Mohammad Ali

Mohammad Ali রপ্তানি বিষয়ক তথ্য পেতে পেইজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন।

বাংলাদেশের অনেকেই এখন সবজি রপ্তানি শুরু করে লাখ লাখ টাকা আয় করছে।যেখানে আমরা মনে করি সবজি মানে শুধু দেশের বাজারের পণ্য, ...
09/08/2025

বাংলাদেশের অনেকেই এখন সবজি রপ্তানি শুরু করে লাখ লাখ টাকা আয় করছে।

যেখানে আমরা মনে করি সবজি মানে শুধু দেশের বাজারের পণ্য, সেখানে বিশ্বের বহু দেশে বাংলাদেশি সবজির চাহিদা আকাশছোঁয়া।

বিশেষ করে:
→ আলু
→ লাউ
→ শাক
→ পটল
→ কাঁচা মরিচ
→ বেগুন
→ শালগম
→ ঢেঁড়স
→ মরিচ
→ করলা
→ চাল কুমড়া
→ এবং লেবু

এমনকি এই সবজি প্রোডাক্টগুলো বিদেশি সুপারশপে প্রিমিয়াম দামে বিক্রি হয়।

কেন বিদেশে এত চাহিদা?

বিদেশে প্রবাসী বাংলাদেশি, ভারতীয়, পাকিস্তানি, শ্রীলঙ্কান কমিউনিটি আছে কোটি কোটি মানুষ।
তাদের খাবারের তালিকায় এসব ভেজিটেবল রোজকার প্রয়োজন।
লোকাল মার্কেটে এসব সহজে পাওয়া যায় না, তাই তারা আমদানি করে।

তাহলে আপনি কেন শুরু করবেন না?

আপনি হয়তো ভাবছেন, “রপ্তানি মানে তো বড় গোডাউন, কনটেইনার, লাইসেন্স, বড় পুঁজি দরকার!”
হ্যা দরকার! তবে সেটা আপনি যদি বড় স্কেলে ব্যবসা করেন তখন।

আপনি মাত্র ২০০–৩০০ কেজি সবজি দিয়েও প্রথম চালান পাঠাতে পারেন।

দুবাই, কুয়েত, মালয়েশিয়া, মালদ্বীপ, সৌদি আরবসহ ইউরোপের অনেকে দেশেই নিয়মিত বাংলাদেশ থেকে সবজি যাচ্ছে।

সহজে বায়ার খুঁজবেন কীভাবে?

১. ফেসবুক গ্রুপ / এক্সপোর্টার নেটওয়ার্ক:
“Vegetable Export from Bangladesh”, “Gulf Market Importers” এমন অনেক গ্রুপে বায়াররা নিজেই পোস্ট করে। (অর্ডার পাওয়ার চান্স কম তবে চেষ্টা করা যায়)

২. B2B মার্কেটপ্লেস:
Alibaba, Tradekey, Exporthub-এর মতো সাইটে নিজের প্রোডাক্টের প্রোফাইল বানিয়ে রাখুন। (অর্ডার পাওয়ার চান্স খুব ভালো)

৩. প্রবাসী বাংলাদেশিদের সংগঠন:
প্রবাসী বাংলাদেশিদের কমিউনিটিতে যোগাযোগ করলে অনেক সময় সরাসরি রেস্টুরেন্ট বা গ্রোসারি শপের মালিককে পাওয়া যায়। (হাই চান্স)

৪. Sample-based outreach:
ছোট প্যাকেজে কয়েক কেজি সবজি গুছিয়ে পরিচিত কাউকে বিদেশে পাঠিয়ে দিন।
তারা স্থানীয় দোকানদারদের দেখালে অর্ডার আসার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। (হাই চান্স)

আপনাকে যা করতে হবেঃ

✅ স্থানীয় কৃষকদের কাছ থেকে সবজি সংগ্রহ (Gap standard)
✅ দ্রুত প্যাকিং ও শিপমেন্ট
✅ ফ্রেশ রাখার জন্য প্লাস্টিক ক্রেট, বায়ো প্যাক ব্যবহার
✅ ফ্লাইট শিপমেন্ট — ১-২ দিনে মাল পৌঁছায়
✅ গুছানো কাগজপত্র

সবজি রপ্তানি মানেঃ

একটা এমন বিজনেস যেখানে প্রতিদিন অর্ডার আসতে পারে,
বাজার বিশাল! আপনি শুধু ০.১% দখল করতে পারলে সেটাই লাখ টাকার বিজনেস।

এখনো সময় আছে, বায়ারদেন রিচ করুন। নিজের এলাকার চাষীদের সঙ্গে কথা বলুন, ভেজিটেবল কালেকশন, স্টোরেজ, প্যাকিং শিখুন।
একটা ছোট চালান দিয়েই শুরু করুন আপনার এক্সপোর্টার জার্নি।

দেশের সবজি, আপনার ভবিষ্যত বদলাতে পারে।
শুধু দরকার একটা শুরু।

কিভাবে শিখবেন?
নিজের ইচ্ছা থাকলে সহজেই পারবেন। অনেকে শুরু করার আগেই হতাশ হয়ে পড়ে। অনলাইন অফলাইনের সকল রিসোর্স ব্যবহার করুন। সহজেই শিখতে পারবেন।

post



#সবজি_রপ্তানি
#এক্সপোর্ট_বিজনেস

#সবজি_ব্যবসা
#ইম্পোর্ট_এক্সপোর্ট

যেটাকে আপনি “ফেলে দেওয়া জিনিস” ভাবছেন…সেটাই হয়তো হতে পারে আপনার জীবনের সবচেয়ে লাভজনক প্রোডাক্ট!মাছ নেয়ার পর ফেলে দেওয়া ম...
08/08/2025

যেটাকে আপনি “ফেলে দেওয়া জিনিস” ভাবছেন…
সেটাই হয়তো হতে পারে আপনার জীবনের সবচেয়ে লাভজনক প্রোডাক্ট!

মাছ নেয়ার পর ফেলে দেওয়া মাছের আশ (Fish Maw) বিদেশে বিক্রি হয় সোনার দামে।

আর রাস্তার পাশে, পুকুরে ভেসে থাকা কচুরিপানা (Water Hyacinth) সেটা দিয়ে তৈরি হচ্ছে হোম ডেকোর, ব্যাগ, ম্যাট, এবং সবই যাচ্ছে ইউরোপ-আমেরিকার মার্কেট।

মাছের আশ সাদা সোনা!

যেটা আপনি বাজারে কাটার সময় ফেলে দেন, সেটা চায়না, হংকং, ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ডের রেস্টুরেন্টে ১০০ ডলারের উপরে বিক্রি হয়!

✅ মাছের পেটের ভেতর থাকা স্নায়বহুল অংশ
✅ শুকিয়ে, ক্লিন করে, গ্রেডিং করে রপ্তানি হয়
✅ ড্রাই ফুড, মেডিসিন, সুপ, কসমেটিকসেও ব্যবহার হয়
✅ প্রতি কেজি দাম ১০০০–৩০০০ ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে!

কচুরিপানা গৃহস্থের ঝামেলা নয়, এক্সপোর্টের সম্ভাবনা!

আপনি যেটাকে আগাছা ভাবেন, সেটাই ইউরোপে ইকো-ফ্রেন্ডলি হ্যান্ডিক্রাফ্টস এর কাঁচামাল।

✅ কচুরিপানা শুকিয়ে বাঁশ/পাটের মতো ব্যবহার হয়
✅ ব্যাগ, ম্যাট, হোম ডেকোর, সোফা কাভার তৈরি হয়
✅ ইউরোপ, জার্মানি, সুইডেন, ইতালিতে রপ্তানি হয়
✅ বিদেশি বায়ারদের স্পেশাল অর্ডার আসে Eco Products হিসেবে

আপনি যদি কম বাজেটের রপ্তানি ব্যবসা শুরু করতে চান…

এই দুইটা পণ্য হতে পারে আপনার গেইমচেঞ্জার!

✈️ রপ্তানির জন্য দরকার নেই বিশাল টাকা।
✈️ দরকার নেই বড় টিম।
✈️ শুধু দরকার সঠিক প্যাকিং, সোর্সিং এবং একজান বায়ার।

শুরু করবেন কীভাবে?

১. মাছ বাজারে/হ্যাচারিতে গিয়ে মাছের আশ আলাদা করে ক্লিন করা শিখুন
২. স্থানীয়ভাবে কচুরিপানা সংগ্রহ করে শুকানোর ও প্রক্রিয়াজাত করার ব্যবস্থা নিন
৩. ফেসবুক, গুগল, আলিবাবা, এক্সপোর্ট ফোরাম বা বিজনেস মেলা থেকে বায়ার খুঁজুন
৪. ১০-২০ কেজি বা ছোট চালান দিয়েই শুরু করুন

যারা আজ কোটি টাকার রপ্তানিকারক, তারা শুরু করেছিল সিম্পল একটা শিপমেন্ট থেকে ।

আপনিও পারবেন।

বাংলাদেশের মাটিতে এমন অনেক রপ্তানিযোগ্য পণ্য আছে, যেগুলো আমাদের চোখের সামনেই পড়ে থাকে, কিন্তু চাহিদা বিশ্বের বড় বড় মার্কেটে।

এবার সময় নিজে কিছু করার।
Post

#রপ্তানি
#মাছেরআশ
#কচুরিপানা

যে আলু আপনি বাজার থেকে ২৫–৩০ টাকায় কিনছেন, সেটা কেউ বিদেশে ৬০–৭০ টাকায় কিনছেবাংলাদেশে আলু এখন শুধু রান্নাঘরের উপকরণ না, ...
08/08/2025

যে আলু আপনি বাজার থেকে ২৫–৩০ টাকায় কিনছেন, সেটা কেউ বিদেশে ৬০–৭০ টাকায় কিনছে

বাংলাদেশে আলু এখন শুধু রান্নাঘরের উপকরণ না, এটা এক্সপোর্ট মার্কেটে বড় সম্ভাবনার পণ্য।

২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি হয়েছে ৬২ হাজার টনের বেশি আলু, যা গত তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।

এটা প্রমাণ করে বিদেশে আলুর চাহিদা কিন্তু সবসময়ই বেশি।

কেন আলু রপ্তানির এত সম্ভাবনা?
• আলু বাংলাদেশে সারা বছর চাষ হয়, ফলে সাপ্লাই চেইন স্টেবল
• ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা, মালয়েশিয়া—সব জায়গাতেই আলুর চাহিদা রয়েছে
• দাম কম, সংরক্ষণযোগ্য, আর কোয়ালিটি ঠিক থাকলে প্রিমিয়াম দামে বিক্রি হয়
• প্রবাসী কমিউনিটি ছাড়াও স্থানীয়রাও আমাদের আলুর কাস্টমার

কীভাবে শুরু করবেন?

Step 1: প্রোডাক্ট নির্বাচন ও কোয়ালিটি কন্ট্রোল
রপ্তানির জন্য অবশ্যই রোগমুক্ত, সমান আকারের, পরিষ্কার আলু নিতে হবে।
স্টোরেজের জন্য কোল্ড স্টোর ব্যবহার করলে কোয়ালিটি অনেকদিন ভালো থাকে।

Step 2: প্যাকেজিং
আন্তর্জাতিক মানের বস্তা বা ক্রেট ব্যবহার করুন, যাতে বাতাস চলাচল করতে পারে।
৫, ১০, বা ২০ কেজির ব্যাগে প্যাক করলে বায়ারের জন্য হ্যান্ডলিং সহজ হয়।

Step 3: বায়ার খোঁজা
• ফেসবুক ও লিঙ্কডইনের এক্সপোর্ট গ্রুপ
• B2B মার্কেটপ্লেস (Alibaba, Tradekey)
• প্রবাসী ব্যবসায়ী ও সুপারশপ চেইনের সাথে যোগাযোগ
• আন্তর্জাতিক ট্রেড ফেয়ার

Step 4: শিপমেন্ট ও ডকুমেন্টেশন
রপ্তানির জন্য সাধারণত দরকার হয়—
• Phytosanitary Certificate (প্ল্যান্ট প্রোডাক্ট এক্সপোর্টের জন্য)
• Commercial Invoice
• Packing List
• EXP Form (ব্যাংকের মাধ্যমে)
শিপমেন্ট সমুদ্রপথে বা এয়ার কার্গোতে হতে পারে, ডেস্টিনেশনের ওপর নির্ভর করে।

ইনভেস্টমেন্ট ও লাভ
• ছোট পরিসরে ৫–১০ টন দিয়েও শুরু করা যায়
• প্রতি কেজিতে ৮–১৫ টাকা পর্যন্ত লাভ সম্ভব
• বাজার ও বায়ারের সাথে সম্পর্ক ভালো থাকলে অর্ডার রিপিট হওয়ার সম্ভাবনা বেশি

আলু রপ্তানি মানে শুধু বিদেশে পণ্য পাঠানো না—এটা একটা নিয়মিত ইনকামের সোর্স, যেটা সঠিক পরিকল্পনা ও মার্কেটিং দিয়ে কয়েকগুণ বড় করা যায়।

আপনি যদি চান, একটা ছোট চালান দিয়েই আপনার এক্সপোর্টার পরিচয় তৈরি হতে পারে।
শুরুটা আজ থেকেই হোক।
Copy post

#আলু_রপ্তানি


07/08/2025
বাংলাদেশ থেকে আম কাঁঠাল পেয়ারা রপ্তানি হবে চীনে। এটা নিঃসন্দেহে আমাদেরকে আশাবাদী করছে। আশা করছি মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা...
21/03/2025

বাংলাদেশ থেকে আম কাঁঠাল পেয়ারা রপ্তানি হবে চীনে। এটা নিঃসন্দেহে আমাদেরকে আশাবাদী করছে। আশা করছি মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার চীন সফরে এ বিষয়ে হয়তোবা চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে। ইতোমধ্যেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশ চীনে এই সমস্ত পণ্য রপ্তানি করছে। কিভাবে Phytosanitary compliances পূরণ করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ চীনে কৃষি পণ্য রপ্তানি করছে অর্থাৎ ইমপোর্ট কন্ডিশন জানা অত্যন্ত অপরিহার্য। দুই দেশের মধ্যে যখন এমওইউ(MOU) সাইন হবে তখন অবশ্যই টেকনিকেল বিষয় সামনে আসবে। যেমন GAP, Traceability, MRL, Orchard management, Pre Inspection, Post Inspection, Proper Documentation, Packing house facilities, Packaging, Quarantine Treatment ইত্যাদি।

এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হচ্ছে আমরা এইসব ফাইটোসেনেটারি রিকোয়ারমেন্ট পূরণে কতটা সক্ষম বা সক্ষমতা অর্জন করেছি। বিষয়টি বর্তমান প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত অত্যন্ত জরুরী। গার্মেন্টসের পর কৃষি ও কৃষিজাত পণ্য রপ্তানি হতে পারে বাংলাদেশের অর্থনীতির বিকল্প আরেকটি ব্যবস্থা। চীনে কৃষি পণ্য রপ্তানির এই সুযোগটি কোন মতেই হাতছাড়া করা যাবে না। কাজেই বিষয়টি আমলে নিয়ে যতদ্রুত Phytosanitary requirement পূরণে সক্ষম হব তত দ্রুত এগিয়ে যাবে আমাদের এই প্রাণের বাংলাদেশ।
Copy Hoque

বিজয় দিবস (বাংলাদেশ) বিজয় দিবস বাংলাদেশে বিশেষ দিন হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে দেশের সর্বত্র পালন করা হয়। প্রতি বছর ১৬ ডিসেম...
15/12/2024

বিজয় দিবস (বাংলাদেশ)
বিজয় দিবস বাংলাদেশে বিশেষ দিন হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে দেশের সর্বত্র পালন করা হয়। প্রতি বছর ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশে দিনটি বিশেষভাবে পালিত হয়। ১৯৭২ সালের ২২ জানুয়ারি প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে দিনটিকে বাংলাদেশের জাতীয় দিবস হিসেবে উদযাপন করা হয় এবং সরকারিভাবে ছুটি ঘোষণা করা হয়।[১] নয় মাস মুক্তি যুদ্ধের পর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পাকিস্তানি বাহিনীর প্রায় ৯১,৬৩৪ সদস্য আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করে।[২] এর ফলে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে।
সেইসব শহীদের আত্নার মাগফিরাত কামনা করি ও যারা মুক্তিযুদ্ধে অবদান রেখেছিলেন তাদের প্রতিও শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি।

The 30 Countries That Export the Most Goods.      21 Nov 24.
07/12/2024

The 30 Countries That Export the Most Goods.

21 Nov 24.

বাংলাদেশ ও ভারতের সাথে যতগুলো স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি -রপ্তানি হয়। বাংলাদেশের ২২টি স্থলবন্দরের মধ্যে বর্তমানে কার্যকর রয়েছ...
05/12/2024

বাংলাদেশ ও ভারতের সাথে যতগুলো স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি -রপ্তানি হয়।

বাংলাদেশের ২২টি স্থলবন্দরের মধ্যে বর্তমানে কার্যকর রয়েছে ১৬টি। এর মধ্যে ১১টি বন্দর সচল রয়েছে, আর বাকিগুলোতে কার্যক্রম বন্ধ। এ ছাড়া প্রায় ৫০টি শুল্ক স্টেশনের মাধ্যমে পণ্য আমদানি-রপ্তানি করা হয়।

#রপ্তানি #আমদানি

Types of Letter of Credit. আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে রপ্তানিকারক কর্তৃক রপ্তানিকৃত পণ্যের মূল্য প্রাপ্তি নিশ...
01/12/2024

Types of Letter of Credit.

আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে রপ্তানিকারক কর্তৃক রপ্তানিকৃত পণ্যের মূল্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে আমদানিকারকের পক্ষে ব্যাংকের মাধ্যমে ঋণপত্র বা লেটার অব ক্রেডিট (এল সি) খোলার প্রচলন হয়।
লেটার অব ক্রেডিট বা ঋণপত্র হচ্ছে এমন একটি ব্যবস্থা যার মাধ্যমে ঋণপত্র ইস্যুকারি ব্যাংক রপ্তানিকারকের প্রতি এই মর্মে অপ্রত্যাহারযোগ্য নিশ্চয়তা প্রদান করে যে, যদি রপ্তানিকারক বা ঋণপত্রের বেনিফিশিয়ারি ঋণপত্রে বর্ণিত শর্তপূরণ সাপেক্ষে ঋণপত্রে নির্দিষ্ট মূল্যের ভিত্তিতে ঋণপত্রে উল্লেখিত পরিমাণ পণ্য বা সেবা রপ্তানি করে ঋণপত্রে বর্ণিত শর্ত পূরণ এর পক্ষে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট (যেমন: ইনভয়েস, প্যাকিংলিষ্ট, পরিবহন দলিল, বিল অব এক্সচেঞ্জ, কান্ট্রি অব অরিজিন ইত্যাদি) ঋণপত্র ইস্যুকারি ব্যাংক বা তার মনোনীত কোন ব্যাংকে যথাযথভাবে উপস্থাপন করে তাহলে ঋণ ইস্যুকারি ব্যাংক ঋণপত্রের বেনিফিশিয়ারকে মূল্য পরিশোধ করতে বাধ্য থাকবে। তাই রপ্তানিকারক এল সি-এর মাধ্যমে তার পণ্যের মূল্য প্রাপ্তি সম্পর্কে যেমন নিশ্চিন্ত হতে পারে তেমনি আমদানিকারকও এল সি-এর বিপরীতে পণ্য প্রাপ্তির পর রপ্তানিকারককে পণ্য মূল্য পরিশোধ করতে পারে।
আমদানিকারকের ধরন
আমদানিকারককে তিনভাগে ভাগ করা যায়:
১. শিল্পকারখানাভিত্তিক আমদানিকারক
২. বাণিজ্যিক আমদানিকারক
৩. ওয়েজ আর্নার বা বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জনকারি আমদানিকারক
লেটার অব ক্রেডিটের ধরন
প্রধানত: লেটার অব ক্রেডিট (ইররিভোকেবল) অপ্রত্যাহারযোগ্য প্রকৃতির হয়ে থাকে। এছাড়াও অন্য যেসব ধরনের এল সি হয়ে থাকে তা হচ্ছে:
১. ট্রান্সফারেবল এল সি
২. ব্যাক টু ব্যাক এল সি
৩. রেড ক্লজ এর সি
৪. গ্রীণ ক্লজ এল সি
৫. উইথ রিকোর্স এল সি
৬. উইথাউট রিকোর্স এল সি
৭. রিভলভিং এল সি
৮. এ্যাট সাইট এল সি
লেটার অব ক্রেডিট-এর সঙ্গে সম্পৃক্ত পক্ষসমূহ এল সি-এর সঙ্গে জড়িত পক্ষসমূহ হচ্ছে:
ক. ইম্পোর্টার/বায়ার: যার অনুরোধে ব্যাংক এল সি খোলে তাকে এপ্লিকেন্ট বলে এবং তিনিই ইম্পোর্টার বা বায়ার।
খ. ইস্যুয়িং ব্যাংক: যে ব্যাংক ইম্পোর্টার-এর পক্ষে এল সি খোলে তাকে ইস্যুয়িং ব্যাংক বলে।
গ. রপ্তানিকারক/বিক্রেতা/বেনিফিশিয়ারি: যে পক্ষের অনুকূলে এল সি খোলা হয়ে থাকে রপ্তানিকারক/ বিক্রেতা/ বেনিফিশিয়ারি বলে।
ঘ. এডভাইজিং/নোটিফাইং ব্যাংক: রপ্তানিকারকের দেশে অবস্থিত যে ব্যাংকের মাধ্যমে এল সি এডভাইস পাঠানো হয় তাকে এডভাইজিং ব্যাংক বলে।
ঙ. কনফার্মিং ব্যাংক: যে ব্যাংক ইস্যুয়িং ব্যাংকের অনুরোধে এল সি-তে তার নিশ্চয়তা (কনফার্মেশন) প্রদান করে তাকে কনফার্মিং ব্যাংক বলে। এটা এডভাইজিং ব্যাংকও হতে পারে।
চ. নেগোশিয়েটিং ব্যাংক: এটা এমন এক ব্যাংক (ঋণপত্রে উল্লেখিত ব্যাংক বা ঋণপত্রে উল্লেখ না থাকলেও যেকোন ব্যাংক) যেখানে ঋণপত্রের বেনিফিশিয়ারি উক্ত ঋণপত্রে নিদিষ্ট মূল্যের ভিত্তিতে ঋণপত্রে উল্লেখিত পরিমাণ পণ্য বা সেবা রপ্তানির স্বপক্ষে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস-এর বিপক্ষে ঋণ নিতে সক্ষম।
ছ. পেয়িং-রিইমবার্সিং ব্যাংক: যে ব্যাংকের উপর বিল এর মূল্য দেওয়া হয় তাকেই পেয়িং-রিইমবার্সিং ব্যাংক বলে। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ইস্যুয়িং ব্যাংকই পেয়িং-রিইমবার্সিং ব্যাংক হিসেবে কাজ করে।
লেটার অব ক্রেডিট খুলতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসমূহ:
এল সি খুলতে আগ্রহী বায়ার বা ইম্পোর্টার-এর এল সি ইস্যুয়িং ব্যাংক-এ অবশ্যই ব্যাংক একাউন্ট বা ব্যাংক হিসাব থাকতে হবে। এছাড়া এল সি খোলার জন্য যেসব কাগজপত্র প্রয়োজন তা হচ্ছে:
১. ইম্পোর্ট রেজিষ্ট্রেশন সার্টিফিকেট (আই আর সি) যা চীফ কন্ট্রোলার অব ইম্পোর্ট এ- এক্সপোর্ট (সি সি আই এ- ই) এর দপ্তর থেকে সংগ্রহ করতে হয়।
২. কোন স্বীকৃত চেম্বার বা এসোসিয়েশনের সদস্য সনদ পত্র
৩. ইন্স্যুরেন্স কভার নোট এবং ইন্স্যুরেন্স প্রিমিয়াম পরিশোধ রশিদ
৪. ইনডেন্ট বা প্রোফর্মা ইনভয়েস (পি আই) এর কপি
৫. টিন সার্টিফিকেট
৬. ট্রেড লাইসেন্স
৭. ভ্যাট সার্টিফিকেট
৮. জাতীয় পরিচয় পত্র কপি
এছাড়া ব্যাংক-এর সরবরাহ করা নি¤েœাক্ত কাগজ পত্রাদি পূরণ ও স্বাক্ষর করে জমা দিতে হয়।
১. এল সি এপ্লিকেশন ফরম
২. আই এম পি ফরম
৩. ব্যাংক চুক্তি সংক্রান্ত ডকুমেন্ট
৪. গ্যারান্টি ফরম
যদি এল সি খোলার সময় জামানত বা সিকিউরিটি প্রদান করতে হয় তাহ’লে উক্ত জামানত বা সিকিউরিটির সঙ্গে সম্পৃক্ত সকল কাগজপত্র ব্যাংকে জমা দিতে হবে।
লেটার অব ক্রেডিট সাধারণ আলোচনা
আমদানি-রপ্তানির প্রতি পদে পদে ঝুঁকি বিরাজমান। রপ্তানিকারকের ভয় থাকে যদি ক্রেতা পণ্যের মূল্য পরিশোধে ব্যর্থ হয়। আবার আমদানিকারকের ভয় থাকে অর্থ পেয়ে যদি বিক্রেতা মালামাল না পাঠায়। এক দেশ থেকে আরেক দেশে দূরত্বের কারণে বিরোধ নিষ্পত্তি করা সহজ হয়না। এসব ঝুঁকি এড়াতে পণ্যের ক্রয় বিক্রয়ে লেটার অব ক্রেডিট বা ডকুমেন্টরি ক্রেডিটের ব্যবহার জনপ্রিয় হয়ে উঠে। এর মাধ্যমে বিক্রেতাকে এক ধরনের গ্যারান্টি প্রদান করা হয় যে, বিক্রেতা তার পণ্যের মূল্য নিশ্চিতভাবে বুঝে পাবে এবং ক্রেতা এই মর্মে নিশ্চিত হবেন যে, পণ্য তার জিম্মায় না পৌঁছানো পর্যন্ত কোন আর্থিক লেন-দেন সম্পন্ন হবে না। লেটার অব ক্রেডিট হচ্ছে মুলত: ব্যাংকের দেওয়া এক ধরনের গ্যারান্টি যে নির্দিষ্ট বিক্রেতা কোন পণ্য বা সেবা বিক্রয়ের জন্য তার প্রাপ্য সে ক্রেতার কাছ থেকে পাবে। ব্যাংক নিশ্চিত ক’রে বলে দেয়, ক্রেতা ঠিক কোন্ সময়ে কোন্ কোন্ কাগজ পত্রের ভিত্তিতে প্রাপ্য অর্থ পাবে। এর বিনিময়ে বিক্রেতার কাছ থেকে অর্থ পাবার জন্য কঠোর শর্ত পালনের অঙ্গীকার গ্রহন করে থাকে। এর মধ্যে থাকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট- যেমন শিপিং-এর প্রমাণ পত্র-বিল অব লেডিং।
লেটার অব ক্রেডিট ব্যবহারে বিক্রেতার সুবিধা
ক্রয়-বিক্রয়ে লেটার অব ক্রেডিট ব্যবহারের ফলে ক্রেতা এ ব্যাপারে নিশ্চিত হতে পারেন যে, সে কত টাকা পাবে বা কোন্ সময়ে পাবে। রপ্তানিকারকের কাছে লেটার অব ক্রেডিট অর্থ প্রাপ্তির নিরাপদ মাধ্যম। অবশ্য এজন্য তাকেও এল সি-তে বর্ণিত শর্ত পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পালন করতে হয়। অর্থ না পাবার ঝুঁকি এল সি-র ক্ষেত্রে ব্যক্তির থেকে ব্যাংকের কাছে হস্তান্তরিত হয়।
ক্রেতার সুবিধা
এল সি ব্যবহারের ক্ষেত্রে ক্রেতা নিশ্চিত হয় যে, বিক্রেতা তার শর্ত যথাযথভাবে পূরণ করেছে কারণ প্রতিটি পদক্ষেপে তাকে ডকুমেন্টরি এভিডেন্স ব্যাংকে জমা দিতে হয়। যেমন পণ্যের শিপমেন্ট হয়েছে কি-না তা বিল অব লেডিংস-এর মাধ্যমে প্রমাণ মেলে। যেহেতু বিল অব লেডিংস শিপিং কোম্পানি অর্থাৎ একটি তৃতীয় পক্ষ প্রদান করে, এখানে ক্রেতা শিপমেন্টের তারিখ নিয়ে ছল-চাতুরি করতে পারে না। তেমনি পণ্যের মানের ক্ষেত্রেও তৃতীয় পক্ষ ইন্সপেকশন কোম্পানি সনদপত্র প্রদান করলে তা ব্যাংকে জমা দিতে হয়। কারণ অনেক সময় এল সি-তে এই সনদ পত্র জমা দেওয়ার বিধান থাকে এবং ব্যাংক এই সনদ পত্র ব্যতিত ক্রেতার প্রাপ্য অর্থ ছাড় করণের পদক্ষেপ গ্রহন করে না।
তবে মনে রাখা দরকার
লেটার অব ক্রেডিট ব্যবহারের ফলে ক্রেতা বা বিক্রেতা উভয়কেই বাড়তি অর্থ ব্যয় করতে হয়। লেটার অব ক্রেডিট প্রতিপালনের জন্য ব্যাংক নির্দিষ্ট হারে চার্জ আদায় করে। রপ্তারিকারক হলে তাকে মনে রাখতে হবে লেটার অব ক্রেডিটে বর্ণিত সকল কার্যক্রম যথাযথভাবে পালন করলেই কেবল সে তার প্রাপ্য দাবি করতে পারে, অন্যথায় তার পাওনা আটকে যেতে পারে। লেটার অব ক্রেডিট ব্যবহারের ফলে পণ্য সরবরাহে দেরি হতে পারে। বাংলাদেশের আইন অনুযায়ি সকল আমদানি কেবল লেটার অব ক্রেডিটের মাধ্যমে সম্পন্ন হতে হবে। কিন্তু বিশে^ বেশির ভাগ দেশে পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ে ক্রেডিট কার্ড, পে-পাল অথবা টি টি-র মত সহজ ট্রানজেকশন জনপ্রিয়। সেকারণে বেশির ভাগ দেশে এল সি সংক্রান্ত নিয়ম-কানুন স্বচ্ছন্দ নয়। বাংলাদেশী আমদানিকারকেরা এতে রপ্তানিকারককে লেটার অব ক্রেডিটের বিষয়টি বোঝাতে হিমসিম খায়। বিশেষ ক’রে উন্নয়নশীল দেশগুলো অর্থ যাতে সহজে পাচার হয়ে যেতে না পারে সেজন্য এল সি-র মত পদ্ধতি বাধ্যতামুলক করে থাকে। লেটার অব ক্রেডিট সঠিক ডকুমেন্ট নিয়ে কাজ করে তবে সঠিক পণ্যের নিশ্চয়তা দেয়না।
লেটার অব ক্রেডিটের ধরন
-ইররিভোকেবল
-রিভোকেবল
-আনকনফার্মড
-কনফার্মড
-ট্রান্সফারেবল
অন্যান্য ধরনগুলো হচ্ছে:
-স্টান্ড-বাই
-রিভলভিং
-ব্যাক টু ব্যাক
রিভোকেবল এবং ইররিভোবেল এল সি
রিভোকেবল এল সি-ও ক্ষেত্রে যে ব্যাংক এল সি-টি ইস্যু করেছে সে ইচ্ছে করলে যেকোন সময়ে বা যেকোন কারণে তা বাতিল করতে পারে। তবে ইররিভোকেবল এল সি-র ক্ষেত্রে ক্রেতা-বিক্রেতা উভয় পক্ষ একমত না হলে এর কোন পরিবর্তন বা বাতিল করা যায় না।
কনফার্মড এবং আনকনফার্মড লেটার অব ক্রেডিট
ক্রেতা লেটার অব ক্রেডিট যে ব্যাংকে খোলে তাকে ইস্যুয়িং ব্যাংক বলে। বিক্রেতা চায় তার দেশের কোন ব্যাংক সেই লেটার অব ক্রেডিট সঠিক আছে কি-না তা পরীক্ষা ক’রে দেখুক। বাড়তি নিরাপত্তার জন্য বিক্রেতা চায় যে ব্যাংক (কনফার্মিং ব্যাংক) এটা পরীক্ষা করেছে তারা একটা নিশ্চয়তাও প্রদান করুক। এই নিশ্চয়তা দেওয়ার ফলে ইস্যুয়িং ব্যাংক যদি বিক্রেতাকে পণ্য মূল্য পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয় তবে কনফার্মিং ব্যাংক তা পরিশোধ করবে। সেকারণে কনফার্মড লেটার অব ক্রেডিট সবসময় বিক্রেতাকে আনকনফার্মড লেটার অব ক্রেডিটের চেয়ে বেশি নিরাপত্তা দেয়।
ট্রান্সফারেবল লেটার অব ক্রেডিট
ট্রান্সফারেবল লেটার অব ক্রেডিট একজন বেনিফিশিয়ারির কাছ থেকে অপর বেনিফিশিয়ারির কাছে হস্তান্তর করা যায়। এধরনের লেটার অব ক্রেডিট সাধারণতঃ মধ্যস্বত্ব ভোগী জড়িত থাকলে (ক্রয়-বিক্রয়ে) ব্যবহৃত হয়।
স্টান্ড-বাই লেটার অব ক্রেডিট
স্টান্ড-বাই লেটার অব ক্রেডিট হচ্ছে ব্যাংকের এই মর্মে নিশ্চয়তা দেওয়া যে, ক্রেতা পণ্যের মূল্য পরিশোধ করতে সক্ষম এবং বিক্রেতাকে সে মূল্য পরিশোধ করবে।
রিভলভিং লেটার অব ক্রেডিট
একটি রিভলভিং লেটার অব ক্রেডিট হচ্ছে ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে একাধিক দেনা-পাওনা মেটানোয় সক্ষম এক বিশেষ এল সি।
ব্যাক টু ব্যাক লেটার অব ক্রেডিট
রপ্তারিকারকের অনুকূলে যখন এল সি খোলা হয় কিন্তু পণ্যাদি সরবরাহ করার মত প্রয়োজনীয় উপকরণ সংগ্রহের রপ্তানি এল সি টি সহায়ক জামানত হিসেবে রেখে এডভাইজিং ব্যাংকে বা তার দেশীয় কোন ব্যাংক পণ্যের মূল্য সরবরাহকারির অনুকূলে আর একটি এল সি খোলা হলে তাকে ব্যাক টু ব্যাক এল সি বলে। প্রথম এল সি-র প্রায় সব শর্তাবলি অবিকল অবস্থায় দ্বিতীয় এল সি-তে অন্তর্ভূক্ত করা হয়। সাধারণতঃ কোন রপ্তানি এল সি-র বিপরীতে ইউজেন্স ব্যাক টু ব্যাক এল সি খোলা হয়। তবে এক্সপোর্ট ডেভেলপমেন্ট ফা- স্কীম (ই ডি এঅ এস)-এর অধীনে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে অর্থায়নের ব্যবস্থা করে “ এট সাইট ব্যাক টু ব্যাক এল সি” খোলা হয়। দেশের রপ্তানি বৃদ্ধির লক্ষ্যে রপ্তানি সহায়তা (এক্সপোর্ট ইনসেনটিভ) হিসেবে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক রপ্তানিকারকদের ই ডি এফ সুবিধা প্রদান করে থাকে। এ সুবিধার আওতায় রপ্তানিকারক বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থায়নে রপ্তানির বিপরীতে বিদেশ থেকে কাঁচামাল আমদানি করতে পারেন। সেক্ষেত্রে আমদানিকারককে ঋণ গ্রহনের তারিখ হতে ১৮০ দিনের মধ্যে (অনুরোধে ২৭০ দিন) লাইবর রেটের চেয়ে ১% বাড়তি হারে গৃহিত ঋণের টাকা পরিশোধ করতে হয়। বাংলাদেশে তৈরী পোশাক উৎপাদন ও রপ্তানিকারি প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যাক টু ব্যাক এল সি-র মাধ্যমে পোশাক তৈরীর উপকরণাদি সংগ্রহ করে থাকে। রপ্তানিকারককে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশ মোতাবেক ব্যাক টু ব্যাক এল সি খুলতে হয়। ব্যাক টু ব্যাক এল সি-র ক্ষেত্রে নীচের শর্তাবলি অবশ্যই পালন করতে হয়।
(ক) শুধুমাত্র অনুমোদিত রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠান যাদের সি সি আই এ- ই থেকে রপ্তানি নিবন্ধন সার্টিফিকেট আছে এবং বৈধ বন্ডেড ওয়ারহাউস লাইসেন্স আছে তারাই ব্যাক টু ব্যাক এল সি খুলতে পারে।
(খ) ব্যাক টু ব্যাক এলসি এর মূল্য অবশ্যই মাষ্টার/মাদার এল সি তে উল্লিখিত এফওবি এর মূল্যেও চেয়ে কম হতে হবে ।
(গ) বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি ছাড়া বার্টার (স্পেশাল ট্রেড এগ্রিমেন্ট) এর অধীনে রপ্তানীর ক্ষেত্রে ব্যাক টু ব্যাক এলসি খোলা যাবে না।
(ঘ) ব্যাক টু ব্যাক আমদানী এলসির ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক খ্যতি সম্পন্ন ইন্সপেকশন ফার্ম এর ইন্সপেকশন সার্টিফিকেট সংযোজন করতে হবে।
ব্যাক টু ব্যাক এলসি’র ক্ষেত্রে নিমোক্ত কাগজ ও দলিল দরকার হয় :
১. মাষ্টার এলসি (রপ্তানী এলসি)
২. বৈধ বন্ডেড ওয়ার হাউজ লাইসেন্স
৩. বস্ত্র মন্ত্রণালয় থেকে ইস্যুকৃত টেক্সটাইল অনুমতিপত্র
৪. লিমিটেড কোম্পানীর ক্ষেত্রে যৌথ মূলধনী কোম্পানীর ইনকর্পোরেশন সার্টিফিকেট
৫. এলসি অবেদন পত্র
৬. আমদানী অনুমতি পত্র
৭. প্রোফরমা ইনভয়েস/ইন্ডেন্ট
৮. টাকা জমা রশিদসহ ইন্সুরেন্স কভার নোট
৯. পূরণকৃত ও স¦াক্ষরিত এলসি ্ও ফরম
১০. সি আই বি রিপোর্ট
১১. কোটার ক্ষেত্রে কোটা কাগজপত্র
১২. ট্রেড লাইসেন্স
১৩. বৈধ আইআরসি ও ইআরসি
১৪. বিজিএমই এর সদস্য সার্টিফিকেট
১৫. টিন সার্টিফিকেট

Address

R:3/A, H:17/3, Zigatola, Dhanmondi
Dhaka
1209

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mohammad Ali posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share