এনজিও কোম্পানি ফাউন্ডেশন সোসাইটি এমআরএ লাইসেন্স করার হেল্প সেন্টার

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • এনজিও কোম্পানি ফাউন্ডেশন সোসাইটি এমআরএ লাইসেন্স করার হেল্প সেন্টার

এনজিও কোম্পানি ফাউন্ডেশন সোসাইটি এমআরএ লাইসেন্স করার হেল্প সেন্টার Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from এনজিও কোম্পানি ফাউন্ডেশন সোসাইটি এমআরএ লাইসেন্স করার হেল্প সেন্টার, Consulting Agency, অফিস/নাজমা "ল" হাউজ, রুম নং ১৬/এ ২য় তলা, ৫০/১, জনসন রোড, ঢাকা/১১০০। (ডি সি অফিসের পূর্ব পার্শ্বে ), Dhaka.

📝 সরকারি ভাবে প্রতিষ্ঠান নিবন্ধনে সহযোগিতা নিতে Whatsapp 📲 01635755902

🏠 অফিস- নাজমা "ল" হাউজ, রুম নং ১৬/এ ২য় তলা, ৫০/১, জনসন রোড, ঢাকা -১১০০ (ডি সি অফিসের পূর্ব পার্শ্বে)

🏠 অফিস- হাউজ নং- ৬৮, গাজীপুর সদর, গাজীপুর।

www.akd.com.bd

👉 সামাজিক সংগঠন কেন সরকারি নিবন্ধন করা প্রয়োজন??🇧🇩 বাংলাদেশে সামাজিক সংগঠন বা স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাকে বৈধভাবে পরিচালনা, আ...
15/05/2026

👉 সামাজিক সংগঠন কেন সরকারি নিবন্ধন করা প্রয়োজন??

🇧🇩 বাংলাদেশে সামাজিক সংগঠন বা স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাকে বৈধভাবে পরিচালনা, আইনগত স্বীকৃতি, বিশ্বাসযোগ্যতা বৃদ্ধি এবং সরকারি বেসরকারি অনুদান প্রাপ্তির জন্য নিবন্ধন (রেজিস্ট্রেশন) অপরিহার্য।

👉 সাধারণত সমাজসেবা অধিদফতর বা যৌথ মূলধনী কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর (RJSC) থেকে এই নিবন্ধন গ্রহণ করতে হয়, যা সংগঠনকে একটি আলাদা আইনি সত্তা প্রদান করে।
নিবন্ধনের প্রধান প্রয়োজনীয়তা গুলো হলো:
1. আইনগত বৈধতা ও স্বীকৃতি: অনিবন্ধিত সংগঠন অনিরাপদ, কিন্তু নিবন্ধিত সংগঠন ১৯৬১ সালের অধ্যাদেশ অনুযায়ী আইনগত বৈধতা পায়।
2. ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও অর্থায়ন: সংগঠনের নামে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা এবং সরকারি, বিদেশী বা কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (CSR) তহবিল বা অনুদান পাওয়ার জন্য নিবন্ধন বাধ্যতামূলক।
3. বিশ্বাসযোগ্যতা ও স্বচ্ছতা: নিবন্ধিত সংগঠনগুলোর জনস্বীকৃতি ও বিশ্বাসযোগ্যতা বেশি থাকে, যা দাতাদের আশ্বস্ত করে।সম্পত্তির
4. মালিকানা: একটি নিবন্ধিত সংগঠন নিজস্ব নামে জমি বা সম্পত্তি কিনতে এবং মালিকানা ভোগ করতে পারে।
5. কর অব্যাহতির সুবিধা: নিবন্ধিত সেবামূলক সংস্থাগুলো আয়কর ও অন্যান্য কর সুবিধা পাওয়ার যোগ্য হতে পারে।
6. সহযোগিতা ও নেটওয়ার্কিং: সরকারি প্রকল্প বা অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সাথে যৌথভাবে কাজ করার সুযোগ বাড়ে।

✅ নিবন্ধন ছাড়া কাজ করলে সংগঠনের স্থায়িত্ব হুমকির মুখে পড়ে এবং আইনি ঝামেলা হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

📘 বিস্তারিত জানতে whatsapp নাম্বারে লিখতে পারেন ✍️

📲 01635755902

সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন

🏘️ গৃহায়ন তহবিলের জন্য আবেদন সময় ও প্রক্রিয়া:👉 বাংলাদেশ ব্যাংকের আওতাধীন গৃহায়ন তহবিল (Housing Fund) থেকে সাধারণত সর...
08/05/2026

🏘️ গৃহায়ন তহবিলের জন্য আবেদন সময় ও প্রক্রিয়া:

👉 বাংলাদেশ ব্যাংকের আওতাধীন গৃহায়ন তহবিল (Housing Fund) থেকে সাধারণত সরাসরি ব্যক্তি পর্যায়ে ঋণ দেওয়া হয় না।
এটি এনজিও/মাইক্রোফাইনান্স ইনস্টিটিউশন (MFI)-এর মাধ্যমে উপকার ভোগীদের (গ্রামাঞ্চলের ভূমিহীন বা নিম্ন আয়ের মানুষ) জন্য গৃহ নির্মাণের ঋণ প্রদান করে।

👉 গৃহায়ন তহবিল আবেদনের প্রক্রিয়া (এনজিও বা MFI-এর জন্য): বিজ্ঞপ্তি অনুসরণ: গৃহায়ন তহবিল থেকে নতুন এনজিও তালিকা ভুক্তকরণ বা ঋণ বরাদ্দের জন্য নিয়মিত পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।
👉 আবেদনের সার্কুলার: সাধারণত নির্দিষ্ট সার্কুলারের মাধ্যমে আবেদনপত্র গ্রহণ করা হয় (যেমন- ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে সার্কুলার দেওয়া হয়েছিল।

1. আবেদন ফরম সংগ্রহ: বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশিত শর্তাবলি পরিপালন সাপেক্ষে, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে গৃহায়ন তহবিলের অফিস থেকে আবেদনপত্র সংগ্রহ করতে হয়।
2. আবেদন দাখিল: যথাযথ নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদন পত্রটি জমা দিতে হয়।
3. গৃহায়ন তহবিল +2উপকারভোগীদের জন্য:আপনি যদি ব্যক্তিগতভাবে গৃহ নির্মাণের জন্য ঋণ পেতে চান, তবে আপনার এলাকার তালিকাভুক্ত কোনো এনজিও-র মাধ্যমে গৃহায়ন তহবিল থেকে ১.৫% সরল সুদে ঋণ নিতে পারেন। বর্তমানে গৃহপ্রতি।
4. ঋণের সিলিং ২,৫০,০০০/- টাকা। গৃহায়ন তহবিল।
5. সুদের হার ও মেয়াদ: এনজিও গুলো ১.৫% সরল সুদে ঋণ নিয়ে উপকারভোগীদের মাঝে ৫.৫০% সরল সুদে, সর্বোচ্চ ৭ বছর মেয়াদে এই ঋণ বিতরণ করে।
6. যোগাযোগ:গৃহায়ন তহবিল ব্যবস্থাপনা ইউনিট ওয়েবসাইট: https://gtfmu.portal.gov.bd/

✅ সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন✍️

📗পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউণ্ডেশন (PKSF)-এর সহযোগী সংস্থা বা পার্টনার অর্গানাইজেশন  হিসেবে তালিকাভুক্ত হতে বা ঋণের আবেদন করতে...
03/05/2026

📗পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউণ্ডেশন (PKSF)-এর সহযোগী সংস্থা বা পার্টনার অর্গানাইজেশন হিসেবে তালিকাভুক্ত হতে বা ঋণের আবেদন করতে প্রয়োজনীয় নথিপত্র ও প্রক্রিয়া:

👉 পিকেএসএফ সহযোগী সংস্থা হওয়ার প্রধান শর্তাবলী সহযোগী সংস্থা হিসেবে নিবন্ধনের জন্য একটি সংস্থাকে সাধারণত নিম্নলিখিত যোগ্যতাগুলো পূরণ করতে হয়:

1. নিবন্ধন: সংস্থাটিকে সমাজসেবা অধিদপ্তর, এনজিও বিষয়ক ব্যুরো বা সংশ্লিষ্ট কোনো সরকারি কর্তৃপক্ষ থেকে নিবন্ধিত হতে হবে।
2. এমআরএ (MRA) সনদ: ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (MRA) থেকে প্রাপ্ত বৈধ সনদ বা লাইসেন্স থাকা বাধ্যতামূলক।
3. গঠনতন্ত্র: সংস্থার নিজস্ব অনুমোদিত এবং পূর্ণাঙ্গ গঠনতন্ত্র থাকতে হবে।
4. দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্য: সংস্থার প্রধান উদ্দেশ্য হতে হবে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দারিদ্র্য বিমোচন।
5. অভিজ্ঞতা: সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে কাজের পূর্ব অভিজ্ঞতা এবং দক্ষ জনবল থাকা প্রয়োজন।প্রয়োজনীয় নথিপত্র ও চাহিদা পত্র (Checklist)আবেদনপত্রের সাথে সাধারণত যে সব কাগজপত্র জমা দিতে হয়।
6. নিবন্ধন সনদ: মূল নিবন্ধনের সত্যায়িত কপি।
7. এমআরএ লাইসেন্স: ক্ষুদ্রঋণ পরিচালনার বৈধ লাইসেন্সের কপি।
8. গঠনতন্ত্র: সংস্থার অনুমোদিত গঠনতন্ত্রের কপি। অডিট রিপোর্ট: বিগত অন্তত ৩ বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন।
9. বার্ষিক বাজেট: গত ৩ বছরের বার্ষিক বাজেট এবং ব্যয়ের বিবরণী।
10. কর্মকর্তাদের তালিকা: সংস্থার বর্তমান পূর্ণকালীন এবং চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের তালিকা এবং প্রধান নির্বাহীর জীবন বৃত্তান্ত।
11. প্রকল্পের বিবরণ: গত ৫ বছরে সম্পন্ন করা বা বর্তমানে চলমান দারিদ্র্য বিমোচন বা উন্নয়নমূলক প্রকল্পের সারসংক্ষেপ।
12. ছবি: সংস্থার সভাপতি এবং প্রধান নির্বাহীর সাম্প্রতিক ২ কপি সত্যায়িত রঙিন ছবি।
13. আবেদন ফি রশিদ: পিকেএসএফ অফিস থেকে আবেদনপত্র ক্রয়ের মূল রশিদ।
14. আবেদন পদ্ধতি PKSF -এর নির্ধারিত আবেদন ফরম পিকেএসএফ অফিস থেকে ১০০ টাকার বিনিময়ে ক্রয় করা যায় অথবা পিকেএসএফ ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করা যেতে পারে।
15. আবেদনপত্র পূরণের সময় কোনো কাটাকাটি বা ফ্লুইড ব্যবহার করা যাবে না এবং সঠিক তথ্য প্রদান করতে হবে।
16. আবেদনপত্রটি সংস্থার প্রধান নির্বাহী কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে।

👉 বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন ।
https://pksf.org.bd

✅ সকল উদ্যোক্তাদের আন্তরিক অভিনন্দন।

👉 কিস্তির মাধ্যমে কিভাবে ব্যবসা এবং পণ্য বিক্রয় সেবা দিবেন?📘 একজন ব্যবসায়ী কিস্তিতে পণ্য বিক্রয়ের কৌশলটি মূলত গ্রাহকক...
29/04/2026

👉 কিস্তির মাধ্যমে কিভাবে ব্যবসা এবং পণ্য বিক্রয় সেবা দিবেন?

📘 একজন ব্যবসায়ী কিস্তিতে পণ্য বিক্রয়ের কৌশলটি মূলত গ্রাহককে পণ্যটি এখনই ভোগ করার সুযোগ দেয়।

✅ এটি একটি ব্যবসায়িক মডেল সফলভাবে পরিচালনা করার জন্য বাণিজ্যিক ও নৈতিক উভয় দিক বিবেচনা করা জরুরি।

👉 কিস্তিতে পণ্য বিক্রয়ের সঠিক কৌশলগুলো দেওয়া হলো:
১. সঠিক মূল্য নির্ধারণ ও স্বচ্ছতা নগদ ও কিস্তির মূল্যের পার্থক্য: কিস্তিতে বিক্রয়ের ক্ষেত্রে নগদ মূল্যের চেয়ে কিছুটা বেশি দাম রাখা ব্যবসায়িক ভাবে গ্রহণযোগ্য। তবে চুক্তির শুরুতেই মোট কত টাকা পরিশোধ করতে হবে তা গ্রাহককে স্পষ্টভাবে জানাতে হবে।

2. কিস্তির বা পণ্যের প্রসেসিং ফি বা অন্য কোনো চার্জ থাকলে তা শুরুতেই জানিয়ে দিন।

3. শক্তিশালী চুক্তি ও শর্তাবলী নির্দিষ্ট সময়সীমা: পণ্যের মূল্য কয়টি কিস্তিতে এবং কত সময়ের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে তা লিখিত আকারে থাকতে হবে।

4. বিলম্বিত কিস্তির নিয়ম: গ্রাহক কিস্তি দিতে দেরি করলে কী হবে তা আগে থেকেই চুক্তিতে উল্লেখ করুন।

5. গ্রাহকের ক্রেডিট যাচাই :গ্রাহকের আয়ের উৎস, জাতীয় পরিচয়পত্র এবং বর্তমান ঠিকানার প্রমাণপত্র সংগ্রহ করুন।প্রয়োজনে একজন জামিনদার বা রেফারেন্সের ব্যবস্থা রাখুন যাতে পেমেন্ট না আসলে যোগাযোগ করা যায়।

6. ডাউন পেমেন্ট সংগ্রহ: পণ্যের মোট মূল্যের একটি নির্দিষ্ট অংশ (যেমন ১০% থেকে ৩০%) শুরুতে অগ্রিম বা ডাউন পেমেন্ট হিসেবে নিন। এটি গ্রাহকের দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করে এবং বিক্রেতার প্রাথমিক ঝুঁকি কমায়।

7. সহজ পেমেন্ট মাধ্যম গ্রাহকের জন্য কিস্তি পরিশোধের প্রক্রিয়া সহজ করতে বিকাশ, নগদ বা ব্যাংক ট্রান্সফারের মতো ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করুন। এতে গ্রাহক ঘরে বসেই কিস্তি দিতে পারবেন এবং সময়মতো পেমেন্ট পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে।

8. পণ্য ফেরত নেওয়ার নীতিমালা: যদি গ্রাহক ধারাবাহিকভাবে কিস্তি পরিশোধে ব্যর্থ হয়, তবে পণ্যটি ফেরত নেওয়ার বা আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার পরিষ্কার নীতিমালা চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত করুন।

9. ইসলামিক বা শরীয়াহ পদ্ধতি অনুসরণ (প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে) আপনি যদি হালাল বা শরীয়াহ সম্মত উপায়ে কিস্তি ব্যবসা করতে চান, তবে চুক্তির মজলিসেই পণ্যের চূড়ান্ত মূল্য এবং সময়সীমা নির্দিষ্ট করে নিতে হবে।

📔 সকল উদ্যোক্তার জন্য শুভকামনা রইল।

📔 এনজিও বিষয়ক ব্যুরো (NGOAB) কিভাবে আবেদন করবেন??👉 এনজিও বিষয়ক ব্যুরো (NGOAB) থেকে নিবন্ধন পেতে হলে প্রধানত বৈদেশিক অন...
15/04/2026

📔 এনজিও বিষয়ক ব্যুরো (NGOAB) কিভাবে আবেদন করবেন??

👉 এনজিও বিষয়ক ব্যুরো (NGOAB) থেকে নিবন্ধন পেতে হলে প্রধানত বৈদেশিক অনুদান (স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম) রেগুলেশন আইন, ২০১৬ অনুযায়ী আবেদন করতে হয় ।

১. আবেদন করার আগে সংস্থাটিকে অবশ্যই সমাজসেবা অধিদপ্তর, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর বা যৌথমূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর (RJSC) এর যেকোনো একটি থেকে নিবন্ধিত হতে হবে ।
2. নিবন্ধনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রধান কাগজপত্র ও তথ্যাদি নিচে দেওয়া হলো:
3. মূল আবেদন ও ফরম এফডি-১ (FD-1) ফরম: নির্ধারিত ফরমে পূরণকৃত আবেদনপত্রের ৯টি কপি দাখিল করতে হয়, যা সংস্থার প্রধান নির্বাহী কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে
4. আবেদনপত্র: এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক বরাবর আনুষ্ঠানিক আবেদনপত্র
5. সাংগঠনিক নথিপত্র গঠনতন্ত্র: প্রাথমিক নিবন্ধনকারী কর্তৃপক্ষ (যেমন: সমাজসেবা বা RJSC) কর্তৃক অনুমোদিত গঠনতন্ত্রের সত্যায়িত অনুলিপি
6. নিবন্ধন সনদ: প্রাথমিক নিবন্ধনকারী কর্তৃপক্ষের দেওয়া নিবন্ধন সনদের সত্যায়িত অনুলিপি
7. কার্যনির্বাহী কমিটির তালিকা: বর্তমান কার্যকরী কমিটির সদস্যদের বিস্তারিত তালিকা এবং সাধারণ সভার কার্যবিবরণীর অনুলিপি
8. সদস্যদের তথ্য: কমিটির সকল সদস্যের পাসপোর্ট সাইজের ছবি এবং এনআইডি (NID) কার্ডের সত্যায়িত কপি
9. কার্যক্রম ও পরিকল্পনা
10. প্ল্যান অব অপারেশন: সংস্থার কর্মপদ্ধতি, সাংগঠনিক কাঠামো (অর্গানোগ্রাম) এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্বলিত প্রতিবেদন
11. সংস্থার বিগত সময়ের (যদি থাকে) কার্যক্রমের সংক্ষিপ্ত বিবরণ বা প্রতিবেদন
12. বিদেশি দাতা সংস্থা থেকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি বা লেটার অফ ইনটেন্ট (Letter of Intent)
13. নির্ধারিত ফি (দেশীয় এনজিওর জন্য সাধারণত ৫০,০০০ টাকা এবং বিদেশি এনজিওর জন্য ৯,০০০ মার্কিন ডলার বা সমপরিমাণ টাকা) জমা দেওয়ার মূল ট্রেজারি চালান এবং এর ওপর ১৫% ভ্যাট প্রদানের চালান
14. ভাড়ার চুক্তিপত্র বা মালিকানা সংক্রান্ত দলিল
15. সংস্থার ব্যাংক হিসাবের স্বচ্ছলতা সনদ

👉 আবেদনের পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং গোয়েন্দা সংস্থা (NSI /SB) দ্বারা তদন্ত ও নিরাপত্তা ক্লিয়ারেন্স সম্পন্ন হলে সাধারণত ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে নিবন্ধন প্রদান করা হয় ।

👉 আবেদন করতে এবং বিস্তারিত জানতে whatsapp যোগাযোগ করতে পারেন
📲 01635755902

14/03/2026
ঢাকা উত্তরা "প্রানশিখা ফাউন্ডেশন" নিবন্ধন এবং এনজিও বিষয়ক ব্যুরো  নিবন্ধন করার প্রস্তুতি নিয়ে প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান...
24/02/2026

ঢাকা উত্তরা "প্রানশিখা ফাউন্ডেশন" নিবন্ধন এবং এনজিও বিষয়ক ব্যুরো নিবন্ধন করার প্রস্তুতি নিয়ে প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান আবু নাঈম মুহাম্মদ শরীফ এবং জেনারেল সেক্রেটারি মোঃ তানজিম আহমেদ সাথে মিটিং এর ফটো চিত্র।

প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদ সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

🌍 বিদেশি অনুদান কিভাবে পাবেন এবং বিশেষ করে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কীভাবে প্রস্তুতি নেয়া দরকার।প্রকল্প ভিত্তিক অনুদান: স...
10/02/2026

🌍 বিদেশি অনুদান কিভাবে পাবেন এবং বিশেষ করে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কীভাবে প্রস্তুতি নেয়া দরকার।

প্রকল্প ভিত্তিক অনুদান: স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, পরিবেশ, এবং সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য।

উদাহরণস্বরূপ, যদি আপনি গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নে কাজ করতে চান, তাহলে এটি সহায়ক হতে পারে। সংগঠন ভিত্তিক অনুদান: এনজিও বা অলাভজনক সংগঠনের সাধারণ কার্যক্রমের জন্য।

যেমন, আপনার যদি একটি নিবন্ধিত এনজিও থাকে, এটি চলমান কার্যক্রমের জন্য সহায়তা পেতে সাহায্য করবে।

গবেষণা অনুদান: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উন্নয়ন বা নতুন গবেষণা প্রকল্পের জন্য। যেমন, কৃষি প্রযুক্তি বা চিকিৎসা গবেষণার জন্য।

জরুরি সহায়তা: প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা মানবিক সংকটের সময়। যেমন, বন্যা, ঘুর্ণিঝড় বা অন্যান্য প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সময় সহায়তা।

বিদেশি অনুদান পাওয়ার জন্য স্পষ্ট প্রকল্প পরিকল্পনা তৈরি করুন: প্রকল্পের উদ্দেশ্য, কার্যক্রম, বাজেট এবং প্রত্যাশিত ফলাফল পরিষ্কারভাবে বর্ণনা করুন।

আবেদন প্রক্রিয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টেশন, যেমন প্রকল্প প্রস্তাবনা, বাজেট, এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র প্রস্তুত করুন।

দাতার নির্ধারিত আবেদন ফর্ম পূরণ করুন। প্রকল্পের বিস্তারিত তথ্য প্রদান করুন এবং প্রস্তাবনাটি প্রস্তুত করুন।

স্পষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করুন: আপনার প্রকল্পের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য পরিষ্কারভাবে উল্লেখ করুন।

দক্ষ দল গঠন করুন: অভিজ্ঞ দল গঠন করুন যারা প্রকল্প পরিকল্পনা ও বাজেট তৈরি করতে সাহায্য করবে।

প্রতিযোগিতা: অনেক প্রকল্প একই অনুদানের জন্য আবেদন করে। আপনার প্রস্তাবনাটি ইউনিক এবং আকর্ষণীয় হওয়া প্রয়োজন।

জলবায়ু পরিবর্তন ফান্ড: পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য সহায়তা প্রদান করে।

বিদেশি অনুদান পাওয়ার প্রক্রিয়া কিছুটা জটিল হলেও সঠিক প্রস্তুতি ও পরিকল্পনার মাধ্যমে এটি সহজেই অর্জন করা সম্ভব। একটি পরিষ্কার প্রকল্প পরিকল্পনা, সঠিক ডকুমেন্টেশন, এবং নিয়মিত যোগাযোগের মাধ্যমে আপনি আন্তর্জাতিক সহায়তা লাভ করতে পারেন।

👉 বিস্তারিত জানতে 📲 whatsapp
01635755902
www.akd.com.bd

Address

অফিস/নাজমা "ল" হাউজ, রুম নং ১৬/এ ২য় তলা, ৫০/১, জনসন রোড, ঢাকা/১১০০। (ডি সি অফিসের পূর্ব পার্শ্বে )
Dhaka
1100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when এনজিও কোম্পানি ফাউন্ডেশন সোসাইটি এমআরএ লাইসেন্স করার হেল্প সেন্টার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share