NASA MEDIA

NASA MEDIA Provide best quality organic and Deshi Halal Food

14/08/2024

আপনার ঘুমের সময় ইনকাম হবে এমন পথ যদি না খুঁজে পান, তাহলে আপনাকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত কাজ করে যেতে হবে।
- বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন

ব্যস্ততার মধ্যেও সবাইকে জানাই ঈদ মোবারক ❤️
10/04/2024

ব্যস্ততার মধ্যেও সবাইকে জানাই ঈদ মোবারক ❤️

17/06/2023

আপনি কি ব্যবসা করতে চাচ্ছেন ? 😒
কি নিয়ে ব্যবসা করবেন খুঁজে পাচ্ছেন না ? 😢
আবার ব্যবসায় লস করতে হয় এমন দুঃশ্চিন্তা থেকে নামতে ভয় পান ? 👀👀
আমাদের কাছে লাভ জনক ব্যাবসায়ের অনেক আইডিয়া রয়েছে !!! 😍😍
এখানে একটা তুলে ধরা হলো। ❤❤

14/06/2023

আপনার বিজ্ঞাপনের হেডলাইন কি লিখলে
কাস্টমার আকৃষ্ট হবে
তা কি জানেন ?

12/06/2023

Profit ছাড়া ব্যবসা কইরা লাভ আছে ?

10/06/2023

Mindset, বিশ্বাস, Action
That's The Only Shortcut.

অনলাইন বিজনেস টিপস – ২০২৩ | অনলাইন বিজনেস কিভাবে করব ?আপনি কি অনলাইন বিজনেস টিপস সম্পর্কে জানতে চান ? তাহলে এই আর্টিকেলট...
09/06/2023

অনলাইন বিজনেস টিপস – ২০২৩ | অনলাইন বিজনেস কিভাবে করব ?

আপনি কি অনলাইন বিজনেস টিপস সম্পর্কে জানতে চান ? তাহলে এই আর্টিকেলটা শুধু আপনার জন্য।
বর্তমান সময়ে অধিকাংশ মানুষের চিন্তা কি করে তারা অনলাইনে বিজনেস বা ইনকাম করবেন । তবে একটা জিনিস মনে রাখতে হবে বিজনেস করে অর্থ উপার্জন করা এতটা সহজ নয়, আবার কিছু টিক্স ও ট্রিক্স জানলে একদমই সহজ।
তাই ধৈর্য ধারণ করতে হবে এবং লেগে থাকতে হবে। তাহলে সফলতা একদিন আসবেই। বিজনেস এর বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম রয়েছে। এক্ষেত্রে আপনি কিভাবে বুঝবেন আপনার জন্য সেরা অনলাইন ব্যবসা কোনটি ?
এজন্য আপনাকে বিজনেস টিপস ফলো করতে হবে। তাহলে আপনি বুঝতে পারবেন কোন ব্যবসাটি আপনার জন্য !
তাই আজ আমি অনলাইন বিজনেস সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করব পাশাপাশি নানান ধরনের টিপস আপনাদেরকে দেয়ার চেষ্টা করছি ।
যাতে করে আপনি বিজনেস সম্পর্কে ভালো একটি ধারণা পান। অতএব আর্টিকেলটি গুরুত্বসহকারে মনোযোগ দিয়ে পড়বেন।
অনলাইন বিজনেস বা অনলাইন ব্যবসা কি ?
এমন একটি ব্যবসায়িক পদ্ধতি যেটা অনলাইনের মাধ্যমে পরিচালনা করা হয় এবং অনলাইনেই কাস্টমারদের সাথে লেনদেন ও যোগাযোগ করা হয়।
যেমন : টি-শার্ট কোম্পানি অনলাইনে টি-শার্ট বিক্রি করে । একজন লোক অনলাইনে টি-শার্ট দেখতে পেল। তারপর সে অর্ডার দিল।
ওই কোম্পানি ডেলিভারির মাধ্যমে ঐ লোকটির কাছে টি-শার্টটি পৌঁছে দিল। এই সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি করা হয়েছিল অনলাইনে। এই প্রক্রিয়াটিকেই বলা হয়ে থাকে অনলাইন ব্যবসা পদ্ধতি।
মোট কথা : বিজনেস এর সমস্ত কাজকর্ম অনলাইনের মাধ্যমেই সম্পাদন করা হয়।

অনলাইন বিজনেসে কি কি টিপস রয়েছে ?

ব্যবসা শুরু করার আগে আপনাকে কয়েকটি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে । অনেক টিপস রয়েছে । বাছাইকৃত কয়েকটি দেওয়া হলো । আশা করি আপনি নিচের টিপস গুলো ফলো করবেন। পাশাপাশি পরিশ্রম এবং মনোযোগ সহকারে করবেন তাহলে খুব তারাতারি সফল হতে পারবেন।

১. বিজনেস সম্পর্কে পরিপূর্ণ দক্ষতা ও ধারণা নেওয়া ।

যে বিজনেস এর মধ্যে আপনার আগ্রহ এবং পরিপূর্ণ দক্ষতা ও ধারণা রয়েছে, সে ব্যবসা আপনার নিজের জন্য বাছাই করুন। যাতে যে কোন পরিস্থিতিতে আপনি ধৈর্য ধরে রাখতে পারবেন। কারণ যে বিজনেসএর মধ্যে আপনার আগ্রহ বা যথেষ্ট জ্ঞান নেই সে ব্যবসা আপনার উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে । ফলে আপনার মূল্যবান সময় এবং প্রচেষ্টা অপচয় হবে।

২. টার্গেট করে মার্কেট সম্পর্কে গবেষণা করতে হবে ।

আপনি যাদের মনে করছেন সম্ভাব্য গ্রাহক তারা কোন বিষয়কে প্রাধান্য দেয় একটি পণ্য ক্রয় করা কিংবা সেবা গ্রহণ করার ক্ষেত্রে এবং গ্রাহকের কোন জিনিষের প্রতি চাহিদা আছে কোন ধরনের চাহিদা বেশি , সম্ভাবনা ও সমস্যার জায়গাগুলো কী , প্রতিযোগী কারা ? এসব বিষয়ে অবশ্যই গবেষণা করতে হবে ও পর্যাপ্ত তথ্য সংগ্রহ করতে হবে । ব্যবসা করতে এই তথ্যগুলো বেশ গুরুত্বপূর্ণ। আপনার সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয় ও ব্যবসায়ের ভবিষ্যত কোন দিকে যাচ্ছে তা খুব তাড়াতাড়ি টের পাওয়া যায়।

৩. অনলাইন বিজনেস সিস্টেম হলো পণ্য চিহ্নিত করতে হবে।

কোন পণ্যগুলির চাহিদা সবচেয়ে বেশি এবং কেমন খরচ হয় সেগুলো অনুসন্ধান করতে হবে। আপনার পণ্য নতুন হিসেবে অনলাইনে অ্যাড দেওয়ার জন্য সঠিক পরিকল্পনা করতে হবে। পাশাপাশি পণ্য সরবরাহকারী, প্রতিযোগী এবং ব্যবসায় সহযোগীদের নিয়ে ভালোভাবে গবেষণা করে প্ল্যান সাজাতে হবে। যাতে আপনি দ্রুত মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা লাভ করেন এবং সফল হন।

৪. প্রতিযোগিতা করা ।

প্রতিযোগিতামূলক ব্যবসা আপনার অনলাইন ব্যবসার জন্য একটি অনন্য অবস্থান তৈরি করতে সহায়তা করতে পারে । কেননা প্রতিযোগিতার কারণে নানান বিষয় খেয়াল রাখতে হয়। যেমন :
পণ্যের মান ঠিক রাখা।
অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রি না করা।
গ্রাহকদের সাথে ভালো ব্যবহার করা।
আনকমন পণ্য সংগ্রহে রাখা।
সার্ভিস ভালো দেওয়া। ইত্যাদি।
এ সমস্ত বিষয়ের প্রতি খেয়াল করা হবে। মোটকথা যখন আপনি প্রতিযোগিতা করে ব্যবসা করবেন তখন অটোমেটিক ভাবে আপনার যে সমস্ত প্রতিযোগী রয়েছে তাদের থেকে ভাল সার্ভিস বা পণ্য দেওয়ার চেষ্টা করবেন।
আর এটা আপনাকে লাভজনক করে তুলবে । সুতরাং আমরা বুঝতে পারলাম যে, এই প্রতিযোগিতা হলো বিজনেসের সাফল্যের চাবিকাঠি । তাই সবসময় চেষ্টা করবেন প্রতিযোগিতা করে ব্যবসা করতে।

৫. অনলাইন বিজনেস আইডিয়া হলো বাজেট নির্ধারণ করা

বিজনেস এর জন্য বাজেট অনেক গুরুত্বপূর্ণ। কেননা বাজেট নির্ধারণ সঠিক হলে আপনার বিজনেস দ্রুত সফলতা লাভ করবে। আর বাজেট নির্ধারণ না করলে মাঝপথে ব্যবসা বন্ধ করে দিতে হবে। অতএব বিজনেস মডেল তৈরি করার সময় অবশ্যই বাজেট নির্ধারণ করতে হবে।

৬. বিজনেস প্লান বা মডেল তৈরী করা

প্রতিটি ব্যবসার মধ্যে মুনাফা অর্জন করা হচ্ছে প্রধান লক্ষ্য । আমরা যে পরিকল্পনা করে থাকি ঐ লক্ষ্যে পৌছার জন্য সেটাই হলো বিজনেস মডেল। অর্থাৎ আপনার পছন্দনীয় অনলাইন বিজনেস এর ফাষ্ট থেকে লাষ্ট পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ে কার্যক্রমের পরিকল্পনা ও গবেষণাকে লিপিবদ্ধ করা ।
যেমন : মূলধন ,মালিকানা , পণ্য ও সেবা, বাজারজাতকরণ কৌশল ইত্যাদি । এর ফলে আপনি আপনার বিজনেসের জন্য কি পদ্ধতি গ্রহণ করবেন সেটা আপনার কাছে স্পষ্ট হয়ে যাবে । এই সময়ে কমবেশি আপনার বিজনেসকে বাস্তবে পরিণত করার জন্য কি কি দক্ষতার প্রয়োজন সে সম্পর্কে আপনার ধারণা হয়ে যাবে এবং কি কি লাগবে সেটাও স্পষ্ট হয়ে যাবে ।অর্থাৎ আপনার কি ওয়েব ডিজাইনার, প্রোগ্রামার , ফ্যাশন ডিজাইনার , বিশেষজ্ঞ ইত্যাদি প্রয়োজন ?
আপনার বাজেট আপনার প্রয়োজনের কম কিনা ? এটাও স্পষ্ট হয়ে যাবে এই বিজনেস মডেল এর মাধ্যমে ।

৭ . অনলাইন বিজনেস নিবন্ধন করতে হবে ।

সরকারের নতুন নিয়মে এখন থেকে ডিবিআইডি বা ডিজিটাল বিজনেস আইডেন্টিটি ছাড়া যদি কোন ব্যক্তি ফেসবুক পেজ অথবা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ব্যবসা করে তাহলে ৫ লক্ষ টাকা জরিমানা দিতে হবে অথবা ১ বছরের জেল হবে । তাই অবশ্যই আপনাকে আপনার অনলাইন বিজনেসের জন্য নিবন্ধন করতে হবে ।

৮. সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে মার্কেটিং করা ।

একটি বিজনেসের সফলতার জন্য যে জিনিসটা সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে সেটা হল মার্কেটিং। মার্কেটিং ছাড়া কোন বিজনেস এ সফলতা লাভ করা যায় না।
অনলাইন মার্কেটিং টিপস হলো : আপনার বিজনেসের সফলতার জন্য অবশ্যই আপনাকে সোশ্যাল মিডিয়ার ( ফেসবুক, ইউটিউব, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম ইত্যাদি ) মাধ্যমে মার্কেটিং করতে হবে। কেননা বর্তমানে মানুষ সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচুর একটিভ থাকে। ফলে আপনি আপনার প্রোডাক্টের প্রচার-প্রসার করার জন্যে প্রচুর গ্রাহক পেয়ে যাবেন। আর এই সুযোগটাই আপনাকে কাজে লাগাতে হবে আপনার বিজনেসের সফলতার জন্য।

অনলাইন বিজনেস নিয়ে কিছু কথা :

ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীদের জন্য বিষয়গুলো সহজ করে দেওয়া। পাশাপাশি সাইটের প্রথম ইন্টারফেজটি অনেক আকর্ষণীয় করে তোলা যাতে করে সে আকর্ষিত হয়।
আপনার অনলাইন ব্যবসা ঠিক কতটা কার্যকরভাবে গতিশীল তা বিবেচনাধীন নয় । যদি সাইটের ইন্টারফেসটি প্রথম দেখাতে ব্যবহারকারীকে বিভ্রান্ত করে , অনীহা তৈরী করে তাহলে প্রথম চান্সে গ্রাহক বিদায় নেবে। অনলাইন বিজনেসটা step-by-step সাজান। ধীরে ধীরে নিশ্চিত ভাবে কাজ করুন।
অবশ্যই আপনি বিজনেস এর মধ্যে সফলতা অর্জন করতে পারবেন। আপনাকে কেউ ঠেকাতে পারবেনা।
অনলাইন ব্যবসার ক্ষেত্রে এ কাজগুলো করবেন না বরং এড়িয়ে চলবেন।

১. অনলাইন বিজনেসে অতিরিক্ত চিন্তাভাবনা করবেন না।

অর্থাৎ আমাদের মাঝে অনেকেই আছে যারা অতিরিক্ত চিন্তা ভাবনা করে। তাদেরকে বলছি অতিরিক্ত চিন্তাভাবনা করবেন না। কেননা অতিরিক্ত চিন্তাভাবনা করলে আপনার ব্যবসা শুরু করতে দেরি হয়ে যাবে। আর যত দেরি হবে ততো আপনার প্রতিযোগী বাড়তে থাকবে। তাই অতিরিক্ত চিন্তা ভাবনা না করে ব্যবসা শুরু করে দেন।

২. প্রয়োজনের অতিরিক্ত বেশি টাকা খরচ করবেন না।

অর্থাৎ ব্যবসার শুরুতেই প্রয়োজনের অতিরিক্ত টাকা ব্যয় করবেন না। বরং আপনার মূলধন অনুযায়ী ব্যবসা শুরু করুন। তারপর আপনি আপনার গ্রাহকদের সাথে যোগাযোগ করুন এবং বোঝার চেষ্টা করুন তারা আপনার কোন প্রোডাক্টকে ভাল বলছে । কোন প্রডাক্ট অপছন্দ করছে। এ সমস্ত বিষয় ভালোভাবে লক্ষ করে ব্যবসা প্রচার প্রসার করুন।
মোট কথা ঃ আপনি যদি এই টিপস ফলো করেন তাহলে কেউ আপনাকে সফল হওয়ার ঠেকাতে পারবে না ।

অনলাইন বিজনেস এর সুবিধা কি কি ?

আপনি যেকোনো জায়গায় বসে ব্যবসা করতে পারবেন ।
ইচ্ছে করলে মোবাইলের মাধ্যমে ব্যবসা করতে পারবেন ।
আবার কম্পিউটার এর মাধ্যমে ব্যবসা করতে পারবেন অর্থাৎ যে কোন ডিভাইস দিয়ে ব্যবসা করতে পারবেন।
আপনি বাংলাদেশে বসে বিদেশের লোকদের সাথে ব্যবসা করতে পারবেন।
প্রচুর প্রচার-প্রসার করতে পারবেন যেটা অফলাইনে সম্ভব না। এর ফলে আপনার ব্যবসা দ্বিগুণ বেড়ে যাবে।
আপনি ইচ্ছা করলে যে কোনো এলাকা বা দেশভিত্তিকও ব্যবসা করতে পারবেন ।
অনলাইন বিজনেস কেন করবেন ?
ব্যবসা করার জন্য সবচেয়ে বড় কারণ হল আপনি অল্প সময়ে অল্প পুঁজি খাটিয়ে অনেক মুনাফা অর্জন করতে পারবেন। কেননা অনলাইনে প্রচার-প্রসার ও বিজ্ঞাপন প্রচুর দেওয়া যায়। কিন্তু অফলাইনে এত প্রচার-প্রসার করা যায় না। যার ফলে অনলাইনের মত ব্যবসা বেশি হয় না বরং কম হয়।

অনলাইন বিজনেস প্লান কেন করবেন ?

মূলধন কিভাবে আসবে বাজারজাতকরণ কিভাবে করতে হবে এবং এর কৌশল গুলো অবশ্যই এই প্ল্যান এর মধ্যে থাকতে হবে।
পণ্য বা সেবা সম্পর্কে প্ল্যান করতে হবে।
মালিকানার ব্যাপারেও প্ল্যান করতে হবে।
আরো কয়েকটি বিষয় খেয়াল করতে হবে : ডিজাইনার, তারপর বিভিন্ন বিশেষজ্ঞদের প্রয়োজন পড়তে পারে।
মোটকথা : একটি ব্যবসা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সমস্ত বিষয়ই প্ল্যান করতে হবে। তাহলে আপনি অল্প সময়ে সফলতা লাভ করতে পারবেন। অন্যথায় বিজনেসে লস হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে।
অনলাইন বিজনেসের কয়েকটি আইডিয়া :

১. অনলাইনে কাপড়ের ব্যবসা করার টিপস

বর্তমান সময়ে অনলাইনে সবচেয়ে বেশি চাহিদা হল কাপড়। সেটা ছেলেদের কিংবা মেয়েদের যার কাপড়ই হোক ? এই ব্যবসা করার জন্য আপনি একটি ফেসবুক বিজনেস পেজ তৈরি করতে পারেন। তারপর এর থেকে আপনি বিভিন্নভাবে মার্কেটিং করে কাপড় বিক্রি করতে পারেন। কিংবা আপনার নিজের জন্য ই-কমার্স ওয়েবসাইট বানিয়ে নিতে পারেন। এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে কাপড়ের ব্যবসা করতে পারেন। অনলাইনে কাপড়ের ব্যবসায় অনেক চাহিদা ও মুনাফা রয়েছে। যদি আপনি সঠিকভাবে করতে পারেন তাহলে আপনি সফল হবেনই ।

২. কসমেটিক্স পণ্য বিক্রি

বর্তমান সময়ে কাপড়ের মত মেয়েদের কসমেটিক্স এর চাহিদাও ব্যাপক। অতএব আপনি ভালো ভালো কসমেটিক্স প্রোডাক্ট গুলো সংগ্রহ করে ফেসবুক বিজনেস পেজ এর মাধ্যমে বিজনেস করতে পারেন। অথবা নিজের একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে সেটার মাধ্যমে বিজনেস করতে পারেন।

৩. খাটি মধুর ব্যবসা

মধুর অনেক উপকারিতা রয়েছে। তাই বর্তমানে মানুষ খাঁটি মধু খোঁজে। কিন্তু তারা পায়না অধিকাংশই ধোকা খায়। অতএব আপনি খাঁটি মধুর ব্যবসা করতে পারেন। তবে শর্ত হলো ক্রেতাদের বিশ্বাস করাতে হবে আপনি নিশ্চয়ই খাঁটি মধু বিক্রি করেন। যদি একবার আপনি বিশ্বাস করাতে পারেন, তাহলে প্রচুর মধু বিক্রি করতে পারবেন। কেননা খাটি মধুর প্রতি মানুষের অনেক চাহিদা রয়েছে।

৪. wholesaler থেকে পণ্য কিনে বিক্রি করা

বর্তমানে আমাদের আশপাশে প্রচুর wholesale দোকান আছে সেখান থেকে আপনি বিভিন্ন ধরনের পণ্য কিনে অনলাইনে বিজনেস করতে পারেন। এই ধরনের বিজনেস বর্তমানে প্রচুর চলছে।
মোট কথা : আমি আপনাদেরকে অনলাইন বিজনেস টিপস বা online business ideas সম্পর্কে মোটামুটি ধারণা দিলাম। যদি এগুলো ফলো করেন আশা করি আপনি এর মধ্যে সফল হবেন। আমার লেখা ভালো লাগলে জানাবেন এবং শেয়ার করবেন । ধন্যবাদ ।

সর্বোচ্চ চাহিদায় থাকা বর্তমান সময়ের ৭ টি অনলাইন চাকরি অনলাইনে কোন কাজের চাহিদা সবচেয়ে বেশি ? এই প্রশ্ন আজ প্রায় সবাই জা...
08/06/2023

সর্বোচ্চ চাহিদায় থাকা বর্তমান সময়ের ৭ টি অনলাইন চাকরি

অনলাইনে কোন কাজের চাহিদা সবচেয়ে বেশি ? এই প্রশ্ন আজ প্রায় সবাই জানতে চায়।
কেননা, বর্তমান সময়ে যে কোন জায়গায় বসে একটি ল্যাপটপ এবং ইন্টারনেট এর মাধ্যমে অনলাইনে বিভিন্ন কাজ আমরা করতে পারি।
অনলাইনে করা আলাদা আলাদা কাজ গুলো থেকে আলাদা আলাদা রকমের ইনকাম করা সম্ভব।
কিন্তু , আপনি যদি তথাকথিত ট্র্যাডিশনাল চাকরির জালে জড়িয়ে না পরতে চান, তবে এমন অনেক পেশা বিদ্যমান আছে যা আপনাকে কাজ করার স্বাধীনতা দেবে। এই সকল কাজে আপনি নিজেই নিজের ‘বস’ এবং ঘরে বসে আরাম করে রোজগার করতে পারবেন।
এর জন্য একটি সচল ল্যাপটপ এবং স্টেবল ইন্টারনেট কানেকশন থাকলেই চলবে।
তবে আপনি যদি ভেবে থাকেন এইসকল কাজ করা খুবই সহজ তাহলে হয়তো একটু ভুল করছেন।
কেননা রিমোর্ট মুডে কাজ করার একাধিক সুবিধা থাকলেও, ‘গাইডেন্স’ -এর অভাব অনুভব করতে পারেন।
তাই যেই পেশার সাথে আপনি যুক্ত হবেন তার সম্পর্কে গভীর জ্ঞান থাকা জরুরি। পাশাপাশি কমিউনিকেশন স্কিল অবশ্যই পোক্ত হতে হবে।
যাই হোক আপনি যদি নিজের জন্য একটি উপযুক্ত অনলাইন চাকরি খুঁজে থাকেন,
তবে আমাদের এই লেখাটি থেকে বর্তমানে সর্বাধিক চাহিদায় থাকা ৭টি অনলাইন চাকরির তালিক দেখে নিতে পারেন।
অনলাইনে কোন কাজের চাহিদা সবচেয়ে বেশি ?
চলুন তাহলে, আর বেশি সময় না নিয়ে নিচে আমরা অনলাইনে কোন কাজের চাহিদা সবচেয়ে বেশি সেই কাজ গুলোর বিষয়ে জেনে নেই।

১. ফ্রিল্যান্স রাইটার (Freelance Writer) :

ছোট-বড় যেকোনো বিষয়ে জানতে হলে এখন আমরা ইন্টারনেটে সার্চ করে থাকি।
কিন্তু ইন্টারনেটে থাকা যেই সকল আর্টিকেল আমাদের নতুন নতুন তথ্য জানতে বা কোনো বিষয় সম্পর্কে বিশদে জানাতে সাহায্য করে তা কিন্তু লিখে থাকেন ওয়েব পোর্টাল গুলির রাইটার বা লেখকেরা।
ফলে সময়ের সাথে মানুষ যত ইন্টারনেট নির্ভর হয়ে পড়ছেন, ততই তাদের জিজ্ঞাসা মেটাতে গজিয়ে উঠছে একটার পর একটা নতুন সাইট।
যার দরুন লেখকদের চাহিদাও এখন তুঙ্গে।
ফলে এই সুযোগের সদ্ব্যবহার করে আপনি রিমোর্ট মুডে ফ্রিল্যান্স রাইটার হিসাবে লেখালিখির কাজ শুরু করতে পারেন।
অথবা কোনো সংস্থায় ভ্যাকেন্সি থাকলে তাদের সাথেও যুক্ত হতে পারেন।
একজন ফ্রিল্যান্স রাইটার হিসাবে আপনাকে – আর্টিকেল রাইটিং, কনটেন্ট রাইটিং এবং ‘ক্রিয়েটিভ’ বা ব্যতিক্রমী আর্টিকেল লেখার আইডিয়া প্রস্তাব করতে হবে।
তাই কোনো নির্দিষ্ট বিষয় সম্পর্কে আপনার যথাযথ জ্ঞান থাকলে বা লেখার হাত ভালো হলে এই পেশা আপনার জন্যই।
তবে হ্যাঁ, ইংরেজির পাশাপাশি কয়েকটি স্থানীয় ভাষাও জানতে হবে আপনাকে।
আর যদি ফ্রিল্যান্স রাইটার হিসাবে আপনি দীর্ঘ দিন কাজ করে থাকেন, তবে চাকরি ও বেতনের অভাব হবে না।

২. ভার্চুয়াল অ্যাসিস্টেন্ট (Virtual Assistant) :

ভার্চুয়াল অ্যাসিস্টেন্ট বা সংক্ষেপে VA -কে একজন স্ব-নিযুক্ত পেশাদার বলা যেতে পারে।
এই পেশায় নিযুক্ত ব্যক্তিরা ছোট-বড় ব্যবসায়িক সংস্থাগুলির হয়ে তাদের ‘রিমোর্ট’ মুডে দৈনন্দিন কাজকর্মে সহায়তা করে থাকেন।
তবে হ্যাঁ, প্রত্যেক ভার্চুয়াল অ্যাসিস্টেন্টের কাজ কিন্তু এক সমান হয় না।
মূলত ক্লায়েন্টের চাহিদা ও প্রয়োজনীয়তার উপর নির্ভর করে কাজের প্রক্রিয়া।
তবে আপনাকে একটা ধারণা দেওয়ার জন্য উদাহরণস্বরূপ বলে রাখি,
আপনি যদি ইন্টারনেট ব্যবহারে দক্ষ হন এবং এই পেশায় নিযুক্ত হতে চান তবে আপনাকে আপনার ক্লায়েন্টের হয়ে – মিটিং শিডিউল, প্রেজেন্টেশন বানানো, ফোন কল রিসিভ এবং ওয়েবসাইট পরিচালনার মতো কাজ করতে হয় ।
এছাড়া ই-মেইলের উত্তর দেওয়া বা ছোটোখাটো কনটেন্ট লেখার কাজও করতে হতে পারে।
তবে ভার্চুয়াল অ্যাসিস্টেন্ট হওয়ার জন্য সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, আপনাকে – ভাল কমিউনিকেশন স্কিল, যথাযথ টাইম ম্যানেজমেন্ট স্কিল এবং মাইক্রোসফ্ট অফিসে কাজ করা জানতে হবে।

৩. ওয়েব ডিজাইনার/ডেভেলপার (Web Designer/Developer) :

বর্তমান সময়ে অধিকাংশ ব্যবসায়িক সংস্থা ট্র্যাডিশনাল মার্কেটিংয়ের পরিবর্তে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে নিজেদের প্রোডাক্ট বা পরিষেবার প্রচার করতে পছন্দ করছে।
কেননা এখন প্রায় প্রত্যেকটি মানুষই দিনের বেশিরভাগ সময় তাদের মোবাইল দেখেই কাটিয়ে দেন।
তাই ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রচার কার্য পরিচালনা করলে স্বল্প সময়ে বিস্তৃত অঞ্চলের মানুষের কাছে পৌঁছনো যায়।
আর এমনটা করার জন্য সবথেকে আগে যেই জিনিসটি দরকার, তা হল একটি ওয়েবসাইট।
তাই এখন বিশেষভাবে ওয়েব ডিজাইনার বা ডেভেলপারদের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে।
ফলে আপনি যদি কোনো ইনস্টিটিউশন থেকে ওয়েব ডিজাইনিং কোর্স করে থাকেন এবং কোনো সংস্থার অধীনে কাজ করতে না চান,
তাহলে পার্সোনাল কন্ট্রাক্ট জোগাড় করার মাধ্যমে বাড়িতে বসেই এই কাজ করতে পারেন।
তবে আগেই বলে দিই, একজন আদর্শ ওয়েব ডিজাইনার হওয়ার জন্য আপনার মধ্যে সৃজনশীলতা এবং ব্যতিক্রমী ভাবনাচিন্তা থাকা আবশ্যক।
কেননা একটি ওয়েবসাইটের ডিজাইন যত আকর্ষণীয় এবং অনন্য হবে ততই ভিজিটররা সেই সংস্থার প্রোডাক্ট সম্পর্কে জানার আগ্রহ প্রকাশ করবে এবং ‘পেইড কাস্টমার’ -এ পরিণত হবে।
এক্ষেত্রে নতুন নতুন ডিজাইন তৈরীর জন্য আপনি ইন্টারনেটে থাকা ওয়েব ডিজাইন টেমপ্লেটগুলির থেকে অনুপ্রেরণা নিতে পারেন।

৪. সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার (Social Media Manager) :

আগেই যেমনটা বলছিলাম, এখন ছোট-বড় প্রায় প্রত্যেক সংস্থাই স্বল্প খরচ ও সময়ে প্রচারকার্য চালানোর জন্য ইন্টারনেটের উপর বিশেষভাবে আস্থা রেখেছে। এক্ষেত্রে ওয়েবসাইটের পাশাপাশি বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলিও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
কেননা একটি ওয়েবসাইট বানাতে গেলে আপনাকে ওয়েব ডিজাইনারের পারিশ্রমিক ও ডোমেইন খরচ বাবদ কম করেও ১৫,০০০ টাকা হাতে নিয়ে নামতে হবে।
আবার রেডিও বা পত্র-পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেওয়ার জন্য ২,০০০-৫,০০০ টাকা লাগবেই।
কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়াতে মাত্র ৪০-৫০ টাকা খরচ করেও ডিজিটাল বিজ্ঞাপন দেওয়া সম্ভব।
কিন্তু বিজ্ঞাপন দিলেই তো আর হবে না, ক্রেতা আকর্ষণ করার জন্য একটা লোভনীয় পোস্ট করতে হবে, তার প্রচার বারংবার করতে হবে এবং ক্রেতারা যোগাযোগ করতে চাইলে তাদের সহায়তাও করতে হবে।
আর এই সকল কাজ একজনের দ্বারা তো সম্ভব নয়।
তাই এখন একটি নতুন পেশা বাজারে খুব চাহিদায় আছে, যা হল সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার।
এই পেশায় যাওয়ার জন্য আপনার কাছে একটা বড় ফলোয়ার বেস থাকতে হবে, যাদের মধ্যে আপনাকে একটি কোম্পানির হয়ে তাদের প্রোডাক্ট বা সার্ভিসের প্রচার করতে হবে।
একই সাথে ব্যবসায়িক সংস্থাগুলির যাবতীয় সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট পরিচালনার দায়িত্বেও থাকেন সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার।

৫. ইমেল মার্কেটার (Email Marketer) :

ইমেইল মার্কেটারের কাজ হল, একটি ব্যবসায়িক সংগঠনের ইমেল অ্যাডভার্টাইজমেন্ট ক্যাম্পেইন বা প্রচারকার্যের প্ল্যানিং করা এবং সংস্থার লয়াল কাস্টমার বেসের একটি তালিকা তৈরী করে প্রত্যেক ক্লায়েন্টকে নতুন প্রোডাক্ট বা পরিষেবা সম্পর্কে প্রতিনিয়ত বিজ্ঞপ্তি দেওয়া।
তাই প্রোডাক্ট বিক্রি করার জন্য একজন ইমেল মার্কেটারকে যথেষ্ট দায়িত্ববান ও অভিজ্ঞ হতে হবে।
আর তাই এই পেশায় শুধুমাত্র তাদেরই নিয়োগ করা হয়, যারা পাবলিক রিলেশন বা মার্কেটিং নিয়ে পড়াশোনা করেছে বা দীর্ঘ দিন এই কাজের সাথে যুক্ত।
প্রসঙ্গত, আপনার কমিউনিকেশন স্কিলও ভালো হতে হবে।
আর যদি গ্রাফিক ডিজাইন এবং ওয়েব ডিজাইনের মতো কাজ জেনে থাকেন তবে ইমেল মার্কেটার হিসাবে আপনার কাজের অভাব হবে না।

৬. অ্যানিমেশন নির্মাতা (Animation Maker) :

বিগত কয়েক বছর যাবৎ অ্যানিমেশন ইন্ডাস্ট্রি ব্যাপকভাবে জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।
যার দরুন শয়ে শয়ে ছেলেমেয়েরা এখন পড়াশোনার পাশাপাশি অ্যানিম্যাশন কোর্স করছে।
আপনিও যদি এমনি কোনো কোর্স করে থাকেন তবে ওয়ার্ক-ফ্রম-হোম মুডে অ্যানিমেশন ক্রিয়েটর হিসাবে নিজের কেরিয়ার শুরু করতে পারেন।
অ্যানিমেশন তৈরীর মাধ্যমে আপনি নিজের সৃজনশীলতার প্রকাশ ঘটাতে পারবেন এবং একই সাথে আশেপাশের ঘটনাবলীর থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে নানাবিধ ‘ক্রিয়েটিভ’ অ্যানিমেশন তৈরী করতে পারবেন।
এক্ষেত্রে আপনার ভাবনা ও প্রজেক্ট যদি ব্যতিক্রমী হয় তবে বিভিন্ন গেম ডেভলপমেন্ট সংস্থায় অ্যানিমেশন নির্মাতা হিসাবে নিযুক্ত হতে পারেন।
অথবা আলাদা করে নিজের একটা ব্যবসা ও অবশই শুরু করতে পারেন।

৭. প্রমোশনাল ভিডিও মেকার (Promotional Video Maker) :

আপনার যদি ফিল্ম মেকিং সম্পর্কে জ্ঞান থেকে থাকে বা এই নিয়ে পড়াশোনা করে থাকেন,
তবে প্রমোশনাল ভিডিও মেকার হিসাবে কাজ করতে পারেন।
এখনকার সোশ্যাল মিডিয়া কেন্দ্রিক যুগে, যেকোনো ধরণের ছোট-বড় কোম্পানি থেকে শুরু করে ইনফ্লুয়েন্সার বা কনটেন্ট ক্রিয়েটাররা তাদের প্রচারকার্যের জন্য ভিডিও তৈরী করে থাকে।
আবার নিউজ পোর্টালগুলিরও অনেক সময়ে ভিডিওগ্রাফারদের প্রয়োজন পরে।
তাই আপনার যদি ক্যামেরার হাত ভালো হয় এবং ঘুরতে ভালোবাসেন তবে এই পেশা আপনার জন্য আদর্শ।
কেননা প্রমোশনাল ভিডিও মেকারদের অনেক সময়ে কাজের সূত্রে বিভিন্ন স্থানে ভ্রমণ করার প্রয়োজন পরে।
অন্যান্য অনলাইন কাজ গুলো
ওপরে উল্লেখ করা কাজ গুলোর চাহিদা অনলাইনে প্রচুর রয়েছে বা একজন ফ্রীল্যান্সার হিসেবে এই কাজ গুলো জানা থাকলে, আপনি প্রচুর টাকা ইনকাম করার সুযোগ পাবেন।
তবে, এগুলোর বাইরেও আরো নানান রকমের online work রয়েছে যেগুলোর চাহিদা বর্তমানে কম বলা যাবেনা।
যেমন,
ভিডিও এডিটিং,
স্ক্রিপ্ট রাইটিং,
ফোটোগ্রাফি,
ট্রান্সলেশন এর কাজ,
লোগো ডিজাইন,
এন্ড্রয়েড এপস ডেভেলপমেন্ট, ইত্যাদি।

অনলাইনে রিমোর্ট মুডে চাকরি করার কী কী সুবিধা ?

১. চাকরির ‘টাইম টেবিল’ বা সময় স্বয়ং নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।
২. পরিবারকে পর্যাপ্ত সময় দিয়েও উপার্জন করা সম্ভব।
৩. প্রতিদিন বাড়ি থেকে কর্মস্থলে যাতায়াতের জন্য যেই সময় ও টাকা খরচ হয়, তা বাঁচাতে পারবেন।
৪. অনলাইন ভিত্তিক চাকরি করলে হাতে নগদ পাওয়ার পরিবর্তে সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে স্যালারি পাবেন। যার দরুন সেভিং করার প্রবণতা আসবে।
৫. বিভিন্ন ফিল্ডের মানুষের সাথে যোগাযোগ স্থাপনের সুযোগ পাবেন, যাতে অভিজ্ঞতা আরো বাড়বে।
৬. কর্ম জীবন এবং ব্যক্তিগত জীবনের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে সক্ষম হবেন।

ডিজিটাল মার্কেটিং এর ভবিষ্যৎ কি ?আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আমরা ডিজিটাল মার্কেটিং এর ভবিষ্যৎ নিয়ে বিস্তারিত ভাবে আলোচন...
07/06/2023

ডিজিটাল মার্কেটিং এর ভবিষ্যৎ কি ?

আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আমরা ডিজিটাল মার্কেটিং এর ভবিষ্যৎ নিয়ে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করতে চলেছি।

বর্তমান সময়ে যেকোনো নতুন ব্যবসা, ব্র্যান্ড বা পণ্যের প্রচার অনেক তাড়াতাড়ি করার ক্ষেত্রে ডিজিটাল মার্কেটিং এর গুরুত্ব অনেকটা বেশি।
আজ যেকোনো ছোট-বড় কোম্পানি গুলো তাদের পণ্য বা ব্যবসার প্রচার ঘরে বা দপ্তরে বসে বসে বিশ্বজুড়ে যেকোনো জায়গাতে করতে পারছেন।
এমনিতে, ইন্টারনেট, সার্চ ইঞ্জিন, সোশ্যাল মিডিয়া, ব্লগ, ইউটিউব, বিভিন্ন এপ্লিকেশন ইত্যাদি এই ধরণের অনলাইন মাধ্যম গুলোর ব্যবহার যেকোনো পণ্য, ব্যবসা বা ব্র্যান্ড এর মার্কেটিং করার ক্ষেত্রে করাকেই বলা হয় ডিজিটাল মার্কেটিং।
ডিজিটাল মার্কেটিং হলো বর্তমানে দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পাওয়া মার্কেটিং এর সেরা মাধ্যম যার মাধ্যমে তুলনামূলক ভাবে অনেক কম টাকা খরচ করে অধিক লক্ষ্যবস্তু গ্রাহকের কাছে পণ্যের মার্কেটিং করা সম্ভব।
ডিজিটাল মার্কেটিং তার সঠিক, পরিমাপযোগ্য, কম খরচ এবং এর মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে সীমাহীন গ্রাহক এর সাথে সম্পর্ক স্থাপন করার জন্য বিখ্যাত।
ধীরে ধীরে মার্কেটিং এর এই জনপ্রিয় মাধ্যমটি অন্যান্য প্রত্যেক মার্কেটিং এর মাধ্যম গুলোকে পেছনে ফেলে এগিয়েই চলে আসছে।
এখনের সময়ে বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ৬০% লোকেরা ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন, প্রায় ২ বছর আগে এই সংখ্যা ৪০% ছিল।
তাহলে আপনারা বুঝতেই পারছেন যে প্রত্যেক বছরে বছরে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের সংখ্যা কতটা দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
আর যেহেতু ডিজিটাল মার্কেটিং সম্পূর্ণ রূপে ইন্টারনেটের সাথে জড়িত একটি সেবা, তাই ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের সংখ্যা যতটা বৃদ্ধি পাচ্ছে ততটাই দ্রুত গতিতে ডিজিটাল মার্কেটিং জনপ্রিয় হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
বর্তমান সময়ে যেকোনো ব্যবসা ইন্টারনেটে ডিজিটালি সক্রিয় না থেকে নিজেকে বিকাশের পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে তেমন সুযোগ সুবিধা করতে পারবে না।
চলুন, নিচে আমরা সরাসরি এমন কিছু তথ্য গুলো জেনেনেই যেগুলোর ওপরে নজর দিয়ে আমরা ডিজিটাল মার্কেটিং এর ভবিষ্যৎ এর আন্দাজ পেতে পারবো।

ডিজিটাল মার্কেটিং এর ভবিষ্যৎ

আজ ভারত জুড়ে প্রায় প্রচুর এশিয়ান কান্ট্রি গুলো ডিজিটাল কার্যকলাপের প্রধান বিভাগ চালু করছে।

এমনিতে যদি ভারতের কথা বলা হয়, তাহলে এই দেশে সম্পূর্ণ বিশ্বের মধ্যে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের বৃহত্তম জনসংখ্যা রয়েছে। বলা হচ্ছে যে ২০২৫ সালের মধ্যে ভারতে প্রায় 974.86 million internet users থাকবে। বর্তমানে বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা প্রায় ১৭ কোটি এবং মোট জনসংখ্যার ৬২% ইন্টারনেট ব্যবহারকারী।

তাহলে আপনারা বুঝতেই পারছেন যে ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রায় সমস্ত বিশ্বের বিভিন্ন বয়েসের বিভিন্ন চাহিদা রাখা লোকেরা পরস্পরে সংযুক্ত হয়ে রয়েছে, আর তাই যেকোনো পণ্যের প্রচার করার ক্ষেত্রে ইন্টারনেট থেকে দারুন জায়গা আর কি হতে পারে।
আর যেহেতু প্রত্যেক বছর ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের সংখ্যা দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পেয়েই চলেছে, তাই দেশে ডিজিটাল মার্কেটিং এর লাভ, ব্যবহার এবং কার্যকারিতার বিষয়ে অধিক লোকেরা জানতে পারছেন।

আর তাই, ভবিষ্যতে ডিজিটাল মার্কেটিং এর কৌশল এর চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে এর সাথে জড়িত বিভিন্ন সুযোগ গুলো অবশ্যই আমাদের সামনে এসে দাঁড়াবে।
চলুন, এখন আমরা দেখেনেই যে বিভিন্ন আলাদা আলাদা বিভাগে ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে কিরকম সুযোগ রয়েছে।

১. ব্যবসা ক্ষেত্রে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে সুযোগ

আজকাল প্রায় প্রত্যেক ব্যবসা গুলো বিভিন্ন ডিজিটাল মাধ্যম গুলো ব্যবহার করে নিজেদের সক্রিয় করে নিচ্ছেন। কেননা, প্রত্যেক ব্যবসার ক্ষেত্রেই ডিজিটাল ভাবে নিজেকে সক্রিয় রাখার কতটা লাভ রয়েছে সেই বিষয়ে আজ প্রত্যেকেই জানেন।
আজ লোকেরা যেকোনো জিনিস বাজারে বা দোকানে গিয়ে কেনার তুলনায় অনলাইনে সক্রিয় থাকা বিভিন্ন ই-কমার্স ওয়েবসাইট গুলোর থেকে ঘরে বসে কিনে নিতে অধিক স্বাচ্ছন্দ বোধ করছে।
টিভি, ফ্রিজ, কাপড় থেকে শুরু করে যেকোনো জিনিস আজ অনলাইনে বেচা-কেনা করা যায় ।
তাই অনলাইন ই-কমার্স ব্যবসা গুলোর শক্তিশালী অনলাইন উপস্থিতির জন্য এবং পণ্য গুলোকে তাদের লক্ষ্যবস্তু গ্রাহকের কাছে প্রচার বা মার্কেটিং করার জন্য কোম্পানি গুলো ডিজিটাল মার্কেটিং এর মধ্যে প্রচুর বিনিয়োগ করছেন।
যেহেতু ডিজিটাল মার্কেটিং হলো এমন এক আধুনিক অনলাইন মার্কেটিং কৌশল যার দ্বারা অনেক কম খরচে একেবারে টার্গেটেড কাস্টমার এর কাছে পণ্যের প্রচার করে সেগুলোকে বিক্রি করা সম্ভব, তাই আজ যেকোনো ছোট-বড় কোম্পানি গুলো এর ব্যবহার অবশই করছেন।
এখনের সময়ের প্রায় ৪০% ব্যবসা গুলো সম্পূর্ণ ভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং ওপরে নির্ভর করেই কাজ করছে।
এবং যেভাবে দিনের পর দিন ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের সংখ্যা এবং ডিজিটাল মার্কেটিং এর জনপ্রিয়তা ও কার্যকর ফলাফল বৃদ্ধি পেয়েই চলেছে, এতে বুঝা যাচ্ছে যে আসছে কিছু বছরের মধ্যে প্রায় ৯০% ব্যবসা এই ডিজিটাল মার্কেটিং এর ওপরে নির্ভর করে কাজ করবেন।

২. চাকরি এবং ক্যারিয়ার এর ক্ষেত্রে অনলাইন মার্কেটিং এর ভবিষ্যৎ

যদি আপনারা বর্তমান সময়ের কথা বলে থাকেন তাহলে ডিজিটাল মার্কেটিং এর কৌশল থাকা ব্যক্তিরা অনেক তাড়াতাড়ি চাকরি পেয়ে যাচ্ছেন।
কেননা, ডিজিটাল মার্কেটিং হলো একটি ফ্রেশ ক্যারিয়ার অপসন এবং বর্তমানে অনেক কম লোকেরা এই লাইন নিয়ে পড়াশুনা করছেন।
ওপরে আমি আপনাদের বলেছি যে, আজ প্রায় প্রত্যেক ছোট-বড় কোম্পানি গুলো এই অনলাইন প্রচারের মাধ্যম ব্যবহার করে ব্যবসার প্রচার বা পণ্যের বিক্রি করছেন।
আর এক্ষত্রে, কোম্পানি গুলো হায়ার করছেন বিভিন্ন ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সেকিউটিভদের যাদের এই কাজে ভালো অভিজ্ঞতা রয়েছে।
২০১৭ সালে, যখন ডিজিটাল মার্কেটিং এর ব্যবহার এবং জনপ্রিয়তা প্রাথমিক পর্যায়ে ছিল, তখনি এক – চতুর্থাংশে প্রায় ২ লক্ষ চাকরির সুযোগ তৈরি হয়েছিল।
তাহলে আপনি ভাবতেই পারছেন হয়তো ২০২১ সালে চাকরির সুযোগ কতটা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং আসছে সময়ে যখন প্রায় ৯০% ব্যবসা গুলো সম্পূর্ণ ভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং এর ওপরে নির্ভর করে কাজ করবেন, তখন ডিজিটাল মার্কেটিং ইন্ডাস্ট্রিতে চাকরির সুযোগ কতটা বৃদ্ধি পাবে।
তাই, ছাত্র-ছাত্রীরা নিসন্দেহে একটি ভালো এবং দীর্ঘস্থায়ী ক্যারিয়ার এক্ষেত্রে তৈরি করতে পারবে।
বর্তমান সময়ে, ডিজিটাল মার্কেটিং এর ভালো জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতা থাকা প্রার্থীদের চাহিদা প্রচুর।
কেননা, এই ইন্ডাস্ট্রিতে অভিজ্ঞ, ভালো, দক্ষ এবং কৌশল থাকা প্রার্থী অনেক কম রয়েছে, তাই কাজের ভালো অভিজ্ঞতা থাকা প্রার্থীরা অনেক তাড়াতাড়ি এবং ভালো প্যাকেজ এর সাথে এই ইন্ডাস্ট্রিতে চাকরি পাবে দেখা যাচ্ছে।
ডিজিটাল মার্কেটিং এর সাথে জড়িত দারুন ক্যারিয়ার বিকল্প গুলো
ডিজিটাল মার্কেটিং ইন্ডাস্ট্রি বলতে এখানে আলাদা আলাদা কিছু বিশেষ গুলো নিয়ে ভালো ক্যারিয়ার বিকল্প রয়েছে।
বর্তমান সময়ে বিভিন্ন প্রাইভেট ইনস্টিটিউট এবং ইউনিভার্সিটি গুলোর দ্বারা আলাদা দিক গুলোর ওপরে নজর দিয়ে বিভিন্ন কোর্সেস এবং ডিগ্রী করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।
তাই, এখনের সময়ে ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে ক্যারিয়ার তৈরি করার ক্ষেত্রে আপনার কোনো ধরণের সমস্যা নেই ।
আজকাল প্রচুর এরকম অনলাইন কোর্স রয়েছে, যেগুলোর মাধ্যমে ঘরে বসে নিজের মোবাইল বা কম্পিউটারের মাধ্যমে ডিজিটাল মার্কেটিং এর সম্পূর্ণ কোর্স করে নিতে পারেন।
তাই, যদি আপনি ভাবছেন যে ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স করতে আপনার সমস্যা হতে পারে, তাহলে ভুল ভাবছেন।
চলুন, এবার নিচে আমরা সেই প্রত্যেকটি ক্যারিয়ার বিকল্প গুলোর বিষয়ে জেনেনেই যেগুলো সম্পূর্ণ ডিজিটাল মার্কেটিং ইন্ডাস্ট্রি তে রয়েছে।

১. SEO (search engine optimization)

SEO মানে হলো search engine optimization এবং ডিজিটাল মার্কেটিং ইন্ডাস্ট্রি এর মধ্যে এটা সব থেকে মূল্যবান একটি প্রফেশন।
সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন এর মাধ্যমে আপনাকে বিভিন্ন ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন (Google, Yahoo, Bing etc.) গুলোর মাধ্যমে ওয়েবসাইট গুলোতে ফ্রি organic traffic নিয়ে আসতে হয়।
আর এই কাজের জন্যে আপনাকে অনেক সৃজনশীল এবং প্রযুক্তিগত কৌশল ব্যবহার করতে হবে।
SEO করাটা সোজা কাজ না, তবে একবার এই কৌশল শিখে নিতে পারলে ইন্ডাস্ট্রিতে চাকরির অভাব হবে না।
এছাড়া, এসইও নিয়ে সঠিক জ্ঞান থাকলে, আপনি নিজের ব্লগ / ওয়েবসাইট বানিয়েও প্রচুর টাকা অনলাইনে ইনকাম করতে পারবেন।
এই কাজে আপনার মূল উদ্দেশ্য থেকে থাকে, একটি ওয়েবসাইটকে বা ওয়েবসাইটের পেজ টিকে সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেজ এর প্রথম পেজ এর মধ্যে নিয়ে আনা।
এরকম হাজার হাজার businesses / companies গুলো রয়েছে যারা বিভিন্ন দক্ষ (skilled) SEO professionals দের হায়ার করে থাকেন যাতে তারা তাদের brand বা product গুলোর জন্য search engine থেকে targeted organic traffic এবং organic leads পেতে সক্ষম হতে পারেন।
তাই, যদি আপনি একজন SEO expert / professional হিসেবে নিজের ডিজিটাল মার্কেটিং ক্যারিয়ার শুরু করতে চান, তাহলে আপনি দারুন সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।
তবে মনে রাখবেন, এই ক্যারিয়ার নিয়ে সফলতা পেতে হলে আপনাকে technical এবং practical knowledge প্রচুর পরিমানে রাখতে হবে।

২. Social media marketing (SMM)

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং, এখনের সময়ে ডিজিটাল মার্কেটিং এর একটি দারুন এবং শক্তিশালী মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এক্ষত্রে, আপনাকে বিভিন্ন online social media platform গুলো (Facebook, Twitter, Instagram etc.) ব্যবহার করে সেখানে products, services এবং brands গুলোর প্রচার করতে হয়।
একজন social media marketing specialist দ্বারা সেই প্রত্যেক মার্কেটিং এবং এডভার্টাইসিং এর কৌশল গুলো ব্যবহার করা হয় যেগুলোর মাধ্যমে অধিক সুবিধাজনক ভাবে social platforms গুলোর দ্বারা অনলাইন প্রচার সম্ভব।
Social media platforms গুলোতে brand page তৈরি করা, পেজ এর মধ্যে নিয়মিত কনটেন্ট পাবলিশ করা, followers দের আকর্ষিত করা, ব্র্যান্ড এর অনলাইন উপস্থিতি তৈরি ও বজায় রাখা, like এবং comment এর মাধ্যমে শ্রোতা / গ্রাহক দের সাথে সংযুক্ত হওয়া এবং মূলত ব্র্যান্ড এর সচেতনতা বৃদ্ধি করাটাই হবে আপনার মূল কাজ।
তাই, যদি আপনার মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ে ভালো জ্ঞান রয়েছে এবং প্রত্যেক জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম গুলোর সাথে জড়িত প্রযুক্তিগত জ্ঞান আপনার কাছে আছে, তাহলে অবশ্যই এই বিষয়টি নিয়ে ক্যারিয়ার তৈরি করতে পারবেন।
প্রায় প্রত্যেক কোম্পানি এবং ব্যবসা গুলো ভালো করেই বুঝতে পেরেছেন যে, সোশ্যাল মিডিয়া হলো একটি অনেক শক্তিশালী প্লাটফর্ম যেখানে তারা তাদের সম্ভাব্য গ্রাহকদের সাথে সংযুক্ত হতে পারবেন আর শেষে পণ্যের মার্কেটিং করে নিয়মিত সেগুলোকে বিক্রি করতে পারবেন।
তাই, বর্তমানে SMM professionals দের চাহিদা সাংঘাতিক পরিমানে বৃদ্ধি পেয়েছে যারা social media platforms গুলোর ব্যবহার করে দারুন ভাবে মার্কেটিং করতে সক্ষম।
আর আসছে সময়ে social media specialist দের চাহিদা আরো অধিক পরিমানে বৃদ্ধি পাওয়ার বিষয়টা জলের মতো পরিষ্কার।

৩. SEM/PPC Specialist

Search Engine Marketing / Pay-Per-Click specialist দের কাজ হলো search engine এর মাধ্যমে marketing এবং advertising strategy তৈরি করা।
বিভিন্ন products এবং services গুলোকে search engine এর মাধ্যমে কিভাবে মার্কেটিং / প্রচার করা যাবে তার জন্য দারুন স্ট্রাটেজি (strategies) তৈরি করতে হয় এবং এর সাথে সেগুলোকে সম্পাদন অবশ্যই করতে হবে।
এক্ষত্রে আপনাকে বিভিন্ন paid এবং organic মাধ্যম গুলো ব্যবহার করতে হয় যাতে ওয়েবসাইটের রেঙ্কিং (ranking) ভালো করা যেতে পারে। সার্চ ইঞ্জিন গুলোতে pay-per-click (PPC) ads চালিয়ে এই কাজ করা হয়।
আজ, একটি সফল digital marketing campaigns এর জন্যে SEM/PPC specialists রা অনেক জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তাই, বিভিন্ন কোম্পানি গুলো এই ধরণের professional দের হায়ার করছেন যাতে pay-per-click (PPC) ads campaign এর মাধ্যমে কোম্পানির পণ্য এবং সেবা গুলোর প্রচার করা যেতে পারে।
আর আসছে সময়ের মধ্যে SEM/PPC Specialist দের চাহিদা কিন্তু সাংঘাতিক পরিমানে বাড়তে চলেছে।
৪. Content Writer/Copywrite

বিজ্ঞাপন হোক বা মার্কেটিং, প্রত্যেক ক্ষেত্রেই লিখিত শব্দ অবশই ব্যবহার করা হয়।
কেননা, কনটেন্ট বা লিখিত শব্দের মাধ্যমেই আমরা অনেক তাড়াতাড়ি এবং সহজে যেকোনো বার্তার প্রচার করতে পারি।
আর তাই, ডিজিটাল মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে প্রয়োজন হয়ে থাকে দক্ষ content এবং copywriter দের যারা দারুণ কনটেন্ট লিখতে পারবেন আর সেগুলো যাতে SEOs, SMOs, SMMs, SEMs এবং website developers দ্বারা ব্যবহার করা যেতে পারে প্রত্যেক ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যম গুলোতে যেমন websites এবং ads ইত্যাদিতে।
তাই, ডিজিটাল মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে কনটেন্ট রাইটার এবং কপি রাইটার এর প্রয়োজনীয়তা বর্তমানেও আছে এবং সব সময় থাকবে।
আপনার যদি লেখালেখি নিয়ে রুচি রয়েছে বা আপনার মধ্যে দারুন writing skills রয়েছে, তাহলে আপনিও এই content বা copywriter এর career এর সাথে যেতে পারবেন।
এছাড়া আরো প্রচুর ক্যারিয়ার অপসন গুলো রয়েছে যেগুলো ডিজিটাল মার্কেটিং এর সাথে জড়িত।
যেমন, ইমেইল মার্কেটিং, UI/UX Designer, Digital Marketing Analyst, Website Developer, Graphics Designer, Influencer ইত্যাদি।

সরাসরি বললে digital marketing এর ভবিষ্যৎ কি ?
তবে মূল বিষয়টা হলো যে, আজ থেকে কিছু বছর আগে যখন ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের সংখ্যা প্রচুর কম ছিল, তখন এই ধরণের ক্যারিয়ার অপসন (career option) গুলোর কোনো অস্তিত্ব ছিলোনা। আর থাকলেও সে আজকের তুলনায় অনেক কম ছিল।
যেভাবে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের সংখ্যা বিশ্বজুড়ে বাড়তেছে , ঠিক সেভাবেই ডিজিটাল মার্কেটিং কৌশল এবং এর সাথে জড়িত বিভিন্ন ক্যারিয়ার অপসন গুলোর চাহিদা প্রচুর বেড়ে চলেছে ।
তাই, যদি ডিজিটাল মার্কেটিং এর ভবিষ্যতের কথা বলা হয় তাহলে, এর ভবিষ্যৎ সত্যি উজ্জ্বল।
আসছে ৫ বছরের মধ্যে দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের সংখ্যা তীব্র গতিতে বৃদ্ধি পাওয়ার কথা কিন্তু আমরা প্রত্যেকেই জানি।
তাই, এখনের তুলনায় অধিক লোকেরা জানতে পারবেন যে, ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে অনলাইনে ব্যবসার দ্রুত গতিতে প্রচার সম্ভব।
আর এভাবেই, আসছে কিছু বছরের মধ্যে প্রায় ৯০% ব্যবসা গুলো ডিজিটাল মার্কেটিং এর ওপরে নির্ভর করে ব্যবসার প্রচার করবেন।
এক্ষেত্রে, যদি আপনি নিজের ক্যারিয়ার তৈরি করার ক্ষেত্রে ডিজিটাল মার্কেটিং এর ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবছেন, তাহলে চিন্তা করতে হবেনা।
কেননা, এখনের তুলনায় আসছে ২ থেকে ৩ বছরের মধ্যে ডিজিটাল মার্কেটিং ইন্ডাস্ট্রিতে সাংঘাতিক পরিমানে চাকরির সুযোগ বাড়বে।

Address

147/5/7, Biddut Golli, South Jatrabari
Dhaka
1204

Telephone

+8801776400717

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when NASA MEDIA posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to NASA MEDIA:

Share