Mohammad Ariful Haque Sarkar

  • Home
  • Mohammad Ariful Haque Sarkar

Mohammad Ariful Haque Sarkar Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Mohammad Ariful Haque Sarkar, Business consultant, Motijhel, .

17/03/2026

হুমায়ুন আহমেদের আবিষ্কার জনপ্রিয় অভিনেতা ফারুক ভাইয়ের সাথে আমার বিজ্ঞাপন...

টিভি পর্দায় ইন্টারভিউ ও কবিতা আবৃত্তির মধ্য দিয়েই শুরু হল আমার এবারের অমর একুশে বইমেলা। Desh Television এর পর্দায় আগামীক...
26/02/2026

টিভি পর্দায় ইন্টারভিউ ও কবিতা আবৃত্তির মধ্য দিয়েই শুরু হল আমার এবারের অমর একুশে বইমেলা।
Desh Television এর পর্দায় আগামীকাল দুপুর ঠিক ১.০০ টায় প্রচারিত হতে যাওয়া ফাগুনের মলাট অনুষ্ঠানে দেখতে পাবেন।

অবসর ক্যাফে এন্ড কাবাব, হিজলা,কেরানীগঞ্জ, ঢাকা।
05/02/2026

অবসর ক্যাফে এন্ড কাবাব, হিজলা,কেরানীগঞ্জ, ঢাকা।

সকলের দিনটি হউক নিরাপদ ও সুন্দর...❤️
09/12/2025

সকলের দিনটি হউক নিরাপদ ও সুন্দর...❤️

ধন্যবাদ ছাতিয়ানতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের... ❤️
03/12/2025

ধন্যবাদ ছাতিয়ানতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের... ❤️

বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা... আল্লাহ আপনাকে জান্নাতবাসী করুক আমিন।
30/11/2025

বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা...

আল্লাহ আপনাকে জান্নাতবাসী করুক আমিন।

Good Morning... ❤️জয় মানে কখনোই অন্যকে হারানো নয়,বরং নিজের ভেতরের দুর্বলতা গুলোকে চিনে, সেগুলোকে পরাজিত করতে শেখা- এটা...
20/11/2025

Good Morning... ❤️

জয় মানে কখনোই অন্যকে হারানো নয়,
বরং নিজের ভেতরের দুর্বলতা গুলোকে চিনে, সেগুলোকে পরাজিত করতে শেখা- এটাই প্রকৃত বিজয় !!!

আমরা প্রায়ই ভেবে বসি- জয় মানে কারো চেয়ে এগিয়ে যাওয়া, বেশি অর্জন করা বা বাহ্যিকভাবে সফল হওয়া! কিন্তু সত্যিটা হলো- বাইরের প্রতিযোগিতা সাময়িক, আর ভেতরের লড়াই'টাই আসল! এই লড়াইটা নিজের সাথে- নিজের অহংকার, ভয়, হতাশা, হিংসা, আর অলসতার বিরুদ্ধে !!!

জীবনের প্রতিটি সকালে যখন তুমি সিদ্ধান্ত নাও- আরও একটু ভালো হবে, আরও একটু ধৈর্যশীল, আরও একটু সাহসী হবে- সেদিনই তুমি তোমার ভেতরের দানবদের পরাজিত করছো!
যেদিন তুমি নিজের সীমাবদ্ধতা'কে পেরিয়ে এক ধাপ এগিয়ে যাবে-
সেদিনই তুমি সত্যিকার অর্থে বিজয়ী হবে !!!

মনে রেখো- বাইরের যে কোনো জয় একদিন ম্লান হয়ে যায়, কিন্তু নিজের ভিতরের জয় তোমাকে শান্তি, শক্তি আর স্থিরতা দিবে আজীবন!
তোমার আসল প্রতিপক্ষ অন্য কেউ নয়- তোমার ‘গতকালের তুমি’!
তাকে হারিয়ে ‘আজকের তুমি’ যদি একটু ভালো, একটু দৃঢ়, আরেকটু আলোকিত হতে পারো- তাহলেই তুমি সত্যিকারের বিজয়ী !!!
#প্রেরণার_ঝুলি থেকে
Salam Khan Dulal

অভিনন্দন প্রিয় বাংলাদেশ ফুটবল টিম ❤️✌️⚽🇧🇩
19/11/2025

অভিনন্দন প্রিয় বাংলাদেশ ফুটবল টিম ❤️✌️⚽🇧🇩

"আগে, এই কার্তিক মাসের শেষ দিকে, আমরা আগুন হাতে নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করে মশা তাড়াতাম এবং শীত এলে মশা এমনিতেই অনেক কমে যেত। ...
15/11/2025

"আগে, এই কার্তিক মাসের শেষ দিকে, আমরা আগুন হাতে নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করে মশা তাড়াতাম এবং শীত এলে মশা এমনিতেই অনেক কমে যেত। আর এখন দিনদিন সবকিছু এত উন্নত হয়েছে যে, শীত, গ্রীষ্ম, বর্ষা—সব মৌসুমেই মশা একই রকম। কেউ যেন মশার কিছুই করতে পারছে না, বরং মশার কামড়ে ডেঙ্গু জ্বর হয়ে সমানে মানুষ মরছে।

> তাহলে আমাদের উন্নতি না অবনতি, কোনটা হচ্ছে???"

"উন্নয়নের স্ববিরোধিতা" (Paradox of Progress)-এর একটি চমৎকার বাস্তব উদাহরণ।

বিষয়টা ব্যাখ্যা করা যাক:

১. আমরা কোন দিক দিয়ে 'উন্নত' হয়েছি?
প্রযুক্তিগত উন্নতি: আমাদের হাতে এখন মশা মারার স্প্রে, কয়েল, ভ্যাপোরাইজার, ফগার মেশিন (ধোঁয়া ছিটানোর যন্ত্র) আছে। যা আগে ছিল না।
চিকিৎসা বিজ্ঞান: ডেঙ্গু হলে তা নির্ণয় করার কিট, স্যালাইন এবং চিকিৎসা পদ্ধতি আগের চেয়ে অনেক উন্নত।
যোগাযোগ: আমরা অনেক দ্রুত খবর পাই যে মশা বেড়েছে বা ডেঙ্গু হচ্ছে।

২. তাহলে সমস্যাটা কোথায়? (কেন অবনতি মনে হচ্ছে?)
আমাদের ছোটবেলার স্মৃতিতে যে শীত আসত এবং মশা কমে যেত, সেটা ছিল প্রকৃতিগত ভারসাম্য (Ecological Balance)। আমাদের "উন্নতি"-ই সেই ভারসাম্য নষ্ট করেছে:

অপরিকল্পিত নগরায়ণ: আমরা যত্রতত্র দালানকোঠা তৈরি করেছি। ড্রেনেজ সিস্টেম বা বর্জ্য নিষ্কাশন ব্যবস্থা ঠিক রাখিনি। ফলে মশার জন্মানোর জন্য (যেমন: টায়ার, প্লাস্টিকের বোতল, ড্রেনের বদ্ধ পানি) আদর্শ পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

জলবায়ু পরিবর্তন: বিশ্বজুড়ে উষ্ণতা বাড়ার কারণে এখন শীতকাল আগের মতো তীব্র ও দীর্ঘস্থায়ী হয় না। শীতকালেও তাপমাত্রা মশার বংশবৃদ্ধির জন্য অনুকূল থাকছে। আপনার পর্যবেক্ষণ একদম ঠিক—শীত এলেও মশা কমছে না।

প্রাকৃতিক শত্রু কমে যাওয়া: শহর থেকে ব্যাঙ, মশাখেকো পাখি, ছোট মাছ (যারা মশার লার্ভা খেত) কমে গেছে। ফলে মশাদের প্রাকৃতিক শত্রু নেই।
মশার অভিযোজন: মশাগুলোও কীটনাশক সহনশীল (Pesticide Resistant) হয়ে উঠেছে। সাধারণ স্প্রে বা ফগারে তারা আর মরে না।

#উপসংহার: কোনটা হচ্ছে?
সোজা কথায়:
আমাদের প্রযুক্তিগত উন্নতি হয়েছে, কিন্তু পরিবেশগত, জনস্বাস্থ্যগত এবং নাগরিক ব্যবস্থাপনায় মারাত্মক অবনতি হয়েছে।**

আমরা দালান, রাস্তা আর ইন্টারনেট পেয়েছি (উন্নতি); কিন্তু তার বিনিময়ে পরিষ্কার বাতাস, মশা-মুক্ত পরিবেশ আর প্রাকৃতিক ভারসাম্য হারিয়েছি (অবনতি)।

আসল উন্নতি সেটাই, যা টেকসই (Sustainable)—অর্থাৎ যা পরিবেশকে ধ্বংস না করে মানুষের জীবনযাত্রার মান বাড়ায়।

বর্তমানের এই একপেশে উন্নতিতে আমরা আসলে একটি বড় মূল্য দিয়ে যাচ্ছি।

26/10/2025

জাপানি Suzuki ট্রেনিং চলছে...

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় আফ্রিকার সাহারা মরুভূমিতে একটি যুদ্ধবিমান ভেঙে পড়ে। যাত্রীরা সবাই মারা গেলেও আশ্চর্যজনকভাবে পাই...
21/10/2025

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় আফ্রিকার সাহারা মরুভূমিতে একটি যুদ্ধবিমান ভেঙে পড়ে। যাত্রীরা সবাই মারা গেলেও আশ্চর্যজনকভাবে পাইলট প্রাণে বেঁচে যায়। চারপাশে শুধু ধু ধু বালু আর আগুন ঝরা রোদ। খাবার নেই, পানি নেই, আশ্রয় নেই — সম্বল বলতে কিছু শুকনো বিস্কুট আর এক বোতল পানি!

তিনদিন পর বোতলের পানি শেষ হয়ে গেল। সূর্যের তাপ, পানির অভাব এবং নিঃসঙ্গতা — সব মিলিয়ে পাইলট একদম নিঃশেষ, মৃতপ্রায়। তখন তার মনে পড়ে, সে পাইলট হবার আগে ছিল একজন চিত্রশিল্পী! পকেটে পেন্সিল ছিল, সাথে একটা ভাঙা চশমা। মরুভূমির বালুতে সে আঁকা শুরু করল — তার পরিবার, প্রিয়জন, তার শহরের রাস্তা, ঘরবাড়ি, গাছপালা!

সে জানত, সে মরবে। কিন্তু মৃত্যুর আগে সে তার স্মৃতি ধরে রাখতে চায়। আশ্চর্যজনকভাবে ছবি আঁকার সময় পাইলট অনুভব করে, তার তৃষ্ণা খানিকটা কমে গেছে, মনটাও শান্ত হয়েছে। সে ভাবল, আমি এখনও বেঁচে আছি। যতক্ষণ আমি স্বপ্ন দেখতে পারি, ততক্ষণ আমি হারিনি!

অষ্টম দিনে এক ফরাসি উদ্ধারকারী দল তাকে খুঁজে পায়। তারা অবাক হয়ে দেখে — শরীর দুর্বল, চোখের নিচে কালি, ঠোঁট ফেটে গেছে, কিন্তু বালিতে ছবি আঁকছে এক পাইলট — যেন কোনো এক জাদুকর!

উদ্ধারের পরে সেই পাইলট বলেছিল, "আমি টিকে ছিলাম, কারণ আমি বিশ্বাস করেছিলাম। আমার চোখের ভাঙা চশমা আর হাতের পেন্সিল আমাকে মরুভূমিতেও বাঁচিয়ে রেখেছিল।"

শিক্ষা: জীবন কখনো কখনো সবকিছু কেড়ে নেয়, কিন্তু একটা জিনিস কেড়ে নিতে পারে না — তা হলো আপনার বিশ্বাস।
আপনি যদি বিশ্বাস করেন যে আপনি পারবেন, তাহলে পৃথিবীর কেউ আপনাকে হারাতে পারবে না।

Collected

গতকাল 'জুলাই সনদ স্বাক্ষর' অনুষ্ঠানে যিনি সঞ্চালনা করেছেন, তিনি জনাব মনির হায়দার— একজন স্বনামধন্য সাংবাদিক, লেখক, রাজনৈ...
18/10/2025

গতকাল 'জুলাই সনদ স্বাক্ষর' অনুষ্ঠানে যিনি সঞ্চালনা করেছেন, তিনি জনাব মনির হায়দার— একজন স্বনামধন্য সাংবাদিক, লেখক, রাজনৈতিক বিশ্লেষক এবং বর্তমানে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ডক্টর মোহাম্মদ ইউনুসের বিশেষ সহকারী হিসেবে সিনিয়র সচিব পদমর্যাদায় আসীন। উনার যোগ্যতা ও অবস্থান নিয়ে আমি এই অধমের কিছু বলার ধৃষ্টতা নেই।

কিন্তু বাংলা ভাষার একজন উপস্থাপক এবং এ দেশের শিল্প-সংস্কৃতির ক্ষুদ্র কর্মী হিসেবে, এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে উনার সঞ্চালনা, বিশেষ করে বারবার ভুল উচ্চারণ, সে বিষয়ে কিছুটা সমালোচনা করার অধিকার আমি রাখি বলে মনে করি।

অনুষ্ঠানটিতে সঞ্চালকের ভূমিকায় উনার কণ্ঠস্বর পেশাদার ছিলো না এবং তিনি অসংখ্য শব্দের ভুল উচ্চারণ করেছেন। তার মধ্যে যে দুটি শব্দ তিনি বারংবার ভুল উচ্চারণ করেছেন, তা হলো:

১. এবং (যার সঠিক উচ্চারণ: এবোঙ্) ২. সনদ (যার সঠিক উচ্চারণ: শনোদ) (সূত্র: বাংলা একাডেমি বাঙলা উচ্চারণ অভিধান)

রাষ্ট্রীয় এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ আয়োজনে সঞ্চালকের মুখে এই ধরনের উচ্চারণ বিভ্রাট মোটেও কাম্য নয়।

আমি এই পর্যন্ত বিভিন্ন ধরনের প্রায় ৩০০ অনুষ্ঠানে উপস্থাপনা করেছি এবং গত দুটি বছর ধরে বাংলা উচ্চারণ ও শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করার নিরন্তর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আমি মূলত বাণিজ্যিক/কর্পোরেট অনুষ্ঠান বেশি উপস্থাপনা করি, যেখানে কম সময়ে দ্রুত ডেলিভারি দিতে হয়। সেক্ষেত্রে দু-একটি উচ্চারণ ভুল হলে অনেক বোদ্ধা আড়ালে সমালোচনা করেন। তাদেরকে বলছি, পারলে এই অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা একটু দেখুন ও শুনুন। সাহস থাকলে কিছু লিখুন।

এবার মূল কথায় আসি। বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে একটি অদ্ভুত প্রবণতা হলো, সবাই সব কাজ করতে চায় এবং কোনোমতে 'চালিয়ে' নিতে চায়। এ কারণেই এখানে অনেক প্রচলিত ও অপ্রচলিত পেশার সুনির্দিষ্ট বাজার তৈরি হয় না এবং কোনো ব্যবসাই টেকসই রূপ পায় না। কারণ এখানে প্রায় সবাই সব বিষয়ে পাণ্ডিত্য জাহির করতে চায়, যার ফলে অনেক ক্ষেত্রেই একটি লেজেগোবরে অবস্থা তৈরি হয়।

একই কারণে রাজনৈতিক দলের অনুষ্ঠানে উপস্থাপককে অনুষ্ঠানের মূল কাজের চেয়ে 'তেলবাজি' করতেই বেশি সময় পার করতে দেখা যায়। কারণ একজন দক্ষ ও পেশাদার উপস্থাপক কখনো এমন নোংরা স্তাবকতা করতেন না।

দুর্ভাগ্যজনকভাবে, সরকারের উপরি মহল থেকে শুরু করে ব্যবসা-বাণিজ্যের কর্তাব্যক্তি পর্যন্ত অনেকেই নিজেদের স্বার্থ হাসিলের ধান্দায় ব্যস্ত থাকেন। তাই কোনমতে কাজ কাকে দিয়ে চালানো যায় সেই চেষ্টাই করেন।

শেষ কথা হলো, গতকালের 'জুলাই সনদ স্বাক্ষর' অনুষ্ঠানে যদি একজন পেশাদার উপস্থাপককে দায়িত্ব দেওয়া হতো, হয়তো আমার এই পোস্ট লেখার সাহস বা প্রয়োজন হতো না। সকলের প্রতি অনুরোধ থাকবে, শুধু নিজের পেশা ও অবস্থানকে বড় করে না দেখে, অন্য পেশাকেও সম্মান করুন এবং যোগ্য লোককে সঠিক স্থানে পদায়ন করুন। তবেই ধীরে ধীরে দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা পাবে বলে আশা করি।

পুনশ্চ: এই লেখাটি ব্যক্তিগত কারো বিরুদ্ধে নয়; এটি কেবল আমার নিজের পেশা ও প্যাশনের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং বাংলাদেশের প্রতি ভালোবাসা থেকে লেখা।

ভুলত্রুটি মার্জনীয়।

ধন্যবাদান্তে,
Mohammad Ariful Haque Sarkar
উপস্থাপক ও সমাজকর্মী।

Address

Motijhel

1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mohammad Ariful Haque Sarkar posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Mohammad Ariful Haque Sarkar:

  • Want your business to be the top-listed Business?

Share