Mridha Income TAX VAT legal Business Solution

Mridha Income TAX VAT legal Business Solution We provide Income TAX, VAT, land survey, legal and business related service and consultancy.

✅ জমির খতিয়ান যাচাই করার অনলাইন নিয়ম:1. ওয়েবসাইটে যান:land.gov.bd অথবা dlrms.land.gov.bd ওয়েবসাইটে যান।2. ভূমি রেকর্...
17/06/2025

✅ জমির খতিয়ান যাচাই করার অনলাইন নিয়ম:
1. ওয়েবসাইটে যান:
land.gov.bd অথবা dlrms.land.gov.bd ওয়েবসাইটে যান।
2. ভূমি রেকর্ড ও ম্যাপ অপশন নির্বাচন করুন:
ওয়েবসাইটে ভূমি রেকর্ড ও ম্যাপ অপশনটি খুঁজে বের করুন এবং সেখানে ক্লিক করুন।
3. খতিয়ান অনুসন্ধান করুন:
"খতিয়ান" বা "নামজারি খতিয়ান" অপশনটি নির্বাচন করুন।
4. বিভাগ, জেলা ও উপজেলা নির্বাচন করুন:
আপনার জমির অবস্থান অনুযায়ী বিভাগ, জেলা এবং উপজেলা নির্বাচন করুন।
5. খতিয়ানের ধরণ ও মৌজা নির্বাচন করুন:
খতিয়ানের ধরণ (যেমন, সিএস, এসএ, আরএস) এবং আপনার জমির মৌজা নির্বাচন করুন।
6. খতিয়ান নম্বর বা দাগ নম্বর লিখুন:
খতিয়ান নম্বর বা দাগ নম্বর (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) লিখে "খোঁজ করুন" বাটনে ক্লিক করুন।
7. ফলাফল দেখুন:
আপনার জমির খতিয়ান এবং মালিকানার তথ্য দেখতে পাবেন।

(Collected)

03/05/2025

জমি বা ফ্ল্যাট থেকে তৈরি বাড়ি ক্রয় করার সময় ক্রেতাকে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো জানা এবং যাচাই করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ:

১. জমির কাগজপত্র ও মালিকানা যাচাই
দলিল (টাইটল ডিড): জমির মূল মালিকানা দলিল (সালিশা দলিল, কবুলিয়ত, ইজারা দলিল ইত্যাদি) সঠিক কিনা তা যাচাই করুন।

মিউটেশন (নামজারি): জমির মালিকের নাম সরকারি রেকর্ডে (খতিয়ান) আছে কিনা দেখুন।

খতিয়ান ও খারিজ: জমির সার্ভে রেকর্ড এবং সর্বশেষ খারিজ চেক করুন।

মৌজা ম্যাপ: জমিটি সংশ্লিষ্ট মৌজা ম্যাপে আছে কিনা এবং সীমানা পরিষ্কার কিনা তা নিশ্চিত করুন।

২. বাড়ির নির্মাণ সংক্রান্ত অনুমতি
বিল্ডিং অনুমোদন প্ল্যান: স্থানীয় কর্তৃপক্ষ (যেমন RAJUK, City Corporation, Pourashava) থেকে বাড়িটি নির্মাণের অনুমতি নেওয়া হয়েছে কিনা।

ভূমি ব্যবহারের ধরন: জমিটি আবাসিক, বাণিজ্যিক নাকি মিশ্র উদ্দেশ্যে ব্যবহারের জন্য অনুমোদিত কিনা দেখুন।

নির্মাণের মান: বাড়িটি BNBC (Bangladesh National Building Code) মেনে তৈরি হয়েছে কিনা।

৩. অর্থসংক্রান্ত বিষয়
মূল্য নির্ধারণ: বাজারমূল্য যাচাই করে নিন এবং রেজিস্ট্রেশন খরচ, স্টাম্প ডিউটি ইত্যাদি হিসাব করুন।

ট্যাক্স ও বকেয়া: জমি বা বাড়ির সাথে সম্পর্কিত কোনো বকেয়া ট্যাক্স, ইউটিলিটি বিল (পানি, গ্যাস, বিদ্যুৎ) আছে কিনা তা চেক করুন।

হোল্ডিং ট্যাক্স: বাড়ির হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধিত কিনা দেখুন।

৪. আইনি যাচাই
আইনি বিরোধ: জমি বা বাড়ির সাথে কোনো মামলা, দেনা বা লিগ্যাল ইস্যু জড়িত আছে কিনা তা ল্যান্ড সার্ভে বা আদালত থেকে যাচাই করুন।

বিক্রেতার পরিচয়: বিক্রেতা প্রকৃত মালিক কিনা এবং তার সকল উত্তরাধিকারের সম্মতি আছে কিনা নিশ্চিত হোন।

৫. ইউটিলিটি সুবিধা
পানি, গ্যাস, বিদ্যুৎ: বাড়িতে ইউটিলিটি সংযোগ আছে কিনা এবং মিটার সঠিক অবস্থায় আছে কিনা দেখুন।

ড্রেনেজ সিস্টেম: বাড়ির নিকাশি ব্যবস্থা পর্যাপ্ত কিনা তা চেক করুন।

৬. সামাজিক ও পরিবেশগত বিষয়
অবস্থান: বাড়িটি সুপারশপ, হাসপাতাল, স্কুল, পরিবহন সুবিধার কাছাকাছি কিনা দেখুন।

নিরাপত্তা: এলাকার অপরাধ প্রবণতা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা যাচাই করুন।

ভবিষ্যৎ উন্নয়ন: আশেপাশে কোনো সরকারি বা বেসরকারি উন্নয়ন প্রকল্প আছে কিনা যা ভবিষ্যতে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

৭. রেজিস্ট্রেশন ও হস্তান্তর প্রক্রিয়া
রেজিস্ট্রেশন: দলিল রেজিস্ট্রি করতে একজন ভালো আইনজীবী বা ডকুমেন্ট রাইটার নিয়োগ করুন।

পূর্ববর্তী মালিকের দায়মুক্তি: ক্রয়ের আগে সব ধরনের দাবি-দাওয়া থেকে মুক্ত কিনা তা নিশ্চিত করুন।

৮. অতিরিক্ত সতর্কতা
ফ্ল্যাটের ক্ষেত্রে: সোসাইটি/বিল্ডিং ম্যানেজমেন্টের নিয়মাবলী, রক্ষণাবেক্ষণ ফি, পার্কিং স্পেস ইত্যাদি জানুন।

জমির ক্ষেত্রে: ভূমি জরিপ করে সীমানা চিহ্নিত করুন এবং প্রতিবেশীদের সাথে সম্পর্ক যাচাই করুন।

পরামর্শ:
একজন অভিজ্ঞ রিয়েল স্টেট লয়ার এবং ইঞ্জিনিয়ার দিয়ে জমি ও বাড়ি যাচাই করুন।

এজেন্ট ব্যবহার করলে তার ক্রেডিবিলিটি নিশ্চিত করুন।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো মূল দলিল এবং অনুমতি পত্র ভালোভাবে যাচাই করা।

09/07/2023

জমির মালিকানা সূত্র কি কি ভাবে হতে পারে?

◘জমির মালিকানা সূত্র নিম্নরূপ-

(১) ক্রয় সূত্র: প্রকৃত ভূমি মালিকের নিকট থেকে জমি দলিলমূলে ক্রয় করা হলে।

(২) ওয়ারিস সূত্র: ভূমি মালিকের মৃত্যুর পর তাঁর জমিজমা উত্তরাধিকারীগণ প্রাপ্ত হলে।

(৩) হেবা সূত্র: প্রকৃত ভূমি মালিক কর্তৃক কাউকে কোন জমি দান করা হলে।

(৪) ডিক্রি সূত্র : বিজ্ঞ আদালতের রায় ডিক্রিমূলে কোন জমি প্রাপ্ত হলে ।

(৫) নিলাম সূত্র : সরকারি পাওনা অনাদায়ে রুজুকৃত মামলায় বিজ্ঞ আদালতের আদেশে কোন দায়বদ্ধ জমি নিলামের মাধ্যমে বিক্রয় হলে।

(৬) বন্দোবস্ত সূত্র: সরকারি খাসজমি দীর্ঘমেয়াদি লিজ (সাধারণ ক্ষেত্রে ৯৯ বৎসরের জন্য) নেয়া হলে।

(৭) অধিগ্রহণ সূত্র: সরকার বা ব্যক্তি উদ্যোগে জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট কোন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে স্থাবর সম্পত্তি অধিগ্রহণ ও হুকুম দখল আইন অনুযায়ী সরকার কর্তৃক সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থা বা প্রত্যাশীর অনুকূলে কোন জমি অধিগ্রহণ করা হলে।

07/06/2023

টিন, TIN (ট্যাক্স -পেয়ার আইডেন্টিফিকেশন নাম্বার) =দুই হাজার টাকা।
ইনকাম হোক বা না হোক ইনকাম ট্যাক্স দিয়ে আপনাকে গর্বিত উন্নয়ন এর অংশীদার কিন্তু হতেই হবে।
আপনি বলবেন টিন ই করবো না,ভালো কথা নিচের এইগুলা সেবা কিন্তু নিতে পারবেন না।
এখন বলেন ঝাপ দিবি তো কোথায় দিবি আগুন না পানিতে
যেসব সেবা পেতে রিটার্ন জমার প্রমাণপত্র লাগবে
টিআইএন নম্বর থাকলেও ২০২৩-২০২৪ অর্থবছর থেকে ৪৪ ধরনের সেবায় আয়কর প্রাপ্তিস্বীকার পত্র জমা দেয়া বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব করা হয়েছে। যারা এসব সেবা নিতে চাইবেন, তাদের অবশ্যই রিটার্ন দাখিল করতে হবে। এসব সেবার মধ্যে রয়েছে :
* পাঁচ লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্র বা পোস্টাল সেভিংস কেনা
* ব্যাংক থেকে পাঁচ লাখ টাকার বেশি ঋণ নেয়া
* রিটার্নে প্রাপ্তিস্বীকার পত্র না থাকলে ব্যাংকে জমা টাকার সুদ থেকে উৎসে কর ১৫ শতাংশ কাটা হবে, প্রাপ্তিস্বীকার পত্র থাকলে ১০ শতাংশ কাটা হবে।
* সিটি কর্পোরেশন বা জেলা সদরের পৌর এলাকা অথবা ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় ১০ লাখ টাকার বেশি মূল্যের জমি, ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রি, বিক্রি বা হস্তান্তর করতে হলে
* ক্রেডিট কার্ড নিতে হলে
* গাড়ি ক্রয়, মালিকানা পরিবর্তন বা ফিটনেস নবায়ন করতে
* সিটি কর্পোরেশন, জেলা সদর বা পৌরসভায় সন্তানদের ইংলিশ মিডিয়াম বা ইংরেজি ভার্সনে ভর্তি করাতে
* বাণিজ্যিক বা শিল্প কলকারখানায় গ্যাসের সংযোগ নিতে, সিটি কর্পোরেশন এলাকায় আবাসিক গ্যাসের সংযোগ নিতে বা বহাল রাখতে
সিটি কর্পোরেশন বা সেনানিবাস এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ নিতে
* জমি বা বাড়ি ভাড়া দিয়ে আয়
সরকারি, আধাসরকারি, কর্পোরেশন থেকে মূল বেতন ১৬ হাজার টাকার বেশি হলে
* বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের বেতন নিতে হলে
* শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের আয় ১৬ হাজার টাকার বেশি হলে
* মহানগরে ভবন নির্মাণের অনুমোদন চাইলে
* জাতীয় সংসদ, সিটি কর্পোরেশন, জেলা পরিষদ, পৌরসভা বা উপজেলায় প্রার্থী হলে
* পেনশন ফান্ড,অনুমোদিত গ্র্যাচুইটি ফান্ড, স্বীকৃত প্রভিডেন্ট ফান্ড, অনুমোদিত সুপারএন্যুয়েশন ফান্ড এবং শ্রমিক অংশগ্রহণ তহবিল ছাড়া অন্যান্য ফান্ডের ক্ষেত্রে
* ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তি ও নবায়ন করতে হলে
* ডিজিটাল প্লাটফর্মে কোন পণ্য বা সেবা বিক্রি করতে হলে
* মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অর্থ হস্তান্তর, কমিশন বা ফি প্রাপ্তি
* সোসাইটি রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্টের আওতায় সমিতি বা ক্লাব গঠন ও সদস্য হলে
* ডাক্তার, আইনজীবী, চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট, প্রকৌশলী, স্থপতি ইত্যাদি পেশাজীবী সংগঠনের সদস্য হলে
* পরামর্শক, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট, ক্যাটারিং, জনবল বা নিরাপত্তা সেবা দিয়ে অর্থ গ্রহণ করলে
* বিবাহ নিবন্ধক বা কাজী হিসেবে লাইসেন্স পেতে চাইলে
* আমদানি-রফতানির সনদ, আমদানির এলসি খুলতে চাইলে
* কোম্পানি পরিচালক বা শেয়ার হোল্ডার পদ পেতে
* ব্যবসা বাণিজ্য বা বণিজ সমিতির সদস্যপদ নিতে চাইলে
* বীমা বা সার্ভেয়ার হিসাবে নিবন্ধন নিতে চাইলে
* অস্ত্রের লাইসেন্স নেয়ার ক্ষেত্রে
* ওষুধ ব্যবসার জন্য ড্রাগ লাইসেন্স করাতে
* পরিবেশ ছাড়পত্র বা বিএসটিআই ছাড়পত্র পেতে
* লঞ্চ, স্টিমার, ট্রলার বা কার্গো ইত্যাদির সার্ভে সার্টিফিকেটের জন্য
* ইটভাটার অনুমোদন নিতে হলে বা পরিবহণ ব্যবসা করলে
* কোম্পানির ডিস্ট্রিবিউটর বা এজেন্টশিপ চাইলে
* পণ্য সরবরাহের ঠিকাদারি কাজে টেন্ডার জমা দিলে
* এনজিও বা ক্ষুদ্রঋণ সংস্থার জন্য বিদেশি অনুদানের ক্ষেত্রে
* স্ট্যাম্প, কোর্ট ফি ও কার্স্ট্রিজ পেপারের ভেন্ডর বা দলিল লেখক হিসেবে নিবন্ধন ও লাইসেন্স নিতে চাইলে বা বহাল রাখতে
* সমবায় সমিতি, ট্রাস্ট বা এনজিও ব্যাংক হিসাব খুলতে
* সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ভূমি, ভবন এবং অ্যাপার্টমেন্ট ভাড়া বা লিজ রেজিস্ট্রেশন
* পৌরসভা এলাকায় ১০ লাখ টাকা মূল্যের জমি বিক্রয়, হস্তান্তর
* সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বাড়ি ভাড়া বা লিজ নেয়ার ক্ষেত্রে বাড়ির মালিকের
* কিছু প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে পণ্য সরবরাহ এবং সেবা প্রদান করতে হলে সরবরাহকারীর।
২০২২-২৩ কর বছরে যাদের নির্দিষ্ট পরিমাণ আয় নেই এবং টিআইএন থাকা স্বত্বেও কখনো রিটার্ন সাবমিট করেননি তারা ৩০ জুন পযন্ত শূন্য রিটার্ন জমা দিতে পারবেন কোন প্রকার জরিমানা ছাড়া। এ সময়ের পরে আর শূন্য রিটার্ন দাখিলের সুযোগ নেই। আর রিটার্ন জমা না দেওয়ার কারনে করের সাথে গুনতে হবে জরিমানা।
২০২৩-২০২৪ কর বছরে এই শূন্য রিটার্ন জমা দেয়ার সুযোগ থাকবে না সুতরাং দ্রুত ট্যাক্স রিটার্ন সাবমিট করে জরিমানা এবং আইনি ঝামেলা থেকে মুক্ত থাকুন।
যোগাযোগ:
মোঃ ফয়সাল হাসান।
বিবিএ,এমবিএ,এল,এল,বি
ভ্যাট ও ট্যাক্সে বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত
সিইও
Mridha Income TAX VAT legal Business Solution
মোবাইল ০১৬৭৬-৬৮০০৬৮

আমার/ আপনার ৳ ১০০?
02/06/2023

আমার/ আপনার ৳ ১০০?

জমি কেনার পুর্বে যা অবশ্যই জানা প্রয়োজন।
29/05/2023

জমি কেনার পুর্বে যা অবশ্যই জানা প্রয়োজন।

23/05/2023

কর অফিস থেকে রিটার্ন জমার স্লিপ না নিলে ৩৮ ধরনের সরকারি-বেসরকারি সেবা পাওয়া যাবে না।

বর্তমানে ৩৮টি সরকারি-বেসরকারি সেবা পেতে রিটার্ন জমার স্লিপ বাধ্যতামূলক। এগুলো হচ্ছে-ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে পাঁচ লাখ টাকা বেশি ঋণ নিলে; কোম্পানি পরিচালক বা শেয়ারহোল্ডার হলে; আমদানি-রপ্তানি নিবন্ধন সনদ (আইআরসি-ইআরসি) নিতে; সিটি করপোরেশন বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিতে; সমবায় সমিতি নিবন্ধন নিতে; বিমা কোম্পানির সার্ভেয়ার হতে; ১০ লাখ টাকা বেশি মূল্যের জমি-ফ্ল্যাটের দলিল করতে; ক্রেডিট কার্ড নিতে; পেশাজীবী সংগঠনের সদস্যপদ নিতে; ড্রাগ লাইসেন্স, ফায়ার লাইসেন্স, পরিবেশ ছাড়পত্র, বিএসটিআই লাইসেন্স ও ছাড়পত্র পেতে; গ্যাস-বিদ্যুৎ সংযোগ নিতে; ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে বাচ্চা ভর্তি করতে; কোম্পানির ডিস্ট্রিবিউটরশিপ নিতে; অস্ত্রের লাইসেন্স নিতে; ব্যাংকে ঋণপত্র (এলসি) খুলতে; ৫ লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্র কিনতে; নির্বাচনে অংশ নিতে; সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন ১৬ হাজার টাকা হলে; এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা ১৬ হাজার টাকার বেশি বেতন গ্রহণ করলে; পণ্য আমদানি-রপ্তানির বিল অফ এন্ট্রি জমা দিতে রিটার্ন জমার স্লিপ বাধ্যতামূলক।

22/05/2023

TIN থাকলে আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হবে এবং আয় না থাকলেও ২০০০ টাকা আয়কর দিতে হবে। বিষয়টা আপনি কিভাবে দেখছেন?

আপনার আয়কর ও ভ্যাটের যেকোনো সমস্যার সমাধান নিতে Mridha Income TAX VAT legal Business Solution এর সেবা নিন নিশ্চিন্তে থাকুন ।

যোগাযোগ:
মোঃ ফয়সাল হাসান।
বিবিএ,এমবিএ,এল,এল,বি
ভ্যাট ও ট্যাক্সে বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত
সিইও
Mridha Income TAX VAT legal Business Solution
মোবাইল ০১৬৭৬-৬৮০০৬৮

30/04/2023

২০২২-২০২৩ অর্থবছরের বাজেটে টিআইএন (TIN) জমার পাশাপাশি সেসব সুবিধা নিতে আপনাকে অবশ্যই আয়কর রিটার্ন জমার প্রাপ্তিস্বীকার পত্র (Acknowledgement Slip) / আয়কর প্রত্যয়ন সনদ জমা দিতে হবেঃ

১. সঞ্চয়পত্র ক্রয়: পাঁচ লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্রর ক্ষেত্রে আয়কর রিটার্ন জমার প্রমাণ দেখাতে হবে। যেখানে তিনি সঞ্চয়পত্র কেনার আবেদন করবেন, সেখানেই রিটার্ন জমার প্রমাণপত্র দিতে হবে।

২. ব্যাংক ঋণ: কোন ব্যাংক থেকে পাঁচ লাখ টাকার বেশি ঋণ নেয়ার আবেদন করলে আয়কর রিটার্নের প্রমাণপত্র দিতে হবে।

৩. ব্যাংকে জমা: ব্যাংক জমার সুদ আয় থেকে উৎস কর কর্তনে টিআইএন সনদ থাকলে ১০ শতাংশ কাটা হয়ে থাকে। না থাকলে ১৫ শতাংশ কাটা হয়। এখন থেকে টিআইএনের পরিবর্ততে রিটার্ন জমার প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে। তাহলেই তিনি ওই সুবিধা পাবেন। না হলে বেশি উৎস কর দিতে হবে।

৪. জমি-ফ্ল্যাট ক্রয়: সিটি কর্পোরেশন, জেলা সদরের পৌর এলাকা অথবা ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় ১০ লাখ টাকা বেশি মূল্যের জমি বা ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রি, বিক্রি, দলিল হস্তান্তর, পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দিতে হলে এতদিন শুধুমাত্র টিআইএন সার্টিফিকেট জমা দিতে হতো। কিন্তু এখন থেকে ক্রেতাকে রেজিস্ট্রি অফিসে রিটার্ন জমার স্লিপ বা সনদ জমা দিতে হবে।

৫. ক্রেডিট কার্ড গ্রহণ: যেকোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ক্রেডিট কার্ড নিতে হলে এখন থেকে আয়কর রিটার্নের প্রাপ্তিস্বীকার পত্র জমা দিতে হবে। নাহলে মিলবে না ক্রেডিট কার্ড।

৬. গাড়ি ক্রয়, মালিকানা পরিবর্তন: দুই বা তিন চাকা ছাড়া যেকোনো মোটরগাড়ি নিবন্ধন, মালিকানা পরিবর্তন বা ফিটনেস নবায়ন করতে রিটার্ন জমা স্লিপ দেখাতে হবে। আগে শুধুমাত্র টিআইএন দিতে হতো, কিন্তু এখন থেকে রিটার্ন দাখিলের কপি দিতে হবে।

৭. ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে পড়ানো: সিটি কর্পোরেশন বা জেলা সদর, পৌরসভায় সন্তান বা পোষ্যদের আন্তর্জাতিক পাঠ্যক্রমের আওতায় ইংরেজি মিডিয়াম স্কুল বা জাতীয় পাঠ্যক্রমের আওতায় ইংরেজি ভার্সনে ভর্তি করাতে হলে আয়কর রিটার্ন জমার স্লিপ বা সনদ জমা দিতে হবে।

৮. গ্যাসের সংযোগ: দেশের যেকোনো স্থানে বাণিজ্যিক বা শিল্প কারখানায় গ্যাসের সংযোগ নিতে হলে এবং সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বাসা বাড়ির গ্যাসের সংযোগ নিতে বা আগের সংযোগ বজায় রাখতে হলে রিটার্ন জমার স্লিপ বা সনদ লাগবে।

৯. বিদ্যুৎ সংযোগ: সিটি কর্পোরেশন বা সেনানিবাস এলাকায় নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ নিতে হলে রিটার্নের প্রাপ্তিস্বীকার পত্র জমা দিতে হবে। গ্রাম বা সিটি কর্পোরেশন এলাকার বাইরে অবশ্য এই নিয়ম বাধ্যতামূলক করা হয়নি।

১০. বাড়িভাড়া: জমি বা বাড়ি ভাড়া দিয়ে অনেকে আয় করে থাকেন। আয় যাই হোক না কেন, এই ধরনের আয়ের ক্ষেত্রে আয়কর রিটার্ন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

১১. সরকারি আয়: সরকার বা সরকারি কোন সংস্থা, কর্পোরেশন থেকে বেতন হিসাবে মূল বেতন ১৬ হাজার টাকা বা বেশি হলেই আয়কর রিটার্ন জমা দেয়ার প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে।

১২. বেসরকারি বেতন: বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে বেতন নেয়ার সময় বার্ষিক আয়কর রিটার্ন প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে।

১৩. এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের আয়: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরকারি অংশ বা এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের আয় মাসে ১৬ হাজার টাকার বেশি হলেই আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হবে।

১৪. নকশার অনুমোদন: ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী শহরে ভবন নির্মাণের অনুমোদন চাইলে আবেদনপত্রের সঙ্গে রিটার্ন জমার প্রমাণপত্র দিতে হবে।

১৫. জনপ্রতিনিধি: জাতীয় সংসদ, সিটি কর্পোরেশন, জেলা পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলায় কোন নির্বাচনে প্রার্থী হতে হলে আবেদনপত্রের সঙ্গে আয়কর রিটার্ন জমা দেয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

১৬. ফান্ডের রিটার্ন: পেনশন ফান্ড, অনুমোদিত গ্র্যাচুইটি ফান্ড, স্বীকৃত প্রভিডেন্ট ফান্ড, অনুমোদিত সুপার এন্যুয়েশন ফান্ড এবং শ্রমিক অংশগ্রহণ তহবিল ছাড়া অন্যান্য ফান্ডের রিটার্ন দাখিলের প্রস্তাব করা হয়েছে।

১৭. ট্রেড লাইসেন্স: সিটি কর্পোরেশন বা পৌর এলাকায় ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তি ও নবায়ন করতে হলে আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে হবে। তবে এর বাইরের অন্যান্য এলাকায় এই নিয়ম প্রস্তাব করা হয়নি।

১৮. ডিজিটাল পণ্য ও সেবা: ডিজিটাল প্লাটফর্মে কোন পণ্য বা সেবা বিক্রি করতে হলে আয়কর রিটার্ন দাখিলের প্রমাণপত্র থাকতে হবে।

১৯. মোবাইল ব্যাংকিং: মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অথবা ইলেকট্রনিক উপায়ে অর্থ হস্তান্তরে কমিশন, ফি জাতীয় অর্থ পেতে হলে রিটার্ন দাখিল করতে হবে।

২০. সমবায় সমিতি: সোসাইটি রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্টের আওতায় কোন সমিতি বা ক্লাব গঠিত হলে বা এ ধরণের ক্লাবের সদস্য হলে আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হবে।

এছাড়া আরও যেসব সেবা পেতে রিটার্ন দাখিলের প্রমাণপত্র বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, সেগুলো হলোঃ
# ডাক্তার, আইনজীবী, চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট, প্রকৌশলী, স্থপতি ইত্যাদি পেশাজীবী সংগঠনের সদস্য হলে বা সদস্য হতে চাইলে
# পরামর্শক, ক্যাটারিং, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট, জনবল বা নিরাপত্তা সেবা দিয়ে অর্থ গ্রহণ করতে
# বিবাহ নিবন্ধক বা কাজী হিসাবে লাইসেন্স পেতে
# আমদানি-রপ্তানির সনদ পেতে চাইলে
# আমদানির এলসি খুলতে চাইলে
# কোম্পানি পরিচালক বা শেয়ারহোল্ডার পদ পেতে
# ব্যবসা বা বাণিজ্য সংগঠনের বা সমিতির সদস্যপদ গ্রহণ
# বীমা কোম্পানির এজেন্ট হিসাবে তালিকাভুক্তি বা নবায়ন করতে
# বীমা বা সার্ভেয়ার হিসাবে নিবন্ধন নিতে
# অস্ত্রের লাইসেন্স নেয়ার আবেদন করলে
# ওষুধ ব্যবসার জন্য ড্রাগ লাইসেন্স থাকলে বা করাতে
# অগ্নি-নিরাপত্তা লাইসেন্স,
# পরিবেশ ছাড়পত্র
# বিএসটিআই লাইসেন্স পেতে চাইলে
# লঞ্চ, স্টিমার, ট্রলার, কার্গো, বার্জ ইত্যাদি নৌযানের সার্ভে সার্টিফিকেটের জন্য
# ইটভাটার অনুমোদন নিতে হলে
# পরিবহন সেবার ব্যবসা করলে
# কোন কোম্পানির ডিস্ট্রিবিউটর বা এজেন্টশিপ চাইলে।
# পণ্য সরবরাহের ঠিকাদারী

আসসালামু আলাইকুম, আপনাদের সেবাই  আমরা।
02/04/2023

আসসালামু আলাইকুম, আপনাদের সেবাই আমরা।

Address

Sector # 10, Road # 8, Uttara Dhaka
Dhaka
1212

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801516150518

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mridha Income TAX VAT legal Business Solution posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Mridha Income TAX VAT legal Business Solution:

Share