Md Ebrahim Dhali

Md Ebrahim Dhali “Man is born free but everywhere is in chains.”

আপনি হয়তো ভাবছেন পৃথিবী চালায় আমেরিকা, ইউরোপ বা রাশিয়ার প্রেসিডেন্টরা। অথবা ভাবছেন যে ইলন মাস্ক, ট্রাম্প বা Xi Jinping ব...
10/01/2026

আপনি হয়তো ভাবছেন পৃথিবী চালায় আমেরিকা, ইউরোপ বা রাশিয়ার প্রেসিডেন্টরা। অথবা ভাবছেন যে ইলন মাস্ক, ট্রাম্প বা Xi Jinping বা পুতিন-ই বুঝি সব।

ভুল।

পর্দার আড়ালে এমন কিছু খেলা চলে, যা আপনার কল্পনারও বাইরে। আর এই খেলার মূল অস্ত্র হলো—টাকা এবং সুদ।

আজ আপনাকে এমন এক পরিবারের গল্প বলব, যারা দেখিয়েছে কীভাবে 'সুদ' নামক অস্ত্র দিয়ে রাজা, প্রধানমন্ত্রী, প্রেসিডেন্ট বা পুরো একটা দেশ বা মহাদেশকেও গোলাম বানিয়ে রাখা যায়।

পরিবারটির নাম, রথচাইল্ড (Rothschild)।

গল্পটা ১৮শ শতকের।

শুরু হয়েছিল জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্টের এক নোংরা বস্তিতে।

মায়ার আমশেল রথচাইল্ড নামের এক লোক। ইহুদিদের জন্য নির্দিষ্ট একটা ছোট্ট এলাকায় গাদাগাদি করে থাকতেন। পেশা ছিল পুরোনো কয়েন কেনাবেচা করা। অবস্থা এতটাই খারাপ ছিল যে, মানুষ ভাবত এই লোকটা কোনোমতে খেয়েপরে বাঁচলেই অনেক। কিন্তু মায়ারের মাথায় ছিল অন্য প্ল্যান। তিনি শুধু বড়লোক হতে চাননি, তিনি চেয়েছিলেন এমন এক রাজত্ব বানাতে, যেখানে সূর্য কখনো ডুববে না।

এখানেই গল্পের প্রথম টুইস্ট। মায়ার আমশেল তার পাঁচ ছেলেকে কাছে ডাকলেন। আমরা হলে কী করতাম? বলতাম, "বাবা, তোমরা সবাই মিলেমিশে একসাথেই থাকো।" কিন্তু মায়ার করলেন উল্টোটা। তিনি তার পাঁচ ছেলেকে ইউরোপের প্রধান পাঁচটি শহরে পাঠিয়ে দিলেন। নাথান গেল লন্ডনে, জেমস গেল প্যারিসে, সলোমন ভিয়েনায়, কার্ল নেপলসে আর আমশেল থাকলেন ফ্রাঙ্কফুর্টে।

সবাই ভাবল, পরিবারটা বুঝি ছিন্নভিন্ন হয়ে গেল। কিন্তু মায়ার আসলে তৈরি করেছিলেন পৃথিবীর প্রথম "হিউম্যান ইন্টারনেট"। সেই যুগে যখন ফোন বা টেলিগ্রাম ছিল না, তখন এই পাঁচ ভাই পাঁচ দেশ থেকে নিজস্ব ঘোড়সওয়ার আর কবুতর দিয়ে খবরাখবর আদান-প্রদান করত। ফলে প্যারিসে কী ঘটছে, তা সবার আগে জানত লন্ডনে বসে থাকা ভাই। আর ভিয়েনার খবর জানত প্যারিসের ভাই।

সবচেয়ে বড় খেলাটা তারা খেলল ১৮১৫ সালে। নেপোলিয়ন বোনাপার্ট তখন ইউরোপ কাঁপাচ্ছেন। ওয়াটারলু-তে চূড়ান্ত যুদ্ধ হবে। পুরো ব্রিটেন টেনশনে, নেপোলিয়ন জিতলে ব্রিটেনের অর্থনীতি শেষ, আর হারলে ব্রিটেন সুপারপাওয়ার। লন্ডনের স্টক মার্কেটে সবাই ভয়ে শেয়ার বিক্রি করে দিচ্ছে।

ঠিক এই সময়ে লন্ডনে বসে থাকা ভাই, নাথান রথচাইল্ড, একটা খবর পেলেন। তার নিজস্ব গুপ্তচর ঝড়ের বেগে সমুদ্র পাড়ি দিয়ে খবর এনেছে যে নেপোলিয়ন হেরে গেছে। তখনো ব্রিটিশ সরকারও এই খবর জানে না! সাধারণ মানুষ হলে কী করত? খুশিতে নাচত। কিন্তু নাথান করলেন এক অদ্ভুত কাজ। তিনি গোমড়া মুখে স্টক মার্কেটে গিয়ে নিজের শেয়ার বিক্রি করতে শুরু করলেন।

তাকে দেখে বাকিরা ভাবল, "সর্বনাশ! নাথান বিক্রি করছে মানে নিশ্চয়ই নেপোলিয়ন জিতে গেছে!" হুজুগে পড়ে সবাই তাদের সব শেয়ার পানির দরে বিক্রি করে দিল।

মার্কেট ক্রাশ করল।

আর ঠিক তখন, একদম শেষ মুহূর্তে, নাথান চোখের পলকে সেই পানির দরের সব শেয়ার একাই কিনে নিলেন।

পরদিন যখন সরকারিভাবে খবর এল যে নেপোলিয়ন আসলে হেরে গেছে, তখন শেয়ারের দাম রকেটের গতিতে বাড়ল। মাত্র একদিনে রথচাইল্ড পরিবার এতটাই ধনী হয়ে গেল যে, তারা চাইলেই পুরো ব্রিটেন-সহ এমন আরও কয়েকটা দেশ কিনে ফেলতে পারত।

তারা শুধু টাকাই কামায়নি, তারা রাজাদের ব্যাংক হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

সুয়েজ খাল খনন হবে? রথচাইল্ডদের টাকা লাগবে।
রেললাইন বসবে? রথচাইল্ডদের লোন লাগবে।
এমনকি ব্রাজিল যখন পর্তুগাল থেকে স্বাধীনতা চাইল, সেই স্বাধীনতার ফি-টাও রথচাইল্ডরা দিয়ে দিয়েছিল!

কিন্তু সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়টা এখনো শুনেন নাই...

গল্পের আসল টুইস্টটা হলো তাদের সিকিউরিটিতে।

মায়ার আমশেল মৃত্যুর আগে একটা উইল করে গিয়েছিলেন। তিনি বলে গিয়েছিলেন, এই ব্যবসার যাবতীয় হিসাব শুধু পরিবারের ভেতরেই থাকবে।

বাইরের কেউ - এমনকি মেয়েদের জামাইরাও; ব্যবসার মেইন খবর জানতে পারবে না। তারা নিজেদের মধ্যে এক অদ্ভুত কোড ল্যাঙ্গুয়েজে চিঠি লিখত, যা সিআইএ বা এফবিআই-এর বাপেরও সাধ্য ছিল না ডিকোড করার।

আজ ২০০ বছর পর, আপনি হয়তো ফোর্বস ম্যাগাজিনে তাদের নাম দেখবেন না। কারণ তারা এখন আর ফ্রন্টলাইনে খেলে না। তারা আছে ব্যাংকের পেছনে, ওয়াইন ব্যবসায়, রিয়েল এস্টেটে, পলিটিক্যাল ডিলিংস আর বড় বড় সব ইনভেস্টমেন্টে।

ভেবে দেখুন, একটা মিথ্যে খবর আর সুদের টাকা দিয়ে কীভাবে একটা সুপারপাওয়ার দেশকে পকেটে পোরা যায়!

ইসলাম ১৪০০ বছর আগেই বলেছিল - "আল্লাহ ব্যবসাকে হালাল করেছেন আর সুদকে করেছেন হারাম।"

কারণ ব্যবসা মানে পরিশ্রম, ঝুঁকি আর বরকত।

আর সুদ মানে হলো অন্যের বিপদের সুযোগ নিয়ে বিনা পরিশ্রমে টাকা কামানো।

রথচাইল্ডরা ঠিক এই সিস্টেমটাই দাঁড় করিয়েছে। তারা নিজেরা কোনো পণ্য বানায়নি, কোনো ফ্যাক্টরি দেয়নি। তারা শুধু টাকার ব্যবসা করেছে। টাকা দিয়ে টাকা বানিয়েছে।

আজকের মডার্ন ব্যাংকিং সিস্টেম, যেখানে গরিব মানুষ লোন নিয়ে সারা জীবন কিস্তি টানতে টানতে মরে যায়, আর ব্যাংকের মালিকরা এসি রুমে বসে থাকে - এই সিস্টেমের গডফাদার কিন্তু ওরাই।

সুয়েজ খাল খনন থেকে শুরু করে বড় বড় দেশের রেললাইন—সব তাদের ঋণের টাকায়।

এমনকি শোনা যায়, ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পেছনেও তাদের ফিন্যান্সিয়াল হাত ছিল অনেক বড়।

রাজনীতিবিদরা ভাষণ দেয় স্টেজে, কিন্তু স্ক্রিপ্ট লেখা হয় ব্যাংকের বোর্ডরুমে।

আপনি হয়তো ভাবছেন, "আমি তো ছোট মানুষ, এসব জেনে কী করব?"
জানতে হবে। কারণ আপনি যদি সিস্টেমটা না বোঝেন, তবে আপনিও এই সিস্টেমের দাবার গুটি হয়েই থাকবেন।

কোরআনে সুদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে, কারণ সুদ একটা জাতিকে পঙ্গু করে দেয়। রথচাইল্ডদের ইতিহাস তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ।

টাকা কামানো খারাপ না। ইসলামে ধনী হওয়া দোষের কিছু না। হযরত উসমান (রা.) বা আব্দুর রহমান ইবনে আউফ (রা.) অনেক ধনী ছিলেন। কিন্তু তারা ধনী হয়েছিলেন হালাল ব্যবসায়, মানুষের উপকার করে। মানুষকে ঋণের ফাঁদে ফেলে নয়।

নোটঃ এই গল্পটার সাথে টাকা কিভাবে তৈরি হয়, সেটার একটা কানেকশন আছে - সেই গল্পটা না হয় আরেকদিন করবো, আপাতত পেইজটা ফলো + শেয়ার দিয়ে রাখুন যাতে করে ওই গল্পটাও আপনার ফিডে আসে :)

❤️

চাউলের ব্যবসা লস নাই বললেই চলে যদি বাকি না দেন। (চাল+বোতল সয়াবিন তেল+আটা+সব ডা )বাকি দিলে সম্পূর্ণ শেষ, বছর শেষে ROI না...
07/01/2026

চাউলের ব্যবসা লস নাই বললেই চলে যদি বাকি না দেন। (চাল+বোতল সয়াবিন তেল+আটা+সব ডা )
বাকি দিলে সম্পূর্ণ শেষ, বছর শেষে ROI নাই। বাকি না দিয়েও চালের ব্যবসা করা যাবে ,। এই লেখাটা সম্পূর্ণ পড়লে হয়তো বুঝতে পারবেন। চাউলের বাজারের সিন্ডিকেট ভাঙা যাবে। মুদি দোকান এবং সুপারশপের ভিতর যেই বৈষম্য হয় এটাও কিছুটা দূর করা যাবে।

আমরা সবাই জানি, ঢাকা শহরে চালের পাইকারি ব্যবসা বা এজেন্সিশিপ নিতে হলে বর্তমানে ১ থেকে ১.৫ কোটি টাকা মূলধনের প্রয়োজন হয়। কারণ, কাস্টমার ধরে রাখতে হলে অন্তত ১০-১৫টি কোম্পানির বিভিন্ন ভ্যারাইটির চাল স্টকে রাখতে হয়। একজন সাধারণ ব্যবসায়ীর পক্ষে ২০-৩০ লাখ টাকা দিয়ে এত বড় সেটআপ দেওয়া অসম্ভব। ফলে আমরা বাধ্য হয়ে বাবুবাজার বা আড়ত থেকে মাল কিনি এবং লাভের বড় অংশ তাদের দিয়ে দিই।
​আমরা এই ১ কোটি টাকার ব্যবসার মডেলটিকে মডিফাই করে ২০ লাখ টাকার মডেলে নামিয়ে এনেছি। আমরা ১০ থেকে ২৫ জন ব্যবসায়ী একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক তৈরি করে সরাসরি মিল থেকে পণ্য আনব এবং আড়তের মধ্যস্বত্বভোগীদের খরচ বাঁচিয়ে নিজেরা লাভবান হব।
​২. বর্তমান সমস্যা ও আমাদের সমাধান
​বর্তমান সমস্যা: বর্তমানে আমরা মিলের মাল বাবুবাজার বা আড়ত হয়ে কিনি।
​মিল থেকে আড়তে আসতে ট্রাক ভাড়া (১৮-২০ হাজার টাকা)।
​আড়তদারের লেবার খরচ + আড়তদারের লাভ (কেজিতে ১ টাকা)।
​আড়ত থেকে আপনার দোকানে আনার ট্রাক ভাড়া (কেজিতে ৫০-৭৫ পয়সা) + আপনার লেবার খরচ।
​ফলাফল: মিল রেট থেকে আপনার দোকানে পৌঁছাতে কেজিতে খরচ বেড়ে যায় ৪ থেকে ৫ টাকা।
​আমাদের সমাধান (শেয়িং ও ডিস্ট্রিবিউশন মডেল): আমরা ১০ জন পার্টনার মিলে একটি গ্রুপ হব।
​আমরা ১০ জন মিলে ১টি কোম্পানির ৬০০ বস্তা (১ ট্রাক) চাল অর্ডার করব।
​একেকজনের ভাগে পরবে মাত্র ৬০ বস্তা (২৫ কেজি বস্তা)।
​এভাবে আমরা ১০টি ভিন্ন ভিন্ন মিল থেকে ১০ গাড়ি মাল আনব।
​গাড়িটি সরাসরি মিল (নওগাঁ, দিনাজপুর, রাজশাহী) থেকে এসে আমাদের ১০ জনের দোকানের সামনে মাল নামিয়ে দিয়ে যাবে।
​ফলাফল: মাঝখানের আড়তদার ও ডাবল লোডিং-আনলোডিং নেই। খরচ পরবে মাত্র ১.৩০ টাকা থেকে ১.৫০ টাকা (ট্রান্সপোর্ট)। অর্থাৎ, প্রতি কেজিতে আমাদের ২.৫০ থেকে ৩.৫০ টাকা সেভ হবে।
​৩. আমাদের প্রোডাক্ট লাইন ও স্পেশাল স্ট্র্যাটেজি
​আমাদের মূল ব্যবসা চালের হলেও, কাস্টমার বা মুদি দোকানদারদের আকৃষ্ট করতে আমাদের কিছু "ম্যাগনেট প্রোডাক্ট" থাকবে।
​চাল: মিনিকেট, নাজিরশাইল, আটাশ, পাইজাম (সরাসরি মিল থেকে)।
​ডাল, আটা ও চিনি: সরাসরি নারায়ণগঞ্জ নিতাইগঞ্জ ও ফ্যাক্টরি সোর্স থেকে।
​আকর্ষণীয় অফার (ভোজ্য তেল): রূপচাঁদা, তীর, সান, ফ্রেশ, বসুন্ধরা সয়াবিন তেল।
​স্ট্র্যাটেজি: চাল ও ডাল থেকে আমরা যে বাড়তি লাভ করব, তেল কোম্পানি থেকে আনার দায়িত্ব আমার, আমরা ডিলারের চেয়ে কমরেড দিতে পারব কারণ আমাদের কোন বিক্রয় প্রতিনিধি দিতে হবে না কোম্পানির। আমরা তেলের রেট ডিলারের চেয়েও কমে (আন্ডাররেটে) অফার করব। এতে এলাকার সব মুদি দোকানদার আমাদের থেকেই পণ্য নিতে আগ্রহী হবে।
​৪. অপারেশনাল প্ল্যান (কিভাবে কাজ হবে)
​ইউনিফাইড ব্র্যান্ডিং: আমাদের সব পার্টনারের দোকানের নাম (সাইনবোর্ড) একই হবে। এতে ঢাকায় আমাদের একটি শক্তিশালী ব্র্যান্ড ভ্যালু তৈরি হবে। ডিজিটাল মার্কেটিং বা বিজ্ঞাপনে মানুষ আমাদের সহজেই চিনবে।
​ডেলিভারি সিস্টেম: আমাদের আলাদা কোনো বড় গোডাউনের প্রয়োজন নেই। মিল থেকে আসা ট্রাকটিই আমাদের "চলমান গোডাউন"। ট্রাকটি রুটে থাকা আমাদের মেম্বারদের দোকানে নির্দিষ্ট পরিমাণ মাল ড্রপ করে চলে যাবে।
​ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা: আমাদের ব্র্যান্ড পরিচিতি বাড়লে আমরা সরাসরি গ্রাহক পর্যায়ে (B2C) হোম ডেলিভারি সার্ভিস চালু করব।
​৫. পার্টনার হওয়ার যোগ্যতা ও নিয়মাবলি
​এই প্রজেক্টের মেম্বার বা পার্টনার হওয়ার জন্য নিম্নোক্ত যোগ্যতা ও শর্ত প্রযোজ্য:
​বিনিয়োগ: ন্যূনতম ২০ লক্ষ টাকা মূলধন থাকতে হবে।
​দোকানের স্পেস: ৩০০ থেকে ৪০০ স্কয়ার ফিট আয়তনের দোকান বা স্পেস থাকতে হবে।
​এরিয়া বন্টন: ব্যবসায়িক স্বার্থে আমরা এক এলাকায় বা থানায় একাধিক পার্টনার নেব না। প্রতিটি পার্টনারের জন্য নির্দিষ্ট এরিয়া বা টেরিটরি ফিক্সড থাকবে (যেমন: একটি থানায় সর্বোচ্চ ১টি আউটলেট, কিন্তু দূরত্ব বজায় রেখে)।
​মনমানসিকতা: দীর্ঘমেয়াদী এবং দলগতভাবে কাজ করার মানসিকতা থাকতে হবে।
​৬. কেন আমাদের সাথে যুক্ত হবেন?
​পুঁজি কম, ভ্যারাইটি বেশি: একা ১ কোটি টাকা ইনভেস্ট না করেই আপনি ১০-১৫ টি বড় মিলের চালের ডিলারশিপের সুবিধা পাচ্ছেন।
এই আইডিয়াটা যদি বাস্তবায়ন হয়, ঢাকা সিটি চালের বাজারটা বড় বড় ব্যবসায়ীদের হাত থেকে নিয়ন্ত্রণ হারাবে। অনেকে বলে যে মিল মালিকেরা দাম নির্ধারণ করে, কথাটা কিছুটা সত্য কিছুটা, বাকিটা ঢাকা সিটি চাল ব্যবসায়ীরা।, সবাই মিলে চলুন চালের বাজারে সিন্ডিকেটা ভেঙে দেই। কোটি টাকার ব্যবসা ২০ লাখ টাকা।
​খরচ কম, লাভ বেশি: প্রতি কেজিতে ১-২ টাকা এক্সট্রা মার্জিন পাবেন যা আগে আড়তদার পেত। যেহেতু চালের বাজার দাম বাড়ে কমে। এটা বাংলাদেশ কম তো হলে আগে বাড়তে হয়
​মার্কেটিং সাপোর্ট: সবাই মিলে বিজ্ঞাপন দিলে খরচ কম হবে কিন্তু প্রচার হবে ব্যাপক।
​যোগাযোগ ও বিস্তারিত আলোচনার জন্য
​আপনি যদি একজন স্মার্ট ব্যবসায়ী হন এবং গতানুগতিক আড়ত নির্ভর ব্যবসা থেকে বেরিয়ে এসে নিজেরা একটি শক্তিশালী সাপ্লাই চেইন গড়তে চান, তবে আজই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। আমরা খুব দ্রুত আমাদের টিম গঠন সম্পন্ন করছি।
​আমার আউটলেটেড ঠিকানা হবে, বর্তমান দোকান :
ঠিকানা: ১২৪/১, উত্তর মুগদাপাড়া, মদিনাবাগ রোড, মুগদা, ঢাকা-১২১৪।
মোবাইল: ০১৬০৯-৩৭৮৪২২
​(আসুন, একতাই বল - এই নীতিতে ব্যবসার মোড় ঘুরিয়ে দিই)

এদেশের মানুষ দুর্নীতি করতে শিখে তার পিতা-মাতা থেকে, শিক্ষক থেকে, এলাকার গুরুজন থেকে। সুতরাং সে এটা করবেই। এদেশের মানুষ স...
01/01/2026

এদেশের মানুষ দুর্নীতি করতে শিখে তার পিতা-মাতা থেকে, শিক্ষক থেকে, এলাকার গুরুজন থেকে। সুতরাং সে এটা করবেই। এদেশের মানুষ সৎ মানুষদের নির্বোধ মনে করে।

শুরুতেই মায়েরা মিথ্যা কথা শেখায়। বাচ্চাকে ভুলানোর জন্য মিথ্যে বলে পরে সন্তানের কাছে ধরা পড়ে। সন্তান দুদিন পরেই বুঝতে পারে মা প্রায়ই মিথ্যা বলেন। টাকা থাকলেও বলেন "নেই"। কোন খাবার চাইলেও একই ঘটনা ঘটে।

বাবার ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটে। আমি আমার এক বন্ধুকে দেখেছি একদিন খুব কান্না করতে। কি হয়েছে জিজ্ঞাসা করতেই জানতে পারলাম তার বাবা তাকে সিগারেট খাওয়ার জন্য খুব মেরেছে। ফুঁপিয়ে কাঁদতে কাঁদতে বলল "সে খাইলে সমস্যা হয়না আমি খাইলে সমস্যা"। তার বাবা নিয়মিত সিগারেট খায়। টেলিভিশন দেখার ক্ষেত্রেও সেইম সমস্যা হয়। বাচ্চাকে পড়তে পাঠিয়ে টিভির কাছে আসা নিষিদ্ধ করে আরামসে টিভিতে নাটক সিনেমা দেখা এদেশের শতকরা প্রায় ৮০ ভাগ মা-বাবার নিয়মিত কাজ।

সে দেখে বাবা কীভাবে চাচার সাথে ঝগড়া করে। একে অন্যের সাথে কীভাবে ঠকানোর প্রতিযোগীতা করে।

ক্লাস নাইনে রেজিট্রেশনের সময় সম্মানিত শিক্ষকেরা শেখান কিভাবে বয়স কমিয়ে বা লুকিয়ে চাকরির মেয়াদ বাড়ানো যায়। এটা যে অপরাধ এবং মিথ্যা তা অনেকে মানতেই চান না। এই ব্যাপারে তারা নাতিদীর্ঘ পরামর্শমূলক আলোচনা দিতেও কার্পণ্য করেননা। পরিবার থেকেও পাওয়া যায় বেশ জোরালো সাপোর্ট। বাবা কিংবা বড় ভাই বেশ বিজ্ঞের মত ভাবগাম্ভীর্য নিয়ে জানান দেন নিজেদের অভিজ্ঞতাগুলো।

ছাত্ররা দেখে প্রাইভেটে বেশী ছাত্র ভিড়ানোর জন্য শিক্ষকরা প্রশ্ন কিভাবে ফাঁস করে অথবা ওনার কাছে না পড়ার জন্য কিভাবে নম্বর কমে যায়!

প্রতিবেশীদের ফাঁকি দেয়া, তাদের সাথে ঝগড়া করা, তাদের ক্ষতিসাধন করা, কিভাবে অন্যকে ঠকিয়ে জেতা যায় এই নিয়ে তত্ত্বীয় ও হাতে কলমে শিক্ষা সবই পাওয়া যায় পরিবার থেকে। এখানে হারের সংজ্ঞা হলো আপনি কাউকে ঠকাতে না পারা। আর জিত মানেই কাউকে ঠকানো।

পরীক্ষার সময় অন্যকে জিজ্ঞাসা করে লিখা কখনোই অপরাধ বিবেচিত হয় না। আমি স্কুলে পড়ার সময় দেখেছি অনেক অভিভাবক তার সন্তানের পাশে বসা অন্য ছাত্রকে বলে দিতো যেন একটু দেখায় এবং সহযোগিতা করে।

এখন হয়তো নাই, কিন্তু আমার যতদূর মনে পড়ে আমি ছোট বয়সে অংক কষে বের করেছি দুধের সাথে পানি মেশালে অতিরিক্ত লাভের পরিমাণ কেমন হবে। ধর্ম বইতে লিখা ছিল সুদ খাওয়া যাবে না। আবার অংক ক্লাসে সুদের অংক করেছি। এখানে এটাই শেখানো হয় নীতিকথা শুধু বলার জন্য। এগুলো না মানলেও চলে।

মুখে নিজেকে ইসলামিক দাবি করলেও সুদি ব্যাংকে চাকুরী করতে দ্বিধা করি না। চাকুরী পেতে ঘুষ দিতে দ্বিধা করি না। ব্যাংক থেকে সুদে লোন নিয়ে বড় করে আলহামদুলিল্লাহ বলি। এ সবকিছুই দুর্নীতি। বাচ্চারা সব দেখে শিখে।

একটা শিশু যখন এসব দেখে বড় হতে থাকে। সে কেন দুর্নীতিবাজ হবে না? হওয়াটাই স্বাভাবিক এবং হচ্ছেও তাই। 📷 :(

আসুন আমরা সিদ্ধান্ত নিই আমরা আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে সুন্দর শেখাবো, শৃঙ্খলা শেখাবো, সম্মান শেখাবো, ন্যায় শেখাবো। আর অন্যায় দুর্নীতি করবো না। তবেই ইনশাআল্লাহ্‌ আমরা সুন্দর প্রজন্ম ও সমাজ উপহার পাবো।

জীবন ছোট ছিল, কিন্তু শিক্ষা ছিল দীর্ঘ—ওসমান হাদীর ট্রান্সফরমেশন থেকে কর্পোরেট ক্যারিয়ারের ২০টি বাস্তব পাঠ।ওসমান হাদী যিন...
25/12/2025

জীবন ছোট ছিল, কিন্তু শিক্ষা ছিল দীর্ঘ—ওসমান হাদীর ট্রান্সফরমেশন থেকে কর্পোরেট ক্যারিয়ারের ২০টি বাস্তব পাঠ।

ওসমান হাদী যিনি খুব অল্প সময়ের মধ্যেই মানুষের আস্থা, নেতৃত্বের গ্রহণযোগ্যতা এবং পরিবর্তনের প্রতীক হয়ে উঠেছিলেন।

তার জীবনের যাত্রাপথ আমাদের শেখায়—
👉 পজিশন নয়, প্রিন্সিপালই আসল পাওয়ার
👉 টাইটেল নয়, ট্রাস্টই ক্যারিয়ার এগিয়ে নেয়

যারা কর্পোরেট ক্যারিয়ারে সত্যিকারের গ্রোথ চান, তারা তার জীবন থেকে এই ২০টি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা নিতে পারেন।

✅ কর্পোরেট ক্যারিয়ারের জন্য ২০টি শিক্ষা:

১. স্পষ্ট উদ্দেশ্য ছাড়া ক্যারিয়ার টিকে না
ওসমান হাদীর প্রতিটি সিদ্ধান্তের পেছনে একটি পরিষ্কার উদ্দেশ্য ছিল। কর্পোরেট ক্যারিয়ারেও “কেন করছি” এটা জানা সবচেয়ে জরুরি।

২. বিশ্বাসযোগ্যতা সবচেয়ে বড় অ্যাসেট
তিনি কথা ও কাজে মিল রেখেছিলেন। কর্পোরেট জগতে স্কিল শেখা যায়, কিন্তু বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করতে হয়।

৩. মানুষের সাথে কানেক্ট তৈরি করুন
তিনি সবসময় সাধারণ মানুষের কথা শুনতেন। অফিসে বসে কাজ করলেও স্টেকহোল্ডার, টিম ও ক্লায়েন্টের কথা শোনা জরুরি।

৪. সাহসী সিদ্ধান্ত ক্যারিয়ার বদলে দেয়
জনপ্রিয়তার ভয় না করে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার সাহসই তাকে আলাদা করেছিল। কর্পোরেটেও লিডাররা ভয়কে জয় করে।

৫. সময়ের সাথে নিজেকে আপডেট করা
পরিস্থিতি বদলালে তিনি নিজেকেও বদলেছেন। কর্পোরেট ক্যারিয়ারে “স্ট্যাগনেশন” মানেই পিছিয়ে পড়া।

৬. দায়িত্ব এড়িয়ে নয়, গ্রহণ করে বড় হতে হয়
তিনি দায়িত্ব নিতে পিছপা হননি। কর্পোরেট গ্রোথ আসে দায়িত্ব নেওয়ার মধ্য দিয়েই।

৭. নৈতিকতা কখনো কম্প্রোমাইজ করবেন না
তার নৈতিক অবস্থান ছিল দৃঢ়। শর্টকাট সাফল্য দীর্ঘমেয়াদে ক্যারিয়ার ধ্বংস করে।

৮. মানুষের উন্নয়নই আসল নেতৃত্ব
তিনি মানুষ গড়েছেন। কর্পোরেট লিডার সেই, যে টিমকে বড় করে।

৯. চাপের মধ্যে শান্ত থাকা শিখুন
সংকটে তিনি স্থির ছিলেন। কর্পোরেট লাইফে প্রেসার ম্যানেজমেন্টই আপনাকে আলাদা করবে।

১০. নিজের অবস্থান নিজেই তৈরি করতে হয়
তিনি সুযোগের অপেক্ষা করেননি, সুযোগ তৈরি করেছেন। কর্পোরেট ক্যারিয়ারে proactive হওয়া জরুরি।

১১. কমফোর্ট জোন ভাঙুন
চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতিতেই তার নেতৃত্ব দেখা গেছে। গ্রোথ আসে কমফোর্ট জোনের বাইরে।

১২. কাজের মাধ্যমে নিজেকে প্রমাণ করুন
তিনি কথা কম, কাজ বেশি করতেন। কর্পোরেটেও পারফরম্যান্সই আসল পরিচয়।

১৩. নেটওয়ার্ক মানে সুযোগ নয়, দায়িত্ব
তিনি সম্পর্ককে ব্যবহার করেননি, লালন করেছেন। কর্পোরেট নেটওয়ার্কিংয়েও এটিটিউডই পার্থক্য গড়ে।

১৪. সংকটকে শেখার জায়গা বানান
প্রতিটি কঠিন সময় তাকে আরও শক্ত করেছে। কর্পোরেট ব্যর্থতা মানেই শেষ নয়।

১৫. আত্মসমালোচনা করতে শিখুন
নিজেকে প্রশ্ন করার সাহস ছিল তার। কর্পোরেট গ্রোথের জন্য self-review অপরিহার্য।

১৬. দীর্ঘমেয়াদি চিন্তা করুন
তাৎক্ষণিক লাভ নয়, ভবিষ্যতের প্রভাব তিনি ভাবতেন। ক্যারিয়ারও ম্যারাথন, স্প্রিন্ট নয়।

১৭. ক্ষমতার আগে মানবিকতা
তিনি ক্ষমতার চেয়ে মানুষকে প্রাধান্য দিয়েছেন। কর্পোরেট লিডারশিপেও empathy একটি core skill।

১৮. সিদ্ধান্তে দৃঢ় থাকুন
একবার সিদ্ধান্ত নিলে তিনি সেটার দায় নিতেন। কর্পোরেটেও accountability আপনাকে বিশ্বাসযোগ্য করে।

১৯. নিজের ভিশন ক্লিয়ার রাখুন
তিনি জানতেন কোথায় যেতে চান। ক্যারিয়ারেও clear vision ছাড়া দিক হারিয়ে ফেলবেন।

২০. লিগ্যাসি রেখে যাওয়ার মতো কাজ করুন
তিনি বেঁচে আছেন তার কাজের মাধ্যমে। কর্পোরেট ক্যারিয়ারেও প্রশ্ন হওয়া উচিত—
“আমি কী ইমপ্যাক্ট রেখে যাচ্ছি?”

ওসমান হাদীর জীবন আমাদের শেখায়
লিডার হওয়া মানে শুধু ওপরে ওঠা নয়, অন্যদেরও ওপরে তোলা।

এই শিক্ষাগুলো যদি কর্পোরেট ক্যারিয়ারে প্রয়োগ করা যায়, তাহলে চাকরি নয় একটা অর্থবহ ক্যারিয়ার গড়া সম্ভব। 💯

 #শীতকালীন  #১০০টি  #সবজির  #নাম ১. ফুলকপি - Cauliflower (কলিফ্লাওয়ার)২. বাঁধাকপি - Cabbage (ক্যাবজ)৩. টমেটো - Tomato (...
24/12/2025

#শীতকালীন #১০০টি #সবজির #নাম
১. ফুলকপি - Cauliflower (কলিফ্লাওয়ার)
২. বাঁধাকপি - Cabbage (ক্যাবজ)
৩. টমেটো - Tomato (টমেটো)
৪. গাজর - Carrot (ক্যারট)
৫. মূলা - Radish (র‍্যাডিশ)
৬. বেগুন - Brinjal / Eggplant (ব্রিঞ্জাল / এগপ্ল্যান্ট)
৭. শিম - Flat beans / Runner beans (ফ্ল্যাট বিনস)
৮. মটরশুঁটি - Green peas (গ্রিন পিস)
৯. আলু - Potato (পটেটো)
১০. মিষ্টি আলু - Sweet potato (সুইট পটেটো)
১১. পালং শাক - Spinach (স্পিনাচ)
১২. লাল শাক - Red amaranth (রেড অ্যামারান্থ)
১৩. লাউ - Bottle gourd (বটল গার্ড)
১৪. মিষ্টি কুমড়া - Pumpkin (পাম্পকিন)
১৫. ব্রকলি - Broccoli (ব্রকলি)
১৬. ওলকপি - Kohlrabi (কোলরাবি)
১৭. শালগম - Turnip (টার্নিপ)
১৮. ক্যাপসিকাম - Capsicum / Bell pepper (ক্যাপসিকাম)
১৯. ধনে পাতা - Coriander leaves (কোরিয়ান্ডার লিভস)
২০. পুদিনা পাতা - Mint leaves (মিন্ট লিভস)
২১. পেঁয়াজ কলি - Onion flower stalk (অনিয়ন ফ্লাওয়ার স্টক)
২২. কাঁচা মরিচ - Green chili (গ্রিন চিলি)
২৩. শসা - Cucumber (কিউকাম্বার)
২৪. করল্লা - Bitter gourd (বিটার গার্ড)
২৫. ঢ্যাঁড়স - Okra / Lady's finger (ওকরা / লেডিস ফিঙ্গার)
২৬. ঝিঙে - Ridge gourd (রিজ গার্ড)
২৭. চিচিঙ্গা - Snake gourd (স্নেক গার্ড)
২৮. ধুন্দুল - Sponge gourd (স্পঞ্জ গার্ড)
২৯. চাল কুমড়া - Ash gourd / Wax gourd (অ্যাশ গার্ড)
৩০. পেঁপে - Papaya (পাপায়া)
৩১. কচু - Taro (ট্যারো)
৩২. মান কচু - Giant taro (জায়ান্ট ট্যারো)
৩৩. কচুর মুখী - Taro root (ট্যারো রুট)
৩৪. কচুর লতি - Taro stolon (ট্যারো স্টোলন)
৩৫. থোর (কলাগাছের মজ্জা) - Banana stem (ব্যানানা স্টেম)
৩৬. কলাগাছের ফুল (মোচা) - Banana flower (ব্যানানা ফ্লাওয়ার)
৩৭. কাঁচা কলা - Green banana (গ্রিন ব্যানানা)
৩৮. সজনে ডাঁটা - Drumstick (ড্রামস্টিক)
৩৯. পটল - Pointed gourd (পয়েন্টেড গার্ড)
৪০. বরবটি - Yardlong bean (ইয়ার্ডলং বিন)
৪১. কাকরোল - Teasle gourd (টিজল গার্ড)
৪২. কুঁদরি - Ivy gourd (আইভি গার্ড)
৪৩. কলমি শাক - Water spinach (ওয়াটার স্পিনাচ)
৪৪. বথুয়া শাক - White goosefoot (হোয়াইট গুসফুট)
৪৫. মেথি শাক - Fenugreek leaves (ফেনুগ্রিক লিভস)
৪৬. লাউ শাক - Bottle gourd leaves (বটল গার্ড লিভস)
৪৭. কুমড়া শাক - Pumpkin leaves (পাম্পকিন লিভস)
৪৮. মূলা শাক - Radish leaves (র‍্যাডিশ লিভস)
৪৯. পুঁই শাক - Malabar spinach (মালাবার স্পিনাচ)
৫০. সরিষা শাক - Mustard greens (মাস্টার্ড গ্রিনস)
৫১. লেটুস পাতা - Lettuce (লেটুস)
৫২. বেবি কর্ন - Baby corn (বেবি কর্ন)
৫৩. ভুট্টা - Maize / Corn (মেইজ / কর্ন)
৫৪. মাশরুম - Mushroom (মাশরুম)
৫৫. রসুন - Garlic (গার্লিক)
৫৬. আদা - Ginger (জিঞ্জার)
৫৭. পেঁয়াজ - Onion (অনিয়ন)
৫৮. হলুদ - Turmeric (টারমারিক)
৫৯. শিমলা মরিচ - Bell pepper (বেল পেপার)
৬০. জলপাই - Olive (অলিভ)
৬১. বাঁশ কোড়ল - Bamboo shoot (ব্যাম্বু শুট)
৬২. বিটরুট - Beetroot (বিটরুট)
৬৩. ধুঁধুল - Zucchini (জুকিনি)
৬৪. বরবটি (কালো) - Black-eyed peas (ব্ল্যাক আইড পিস)
৬৫. সয়াবিন - Soybean (সয়াবিন)
৬৬. সেলারি - Celery (সেলারি)
৬৭. পার্সলে - Parsley (পার্সলে)
৬৮. এসপ্যারাগাস - Asparagus (এসপ্যারাগাস)
৬৯. ফ্রেঞ্চ বিন - French beans (ফ্রেঞ্চ বিনস)
৭০. কিডনি বিন - Kidney beans (কিডনি বিনস)
৭১. পেঁয়াজ পাতা - Spring onion (স্প্রিং অনিয়ন)
৭২. কাঁঠালের বিচি - Jackfruit seeds (জ্যাকফ্রুট সিডস)
৭৩. জলকচু - Water taro (ওয়াটার ট্যারো)
৭৪. শাপলা - Water lily (ওয়াটার লিলি)
৭৫. ডুমুর - Fig (ফিগ)
৭৬. কাঁচা কাঁঠাল - Raw jackfruit (র জ্যাকফ্রুট)
৭৭. হেলঞ্চা শাক - Water cress (ওয়াটার ক্রেস)
৭৮. থানকুনি পাতা - Indian pennywort (ইন্ডিয়ান পেনিওয়র্ট)
৭৯. সজনে পাতা - Drumstick leaves (ড্রামস্টিক লিভস)
৮০. পাট শাক - Jute leaves (জুট লিভস)
৮১. ব্রাসেলস স্প্রাউট - Brussels sprout (ব্রাসেলস স্প্রাউট)
৮২. কারি পাতা - Curry leaves (কারি লিভস)
৮৩. গোল মরিচ - Black pepper (ব্ল্যাক পেপার)
৮৪. লবঙ্গ - Cloves (ক্লোভস)
৮৫. এলাচ - Cardamom (কারডামম)
৮৬. দারুচিনি - Cinnamon (সিনামন)
৮৭. তেঁতুল - Tamarind (ট্যামারিন্ড)
৮৮. লেবু - Lemon (লেমন)
৮৯. বাতাবি লেবু - Pomelo (পোমেলো)
৯০. কাগজি লেবু - Lime (লাইম)
৯১. নারকেল - Coconut (কোকোনাট)
৯২. চিনাবাদাম - Peanut (পিনাট)
৯৩. কাঠবাদাম - Almond (অ্যালমন্ড)
৯৪. কাজুবাদাম - Cashew nut (ক্যাশু নাট)
৯৫. পেস্তা বাদাম - Pistachio (পিস্টাচিও)
৯৬. তিল - Sesame (সেসামি)
৯৭. সরষে - Mustard (মাস্টার্ড)
৯৮. জিরা - Cumin (কিউমিন)
৯৯. মৌরি - Fennel (ফেনেল)
১০০. ধনিয়া - Coriander (কোরিয়ান্ডার)

©️
Collected

20/12/2025
আজকের যুগে Elon Musk বা Mark Zuckerberg কে আমরা ধনী ভাবি, কিন্তু সাহাবী আব্দুর রহমান ইবনে আউফ (রাঃ) এর সম্পদের পরিমাণ ছি...
08/12/2025

আজকের যুগে Elon Musk বা Mark Zuckerberg কে আমরা ধনী ভাবি, কিন্তু সাহাবী আব্দুর রহমান ইবনে আউফ (রাঃ) এর সম্পদের পরিমাণ ছিল আজকের ভ্যালুয়েশনে প্রায় $600 Billion!

শূন্য হাতে মদিনায় এসে কীভাবে তিনি এই সাম্রাজ্য গড়েছিলেন?
সিক্রেটটা Hustle না, Mindset.

অথচ মদিনায় হিজরতের সময় উনার কিছুই ছিলো না।
ফ্যামিলি সাপোর্ট নেই, প্রপার্টি নেই, পকেটে টাকা নেই শুধু গায়ের কাপড়টুকু সম্বল। মাত্র কয়েক বছরের মধ্যে তিনি মদিনার সবচেয়ে ধনী ব্যক্তিতে পরিণত হলেন। বলা হয়, উনার মৃত্যুর পর উনার রেখে যাওয়া সোনা এতটাই ভারী ছিল যে তা বন্টন করার জন্য কুড়াল দিয়ে ভাঙতে হয়েছিল!

কীভাবে?
How did a man with nothing rise to such abundance?

এর উত্তরটা "Endless Hustle" বা "Sleepless Nights" না।
উত্তরটা আছে আল্লাহর তৈরি "Divine Laws of Provision" বোঝার মধ্যে। আমরা এখন যে Toxic Hustle Culture এর পেছনে দৌড়াচ্ছি যেখানে না আছে ঘুম, না আছে শান্তি, আছে শুধু ব্রেন আর বডির ওপর কনস্ট্যান্ট প্রেশার

ইসলাম আসলে এর ঠিক উল্টোটা শেখায়।
ইসলাম শেখায় "Baraka Culture".

রিজিক ফ্লো ন্যাচারালি বাড়ানোর ৩টি গোল্ডেন রুল বা প্রিন্সিপাল যা আমরা অনেকেই জানি না:

🟣 আপনার রিজিক অলরেডি লেখা হয়ে গেছে (Your Rizq is Written)
আল্লাহ কুরআনে বলেছেন, আসমানেই রয়েছে তোমাদের রিজিক এবং যা তোমাদের ওয়াদা করা হয়েছে। গাছ যেমন বৃষ্টির পেছনে দৌড়ায় না, মৌমাছি যেমন ফুলের টেনশনে প্যানিক করে না আল্লাহর প্রতিটি সৃষ্টি তার রিজিক পাবেই। এটা ফিক্সড।
যখন আপনি এটা মন থেকে বিশ্বাস করবেন, তখন টাকার জন্য ওই ডেসপারেট দৌড়ানিটা বন্ধ হবে। এর মানে এই না যে আপনি হাত-পা গুটিয়ে বসে থাকবেন। আপনি অবশ্যই কাজ করবেন, "Work with Excellence" কিন্তু রেজাল্টের জন্য টেনশন করবেন না। Control the controllables, leave the uncontrollables to Allah. এটাই পিওর তাওয়াক্কুল।

🟣 আল্লাহ সম্পর্কে আপনার ধারণা যেমন, প্রাপ্তিও তেমন
হাদিসে কুদসিতে আল্লাহ বলছেন, "আমি আমার বান্দার ধারণা মোতাবেক তার সাথে আচরণ করি।"
আপনি যদি ভাবেন আল্লাহ সংকীর্ণ বা তিনি আপনাকে দেবেন না আপনি স্ক্যারসিটি আর ভয়েই জীবন পার করবেন। আর যদি বিশ্বাস করেন আল্লাহ অসীম দাতা, তিনি আপনাকে দুহাত ভরে দেবেন আপনি দেখবেন লাইফে আনএক্সপেক্টেড সোর্স থেকে দরজা খুলে যাচ্ছে। Your inner belief reflects your reality. তাই নিজের ফিউচার এবং আল্লাহর রহমত নিয়ে সবসময় পজিটিভ ভাবুন।

🟣 ডিটাচমেন্ট (Detachment brings Abundance)
আমরা সারাক্ষণ ভয়ে থাকি "যদি সব হারিয়ে ফেলি?" "যদি কম পড়ে যায়?"
আমরা দুনিয়ার মোহ নিয়ে সবসময় ফোকাসড থাকি। সাহাবীরা দুনিয়াকে হাতে রাখতেন, হৃদয়ে না। মজার ব্যাপার হলো, যখন আপনি দুনিয়ার প্রতি মোহ বা আসক্তি কমিয়ে ফেলবেন এবং টাকাকেই সাকসেসের একমাত্র প্যারামিটার ভাবা বন্ধ করবেন তখন দুনিয়া উল্টো আপনার পেছনে ছুটবে।

আব্দুর রহমান ইবনে আউফ (রাঃ) এভাবেই শূন্য থেকে শিখরে উঠেছিলেন। তিনি চেজ করেন নি, তিনি ট্রাস্ট করেছেন এবং সিনসিয়ারলি কাজ করেছেন।

তাই সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যের চাকচিক্য দেখে ডিপ্রেশনে ভুগবেন না। নিজেকে অন্যের সাথে কম্পেয়ার করে ছোট ভাববেন না।

আপনার রিজিক আপনার কাছেই আসবে, সঠিক সময়ে, সঠিক উপায়ে।

Hustle less with stress, Trust more with action. ❤️

আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা নাকি গুনাহ। তবে শুধুমাত্র সমালোচনা, হিংসা করা , পেছনে মিথ্যা কথা লাগিয়ে একজনের সাথে অন্যজন...
29/11/2025

আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা নাকি গুনাহ। তবে শুধুমাত্র সমালোচনা, হিংসা করা , পেছনে মিথ্যা কথা লাগিয়ে একজনের সাথে অন্যজনের সম্পর্ক নষ্ট করে রাখা বা গীবত ছড়ানোর কাজ করা আত্মীয় গুলোর সাথে সম্পর্ক রক্ষা করতে গিয়ে যদি মানসিক শান্তি নষ্ট হয়, সামাজিকভাবে হেয় হতে হয়, এবং তাদের আচরণ বা কর্মকাণ্ড যদি ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়, তবে তাদের সাথে সম্মানপূর্বক দূরত্ব বজায় রাখারও নির্দেশ আছে। মুনাফিক, হিংসুক, ও অকৃতজ্ঞ গোছের আত্মীয়দের সাথে বন্ধন রক্ষা করতে গেলে যদি সম্পর্কগুলো আরও নষ্ট হয় বা খারাপ হয়ে যাবার সম্ভাবনা থাকে, তাহলে দূরত্বই ভালো।

তবে দূরে থাকা মানে তাদের বিপদে পাশে না থাকা নয়। তাদের বিপদে সবার আগে থেকেই তাদের প্রতি দায়িত্ববোধের প্রমাণ দেয়া উচিৎ; বিনিময়ে তাদের কাছ থেকে সমান প্রত্যাশা রাখা কখনও উচিত না। যদিও এর বিনিময়ে তারা আরও অনেকগুলো মিথ্যা অপবাদ, নোংরা সমালোচনা, আর অকৃতজ্ঞতা ফেরত দেবে। তবুও তাদের দুঃসময়ে পাশে থাকতে হবে শুধুমাএ আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য।

আমার strategy হলো "Live and let live"

Training With Rokhsana

ইয়া রব, আমি আপনাকে ভিষণ ভালোবাসি। নিশ্চয়ই আপনি ও আমাকে ভালোবাসেন। আপনাকে ভালোবাসি মুখে ঠিকই বলি, কিন্তু কাজে কর্মে প্রকা...
19/11/2025

ইয়া রব,
আমি আপনাকে ভিষণ ভালোবাসি। নিশ্চয়ই আপনি ও আমাকে ভালোবাসেন।
আপনাকে ভালোবাসি মুখে ঠিকই বলি, কিন্তু কাজে কর্মে প্রকাশ করতে পারি না।
কিন্তু এটা সত্য, এক ইলাহ মানে আমি আপনাকে বুঝি। আমি জানি আমার এত নিকৃষ্ট কর্মের পরেও আপনি আমাকে ভালোবাসেন। তওবার দরজা খোলা রেখেছেন, আমি জানি আপনি আমাকে ভালোবাসেন বলে এখনো নিয়ামত দিয়ে যাচ্ছেন।

ওহ আল্লাহ, আপনার প্রতি আমার যেটুকু ভালোবাসা আছে, ওইটুকু ভালোবাসার উপর আপনি সন্তুষ্ট হয়ে যান। অতঃপর আমাকে ক্ষমা করে দিন।
( আমিন)🤍

আপনার ক্যারিয়ারের Biggest Mistake হলো আপনার Choice of Wordsএকবার এক টিমমেটকে বলতে শুনলাম, “সময় পাইনি, তাই করতে পারিনি।...
26/10/2025

আপনার ক্যারিয়ারের Biggest Mistake হলো আপনার Choice of Words

একবার এক টিমমেটকে বলতে শুনলাম, “সময় পাইনি, তাই করতে পারিনি।”
তখন আমি হাসলাম, কারণ আমিও একসময় এমন বলতাম।

কিন্তু সময়ের সাথে বুঝেছি, দায়িত্ব কেউ দেয় না, দায়িত্ব নিজেকেই নিতে হয়।

অফিসে আপনি যতই ট্যালেন্টেড হন না কেন, আপনার কথায় যদি ‘ownership’ না থাকে, মানুষ আপনাকে কখনো লিডার হিসেবে দেখবে না।

“সময় পাইনি”, “আমাকে কেউ বলেনি”, “এটা অসম্ভব” - এই বাক্যগুলো
ধীরে ধীরে আপনাকে বসের চোখে আপনাকে দায়িত্বশীল কর্মী হিসেবে দেখা থেকে দূরে সরিয়ে দেয়।

কাজে যেমন মনোযোগ দরকার, কথাতেও তেমন সচেতনতা দরকার।
কারণ পেশাজীবনে আপনার কথাই বলে দেয় - "আপনি কতটা নির্ভরযোগ্য।”

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Md Ebrahim Dhali posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share