Ababil Trade Forest

Ababil Trade Forest Draw Your Dream with us .....

** CARABAO কাপ এক্সট্রা এনার্জি ড্রিঙ্কস ২৫০মিলি (থাইল্যান্ড) ** CARABAO কাপ এনার্জি ড্রিঙ্কস দৈনন্দিন কাজের মাঝে শারীরি...
23/05/2021

** CARABAO কাপ এক্সট্রা এনার্জি ড্রিঙ্কস ২৫০মিলি (থাইল্যান্ড)

** CARABAO কাপ এনার্জি ড্রিঙ্কস দৈনন্দিন কাজের মাঝে শারীরিক এবং মানসিক শক্তি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।

** ইহা ১০০% হালাল সার্টিফাইড

MRP: 200/= (Per Pcs)

15/04/2020

৪০টি গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ-
যা অাপনার জীবনকে বদলে দেবেঃ
১। তিন সময়ে ঘুমানো থেকে বিরত থাকুনঃ
ক ) ফজরের পর থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত,
খ ) আছর থেকে মাগরিব এবং
গ ) মাগরিব থেকে এশা পর্যন্ত।
২। দুর্গন্ধময় লোকের সাথে বসবেন না।
৩। এমন লোকের কাছে ঘুমাবেন না যারা ঘুমানোর
পূর্বে মন্দ কথা বলে ।
৪। বাম হাতে খাওয়া এবং পান করা থেকে বিরত
থাকুন।
৫। দাঁতে আটকে থাকা খাবার বের করে খাওয়া
পরিহার করুন।
৬। হাতে-পায়ের আঙ্গুল ফোটানো পরিহার করুন।
৭। জুতা পরিধানের পূর্বে দেখে নিন।
৮। নামাজে থাকা অবস্থায় আকাশের দিকে তাকাবেন
না।
৯। টয়লেটে থুথু ফেলবেন না।
১০। কয়লা দিয়ে দাঁত মাঝবেন না।
১১। প্যান্ট বা ট্রাউজার পা পায়জামা বসে ডান পা আগে
পরিধান করুন।
১২। ফুঁক দিয়ে খাবার_ঠাণ্ডা করবেন না।
প্রয়োজনে বাতাস করতে পারেন।
১৩। দাঁত দিয়ে শক্ত কিছু ভাঙতে যাবেন না।
১৫। ইকামাহ এবং নামাজের মধ্যবর্তী সময়ে
কথা বলবেন না ।
১৬। টয়লেটে থাকা অবস্থায় কথা বলবেন না।
১৭। বন্ধুদের সম্পর্কে গল্প করবেন না। ভালো
কিছুও নয়। ভালো বলতে বলতে মুখ দিয়ে শয়তান
খারাপ কিছু বের করে দেবে!
১৮। বন্ধুদের জন্য প্রতিকুলতা সৃষ্টি করবেন না।
১৯। চলার সময় বারবার পেছনে ফিরে তাকাবেন না ।
২০। হাঁটার সময় দম্ভভরে মাটিতে পা ঠুকবেন না ।
২১। বন্ধুদের সন্দেহ করবেন না।
২২। কখনো মিথ্যা বলবেন না । ঠাট্টা করেও নয়।
২৩। নাকের কাছে নিয়ে খাবারের গন্ধ শুকবেন না ।
২৪। স্পষ্ট করে কথা বলুন যাতে লোকজন
সহজে বুঝতে পারে।
২৫। একা ভ্রমণ করবেন না । দুইয়ের অধিক বা
সম্ভব হলে দলবেঁধে ভ্রমণ করুন।
২৬। একা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিবেন না, বুদ্ধিসম্পন্ন
কারো সাথে পরামর্শ করুন। তবে সিদ্ধান্ত হবে
আপনার!
২৭। নিজেকে নিয়ে কখনো গর্ব করবেন না।
২৮। খাবার নিয়ে কখনো মন খারাপ করবেন না। যা
পেয়েছেন তাতেই আল্লাহ্ পাকের শুকরিয়া আদায়
করুন।
২৯। অহংকার করবেন না। অহংকার একমাত্র আল্লাহ্
পাকের সাজে।
৩০। ভিক্ষুকদের পরিহাস করবেন না ।
৩১। মেহমানদের মন থেকে যথাসাধ্য ভালো
মতো আপ্যায়ন করুন ।
৩২। ভালো কিছুতে সহযোগিতা করুন।
৩৩। দারিদ্র্যের সময়ও ধৈর্যধারণ করুন।
৩৪। নিজের ভুল নিয়ে ভাবুন এবং
অনুসূচনা করুন।
৩৫। যারা আপনার প্রতি খারাপ কিছু করে, তাদের সাথেও
ভালো আচরণ করুন।
৩৬। যা কিছু আছে তা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকুন।
আলহামদুলিল্লাহ্‌ আল্লাহ্ যা দিয়েছেন তার জন্য শুকরিয়া
আদায় করুন।
৩৭। বেশি ঘুমাবেন না , এতে স্মৃতিশক্তি লোপ
পাবে।
৩৮। নিজের ভুলের জন্য দিনে অন্তত ১০০ বার
আল্লাহ্ পাকের কাছে অনুতপ্ত হোন ।
আস্তাগফিরুল্লাহ পড়ুন!
৩৯। অন্ধকারে কিছু খাবেন না।
৪০। মুখ ভর্তি করে খাবেন না। বাচ্চাদেরকেও মুখ
ভর্তি করে খেতে দিবেন না।
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের সবাইকে এই
উপদেশ মূলক বাণী গুলো মেনে চলার
তাওফীক দান করুক।
-(আমিন)

তিন জেলে গিয়েছে মাছ মারতে। সাগরে জাল ফেলেছে। জালে ধরা পড়ল এক মৎস্যকন্যা,মারমেইড। মৎস্যকন্যা বলল,'তোমাদের আল্লাহর দোহাই ল...
14/04/2020

তিন জেলে গিয়েছে মাছ মারতে। সাগরে জাল ফেলেছে। জালে ধরা পড়ল এক মৎস্যকন্যা,মারমেইড। মৎস্যকন্যা বলল,'তোমাদের আল্লাহর দোহাই লাগে তোমরা আমাকে মেরো না।আমাকে সাগরে ফেলে দাও।তার বদলে তোমাদের প্রত্যেকের একটা করে ইচ্ছা আমি পূর্ণ করব।তবে আমি তো আর আলাদিনের জিনের মতো ক্ষমতাবান না- আমার ক্ষমতা সীমিত। আমি টাকাপয়সা ধনদৌলত দিতে পারব না।'

প্রথম জেলে বলল,'আচ্ছা ঠিক আছে, তুমি আমার বুদ্ধি বাড়িয়ে দাও।এখন যে বুদ্ধি আমার আছে তা ডাবল করে দাও।'
মৎস্যকন্যা বলল,'ডাবল করা হলো।'

দ্বিতীয় জেলে বলল,একজন যখন বুদ্ধি নিয়েছে তখন আমিও বুদ্ধিই নেব।তবে ডাবল না,আমার বুদ্ধি তিনগুণ করে দাও।'মৎস্যকন্যা বলল,'তিনগুণ করা হলো।'

তৃতীয় জেলে বলল,'আমিও বুদ্ধিই চাই তবে চাই দশগুণ। '
মৎস্যকন্যা বলল,'খবরদার,এইটি করবে না।দশগুণ বুদ্ধি তোমাকে দেয়া হলে তুমি বিপদে পড়বে। '
'বিপদে পড়া না-পড়া আমার ব্যাপার। তোমার কাছে দশগুণ বুদ্ধি চেয়েছি,তুমি বুদ্ধি দাও।'
'এখনো সময় আছে ভেবে দেখ।'
'ভাবাভাবির কিছু নাই।'
মৎস্যকন্যা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল,'আচ্ছা যাও,তোমাকে দশগুণ বুদ্ধি দেয়া হলো।আর সঙ্গে সঙ্গে তৃতীয় জেলে একটা মেয়ে হয়ে গেলো।'

-
-
_হুমায়ূন আহমেদ
_হিমুর রূপালী রাত্রি : হিমু সমগ্র pdf book পৃষ্ঠা -৬৫৭

09/04/2020

সংক্ষেপে শবে বরাতের সহিহ কথাগুলো

🔹️🔹️🔹️
১. শবে বরাতের রাতটি কি বিশেষ কিছু? এটি কি সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত?

👉জ্বী, এই রাতটি ফযিলতপূর্ণ; এর বিশেষত্ব আছে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, "আল্লাহ তায়ালা মধ্য শাবান (১৪ তারিখ দিবাগত রাত, অর্থাৎ শবে বরাত)-এর রাতে তাঁর সৃষ্টির প্রতি (রহমতের) দৃষ্টি দেন এবং মুশরিক ও বিদ্বেষ পোষনকারী ব্যতীত সকলকে ক্ষমা করে দেন।' (সহীহ ইবনে হিব্বান: ৫৬৬৫, শায়খ আলবানি, আরনাউত্ব, আওয়ামাসহ মুহাদ্দিসগণ হাদিসটি সহিহ বা হাসান বলেছেন)
[ সুতরাং ক্ষমা পাওয়ার এত বড় একটা সুযোগকে ঘুমিয়ে থেকে হাতছাড়া করা উচিত নয়। ]

🔹️🔹️🔹️
২. এই রাতের কি বিশেষ কোনো আমল আছে?
👉জ্বী না, সহীহ সনদে এই রাতের কোনো বিশেষ আমল নেই। যে কোন নফল আমল এই রাতে করা যেতে পারে।

🔹️🔹️🔹️
৩. এই রাতে আমরা কী করব?

👉যেহেতু সহিহ হাদিস অনুসারে এই রাতটি ফযিলতপূর্ণ সেহেতু এই রাতে আমরা
(১) নফল সালাত পড়তে পারি,
(২) সুন্নাহসম্মত বিভিন্ন যিকর করতে পারি,
(৩) দু'আ করতে পারি,
(৪) রাসূল (সা.) এর উপর দরুদ পড়তে পারি
(৫) তাওবাহ-ইস্তেগফার করতে পারি
(৬) দান-সাদাকাহ্ করতে পারি।
(৭) কাজা নামাযগুলো আদায় করতে পারি।

এসব নফল ইবাদত এই রাতে বৈধ ও মুস্তাহাব হওয়ার পক্ষে মুসলিম উম্মাহর প্রায় সকল আলেম একমত।

রাতটির বিশেষত্ব আছে বলেই এ রাতে যে কোনো নফল ইবাদত করা যায়। তবে এগুলো সুন্নাত মনে করা যাবে না বা যারা এসব ইবাদত করবে না তাদেরকে নিন্দা করা যাবে না।

🔹️🔹️🔹️
৪. শবে বরাতের কোনো রোযা আছে?

👉দুর্বল একটি হাদীসে এসেছে রোযার কথা। তবে যেহেতু নবীজি শাবান মাসে খুব বেশি পরিমাণে সিয়াম (রোযা) রাখতেন সেহেতু এই মাসে বেশি বেশি রোযা রাখা উত্তম।

আর প্রতি চন্দ্রমাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখ রোযা রাখা তো সুন্নাত। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে (নিয়তে) রোযা রাখলে কোনো সমস্যা নেই।

★★তাই যারা সিয়াম রাখতে চান তাঁরা (বুধ,বৃহস্পতি ওশুক্রবার- মোট তিনটি সিয়াম রাখুন।

প্রতি চন্দ্রমাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখে রোযা রাখা সুন্নাত, সেই হিসেবে চলমান শাবান মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখ ঈসায়ী হিসেবে 8-9-10 তারিখ হয়।

🔹️🔹️🔹️
৫. এই রাত কি ভাগ্যরজনী?

👉এই রাত ভাগ্যরজনী নয়। ভাগ্যরজনী হলো, লাইলাতুল কদর বা শবে কদর। প্রয়োজনে দেখুনঃ সূরা আল কদরের তাফসীর, যেকোনো তাফসীরগ্রন্থ থেকে।

[শব্দটি মূলত শবে "বরাত" না, শবে "বারাআত"। বারাআত মানে মুক্তি। যেহেতু এই রাতে গোনাহ থেকে মুক্তির সুসংবাদ এসেছে তাই এই নাম]

🔹️🔹️🔹️
৬. এই রাতে কি হালুয়া-রুটি করা ভালো?

👉জ্বী না। বরং এটি একটি নিকৃষ্ট প্রথা, যা আমাদের সমাজে চালু হয়েছে। তেমনি হৈ-হুল্লোড়, আতশবাজি ফুটানো, মাসজিদে জমায়েত হওয়া -- এগুলো খুবই বাজে প্রথা। যা কোনো হাদীসেই নেই।

🔹️🔹️🔹️
৭. এই রাতে গোসলের কোনো ফযিলত আছে?

👉না, এটি একটি বাজে প্রথা। এই রাতে গোসলের কথা হাদিসে আসেনি। কেউ সুন্নাত মনে করে এই রাতে গোসল করলে সেটি হবে বিদ'আত (দ্বীনে নবআবিষ্কার)।

এই রাতের আমল হবে একাকী, সম্মিলিত নয়। এই রাতে বিশেষ সূরা বা বিশেষ বাক্য দিয়ে যেসব নামাযের কথা বলা হয় সেগুলো ভিত্তিহীন, বানোয়াট।
(মুফতি তাকী উসমানী, মাওলানা আবদুল মালেক, শায়খ ড. আবদুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রাহ.), শায়খ আবদুল কাইয়ুম, মুহাদ্দিস মাহবুবুল হাসান আরিফি-- প্রমুখ আলেমদের লিখনী ও লেকচার থেকে সংক্ষেপিত)

গ্রন্থনা করেছেন বুয়েট কেন্দ্রীয় মসজিদের ইমাম ও খতিব হা. মাও. মুফতি রাশেদুর রহমান
(Rashed Jabin)

28/03/2020

ইটালিতে গতকাল করোনায় মারা গেছে ৯৬৯ জন। অ্যামেরিকায় ৪০১ জন। স্পেনে আজ মারা গেছে ৮৩২ জন।

মিডিয়ায় এখন শুধু করোনার খবর। কে কে ভ্যাকসিন বানাচ্ছে, কতোদিন পর ভ্যাকসিন আসতে পারে, লকডাউন কতোদিন চলবে, মোট কতো মানুষ আক্রান্ত হতে পারে, মারা যেতে পারে কতো জন – একটু পর পর আপডেইট। ৭০০ কোটি মানুষের বিশাল একটা অংশের চিন্তা এখন দখল করে আছে করোনা। পুরো পৃথিবীর মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে এখন এই অদেখা ভাইরাস।
অন্য একটা বাস্তবতা কথা বলি। এক হিসেব অনুযায়ী ২০০১ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত অ্যামেরিকার নেতৃত্বে ন্যাটো বাহিনীর হামলায় মারা গেছে প্রায় ৫ লক্ষ মুসলিম। গড়ে প্রতি বছর মারা গেছে ২৭,০০০ মুসলিম। প্রতিদিন ৭৬ জন করে।
আরেক হিসেব অনুযায়ী শুধু ২০০১-২০১১ পর্যন্ত দশ বছরে ন্যাটো জোট হত্যা করেছে ১৩ লক্ষ মুসলিমকে। অর্থাৎ প্রতি বছর গড়ে খুন করা হয়েছে ১,৩০,০০০ হাজার মুসলিমকে। প্রতিদিন মারা গেছে গড়ে ৩৫৬ জন মুসলিম।
ব্যাপারটা একটু চিন্তা করুন। পশ্চিমে মানুষ মারা যাচ্ছে আজ কয়েক সপ্তাহ ধরে। আর এই পুরোটা সময় নাওয়াখাওয়া ছেড়ে মিডিয়া এই একটা বিষয় নিয়ে পড়ে আছে। অন্যদিকে মুসলিমরা এইভাবে মারা যাচ্ছে কমসেকম ২০ বছর ধরে। ইরাক, সিরিয়া, আফগানিস্তানের মতো জায়গাগুলোতে দিনে দিনে শত শত করে মুসলিম মারা গেছে। মিডিয়া সেই খবরগুলো কিভাবে উপস্থাপন করেছে? কখনো পত্রিকার ভেতরে আন্তর্জাতিক পাতায়, ছোট্ট কলামে। কখনো আধা মিনিটের সাউন্ড বাইটে। আর বেশিরভাগ সময় বেমালুম চেপে গেছে। যেন মুসলিম মারা যাওয়াটা বিশেষ কোন ঘটনা না। স্বাভাবিক ব্যাপার। যেন এতে চিন্তিত হবার কিছু নেই। উদ্বিগ্ন হবার কিছু নেই। এটাই রুটিন।
মিডিয়ার চতুর মেসেজিং আমাদের মনকেও প্রভাবিত করেছে। অবচেতনভাবে আমরা বিশ্বাস করতে শুরু করেছি মুসলিমদের রক্ত সস্তা। আর এভাবে একসময় বদলে গেছে আমাদের পুরো চিন্তাভাবনা। উলটে গেছে হিসেবনিকেশ। নিজের অজান্তেই আমরা ধরে নিয়েছি মুসলিমদের হত্যা করা হবে, আমাদের মা-বোন-স্ত্রী-কন্যারা ধর্ষিত হবে, আমাদের সন্তানরা পঙ্গু হবে, অনাথ হবে, নিহত হবে—এটাই স্বাভাবিক। কাফির মরলে সেটা অস্বাভাবিক। মুসলিম মার খাবে, এটা স্বাভাবিক। মুসলিম প্রতিরোধ করলে, পালটা আঘাত করলে, সেটা অস্বাভাবিক।
আজ সারা পৃথিবী পাগল হয়ে গেছে। সবাই বেপরোয়া হয়ে চিন্তা করছে কিভাবে এই মৃত্যুর মিছিল থামানো যায়। যারা থামানোর চেষ্টা করছে তারা সবার কাছে হিরো। এটাই স্বাভাবিক। এটা মানুষের সহজাত প্রতিক্রিয়া। কিন্তু বিশ বছর ধরে চলা জেনোসাইডের সময় যারা মুসলিম হত্যা বন্ধ করার কথা চিন্তা করেছে, চেষ্টা করেছে বিশ্ব মিডিয়া তাদের কিভাবে উপস্থাপন করেছে? মিডিয়ার কথা বাদ দেই, এই আমরা আমরা তাঁদেরকে কিভাবে ট্রিট করেছি? রোগীকে চিকিৎসা দিতে গিয়ে করোনায় মারা যাওয়া ডাক্তার কিংবা নার্স হল হিরো। আর নির্যাতিত মুসলিমদের পাশে দাড়ানোর জন্য দুনিয়ার সব কিছু ছেড়ে দিয়ে, সবার চোখে অচ্ছুৎ হয়ে হাসি মুখে যারা নিজেদের জীবন দেয়া তাঁরা কী? মিডিয়া তাঁদের কী বলে? আমরা তাঁদেরকে কী বলি?
আজ তো অবস্থা এমন হয়ে গেছে যে নির্যাতিত মুসলিমদের নিয়ে চিন্তা করাটাকে অ্যামেরিকা আর তার গোলামি করা সরকারগুলো ‘র‍্যাডিক্যালিযম’ বলে। আর অ্যামেরিকার আদর্শিক গোলামি করা কিছু মুসলিম কোলাবরেটর (না বুঝলে “রাজাকার” পড়ুন) বলে ‘কৃত্রিম গ্লানিবোধ’। দ্বীন বেচে দিন কাটানো লোকেরা আমাদের শিখায় এসব নিয়ে চিন্তা না করতে। এগুলো নিয়ে আমাদের মাথাব্যাথার কিছু নেই। আমরা আমাদের মতো থাকি। শান্তশিষ্ট, ছাপোষা, সন্তুষ্ট।
অথচ আমাদের কী করা উচিৎ ছিল? আমাদের দায়িত্ব কী ছিল?
আল্লাহ্‌ আযযা ওয়া জাল কি বলেননি?
وَإِنَّ هَـٰذِهِ أُمَّتُكُمْ أُمَّةً وَاحِدَةً وَأَنَا رَبُّكُمْ فَاتَّقُونِ
তোমাদের এসব উম্মাত তো একই উম্মাত (যারা একই দ্বীনের অনুসরণ করে), আর আমিই তোমাদের প্রতিপালক, কাজেই আমাকেই ভয় করো। [তরজমা, সূরা আল-মু’মিনুন, ৫২]
নবী ﷺ কি বলেননি,
ما من امرئٍ مُسلمٍ يخذُلُ امرأً مسلمًا في موضعٍ تُنتَهكُ فيه حرمتُه، ويُنتقَصُ فيه من عِرضِه إلّا خذله اللهُ في موطنٍ يُحِبُّ فيه نُصرتَه
যে মুসলিম অপর কোনো মুসলিমের সম্মানহানি করা হলে কিংবা মর্যাদা ভূলুণ্ঠিত করা হলে তার সাহায্যে এগিয়ে আসে না, আল্লাহও তাকে এমন জায়গায় সাহায্য করবেন না, যেখানে সে আল্লাহর সাহায্য চায়। [সুনান আবু দাউদ, ৪৮৮৪; মুসনাদ আহমাদ, ১৬৩৬৮]
যে অবহেলা, যে নির্মম উদাসীনতা আমরা দেখিয়েছি। মুসলিম রক্তের ব্যাপারে যে তাচ্ছিল্য আমরা করেছি। যেভাবে আমরা অ্যামেরিকার সুরে কথা বলেছি, তাদের বানানো স্ক্রিপ্টে অভিনয় করে গেছি – তাঁর বদলে আমাদের আসলে কী প্রাপ্য? যদি যার্‌রা যার্‌রা পরিমাণ হিসেব বুঝিয়ে দেয়া হয় তাহলে আমাদের ভাগে আসলে কী জোটে? কোন দিক দিয়ে আমরা শাস্তি আর ক্রোধের উপযুক্ত নই?
প্রশ্নগুলো নিয়ে ভাবি। রাত জেগে।
উত্তর মেলে না, হিসেব মেলে না...
তারপর রক্তের ডাক উপেক্ষা করে আবার মগ্ন হই উপেক্ষার অবসাদে।
পাশ ফিরে ডুবে যাই নিঃস্পন্দ নিরাপরাধ ঘুমে।
আমি যে শান্তশিষ্ট...ছাপোষা, সন্তুষ্ট।
-
লেখাঃ আসিফ আদনান

(ইয়া রাব্বে কারীম৷ আমাদের ত্রুটি মার্জনা কর৷ আমাদেরকে হেফাযত কর)

সাশ্রয়ী দামে উন্নত মাক্স ... আমরা আপনাদের দিচ্ছি সঠিক ও বহু দিন ব্যবহার যোগ্য ১ নাম্বার মাস্ক। উন্নত মানের বিদেশ থেকে ইম...
23/03/2020

সাশ্রয়ী দামে উন্নত মাক্স ...
আমরা আপনাদের দিচ্ছি সঠিক ও বহু দিন ব্যবহার যোগ্য ১ নাম্বার মাস্ক। উন্নত মানের বিদেশ থেকে ইমপোর্ট করা । #আপনার_পরিবার_বা_অফিস_কলিগদের_জন্য_নিতে_পারেন |
যা ব্যবহারে আপনারা পাবেন...

১) ধুলাবালি ও বাতাসে থাকা বিভিন্ন ধরনের ভাইরাস থেকে মুক্তি। 😯✅
২) ধারুন ফিল্টার দিবে আপনাকে ১০০% বাতাস চলাচলের সুবিধা। 😤
৩) মুখের নাইট্রোজেন বাতাসে আপনার মুখ গরম হবে না। 😷
৪) অপরিষ্কা হয়ে গেলে হালকা কুসুম-গরম পানিতে এক চিমটি গুড়া সাবান দিয়ে ধুয়ে পেলতে পারবেন খুব সহজেই 🙂।
#দাম_মাত্র ১৫০ টাকা। যা আপনি দোকানে বা যেকোনো অনলাইন শপে কিনতে লাগবে ১৮০ থেকে ২০০ টাকা।
দ্রুত ইনবক্স করুন... কমেন্ট করে জানান ...।
Call: 01788-771864

Address

Gulshan/01
Dhaka
1212

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ababil Trade Forest posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Ababil Trade Forest:

Share