VAT TAX

VAT TAX Income Tax & VAT affairs
Company Formation
Project Profile
IRC & ERC
Audit Report

Our main mission & Objectives are to serve our clients with the ‘highest sincerity and satisfaction’ from the very beginning.

10/08/2026

🚨 ৫০ লাখ টাকা ব্যবসা, ৫ লাখ টাকা লাভ—তবুও কর ৫০ হাজার!

❓ ব্যবসা বাড়েনি।
❓ লাভ বাড়েনি।
❗ তাহলে কর ৪ গুণ কেন?

এটাই এখন ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের জন্য বড় প্রশ্ন।

🔴 ন্যূনতম কর: ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের ঘাড়ে নতুন বোঝা?
চলুন, খুব সহজ একটি উদাহরণে বিষয়টি বুঝি।

📊 একই ব্যবসা | একই টার্নওভার | একই মুনাফা
২০২৪–২৫ অর্থবছর
💰 টার্নওভার = ৫০ লাখ টাকা
📈 নিট মুনাফা = ৫ লাখ টাকা
🧾 কর ≈ ১০,০০০ টাকা

⬇️⬇️⬇️

২০২৫–২৬ অর্থবছর

💰 টার্নওভার = ৫০ লাখ টাকা
📈 নিট মুনাফা = ৫ লাখ টাকা
🧾 কর ≈ ৫০,০০০ টাকা

😟 ফলাফল?
ব্যবসা একই ❌
টার্নওভার একই ❌
মুনাফা একই ❌

কিন্তু—
🔥 কর বেড়েছে ৪ গুণ!
💸 অতিরিক্ত করের চাপ = ৪০,০০০ টাকা

⚖️ কেন এমন হচ্ছে?

অর্থ আইন, ২০২৬-এর মাধ্যমে আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ১৬৩-এ ন্যূনতম কর সংক্রান্ত বিধানে পরিবর্তন আনা হয়েছে, যা ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর।

এই ব্যবস্থায় নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে—
👉 প্রকৃত মুনাফা কম হলেও
👉 প্রকৃত মুনাফা না থাকলেও
👉 এমনকি ব্যবসায় লোকসান হলেও
টার্নওভারের ভিত্তিতে ন্যূনতম করের প্রশ্ন তৈরি হতে পারে।
অর্থাৎ—
📌 নিয়মিত পদ্ধতিতে হিসাব করা কর < ন্যূনতম কর
হলে ন্যূনতম করই পরিশোধ করতে হবে।

⚠️ সমস্যাটা কোথায়?
ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসার বাস্তবতা একটু ভিন্ন।
📉 Profit Margin কম
📈 Operating Cost বেশি
🏪 Competition বেশি
💰 Cash Flow-এর চাপ বেশি

অনেক ব্যবসা খুব সামান্য মার্জিনে পরিচালিত হয়।
কিন্তু—
টার্নওভার ≠ মুনাফা
৫০ লাখ টাকা বিক্রি মানেই ৫০ লাখ টাকা আয় নয়।
বরং সেই ৫০ লাখ টাকার মধ্য থেকেই দিতে হয়—
➡️ পণ্য ক্রয়ের খরচ
➡️ কর্মচারীদের বেতন
➡️ দোকান/অফিস ভাড়া
➡️ বিদ্যুৎ ও অন্যান্য ইউটিলিটি
➡️ পরিবহন
➡️ ব্যাংক চার্জ
➡️ ঋণের সুদ
➡️ অন্যান্য ব্যবসায়িক ব্যয়

শেষে প্রকৃত মুনাফা হয়তো থাকে খুবই সামান্য।
🚨 এর ফলে কী হতে পারে?

1️⃣ 💸 Cash Flow Crisis

ব্যবসা থেকে যে টাকা পুনঃবিনিয়োগ করার কথা, সেটাই কর পরিশোধে চলে যেতে পারে।
2️⃣ 📉 Low-margin ব্যবসায় চাপ
কম মুনাফায় পরিচালিত ব্যবসাগুলো অতিরিক্ত করের চাপে লোকসানের দিকে চলে যেতে পারে।

3️⃣ ⚠️ অপ্রাতিষ্ঠানিক অর্থনীতির ঝুঁকি
অতিরিক্ত করের চাপ ব্যবসায়ীদের একটি অংশকে হিসাব গোপন বা অপ্রাতিষ্ঠানিক পথে যাওয়ার দিকে ঠেলে দিতে পারে।
👉 এতে শেষ পর্যন্ত সরকারের রাজস্ব আহরণও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

4️⃣ 🚫 নতুন উদ্যোক্তাদের নিরুৎসাহিত হওয়া

ব্যবসার শুরুতেই যদি করের বোঝা প্রকৃত মুনাফার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ না হয়, তাহলে নতুন উদ্যোক্তারা ব্যবসা শুরু করতে বা সম্প্রসারণ করতে নিরুৎসাহিত হতে পারেন।
💡 সমাধান কী হতে পারে?
✅ ১. ন্যূনতম করের হার পুনর্বিবেচনা
ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসার বাস্তবতা বিবেচনা করে ন্যূনতম করের হার পুনর্মূল্যায়ন করা দরকার।

✅ ২. Turnover + Profit—দুটোকেই গুরুত্ব দেওয়া
শুধু টার্নওভার নয়—
প্রকৃত মুনাফা ও ব্যবসার আর্থিক সক্ষমতাকেও বিবেচনায় নেওয়া উচিত।
✅ ৩. Sector-wise Tax Structure
সব ব্যবসার মুনাফার হার এক নয়।

🛒 Retail
🏭 Manufacturing
📦 Wholesale
💼 Service
🏗️ Construction

প্রতিটি খাতের Profit Margin ভিন্ন।

তাই খাতভিত্তিক বাস্তবতা বিবেচনা করে ন্যূনতম কর নির্ধারণ করা যেতে পারে।

✅ ৪. ব্যবসায়ীদের সাথে আলোচনা
নীতিনির্ধারণের আগে—
🏢 ব্যবসায়ী সংগঠন
📊 SME প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন
💼 কর পেশাজীবী
👨‍💼 উদ্যোক্তা

সবার মতামত নেওয়া জরুরি।
🇧🇩 আমরা কেমন করব্যবস্থা চাই?

❌ এমন করব্যবস্থা নয়, যা ব্যবসা বন্ধ করে দেয়।

❌ এমন করব্যবস্থা নয়, যা উদ্যোক্তাকে নিরুৎসাহিত করে।

❌ এমন করব্যবস্থা নয়, যেখানে টার্নওভার দেখেই ব্যবসার সক্ষমতা ধরে নেওয়া হয়।

বরং আমরা চাই—
একটি ন্যায্য, বাস্তবসম্মত ও ব্যবসাবান্ধব করব্যবস্থা।
যেখানে—
💰 সরকার রাজস্ব পাবে
🤝 ব্যবসায়ী ন্যায্য কর দেবেন
📈 ব্যবসা সম্প্রসারণের সুযোগ পাবে
👨‍💼 নতুন উদ্যোক্তা তৈরি হবে
🇧🇩 অর্থনীতি শক্তিশালী হবে

🗣️ শেষ কথা

কর দেওয়া ব্যবসায়ীর দায়িত্ব।
কিন্তু ন্যায্য করব্যবস্থা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।

👉 টার্নওভার বড় হলেই মুনাফা বড় হয় না।

👉 ব্যবসার বিক্রয় আর ব্যবসার প্রকৃত আয়—এক জিনিস নয়।

তাই ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসার বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে ন্যূনতম কর ব্যবস্থার একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও টেকসই কাঠামো নিয়ে নতুন করে আলোচনা হওয়া প্রয়োজন।
🇧🇩 **SME বাঁচলে ব্যবসা বাঁচবে।
ব্যবসা বাঁচলে অর্থনীতি এগিয়ে যাবে।**
✍️ লেখক
ওমর ফারুক, ITP
📞 ০১৭১১ ৩০ ৯৩ ৭৪

আপনার মতামত কী?

👇 ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসার ক্ষেত্রে টার্নওভার-ভিত্তিক ন্যূনতম কর কি পুনর্বিবেচনা করা উচিত?

💬 আপনার মতামত কমেন্টে জানান।
🔄 পোস্টটি শেয়ার করুন—ব্যবসায়ীদের কাছে বিষয়টি পৌঁছে দিন।

#এসএমই #ন্যূনতমকর #আয়কর #বাংলাদেশঅর্থনীতি #ব্যবসায়ীদেরকথা

🚨 আইএমএফের নতুন রোডম্যাপ: এখনই সতর্ক হোন করদাতারা!বাংলাদেশে কর প্রশাসন আরও ডিজিটাল, স্বচ্ছ ও তথ্যনির্ভর হতে যাচ্ছে। তাই ...
29/07/2026

🚨 আইএমএফের নতুন রোডম্যাপ: এখনই সতর্ক হোন করদাতারা!

বাংলাদেশে কর প্রশাসন আরও ডিজিটাল, স্বচ্ছ ও তথ্যনির্ভর হতে যাচ্ছে। তাই এখন থেকেই নিজের কর-সংক্রান্ত তথ্য গুছিয়ে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

✅ একজন করদাতা হিসেবে যা করবেন—

✔️ TIN, NID ও ব্যক্তিগত তথ্য হালনাগাদ রাখুন।

✔️ নির্ধারিত সময়ে আয়কর রিটার্ন দাখিল করুন।

✔️ আয়, সম্পদ, ব্যাংক হিসাব ও বিনিয়োগের তথ্য সঠিকভাবে রিটার্নে উল্লেখ করুন।

✔️ ব্যাংক স্টেটমেন্ট, সম্পদের দলিল, বিনিয়োগের কাগজপত্র ও অন্যান্য প্রমাণপত্র সংরক্ষণ করুন।

✔️ কর ফাঁকি বা ভুল তথ্য প্রদান থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকুন।

✔️ আগের রিটার্নে কোনো ভুল থাকলে আইন অনুযায়ী সংশোধনের উদ্যোগ নিন।

⚠️ কেন এখনই সতর্ক হওয়া জরুরি?

🔸 ভবিষ্যতে ব্যাংক, ভূমি, গাড়ি, কোম্পানি, বিনিয়োগসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের তথ্য একসঙ্গে মিলিয়ে দেখা হতে পারে।

🔸 ঝুঁকিভিত্তিক (Risk-Based) অডিট আরও বাড়তে পারে।

🔸 তথ্যে অসঙ্গতি থাকলে নোটিশ, জরিমানা বা কর নিরীক্ষার মুখোমুখি হতে হতে পারে।

📌 মনে রাখবেন

সঠিক তথ্য, সময়মতো রিটার্ন এবং সংরক্ষিত নথিপত্র—এ তিনটিই একজন সচেতন করদাতার সবচেয়ে বড় সুরক্ষা।

> কর পরিপালনে স্বচ্ছতা বজায় রাখুন, ভবিষ্যতের ঝামেলা এড়িয়ে চলুন।

28/07/2026

📢 কর প্রণোদনা: প্রত্যাশা বনাম বাস্তবতা

অর্থ আইন, ২০২৬-২৭ এর মাধ্যমে আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ১৭০-এ নতুন সংযোজন

⚠️ অনেক করদাতার একটি সাধারণ ভুল ধারণা হলো— মোট নির্ধারিত কর (Tax Liability)-এর উপর ৫% অথবা ২৫,০০০ টাকা (যেটি কম) কর প্রণোদনা পাওয়া যাবে।

❌ বাস্তবে বিষয়টি এমন নয়।

📌 উদাহরণ
👤 জনাব আমিনুল ইসলামের তথ্য:
🔹 বেতন আয়: ৩০,০০,০০০ টাকা
🔹 রিটার্ন অনুযায়ী মোট নির্ধারিত কর: ৪,৪০,০০০ টাকা
🔹 উৎসে কর্তিত কর (TDS): ৪,২০,০০০ টাকা
🔹 বিনিয়োগজনিত কোনো কর রেয়াত নেই।
🤔 প্রত্যাশা
অনেকের ধারণা—
✅ কর প্রণোদনা = ৪,৪০,০০০ × ৫% = ২২,০০০ টাকা
অর্থাৎ,
আর কোনো কর দিতে হবে না।
বরং ২,০০০ টাকা রিফান্ড পাওয়া যাবে।
⚖️ কিন্তু আইন কী বলছে?
📖 ধারা ১৭০(১)(ক) অনুযায়ী,
🗓️ ১ জুলাই থেকে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করলে ধারা ১৭৩(২) অনুযায়ী নির্ধারিত "পরিশোধযোগ্য কর"-এর উপর—
➡️ ৫% অথবা ২৫,০০০ টাকা (যেটি কম) কর প্রণোদনা পাওয়া যাবে।
📌 ধারা ১৭৩(২) অনুযায়ী
পরিশোধযোগ্য কর =
(রিটার্ন অনুযায়ী বা ধারা ১৬৩(৬) অনুযায়ী প্রদেয় কর—যেটি বেশি)
উৎসে কর্তিত কর (TDS) ও অগ্রিম কর
🧮 হিসাব
🔸 মোট নির্ধারিত কর = ৪,৪০,০০০ টাকা
🔸 উৎসে কর্তিত কর = ৪,২০,০০০ টাকা
➡️ পরিশোধযোগ্য কর = ২০,০০০ টাকা
এখন,
💰 কর প্রণোদনা = ২০,০০০ × ৫% = ১,০০০ টাকা
✅ অর্থাৎ জনাব আমিনুল ইসলাম কর প্রণোদনা হিসেবে মাত্র ১,০০০ টাকা পাবেন।

🎯 মূল বার্তা
✅ কর প্রণোদনা মোট নির্ধারিত করের উপর নয়।
✅ কর প্রণোদনা গণনা হবে ধারা ১৭৩(২) অনুযায়ী নির্ধারিত "পরিশোধযোগ্য কর"-এর উপর।

📌 তাই রিটার্ন দাখিলের আগে ধারা ১৭০ ও ধারা ১৭৩(২) ভালোভাবে বুঝে কর হিসাব করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

✍️ লেখক:
ওমর ফারুক, কর আইনজীবী
📱 মোবাইল: ০১৭৫২২৬৭৬০৬

> এই লেখাটি শেয়ার করুন, যাতে কর প্রণোদনা নিয়ে প্রচলিত ভুল ধারণা দূর হয়।
,

যে সকল ক্ষেত্রে বিন রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে
17/07/2026

যে সকল ক্ষেত্রে বিন রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে

হেবা দলিল বা দানের মাধ্যমে সম্পত্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে উৎসে কর কর্তনের বিষয়ে সুস্পষ্টিকরণ  ,      ,
07/07/2026

হেবা দলিল বা দানের মাধ্যমে সম্পত্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে উৎসে কর কর্তনের বিষয়ে সুস্পষ্টিকরণ
, ,

04/07/2026
আগামীকাল থেকে দলিল রেজিস্ট্রি করতে হলে অটোমেটেড চালানের ( A Challan) মাধ্যমে -রেজিস্ট্রেশন ফিস, স্ট্যাম্প শুল্ক, উৎসে কর...
01/07/2026

আগামীকাল থেকে দলিল রেজিস্ট্রি করতে হলে অটোমেটেড চালানের ( A Challan) মাধ্যমে -
রেজিস্ট্রেশন ফিস,
স্ট্যাম্প শুল্ক,
উৎসে কর ( আয়কর আইনের ১২৫ ধারা)
প্রযোজ্য ক্ষেত্রে উৎসে কর (আয়কর আইনের ১২৬ ধারা) ও ভ্যাট জমা দিতে হবে!
পুরাতন নিয়মে পে-অর্ডার জমা দিয়ে আর দলিল রেজিস্ট্রি করা যাবেনা!
সুতরাং কারো পে- অর্ডার করা থাকলে সেটা ভাঙ্গিয়ে এ চালান করে নেওয়া উচিত হবে।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্যটি শেয়ার করে সবাইকে জানিয়ে দিন।

অভিনন্দন স্যর!জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হওয়ায় জনাব আহসান হাবিব স্যারকে আন্তরিক শুভ...
29/06/2026

অভিনন্দন স্যর!
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হওয়ায় জনাব আহসান হাবিব স্যারকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন

বাংলাদেশ আয়কর আইন ২০২৩ অনুযায়ী, একজন করদাতা নির্দিষ্ট কিছু খাতে বিনিয়োগ ও অনুদান (Investment and Donation) করার মাধ্যমে ...
04/06/2026

বাংলাদেশ আয়কর আইন ২০২৩ অনুযায়ী, একজন করদাতা নির্দিষ্ট কিছু খাতে বিনিয়োগ ও অনুদান (Investment and Donation) করার মাধ্যমে কর রেয়াত বা Tax Rebate পেয়ে থাকেন। অর্থ আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী অনুমোদিত মূল খাতগুলো নিচে দেওয়া হলো:
​প্রধান বিনিয়োগের খাতসমূহ
​জীবন বীমার প্রিমিয়াম (Life Insurance Premium): করদাতার নিজের, স্বামী/স্ত্রীর অথবা অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানের জীবনের জন্য পলিসির প্রিমিয়াম (যা মোট বিমা অঙ্কের বা Sum Assured-এর ১০% এর বেশি হবে না)।
​ডিপিএস বা সঞ্চয় স্কিম (DPS): যেকোনো তফসিলি ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বার্ষিক সর্বোচ্চ ১,২০,০০০ টাকা পর্যন্ত ডিপোজিট পেনশন স্কিম বা ডিপিএস-এ বিনিয়োগ।
​সঞ্চয়পত্র (Sanchaypatra): বাংলাদেশ ব্যাংক বা অনুমোদিত অন্য কোনো মাধ্যম থেকে কেনা সরকারি সঞ্চয়পত্র।
​শেয়ার বাজার ও মিউচুয়াল ফান্ড: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ার, ডিবেঞ্চার, স্টক এবং ওপেন-এন্ডেড বা ক্লোজ-এন্ডেড মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ।
​সরকারি সিকিউরিটিজ ও বন্ড: বাংলাদেশ সরকারের ট্রেজারি বন্ড বা অন্য কোনো অনুমোদিত সরকারি সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ।
​ভবিষ্য তহবিল (Provident Fund): * সরকারি প্রভিডেন্ট ফান্ডে চাঁদা।
​স্বীকৃত প্রভিডেন্ট ফান্ডে (Recognized Provident Fund) করদাতা ও নিয়োগকর্তা উভয়ের চাঁদা।
​সুপার অ্যানুয়েশন ফান্ডে (Superannuation Fund) প্রদত্ত চাঁদা।
​অনুমোদিত অনুদানের খাতসমূহ
​যাকাত তহবিল: যাকাত ফান্ড ম্যানেজমেন্ট আইন, ২০২৩-এর অধীনে গঠিত সরকারি যাকাত তহবিলে বা এর অধীন দাতব্য তহবিলে দেওয়া অনুদান।
​সরকারি অনুদান ও জাতীয় তহবিল: * জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) কর্তৃক অনুমোদিত কোনো জনকল্যাণমূলক বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দেওয়া অনুদান।
​বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্ট-এ প্রদত্ত অনুদান।
​জাতীয় অধ্যাপক মেমোরিয়াল ফান্ড ইত্যাদিতে অনুদান।
​আহছানিয়া মিশন ক্যান্সার হাসপাতাল বা আইসিডিডিআর,বি (ICDDR,B)-এর মতো সরকার কর্তৃক অনুমোদিত সুনির্দিষ্ট দাতব্য প্রতিষ্ঠানে অনুদান।
​কর রেয়াত গণনার নিয়ম (Rebate Limit)
​বিনিয়োগ করলেই পুরো টাকার ওপর রেয়াত পাওয়া যায় না। বর্তমান আইন অনুযায়ী, রেয়াতের পরিমাণ হবে নিচের ৩টি অঙ্কের মধ্যে যা সবচেয়ে কম (Lowest):
​প্রকৃত বিনিয়োগের ১৫% (15% of Actual Eligible Investment)
​মোট করযোগ্য আয়ের ৩% (3% of Total Taxable Income — তবে মনে রাখবেন, করমুক্ত আয়, হ্রাসকৃত কর হারের আয় বা চূড়ান্ত করদায়ের খাতগুলো এই হিসাবের বাইরে থাকবে)
​১০ লক্ষ টাকা (BDT 1,00,0000)
​বিশেষ দ্রষ্টব্য: কর রেয়াতের সুবিধা সম্পূর্ণভাবে পাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট কর বছরের ৩০শে জুনের মধ্যেই বিনিয়োগ বা অনুদান সম্পন্ন করতে হয় এবং রিটার্ন দাখিলের সময় এর স্বপক্ষে প্রমাণপত্র (যেমন: সঞ্চয়পত্র কেনার রসিদ, প্রভিডেন্ট ফান্ডের স্টেটমেন্ট, বিমার প্রিমিয়াম রসিদ ইত্যাদি) জমা দিতে হয়।

Address

581, Kadir Complex (8th Floor), Begum Rokeya Sarani, Kazipara, Mirpur, Dhaka. (Adjacent To Kazipara Merto)
Dhaka
1216

Opening Hours

Monday 08:00 - 22:00
Tuesday 08:00 - 22:00
Wednesday 09:00 - 22:59
Thursday 09:00 - 22:00
Friday 16:00 - 20:00
Saturday 08:00 - 22:00
Sunday 09:00 - 22:00

Telephone

+8801711309374

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when VAT TAX posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to VAT TAX:

Shortcuts

Share