Best Choice Property Management

Best Choice Property Management Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Best Choice Property Management, Management Service, 82 West Dhanmondi, Dhaka.

27/08/2022

শোনেন অভাব কাকে বলে ? 😢😢😥

অর্থনীতি ক্লাসে বয়স্ক একজন স্যার, রুমে ঢুকেই সামনে বসা ছেলেটিকে প্রশ্ন করলেন,
বলো তো, অভাব কাকে বলে ?

-'অর্থনীতিতে বস্তুগত বা অবস্তুগত কোনো দ্রব্য পাওয়ার আকাঙ্খাকে 'অভাব' বলে।'
ছেলেটি উত্তর দিল।

-এটা তো অর্থনীতির ভাষা,
সাধারণ ভাবে অভাব কাকে বলে ? অর্থাৎ 'অভাব' বলতে তুমি ঠিক কি বোঝ ?

ছেলেটি মাথা নিচু করে বেঞ্চের দিকে তাকিয়ে আছে।
কি বলবে ভাবছে সে।
স্যার আবার তাড়া দিলেন
'বল' ...

ছেলেটি এবার বলতে শুরু করল।

১। আমি কলেজে আসার সময় মা আমাকে ভাড়া দিতে গিয়ে তার ব্যাগ তন্ন তন্ন করে খুঁজে অনেক কষ্টে ২০/৩০ টাকা বের করে দেন,
আর আমি বাড়ি থেকে বের হয়ে ৫/৭ মিনিট পর বাড়িতে ফিরে ভাড়ার টাকাটা মাকে দিয়ে বলি, মা! আজ কলেজে ক্লাস হবে না।
মা তখন বলেন, আগে খবর নিবি না ক্লাস হবে কিনা ?
মায়ের সাথে এই লুকোচুরি হচ্ছে 'অভাব'।

২। বাবা যখন রাত করে বাড়ি আসেন মা তখন বাবাকে জিজ্ঞেস করেন এত রাত হলো কেন ফিরতে ?
বাবা বলেন, 'ওভারটাইম' ছিল।
'ওভারটাইম' না করলে সংসার কিভাবে চলবে ? বাবার এই অতিরিক্ত পরিশ্রম হচ্ছে আমার কাছে 'অভাব'।

৩। ছোট বোন মাস শেষে প্রাইভেট টিচারের টাকা বাবার কাছে চাইতে যখন সংকোচবোধ করে সেটাই 'অভাব'।

৪। মাকে যখন দেখি ছেঁড়া কাপড়ে সেলাই দিতে দিতে বলে কাপড়টা অনেক ভাল আরো কিছুদিন পরা যাবে এটাই 'অভাব'।

৫। বন্ধুদের দামী স্মার্টফোনের ভিড়ে নিজের নর্মাল ফোন লজ্জায় যখন লুকিয়ে রাখি এই লজ্জাই আমার কাছে 'অভাব'।

৬। অভাবী হওয়ায় কাছের মানুষগুলো যখন আস্তে আস্তে দূরে সরে যায়,এই দূরে সরে পড়াটাই আমার কাছে 'অভাব'। ....

পুরো ক্লাসের সবাই দাঁড়িয়ে গেল!
অনেকের চোখে জল!

স্যার ও চোখের জল মুছতে মুছতে ছেলেটিকে কাছে টেনে নিলেন।💝

বস্তুতঃ আমাদের সহপাঠীদের মধ্যে এমন অনেকেই আছে,
যারা কয়েক মাস অপেক্ষা করেও বাড়ি থেকে সামান্য টাকা পায় না।
সব দুঃখ-কষ্টকে আড়াল করে হাসিমুখে দিনের পর দিন পার করে দেয় খেয়ে না খেয়ে!
তাদের হাসির আড়ালে লুকিয়ে থাকা কষ্ট টুকু বুঝার সুযোগ হয়তো আমাদের হয়ে ওঠে না!

এটাই বাস্তব !
Copy faebook group

ধন্যবাদ আমাদের পোস্টে কমেন্ট করার জন্য অনুগ্রহ করে যদি আমাদের follow করেন আমরা আরো উৎসাহিত হবো আরো ভালো কিছু দেওয়ার, আপনাদের টাকা পয়সা না শুধু একটু support এর প্রয়জন , ভালো থাকবেন 😢😢😢

😪😪😪😪😪😪😪

29/07/2022

টিচার খুব আন্তরিকতার সাথেই পাশের মেয়েটাকে বললেন,

__জননী তোমার কি বিয়ে হয়েছে?
"মেয়েটা একটু লজ্জা পেয়ে বলল"
__হ্যাঁ স্যার। আমার একটা দুই বছরের ছেলে
আছে।
টিচার চট করে দাঁড়ালেন। খুব হাসি হাসি মুখ নিয়ে বললেন, "আমরা আজ আমাদেরই একজনের প্রিয় মানুষদের নাম জানবো। এই কথা বলেই মেয়েটার দিকে তাকিয়ে বললেন,
__মা আজকে তুমিই টিচার। এই নাও চক, ডাস্টার।
যাও তোমার প্রিয় দশ জন মানুষের নাম লেখো। মেয়েটা বোর্ডে গিয়ে দশ জন মানুষের নাম লেখলো। টিচার বললেন,
এরা কারা? তাদের পরিচয় ডান পাশে লেখো। মেয়েটা এদের পরিচয় লেখলো।
সংসারের সবার নামের পাশে দুই একজন বন্ধু, প্রতিবেশীর নামও আছে। টিচার এবার বললেন,
–লিষ্ট থেকে পাঁচ জনকে মুছে দাও। মেয়েটা তার প্রতিবেশী, আর ক্লাশমেটদের নাম মুছে দিলো।

টিচার একটু মুচকি হাসি দিয়ে বললেন, আরো তিন জনের নাম মুছো। মেয়েটা এবার একটু ভাবনায় পড়লো। ক্লাশের অন্য ষ্টুডেন্টরা এবার সিরিয়াসলি নিলো বিষয়টাকে। খুব মনযোগ
দিয়ে দেখছে মেয়েটার সাইকোলজি কিভাবে কাজ
করছে। মেয়েটার হাত কাঁপছে।
সে ধীরে ধীরে তার বেষ্ট ফ্রেন্ডের নাম মুছলো।
এবং বাবা আর মায়ের নামও মুছে দিলো। এখন মেয়েটা রিতিমত
কাঁদছে।
যে মজা দিয়ে ক্লাশটা শুরু হয়েছিলো, সেই মজা আর
নেই। ক্লাশের অন্যদের মাঝেও টানটান উত্তেজন।
লিষ্টে আর বাকী আছে দুইজন। মেয়েটার হাজবেন্ড আর
সন্তান। টিচার এবার বললেন, আরো একজনের নাম মুছো।
কিন্তু মেয়েটা ঠায় দাঁড়িয়ে রইলো। কারো নাম মুছতে সে
আর পারছেনা। টিচার বললেন
–মা গো, এইটা একটা খেলা।
সাইকোলজিক্যাল খেলা। জাষ্ট প্রিয় মানুষদের নাম মুছে দিতে
বলেছি, মেরে ফেলতে তো বলিনি!!!
মেয়েটা কাঁপা কাঁপা হাত নিয়ে ছেলের নামটা মুছে দিলো।
টিচার এবার মেয়েটার কাছে গেলেন, পকেট থেকে একটা
গিফ্ট বের করে বললেন– তোমার মনের উপর দিয়ে যে
ঝড়টা গেলো তার জন্য আমি দুঃখিত। আর এই গিফ্ট বক্সে
দশটা গিফ্ট আছে। তোমার সব প্রিয়জনদের জন্য।
এবার বলো, কেন তুমি অন্য নামগুলো মুছলে। মেয়েটা
বলল- প্রথমে বন্ধু আর প্রতিবেশীদের নাম মুছে দিলাম।
কারন তবু আমার কাছে বেষ্ট ফ্রেন্ড আর পরিবারের সবাই
রইলো। পরে যখন আরো তিন জনের নাম মুছতে
বললেন, তখন বেষ্ট ফ্রেন্ড আর বাবা মায়ের নাম মুছে
দিলাম। ভাবলাম, বাবা মা তো আর চিরদিন থাকবে না। আর বেষ্ট
ফ্রেন্ড না থাকলে কি হয়েছে?
আমার কাছে আমার পুত্র আর তার বাবাই বেষ্ট ফ্রেন্ড। কিন্তু
সবার শেষে যখন এই দুইজন থেকে একজনকে মুছতে
বললেন তখন আর সিদ্ধান্ত নিতে পারছিলাম না।
পরে ভেবে দেখলাম, ছেলেতো বড় হয়ে একদিন
আমাকে ছেড়ে চলে গেলেও যেতে পারে। কিন্তু
ছেলের বাবাতো কোন দিনও আমাকে ছেড়ে যাবে না।
এটাই একটা মেয়ের তার স্বামীর প্রতি ভালোবাসা।

কালেক্টেড

24/07/2022

চিরন্তন সত্য কথা। Love you বাবা ♥️

21/07/2022

১। Internet আবিষ্কৃত হয় 1969 সালে।
২। Email আবিষ্কৃত হয় 1971 সালে।
৩। Hotmail আবিষ্কৃত হয় 1996 সালে।
৪। Google আবিষ্কৃত হয় 1998 সালে।
৫। Facebook আবিষ্কৃত হয় 2004 সালে।
৬। Youtube আবিষ্কৃত হয় 2005 সালে।
৭। Twitter আবিষ্কৃত হয় 2006 সালে।
৮। বিশ্বে ইন্টারনেট চালু হয় ১৯৬৯সালে
৯। বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহার চালু হয়
১৯৯৩ সালে।
১০। বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহার সবার
জন্য উন্মুক্ত হয় ১৯৯৬ সালে।
১১। বাংলাদেশে 3g চালু হয় 14
OCTOBER,2012।
১২। বাংলাদেশে স্থাপিত প্রথম
কম্পিউটার "IBM-1620 ‘ যা স্থাপিত হয়
বাংলাদেশ পরমানু শক্তি কমিশনে ১৯৬৪
সালে।
১৩। ২১মে ২০০৬ সালে কক্সবাজারের
ঝিলংজা-তে ল্যান্ডিং স্টেশন স্থাপনের
মাধ্যমে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলে
যুক্ত হয়।
১৪। বাংলাদেশর বিজ্ঞানীরা
প্রথমাবারের মতো ‘জীবনরহস্য‘ উন্মোচন
করেছেন মহিষের।
১৫। ২০১৩সালে দেশি পাটের জীবন রহস্য
উন্মোচনে নেতৃত্ব দেন ড মাকসুদুল আলম।
১৬। ১৯৮১ এপসন কোম্পানি সর্বপ্রথম
ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রচলন করেন তার
নামঅসবর্ন-১।
১৭। বিশ্বের একমাত্র কম্পিউটার জাদুঘরটি
অবস্থিতযুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টায়।
১৮। বাংলা সামাজিক মাধ্যম ‘‘বেশত‘‘ চালু
হয় ২৮ ফ্রেব্রু ২০১৩।
১৯। বাংলাদেশের ‘টেলিফোন শিল্প
সংস্থা লিমিটেড(টেশিস) কর্তৃক তৈরী
প্রথম ল্যাপটপ --এর নামদোয়েল।
২০। জাতিসংঘ রেডিও বাংলা যাত্রা শুরু
করে ২১ ফ্রেব্রু:২০১৩।
২১। বাংলাদেশের প্রথম সার্চ ইঞ্চিন
‘‘পিপীলিকা‘‘ উদ্ধোধন করা হয় ১৩এপ্রিল,
২০১৩।
২২। বাংলাদেশে দ্রুত গতির ইন্টারনেট
‘‘ওয়াইম্যাক্স‘ চালু হয় >>June,2009, Banglalion।
২৩। বাংলাদেশে কবে , কোথায় সাইবার
ক্যাফে চালু হয় ১৯৯৯ সালে,বনানীতে।
২৪। বাংলাদেশের প্রথম মোবাইল ফোন
কোম্পানীর সিটিসেল ডিজিটাল, ১৯৯৩
সাল।
২৫। বাংলাদেশে প্রথম ডিজিটাল
টেলিফোন ব্যবস্থা চালূ হয় ৪ জানুয়ারী,
১৯৯০।
২৬। বাংলাদেশে কখন থেকে কার্ড ফোন
চালূ হয় ১৯৯২ সালে।
২৭। প্রথম ডিজিটার জেলা যশোর।
২৮। প্রথম ওয়াই ফাই নগর সিলেট।
২৯। সাইবার সিটি সিলেট।
৩০। প্রথম ডিজিটাল টেলিফোন এক্সচেঞ্জ
মিঠাপুকুর ,রংপুর।
=> GIF এর পূর্ণরূপ — Graphic Interchangeable
Format
=> BMP এর পূর্ণরূপ — Bitmap
=> JPEG এর পূর্ণরূপ — Joint Photographic Expert
Group
=> PNG এর পূর্ণরূপ — Portable Network
=> Wi-Fi র পূর্ণরূপ — Wireless Fidelity
=> HTTP এর পূর্ণরূপ — Hyper Text Transfer
Protocol
=> HTTPS এর পূর্ণরূপ — Hyper Text Transfer
Protocol Secure
=> URL এর পূর্ণরূপ — Uniform Resource Locator
=> IP এর পূর্ণরূপ— Internet Protocol
=> VIRUS এর পূর্ণরূপ — Vital Information
Resource Under Seized
=> UMTS এর পূর্ণরূপ — Universal Mobile
Telecommunication System
=> RTS এর পূর্ণরূপ — Real Time Streaming
=> AVI এর পূর্ণরূপ — Audio Video Interleave
=> SIS এর পূর্ণরূপ — Symbian OS Installer File
=> AMR এর পূর্ণরূপ — Adaptive Multi-Rate Codec
=> JAD এর পূর্ণরূপ — Java Application Descriptor
=> JAR এর পূর্ণরূপ — Java Archive
=> MP3 এর পূর্ণরূপ — MPEG player lll
=> 3GPP এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation
Partnership Project
=> 3GP এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation Project
=> MP4 এর পূর্ণরূপ — MPEG-4 video file
=> SIM এর পূর্ণরূপ — Subscriber Identity Module
=> 3G এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation
=> GSM এর পূর্ণরূপ — Global System for Mobile
Communication
=> CDMA এর পূর্ণরূপ — Code Divison Multiple
Access
=> AAC এর পূর্ণরূপ — Advanced Audio Coding
=> SWF এর পূর্ণরূপ — Shock Wave Flash
=> WMV এর পূর্ণরূপ — Windows Media Video
=> WMA এর পূর্ণরূপ — Windows Media Audio
=> WAV এর পূর্ণরূপ — Waveform Audio
1) GOOGLE : Global Organization Of Oriented
Group Language Of Earth
2) YAHOO : Yet Another Hierarchical Officious
Oracle
3) WINDOW : Wide Interactive Network
Development for Office work Solution
4) COMPUTER : Common Oriented Machine
Particularly United and used under Technical and
Educational Research
5) VIRUS : Vital Information Resources Under
Siege
6) UMTS : Universal Mobile Telecommunications
System
7) AMOLED: Active-matrix organic light-emitting
diode

★OLED : Organic light-emitting diode
9) IMEI: International Mobile Equipment Identity
10) ESN: Electronic Serial Number
11) UPS: uninterrupted power supply
12) HDMI: High-Definition Multimedia Interface
13) VPN: virtual private network
14) APN: Access Point Name
15) SIM: Subscriber Identity Module
16) LED: Light emitting diode
17) DLNA: Digital Living Network Alliance
18) RAM: Random access memory
19) ROM: Read only memory
20) VGA: Video Graphics Array
21) QVGA: Quarter Video Graphics Array
22) WVGA: Wide video graphics array
23) WXGA: Wide screen Extended Graphics Array
24) USB: Universal serial Bus
25) WLAN: Wireless Local Area Network
26) PPI: Pixels Per Inch
27) LCD: Liquid Crystal Display
28) HSDPA: High speed down-link packet access
29) HSUPA: High-Speed Uplink Packet Access
30) HSPA: High Speed Packet Access.

01/05/2022

ধরুন আপনার ৬ সন্তান। এদের মধ্যে ৩ জন মেয়ে আর ৩ জন ছেলে। রমজান ঈদের ঠিক আগে এই ৬ জনের জন্য আপনি জনপ্রতি ২০০০ টাকা করে সমান বাজেট দিয়ে একই পোশাক কিনে আনলেন। এবার ৬ জনের প্রতিক্রিয়া কেমন হবে?

- ১ম জন কোন প্রতিক্রিয়া দেখাবে না। নির্বিকারভাবে একবার পোশাকটা দেখে নিজের কাজে মনোযোগ দিবে।
- ২য় জন পোশাকটা পছন্দ করবে না, ছুঁড়ে ফেলে দিবে।
- ৩য় জন বলবে, এই পোশাক বদলে অন্য আরেকটা নিয়ে আসো।
- ৪র্থ জন বলবে, পোশাক পছন্দ হয়েছে। আলমিরাতে রেখে দিবে।
- ৫ম জন ঈদের উপহার গায়ে দিয়ে দেখবে, হাসিমুখে বলবে থ্যাংকস আব্বু-আম্মু।
- ৬ষ্ঠ জন উপহার পেয়ে অসম্ভব খুশী হবে। মা-বাবা দুজনকেই খুশীতে জড়িয়ে ধরবে। পোশাকটা বারবার গায়ের উপর রেখে আয়নায় দেখবে। আবেগে হয়ত ওর চোখ অশ্রুসিক্তও হয়ে উঠতে পারে।

এখন আপনি যদি এই ৬ সন্তানের মা-বাবা হন, সবার যদি ক্যাপাসিটি থাকে, বৃদ্ধ বয়সে আপনি কার সাথে থাকতে চাইবেন?

গল্প শেষ হবার পর প্রশ্নটা করে এক বড়ভাই আমার দিকে তাকালেন। উত্তর খুব সহজ, তাই বললাম,
- ৬ষ্ঠ জন। এরপরের পছন্দ ৫ম জন, তাও না হলে ৪র্থ জন। অন্য ৩ জনের সাথে থাকতে চাইব না।

এবার বড়ভাই হাসিমুখে আমার দিকে তাকিয়ে বললেন,
- আল্লাহ রাব্বুল আলামিনও তাই চান। উনি আমাদের সবাইকে এই জীবন উপহার দিয়েছেন। আমরা এক একভাবে এই উপহারকে গ্রহণ করেছি। কেউ জীবন নিয়ে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করি, কেউ জীবনটা অপচয় করি, কেউ ছুঁড়ে ফেলে দেই। কেউ মাঝে মধ্যে নামাজ দোয়া পড়ে অল্পস্বল্প ধর্ম পালন করি। কিন্তু আল্লাহ জান্নাতে সেসব মুসলিমদের সাথেই থাকতে চান, যারা নিয়মিত কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে, অনুগত বান্দার মত সব নির্দেশ মেনে চলে আর সবসময় আল্লাহকে স্মরণ করেন।

উনার গল্পটা শুনে মুগ্ধ হলাম। এই ছোট্ট উপমার মাধ্যমে উনি মুসলিমদের জন্য মানব জীবনের এত চমৎকার একটা ব্যাখ্যা দিয়েছেন।

আমরা এই ৬ জনের মধ্যে কার মত হতে চাই, এখন সম্পূর্ণ আমাদের হাতে!!

Atique Ua Khan

03/12/2021

🎉 ‘ঠিকানাহীন’ শোভার ঠিকানা এখন বুয়েট 🎉❤️

জন্মের আগেই বাবাকে হারিয়েছিলেন। ‘অপয়া’ সেই মেয়েকে নিয়ে এরপর প্রতিমা রানীর নিরন্তর সংগ্রাম। সপ্তম শ্রেণিতে পড়ার সময় শোভা রানীও যোগ দেয় মায়ের সংগ্রামে। অবশেষে নানা ঘাত-প্রতিঘাত পেরিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শোভা সুযোগ পেলেন বুয়েটে। তিনি এই যুদ্ধ জয়ের গল্প শুনিয়েছেন পিন্টু রঞ্জন অর্ককে

আমি মায়ের গর্ভে থাকতেই বাবা মারা যান। ফলে জন্মের পরপরই লোকের কাছে ‘অপয়া’ ছিলাম। বাবা মারা যাওয়ার পর মাকে শ্বশুরবাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। তখন মা মামার বাড়ি গেলেন। আমার দিদিমাও মারা গিয়েছিলেন। পরে দাদু দ্বিতীয় বিয়ে করেন। যে কারণে মামাবাড়িতেও এক ধরনের আগন্তুকের মতো ছিলাম। স্থানীয় একটা স্কুলে দপ্তরির কাজ করতেন মা। তত দিনে আমি অ আ ক খ শিখে ফেলেছি। সেই সময়কার একটা ঘটনা মনে আছে। একটা জামা বা কী যেন কিনে দেওয়ার জন্য বায়না ধরেছিলাম। মায়ের হাতে পয়সা নেই। পরে ঘরের মুরগির ডিম বিক্রি করে সেটা কিনে দিয়েছিলেন। এটা জানতে পেরে মামা রাগ করে আমাদের বাড়ি থেকে চলে যেতে বলেছিলেন। একটা পোঁটলা আর আমাকে নিয়ে মা বাড়ি ছাড়লেন। বাইরে তখন তুমুল বৃষ্টি। মায়ের চোখে জল। কোথাও যাওয়ার মতো জায়গা যে আমাদের নেই!


🎉 দিদিমার নিজের চলাই দায়

- উপায়ান্তর না দেখে মা তখন তাঁর পিসির বাড়িতে গেলেন। কিন্তু তাঁদের সংসারেও নুন আনতে পান্তা ফুরায়। দুই-তিন মাস পর মায়ের একটা কাজ জুটল। কুমিল্লার কোম্পানীগঞ্জে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে গৃহপরিচারিকার কাজ। সেই বাড়িতে রান্নাঘরের পাশে ছোট্ট একটা রুমে আমরা থাকতাম। সেখানে বেগমগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি হলাম। তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ার সময় একদিন বাড়িওয়ালা বললেন, ‘কাজ করে একজন। খায় দুজন। তোমার মেয়েকে কেন রাখব?’ এক পর্যায়ে সেই বাসাও ছাড়তে হলো।


- কিন্তু কোথায় যাবে মা?

অনন্যোপায় হয়ে আবার গন্তব্য মামাবাড়ি। অনুনয়-বিনয়ের পর মামার দয়া হলো। সেখানে একটা স্কুলে ক্লাস ফোরে ভর্তি হলাম। তত দিনে কোনো কাজ জোগাড় করতে পারেননি মা। ফলে মাস দুয়েক পর আবার মামার বাড়ি ছাড়তে হলো। এবারও শেষ ঠিকানা মায়ের সেই পিসির বাড়ি। পরে মা সেই বাড়িতে আমাকে রেখে কুমিল্লা চলে গেলেন। এক বাসায় গৃহপরিচারিকার কাজ পেলেন। মা যে বাসায় কাজ করতেন বছরখানেক পর তারাও অন্যত্র চলে যায়। ফলে মা আবার গ্রামে ফেরেন।


-আবার বিয়ের পিঁড়িতে

তখন অবস্থা এমন যে মামার বাড়িতেও আমাদের ঠাঁই নেই, দিদিমণির বাড়িতেও থাকার উপায় নেই। এদিকে আমি বড় হচ্ছি। মা-মেয়ের স্থায়ী কোনো ঠিকানা নেই। আজ এখানে তো কাল ওখানে। ফলে প্রতিবেশীরা চাচ্ছিল মাকে আবার বিয়ে দিতে। কিন্তু মা রাজি ছিলেন না। অনেকে বোঝানোর পর আমার নিরাপত্তার কথা ভেবেই রাজি হলেন। তখন ক্লাস ফোরে পড়ি। বিয়ের পর কামাল্লা থেকে আমরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে চলে আসি। সেখানে আদর্শ কিন্ডারগার্টেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণিতে ভর্তি হলাম। পিএসসি পাসের পর ব্রাহ্মণবাড়িয়া গভর্নমেন্ট মডেল গার্লস হাই স্কুলে ভর্তি পরীক্ষা দিলাম। কয়েক শ শিক্ষার্থীর মধ্যে আমিসহ মাত্র ১২০ জন ভর্তির সুযোগ পেল। স্কুলের কাছেই ছিল নিউ অক্সফোর্ড কোচিং সেন্টার। সেখানে দিদার স্যার এবং পার্থ স্যার অল্প টাকায় আমার পড়ার ব্যবস্থা করলেন। স্কুলে ষষ্ঠ শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষায় অষ্টম হয়েছিলাম।


- বাবা ছিলেন উদাসীন

তাঁর সহায়-সম্পত্তি বলতে কিছুই ছিল না। চায়ের দোকানে কাজ করতেন। একদিন কাজ করলে দুই দিন বসে থাকতেন। ছোট্ট এক রুমের ভাড়া বাসায় উঠিয়েছিলেন আমাদের। ঠিকমতো চাল-ডাল আনতেন না। ঘরভাড়াও বাকি পড়ত। এ নিয়ে প্রায় প্রতিদিনই ঝগড়াঝাঁটি হতো। একটু উচ্চবাচ্য করলেই মায়ের ওপর চলত নির্যাতন। পড়ার টেবিলে বসে আমি কাঁদছি। চোখের জলে বইয়ের পাতা ভিজে গেছে কত দিন! খাবারদাবার বা অন্য কোনো কিছুর জন্য নয়, সৃষ্টিকর্তার কাছে শুধু প্রার্থনা করতাম, আমাকে এমন একটা পরিবেশ দাও যেন একটু পড়তে পারি। জীবনে আর কিছুই চাই না। শুধু পড়াশোনা করতে চাই!

- টিউশনি শুরু করলাম

তখন সপ্তম শ্রেণিতে পড়তাম। খাবার, পোশাক-আশাক থেকে শুরু করে সব কিছু মাকেই জোগাড় করতে হতো। স্থানীয় একটা কারখানায় আচার, চকোলেট ইত্যাদির প্যাকেট বানাতেন মা। আচারের এক হাজার প্যাকেট বানালে ৩০ টাকা পেতেন। আমি এলাকার কয়েকটা বাচ্চাকে পড়ানো শুরু করলাম। সপ্তাহে সাত দিন।
মাসে একেকজনের কাছ থেকে ৫০-১০০ টাকা করে পেতাম।

জীবনে কোনো দিন অপচয় করেছি বলে মনে পড়ে না। যতটুকু লাগত তার চেয়ে কম বৈ বেশি চাইনি। দিন দিন পড়াশোনার খরচ বাড়ছিল। আমাদের এমন করুণ অবস্থার কথা স্কুলে তখনো জানত না। স্কুলে সব বড়লোকের ছেলেমেয়েরা পড়ে। সব সময় মনে হতো তারা জানলে কী ভাববে।


-চোখের জল ফুরাত না

জেএসসি পরীক্ষার রাতগুলোও খুব কষ্টের ছিল। বাবা প্রায়ই এসে ঝগড়া করতেন। রাতে ঘুমাতে যেতাম কাঁদতে কাঁদতে। সকালে উঠে কোনো মতে পরীক্ষার হলে যেতাম। এসবের মধ্যেও পড়তে চেষ্টা করতাম। জেএসসিতে গোল্ডেন এ প্লাস পেলাম। বৃত্তিও পেলাম। নবম শ্রেণিতে চেয়েছিলাম কমার্সে পড়তে। কারণ বিজ্ঞানে পড়ার খরচ চালানোর সামর্থ্য নেই। পরে স্যাররা পাশে দাঁড়ালেন। বললেন, তুমি বিজ্ঞানেই পড়বে। নবম ও দশম শ্রেণিতে ক্লাসে প্রথম হয়েছিলাম।


-ভেবেছিলাম আর হবে না

ক্লাস নাইনে ওঠার পর ভেবেছিলাম, আর পড়াশোনা করব না। এমন পরিস্থিতি কত সহ্য করা যায়? আগে তো বাঁচতে হবে। একদিন বইপত্র সব বস্তায় ঢুকিয়ে ফেলেছি। মাকে বললাম—চলো, যাই। কিন্তু প্রতিবেশীরা তখন বুঝিয়েছে। কোচিং সেন্টারের স্যাররাও বলেছেন, কষ্টসৃষ্টে এই স্কুল থেকেই এসএসসি শেষ করো। ফলে আবারও সত্বাবার ঘরে ফিরে গেলাম।

দশম শ্রেণিতে পড়ার সময় একদিন খবর পেলাম, আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুলে একটা বৃত্তি এসেছে। ক্লাসে দাঁড়িয়ে ম্যাডামকে বললাম, বৃত্তিটা পেলে খুব উপকার হবে। বৃত্তিটা পেলাম। এসএসসিতে গোল্ডেন এ প্লাস এবং বৃত্তি পেয়েছি। এসএসসিতে পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার আগের রাতে মায়ের সঙ্গে ঝগড়া করে বাবা ঘর থেকে বের করে দেন। রাতভর কিছুই পড়তে পারিনি। কিন্তু পদার্থবিজ্ঞানে ৯৮ নম্বর পেয়েছিলাম। এসএসসিতে পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন, গণিত ও উচ্চতর গণিতে আমার গড় নম্বর ছিল ৯৮.৯১।

এসএসসি ফল প্রকাশের দিনও একই ঘটনা ঘটল। তখনো ভেবেছিলাম, আর নয়। কোচিং সেন্টারের স্যাররা আবার বোঝালেন। পরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজে ভর্তি হলাম। তখন একটা বেসরকারি ট্রাস্ট থেকে অদম্য মেধাবী হিসেবে বৃত্তি পেলাম।


- অবশেষে ঘর ছাড়লাম

এক পর্যায়ে অতিষ্ঠ হয়ে শহরে একটা মেসে উঠলাম। একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে কেন্দ্রবিন্দু একাডেমিক কেয়ারে বিনা পয়সায় কোচিংয়ের সুযোগ পেয়েছিলাম। তারা বৃত্তি দিত। টিউশনি করতাম। অপুষ্টি, ক্রমাগত শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের ফলে মা তত দিনে অসুস্থ হয়ে পড়েন। কিডনি, মেরুদণ্ডের সমস্যাসহ নানা রকম জটিলতায় ভুগছিলেন। নিজের খরচ চালানোর পাশাপাশি মাসে আড়াই হাজার টাকার মতো মায়ের চিকিৎসার পেছনে খরচ হতো। এসবের মধ্যেই এইচএসসি পরীক্ষা হলো।


-এবার ভর্তিযুদ্ধে

এইচএসসি পরীক্ষার আগে দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহায়তার জন্য ঘুড্ডি ফাউন্ডেশন একটা পরীক্ষার আয়োজন করেছিল। সেখানে নির্বাচিত হয়ে বিনা মূল্যে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিং ও হোস্টেলে থাকার সুযোগ পেলাম। সেই থেকে ঢাকায় হোস্টেল জীবন। এর মধ্যে ঈদ আসে, পূজা আসে। সবাই নিজ নিজ বাড়ি যায়। কিন্তু আমার যাওয়ার কোনো জায়গা নেই! মন খারাপ হতো। কিন্তু আবার নিজেই নিজেকে সান্ত্বনা দিতাম। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি আমাকে হতেই হবে।


-মা তখনো কাঁদছিলেন

আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় ফরম পূরণ, যাতায়াতসহ সব খরচ দিয়েছিল মানুষ মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন। তারা মায়ের চিকিৎসার ব্যবস্থাও করেছে। যাহোক বুয়েট, ঢাকা, জাহাঙ্গীরনগর, রাজশাহী, বুটেক্সসহ বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিয়েছি। সব কটিতে মেধাতালিকায় প্রথম দিকে আছি। ২৫ নভেম্বর বুয়েটের চূড়ান্ত ফল ঘোষণা করা হলো। সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছি। খবরটা জেনে সবার আগে মাকে ফোন করেছি। মুঠোফোনের অন্য প্রান্তে মা তখনো কাঁদছিলেন। তবে এ কান্না আনন্দের!


~~ আমার জীবন একটা কষ্টের সাগর

বাচ্চাটারে নিয়ে অনেক কষ্ট করছি। কোনো মতে ডাইল-ভাত খাইয়া বাচ্চাটারে দাঁড় করাইচি। ম্যালা জায়গায় কাজ করচি। বাবারে তোমারে কী কমু, মালিকেরা তো বেশি ভালা না। মাইয়া মানুষ কোন জায়গায় নিরাপদ? পরে বিয়া কইরা যার কাছে আইছি হেও কষ্ট দিছে। তাও ভাবছি, যতই কষ্ট হউক শোভারে পড়ামু। বাচ্চাটা টিফিন খাইব। দিমু যে দুইডা টাকা, হেই সামর্থ্য আছিল না। আমার জীবনটা একটা কষ্টের সাগর। আমি তো কষ্ট পাইছি। শোভাও প্রচুর কষ্ট পাইছে। আমি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মাইনসের ঋণ শোধ করতে পারুম না।

Credit : Kaler Kantho

13/11/2021

আপনি কি খিলগাঁও সি ব্লকে ফ্ল্যাট কিনার কথা ভাবছেন???
সুলভ মূল্যে ফ্লাট বুকিং চলছে,আপনার আবাসন স্থান হোক ঝুঁকিমুক্ত ও নিরাপত্তা
১৩৫৫ বর্গফুট এর ফ্ল্যাট, প্রতি বর্গফুট মাত্র ৯,৫০০/- টাকা টাকায় ক্রয় করে হতে পারে আপনার কাঙ্ক্ষিত ফ্ল্যাটটি।
চমৎকার লোকেশন,উত্তরমুখী সম্মূখ রাস্তা ৪০ ফুট প্রশস্ত খিলগাঁও সি ব্লকে আন্সার ক্যাম্প এর সাথে, আলো বাতাস পাওয়া যাবে অফুরন্ত !!!

ফ্ল্যাটের ধরন:-
✔️ প্রতি ফ্লোরে ইউনিট-০২ টি করে।
✔️ বেড ০৩টি
✔️ বাথরুম ০৩টি
✔️ বেলকনি ০৩টি
✔️ ড্রয়িং ও ডায়নিং
✔️ সাথে থাকবে লিফট এবং জনারেটর,
👉 ভবনটি ০৯ তলা।
👉 বিক্রয়যোগ্য ফ্ল্যাট: ২য়, ৩য় এবং ৪ তলা।
👉 জমির পরিমান-০৪ কাঠা
👉 প্রজেক্ট এর কাজ আরম্ভ হবে- জানুয়ারী -২০২২।
👉 প্রজেক্ট হ্যান্ডওভার- ডিসেম্বর -২০২৩।
👉 পরিকল্পনা: রাজউক অনুমোদিত।
👉 জমির পরিমান ০৪ কাঠা
⛳ ঠিকানা-খিলগাঁও সি ব্লক, প্লট -৩৪২।
📞 যোগাযোগ নাম্বার -01739227631

দেরি না করে আপনার ফ্ল্যাটটি বুকিং দিতে আজই যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে।

19/10/2021

#কানাডা

টরেন্টোতে এক কেজি গরুর মাংস বাংলাদেশী টাকায় ২৫৬ টাকা। এক লিটার দুধের দাম ৮৫ টাকা। কানাডার মানুষের #মাথাপিছু আয় প্রায় াজার_ডলার।

#আমেরিকা

নিউইয়র্কে এক কেজি গরুর মাংস ৫০০ টাকা। দুধের লিটার ৬৫ টাকা। ডিমের ডজন ১৬০ টাকা। এক লিটার সয়াবিন তেল ১০০ টাকা। আমেরিকানদের #মাথাপিছু আয় প্রায় াজার_ডলার।

#অষ্ট্রেলিয়া

সিডনিতে এক কেজি গরুর মাংস ৪৮৮ টাকা। এক লিটার দুধ ৬১ টাকা। ডিমের ডজন ২৪৪ টাকা। অস্ট্রেলিয়ানদের #মাথাপিছু আয় প্রায় াজার_ডলার।

#সুইজারল্যাণ্ড

জুরিখে এক কেজি গরুর মাংস ৬০০ টাকা। দুধের লিটার ৫০ থেকে ৬৫ টাকা। ডিমের ডজন ১৮০ টাকা। সুইজারল্যাণ্ডের #মাথাপিছু আয় প্রায় াজার_ডলার।

#জার্মানী

বন শহরে এক লিটার দুধ ৬০ টাকা। এক ডজন ডিম ৬৫ থেকে ৭০ টাকা। রান্নার তেল ৯০ থেকে ৯৫ টাকা লিটার। জার্মানির #মাথাপিছু আয় প্রায় াজার_ডলার।

#ইংল্যাণ্ড

লন্ডনে গরুর মাংসের কেজি ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা। এক ডজন ডিম ৯০ টাকা। রান্নার তেল ১০০ থেকে ১১০ টাকা লিটার। দুধের লিটার ৯০ টাকা। ইংল্যাণ্ডের মানুষের #মাথাপিছু আয় প্রায় াজার_ডলার।

#ইতালী

ভেনিসে গরুর মাংসের কেজি ৫৫০ টাকা। এক লিটার দুধ ৫০ টাকা। ডিমের ডজন ১২০ টাকা। তেল ১০০ থেকে ১১০ টাকা লিটার। দেশটির #মাথাপিছু আয় প্রায় াজার_ডলার।

#জাপান

টোকিওতে গরুর মাংসের কেজি ১ হাজার ২০০ টাকা। ডিমের ডজন ২০০ টাকা, দুধের লিটার ২০০ টাকা। #মাথাপিছু আয় প্রায় াজার_ডলার।

#কোরিয়া

সিউলে গরুর মাংস ৭৫০ টাকা কেজি, দুধের লিটার ১১৫ টাকা, ডিমের ডজন ৯৫ টাকা, খাসির মাংস ৭১৫ টাকা কেজি। কোরিয়ার মানুষের #মাথাপিছু আয় প্রায় াজার_ডলার।

#সিঙ্গাপুর

সিঙ্গাপুরে প্রায় সব জিনিসই আমদানি করা। এখানে ফ্রোজেন গরুর মাংসের কেজি ৫৫৮ টাকা। এক ডজন ডিম ১০৮ টাকা। সিঙ্গাপুরের #মাথাপিছু আয় প্রায় াজার_ডলার।

#ভারত

কলকাতায় গরুর মাংসের কেজি ২১০ থেকে ২৪০ টাকা, খাসির মাংস ৭০০ থেকে ৭২০ টাকা। দুধের লিটার ৪৮ থেকে ৫০ টাকা। এক ডজন ডিম ৬০ টাকা। ভারতের #মাথাপিছু আয় প্রায় ার।

#বাংলাদেশ

ঢাকায় এক কেজি গরুর মাংস প্রায় ৬০০ টাকা। এক কেজি প্যাকেট তরল দুধ ৭০ টাকা। ফ্রেশ দুধ ৮০ থেকে ১০০ টাকা লিটার। এক ডজন ডিম ১০০ থেকে ১১০ টাকা। এক লিটার সয়াবিন তেল ১০০ থেকে ১১০ টাকা। বাংলাদেশের #মাথাপিছু আয় প্রায় ার।

মনে রাখি, কানাডার একজন শ্রমিক ঘণ্টায় আয় করেন ৭ হাজার ৬০০ টাকা, বাংলাদেশি শ্রমিকের ঘণ্টায় আয় ৩৩ টাকা, দিনে ২৬৭ টাকা।

ফলাফল=

১.
বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার মতে, পর্যাপ্ত প্রোটিন ও ক্যালোরী না পাওয়ায় বাংলাদেশে অপরিণত শিশু জন্মহার সবচেয়ে বেশি।

২.
আয় এবং প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যে সমঞ্জস্য না থাকায় বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষের সুস্থ-স্বাভাবিক মেধার বিকাশ ঘটছে না।

এভাবেই বাংলাদেশ তার জনসম্পদকে ধ্বংস করে পৃথিবীর মধ্যে রোল মডেল হয়ে চলেছে!!!

[সূত্র: ডেইলী ষ্টার, বাংলা, কমেণ্টে লিংক]

কার্টেসীঃ রাখাল রাহা

Address

82 West Dhanmondi
Dhaka

Opening Hours

Monday 09:00 - 22:01
Tuesday 09:00 - 22:00
Wednesday 09:00 - 22:00
Thursday 09:00 - 22:00
Friday 09:00 - 22:00
Saturday 09:00 - 22:00
Sunday 09:00 - 23:00

Telephone

01739227631

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Best Choice Property Management posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share