Aspire Business Consultancy

Aspire Business Consultancy Aspire Business Consultancy empowers businesses by simplifying financial and compliance complexities, enabling them to focus on growth and success.

কুকুর ছানা পানিতে ডুবিয়ে মারার অপরাধে এক মহিলার জামিন না-মঞ্জুর করে জেলে পাঠালো আদালত! এটা জামিন না হওয়ার মত অপরাধ কিনা ...
04/12/2025

কুকুর ছানা পানিতে ডুবিয়ে মারার অপরাধে এক মহিলার জামিন না-মঞ্জুর করে জেলে পাঠালো আদালত! এটা জামিন না হওয়ার মত অপরাধ কিনা সেটা আইন বিশেষজ্ঞরা বলতে পারবেন ভালো। যেদেশে বড় বড় অপরাধীদের বিচার হয়না সেদেশে! যাইহোক, কুকুর ছানা মারা একটা অমানবিক এবং হিস্র কাজ। বাচ্চাগুলো আপাতত কারো জন্য হুমকি ছিলোনা যে মারতে হবে!

কুকুরগুলো বেওয়ারিশ ছিলো এবং এরকম বেওয়ারিশ কুকুর প্রায়ই দেখতাম সিটি কর্পোরেশনের লোক গলায় ফাস লাগিয়ে একটা ইনজেকশন ঢুকিয়ে দিতো। কুকুরগুলো দুই তিনবার কেও কেও আওয়াজ করে চোখ উল্টিয়ে নিস্তেজ হয়ে পড়তো, তারপর সেগুলোকে গাড়িতে করে নিয়ে যেতো। কোনোদিন বিচার হতে শুনিনি। উল্টো শুনেছি এভাবেই তারা বেওয়ারিশ কুকুরের সংখ্যা নিয়ন্ত্রন করেন। এটাও সমর্থনযোগ্য নয় এবং যথারীতি একটা নৃশংসতা বটে।

জামিন না পাওয়া মহিলার অপরাধ কি তাহলে সিটি কর্পোরেশনের কুকুর নিধন অভিযানের চেয়ে বড়? মহিলার শুধু গ্রেফতার হয়েই ক্ষান্ত হয়নি, মিডিয়া তাকে এমনভাবে প্রচার করেছে যে, তার আর সামাজিক অবস্থান বলে কিছু থাকলো না।

কিছুদিন আগে পত্রিকার শিরোনাম হয়েছিলো একটি ছেলে। ফজরের নামাজ পড়তে যাওয়ার সময় কিছু কুকুর তাকে ছিড়ে খেয়ে ফেলেছে। রাস্তাঘাটে বেওয়ারিশ কুকুরের কামড়ে প্রায়ই বিভিন্ন মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে। জলাতঙ্ক ছড়াচ্ছে। এতে মৃত্যহারও নেহাত কম নয়। প্রতিটি অলিতে গলিতে কুকুরের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। এদের জন্মনিয়ন্ত্রণ বা এদের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে এদেশে কোনো পদক্ষেপ নেই।

এমন অবস্থায় গ্রেফতার হওয়া মহিলা সাক্ষাৎকারে বলেছে যে, তার শিশু বাচ্চার জন্য হুমকি মনে হওয়ায় কুকুর ছানাগুলো তিনি বস্তায় ভরে দুধওয়ালার হাতে দিয়েছিলেন দূরে কোথাও ফেলে দিতে। এর সত্য মিথ্যা যাচাইয়ের সুযোগ নেই।

উক্ত মহিলার শাস্তি হচ্ছে হোক কিন্তু বেওয়ারিশ কুকুরের নিয়ন্ত্রণ নিয়েও সরকারের পদক্ষেপ নেওয়া হোক। এভাবে মোহাম্মাদপুরের বস্তির মত দিন দিন কিশোর গ্যাংয়ের ন্যায় কুকুর গ্যাং বাড়তে থাকলে যেকোনো দিন যে কেউ কুকুরের আক্রমনে ছিন্নভিন্ন হতে পারেন।

সামনে কনকনে শীত।আর এই শিতে কুকুরগুলো আরও অসহায় হয়ে পড়বে। এই অবস্থায় যেসব কুকুর রয়েছে তাদের যত্ন নেওয়ার পাশাপাশি নিউটার করে অথবা অন্য কোনো উপায়ে এদের নিয়ন্ত্রণ করা এখন সময়ের দাবী। আপাতত দেশে কুকুরের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কোনো বিষয় আমাদের চোখে পড়ছেনা।

27/11/2025
04/11/2025

Hi everyone! 🌟 You can support me by sending Stars - they help me earn money to keep making content you love.

Whenever you see the Stars icon, you can send me Stars!

04/11/2025

বছরে কত টাকা আয় করলে আয়কর দিতে হবে?
করমুক্ত আয়সীমা ব্যক্তিশ্রেণির পুরুষ করদাতার ক্ষেত্রে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা, নারী অথবা ৬৫ বছরের অধিক পুরুষ করদাতার ক্ষেত্রে সাড়ে ৪ লাখ টাকা, প্রতিবন্ধী করদাতার ক্ষেত্রে ৪ লাখ ৭৫ হাজার টাকা, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধার ক্ষেত্রে ৫ লাখ টাকা

এটা কোনো ব্যাখ্যা না। এর কোনো ব্যাখ্যা হয় ও না৷ যার যায়, কেবল সে ই বুঝে, বাকিরা বুঝার ভান করে, কেউ প্রচন্ড আবেগে ব্যাথিত...
23/07/2025

এটা কোনো ব্যাখ্যা না। এর কোনো ব্যাখ্যা হয় ও না৷ যার যায়, কেবল সে ই বুঝে, বাকিরা বুঝার ভান করে, কেউ প্রচন্ড আবেগে ব্যাথিত হয়, আবার কেউ নিজের কোনো স্বার্থ হাসিলে৷ কিন্তু আমাদের শিক্ষা হয় না৷ সমস্যা রয়ে যায় কারন আমরা যা দরকার তা নিয়ে কথা বলি না, যা নিয়ে কথা বলতে একটু কম্ফোর্ট ফিল করি তা নিয়ে কথা বলি৷

যারা পরিবার হারিয়েছেন, তাদের প্রতি কিছু বলার ভাষা বা সক্ষমতা আমার নাই। কিন্তু যারা প্রচন্ড ক্ষুব্ধ, যারা জবাবদিহিতা চান তাদের জন্য, আমার ২-৩ টা অগোছালো কথা৷ আপনারা যারা জবাব চান, তাদের প্রশ্ন গুছিয়ে দেওয়া৷ আমি আপনাদের বিরুদ্ধে না, শুধু মাত্র আমার সামান্য পেশাগত জ্ঞানের আলোকে কথা গুলো বলা৷ কারন আপনারা যদি সঠিক প্রশ্ন না করেন আপনাদের প্রশ্ন মূল্যায়িত হবে না৷ পাত্তাই দিবে না৷

প্রথম কথা: বিমান বাহিনী কেন এই জনবসতিপূর্ন এলাকায় প্রশিক্ষন করে?

উত্তর: একটা প্রশিক্ষন বিমান প্রথমে Take-off করতে হয়, তারপর সিলেবাস অনুযায়ী কিছু পরিচালনা করতে হয়, এবং তারপর Landing করতে হয়৷ Take off এবং landing করতে দরকার হয় runway. বাকি প্রশিক্ষন এর জন্য নির্ধারিত এলাকা আছে, সেগুলো সোজা বাংলায় 'ট্রেনিং এরিয়া' বলে৷ যেগুলো জনবসতি থেকে দূরে হয়ে থাকে৷ বিমান বাহিনীর প্রতিটি প্রশিক্ষন ও সেখানেই হয়৷

জনবসতিপূর্ন এলাকায় প্রশিক্ষনের শুধু Take off, landing এবং এর সাথে জড়িত কাজগুলো অনুশীলন করা হয়৷ কারন? কারন এর জন্য runway দরকার৷runway ছাড়া সেটা সম্ভব না৷ runway এবং এর চারপাশ জনবসতি পূর্ন হওয়ার কথা না। কেন হলো এটার দায় কাদের আপনারা জবাব চাইবেন দয়া করে৷ কারন রানওয়ে আগে হয়েছে, জনবসতি পরে, জনবসতির মাঝে এসে রানওয়ে বানানো হয় নাই৷

আমি একটা ছবি সংযুক্ত করেছি৷ runway এর যেখানে বিমান এসে টাচ করে, সেখান থেকে দূর্ঘটনার জায়গাটার দূরত্ব, এভিয়েশন এর হিসাব এ ১.৯ নটিকাল মাইল৷

এই যে runway বরাবর যে এলাকাটা? হলুদ চিহ্ন দিয়ে দেখানো, এটাকে এভিয়েশন এর ভাষায় বলে 'Final'। এই এলাকাটার টেকনিকাল নাম 'Final'. এই runway তে যেকোন, I repeat, সামরিক বেসামরিক আধাসামরিক, যেকোন বিমান land করতে গেলে এই রাস্তা ধরেই আসতে হবে৷ আসতেই হবে, তানাহলে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে ল্যান্ড করা সম্ভব না৷ এবং এই Final এর কত দূর পর্যন্ত বিমান থাকে জানেন? ৬-৮ নটিকাল মাইল পর্যন্ত৷ সেখানে স্কুলটা মাত্র ১.৯ ন্যটিকাল মাইল দূরে৷ অর্থাৎ যত বিমান নামে এই ডিরেকশন এ, সকল বিমান এই স্কুলের উপর দিয়েই যাবে৷ সেটা শুধু বিমান বাহিনীর প্রশিক্ষন বিমান না৷ আমাদের রেমিটেন্স যোদ্ধা ভাইদের যে বিমান মধ্য প্রাচ্য থেকে এসে ল্যান্ড করে সেটা ও৷ তাহলে এরকম একটা ক্রিটিকাল জায়গায় স্কুল কিভাবে পার্মিশন পায়? আল্লাহ না করুক, অন্য যেকোন বিমান, যেগুলা কিনা আজকের বিধ্বস্ত বিমানের থেকে ১৫-২০ কিংবা ৩০ গুন বেশি বড়, সেরকম একটা বিমান যান্ত্রিক ত্রুটির জন্য এখানে পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই?

আজ যে কথাটা উঠছে যে ঘন বসতি পূর্ন এলাকায় প্রশিক্ষন কেন করে? ধরেন করলো না প্রশিক্ষন, শুধু কমার্শিয়াল বিমান runway তে ল্যান্ডিং করবে, তাহলে কি এই জায়গাটা স্কুল কিংবা হাসপাতাল বানানোর জন্য সেইফ? উত্তর চাইতে হবে এই প্রশ্নের৷ কে দিল এখানে স্কুল বানানোর অনুমতি? আদৌ দিয়েছে?

দ্বিতীয় কথা, এই সময় একটা ব্যাপার খুব সামনে আসছে যে লাশের হিসাব লুকানো যাবে না! আমি এখানে জনগনের কোনো দায়ই দেখি না৷ আমার দেশের জনগন মনে করে, সরকার, প্রশাসন লাশ লুকায়, এটা সরকার, প্রশাসনের দায়৷ আমরা সেই বিশ্বাস অর্জন করতে পারিনি, এটা আমাদের ব্যার্থতা৷ যেকোন এরকম দূর্ঘটনায়, সর্বোচ্চ ট্রান্সপারেন্সি ই পারে জনগনকে আশ্বস্ত রাখতে, জনগন আমাদের বিশ্বাস করছে না, এই দায় আমাদেরই৷ আমাদের এখানে কাজ করতে হবে আরও৷ তবে এটাও সবার মাথায় রাখতে হবে, যে কিছু মানুষ 'Chaos' পছন্দ করে৷ কিছু মানুষের কাছে লাশের সংখ্যা বাড়লে তার কিছু ভিউ বাড়বে, উপরি ইনকাম হবে, এদের থেকে সবাই একটু সাবধান থাকাই ভাল৷ তবে জনগন কাকে বিশ্বাস করবে, আর কাকে করবে না, এইটা দায়িত্বশীল যারা আছে তাদের উপরই বর্তায়৷ তবে আমার মনে হয়, এই আন্তর্জাতিক Tragedy তে লাশের সংখ্যা লুকায়ে আর্মি বা এয়ারফোর্স বা সরকার কারও কোনো লাভ আছে।

তারপর, এত এত ডিফেন্স বাজেট, তারপরও এই বিমান কেন? এটা খুবই উপযুক্ত প্রশ্ন৷ দেখেন বাজেট যতই হোক, আমার বেতন পে গ্রেড অনুসারে আসে, আমার রেশন নির্ধারিত মূল্যে কিনে খেতে হয়, আমার ইউনিফর্ম ও কিনে পরতে হয়, মোদ্দা কথা আমরা বেতনভূক্ত কর্মচারী, বাজেটের ব্যাপার স্যাপার দেখে মূলত মন্ত্রনালয়, কোনো সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ মোটামুটি ঘন্টায় ৫০০ মাইল বেগে ছুটে চলা একটা উড়ন্ত মেশিনে বসতে চাইবে না, যদি সে ঐ মেশিনের প্রতি ভরসা না পায়৷ দুনিয়া কত আগায়ে গিয়েছে, আমরা কেন এই মেশিনে পড়ে আছি? কেউ চায় না ভাই, কেউ চায় না৷ তবে এটাও ঠিক, যুদ্ধবিমান শুধু টাকা থাকলেই কিনা যায় না৷ আমি ভাল কিছু যাতে কিনতে না পারি, তার জন্য আমার প্রতিবেশিরা, শত্রুরা অনেক দেন দরবার, লব্যিং করে প্রতি মুহূর্তে৷ আর আমাদের নিজেদের দুর্নীতি তো ছিলই৷ সেগুলো অনেক উচু লেভেল এর ব্যাপার৷ সেখানে জনগনই পারে হাত দিতে কারন তা মূলত জনপ্রতিনিধিদের ব্যাপার৷ আমরাও চাই অত্যাধুনিক বিমান, সরঞ্জাম দিয়ে নিরাপদে, সগর্বে সাজানো থাকুক আমাদের অফিস৷

কেন বিল্ডিং এ ক্রাশ করলো, কেন মাঠে ক্রাশ করলো না?

আজ ক্রাশ করার ফলে যেই পাইলট জীবন দিয়েছেন, আমি তাকে ব্যক্তিগত ভাবে চিনতাম৷ সেই হিসাব না হয় বাদই দিলাম৷ স্কুল হাসপাতাল সব বাদ দেন, একটা পাগল ও যদি বিমানের মধ্যে থাকে, আর তার কাছে যদি নিয়ন্ত্রন থাকে, সে চাইবে খোলা জায়গায় যেয়ে নামতে। লোকের সেফটির কথা বাদ দিলাম, নিজের সেফটির জন্যই সে খোলা জায়গায় ক্রাশ ল্যান্ডিং করতে চাইবে৷ আর যদিও বা এটা নিশ্চিত না, তদন্ত সাপেক্ষে জানা যাবে, তবে এটা নিশ্চিত যে বিমান ফেলে দিয়ে ইজেকশন করতে চাইলে পাইলট ২০০০ ফিটের উপরেই ইজেকশন করতে চাইবে, অথবা যতটা উপরে থেকে করা যায়, নিজের স্বার্থেই, নিজের বাঁচার স্বার্থে৷ তাই একদম ক্রাশ করা পর্যন্ত বিমানের সাথে লেগে থাকা পাইলটকে আমরা যৌক্তিক ভাবে বলতে পারি যে তিনি চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন ঘটনার নিয়ন্ত্রন নিতে৷ তাকে সুপার হিরো আপনারা না ভাবতেই পারেন, গ্লোরিফাই না করতেই পারেন, তাকে ভিলেন ভাবার যৌক্তিক কোনো কারন নাই৷ তবে এখানেও একদম প্রচন্ড আবেগ থেকে, এতগুলা বাচ্চার প্রানহানীর কারনে বলছেন পাইলট এটা করতে পারতো কেন করলো না বা ওটা করতে পারতো কেন করলো না! that is completely understandable. কিন্তু absurd কথা বইলেন না যে মিরপুর DOHS এর উপর পড়লো না, এখানে পড়লো কেন?কারন ওখানে বড় বড় সামরিক কর্মকর্তারা থাকে তাই? একটা মানুষ বুঝতেছে মৃত্যু তার অনেক কাছে, তখন তার মাথায় এই ক্যালুলেশন কাজ করে যে কোন এলাকায় কে থাকে? সোজা কথা মিরপুর DOHS এর উপর যাওয়ার কথা না, ওদিকে কেন যাবে, এখানের উপর দিয়েই যাওয়ার কথা ছিল, সেখান দিয়ে যাচ্ছিল, কিন্তু যেভাবে যাওয়ার কথা ছিল, যান্ত্রিক ত্রুটি(আপাতত ধারনা করা হচ্ছে) সেটা সম্ভব হয়ে ওঠেনি৷

আল্লাহ আমাদের ধৈর্য দিক৷ আমাদের সুবুদ্ধি দিক৷ আমাদের সাহায্য করুক৷ no one deserves this. আল্লাহ সকলকে জান্নাতবাসী করুক৷
প্রশ্ন করুন৷ সঠিক প্রশ্ন, সঠিক জায়গায়৷

-Md Mobasshar Rahman

কোর্সমেট মারা গেছে তো তাই এতো গুছায় বলার শক্তি পাচ্ছিলাম না। জুনিয়র সুন্দর করে বুঝানোর চেষ্টা করছে। পারলে বুঝেন।

পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণের প্রথম ৬০ সেকেন্ডের টাইমটেবিলপ্রথম সেকেন্ড (০-১ সেকেন্ড):বোমা ফাটলে একটি তীব্র ঝলক (flash of li...
21/06/2025

পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণের প্রথম ৬০ সেকেন্ডের টাইমটেবিল
প্রথম সেকেন্ড (০-১ সেকেন্ড):

বোমা ফাটলে একটি তীব্র ঝলক (flash of light) দেখা যায় - এতটাই তীব্র যে চোখ সঙ্গে সঙ্গে পুড়ে যেতে পারে (permanent blindness)।
তাপমাত্রা ১০ কোটি ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত - সূর্যের পৃষ্ঠের চেয়েও বেশি গরম।
বিস্ফোরণ কেন্দ্রে (Ground Zero) যা কিছু থাকে সব বাষ্পীভূত (vaporized) হয়ে যায় - মানুষ, দালান, গাড়ি, সবকিছু।

২-৩ সেকেন্ড:

একটি বিশাল আগুনের গোলা (fireball) তৈরি হয়, যা দ্রুত আকাশে ছড়িয়ে পড়ে।
১-২ কিলোমিটারের মধ্যে যা কিছু থাকে, তা সম্পূর্ণ পুড়ে যায় - তৃতীয়-মাত্রার পোড়া (third-degree burns) প্রায় তাৎক্ষণিক।

৫-১০ সেকেন্ড:

শকওয়েভ (shockwave) নির্গত হয় - বাতাসের শক্তিতে বিল্ডিং ভেঙে পড়ে, দেয়াল ভেঙে যায়, মানুষ অনেক দূরে ছিটকে যায়।
৩-৪ কিলোমিটারের মধ্যে কানের পর্দা ফেটে যেতে পারে, শ্বাস নেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়তে পারে।

১০-৩০ সেকেন্ড:

সব দিকে সুপারসোনিক ব্লাস্ট ওয়েভ (supersonic blast wave) ছড়িয়ে পড়ে - ১৫০০+ কিমি/ঘণ্টা বেগে বাতাসের ঢেউ ছড়িয়ে পড়ে।
কাঁচের টুকরা, ধ্বংসাবশেষ এবং আগুনের শিখা মানুষকে আহত করতে থাকে।

৩০-৬০ সেকেন্ড:

বিকিরণ (Initial nuclear radiation) নির্গত হয় - যারা ১-১.৫ কিলোমিটারের মধ্যে আছেন, তাদের তীব্র বিকিরণ থেকে মারাত্মক বিকিরণ অসুস্থতা (radiation sickness) হতে পারে।
আগুন এবং ফায়ারস্টর্ম (firestorm) শুরু হয় - বহু বর্গ কিলোমিটার জুড়ে।
এবং এর পরে?
কয়েক মিনিটের মধ্যেই গুরুতর বিকিরণ ছড়াতে শুরু করে - বাতাস থেকে, ধুলো থেকে, বৃষ্টি থেকে।
ব্ল্যাক রেইন (Black Rain): বিষাক্ত ছাই এবং তেজস্ক্রিয় কণা ভরা বৃষ্টি শুরু হতে পারে।
হাজার হাজার নয়, লক্ষ লক্ষ প্রাণ এক দিনেই চলে যেতে পারে - এবং এর প্রভাব বছরের পর বছর ধরে থাকবে।........সংগৃহীত

20/06/2025

এক কাপ চা – ভালোবাসার গল্প ☕

শীতকাল মানেই কুয়াশা, উষ্ণতা খোঁজার চেষ্টা আর নিঃশব্দ কিছু অনুভূতি। রিমি সদ্যই ঢাকায় এসেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য। নতুন পরিবেশ, নতুন শহর—সবই যেনো একটু অচেনা, একটু কুয়াশাচ্ছন্ন।

প্রতিদিন সকালে বারান্দায় দাঁড়িয়ে সে এক কাপ চা খায়। এই একটুকুই যেন তার আপন সময়, নিজের সঙ্গে কিছু মুহূর্ত।

ওপাশে ছিল ছেলেটি—রাফি। পাশের ফ্ল্যাটে থাকে। ছেলেটিরও একই অভ্যাস। সকালবেলায় একটা বই হাতে, আর এক কাপ চা।

প্রথম কয়েকদিন শুধু চোখাচোখি হতো। এরপর একদিন হালকা হাসি। তারপর একদিন, চুপচাপ এক ইশারায় রাফি জিজ্ঞেস করল—
“চা খাবেন?”

রিমি একটু হেসে মাথা নাড়ল—হ্যাঁ।

সেই শুরু।
প্রতিদিন সকালে তাদের দু’জনের বারান্দায় দেখা হতো। মাঝখানে লোহার গ্রিল, কিন্তু মনে মনে যেন একটি সেতু গড়ে উঠছিল।

একদিন রাফি বলল, “চায়ের স্বাদে তোমার মতো মিষ্টি কিছু নেই রে।”

রিমি লজ্জায় মাথা নিচু করে বলল, “সব মিষ্টি চায়ের চিনি থেকেই হয় না, কেউ কেউ হৃদয় দিয়েও মিষ্টি করে তোলে।”

তারপর একদিন বিকেলে, হঠাৎ বৃষ্টি এল। রিমি বারান্দায় চা না নিয়ে দাঁড়িয়েছিল। হালকা মন খারাপ ছিল তার।
রাফি এবার সাহস করে নিজেই চলে এল রিমির দরজায়, দুই কাপ চা হাতে।
বলল, “আজ শুধু চোখে চোখে চা না, এবার সামনে বসে খাওয়া যাক, একসাথে।”

সেই দিনটা ছিল তাদের প্রথম চায়ের ‘ডেট’।
তারপর প্রতি সন্ধ্যায় তারা একসাথে চা খেত, গল্প করত, স্বপ্ন বুনত।

সময়ের সঙ্গে সম্পর্কটা গভীর হয়। তারা কখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বলেওনি—"ভালোবাসি", কিন্তু প্রতিদিনের সেই এক কাপ চা ছিলো ভালোবাসার নীরব স্বীকৃতি।

আজ, পাঁচ বছর পর, তারা এখনো সকালে একসাথে চা খায়।
ফারাক শুধু একটাই—এখন আর বারান্দার মাঝখানে লোহার গ্রিল নেই। এখন তারা একই বারান্দায় বসে, এক কাপ চা ভাগ করে নেয়।

---

শেষে:
ভালোবাসা সবসময় বড় কিছু দিয়ে শুরু হয় না। কখনো কখনো, সেটা শুরু হয় এক কাপ চা দিয়ে... ☕❤️

আয়াতুল্লাহ খামেনি আজ স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে-এই যু'দ্ধে ইরান অপরাজিত থাকবে। তিনি এটাও বলেছেন উনার বয়স হয়ে গিয়েছে উনি কে...
20/06/2025

আয়াতুল্লাহ খামেনি আজ স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে-

এই যু'দ্ধে ইরান অপরাজিত থাকবে। তিনি এটাও বলেছেন উনার বয়স হয়ে গিয়েছে উনি কেবল চেয়ারে বসে আছেন। সবকিছু পরিচালনা করতেছে তরুণরা। সেজন্য আমাকে হত্যা করলেও আমাদের কোন ক্ষতি হবেনা।♥️🔥

এদিকে ইরানের এয়ার ডিফেন্স গুলো নতুন করে সচল হয়েছে। গতকাল গাযা-য় ইসরা-য়েলের একজন কমান্ডার সহ অনেকেই নরকে গিয়েছে।

খুব সম্ভবত ইরান ইসরায়-লে ডুকে পড়বে। স্থল অভিযান শুরু হবে।
আর স্হল অভিযানে ইরান অপ্রতিরোধ্য,
কখনোই হারবেনা ইনশাআল্লাহ 🔥

ভ্যাট রিটার্ন জমার সময় বাড়ানো হয়েছে ১৯ জুন ২০২৫
09/06/2025

ভ্যাট রিটার্ন জমার সময় বাড়ানো হয়েছে ১৯ জুন ২০২৫

Address

Dhaka
1213

Telephone

+8809611625941

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Aspire Business Consultancy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Aspire Business Consultancy:

Share