Shova Builders Ltd

Shova Builders Ltd We deliver interior and civil construction services, creating innovative spaces with precision.

19/02/2025

ইঞ্জিনিয়ার বনাম কন্ট্রাক্টর: আপনার স্বপ্নের বাড়ি তৈরির পথে কে হবেন সঙ্গী?

বাড়ি তৈরি একটি জটিল প্রক্রিয়া, যেখানে প্রয়োজন হয় সঠিক পরিকল্পনা, ডিজাইন এবং দক্ষ বাস্তবায়ন। এই ক্ষেত্রে, ইঞ্জিনিয়ার এবং কন্ট্রাক্টর উভয়ের ভূমিকাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাদের কাজ এবং দায়িত্ব সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকলে, আপনি আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।

ইঞ্জিনিয়ার: আপনার বাড়ির নকশার রূপকার । ইঞ্জিনিয়ার হলেন আপনার বাড়ির স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার কারিগর। তারা শুধু নকশা তৈরি করেন না, বরং ভবনের নিরাপত্তা, স্থায়িত্ব এবং কার্যকারিতাও নিশ্চিত করেন।

একজন ইঞ্জিনিয়ারের প্রধান দায়িত্ব:

নকশা তৈরি: আপনার চাহিদা ও প্রয়োজন অনুযায়ী স্থাপত্য, কাঠামো, বিদ্যুৎ এবং প্লাম্বিংয়ের বিস্তারিত নকশা তৈরি করেন।

অনুমোদন: RAJUK, সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভার কাছ থেকে প্রয়োজনীয় অনুমোদন পেতে সহায়তা করেন।

স্থায়িত্ব: ফাউন্ডেশন থেকে ছাদ পর্যন্ত কাঠামোর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করেন এবং লোড ক্যাপাসিটি হিসাব করেন।

তদারকি: নির্মাণ কাজ চলাকালীন গুণগত মান বজায় রাখতে নিয়মিত তদারকি করেন।

নিরাপত্তা: নির্মাণ সাইটের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করেন।

পরামর্শ: নির্মাণ কাজের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করেন এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করেন।

সনদ: প্রজেক্ট শেষে চূড়ান্ত পরিদর্শন করে সনদ প্রদান করেন।

কন্ট্রাক্টর: নির্মাণের বাস্তবায়নকারী
কন্ট্রাক্টর হলেন সেই ব্যক্তি যিনি ইঞ্জিনিয়ারের নকশা অনুযায়ী আপনার বাড়ির নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন করেন। তারা নির্মাণ সামগ্রী, শ্রমিক এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসের ব্যবস্থা করেন।

একজন কন্ট্রাক্টরের প্রধান দায়িত্ব:
পরিকল্পনা: প্রকল্পের সময়সূচী তৈরি করেন এবং প্রয়োজনীয় উপকরণ ও শ্রমিকদের ব্যবস্থা করেন।

বাস্তবায়ন: ইঞ্জিনিয়ারের নকশা অনুযায়ী নির্মাণ কাজ পরিচালনা করেন।

গুণমান: কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করেন।

শ্রমিক: দক্ষ শ্রমিক ও কারিগরদের নিয়োগ করেন এবং তাদের কাজ তদারকি করেন।

নিরাপত্তা: নির্মাণ সাইটের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বজায় রাখেন।

যোগাযোগ: ইঞ্জিনিয়ারের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখেন এবং কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে জানান।

সমস্যা সমাধান: নির্মাণ কাজ চলাকালীন কোনো সমস্যা হলে তার সমাধান করেন।

সমাপ্তি: নির্ধারিত সময়ে এবং বাজেটের মধ্যে কাজ শেষ করেন।

হস্তান্তর: ভবন মালিকের কাছে কাজ বুঝিয়ে দেন।

কাকে নির্বাচন করবেন?
যদি আপনি বাড়ির সঠিক ডিজাইন এবং পরিকল্পিত সুন্দর প্ল্যান চান, তাহলে ইঞ্জিনিয়ার অপরিহার্য। যদি আপনি শুধু নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন করতে চান, তাহলে কন্ট্রাক্টর প্রয়োজন। তবে, কাজটি ইঞ্জিনিয়ারের তত্ত্বাবধানে করানো উচিত।
একটি পরিপূর্ণ, মজবুত এবং সুন্দর বাড়ির জন্য উভয়কেই প্রয়োজন।
বাড়ি নির্মাণ একটি দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ। তাই, আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক ব্যক্তিকে নির্বাচন করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

Akul Hosain
B.sc Civil Engineer.
Phone: 01605-855885
Whatsapp & Imo: 01776-753262

08/12/2024

ফেয়ার ফেস কংক্রিট এর বিস্তারিতঃ-
-----------------------------------------------------------------------
ফেয়ার ফেস কংক্রিট বলতে ঐ কংক্রিট কে বুঝানো হয় যেটার ফর্মওয়ার্ক খুলে ফেলার পর সরফেসটা এতটাই মসৃণ হয় যে সেটাকে নতুন করে ফিনিশিং করার জন্য প্লাস্টারের প্রয়োজন পরে না।
সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে ইন্টেরিয়র এবং এক্সটেরিয়র উভয় ডিজাইনেই সৌন্দর্য ও দীর্ঘস্থায়িত্বের কথা বিবেচনা করে ম্যাটেরিয়ালসের নানান পরিবর্তন-পরিবর্ধন, সংযোজন-বিয়োজন ও নতুনত্ব যোগ হচ্ছে। তেমনি একটি ম্যাটেরিয়ালস ‘ফেয়ার ফেস প্লাস্টার’। ফেয়ার ফেস প্লাস্টার ইন্টেরিয়র ও এক্সটেরিয়র উভয় স্থানেই ব্যবহার করা যায়। ফেয়ার ফেস প্লাস্টার ব্যবহার করলে আর নতুন করে পেইন্ট করতে হয় না। এটি দেখতে সুন্দর এবং দীর্ঘস্থায়ী।
ফেয়ার ফেস প্লাস্টারের কিভাবে তৈরি হয়ঃ-.....................................................................
ফেয়ার ফেস হচ্ছে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন সিমেন্ট বেইজ এক ধরনের প্লাস্টার। এটি মূলত ৬০ শতাংশ সাদা সিমেন্ট ও ৪০ শতাংশ গ্রে সিমেন্ট এবং প্রয়োজন অনুযায়ী স্টোন চিপসের সমন্বয়।
ফেয়ার ফেস প্লাস্টারের কাজঃ-.....................................................................
ইটের শুকনো দেয়ালে ফেয়ার ফেস প্লাস্টারের আস্তর লাগাতে হয়। সাধারণ বালু সিমেন্টের আস্তর করার মতোই ফেয়ার ফেস প্লাস্টারের আস্তর করতে হয়। সাধারণ প্লাস্টার করার পরও ফেয়ার ফেস প্লাস্টার করা যায়। সে ক্ষেত্রে সাধারণ প্লাস্টারকে রাফ করে নিতে হয়।
স্থায়িত্বঃ-.....................................................................
ফেয়ার ফেস প্লাস্টারের পুরুত্ব ৮ মিলিমিটার। ফেয়ার ফেস প্লাস্টার দেখতে উজ্জ্বল ছাই রঙা ধরনের। সিমেন্ট বেইজ হওয়ায় এটি অত্যন্ত মসৃণ ও গ্লসি হয়ে থাকে। একবার ব্যবহার করলে সারাজীবন চলে। সাধারণত ২০-৩০ বছরের স্থায়িত্বের গ্যারান্টিতে ফেয়ার ফেস প্লাস্টারের কাজ করা হয়।
গ্রুভঃ-.....................................................................
ইন্টেরিয়র এবং এক্সটেরিয়র উভয় স্থানেই ব্যবহার করা গেলেও এক্সটেরিয়েরই ব্যবহার করা হয় বেশি। ফেয়ার ফেস প্লাস্টারের কাজ করার সময় ইচ্ছে অনুযায়ী গ্রুভ ব্যবহার করা যায়। সাধারণত প্রতি ২ ফিট পর পর ১-২ ইঞ্চি গ্রুভ ব্যবহার করা হয়। ইচ্ছে করলে এর কম-বেশিও করা যায়।
কিউরিংঃ.....................................................................
ফেয়ার ফেস প্লাস্টার কাজ করার পর তিন থেকে সাত দিন কিউরিং করলে ভালো হয়। আস্তরে চুল ছেঁড়া দাগ হয় না।
বাংলাদেশে কোথায় পাবেন?.....................................................................
বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি দেশের ফেয়ার ফেস প্লাস্টারের প্রিমিক্স পাউডার পাওয়া যায়।
যেগুলো হচ্ছে দুবাইয়ের কনমিক্স, জার্মানির বিএসএফ, ভারতের ড. ফিক্সিট ও ফসরক।
তবে দুবাইয়ের কনমিক্স কোম্পানি বেশ সুনামের সাথে তাদের কনস্ট্রাকশন কেমিক্যাল বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী মার্কেটিং করে আসছে।
টাইলসের বড় শোরুমগুলোতে খোঁজ করলেও ফেয়ার ফেস প্লাস্টার পাওয়া যাবে।
মূল্যঃ.....................................................................
সাধারণত প্রতিবর্গ ফুট ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকা মূল্যে কাজ করা যায়। তবে হাইরাইজ বিল্ডিংয়ের বাইরে কাজ করতে স্ক্যাফোল্ডিং(মাচা) তৈরি করতে হয়। মাচা বাবদ আরো পাঁচ টাকা লাগতে পারে।
Akul Hosain
B.sc Civil Engineer.
Phone: 01605-855885
: 01904-211651
Whatsapp & Imo: 01776-753262

03/12/2024

বিল্ডিং নির্মাণে যে তথ্য গুলো জানা উচিত(সিভিল
ইঞ্জিনিয়ারিং)
→১ ব্যাগ সিমেন্ট এ পানি লাগে ২১ লিটার।
→১০” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১ সিএফটি গাথুনীতে
১০ টি ইট লাগে।
→০৫” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১’ (স্কয়ার ফিট)
গাথুনীতে ০৫ টি ইট লাগে।
→ ছলিং এ প্রতিস্কয়ার ফুট এর জন্য ০৩ টি ইট লাগে।
→ ০৯ টি পিকেট ইট দিয়ে ১ সিএফটি খোয়া হয়।
→ ১ টি ইটে খোয়া হয় ০.১১ ঘনফুট।
→১ স্কয়ার ফুট গাথুঁনিতে ১:৪ অনুপাতে সিমেন্ট
লাগে ০.০২১ ব্যাগ, বালু লাগে ০.১২ ঘনফুট।
→১ স্কয়ার ফুট ইটের গাথুঁনিতে ১:৫ অনুপাতে
সিমেন্ট লাগে ০.০২০ ব্যাগ, বালু ০.১২৪ ঘনফুট।
→ ১ ঘনফুট ঢালাইয়ের জন্য ১:২:৪ অনুপাতে
সিমেন্ট লাগে ০.১৭২ ব্যাগ,বালু লাগে ০.৪৫ ঘনফুট,
খোয়া লাগে ০.৮৮ ঘনফুট।
* গাথুনীর প্লাষ্টারে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট
দিতে হয়।
বি.দ্র :- প্লাস্টারের ফ্রেশ সাইডে মসলার পুরুত্ব
আধা ইন্চি এর রাফ সাইডে মসলার পুরুত্ব পনে এক
ইঞ্চি বা ১৫ মিমি . . সিলিং প্লাষ্টারে (১:৩ বা ১:৪)
অনুপাতে সিমেন্ট দেয়া যায় । এবং মসলার পুরুত্ব 6 মিমি বীম এবং কলাম সিলিং এর জন্য ।
→ প্রতি এস,এফ,টি নিট ফিনিশিং করতে =
০.০২৩৫ কেজি সিমেন্ট লাগে।

ইটের মাপ:- প্রচলিত নিয়মে
————++-———++—-—
→ মসলা ছাড়া (৯.৫” x৪.৫” x২.৭৫”)
→ মসলাসহ = (১০” x৫” x ৩”)
কনভার্ট এর জন্য:-
——–++—–——-
10 mm =1 cm
100 cm = 1 m
1″ = 25.4 mm
1″ = 2.54 cm
39.37″ = 1 m
12″ = 1′ Fit
3′ = 1 Yard (গজ)
1 Yard = 36″
72 Fit = 1 bandil.
# রডের হিসাব
———————————————
1″ = 8 suta
1/2″ = 4 suta
1/4″= 2 suta
1/8″ = 1 suta
বি.দ্র:- ১ সুত = ৩.২০ মিলি প্রায়।
# রডের ওজন {(dia x dia) ÷162.2 }÷3.28 = kg
——————————————————–
৮ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.১২০ কেজি।
১০ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.১৮৮ কেজি।
১২ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.২৭০৬ কেজি।
১৬ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৪৮১২ কেজি।
২০ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৭৫১৮ কেজি।
২২ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৯০৯৭ কেজি।
Akul Hosain
B.sc Civil Engineer.
Phone: 01605-855885
01904-211651
WhatsApp & Imo: 01776-753262

13/11/2024

#কাজ_চলাকালীন_সময়_করনীয় :--
১. বালি-সিমেন্ট মিশানোর সময় ইঞ্জিনিয়ার / প্রতিনিধীকে অবশ্যই উপস্থিত থাকতে হবে।
২. বালি মিশানোর স্থান ও আশপাশ অবশ্যই পরিষ্কার থাকতে হবে।
৩. এক ব্যাগ বা তার বেশী সিমেন্টের সাথে বালি মিশাতে হলে ১০/১২” উচ্চতায় বালি সমান করে বিছাতে হবে। এবং বালির উপর সিমেন্ট সমানভাবে বিছাতে হবে। এরপর কোদাল নিয়ে বালি সিমেন্ট মিশাতে হবে যেন মিশ্রন ইউনিফর্ম হয়।
৪. মিশ্রন চালণিতে অবশ্যই চেলে নিতে হবে।
৫. এরপর পানি দেওয়ার জন্য মিশ্রনের মাঝে জায়গা খালি রাখতে হবে এবং ধীরে ধীরে পানি দিতে হবে (অতঃপর পানি ও মিশ্রন ভালোভাবে মিশিয়ে প্লাস্টারের মশলা বানাতে হবে। উল্লেখ্য যে মশলা ১ ঘন্টার মধ্যে ব্যবহার করে ফেলতে হবে।
৬. আরসিসি বা রাফ ওয়ালে সিমেন্ট গ্রাউটিং ব্যবহারের সময় সিলিং বা অন্য কোথাও যেন না লাগে।
৭. প্লাস্টার আরম্ভ করার সময় প্রথমে পায়া করে নিতে হবে, এবং সুতা দিয়ে লেভেল চেক করে নিতে হবে ।
৮. প্লাস্টারের কাজে কোন অবস্থায় গুড়া ব্যবহার করা যাবে না।
৯. সিলিং, কলাম, বীম ও কোবলা অবশ্যই শল ও মাটামে থাকতে হবে। এজন্য প্লাস্টারের পরপরই শল, সুতা ও মাটাম (Tri squire) দিয়ে চেক করতে হবে ।
১০. সিলিং, বীম এর তলা একই লেভেলে থাকতে হবে।
১১. রুমের ওয়াল টু ওয়াল এবং কোনাকুনি মাপ সমান হতে হবে।
১২. কলাম ও ফ্রি ওয়ালের কর্নার ২ সুতা ট্যাপার করতে হবে।
১৩. প্রতিদিন কাজের স্থান অবশ্যই পরিষ্কার রাখতে হবে।
১৪. পরের দিনের কাজের স্থান অবশ্যই আগের দিন ঠিকাদার / ফোর ম্যানকে জানিয়ে দিতে হবে।
১৫. যখন যে জায়গায় কাজ শুরু হবে, সেই জায়গায় কাজ সম্পূর্ন শেষ করতে হবে।
১৬. কাজের শেষে প্রতিটি কাজের জায়গা ফোরম্যান নিজে চেক করে জানাবে এবং ইঞ্জিনিয়ার নিজে চেক করে প্রয়োজনীয় নির্দেশ নিবে।
১৭. চেকিং এর পর যদি কোন রিপেয়ারিং এর কাজ করা লাগে তবে তা সাথে সাথে করতে হবে।
১৮. প্লাস্টারের এর পুরুত্ব ১” এর বেশী হলে সে ক্ষেত্রে রাফ করে রেখে পরবর্তী দিন গ্রাউটিং করে বাকী প্লাস্টার এর কাজ শেষ করতে হবে।
১৯. দুই এর অধিক ইলেকট্রিক পাইপ এর লেয়ার থাকলে অবশ্যই ওয়ার ম্যাশ ব্যবহার করতে হবে।
২০. ২০০ ওয়াট এর লাইট জ্বালিয়ে প্লাস্টার করতে হবে।

Akul Hosain.
B.sc in Civil.
Phone: 01904211651

10/11/2024

ফ্ল্যাট কেনার সময় অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বিবেচনা করা প্রয়োজন, যাতে আপনি ভবিষ্যতে কোনো ঝামেলায় না পড়েন। নিম্নলিখিত বিষয়গুলো নজরে রাখা খুবই জরুরি:
◼️ ১. আইনি বৈধতা ও কাগজপত্র
- ফ্ল্যাটের মালিকানার কাগজপত্র: ফ্ল্যাটের ডেভেলপারের কাছে প্রয়োজনীয় জমির দলিল, প্রকল্পের অনুমোদনপত্র, এবং অন্যান্য কাগজপত্র চেক করা অত্যন্ত জরুরি।
- খতিয়ান ও পর্চা: জমির বৈধতা নিশ্চিত করতে জমির খতিয়ান ও পর্চা যাচাই করতে হবে। এটি ভূমির প্রকৃত মালিকের প্রমাণ দেয়।
- সিটি কর্পোরেশন বা RAJUK অনুমোদন: ফ্ল্যাটের নকশা এবং নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন থাকা আবশ্যক।
- BNBC (বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড): ফ্ল্যাটের নির্মাণ BNBC-এর নিয়ম মেনে হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত করুন। এটি ফ্ল্যাটের স্থায়িত্ব এবং নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
◼️ ২. প্রকল্পের অবস্থান ও পরিবেশ
- অবস্থান: ফ্ল্যাটের লোকেশন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নিকটবর্তী স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল, মার্কেট, এবং অফিস থেকে দূরত্ব লক্ষ্য করুন। এছাড়াও পরিবহন সুবিধা, রাস্তা, এবং নিকটবর্তী যানজটের অবস্থা বিবেচনা করুন।
- ভবিষ্যৎ উন্নয়ন: এলাকার উন্নয়ন সম্ভাবনা আছে কিনা তা বিবেচনায় রাখুন, যেমন রেলওয়ে, মেট্রোরেল, বা অন্য অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রকল্প।
◼️ ৩. বিল্ডিংয়ের মান ও নির্মাণের গুণগত মান**
- নির্মাণ সামগ্রী: ফ্ল্যাট নির্মাণে ব্যবহার করা সামগ্রী (সিমেন্ট, ইট, রড ইত্যাদি) ভালো মানের কিনা তা নিশ্চিত করুন। নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহৃত হলে ভবিষ্যতে সমস্যা দেখা দিতে পারে।
- প্লাম্বিং এবং বৈদ্যুতিক কাজ: ভবনের ভিতরে যে প্লাম্বিং এবং ইলেকট্রিক্যাল কাজ করা হয়েছে, তা ভালোভাবে চেক করুন। পানির প্রবাহ, ইলেকট্রিক্যাল ওয়্যারিং, এবং ফিটিং সঠিক মানের কিনা তা নিশ্চিত করতে হবে।
◼️ ৪. জমির মালিকানার স্ট্যাটাস ও প্রকল্পের আইনি অবস্থান
- জমির মালিকানার স্ট্যাটাস: জমির উপরে কোনো আইনি সমস্যা (মামলা, বিরোধ) আছে কিনা তা নিশ্চিত করুন। প্রয়োজনে আপনার আইনজীবীর মাধ্যমে জমির মালিকানার খোঁজ নিতে পারেন।
- ডেভেলপারের রেপুটেশন: ডেভেলপারের পূর্ববর্তী প্রকল্প এবং তাদের রেপুটেশন যাচাই করুন। ডেভেলপার নির্দিষ্ট সময়ে ফ্ল্যাট ডেলিভারি দিতে সক্ষম হয়েছে কিনা তা দেখুন।
◼️ ৫. ফ্ল্যাটের ডিজাইন ও ফ্যাসিলিটিজ
- ইন্টেরিয়র ডিজাইন: ফ্ল্যাটের ডিজাইন, ঘরের আকার, প্রয়োজনীয় বাথরুম এবং বেডরুমের সংখ্যা, এবং অন্যান্য ফ্যাসিলিটিজ চেক করুন।
- উত্তরণ ও আলো-বাতাসের ব্যবস্থা: ফ্ল্যাটে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস প্রবেশ করছে কিনা, এবং প্রতিদিনের রোদ-বাতাসের প্রবাহ কেমন, তা যাচাই করুন।
- সার্ভিস সুবিধা: লিফট, জেনারেটর, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, পার্কিং, এবং কমন স্পেসের অবস্থা যাচাই করতে হবে। পার্কিংয়ের জন্য আলাদা ফি বা জায়গার ব্যবস্থা আছে কিনা তা নিশ্চিত করুন।
◼️ ৬. ফ্ল্যাটের মূল্যের সাথে তুলনা
- মূল্য নির্ধারণ: ফ্ল্যাটের দাম বাজারের সঙ্গে তুলনা করে দেখুন। একই এলাকায় অন্যান্য ফ্ল্যাটের মূল্য কত, তা জেনে নেওয়া ভালো।
- EMI বা লোন সুবিধা: ব্যাংক লোনের মাধ্যমে ফ্ল্যাট কিনতে চাইলে সেই অপশনগুলি সম্পর্কে জানতে হবে। কোন ব্যাংক কত শতাংশ ইন্টারেস্টে লোন দিচ্ছে তা যাচাই করা প্রয়োজন।
◼️ ৭. রক্ষণাবেক্ষণ খরচ
- মাসিক বা বার্ষিক রক্ষণাবেক্ষণ: ডেভেলপার বা অ্যাসোসিয়েশন রক্ষণাবেক্ষণ খরচ নেয় কিনা এবং তা কী কী সার্ভিসের জন্য, তা আগে থেকেই জেনে নিতে হবে।
◼️ ৮. প্রকল্পের ডেলিভারি সময়
- নির্ধারিত সময়: ফ্ল্যাট নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে হস্তান্তর করা হবে কিনা তা নিয়ে ডেভেলপারের কাছ থেকে নিশ্চিত হতে হবে। সময়মতো ডেলিভারি না পেলে কীভাবে সমাধান হবে, সেই শর্তগুলো চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
◼️ ৯. অ্যামেনিটিস
- কমন ফ্যাসিলিটিজ: ভবনের কমন ফ্যাসিলিটিজ যেমন কমিউনিটি হল, গার্ডেন, সুইমিং পুল ইত্যাদি আছে কিনা তা জেনে নিন। এই সুবিধাগুলোর জন্য অতিরিক্ত ফি লাগবে কিনা তাও জানুন।
◼️ ১০. রেজিস্ট্রেশন ও নামজারি খরচ
- ফ্ল্যাট কেনার সময় স্ট্যাম্প ডিউটি, রেজিস্ট্রেশন ফি, ভ্যাট, এবং নামজারি খরচ কত হবে তা আগেই হিসাব করে নিন।
এসব বিষয়গুলো ভালোভাবে যাচাই করলে, ফ্ল্যাট কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া অনেক সহজ ও নিরাপদ হবে।

Akul Hosain
B.sc in Civil.
Phone : 01904-211651

Address

H#06, Rd#06, Blk#F, Dhaka Uddan, Mohammadpur, Dhaka
Dhaka
1207

Opening Hours

Monday 09:00 - 18:00
Tuesday 09:00 - 18:00
Wednesday 09:00 - 18:00
Thursday 09:00 - 18:00
Saturday 09:00 - 18:00
Sunday 09:00 - 18:00

Telephone

+8801776753262

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shova Builders Ltd posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Shova Builders Ltd:

Share