar, Jamalpur.
LAND AREA: 1625 Sft

CLIENT: Md. Osman Goni
Retired Principal
Jamalpur Government College.

Ex*****on:
Alo Construction & Consultant BD..
Engr. Alamgir Hossain
B.Sc, M.Sc DUET, MIEB M - 43511
Asstt. Manager (Operation)
Emon Development & Builder's Ltd.
Mobile: +8801732519268
Email: [email protected]

Working Details:1. Architectural Design & Drawing.2. Structural Design & Drawing.3. Sanitary & Electrical Drawing.4. Con...
04/10/2023

Working Details:
1. Architectural Design & Drawing.
2. Structural Design & Drawing.
3. Sanitary & Electrical Drawing.
4. Construction Supervision.

PROJECT NAME: R.R. AKAND PLAZA
LAND AREA: 12000 Sft
Location: Sreepur Bazar, Gazipur, Dhaka.

CLIENT:
Md. Jalal Shikder
Former ED (Executive Director)
ESKAYEF Pharmaceuticals Ltd.

Ex*****on:
Alo Construction & Consultant BD.
Engr. Alamgir Hossain
B.Sc, M.Sc DUET, MIEB M - 43511
Asstt. Manager (Operation)
Emon Development & Builder's Ltd.
Mobile: +8801732519268
Email: [email protected]

17/09/2023

ভবন নির্মানে পৌরসভা এবং রাজউক প্ল্যান পাশের নিয়ম:
প্রথমে আবেদন ফরমে আবেদন করতে হবে এবং সাথে ৭ কপি ড্রইং জমা দিতে হবে, তবে কোন কোন পৌরসভায় এর কম দিলেও হয়। ড্রইংগুলো ৩০"x২০" সাইজের এমোনিয়া শীট বা ট্রেসিং পেপারে (ব্লু প্রিন্ট ট্রেসিং পেপার সহ) জমা দিতে হয়।
একটি ড্রইং শীটে কি কি ড্রইং থাকতে হবে আসুন জেনে নেই :-
১. ফ্লোর প্ল্যান
২. অন্যান্য ফ্লোরের প্লান
৩.সম্মুক্ষ বা ফ্রন্ট এলিভেশন
৪.লে-আউট প্ল্যান
৫.কলাম, বীম, ফাউন্ডেশনের সেকশন
৬.মোট কভার এরিয়া
৭.মৌজা ম্যাপ
৮. ভবনের ক্রস সেকশন
৯.সেপটিক ট্যাংক এবং সোক ওয়েলের প্লান ও সেকশন
১০.সিড়ির প্লান ও ডিটেইল
১১. ছাদের বিস্তারিত ড্রইং
১২. ছাদের পানি নিষ্কাশনের প্ল্যান
১৩. কলাম পজিশন বা কলাম লে-আউট
১৪. গ্রেড বীম ও সেকশন
১৫. ইলেকট্রিক ড্রইং
১৬. সেনেটারী ড্রইং (বহুতল ভবনের ক্ষেত্রে)
১৭. সেটব্যাক (অত্যন্ত জরুরী), নির্দিষ্ট পরিমানে ভবনের চারপাশের জমি ছেড়ে দেওয়াকে বুঝায়।
আনুষঙ্গিক কাগজ পত্র:
১. পেশাজীবী সংগঠনের সদস্যভুক্ত প্রকৌশলীর স্বীকৃতপত্র।
২ প্রকৌশলী পেশাজীবী সংগঠনের সদস্য নাম্বার ও সাক্ষর এবং সীলমোহর।
৩. মূল দলিলের ফটোকপি।
৪. দাগ নম্বর,খতিয়ান নম্বর ও মৌজার নাম।
৫. মালিকের সাক্ষর।
৬. মাটি পরিক্ষার রিপোর্ট (৩ তলার অধিক হলে)।
৭. জমির পরিমান ও তফসিল।
৮.নির্ধারিত ফি

ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে এই দুই ধরনের বিধিমালা ভঙ্গ করে কোনো ভবন বা অংশবিশেষ নির্মাণ করা হলে বাংলাদেশের আইনে সেই ভবন বা অংশবিশেষ অবৈধ বলে বিবেচিত হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে যেকোনো সময় তদন্ত করতে পারেন এবং ত্রুটিপূর্ণ বা অননুমোদিত নকশার উপর ভিত্তি করে নির্মাণ করা অংশ নোটিশ প্রদান সাপেক্ষে ভেঙে ফেলতে পারেন। তাই ভবন নির্মাণের অনুমোদন পেতে প্রথমেই সকল বিধিমালা মেনে ভবন নির্মানের একটি পূর্ণাঙ্গ নকশা করিয়ে নিন। এবার ভবন নির্মাণের অনুমোদন পেতে ধাপে ধাপে আপনাকে বেশ কয়েকটি কাজ করতে হবে।
রাজউক এর অনুমোদন পেতে যা যা করণীয়
১। রাজউক এর নির্ধারিত ব্যাংক থেকে নির্মাণ অনুমোদনপত্র নকশা অনুমোদনের আবেদন ফরম নং-৪০১ সংগ্রহ করতে হবে।
২। সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে নকশা অনুমোদন শাখায় নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে ব্যাংক রশিদ সংগ্রহ করতে হবে।
৩। দলিল, নামজারি, ভূমি উন্নয়ন কর, ডিসিআর, পর্চা ইত্যাদি কাগজপত্রের সত্যায়িত কপি প্রস্তাবিত ভূমিতে আবেদনকারীর বৈধ মালিকানার স্বপক্ষে দাখিল করতে হবে।
৪। নির্দিষ্ট ভূমি ব্যবহারের জন্য রাজউক নির্ধারিত ছাড়পত্র, সার্ভিস চার্জ পরিশোধের রশিদ ও ১ কপি প্রস্তাবিত নকশা জমা দিতে হবে।
ভূমি ব্যবহারের ক্ষেত্রে ছাড়পত্র বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। যেমন-
নগর পরিকল্পনা শাখার ছাড়পত্র (ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির ক্ষেত্রে)
এস্টেট শাখার ছাড়পত্র (রাজউক প্লট অথবা জমির ক্ষেত্রে)
সংশ্লিষ্ট অফিসের ছাড়পত্র (অন্যান্য সরকারি জমি/প্লটের ক্ষেত্রে)
বিশেষ প্রকল্প ছাড়পত্র (বৃহদায়তন বা বিশেষ ধরনের প্রকল্পের জন্য)
নির্মাণ অনুমোদন পত্র
বসবাস ও ব্যবহার ছাড়পত্র
উন্নয়ন অনুমতি পত্র (প্রযোজ্য হলে)
এক্ষেত্রে জেনে রাখা ভালো যে, রাজউকে সাধারণত তিন ধরনের জমি চিহ্নিত করা হয়-
রাজউক প্লট
রাজউক অনুমোদিত আবাসিক প্রকল্পের প্লট ও
ব্যক্তিমালিকানাধীন প্লট
রাজউক আওতাধীন প্লটে বাড়ি নির্মাণ করার জন্য আবেদন করতে রাজউকের এস্টেট শাখা থেকে ছাড়পত্র নিতে হবে। রাজউক অনুমোদিত বেসরকারি আবাসিক প্রকল্পের প্লট হলে রাজউক নগর পরিকল্পনা শাখার প্রত্যয়নপত্র নিতে হবে। অন্যদিকে ব্যক্তিমালিকানাধীন প্লট হলে রাজউক নগর পরিকল্পনা বিভাগ থেকে ভূমি ব্যবহারের ছাড়পত্র নিতে হবে।
৫. ৮ কপি স্থাপত্য নকশা (প্রণয়নকারী স্থপতি বা প্রকৌশলী, মালিক বা ডেভেলাপারের নাম, পেশাজীবী প্রতিষ্ঠানের সদস্য নিবন্ধন নম্বর, ঠিকানা ও ফোন নম্বরসহ) নির্ধারিত মাপের কাগজে অ্যামোনিয়া প্রিন্ট করে জমা দিতে হবে।
৬. সাইট প্ল্যান, লে-আউট প্ল্যান, ফ্লোর প্ল্যান, পার্কিং প্ল্যান, লম্বালম্বি ও আড়াআড়ি ২টি সেকশন ও এলিভেশন- এই ড্রয়িংগুলো জমাকৃত নকশার মধ্যে থাকা আবশ্যক। তবে কর্তৃপক্ষ প্রয়োজন সাপেক্ষে আরো ড্রয়িং দেখতে চাইতে পারেন।
৭. নকশার সাথে রাজউকের ড্যাপ (ডিটেইলড এরিয়া প্ল্যান) অনুসারে নির্ধারিত কিছু অংশের জন্য সয়েল টেস্ট এর রিপোর্টও জমা দিতে হয়।
এছাড়া, রাজউক বিধিমালাতে জমির যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিতকরণ, শহরের ঘনত্ব, প্রতিবেশী হিসাবে ভূমির এলাকাভিত্তিক অধিকার, অগ্নি নির্বাপণ ও ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিস্তারিত বিধি নিষেধ রয়েছে। রাজউক থেকে ভবন নির্মাণের অনুমোদন পেতে এবং একটি বৈধ, নিরাপদ ও বসবাসযোগ্য ভবন তৈরি করতে এগুলোও মানতে হবে।
Copied

Alo Construction & Consultant BD.
Engr. Alamgir Hossain
B.Sc, M.Sc DUET, MIEB M - 43511
Asstt. Manager (Operation)
Emon Development & Builder's Ltd.
Mobile: +8801732519268
Email: [email protected]

Working Details:1. Architectural Design & Drawing.2. Structural Design & Drawing.3. Sanitary & Electrical Drawing.4. Con...
26/08/2023

Working Details:
1. Architectural Design & Drawing.
2. Structural Design & Drawing.
3. Sanitary & Electrical Drawing.
4. Construction Supervision.

PROJECT NAME: Bongojol Nibas
LAND AREA: 2160 Sft
BUILDING AREA: 1630 Sft

CLIENT:
Lt. Col. Dr. Zakir Hossain
Associate Professor of Armed Forces Medical College, Dhaka.
PROJECT LOCATION: Kalur More, Natore Sadar, Natore.

Ex*****on:
Alo Construction & Consultant BD.
Engr. Alamgir Hossain
B.Sc, M.Sc DUET, MIEB M - 43511
Asstt. Manager (Operation)
Emon Development & Builder's Ltd.
Mobile: +8801732519268
Email: [email protected]

Site Visit for Upcoming WorkWorking On: Renovation, Restoration and Modifications to Make a Complete Commercial Space.La...
09/08/2023

Site Visit for Upcoming Work

Working On: Renovation, Restoration and Modifications to Make a Complete Commercial Space.

Land Area: 12000 sft
Location: Sreepur, Gazipur, Dhaka.

Client:
Md. Jalal Shikder
Former ED (Executive Director)
ESKAYEF Pharmaceuticals Ltd.

Ex*****on:
Alo Construction & Consultant BD.
Engr. Alamgir Hossain
B.Sc, M.Sc DUET, MIEB M - 43511
Asstt. Manager (Operation)
Emon Development & Builder's Ltd.
Mobile: +8801732519268
Email: [email protected]

Address

715/2/1/Khan Mansion (Ground Floor), Khilgaon Taltola, Khilgaon
Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Alo Construction & Consultant BD. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Alo Construction & Consultant BD.:

Share