Abrar Mohammad Sadik

Abrar Mohammad Sadik দিনশেষে "এই পৃথিবীতে আমাদের কাউকে প্রয়োজন নেই"
এই কথাটুকু বলার জন্যও আমাদের কাউকে প্রয়োজন।

সালমান হাবীব - কবিতায় গল্প বলা মানুষ

সবাই সাপোর্ট করবেন

বড় বোনের সাথে সকালে স্কুলে যাওয়ার কথা ছিল রামিসার। কিন্তু স্কুলের সময় ঘনিয়ে আসার পরও রামিসাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না।...
20/05/2026

বড় বোনের সাথে সকালে স্কুলে যাওয়ার কথা ছিল রামিসার। কিন্তু স্কুলের সময় ঘনিয়ে আসার পরও রামিসাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না।

দুই বোন সবসময় একসাথেই স্কুলে যেত। তাই রামিসাকে না পেয়ে বড় বোন তখন বাসার নিচে খুঁজতে বের হয়েছিল আর মা পাশের বিভিন্ন ফ্ল্যাটগুলোতে খুঁজছিল।

পাশের ফ্ল্যাটে খুঁজতে গিয়ে মা দেখে দরজার সামনে রামিসার একটা জুতা পড়ে আছে। আরেকটা জুতা মিসিং। জুতা দেখে মা মনে করেছিল হয়তো কোন দরকারে পাশের বাসায় গিয়েছে।

রামিসার মা তখন দরজায় কয়েকবার করে নক করে।
কিন্তু দরজা খুলেনি। একপর্যায়ে ধাক্কাও দেয় কিন্তু
তাতেও দরজা খোলা হচ্ছিল না বরং ভিতর থেকে শক্ত করে দরজাটা লাগিয়ে দেয়া হয়েছিল।

দরজা না খোলায় রামিসার মায়ের মনের সন্দেহ গাঢ় হতে থাকে। চিৎকার দিয়ে আশেপাশের ফ্ল্যাটের সবাইকে ডাক দেয়ার পর ৯৯৯ এ কল দিয়ে পুলিশ আনা হয়।

পুলিশ এসে দরজায় ধাক্কা দিয়ে না খোলায় ভাঙার পরিকল্পনাও করে। অনেকক্ষণের প্রচেষ্টায় দরজাটা খোলা হয় এবং উপস্থিত সবাই দেখতে পায় রুমের চারদিকে র*ক্ত ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।

র*ক্তের উৎস খুঁজতে গিয়ে পুলিশ খাটের নিচে তাকিয়ে দেখে মাথা ছাড়া একটা ছোট্ট মেয়ের লা*শ অসহায়ভাবে পড়ে আছে। পুলিশের লোকজন তখন পা ধরে টেনে সেই লা*শ বের করে।

রামিসার শরীর পেলেও কা*টা মাথাটা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না।

তারপর ছোট্ট রামিসার মাথা খুঁজতে রুমের চারদিকে তল্লাশি চালায় পুলিশ। রুমেও না পেয়ে এরপর যায় বাথরুমে এবং সেখানেই র*ক্তে ভেজা রামিসার কা*টা মাথাটা পাওয়া যায়।

আর ততক্ষণে ধ*র্ষক জাকির জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে গিয়েছে। জাকিরকে পালাতে তার স্ত্রী স্বপ্নাই সাহায্য করেছে।

রামিসার মা যখন দরজায় ধাক্কা দিচ্ছিল জাকিরের স্ত্রী তখন ইচ্ছে করেই দরজা খুলেনি যাতে তার স্বামী ঠিকঠাক ভাবে পালাতে পারে।

স্বপ্নাকে ধরার পরপরই তার জবানবন্দি নিয়েছে পুলিশ। স্বপ্না জানিয়েছে- তার স্বামী জাকির বিকৃত যৌ*নলালসা পছন্দ করতো। তার সাথেও এমন পাষবিক নির্যাতন করেছে।

রামিসাকে দেখে ভালো লাগার পরই তার স্বামী জাকির বাসা পাল্টিয়ে দুই মাস আগে এই ফ্ল্যাটে বাসা নিয়েছে যাতে বিকৃত যৌ*নাচারের স্বাদ মিটাতে পারে।

জাকিরের স্ত্রী স্বপ্নার ভাস্যমতে- ছোট্ট রামিসাকে টেনেহিঁচড়ে রুমে আনার পর তার স্বামী রামিসাকে ধ*র্ষণ করার চেষ্টা চালায়। কিন্তু রামিসা ছোট বাচ্চা হওয়ায়
যৌ*নাঙ্গে র*ক্তক্ষরণ শুরু হয়।

র*ক্তক্ষরণ টের পেয়ে জাকির দ্রুত গলা টিপে রামিসাকে হ*ত্যা করে। তারপর কেউ যাতে টের না পায় তাই স্বপ্নাকে সাথে নিয়েই লা*শ গুম করার জন্যে রামিসার শরীর থেকে মাথাটাকে কে*টে আলাদা করে ফেলে।

জাকিরের পরিকল্পনা ছিল মস্তকটাকে একজায়গায় ফেলবে এবং শরীরটাকে আরেক জায়গায় ফেলবে যাতে কেউ লা*শ চিনতে না পারে।

কিন্তু তার আগেই রামিসার মা দরজার সামনে চলে আসায় সেটা আর সম্ভব হয়নি। জাকিরও ততক্ষণে জানালা কেটে পালিয়ে গিয়েছে। আর তাকে পালাতে সাহায্য করেছে তারই স্ত্রী স্বপ্না।

এই ধ*র্ষক জাকির রিকশার মেকানিক। তার নামে আগেও নাটোরে মামলা হয়েছিল কিন্তু সে ঠিকই টাকা খাইয়ে জামিনে ছাড়া পেয়ে গেছে।

এবারে ধরা পেলেও হয়তো ঠিক আগের মতোই ছাড়া পেয়ে যাবে। কারণ এদেশে আইনের চেয়েও টাকা বড়।

দেশে প্রতিদিন অসংখ্য বাচ্চা বাচ্চা শিশু ধ*র্ষণ হচ্ছে ,শত শত মানুষ খু*ন হচ্ছে কিন্তু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কোন ভ্রুক্ষেপ নাই। উল্টো সেদিন গলা বড় করে বলেছে- দেশে নাকি আইনশৃঙ্খলা সব ঠিকঠাক চলছে।

রামিসার বাবা মধ্যবিত্ত পরিবারের ,তেমন কোন ক্ষমতা নাই। অথচ আজকে কোন এমপি, মন্ত্রীর মেয়ে ধ*র্ষণ হলে সারাদেশে তোলপাড় লেগে যেত, রেড এলার্ট জারি হতো। মিছিল মিটিং হতো, বিক্ষোভ হতো, আরও কতকিছু হতো!

কিন্তু এই ছোট্ট রামিসার বেলায় তা হবে না। কারণ সে তো আর এমপি, মন্ত্রীর মেয়ে না। তাই এভাবে সাধারণ জনগণের বাচ্চা মেয়েদের ধ*র্ষণের সংখ্যা শুধু বাড়তেই থাকবে।

খাটের নিচ থেকে পা ধরে যখন রামিসার লা*শটা বের করা হচ্ছিল মা টা তখন পড়নের কাপড় দেখেই রামিসাকে চিনে ফেলেছিল। মেয়েটা যে তাদের খুব আদরের ছিল।

এবছর রামিসার বয়স মাত্র ৮ হয়েছে। ক্লাস টুতে পড়তো মেয়েটা। বেশ হাসিখুশি এবং ব্রিলিয়ান্ট স্টুডেন্ট ছিল সে।

এই ছোট্ট আদরের মেয়েটার মাথা ছাড়া লা*শ দেখার পর সেখানেই মা বেহুশ হয়ে পড়ে গিয়েছিল। আর রামিসার অসহায় বাবাটা এখন মেয়ের ছবি হাতে নিয়ে অনবরত কাঁদতেছে।

ধ*র্ষক জাকির আগেরবার জামিন পেয়েছে এবারেও ঠিকই জামিন পেয়ে আরামসে ঘুরে বেড়াবে আর নতুন শিকার খুঁজবে। দিনশেষে আমরাও সবকিছু ভুলে যাব।
কিন্তু রামিসার বাবা-মা ভুলতে পারবে না।

তাদের চোখে আজীবন শুধু ভেসে উঠবে- তাদের ছোট্ট আদরের মেয়েটার মাথা কে*টে শরীর থেকে আলাদা করে খাটের নিচে ফেলে রাখা হয়েছিল

- Ibrahim Khalil Shawon

দাদির মরনের পর কেমন কইরা জানি দাদির সব জমিজমা আব্বার নামে দলিল হইয়া গেল কেউ বুঝতে পারলো না, বুঝতে পারলো না আব্বার দুই ভা...
04/05/2026

দাদির মরনের পর কেমন কইরা জানি দাদির সব জমিজমা আব্বার নামে দলিল হইয়া গেল কেউ বুঝতে পারলো না, বুঝতে পারলো না আব্বার দুই ভাই আর আমার ফুফুও।

গ্রামের ময়মুরুব্বিদের বিচার সভায় আব্বা দলিল দেখাইলো, দলিলের মইধ্যে দাদির টিপ সই আছে। গ্রামের শিক্ষিতরা একজোট হয়ে নানানভাবে পরিক্ষানিরিক্ষা কইরা দেখলো, টিপ সই দাদিরই ছিল। আব্বার দেখানো দলিল কেউ জাল দলিল প্রমাণ করতে পারলো না।

অথচ দাদি জীবিত থাকতে আব্বা দাদিরে কোনদিন এক খিলি পানও কিনে দেন নাই। অসুস্থ দাদি আমার চিকিৎসার অভাবে কাতরাইতে কাতরাইতে মইরা গেল করুণ ক্যান্সারে। রাত-বিরেতে দাদি চিক্কুর দিয়া উঠতো পেশাবের যন্ত্রণায়। দাদির পেশাবের বেগ হইতো, পেশাব হইতো না। কেউ যাইতো না দেখতে দাদিরে। আব্বা খালি ভনভন করে গাইল দিতো ঘুমাইতে না পাইরা।

শুনছি আব্বার একবার বিরাট একটা এক্সিডেন্ট হইছিলো। সে এক্সিডেন্টে হাতের কনুইয়ের এক পাশের মাংস খুইলা গর্ত হইছিলে বড় একখান। ওই গর্ত পূরণ করতে দরকার আছিলো মাংস। একটুকরো মাংস। মাংস না যোগাড় করা গেলে হাত কাটা পড়তো আব্বার। মাংস যোগাড় হইছিলো। দাদি শরীর থেকে এক টুকরো মাংস কেটে এনে পূরণ করা হইছিলো আব্বার হাতের গর্ত। সেই হাতেই আব্বারে দাদির গায়ে হাত তুলতে দেখলাম কতদিন।

দাদির মরনের পর কেমন কইরা জানি দাদির সব জমিজমা আব্বার নামে দলিল হইয়া গেল কেউ বুঝতে পারলো না। আমিও বুঝতে পারলাম না একটা মৃত মানুষ কিভাবে দলিলে টিপ সই দিয়া যায়। শুধু বুঝতে পারলাম, আমাদের ফ্রিজের ভিতর একটা কাঁটা আঙুল আছে। ওই আঙুলটা আব্বা গামছায় প্যাঁছাইয়া নিয়ে আসছিলেন খুব ভোরে ভোরে দাদির মৃত্যুর দুইদিন পর। সেইদিন রাত্তিরি খুব বৃষ্টি হইছিলো। আব্বা বৃষ্টিতে ভিঁজতে ভিঁজতে কোদাল হাতে গেছিলো কবরস্থানের দিকে। ফিরে আসেন একটা বৃদ্ধা আঙুল নিয়ে।

আমি ফ্রিজ খুলে ঐ আঙুলটা উল্টেপাল্টে দেখি। পুরো আঙুল সাদা, শুধু আঙুলের পেটের দিকে জমাট বেঁধে আছে নীল কালি। আঙুলটা হাতে নিলেই আমার ভীষণ কান্না পায়।

আমার আব্বারে জিজ্ঞেস করতে ইচ্ছে করে, আব্বা একটা নারীর শরীর ঠিক কতবার কাটলে তারে মা বলা যায়?


( আঙুল- ২০২৫)©

স্ত্রী কেন কখনো প্রিয় নারী হয় না??প্রশ্নটা খুবই সাধারণ, অথচ এর উত্তরটা অনেক কষ্টের।"আপনার জীবনের সবচেয়ে প্রিয় নারী কে?" ...
16/11/2025

স্ত্রী কেন কখনো প্রিয় নারী হয় না??

প্রশ্নটা খুবই সাধারণ, অথচ এর উত্তরটা অনেক কষ্টের।

"আপনার জীবনের সবচেয়ে প্রিয় নারী কে?" এই প্রশ্নের জবাবে অধিকাংশ পুরুষ বলে মা, মেয়ে, বোন, কিংবা নানী।

অথচ একবারও কেউ বলে না "আমার স্ত্রী"।

স্ত্রী কেন প্রিয় নারী হতে পারে না?

তার কি ভালোবাসা কম? না কি ত্যাগের কোনো ঘাটতি আছে?

নাকি সে এমন কোনো অপরাধ করেছে যার কারণে তাকে প্রিয় বলাটা অপরাধের মতো মনে হয়?

বাঙালি পুরুষদের একটা মানসিক বাধা আছে স্ত্রীকে 'ভালোবাসি' বললে বুঝি মান-সম্মান চলে যাবে, বন্ধুরা তাকে 'বউ পাগল' বলবে, বা হয়তো স্ত্রীর কাছে নিজেকে ছোট মনে হবে, যেন স্ত্রীকে সম্মান দিলে নিজের 'হেডম' কমে যাবে।

কিন্তু বাস্তবতা হলো এই 'না বলা ভালোবাসার' নারীটাই একসময় নিজের ঘর ছেড়ে আসে, একজন প্রায় অপরিচিত ছেলেকে জীবনসঙ্গী মানে, অভিজাত বাবার বাড়ি থেকে স্বল্প আয়ের ছেলেটার ছোট ভাড়াবাড়িতে এসে জীবন গড়ে তোলে
একসময় এই নারীটাই ঘরের সব দায়িত্ব কাঁধে নেয়, অর্থনৈতিক টানাপোড়েনের দিনেও স্বপ্ন দেখে সংসারটা রাঙানোর। অসহ্য ঝাল তরকারি খেয়েও মুখে হাসি রেখে শ্বশুর বাড়িকে নিজের করে তোলে। অভিযোগ করে না, কাঁদে না, শুধু সহ্য করে কারণ সে জানে, এটা তার নতুন সংসার।

হয়তো সেই নারীই একদিন রাতভর জেগে থেকেছে তোমার জ্বরের পাশে, তোমার মায়ের মতো সেবা করেছে, হাসপাতালের করিডোরে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকেছে, বাচ্চার প্রসব যন্ত্রণা ভুলে গিয়েছে শুধুমাত্র তোমার একটা 'ধন্যবাদ' পাওয়ার আশায়।

স্ত্রীরা মানুষ। তাদেরও ভুল হয়। তারা রেগে যায়, ক্লান্ত হয়, কষ্ট পায়। তারা মায়ের মতো নিঃস্বার্থ না কিন্তু তারা প্রতিদিন চেষ্টা করে নিঃস্বার্থ হওয়ার।,তবুও, তাদের প্রিয় নারী বলা হয় না। কারণ এই সমাজ শিখিয়েছে স্ত্রীকে প্রশংসা করলে তুমি দুর্বল, তুমি পরাধীন, তুমি ছোট। এই সমাজ এখনও বোঝেনি ভালোবাসা দেখানো দুর্বলতা নয়, বরং সাহস।

আজও একটা ছেলে তার স্ত্রীর নাম করে কাঁদে না, বন্ধুদের সামনে বলে না "ও না থাকলে আমি কিছুই হতাম না।”

আসলে প্রিয় হওয়ার জন্য মা হওয়া লাগে না, মেয়ের মতো নিষ্পাপ হওয়া লাগে না, বোনের মতো নির্ভরশীল হওয়া লাগে না প্রিয় হতে হলে শুধু চাই সম্মান আর স্বীকৃতি।

তুমি যদি সত্যিই মানুষ হতে চাও তোমার জীবনের সঙ্গীটিকে প্রিয় বলার সাহস দেখাও। তোমার স্ত্রীর ত্যাগ, ভালোবাসা, সহানুভূতি সবই প্রিয় হওয়ার জন্য যথেষ্ট।

তবে হ্যাঁ, প্রিয় স্ত্রী খোঁজার আগে তাকে প্রিয় ভাবার মানসিকতা গড়ে তোলো। কারণ যে নারী তার সব ফেলে তোমার কাছে এসেছে, সে কেবল স্ত্রী নয়

সে তোমার জীবনের শ্রেষ্ঠ সহযাত্রী।

যদি আপনার বউ আপনার কথা না শোনে,,,এতে মন খারাপের কিছুই নেই।। কারো বউই কথা শোনে না,,, আর এর কোনো চিকিৎসাও নেই !😒
08/11/2025

যদি আপনার বউ আপনার কথা না শোনে,,,এতে মন খারাপের কিছুই নেই।। কারো বউই কথা শোনে না,,, আর এর কোনো চিকিৎসাও নেই !😒

নারী একসাথে বাচ্চা সংসার আরো কত কিছু সামলায়। কিন্তু তাকে সামলানোর এবং তার মনের কথাগুলো গুরুত্ব দিয়ে শোনার মত কেউ নেই।💔🙂
07/11/2025

নারী একসাথে বাচ্চা সংসার আরো কত কিছু সামলায়। কিন্তু তাকে সামলানোর এবং তার মনের কথাগুলো গুরুত্ব দিয়ে শোনার মত কেউ নেই।
💔🙂

মানুষ যদি কখনও অটোপসি(পোস্টমর্টেম) কিভাবে করা হয় তা দেখতো তাহলে কখনই হয়তো সুইসাইডের কথা চিন্তাও করতো না।আজকে দ্বিতীয়বার ...
05/11/2025

মানুষ যদি কখনও অটোপসি(পোস্টমর্টেম) কিভাবে করা হয় তা দেখতো তাহলে কখনই হয়তো সুইসাইডের কথা চিন্তাও করতো না।

আজকে দ্বিতীয়বার অটোপসি দেখার সুযোগ হয়।অনেক এক্সাইমেন্ট নিয়ে দেখতে গিয়েছিলাম।
তিনটা লাশ (কেস) ছিলো তখন।
একজন ২৩ বছর বয়সি মেয়ের ফাসি দিয়ে আত্মহত্যার কেস।
আরেকজন ৩০ বছর বয়সি মহিলার বিষ খেয়ে আত্মহত্যার কেস।
এবং আরেকজন ৩০-৩২ বছর বয়সি পুরুষকে দা দিয়ে কুপিয়ে মার্ডার কেস।

প্রথমেই ডোম মামা গায়ের সব জামা কাপর কেটে খুলে ফেলে ২৩ বছর বয়সি মেয়েটার।আহা...আজ সেই পর্দা,লজ্জা,সম্ভ্রম সবই যেন অসহায়। তারপরেই গলা থেকে নাভির নিচ পর্যন্ত একটানে দুইভাগ করে দেয়।হয়তো আমরা কুরবানির সময়ও গরুকে অনেক কেয়ার করে কাটি।বাট এখানে দুইপাশে টেনে চামড়া ছিলে ফেল্লো।পাজরের কার্টিলেজ টা নাইফের একটানে কেটে ভেতরের সব অর্গান দেখা হলো।পেটে বাচ্চা ছিলো কিনা চেক করলো।
মাথার পেছনে একটা ইনসিশন দিয়ে নারিকেলের ছোবড়া ছোলার মত টেনে মাথার চামড়া টা কপাল পর্যন্ত ছোলে খুলিটা কুপিয়ে ভাঙ্গছিলো।কেমন যেনো গরুর হাড্ডি কুপানোর কথা মনে পরে যাচ্ছিলো🙂

এমন ভাবেই পয়সনিং এর মহিলাটারও এভাবেই কেটে স্টমাক,লিভার,কিডনি,ব্রেন বের করে ফেরিনসিক এর জন্য পাঠিয়ে দিলো।

মার্ডার কেসটা তো চোখের দেখাতেই মার্ডার কেস।তাও কাটাকাটি করতেই হলো।

সব শেষে আবার বস্তা সেলাইয়ের এর মত নিচ থেকে উপরে সেলাই করে লাশ খালাস।
বাথরুমে নাকি আরেকটা নতুন লাশ আসছে।সেটাকে আনতে চলে গেলো মামারা।

কোথায় গেলো এত সম্ভ্রম এত দাম্ভিকতা?
বার বার একটা কথাই মনে হচ্ছিলো...মরে গেলে শরীরটার যেন আর একপয়সার ও দাম নেই।
বেচে থাকতে হয়তো ওই দুইটা মহিলার দিকে কেউ তাকানোর সাহস ও পেত না।বাট এখন মরার পরে নিথর দেহ পরে আছে।বিবস্র অবস্থায় লাশ ঘরে ধারালো ছুড়ি আর কড়াতের ধারে মাথার খুলি আলাধা হওয়ার অপেক্ষায়।

আত্মহত্যার পরে তার শরীরটার সাথে কি করা হয় যদি কেউ কখনও দেখতো তাহলে হয়তো দেশে আত্মহত্যার পরিমান অনেকটা কমে যেতো।

অবশ্য মানুষের বডির মূল্য আর কত?!
মারা গেলে পশুরাও খায় না।এখন মনে হচ্ছে আখেরাতটাই আসল।এই দুনিয়ায় আমরা শুধু ব্যাটারি লাগানো একটা শরীর।
আত্মা ছাড়া শরীরের কোনো দাম নাই।আর বাপদাদার টাকা না থাকলে ডেডবডিটার ও কোনো সম্মান নাই।

©

Address

Dhaka

Telephone

+8801859304931

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Abrar Mohammad Sadik posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Abrar Mohammad Sadik:

Share