আসুন শেয়ার ব্যবসা জেনে বুঝে করি

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • আসুন শেয়ার ব্যবসা জেনে বুঝে করি

আসুন শেয়ার ব্যবসা জেনে বুঝে করি Share Business is a very risky Business without knowledge in Bangladesh. I want to help those people who want to know the ins & out of Share Business.

21/08/2024

✔✔নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ✔✔
(বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত ও নিয়ন্ত্রিত)
🚀"গার্ডিয়ান লাইফ ইন্সুরেন্স লিমিটেড " বাংলাদেশ এর স্বনামধন্য , ১০০% স্বচ্ছ, ডিজিটাল ও চতুর্থ প্রজন্মের সেরা ইন্সুরেন্স কোম্পানি ।
🚀আমাদের দেশের তিনটি শীর্ষ কোম্পানী (Apex, BRAC এবং SQUARE) এর যৌথ মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত "
🚀বাংলাদেশের ৪র্থ প্রজন্মের পূর্নাঙ্গ তথ্যপ্রযুক্তি শতভাগ ডিজিটাল ও ব্যাংকিং লেনদেনে পরিচালিত "গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিঃ" -এ নিয়োগ চলছে-
➤পদের নামঃ Financial Associates ((FA)।
➤শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ এসএসসি, এইচএসসি, ডিগ্রি (অনার্স)।
➤অভিজ্ঞতাঃ প্রযোজ্য নহে।
➤ অগ্রাধিকারঃ শিক্ষক/শিক্ষিকা, অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা/সরকারি চাকুরীজীবি/বেসরকারি চাকুরীজীবি, মসজিদের ইমাম এবং স্মার্ট ছেলে/মেয়ে।

➤➤চাকুরীর সুযোগ-সুবিধাসমূহঃ
১. Insurance Development Regulatory Authority -IDRA (সরকার) কর্তৃক নির্ধারিত কমিশন।
২. মাসিক বেতন।
৩. মোবাইল বিল
৪. ত্রৈমাসিক বোনাস।
৫. বার্ষিক বোনাস।
৬. লিডার্স ক্লাব এ্যাওয়ার্ড বোনাস।
৭. পিকনিক ক্লাব।
৮. গ্রুপ কভারেজ চিকিৎসা সুবিধা (পরিবারসহ)
৯. প্রভিডেন্ট ফান্ড (পেনশন সুবিধা)
১০. দেশ-বিদেশে ভ্রমণ সুযোগ সুবিধা।
১১. হজ্জ ও ওমরাহ সুবিধা।
১২. নিজ সন্তানের দেশ-বিদেশে লেখা পড়া সুবিধা।
১৩. প্রোমোশন সুবিধা।

➤➤ আবেদনের শর্তবলিঃ
১. সদ্য তোলা পার্সপোর্ট সাইজের ছবি (২কপি)
২. সকল শিক্ষাগত সনদের ফটোকপি।
৩. জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি।
৪. বয়স সীমা (২০ বছর থেকে ৫০ বছর)

➤➤ বিঃদ্রঃ আনলিমিটেড ইনকাম করতে চাইলে আজই গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিঃ-এ যোগদান করুন এবং নিজের ও পরিবারের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত রাখুন।

আরো বিস্তারিত জানতে ইনবক্সে মেসেজ করুন।।
অথবা
Email: [email protected]
Contact: 01911-760106

15/04/2022

পতনরোধে বিএসইসির সিদ্ধান্ত, বিশ্লেষকদের অভিমত:
ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের শেয়ারবাজারে যখন একের পর এক সূচকের রেকর্ড পতন হচ্ছিলো, ঠিক তখন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) পতনরোধে তাৎক্ষণিক কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। এর প্রেক্ষিতে পতনের বৃত্ত থেকে ঊর্ধ্বমুখী ধারায় ফিরে আসে শেয়ারবাজার। এতে করে বাজার ঘুরে দাঁড়ায় এবং সিকিউরিটিজের শেয়ারদর ও লেনদেনে গতি ফিরে আসে। এই পর্যায়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থার বেশিরভাগ সিদ্ধান্ত প্রশংসিত হলেও ২ শতাংশ সার্কিট ব্রেকার নিয়ে রয়েছে বাজার বিশ্লেষকদের নানা মত।

বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, ব্যাংকগুলোর কাছে অর্থ পড়ে আছে, যা তারা বিনিয়োগ করে বাজারকে সার্পোর্ট দিতে পারে। এতে করে বাজার নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মাঝে যে অস্থিরতা রয়েছে তা কেটে যাবে। এছাড়াও ব্যাংকগুলোকে বন্ড ছাড় দেওয়ার বিষয়ে বিএসইসির যে সাহসী পদক্ষেপের কথা জানিয়েছে, তা ব্যাংকগুলোকে বিনিয়োগ বৃদ্ধির উৎসাহ যোগাবে।

অন্যদিকে, মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলোর কাছে যে অর্থ পড়ে আছে সে অর্থ বিনিয়োগ করলেও বাজার অনেক বেশি সাপোর্ট পাবে। বাজারকে সাপোর্টদেওয়ার জন্য এই বিষয়গুলো নিয়ে বিএসইসি প্রশংসিত হলেও ২ শতাংশ সার্কিট ব্রেকার নিয়ে রয়েছে দ্বিমত।

গেলো কয়েক দিনে বিএসইসি যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা বাজারের জন্য কি পরিমাণ সাপোর্টদিবে এমন প্রশ্নের জবাবে শেয়ারবাজার বিশ্লেষক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক আবু আহমেদ শেয়ারনিউজকে বলেন, ব্যাংকগুলো বিনিয়োগের জন্য যে ফান্ড গঠন করেছে সেগুলো তারা আগেই বিনিয়োগ করেছে। যারা ফান্ড গঠন করেনি তাদের বিষয়টি আলাদা। কিন্তু মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলো কোথা থেকে বাজারে বিনিয়োগ করবে। তাদের কাছে তো অর্থ নেই।

তিনি আরও বলেন, মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলো বাজারের জন্য কখনোই ভালো কিছু করতে পারেনি। ফান্ডগুলোর বিষয়ে বিনিয়োগকারীদের মাঝে আস্থা নেই। গত ১০ থেকে ১২ বছর যাবত শেয়ারবাজারে এমনটাই লক্ষ্য করা গেছে।

আবু আহমেদ বলেন, বিএসইসি সার্কিট ব্রেকার নিয়ে ২ শতাংশের যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা পৃথিবীর কোথাও নেই। এসব করে আসলে বাজারকে স্থিতিশীল করা সম্ভব নয়। এই সিদ্ধান্ত বাজারের রুলসের বাইরে গিয়ে পরিপালন করা হচ্ছে। বরং বাজারকে তার নিজের গতিতে চলতে দেওয়া উচিৎ। বাজারের ভালো ভালো কোম্পানি না আসলে বাজারে স্থিতিশীল করা সম্ভব নয়।

বিষয়টি নিয়ে এএফসি ক্যাপিটালের সিইও মাহবুব এইচ মজুমদার শেয়ারনিউজকে বলেন, বিএসইসি বাজারে স্থিতিশীল করার জন্য তাৎক্ষণিক যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা সময় উপযোগী। ব্যাংকগুলোকে তাদের বিনিয়োগের বিষয়ে মনে করিয়ে দেওয়া বা উৎসাহ দেওয়া, মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলোকে বাজারে বিনিয়োগ বৃদ্ধির উৎসাহ দেওয়া খুবই ভালো সিদ্ধান্ত। এই সমস্ত সিদ্ধান্ত বাজারের জন্য খুবই পজেটিভ।

তিনি আরও বলেন, ২ শতাংশ সার্কিট ব্রেকার পৃথিবীর কোন বাজারে নেই। আমাদের দেশের এটি হয়তো সাময়িক সময়ের জন্য দেওয়া হয়েছে। বাজারের অতিরিক্ত পতন ঠেকানোর জন্য এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। যা সময়িক ভালো হলেও এটি যেন বেশি দিন না থাকে। কারণ বাজারের সাথে এমন সিদ্ধান্ত যায় না। এই সিদ্ধান্ত এক সপ্তাহ বা দুই সপ্তাহ পরে তুলে দিলেই বাজারের জন্য ভালো হবে

তবে ২ শতাংশ সার্কিট ব্রেকার করার সময় বিএসইসির কমিশনার ড. শেখ সামসুদ্দিন আহমেদও বলেছেন, সার্কিট ব্রেকারের এই পরিবর্তন সাময়িকভাবে করা হয়েছে। বাজারের পরিস্থিতির আলোকে এটা তুলে দেওয়া হবে।

এর আগে, গত মঙ্গলবার বাংলা‌দেশ সি‌কিউ‌রি‌টিজ অ‌্যান্ড এক্স‌চেঞ্জ ক‌মিশন (‌বিএসই‌সি) ক‌মিশনার ড. শেখ সামসু‌দ্দিন আহ‌মেদ বাজারের অতিরিক্ত পতন ঠেকাতে নতুন করে সার্কিট ব্রেকারের ঘোষণা দেন। নতুন নিয়ম অনুযায়ী তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ারদর স‌র্বোচ্চ বাড়‌তে পার‌বে ১০ শতাংশ। আর স‌র্বোচ্চ কম‌তে পার‌বে ২ শতাংশ।

এছাড়াও স্ট‌্যাবলাই‌জেশন ফান্ড থে‌কে ১০০ কো‌টি টাকা বি‌নি‌য়ো‌গের জন‌্য আই‌সি‌বি‌কে নি‌র্দেশ দেওয়া হ‌য়ে‌ছে। আই‌সি‌বি ইত্যোম‌ধ্যে এই বিনিয়োগ শুরু করেছে। বাণিজ্যিক ব‌্যাংকগু‌লোর যে ২০০ কো‌টি টাকা ক‌রে শেয়ারবাজারে বি‌নি‌য়ো‌গের কথা র‌য়ে‌ছে, বর্তমানে তা‌ বি‌নি‌য়ো‌গের জন‌্য বাংলা‌দেশ ব‌্যাংক ব‌্যাংকগু‌লো‌কে উৎসাহ দিয়েছে। যে সকল ব‌্যাংক এখনও ফান্ড গঠন ক‌রে‌নি, তা‌দের‌কে ফান্ড গঠন করার জন‌্যও বাংলাদেশ ব‌্যাংক নি‌র্দেশনা দি‌য়ে‌ছে বলে জানান তিনি। এজন‌্য তিনি বিএসইসির পক্ষ থেকে বাংলাদেশ ব‌্যাংককে ধন‌্যবাদ জানান।

এরই প্রেক্ষিতে ব্যাংকগুলোর সাথে পরের দিনই বৈঠক করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। ব্যাংগুলোর চীফ ফাইন্যান্স অফিসাররা (সিএফও) বিএসইসির সাথে তিনটি বিষয়ে একমত হয়েছে। সিদ্ধান্ত তিনটির মধ্যে ব্যাংগুলোর শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের সীমা রয়েছে ২৫ শতাংশ। যেসব ব্যাংকের বিনিয়োগ ২৫ শতাংশের কম রয়েছে, তারা আগামী কয়েকদিনের মধ্যে ২ শতাংশ বিনিয়োগ বৃদ্ধি করবে।

শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের জন্য ব্যাংকগুলোর ২০০ কোটি টাকার ফান্ড গঠন করার কথা রয়েছে। যেসব ব্যাংক এখনও ফান্ড গঠন করেনি, সেসব ব্যাংক দ্রুত ফান্ড গঠন করবে। আর যারা ফান্ড গঠন করেছে, আগামী কয়েকদিনের মধ্যে শেয়ারবাজারকে সাপোর্ট দেওয়ার জন্য যতটুকু সাপোর্ট প্রয়োজন ব্যাংকগুলো সেই পরিমাণ বিনিয়োগ করবে।

ট্রায়াল-১ এবং ট্রায়াল-২ ক্যাপিটাল হিসেবে যে সকল ব্যাংক পারপেচ্যুয়াল বন্ড এবং সাব অর্ডিনেন্ড বন্ড ইস্যুর জন্য আবেদন করবে, সেগুলো খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে অনুমোদন দেয়া হবে। ব্যাংকের যে সকল বিষয় ক্যাপিটাল রাইজিংয়ের সাথে জড়িত, সেগুলোও দ্রুত অনুমোদন দেয়া হবে।

এর পরের দিন (১০ মার্চ) বৃহস্পতিবার বাজারে তারল্য প্রবাহ বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে অ্যাসেট ম্যানেজম্যান্টদের সাথে বৈঠকে বসছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। অ্যাসেট ম্যানেজম্যান্টগুলোর সাথেও তিনটি বিষয়ে একমত হয়েছে কমিশন।

সিদ্ধান্ত তিনটির মধ্যে রয়েছে: অ্যাসেট ম্যানেজম্যান্টগুলোর ফান্ডের কাছে যে অলস অর্থ রয়েছে, তা তারা বাজারে বিনিয়োগ করবে। বর্তমানে যে সকল কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ লাভজনক অবস্থানে রয়েছে, সেগুলোতে তারা বিনিয়োগ করবে। আর ব্যাংক ইন্স্যুরেন্স এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে তারা ফান্ড ম্যানেজ করবে। আর সেই ফান্ড বাজারে বিনিয়োগ করবে। এর আগে বিএসইসির কাছে ব্যাংকগুলোর সিএফও’রাও অ্যাসেট ম্যানেজম্যান্টগুলোকে ফান্ড দেয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

সৌজন্য: শেয়ারনিউজ

Pls read to know.......
24/02/2022

Pls read to know.......

ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ : অর্থনীতিতে তিনটি বিশেষ খাতের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। প্রথমটি হলো ব্যাংকিং খাত, যেখানে .....

Pls Readবাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা কী শেয়ারবাজারের জন্য ইতিবাচক?
24/02/2022

Pls Read
বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা কী শেয়ারবাজারের জন্য ইতিবাচক?

নিজস্ব প্রতিবেদক: শেয়ারবাজারে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ নিয়ে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) বাংলাদেশ ব্যাংক একট.....

কিছু কথা যতদিন পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ থাকবে ততদিন কাজে লাগবে।১। মনে রাখবেন মার্কেট যেমন একটানা ৫-৬ মাস ভালো ছিলো বা বেড়েছে ...
15/10/2021

কিছু কথা যতদিন পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ থাকবে ততদিন কাজে লাগবে।

১। মনে রাখবেন মার্কেট যেমন একটানা ৫-৬ মাস ভালো ছিলো বা বেড়েছে তার আগেও কিন্তু ৩-৪ মাস টানা খারাপ ছিল সূচক ৫৯০০ থেকে ৫২০০ তে নেমেছিলো। সুতরাং কখনো ভাববেন না মার্কেট শুধু টানা বাড়বে বা টানা কমবে। সুতরাং কোনো একটা উত্থান বা পতনের পড়ে উল্টোটার জন্য অপেক্ষা করুন। কারো কথায় প্ররোচিত না হয়ে নিজের মেধা খাটানোর চেষ্টা করুন।

২। বর্তমান ধারাবাহিকতায় দেখা যাচ্ছে সেক্টর চেইঞ্জ করার মূহুর্তে মার্কেট স্লো হয় বা কারেকশন হয় ২-৩-৪ মাস যাবত। আশা করি জুন ক্লোজিং আপাতত থামবে এবং সামনে ডিসেম্বর ক্লোজিংয়ের দিন আসবে তাই এখনি সময় বিশেষ করে অবমূল্যায়িত ব্যাংক গুলো পজিশন নেয়া যেতে পারে ইন্সুরেন্স আরেকটু কারেকশনে এন্ট্রি দেয়া যেতে পারে ফিন্যান্স ও তবে জুন ক্লোজিংয়ের ডিভিডেন্ড এবং ডিসেম্বর ক্লোজিংয়ের ইপিএস ডিক্লারেশন্টা শেষ হলে এন্ট্রি দেয়া উত্তম এগুলোতে, আশা করি ডিসেম্বর থেকে মার্কেট মোটামুটি ভালো থাকবে

৩। এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মার্কেট একটানা ভালো ছিল সূচক ২০০০ পয়েন্টের উপরে বৃদ্ধি পেয়েছে, ফরচূনের (১৭-১০০) মতো বহু শেয়ার অতিমূল্যায়িত হয়েছে যা কেউ কল্পনাও করতে পারেনি যদি কেউ বলে বুঝবেন সে উন্নতমানের চাপাবাজ ও ঠকবাজ। এর মধ্যেও কিছু মানুষ প্রফিট করতে পারেনি এটা অবশ্যই তাদের ব্যার্থতা, এবং অজ্ঞতা। উদাহরনঃ- ১২-১৫ টাকার ইন্সুরেন্স ৭০-৮০-২০০ টাকায় গিয়ে ঠেকেছে, ৭-৮ টাকার টেক্সটাইল বেশিরভাগ ৩০-৩৫ টাকা, সব ফিন্যান্স কমপক্ষে ডাবল হয়েছে লোপেইড ব্যবসা দিয়েছে, মাঝখানে মিউচুয়াল ফান্ড ও ব্যবসা দিছে ৭-৮ মাস বা এক বছর আগে একটা র‍্যালি হয়েছিল, বাকী আছে শুধু কিছু ব্যাংক তাও ২-৪ টা ব্যাংক নিয়মিত মুভমেন্টে আছে যেমন IFIC, NRBC, SBAC, Bracbank, Citybank, Dutchbanglabank. Rupalibank. AbBank

৪। আপনি কতটুকু প্রফিট করতে পারলেন এটা পুরোটাই নির্ভর করবে আপনার অভিজ্ঞতা এবং ইন্টেলিজেন্সির উপর। এঘাট ওঘাট ঘুরে ২ টায় লাভ করবেন ১০ টায় লস করবেন সুতরাং নিজের উপর আত্মবিশ্বাস বাড়ান, স্ক্রিন রিডিং বোঝার ট্রাই করুন, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে স্ক্রিন রিডিং বোঝাটা।

৫। খারাপ মার্কেটে ভুল করেও ৫% বেড়ে যাওয়া শেয়ারের দিকেও তাকাবেন না তাহলে ৯৯% ক্ষেত্রে আপনি ধরা খাবেন ১% এন আর বিসির মত লাইজ্ঞা যেতে পারে। সিদ্ধান্ত আপনার। খারাপ মার্কেটে টাকা ক্যাশ রাখা উত্তম ৫-১০% স্টপ লস দিয়ে হলেও।

৬। সব সময় মার্কেট ট্রেন্ডের সাথে থাকার ট্রাই করবেন। ষ্টেশনে গিয়ে বিকল ট্রেনে উঠে বসে থাকলে সারাজীবনেও গন্তব্যে পৌছা যাবে না মনে রাখবেন।

৭। এই মার্কেট হচ্ছে একটা বিশাল সমূদ্রের মতো কূল কিনারা বিহীন। যেটা আজকে ১৭ থেকে ১০০ গেলো সেটা আবার ১৭ টাকার নিচে আসবে ৫-১০ বছর পরে হলেও। এটা যে বুঝবে সে কখনো অতিমূল্যায়িত শেয়ার কিনবে না, কারন বাজারে ন্যায্যমূল্যে অনেক শেয়ার পরে আছে। ইন্ডেক্স কোথায় যাবে বা কোথায় নামবে এটা একমাত্র মার্কেট মেকাররাই জানেন সুতরাং কারো কথায় বিভ্রান্ত হবেন না, শুধু মনে রাখবেন শেষ বলতে কিছু নেই এই বাজারে,

৮। বেড়ে যাওয়া শেয়ারের পিছনে ছুটবেন না, সহজ সূত্র- কমলে বায় বাড়লে সেল এবং প্রফিট টেক করা শিখুন বা অভ্যাস করুন।

₩₩ এক সময় যে সমস্যাগুলো আমি নিজে ফেইস করতাম সেই জায়গাগুলোই আপনাদের বাতলে দিচ্ছি। পোস্টটা তাদের জন্য যারা তুলনামূলক নতুন এবং অনভিজ্ঞ, যারা পরিপক্ক অবশ্যই তাদের জন্য নহে এবং তারা ignore করুন।

ধন্যবাদ।

10/10/2021

মুনাফা তোলার কিছু টিপস

শেয়ারবাজারে চাঙ্গাভাব বিরাজ করছে। চাঙ্গা বাজারে শেয়ার কিনে লাভ করা সত্যিই দুস্কর। গত এক বছরে বাজারের অনেক উন্নতি হয়েছে। তালিকাভুক্ত প্রায় সব শেয়ারের দরই বেড়েছে। বর্তমান বাজারে বিচার-বিশ্লেষণ না করে হুজুগে বিনিয়োগ করলে ঝুঁকির সম্ভাবনা প্রায় শতভাগ। আর বিচার-বিশ্লেষণ করে ভালো শেয়ারে বিনিয়োগ করলে দীর্ঘমেয়াদে হলেও লাভের সম্ভাবনা বেশি থাকবে। সেজন্য শেয়ার কেনার আগে আপনাকে অবশ্যই কিছু বিষয়ের ওপর লক্ষ্য রাখতে হবে।

দেশি-বিদেশি শেয়ারবাজার বিশেষজ্ঞদের মতামতের আলোকে শেয়ার ব্যবসায় লাভবান হওয়ার কিছু মৌলিক কৌশল তুলে ধরা হলো। তবে সব সময় যে এসব বিষয় কার্যকর ফল দেবে এমন নাও হতে পারে। বিশেষ করে স্বল্প মেয়াদে কাঙ্খিত ফল পাওয়া মুশকিল হতে পারে। তবে বিষয়গুলো বিবেচনায় রেখে বিনিয়োগ করা হলে দীর্ঘ মেয়াদে ভালো ফল পাওয়া যেতে পারে।

১। শেয়ারের মূল্য আয় অনুপাত (P/E Ratio) : পিই রেশিও ২০ এর কম হওয়া ভালো। পিই রেশিও যত কম হয়, বিনিয়োগে ঝুঁকি তত কম। মূল্য-আয় অনুপাত হচ্ছে একটি কোম্পানির শেয়ার তার আয়ের কতগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে তার একটি পরিমাপ। শেয়ারের পিই যতো কম হবে, বিনিয়োগ ঝুঁকিও ততো কম হবে। আর পিই যতো বেশি হবে, বিনিয়োগ ঝুঁকিও ততো বেশি হবে। সাধারণত ২০-এর কম পিই রেশিওর শেয়ারে বিনিয়োগকে নিরাপদ মনে করা হয়। আর ৪০-এর বেশি পিই রেশিওর শেয়ারে বিনিয়োগকে ঝুঁকিপূর্ণ মনে করা হয়।

২। শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (NAV) : সম্পদ মূল্যের সাথে বাজারমূল্যের একটা সামঞ্জস্য থাকা উচিত। যদিও কোম্পানির অবসায়ন (বিলুপ্তি) না হলে সম্পদ মূল্যে বিনিয়োগকারীর কার্যত কিছু যায় আসে না। কোম্পানির অবসায়ন হলেই কেবল শেয়ারহোল্ডাররা ওই সম্পদের কিছুটা ভাগ পেতে পারেন। এক্ষেত্রেও সম্পদ বিক্রির মূল্য থেকে আগে ব্যাংক ঋণ এবং অন্যান্য পাওনা পরিশোধ করা হয়। এরপর কিছু অবশিষ্ট থাকলে তা শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হয়।

৩। শেয়ার প্রতি আয় (EPS) : তালিকাভুক্ত কোম্পানির ইপিএস যত বেশি হবে, বিনিয়োগের জন্য ততো বেশি উপযুক্ত বা ভালো মনে করা হয়। কারণ ইপিএস বেশি হলে কোম্পানির বেশি ডিভিডেন্ড দেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। আর ইপিএস কম হলে কোম্পানির ডিভিডেন্ডের সক্ষমতাও কমে যায়।

৪। শেয়ারের সংখ্যা : কোম্পানির শেয়ার সংখ্যা দেখুন কতটুকু ফ্লোটিং বা লেনদেনযোগ্য। চাহিদা-যোগানের সূত্র অনুসারে লেনদেনযোগ্য শেয়ার সংখ্যা কম হলে তার মূল্য বাড়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। অন্যদিকে লেনদেনযোগ্য শেয়ার সংখ্যা বেশি হলে বাজারে তা অনেক বেশি সহজলভ্য হয়। এছাড়া, বিনিয়োগের সময়ে প্রতিদিন ভালো অঙ্কের শেয়ার লেনদেন হয় এমন কোম্পানির শেয়ার কেনা ভালো। কারণ কোনো কারণে জরুরী ভিত্তিতে টাকার প্রয়োজন হলে সহজেই শেয়ার বিক্রি করে টাকা সংগ্রহ করা সম্ভব। কিন্তু নিয়মিত লেনদেন হয় না এমন শেয়ারে বিনিয়োগ করা হলে জরুরিভিত্তিতে বিনিয়োগ প্রত্যাহার সম্ভব নয়।

৫। অনুমোদিত মূলধন (authorized capital) আর পরিশোধিত মূলধন (paid-up capital) এর রেশিও : অনুমোদিত মূলধন ও পরিশোধিত মূলধনের রেশিও বা পরিমাণ কাছাকাছি থাকলে বোনাস ও রাইট শেয়ার ইস্যু করা বেশ কঠিন। এ ক্ষেত্রে কোম্পানিকে আগে অনুমোদিত মূলধন বাড়াতে হবে। বোনাস ডিভিডেন্ডে যেসব বিনিয়োগকারীর বিশেষ ঝোঁক রয়েছে তাদের উচিত এসব বিষয় দেখা নেওয়া।

৬। ডিভিডেন্ড ঈল্ড (Dividend Yeild) : শেয়ারের বাজার মূল্য বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অভিহিত মূল্যের চেয়ে বেশি হতে পারে। তাই লভ্যাংশের হার প্রকৃত রিটার্ন নির্দেশ করে না। ডিভিডেন্ড ঈল্ডই শেয়ারের সঠিক রিটার্ন। বাজার মূল্যের ভিত্তিতে প্রাপ্য লভ্যাংশ বিনিয়োগের কত শতাংশ তা-ই হচ্ছে ডিভিডেন্ড ইল্ড। ঘোষিত ডিভিডেন্ডকে ১০০ দিয়ে গুণ করে সংশ্লিষ্ট শেয়ারের বাজার মূল্য দিয়ে ভাগ করলে ডিভিডেন্ড ইল্ড পাওয়া যায়। এ ইল্ড যত বেশি হবে বিনিয়োগকারীর প্রাপ্তিও তত বাড়বে।

৭। ডিভিডেন্ড ট্র্যাক রেকর্ড : গত ৩-৪ বছরের ট্র্যাক রেকর্ড দেখুন। কোম্পানিটি কী পরিমাণ ডিভিডেন্ড দেয় তা দেখুন। বার্ষিক গড় মূল্য দেখুন। চেষ্টা করুন এই মূল্যের কাছাকাছি দামে শেয়ার কেনার।

৮। মুনাফার ট্র্যাক রেকর্ড : গত ৩-৪ বছরের মুনাফার ট্র্যাক রেকর্ড দেখুন। কোম্পানিটি কী পরিমাণ মুনাফা করছে, তা দেখুন। বছরভিত্তিক মুনাফার পার্থক্য দেখুন।

৯। শেয়ারে অংশগ্রহণ : স্টক এক্সচেঞ্জে প্রতি মাসে তালিকাভুক্ত কোম্পানিতে উদ্যোক্তা পরিচালক, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী, বিদেশি বিনিয়োগকারী ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের শেয়ারে অংশগ্রহণ দেখানো হয়। এতে দেখুন উদ্যোক্তা পরিচালক, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ও বিদেশি বিনিয়োগের কোন পরিবর্তন হচ্ছে কীনা। এই পরিবর্তনের উপর শেয়ারটির দর উঠা-নামা করতে পারে।

১০। কোম্পানির গুড উইল: আপনি যে কোম্পানির শেয়ার কিনবেন সে কোম্পানির গুড উইল ও তার পরিচালকদের সামাজিক ও রাজনৈতিক দিকটাও বিবেচনায় নিতে হবে। একটি কোম্পানি কতটুকু ভালো ব্যবসা করবে, ব্যবসার সম্প্রসারণের সম্ভাবনা কতটুকু তা নির্ভর করে এর উদ্যোক্তাদের দূরদর্শীতা, দক্ষতা ও আন্তরিকতার উপর। একইভাবে মুনাফার সবটুকু হিসাবে অন্তর্ভূক্ত করা হবে কি-না, লভ্যাংশের ক্ষেত্র অতিমাত্রায় রক্ষণশীল হবে, না-কি বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ বিশেষ বিবেচনায় নেওয়া হবে তাও নির্ভর করে তাদের উপর।

মনে রাখতে হবে, বিক্রির সময় নয়, বরং কেনার সময়ই লাভের বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। অর্থাৎ ভালো দামে শেয়ার কিনতে পারলে ভালো লাভের সম্ভাবনা বেশি থাকবে। কেনার সময় দাম বেশি পড়ে গেলে লাভের সম্ভাবনা একটু হলেও কমে আসবে।

25/09/2021

"বিনিয়োগকারীদের জন্য ওয়ারেন বাফেটের ১৬ পরামর্শ"
শেয়ার ব্যবসায় বিংশ শতাব্দীর সফল বিনিয়োগকারী হিসেবে বিবেচিত ওয়ারেন বাফেট বিনিয়োগকারীদের জন্য বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পরামর্শ দিয়েছেন। সেসব পরামর্শ চাইলে আপনিও আপনার বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করতে পারেন। ওয়ারেন বাফেটের ১৬টি পরামর্শ তুলে ধরা হলো, যা বিনিয়োগকারীদের কাজে আসতে পারে-

১. লাভ পুনরায় বিনিয়োগ করুন: যখন আপনি শেয়ার মার্কেটের প্রথম বিনিয়োগ থেকে মুনাফা করবেন তখন সেটা আবার পুনরায় সেখানেই বিনিয়োগ করুন। উদাহরনস্বরূপ ওয়ারেন বাফেট বলেন: হাইস্কুলে পড়ার সময় বাফেট এবং তার বন্ধুরা মিলে একটি পিনবল (একধরনের খেলা) মেশিন কিনে ব্যবসা শুরু করেন। ব্যবসায় তাদের লাভ হয়। সেই লাভ তারা ভোগ না করে ঐ অর্থ দিয়ে আরও চারটি মেশিন কিনলেন। অর্থাৎ তারা ব্যবসা পাঁচগুন করে ফেলেন। আপনাকেও ব্যবসা বৃদ্ধি করতে হলে শুরুতেই লাভ ভোগ করা যাবে না। কেননা, এই ক্ষুদ্র অঙ্কের সমষ্টিই আপনাকে বিরাট সম্পদের অধিকারী করে তুলবে।

২. সবার সাথে তাল মেলাবেন না: সবাই যা করছে আপনিও ঠিক তাই করলে চলবেনা। আপনাকে হতে হবে ব্যতিক্রম। মার্কেটে সবাই যখন শেয়ার বিক্রি করছে তাদের দেখাদেখি আপনিও শেয়ার বিক্রি করলে দেখলেন যে দাম পড়ে গেছে। আবার যখন সবাই পাগলের মতো শেয়ার কেনা শুরু করেছে, তখন আপনি কিনতে গিয়ে দেখলেন যে, দামতো আকাশ ছোঁয়া। কিন্তু বাফেট সবসময় সেইসব ভালো কোম্পানি খুঁজে বের করতেন, যেগুলোর দিকে অন্যদের এখনো দৃষ্টি পড়েনি, পাশাপাশি সেই ভালো শেয়ারগুলো যা বিক্রয় চাপের কারণে পানির দরে চলে এসেছে। এমন শেয়ার কিনলেই আপনি ক্ষতির মূখে পড়বেন না।।

৩. সিদ্ধান্ত নিতে হবে দ্রুত: কোন কোম্পানির শেয়ার কেনার জন্য সিদ্ধান্ত নিতে হলে যে পরিমাণ তথ্য এবং বিশ্লেষণ দরকার তা দ্রুত শেষ করেই আপনি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিন। মনে করুন, আপনি কোনো শেয়ার কিনতে চাচ্ছেন কিন্তু তার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য বা যে পরিমান বিশ্লেষণ করা দরকার তা করতে পারছেন না, তাহলে এমন শেয়ার কেনার চিন্তা বাদ দিয়ে অন্য শেয়ার নিয়ে ভাবুন। অন্য কোনো সেক্টর কিংবা অন্য কোনো শেয়ারের পর্যাপ্ত তথ্য থাকলে তাই কিনুন। তবে সিদ্ধান্ত হিনতায় শেয়ার কিনবেন না।

৪. ব্রোকারেজের বিষয়ে সিদ্ধান্ত: ব্রোকারেজ হাউজে অ্যাকাউন্ট খোলার আগেই আপনাকে সব বিষয় জেনে বুঝে নিতে হবে। যে ব্রোকারে অ্যাকাউন্ট খুলবেন তারা কমিশন কত নিবে, আপনি কি সুযোগ সুবিধা পাবেন, মার্জিন কত ইত্যাদি বিষয়াদি। অ্যাকাউন্ট আগে খুলে পরে হতাশ হওয়ার কোনো মানে নেই। ঠিক শেয়ার কেনার আগেও সবকিছু জেনেই কিনুন।

৫. ট্রেড কমাতে হবে: যারাই শেয়ার মার্কেট ভালো বুঝেন তারা অতিমাত্রায় ট্রেড করে। ফলে যা মুনাফা করছে তার বেশিরভাগই কমিশন আর মার্জিন লোন শোধ করতেই শেষ হয়ে যায়। তাছাড়া গাড়ি ভাড়া ব্যয়ে সিএনজিতে করে ব্রোকারেজ হাউজে গিয়ে ট্রেড করার তো কোনো মানে নেই। এখন ঘরে বসে ইন্টারনেট ব্যবহার করেই ট্রেড করা সম্ভব। এতে যেমন অর্থের অপচয় হবেনা, তেমনি সময়ও বাঁচবে।

৬.ঋণ থেকে সাবধান: ঋণ করা টাকা হচ্ছে একটি বন্ধুত্ব সম্পর্ককে ভেঙ্গে দেওয়ার সহজ উপায়। ঋণ করে ব্যবসা করে তেমন মুনাফা করা যায়না। কেননা যা রোজগার হবে তা ধার শোধ করতেই ব্যয় হয়ে যাবে। ফলে জীবন ও অগোছালো হয়ে পড়বে।তাছাড়া বন্ধু, কিংবা আত্মীয় অথবা মার্জিন লোন নিয়ে শেয়ার ব্যবসা করা অনেক বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। ওয়ারেন বাফেট জীবনে কখনো কারও কাছ থেকে ধার নিয়ে ব্যবসা করেননি। তাঁর উপদেশ হচ্ছে- খরচ কমান আর সঞ্চয় থেকে বিনিয়োগ করুন।

৭. ধৈর্য্যশীল হতে হবে: ধৈর্য্য এবং নিষ্ঠার সাথে যেকোনো কিছু করলে তা থেকে একটু দেরিতে হলেও সাফল্য আসবেই। সফল শেয়ার ব্যবসায়ী হওয়া খুব সহজ নয়। আপনাকে কোম্পানি এবং সেক্টর বুঝতে হবে। একদিনেই সব হবেনা। কিন্তু আজ থেকে যদি চেষ্টা করেন তবে এক পর্যায়ে দেখবেন অনেক কিছুই হাতের নাগালে চলে এসেছে।

৮. সময় বুঝে হাল ছাড়তে হবে: বিফল কিছুর পিছনে একনাগারে লেগে থাকবেন না। একটি কোম্পানি যদি বছরের পর বছর খারাপ পারফর্ম করে তাহলে তা নিয়ে বসে থাকার কোনো মানে নেই। লোকসান গোনা বন্ধ করতে শিখুন। বেঁচে যাওয়া এই টাকা বরং অন্য কোম্পানিতে বিনিয়োগ করুন।

৯. ঝুঁকির মাত্রা নির্ধারণ করুর: শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করে কতটা লোকসান সহ্য করতে পারবেন এটা আপনি জানেন। আপনার ক্ষেত্রে সেটা কত? ১০ হাজার নাকি ১ লাখ নাকি ১০ লাখ নাকি ১ কোটি। নিজের ক্ষমতার বাইরে ঝুঁকি নিয়ে আপনি লাভবানও হতে পারেন কিন্তু লস করলে পথে বসে যাবেন। তাই ঝুঁকির মাত্রা নির্ধারণ করুন এবং তা অবশ্যই মেনে চলুন।

১০.সাফল্যের অর্থ বুঝতে হবে: সাফল্যের মানে কি শুধুই টাকা নয়। একজন মানুষের জীবনে টাকা ছাড়া অনেক কিছু আছে- পরিবার, ক্যারিয়ার, সম্মান ইত্যাদি। বাকি সবকিছু ধরে রেখে আপনার কত টাকা হলে চলবে তা কখনো চিন্তা করেছেন? অতিরিক্ত টাকার পেছনে ছুটে আমরা অনেকেই জীবনের অর্থ হারিয়ে ফেলি। প্লীজ, এটা কখনোই করবেন না। তাহলে জীবনের রংটাই বদলে যাবে।

১১. স্টক বিনিয়োগের দিকে দৃষ্টি রাখুন: আপনার ব্যবসার অংশ হিসেবে স্টক বিনিয়োগের দিকে দৃষ্টি রাখুন। নিজেকে জিজ্ঞাসা করুন, ‘আপনি কেমন বোধ করবেন, যদি আগামীকাল থেকে আগামী তিন বছরের জন্য স্টক এক্সচেঞ্জের ব্যবসা বন্ধ হয়ে যায়। এরকম পরিস্থিতিতে আপনি কি বন্ধ রাখলে খুশি না কি এ ব্যবসার সঙ্গে থেকে আপনি আনন্দ বোধ করছেন। বিনিয়োগের ক্ষেত্রে এ ধরনের মানসিক কাঠামো গঠন করা অত্যন্ত জরুরী।

১২. মার্কেট আপনাকে সেবা দেবে নির্দেশনা নয়: এই মার্কেট আপনাকে সেবা দিচ্ছে কিন্ত কোনো নির্দেশনা দিচ্ছে না। আপনি কি সঠিক না ভুল এটা আপনাকে বলবে না। ব্যবসার ফলাফলের ওপর এটা নির্ধারণ করবে। তাই নিজেকে সফল করার জন্য চোখ কান খোলা রেখে এগিয়ে যেতে হবে।

১৩. মার্জিন ঋণ পরিহার: একটি শেয়ারের মূল্য আপনি অবিকল জানতে পারবেন না। সুতরাং বিনিয়োগ নিরাপদ রাখতে হলে মার্জিন ঋণ পরিহার করুন। তাহলে আপনি যে শেয়ারে ঢুকবেন তা ভুল ভুল হলে সহজে বেরিয়ে আসতে পারবেন।

১৪. আবেগে বিনিয়োগ নয়: শেয়ার জানেনা আপনি এটার মালিক। কেননা আপনার এটা সম্বন্ধে অনুভূতি থাকলেও এটার কিন্তু আপনার সম্বন্ধে কোনো অনুভূতি নেই। শেয়ার জানেনা, আপনি এখানে কত অর্থ প্রদান করেছেন। তাই আবেগের বশীভূত হয়ে এখানে বিনিয়োগ করা একদমই উচিত নয়।

১৫. হিসাব করে ব্যয়: উর্পাজন প্রসঙ্গে- কখনো একমাত্র আয়ের উৎসের ওপর নির্ভরশীল হবেন না। দ্বিতীয় আয়ের নতুন উৎস তৈরির জন্য বিনিয়োগ করুন। ব্যয়ের ক্ষেত্রে- আপনি যদি এমন কিছু কেনেন যা আপনার দরকার নাই, তাহলে শিগগিরই ( দৈনন্দিন খরচ মেটাতে) আপনার দরকারি জিনিসপত্র বিক্রি করে দিতে হবে। তাই হিসাব করে ব্যয় করতে শিখুন।

১৬. সবগুলো ডিম একই ঝুঁড়িতে রাখবেন না: সঞ্চয়ের ক্ষেত্রে- খরচ করে যেটুকু বাকি থাকে তা থেকে সঞ্চয় না করে বরং সঞ্চয় করে যা থাকে সেখান থেকেই খরচ করুন। ঝুঁকি নেওয়ার সময়- কখনোই উভয় পা পানিতে রেখে নদীর গভীরতা পরিমাপ করতে যাবেন না। অর্থাৎ সব সময় কিছু সম্বল রেখে দিবেন। পুরোটাই ঝুঁকি নেওয়ার জন্য ব্যবহার করবেন না। বিনিয়োগের জন্য- সবগুলো ডিম একই ঝুড়ির মধ্যে নেবেন না। অর্থাৎ একটি মাত্র ক্ষেত্রে বিনিয়োগ না করে ভিন্ন ভিন্ন ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করুন, যাতে মূলধন হারানোর ঝুঁকি কম থাকে।

Thanks for Reading & Staying with us.

25/09/2021

"একটি সিদ্ধান্ত নিন এক টাকাও লস দিয়ে কোন আইটেম বিক্রি করবো না "
আমি নতুন বিনিয়োগকারী!
শেয়ার বিজনেস অনেক মজার বিজনেস, যদি জেনে শুনে এবং সঠিক তথ্য সংগ্রহ করে বিনিয়োগ করতে পারেন।
এ বিজনেস করতে কোন দোকান ভাড়া দিতে হয় না, কর্মকর্তা কর্মচারীদের বেতন দিতে হয় না, ইলেকট্রিসিটি বিল দিতে হয় না এমন কি কোন ধরনের প্যারাও নিতে হয় না শুধুমাত্র সঠিক তথ্য সংগ্রহ করতে হয়, মেধাবী হতে হয়, সঠিক সিদ্ধান্ত নিবার ক্ষমতা থাকতে হয়।
আপনার অপরিনামদর্শীতার জন্য এবং ভুল সিদ্ধান্তের জন্য এ বাজারকে গালিগালাজ করবেন না।
আজ আপনি কিনেছেন বলেই কি শুধু দাম বাড়তেই থাকবে এমনটা ভাবা একদম সঠিক নয়, আপনাদের বিনিয়োগের ১/৪ অংশ দিয়ে প্রথমে কিছু শেয়ার কিনুন,এর পর দাম কমলে আবার ১/৪ অংশ দিয়ে কিছু শেয়ার কিনুন, এর পর কিছুদিন বাজারকে বিশ্লেষন করুন, গতিবিধি আমলে নিন, এর পর আবার কিছু কিনুন, যদি দেখেন দাম বাড়তে শুরু করেছে তাহলে নিরব থাকুন, এবং টার্গেট প্রাইজ ঠিক করুন এবং আপনার লাভ গ্রহন করুন।
অনেক সময় দাম পরে যায়, তবে লস দিয়ে বিক্রি করবেন না, এভারেজ করতে না পারলে কিছুদিন চুপচাপ থাকুন এবং আপনার সময় এসে গেলে লাভ গ্রহন করুন।
শেয়ার বাজার বর্তমান সময় এক সোনালী সময় অতিক্রম করছে এবং এর পরিধি অনেক দূর। খুব তাড়াতাড়ি দেখতে পাব আমরা ১০,০০০ সূচক অতিক্রম করছি।
নতুন বিনিয়োগকারীদের প্রতি আমার অনুরোধ
"একটি সিদ্ধান্ত নিন এক টাকাও লস দিয়ে কোন আইটেম বিক্রি করবো না "
সকলের জন্য শুভকামনা রইল।

24/08/2021

বিনিয়োগের ১০ টি সোনালী নিয়ম
@@@@@@@@@@@@@@

শেয়ারবাজার খুবই জটিল, স্পর্শকাতর ও টেকনিক্যাল জায়গা। এখানে সুনির্দিষ্ট কোনো নিয়ম বা পদ্ধতি মুনাফার নিশ্চয়তা দেয় না। কারণ অনেক ধরনের ফ্যাক্টর কাজ করে এখানে। আর এসব ফ্যাক্টর নিয়মিত পরিবর্তনশীল। তাই এই বাজারে বিনিয়োগের সময় অনেক সতর্ক ও যত্নবান থাকতে হয়; নইলে বড় ধরনের লোকসানের ঝুঁকি থাকে। কিছু নিয়মকানুন অনুসরন করলে এখানে ভালো করার সুযোগ থাকে। লোকসানের আশংকা কম থাকে। বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত ১০টি নিয়ম এখানে তুলে ধরা হল। তবে নিজ নিজ বাস্তবতা ও বিচার-বিশ্লেষণের আলোকে নিয়মগুলো অনুসরণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়াই ভালো।

০১. বিনিয়োগযোগ্য তহবিলকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করুন

আপনার হাতে বিনিয়োগ করার মত যে অর্থ আছে, তাকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করুন।
তিটি ভাগ ভিন্ন ভিন্ন খাতে বিনিয়োগ করুন। ধরুন-আপনার হাতে ৩০ লাখ টাকা আছে। এটিকে আপনি তিনটি সমান ভাগে ভাগ করতে পারেন। এ থেকে ১০ লাখ টাকা সঞ্চয়পত্রে, ১০ লাখ টাকা শেয়ারবাজারে এবং বাকী ১০ লাখ টাকা জমি বা অন্য কোনো সম্পদ কেনায় কাজে লাগাতে পারেন।

এভাবে বিভিন্ন খাতে ভাগ করে বিনিয়োগ করা হলে ঝুঁকি কমে আসে। একটি খাতে কোনো কারণে মন্দা দেখা দিলে বা লোকসানে পড়লে অন্য খাতের মুনাফা দিয়ে তা পুষিয়ে নেওয়া যায়। তাই ভুলেও আপনার পুরো অর্থ শেয়ারবাজার বা একটি খাতে বিনিয়োগ করবেন না।

০২. সক্রিয় শেয়ারে বিনিয়োগ করুন

শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করার ক্ষেত্রে বেশ কিছু বিষয়ে নজর রাখা ভাল। এর মধ্যে দেখতে হবে কোম্পানির মৌলভিত্তি। কোম্পানিটি কী পণ্য উৎপাদন করে, উৎপাদিত কোথায় বিক্রি করে, গত কয়েক বছরের বিক্রি, মুনাফা ও লভ্যাংশের রেকর্ড।

এসবের পাশাপাশি একটি বিষয়কে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। দেখতে হবে আপনি যে শেয়ারটিতে বিনিয়োগ করার কথা ভাবছেন তা সক্রিয় শেয়ার কি-না। অর্থাৎ বাজারে প্রতিদিন উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় ওই শেয়ারটির কেনা-বেচা হয় কি-না। কারণ আপনাকে বিনিয়োগ করার সময় ওই বিনিয়োগ সহজে প্রত্যাহার করার কথাও ভাবতে হবে। যে শেয়ার নিয়মিত পর্যাপ্ত সংখ্যায় কেনা-বেচা হয় না, সেটিতে বিনিয়োগ করা হলে অনেক সময় বিপদে পড়তে হয়। শেয়ার বিক্রির সময় ক্রেতা পাওয়া যায় না। অথবা অনেক কম দামে বিক্রির অফার দিতে হয়। এতে হয় বিনিয়োগ আটকে যায়, নয়তো লোকসান দিয়ে সেখান থেকে বের হয়ে আসতে হয়।

০৩. বিনিয়োগের আগে পরিকল্পনা জরুরী

যে কোনো শেয়ার কেনার আগে একটি পরিকল্পনা থাকা ভালো। আপনি কত শতাংশ মুনাফা আশা করেন কিংবা কত শতাংশ লোকসান হলে আপনি ওই শেয়ার বিক্রি করে বের হয়ে আসবেন তা আগে থেকে ভেবে নেওয়া ভাল।

ধরা যাক, আপনি একটি শেয়ারে ১০ শতাংশ মুনাফা করার কথা ভেবে বিনিয়োগ করেছেন। শেয়ারটির মূল্য উর্ধমুখী ধারায় থাকলে আপনি হয়ত ১৫ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত মুনাফার জন্য অপেক্ষা করতে পারেন। কিন্তু দাম বাড়ছে দেখে কখনো লোভে পড়ে যাবে না। গুজবে কান দেবেন না। আরও বাড়বে এমন আশায় বসে না থেকে শেয়ারটি বিক্রি করে দেওয়াই হবে সবচেয়ে ভাল কাজ। এ সময় বিক্রি না করলে মুনাফার পরিবর্তে উল্টো লোকসানে পড়তে হতে পারে।

০৪. অতিমাত্রায় লেনদেন নয়

খুব বেশী লেনদেন করা ভাল বিষয় নয়। লেনদেন করতে হবে হিসেব করে, পরিকল্পনার মধ্য দিয়ে। কোনো শেয়ার বিক্রি করার পর এর টাকা দিয়ে ওই দিনই শেয়ার কেনার জন্য অস্থির হয়ে উঠার কোনো মানে নেই। বরং একটু অপেক্ষা করে পরিকল্পনাটি সাজান। ভাল করে পর্যালোচনা করে দেখুন, কোনো শেয়ারের মূল্যস্তর বিনিয়োগ অনুকূল অবস্থায় আছে কি না। যৌক্তিক মূল্যে শেয়ার না কিনতে পারলে মুনাফা করার সুযোগ থাকে কম।

৫. নির্বাচিত শেয়ারে বিনিয়োগ করুন

আমাদের বাজারে প্রায় পৌনে তিনশ কোম্পানি তালিকাভুক্ত আছে। এখান থেকে ৫-১০টি কোম্পানি বেছে নিয়ে সেগুলোতে বিনিয়োগ করা ভাল। খুব বেশী সংখ্যক কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ করা হলে আপনার পক্ষে সবগুলো শেয়ারের খোঁজখবর রাখা কঠিন হয়ে যেতে পারে। আর মনোযোগের অভাবে আপনি হয়তো কোনো শেয়ার থেকেই কাঙ্খিত মুনাফা নাও পেতে পারেন। এমনকি লোকসানে পড়ার আশংকাও থাকে যথেষ্ট।

০৬. শেয়ারটি সম্পর্কে জেনে নিন আগে

যে শেয়ারে বিনিয়োগ করতে যাচ্ছেন, সেটি সম্পর্কে ভালভাবে জেনে নেওয়া উচিত। বন্ধু-বান্ধব বা পরিচিতদের কথায় অন্ধভাবে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত না নেওয়াই ভাল। অনেক সময় শোনা যায়, ওই শেয়ারটির দাম কয়েকদিনের মধ্যে ২০ শতাংশ বেড়ে যাবে। তমুকটির দাম ৩০ শতাংশ কমে যাবে।

এসব গুজবে কান না দেওয়াই ভাল। বরং এমন কোনো তথ্য কানে আসলে এর যৌক্তিকতা কী তা পর্যালোচনা করে দেখুন। কোম্পানির কোনো অপ্রকাশিত তথ্য আছে কী-না, সংশ্লিষ্ট খাতের ব্যবসায় কোনো পরিবর্তন ঘটছে কী-না, এক্সটার্নাল কোনো ফ্যাক্টর আছে কী-না সে বিষয়ে খোঁজ-খবর নিয়ে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করুন।

০৭. প্রতিদিনই মুনাফার স্বপ্ন নয়

শেয়ারবাজারে কখনও কখনও কিছু সময় প্রতিদিনই আপনার মুনাফা হতে পারে। কিন্তু তাই বলে প্রতিদিনই মুনাফা হবে এমনটি ধরে নেওয়া উচিত নয়। এমন আশায় বিনিয়োগ করা হবে বোকামি। অতিমাত্রার আশাবাদের কারণে আপনার বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত হতে পারে ভুল।

০৮. মুনাফা প্রত্যাহার করতে শিখুন

কোনো শেয়ারে মুনাফা হলে, আরও মুনাফার আশায় অপেক্ষা না করে শেয়ার বিক্রি করে দেওয়া ভাল। এতে খাতাকলমে থাকা মুনাফা আপনার ঘরে (অ্যাকাউন্টে) আসবে। মনে রাখবেন, গরু গোয়ালে না থেকে কেতাবে থাকলে কোনো লাভ নেই।

সামগ্রিক বিনিয়োগের ক্ষেত্রেও মুনাফা প্রত্যাহার করার অভ্যাস করতে হবে। মুনাফার পুরো অর্থ পুনঃবিনিয়োগ না করে এর একটি অংশ প্রত্যাহার করে নিন। সেটি অন্য কোনো খাতে বিনিয়োগ করুন। লাভজনক খাত পাওয়া না গেলে অন্তত ব্যাংকে মেয়াদী আমানত হিসাবে জমা রাখুন। তাতে আপনার ঝুঁকি অনেক কমে আসবে।

০৯. মন্দ সময়ের জন্য প্রস্তুত থাকুন

শেয়ারবাজারে উত্থান-পতন নিয়মিত বিষয়। আপনি হয়ত চাঙ্গা বাজারে বিনিয়োগ করেছেন, কিন্তু মুনাফা নেওয়ার আগেই ওই বাজারের গতিপ্রকৃতি বদলে যেতে পারে। একইভাবে একটি শেয়ারের উর্ধমুখী ধারা দেখে আপনি হঠাৎ বিনিয়োগ করে বসেছেন, কিন্তু শেয়ার ম্যাচিউরড হওয়ার আগেই শেয়ারটির দাম কমে যেতে পারে। তাই এমন মন্দ সময়ের জন্য প্রস্তুত থাকুন।

১০. গুজবের মধ্যে তথ্য খুঁজুন

বাজারে বিভিন্ন কোম্পানির ভাল-মন্দ নিয়ে নানা ধরনের গুজব ভেসে বেড়ায়। সেগুলোর কোনো কোনোটির মধ্যে সত্যতার কিছু ছাপ থাকলে থাকতেও পারে। কিন্তু অন্ধভাবে কোনো শোনা কথা কান দেবেন না। বড়জোর যেসব গুজব শোনা গেছে, সেগুলো সম্পর্ক অনুসন্ধান করে দেখুন কোনোটির সত্যতা আছে কী-না।

ধন্যবাদ। সকলেরই জন্য শুভ কামনা রইল ।

17/07/2021

প্রত্যেক বিনিয়োগকারীর একটি সাধারণ লক্ষ্য থাকে পূঁজি নিরাপদ রেখে নিশ্চিত মুনাফা করা। সেজন্য বিনিয়োগের জন্য ভালো শেয়ার বাছাই করতে হয়। ভালো শেয়ার বাছাই করার আগে বিনিয়োগকারীদের জানতে হবে কোম্পানির অতীত ও বর্তমান ইতিহাস, এর সঙ্গে কারা জড়িত, তাদের ব্যবসায়িক সততা, দক্ষতা, কোম্পানির বাজার পরিধি।

আমরা ভালো মৌল ভিত্তির শেয়ার নির্বাচনের ক্ষেত্রে নিম্নের ১০টি লক্ষণ বিবেচনা করবো।

১। ভাল প্রবৃদ্ধিঃ আমাদেরকে প্রথমেই ভালো প্রবৃদ্ধির কোম্পানিগুলো শনাক্ত করতে হবে। তারপর কোম্পানির গত ৫ বৎসরের আয় ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে কিনা দেখবো। আমাদেরকে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় দেখতে হবে, তা হলো কোম্পানীর পরিচালনা পর্ষদ। কারণ দক্ষ পর্ষদ একটি কোম্পানিকে অনেক দূর নিয়ে যেতে পারে। কোম্পানী যে সব পণ্যের উৎপাদন বা ব্যবসা করে তার ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা কি এবং কেমন হতে পারে তা অনুমান করতে হবে। এছাড়াও কোম্পানির PE রেশিও, RSI, Growth in operating profit, NPAT, এবং EPS দেখলেই আমরা নিজেরাই ভাল কোম্পানিগুলো শনাক্ত করতে পারবো।
২। কম দায়ঃ আমাদেরকে কোম্পানি নির্বাচনের ক্ষেত্রে দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় খেয়াল রাখতে হবে কোম্পানির দায়। এই দায় কোম্পানির লাভ খেয়ে ফেলে। ফলে প্রতিষ্ঠান ভাল ব্যবসা করলেও ঋণ দায়ের কারণে ভালো ডিভিডেন্ড বা লভ্যাংশ দিতে পারে না। অবশ্যই কোন কোম্পানির দায় .৫০ শতাংশের বেশি হওয়া যাবে না। যদি হয় তাহলে বিনিয়োগ তালিকা থেকে বাদ দিতে হবে।

৩। বড় বাজারঃ প্রতিষ্ঠানের উৎপাদিত পণ্যের টার্গেট কতটা বড় খেয়াল রাখতে হবে। কোম্পানিটি মোট মার্কেটের কতো শতাংশ হোল্ড করে তা দেখতে হবে। ভবিষ্যতে সম্ভাব্য বাজার কতো বড় হতে পারে তার দিকে খেয়াল রাখতে হবে। কারণ ব্যবসায় আগ্রগতি তার উপর নির্ভর করে।

৪। উচ্চ রিটার্নঃ আমাদেরকে সর্বদা উচ্চ রিটার্ন দেওয়া কোম্পানিগুলোর দিকে খেয়াল রাখতে হবে। যেসব কোম্পানি গত ৫ বৎসর যাবৎ ভালো ডিভিডেন্ড দিয়ে আসছে, সেসব কোম্পানি নির্বাচন করতে হবে। নিচের পদ্ধতিগুলো দেখে বুঝতে হবে কোনটি High Return দেওয়া কোম্পানি।

ক. Return on Equity (ROE): এর ক্ষেত্রে অনুপাত ১০ বা তার বেশি হওয়া উচিত।

খ. Return on Asset (ROA): এই পদ্ধতিতে কোম্পানির বর্তমান সম্পদ ভিত্তিক রিটার্ন কী জানা যায়। মোট আয়কে মোট সম্পদ দ্বারা ভাগ করে বের করতে হয়। একটি কোম্পানি মোট সম্পত্তির তুলনায় কতটা লাভজনক তার সূচক। এ সূচক যত বেশী হবে কোম্পানির অবস্থা ততো ভালো।

৫। যোগ্য নেতৃত্ব আমাদের অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে কারা কোম্পানিটি পরিচালনা করছে। কারণ যোগ্য নেতৃত্বের কারণে কোম্পানিটির সফলতা অনেকাংশে নির্ভরশীল। নেতৃত্বের সঙ্কটে থাকা কোম্পানিগুলো কখনো ভালো ফলাফল দিতে পারে না।

৬। প্রতিযোগিতাঃ বিনিয়োগের পূর্বে আমাদেরকে জানতে হবে বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বাজারে কোম্পানিটির প্রতিযোগী কারা কারা রয়েছে। পূর্ণ প্রতিযোগিতামুলক বাজারে টিকে থাকার জন্য ভাল গুনগতমান সম্পন্ন পণ্যের ও পণ্যের ডাইমেনশন নিয়ে ভাবতে হবে। নির্বাচিত পণ্যের Advantage গুলি কী কী আছে তা বের করে দেখতে হবে তার বাজার সম্ভাব্যতা।

৭। পরিচালকদের মালিকানার অনুপাতঃ কোম্পানির ডিরেক্টরদের অবশ্যই ৪৫ থেকে ৬০ শতাংশ শেয়ার ধারন করতে হবে। তাহলেই কোম্পানির গ্রোথ ভালো হওয়ার সম্ভবনা থাকে। আর পরিচালকদের মালিকানা কম হলে সে কোম্পানির গ্রোথ ভালো হওয়ার সম্ভবনা কম থাকে।

৮। সেক্টর নির্বাচনঃ ভবিষ্যতে কোন খাতে ব্যবসা বাণিজ্য ভালো হতে পারে তার উপর ভিত্তি করে কোম্পানির শেয়ার নির্বাচন করতে হবে।

৯। নগদ প্রবাহ ও দায়ঃ আমাদেরকে অবশ্যই কম দায় সম্পন্ন অর্থাৎ ০.৫০ শতাংশ শতাংশের কম Loan বা দায় গ্রহনকারী কোম্পানির শেয়ার নির্বাচন করতে হবে। অন্যদিকে যে সকল কোম্পানির দায় বেশী তাদের লাভ থেকে ঋণের সুদ বেশী খরচ হয়ে যায়। যে সকল কোম্পানির নগদ প্রবাহ বেশী তারা অন্যান্য কোম্পানির থেকে অনেক বেশী স্থিতিশীল হয়।

১০। অবমুল্যায়িতঃ আমাদেরকে অবশ্যই অবমুল্যায়িত কোম্পানিগুলোর শেয়ারে বিনিয়োগ করতে হবে। নিন্মোক্তভাবে অবমুল্যায়িত কোম্পানির শেয়ার নির্বাচন করতে হবেঃ

ক. Price Earning Ratio (PE Ratio): পিই রেশিও ১৫ বা তার আশেপাশে থাকা স্টকগুলো নির্বাচন করতে হবে।

খ. Price to Book Value ( PB Ratio): শেয়ারের ক্রয় মূল্য যেন কোনভাবেই NAV এর তিন গুনের বেশী না হয়।

গ. Price earning to Growth (PEG): কোম্পানির শেয়ার নির্বাচনের ক্ষেত্রে অবশ্যই ১৫ এর উর্ধে কোম্পানির স্টক ক্রয়ের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে। পিই রেশিও ১০ এর মধ্যে থাকলে ভালো। ওয়ারেন বাফেট বলেন “১৫ পিই রেশিও এর উর্ধ্বের শেয়ারে বিনিয়োগ কখনও ভালো বিনিয়োগ হতে পারে না।” বিনিয়োগকারী হিসেবে সফলতা পেতে হলে সকল পুঁজি একটি কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ না করে একাধিক ভাল কোম্পানি নির্বাচন পূর্বক বিনিয়োগই আপনার জীবন পাল্টে দিতে পারে।

ধন্যবাদ।

Address

House# 8/2, Middle Paikpara, Mirpur/1
Dhaka
1216

Telephone

+8801911760106

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আসুন শেয়ার ব্যবসা জেনে বুঝে করি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to আসুন শেয়ার ব্যবসা জেনে বুঝে করি:

Share