Door To Door Business Deal BD

Door To Door Business Deal BD From Bangladesh Anyone Can Import Any Products/Goods/Metarials From China-India WithOut Any Document More Fun With Entertaining Life.

Many More Funny Moments Of Sports.

Eta Kau make kore dity parben (big quality/regular), nijer setup thakty Hobe. Media not allow. Please call me 0162612147...
24/04/2022

Eta Kau make kore dity parben (big quality/regular), nijer setup thakty Hobe. Media not allow. Please call me 01626121477 (10 am to 5pm)

20/04/2021

C&F help lagly inbox kore, BD any port Ami smoothly jekono product smoothly release kore thaki, ( CTG, Airport, Benapol, Komolapur)

CnF service lagly inbox koren, any port- CTG, Airport, Benapol, komolapur ECT
20/04/2021

CnF service lagly inbox koren, any port- CTG, Airport, Benapol, komolapur ECT

From Bangladesh Anyone Can Import Any Products/Goods/Metarials From China-India WithOut Any Document

16/10/2020

আজকের বিষয়ঃ "মানবদেহে ভিটামিনের প্রয়োজনীয়তা"

খাবারের মধ্যে যে প্রানশক্তি নিহিত আছে, তাকেই আমরা সহজ ভাষায় বলি ভিটামিন বা খাদ্যপ্রান। শ্বেতসার জাতীয় বা স্নেহ জাতীয় খাবার যে পরিমাণ আমাদের শরীরের পক্ষে প্রয়োজন তার তুলনায় খাদ্যপ্রানের পরিমান আনেক কম, কিন্তু আবার অন্যদিকে খাদ্যপ্রানের সাহায্য ব্যাতিরেকে ছানা জাতীয়, শ্বেতসার জাতীয় ও চর্বি জাতীয় খাবার যথাযথ ভাবে কার্যকরী হতে পারে না। এদের অভাবে আমাদের দেহ যন্ত্র হয়ে যায় অচল।
ভিটামিন দু ভাগে বিভক্ত-

চর্বি দ্রবনীয়- ভিটামিন 'এ', 'ডি', 'ই' এবং 'কে'।
জলে দ্রবনীয় - ভিটামিন 'বি কমপ্লেক্স', 'সি'।

ভিটামিন 'এ'(Vitamin A)-প্রয়োজনীয়তা
ইহা দেহের বৃদ্ধির সহায়ক, এর অভাবে শিশুকালে ও কৈশোরে দেহের বৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হয়, রাত্র্যন্ধরোগ, চর্মরোগ, ইত্যাদির সৃষ্টি হয়। চোখের কার্যকারিতার জন্য এই ভিটামিন অত্যন্ত জরুরি।

ভিটামিন 'এ' প্রয়োজনীয় মাত্রায় দেহে থাকলে কোন সংক্রামক ব্যাধি সহজে দেহকে আক্রমণ করতে পারে না।

ভিটামিন 'এ' - র উত্‍সঃ

দেহ মধ্যস্থ চর্বির সঙ্গে মিশে এই ভিটামিন দেহের মধ্যে সঞ্চিত থাকে।
মায়ের দেহের 'এ' ভিটামিন মাতৃ দুগ্ধের সঙ্গে মিশে শিশুদের পুষ্টির যোগান দেয়।
জীবদেহের চর্বি ও লিভারে ভিটামিন 'এ' সঞ্চিত থাকে।
বিভিন্ন শাক সবজি-লালশাক,কলমিশাক, মেথিশাক ছোলাশাক,পালংশাক, বাঁধাকপি,গাজর।
ফল- পাকা আম, পেঁপে, কাঁঠাল, কমলালেবু ইত্যাদিতে ভিটামিন 'এ' সঞ্চিত থাকে।

ভিটামিন 'ডি'(Vitamin B)-র প্রয়োজণীয়তাঃ

দেহের অস্থি গঠনের প্রধান উপাদান ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের কাজে এই ভিটামিন বিশেষ ভাবে সাহায্য করে।
এই ভিটামিনের অভাবে রিকেট রোগ সৃষ্টি হয়।
মায়ের দেহে পর্যাপ্ত পরিমান ভিটামিন 'ডি' না থাকলে শিশুর দেহের অস্থি ঠিক ঠিক ভাবে গঠিত হতে পারে না, ফলে শিশুদের উপযুক্ত সময়ে দাঁড়ান বা হাঁটা হয়ে ওঠে না। দাঁতের গঠনের জন্য ভিটামিন 'ডি' বিশেষ প্রয়োজনীয়।

ভিটামিন 'ডি' - র উত্‍সঃ

সবুজ শাক পাতায়, দুধ ও চর্বি জাতীয় খাবারে মানুষের উপযোগী ভিটামিন 'ডি' পাওয়া যায়।
মাছ ও জীবজন্তুর চর্বিতে ও লিভারে যথেষ্ট পরিমাণে 'ডি' ভিটামিন জমা থাকে।
ডিমের হলুদ অংশে যথেষ্ট পরিমাণে 'ডি' ভিটামিন জমা থাকে।
সূর্যরশ্মি ভিটামিন 'ডি' সংগ্রহের সহজতম উপায়। সূর্যরশ্মির প্রভাবে চামড়ার তৈলাক্ত পদার্থ গরম হয়ে ভিটামিন 'ডি' তে পরিণত হয়।

ভিটামিন 'ই'(Vitamin E)-র প্রয়োজণীয়তাঃ
এই ভিটামিন দেহের তন্তু গঠনের বিশেষ সহায়ক।
এর অভাবে নারী ও পুরুষ সন্তান লাভে বঞ্চিত হয়।

ভিটামিন 'ই' - র উত্‍সঃ

আমিষ ও নিরামিষ সর্বপ্রকার খাবারের চর্বি অংশে এই ভিটামিন বিদ্যমান।
কমলালেবু, কলা, শাক-সবজি ইত্যাদিতে এই ভিটামিন পাওয়া যায়।

ভিটামিন 'কে'(Vitamin K)-র প্রয়োজণীয়তাঃ

দেহে রক্তপাত হলে রক্তের জমাট বাঁধানোর কাজে ভিটামিন 'কে' প্রধান সহায়ক।
সন্তান সম্ভবা ও স্তন্য দায়িনী মাতাদের এই ভিটামিন অতি প্রয়োজনীয়।
এই ভিটামিনের অভাবে শিশুদের সময়মত বৃদ্ধি হয় না।
এই ভিটামিন অস্থি গঠন ও সংরক্ষনে বিশেষ সহায়ক।

ভিটামিন 'কে'-র উত্‍সঃ

সবুজ শাকপাতা, টমেটো, সয়াবীন, ফুলকপি,বাঁধাকপি,পালংশাক ইত্যাদি খাবারে ভিটামিন 'কে' প্রচুর পরিমাণে বিদ্যমান।
ফল ও শ্বেতসার জাতীয় খাদ্যে এই ভিটামিন থাকে।

16/10/2020

পুরো অক্টোবর মাস জুড়ে চলছে ডেলিভারি চার্জ
😁ফ্রি😁

প্রোডাক্ট/ব্র‍্যান্ডঃ Novofine Pen Needles
(Used with insuline pen)

👉 1 box 100 pc Needles

👉 Price- 950 tk (per box)

অর্ডার করতে এখনি ফোন করুন।ঢাকা শহর সহ সারা বাংলাদেশ আমরা যে কোন ঔষধ ৪৮ ঘন্টায় পৌছে দিচ্ছি আর যেকোন চিকিৎসা উপকরণ ৭২ ঘন্টার মধ্যে পৌছে দিচ্ছি আপনাদের কাছে।

ফোন : ০১৭৮১৪৬৮৯৯৬

শর্ত প্রযোজ্য

16/10/2020

আমাদের যেকোনো মেডিকেল সামগ্রী ক্রয় করলেই পাচ্ছেন পুরো অক্টোবর মাস জুড়ে ডেলিভারি চার্জ 🥰ফ্রি😁

প্রোডাক্ট/ব্রান্ডঃ Tynor Cervical Collar Soft with Support, B-02

👉 Size Availavle: S,M,L,XL,XXL

এটি আপনার ঘাড় বা সার্ভিকাল অঞ্চলের আঘাত থেকে পুনরুদ্ধারের জন্য অতীব গুরুত্বপূর্ণ এবং কার্যকরী। গলা ভাঙা বা ভাঙা ঘাড়, whiplash, sprain / strains, সার্ভিকাল সার্জারি ইত্যাদি থেকে পুনরুদ্ধার করতে সাহায্য করার জন্য একটি দুর্দান্ত হাতিয়ার। ভাল বায়ুচলাচযোগ্য এবং জরুরী প্রয়োজনে দ্রুত এক্সেস করা যায়।

👉 Helps to support, immobilize or adjust the neck.
👉 Anatomical shape
👉Well ventilated
👉High density PU foam
👉Color matching skin
👉Allergic hypothesis
Features
👉 High-density PU foam 30 kg / m3 which provides better support and improved immobilization.

👉 প্রাইজঃ ৪০০/-

অর্ডার করতে এখনি ফোন করুন। ঢাকা শহর সহ সারা বাংলাদেশ আমরা যে কোন ঔষধ কিংবা যেকোনো চিকিৎসা উপকরণ ২৪ থেকে ৭২ ঘন্টার মধ্যেই পৌছে দিচ্ছি আপনার দুয়ারে। এছাড়াও ঢাকা সিটিতে পাচ্ছেন ক্যাশ অন হোম ডেলিভারি সুবিধা।

ফোন : ০১৭৮১৪৬৮৯৯৬

শর্ত প্রযোজ্য।

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অথবা প্রেসক্রিপশন ছাড়া ওষুধ সেবন থেকে বিরত থাকুন।

16/10/2020

আমাদের যেকোনো মেডিকেল সামগ্রী ক্রয় করলেই পাচ্ছেন পুরো অক্টোবর মাস জুড়ে ডেলিভারি চার্জ 🥰ফ্রি😁

প্রোডাক্ট/ব্র‍্যান্ডঃ Ankle Support Tynor

👉 Origin: India
👉 Sizes Available: S, M, L, XL

দৈনন্দিন খেলাধুলা/অনুশীলনে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয় যা গোড়ালি জয়েন্টকে অতিরিক্ত সংকোচিত হওয়া থেকে নিরাপদ রাখে। সাধারণত বার্ধক্য, বাত, খেলাধুলা ইত্যাদির সাথে জড়িত ব্যথা কিংবা প্রদাহ দূর করতে সহায়তা করে।

👉 Four way stretch
👉 Two layered fabric
👉 Hypoallergenic
👉 Uniform compression
👉 Simple pull on application

👉 Bi-layered, cotton on the inside, a dermophillic interphase improves sweat absorption, comfort and compliance.
👉 Bi-layered, nylon on the outside ensures durability, improves aesthetics and color fastness.
👉 Four-way stretchable fabric, ensures effective compression along with comfort.
👉 Two layered with interwoven air space, retains body heat effectively, speeds up healing and allays pain.

প্রাইজঃ ৩৮০/-

অর্ডার করতে এখনি ফোন করুন। ঢাকা শহর সহ সারা বাংলাদেশ আমরা যে কোন ঔষধ কিংবা যেকোনো চিকিৎসা উপকরণ ২৪ থেকে ৭২ ঘন্টার মধ্যেই পৌছে দিচ্ছি আপনার দুয়ারে। এছাড়াও ঢাকা সিটিতে পাচ্ছেন ক্যাশ অন হোম ডেলিভারি সুবিধা।

ফোন : ০১৭৮১৪৬৮৯৯৬

শর্ত প্রযোজ্য।

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অথবা প্রেসক্রিপশন ছাড়া ওষুধ সেবন থেকে বিরত থাকুন।

"একটি দিলাম ফোন ফিরে পেলাম নতুন জীবন,"-প্রবীণদের বিবর্ণ জীবনে রং আনল PMMS, জীবনের প্রয়োজন , সময়ের বাস্তবতা আর কর্ম-দায়িত...
05/10/2020

"একটি দিলাম ফোন ফিরে পেলাম নতুন জীবন,"-
প্রবীণদের বিবর্ণ জীবনে রং আনল PMMS, জীবনের প্রয়োজন , সময়ের বাস্তবতা আর কর্ম-দায়িত্বের কাছে কর্তব্য আজ বড় অসহায়! সকলের সব আছে , সবাই আছে ,তবু যেন কেউ নেই- কিছু নেই !! হ্যাঁ , পাঠকবৃন্দ বলছিলাম সত্তোর্ধ্বো হালিমা বেগম ও আশ্রাফ আলীর কথা । একটা মাল্টি ন্যাশনাল কোম্পানিতে চাকরি , ঢাকায় ফ্লাট , দুই ছেলেকে উচ্চ শিক্ষিত করে করেছেন প্রবাসী। তাদের ভালো থাকার জন্য সবি হলো । এখন সময় প্রশান্তির । জীবনের কোন চাওয়াতেই যেন ঘাটতি নেই , ঘাটতি কেবল আপন মানুষকে কাছে পাওয়া। পরম নিশ্চিন্তে ভুলে যাওয়া ইনসুলিন নেওয়ার কথা স্মরণ করানো, অথবা রাতে হঠাৎ শেষ হয়ে যাওয়া পেসারের ওষুধ আনতে মেডিসিনের দোকানে ছোটা !!! গিটে ব্যথা , হাটুর ব্যথা------ জীবনের রঙ যেন বিবর্ণ ! এরকম অসুবিধায় পড়া মানুষের স্বজন হয়ে চিকিৎসা পরিষেবা নিয়ে এবার এসে গেল PMMS (Pujikom Medicine & Medical Services), রাতে – দিনে, সকালে- বিকালে ২৪ ঘণ্টা আপনার হাতে আপনার প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চিকিৎসা সেবা তুলে দিয়ে আপনার বিবর্ণ জীবনকে কিছুটা হলেও স্বস্তিতে ভরিয়ে তুলবে রংধনুর মত PMMS সেবা, যার সুবিধা ভোগী সত্তোর্ধ্ব হালিমা বেগম বলেন " সেদিন ভোর রাতে যখন মৃদুলের বাবার শ্বাসকষ্ট শুরু হলো তখন বিদিশ হয়ে গেলাম। মৃদুল লণ্ডন থেইকা 'কইল' আমি দেখছি ভয় পেওনা। নিজেরও হাতে পায়ে বেদনা! কী যে করি! কারে বলি। ২০ মিনিট বাদেই দারওয়ান বেল দিল। বলল- দাদাজানের " ইনহেলার " ঘোলা চোখে দেখলাম (PMMS এর) একটি ছেলে হাসিমুখে দাড়িয়ে। আস্বস্ত হলাম। মৃদুলের বাবার শ্বাসকষ্ট কমে গেল। আল্লাহ যেন বাঁচাইল।" হ্যা আপনার বন্ধু হয়ে এবার দোর গোড়ায় এসে গেছে pmms.
সেবাসমূহ :
(ক) সারাদেশব্যপী ছোট ও বৃহত পরিসরে ঔষধ, চিকিৎসা উপকরণ,স্বাস্থ্য উপকরণ, শল্যচিকিৎসা উপকরণ সেবা ঘরে পোঁছে দিচ্ছে,
(খ) ঢাকার মধ্যে ৫০০টাকার উপর সেবায় ডেলিভারি চার্জ ফ্রী, (অফার চলাকালীন)
(গ) ২০০০টাকার বেশি সেবায় ৫% ছাড়,
(ঘ) ২৪ ঘন্টার মধ্যে ঢাকায় ডেলিভারি,
(ঙ) দেশি - বিদেশি ডাক্তার, নার্সিং, হাসপাতাল, এম্বুলেন্স সেবা সার্ভিস প্রক্রিয়াধীন,

বি: দ্র : "আপনি শুধু আমাদের কল দিলেই সকল
সেবা ঘরে বসেই পাচ্ছেন,"
শুভেচ্ছান্তে - PMMS,
BTI Premier Plaza, Progoti Shoroni,
Dhaka-1212,
* যোগাযোগ - ০১৯১১৪৬৬৮০৪, ০১৭৩২৭৩০৬০৪,
০১৭৬৬৬২২৫২৫,০১৩০৩৫৮৬৩৭৩,
০১৮১৬৬৭৬৬৩৭,
*আমাদের ওয়েবসাইট www.pujimedico.com
FB Page:
https://www.facebook.com/Pujikom-Medicine-and-Medical-Services-102992454867708/

03/10/2020

আজকের বিষয়ঃ “অতিরিক্ত ফাস্টফুড বনাম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা”

ইদানিং রাস্তার পাশের জাঙ্ক ফুডের সহজলভ্যতা দিনদিন আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য ভয়াবহ হুমকি হিসেবে দেখা দিচ্ছে। নিয়মিত জাঙ্ক ফুড খাওয়ার ফলে মানুষ স্থূলকায় হয়ে নানা অসুখ বিসুখের শিকার হচ্ছে। তাই অন্তত নিজের সুস্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে হলেও এসব ক্ষতিকর দিক সন্মন্ধে জেনে এসব খাবার থেকে যথাসম্ভব দূরে থাকা দরকার। আজকে আমরা জানব বিভিন্ন জাঙ্ক ফুডের ক্ষতিকর দিকসমুহ সম্পর্কে।
ফাস্ট ফুড কী?
ফাস্ট ফুড হলো বিভিন্ন ক্ষতিকারক পদার্থ সমন্বয়ে তৈরি খাবার খেয়ে শরীরের প্রচণ্ড ক্ষতিসহ মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। এসব খাবার শরীরের জন্য সর্বদা ক্ষতিকারক। এসব খাবারে চর্বি, লবন, কার্বনেট এসব অতিরিক্ত মাত্রায় থাকে। এইসব ক্ষতিকারক উপাদানের কারণে শরীর নানা ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই এসব খাবার যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলা দরকার।
ফাস্ট ফুডে ক্ষতিকর কী কী থাকে?
ফাস্ট ফুডে বিভিন্ন অস্বাস্থ্যকর খাদ্য উপাদান থাকে যা আমাদের দেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর । নিম্নে এগুলো আলোচনা করা হলো-
১। গোপন বা লুক্কায়িত চিনি:
অনেক জাঙ্ক বা ফাস্ট ফুডে কৃত্রিমভাবে প্রস্তুতকৃত চিনি ব্যবহার করা সত্ত্বেও এসব উপাদান সাধারণত সুগার বা চিনি হিসেবে উপস্থাপন করা হয় না। কিন্তু এসব উপাদান খাবার বিপাকের সময় চিনিতে রূপান্তরিত হয়। এই উপাদানগুলি যেমন কর্ন সিরাপ, ফ্রুক্টোজ বা সুক্রালোজ ইত্যাদি খাবারের ক্যালরির পরিমাণকে বাড়িয়ে দিয়ে শরীরের ওজন বৃদ্ধিতে ভুমিকা রাখে।
২। কৃত্রিম বা বিকল্প চিনি:
অনেক ফাস্ট ফুডে কৃত্রিম চিনির ব্যবহার হওয়ার কারণে স্বাভাবিকের চেয়ে দেহে চিনির পরিমাণ বেশী বৃদ্ধি পায়। গবেষণায় দেখা গেছে চিনির বিকল্প হিসাবে সুক্রালোজ, এসিসালফেইম পটাশিয়াম এবং স্যাকারিন ব্যবহার করা হয় যেগুলোতে ক্যালরির পরিমাণ কম থাকলেও এগুলো বিপাক ক্রিয়ায় দারুণভাবে বিপত্তি সৃষ্টি করে।
৩। হাইড্রোজেনেট তেল:
ফাস্ট ফুড রেস্টুরেন্টগুলো খাবার তৈরিতে ঘন ঘন হাইড্রোজেনযুক্ত তেল ব্যবহার করে। এই হাইড্রোজেনেটেড তেল শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়িয়ে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায় এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যগত সমস্যার সৃষ্টি করে। বাণিজ্যিকভাবে প্যাকেজকৃত খাবার বিশেষ করে চিপস এবং ক্র্যাকারগুলি হাইড্রোজেনেটেড তেলের তৈরি। তাই এসব খাবার পরিত্যাগ করতে হবে। বিশেষ করে শিশুদের এসব বাহিরের অস্বাস্থ্যকর খাবার দেওয়া থেকে বিরত থাকা খুবই জরুরী।
ফাস্ট ফুডের ক্ষতিকর দিকসমুহঃ
১।রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস ও বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি বেড়ে যাওয়াঃ
ফাস্ট ফুড বা জাঙ্কফুড খেলে কোননা কোন রোগে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা অনেক বেশী থাকে। এসব খাবার যেহেতু রাস্তার ধারে বেশী বিক্রি হয় এবং বহসময় ধরে খাবার উপযোগী করে রাখার চেষ্টা করা হয়, তাই এতে জীবাণুর বিস্তার ঘটার সম্ভাবনা বেশী থাকে। এসব মিশ্রিত জীবাণু শরীরে প্রবেশের মাধ্যমে নানা প্রকার রোগের সৃষ্টি করতে পারে। এছাড়া এসব খাবার শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকেও নষ্ট করে দেয়।এজন্য রাস্তার ধারের বিভিন্ন জাঙ্কফুড খাওয়া থেকে বিরত থাকা বুদ্ধিমানের কাজ।
২।ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা বৃদ্ধিঃ

ফাস্ট ফুড মুলত বাসি জাতীয় খাবার। এসব খেলে ত্বকের নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে যেমন ত্বকের সতেজতা কমে যাওয়া। চর্বি জাতীয় খাবার গ্রহণ করলে মুখ শুষ্ক এবং খসখসে হয়ে পড়ে । এছাড়া অন্যান্য ত্বকের সমস্যার মধ্যে ব্রণ,এলার্জি ইত্যাদি দেখা দিতে পারে।
৩। দেহের ওজন বেড়ে গিয়ে উচ্চ রক্তচাপ কিংবা ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বেড়ে যাওয়াঃ
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক প্রতিবেদন অনুসারে, বিগত ৪০ বছরে স্থূলকায় মানুষের হার প্রায় দশগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর পাশাপাশি বৃদ্ধি পেয়েছে উচ্চ রক্তচাপ কিংবা ডায়াবেটিসের মতো অনেক সমস্যা। প্রতিনিয়ত জাঙ্কফুড গ্রহণে স্থূলকায় মানুষের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। অতিরিক্ত পরিমাণে জাঙ্ক ফুড গ্রহণের ফলে মানুষের মধ্যে টাইপ-২ ডায়াবেটিস, হৃদরোগ এবং স্থূলকায় হবার আশংকা বৃদ্ধি পেতে থাকে। ফাস্ট ফুড খাওয়ার জন্যই সারাবিশ্বে মোটা হওয়ার প্রবণতা অনেক বেড়ে গিয়েছে। এসব খেলে রক্তে চিনির পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। প্রতিনিয়ত চিনির মাত্রা ওঠানামা করার কারণে অগ্নাশয়ের কার্যকারিতা হ্রাস পায় এবং ধীরে ধীরে ইনসুলিনের নিঃসরণের পরিমাণও হ্রাস পেতে থাকে। ফলাফল হিসাবে টাইপ-২ ডায়াবেটিস হৃদরোগ, বেদনাদায়ক স্নায়ুজনিত ক্ষতি, কিডনির ক্ষতি, আলঝেইমারের ঝুঁকি বেড়ে যায় । Institute for Health Matrix and Evaluation- এর এক রিপোর্ট অনুসারে, বাংলাদেশে পূর্ণবয়স্ক মানুষের মধ্যে শতকরা প্রায় ১৭ শতাংশ এবং শিশুদের ক্ষেত্রে সাড়ে ৪ শতাংশ স্থূলকায়। ফাস্ট ফুডে পরিমানের অধিক কার্বোহাইড্রেড বা শর্করা এবং চর্বি থাকায় তা শরীরে নানান সমস্যা তৈরি করে, বিশেষ করে মেদ বাড়িয়ে দেয়। অতিরিক্ত চর্বি দেহে জমতে থাকে। ওজন বেড়ে যাওয়ার ফলে শরীর তার স্বাভাবিকতা হারিয়ে ফেলে।
প্রতিনিয়ত ছুটে চলা আজকের জনগণের কাছে খাবার তৈরির সময়টুকুও হয়ে উঠে না অনেক সময়। তাছাড়া জাঙ্ক ফুড কোম্পানিরা দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য বছরে কোটি কোটি টাকা খরচ করেই যাচ্ছে। প্রতিনিয়ত কোনো না কোনো রেস্টুরেন্টে দিয়ে চলেছে একটি কিনলে একটি ফ্রি জাতীয় বিজ্ঞাপন। ফেসবুকের প্রমোশনাল পোস্টে খাবারে ডিসকাউন্ট জাতীয় বিজ্ঞাপন। ফলে এসব খাবার থেকে বেঁচে থাকতে চাইলেও পারা যাচ্ছেনা আমরা বেশী ঝুঁকে পড়ছি এই ফাস্ট ফুডের দিকে। জাঙ্ক ফুড আমাদের জন্য ক্ষতিকর, এ বিষয়ে কারও কোনো বিতর্ক নেই। কিন্তু আমাদের নিজের চিন্তা করে হলেও স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণে আগ্রহী হওয়া উচিত। যতই ডায়েটিং বা ব্যায়াম করা হোক না কেন, এসব খাবার খেয়ে ওজন কমাতে অনেক বাধার সম্মুখীন হতে হবে। তাই আসুন আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি একটু পাল্টাই। যথাসম্ভব ঘরের তৈরি স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার চেষ্টা করি।

ঢাকা শহর সহ সারা বাংলাদেশ আমরা যে কোন ঔষধ ৪৮ ঘন্টায় পৌছে দিচ্ছি আর যেকোন চিকিৎসা উপকরণ ৭২ ঘন্টার মধ্যে পৌছে দিচ্ছি আপনাদের কাছে।

ফোন : ০১৭৮১৪৬৮৯৯৬

শর্ত প্রযোজ্য।

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অথবা প্রেসক্রিপশন ছাড়া ওষুধ সেবন থেকে বিরত থাকুন।

কোরবানি শব্দটার মাহাত্ম্য বুঝি এই ছবিটা দেখলেই অনেকখানি টের পাওয়া যায়। লিটারেলি ছবিটা দেখে বুকের ভেতর টা কেমন ফাঁকা হয়ে ...
01/08/2020

কোরবানি শব্দটার মাহাত্ম্য বুঝি এই ছবিটা দেখলেই অনেকখানি টের পাওয়া যায়। লিটারেলি ছবিটা দেখে বুকের ভেতর টা কেমন ফাঁকা হয়ে গেল।
কি প্রবল একটা দীর্ঘশ্বাস ছবিজুড়ে!

এবারের ঈদের সবথেকে মন খারাপ করা ছবি,
নিজের সন্তানের মতো লালন পালন করা শেষবেলায় কিছু টাকার প্রয়োজনে অন্যের হাতে তুলে দিতে হয়।

ছবি তে দেখা যাচ্ছে একজন পৌঢ়ী মা নিজের সন্তানের মতো প্রিয় পশুকে অন্যের হাতে তুলে দেবার আগ মূহর্তে কাঁঠালপাতা ধরে কাঁদছেন। হাতে পৃথিবীর সবথেকে আশ্চর্য রকমের ঐ বস্তু "টাকা"।
হায়রে টাকা !!!

মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবার কোরবানি কবুল করুন। আমিন

ঈদ মোবারক ♥

©

বাচ্চাদের ফাইনান্স আর ইকোনমিকস এর ধারণা দেওয়া জরুরী। হ্যাঁ। টাকা চেনানো উচিৎ তাদের। এখনকার বাচ্চারা যদিও টাকার সাথে আগে ...
08/07/2020

বাচ্চাদের ফাইনান্স আর ইকোনমিকস এর ধারণা দেওয়া জরুরী।

হ্যাঁ। টাকা চেনানো উচিৎ তাদের। এখনকার বাচ্চারা যদিও টাকার সাথে আগে থেকেই পরিচিত হয় বটে, কিন্তু মানি ম্যানেজমেন্ট টা তারা জানেনা। কিভাবে টাকা কোথায় কাজে লাগালে তা প্রফিটেবল হবে তা তারা জানেনা। সেটা কিভাবেই বা জানবে। জানানোর মতো আছেই বা কে। স্কুল কলেজ তো মুখস্থ গেলাতে ব্যস্ত। আর বাবা-মা হয়তো মিলেনিয়ালস। যারা টাকার কথা ভাবলেও মার খেয়ে বড় হয়েছে। অনেকেই অনেক বয়স পর্যন্ত টাকাও চিনতো না!!

ইয়েস, মিলেনিয়ালস, যারা কিনা অত্যাধিক মানষিক অত্যাচার আর ট্যাবুফোবিয়ার হুমকির মধ্যে দিয়ে বড় হয়েছে। যাদের কাছে টাকা ছিলো অচ্ছুৎ। যেন টাকা ছুলেই বুঝি বাচ্চা বখে গেল।
একটা নর্ম ছিলো, হাতে টাকা দেওয়া যাবে না। কিছু লাগলে কিনে দাও কিন্তু এক টাকাও হাতে দিও না। এটা অনেক ছেলেপেলে গ্রাজুয়েশন করা অব্দি ফেস করে এসেছে। আমি মিলেনিয়াল দের কথা বলছি। ২০০০ এর আগে যাদের জন্ম। বিশেষ করে মিড ৯০ পর্যন্ত।
এদের মানষিকতা ট্রমাটাইজড করে ফেলা হয়েছে। যেন টাকা কোন লিথাল উইপন, এন্ড এটা হাতে নিলেই সে কোন কোলেট্যারাল ডেমেজ তৈরি করে ফেলবে।
একই সময়ে ওদিকে মেরিকায় ৮০র দশকেই সব বাচ্চারা বড় বড় টেক কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করে মিলিয়ন ডলার বানিয়ে বসে আছে। সেসব এখন বিলিয়ন ডলারের প্রতিষ্ঠান।
আর আমাদের বুড়ো খোকা রা তাদের আপেল কেনার সপ্নে দিনযাপন করে আর চাকরির আশায় তাদের অফিস প্রোগ্রাম শিখতে হিমসিম খায়। কেননা, এই খোকাদের তো কোন টেক ইকুইপমেন্ট ছুতেই দেওয়া হয়নি এত বছরে, খোকা নষ্ট হয়ে যাবে বলে!!
ওদিকে মেরিকার বাচ্চা খোকারা সেই টেক ইকুইপমেন্ট গুলোই বানিয়ে বসে আছে। বিলিয়ন ডলারের মালিক হয়ে বসে আছে! কিন্তু নষ্ট তো হয়নি!!
কিন্তু কিভাবে সম্ভব??

মানেন না মানেন, এই দেশটা গোঁয়াড়দের আস্তানা। যেখানে পুরো সমাজ এবং পারিবারিক ব্যবস্থা গোঁয়ার্তুমিতে চলে। যে যা বোঝে তাই সই। এর বাইরে কিছু নেই ছিলো না। আসবে না। আসতে পারে না। আসতে দেবো ও না। এই মননেই চলে। ফলে কোন স্ট্যান্ডার্ড তৈরি হয়নি। কোন কিছুতেই না।
একটা জাতি স্ট্যান্ডার্ড এবং আইকনিক হতে হলে একটা স্ট্যান্ডার্ড প্রসিডিওর থাকতে হয় জাতি তৈরিতে। যেখানে বলা, চলা, দেখা, ফেরা, আচার, আচরণ, কৃষ্টি, নীতি, নৈতিক শিক্ষা, এগুলো তে সিমিলারিটি থাকে। সেই সিমিলারিটি সব কোনায় প্রায় সেম থাকে। শেখার, শেখানোর ধরনও একই থাকে। এটাকে দেশি মানষিকতায় রোবটিক মনে হলেও, এটাই মুলত ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড। যা এক জাতিকে আরেক জাতি থেকে আলাদা করে।

আমাদের সোনার দেশে সব সোনালী হলেও বিয়ের আগে মেয়ে সোনার সাথে পরিচিত হতে চাইলেও সেটা অসভ্যতা এবং লোভ বলে পরিচিত হয়। এই সোনা হচ্ছে গোল্ড। যা একটা ধাতু। কিন্তু কতজন প্যারেন্টস এটা জানে? বা জানতো?

বাংলাদেশে প্যারেন্টিং বলে যে একটা জিনিস আছে সেটাই বেশিরভাগ বাবা-মা জানেনা। ফলে যে যার যা ইচ্ছা তাই শেখাচ্ছেন। সেভাবেই বড় করছেন বাচ্চাকে। ফলে চোরের বাচ্চা চোরা মানষিকতায় বড় হচ্ছে। ঘুষখোর এর বাচ্চা শিখছে সংসার আলিশান ভাবে চালাতে অরকম সম্মানি নিতে দোষ নাই। টাকাওয়ালার ছেলে বাপের টাকার জোরে সব কিছুকে ধরা জ্ঞান করা শিখে ফেলছে। রাজনৈতিক এর বাচ্চা পিচ্চিকালেই ঝাড়ি দেওয়া শিখে যাচ্ছে।
ফার্স্ট ওয়ার্ল্ড কান্ট্রিতে কিন্ত আপনি এটা করতে পারবেন না। আপনার ইচ্ছা হলেই আপনার মতো করে বাচ্চা বড় করতে পারবেন না। ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ফলো করতে হবে। ফলে সব বাচ্চাই একটা বেসিক শিক্ষা নিয়ে বড় হয়। তাই এদের দেখলেই দ্রুত আইডেন্টিফাই করা যায় যে এরা এই জাতীয়।

কেননা তারা বাচ্চাদের শেখায়,
কোন ভাষা ব্যবহার করতে হবে?
কোনটা ভালো, কোনটা খারাপ?
কোনটা অন্যায়, কি করলে শাস্তি পেতে হবে? এটিকুয়েট কি। ভদ্রতাজ্ঞান আর আচরণ কিভাবে করতে হবে?
বিনয়ী হয়ে কিভাবে সম্মান রেখে সবার সাথে কথা বলতে হবে?
রাস্তাঘাটে চলাচলের ধরন কি হবে?
বড় ছোট সবাইকে কিভাবে সম্মান করতে হবে?
জ্ঞানীদের কিভাবে এবং কেন সম্মান করা উচিৎ?
কিভাবে এবং কেন কোন ভালো কাজে বা কোন এচিভমেন্ট এ কাউকে অভিবাদন জানাতে হবে বা এপ্রিশিয়েট করতে হবে।
অন্যের ক্ষতি করা কেন খারাপ কাজ?
লোভ করা কেন ভালো না?
হিংসা, গীবত কেন করা উচিৎ না, কেন এটাতে নিজের ক্ষতি সেটা তারা এর মধ্যেই শিখে যায়।
টাকা কি কিভাবে টাকার ব্যবহার করতে হবে। টাকার কাজ কি। টাকার মুল্য কি?
কিভাবে টাকা উপার্জন করতে হবে। সেটা কিভাবে সঠিক উপায়ে খরচ করতে হবে?
কিভাবে সঞ্চয় করতে হবে বা করা যাবে?

এখানে একটা নিস্পাপ ছোট বাচ্চা ছেলে একটা বাচ্চা মেয়ে বা একটা বাচ্চা মেয়ে একটা বাচ্চা ছেলের সাথে কথা বললেই বাবা-মা রা যে সন্দেহের জঘন্য বিষবাষ্প ছড়ায়, তা যে এই বাচ্চাগুলোর মধ্যেও ছড়ায় সেটা সেই বাবা-মা রা ধারণাও করতে পারেন না।
এই বাবা-মা নিয়ে তৈরি সমাজ এসব শিক্ষা দেবে সেটা ভাবাটাও অকল্পনীয়।

কিন্তু ব্যপার টা যেখানে টাকা পয়সার, সেখানে নিজের স্বার্থেই সচেতন হওয়া দরকার। নিজের স্বার্থেই শেখানো উচিৎ।

এই দেশে মানুষ অল্পতেই বুড়ো হয়ে কুযো হয়ে যায়। যে বয়সে শাহরুখ খান রোমান্টিক সিনেমা করে বা টম ক্রুজ বা ড্যায়ানিয়েল ক্রেইগ ন্যাশনাল সিকিউরিটির জন্য সুপারহিট একশন স্টান্ট করে, সে বয়সে এই দেশের প্যারেন্টস টায়ার্ড হয়ে নিজেদের বুড়ো ঘোষণা দিয়ে অবসরে যাবার আশায় থাকে। আর এর একমাত্র শর্ত হচ্ছে, ছেলে (শুধু ছেলেই। মেয়েদের ক্ষেত্রে বিদায় করেই বাঁচে তাই যদি থাকে, ছেলে) ইনকাম করে সংসারের 'হাল' ধরার অপেক্ষা করে।

এটা সেই ছেলেই যাকে বছর খানেক আগেও সেই একই বাবা-মা এক পাই ও হাতে দিতো না ছেলে বখে যাবে বলে! যাকে টোটালি টাকা পয়সা বা অর্থনৈতিক বিষয় থেকে অন্ধকারে রেখে দিয়েছিলো, তার কাছেই এখন অব্যক্ত আশা, কবে সে হাল ধরবে?
এই হাল আবার শুধু চাকরি করেই ধরতে হবে। সেও আবার সরকারি চাকরি হলে ভালো হয়। ব্যবসার নাম ভুলেও না। নইলে প্যারেন্টাল লাইফ ই বৃথা তাদের (সে আরেক আলোচনা)।

অথচ ছেলে হয়তো এখন কেবল ডিগ্রির জন্য পড়ে, বা গতকাল ডিগ্রি শেষ করেছে। ডিগ্রি শেষ মানেই চাকরি বসে আছে তার ডিগ্রি ওয়ালা মুর্খ্য ছেলের জন্য ৫০ হাজার টাকার চাকরি নিয়ে। (যার ফাইনানশিয়াল জ্ঞান ই নেই সে এক পিস কাগজ নিয়ে নিশ্চয়ই শিক্ষিত না)। আর বিসিএস তো দিলেই হয় যায়। অমুক পাড়ার দুর্রসম্পর্কের তমুক বিসিএস ক্যাডার, সে হইলে তোমারেও হইতে হবে।

ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার যে পড়ানো হয়, অনেক কে জোর করে পড়ানো হয় এই জন্য যে, এখানে অনেক টাকা কামাতে পারবে চিন্তা করেই। সরকারি চাকরি তে অনেক টাকা, ঘুষ দিয়েই বাড়ি গাড়ি করা যাবে এই আশায় ই সরকারি চাকরি তে ঢোকার জন্য এত প্রেশার দেওয়া হয়, স্থায়ী চাকরি, কাম নাই কোন, এসব তো ঢাল মাত্র।

ফলে একটা অশান্তি তৈরি হয় চারিদিকে। সামাজিক অসামঞ্জস্যতা তৈরি হয়। আর হিপোক্রেসি উন্মোচিত হয়ে যায়।

টাকা কামাও, অনেক টাকা, যে টাকা গতকাল ও দেখনি। টাকা কামাও, কিন্তু শুধু চাকরি করেই।
টাকা কামাও, কিন্তু ব্যবসা খারাপ জিনিস। ব্যবসা মূর্খ্য দের জিনিস। শিক্ষিত লোকেরা ব্যবসা করে না।
(তারা মুর্খ্যদের আন্ডারে চাকরি করে 🤣🤣🤣)

এই ধরনের ভাষাই প্রমাণ করে সমাজ, পরিবার এবং এর অংশ বাবা-মা রা কতটা মুর্খ্য!!
হ্যাঁ জেনে বুঝেই বলছি। কাউকে অসম্মান বা ইগো হার্ট করা উদ্দেশ্য না, সমাজ, পরিবারের মতো যন্ত্র গুলো যে কি পরিমাণ গোঁয়ার, আর মুর্খ্য এই ইকোনমিক সিস্টেম, ফাইনানশিয়াল সিস্টেম এর ব্যপারে যে তারা এটা ভুলেও জানেনা কিভাবে জব তৈরি হয়, আর কিভাবে একটা দেশের ইকনোমি চলে!
একটা জাতির সব পারিবারিক যন্ত্র যদি শুধু চাকরিজীবী উতপাদন করে তাহলে চাকরি এরা করবে কোথায়? কোন প্রতিষ্ঠানে?? সরকার সব চাকরি দেবে সবাইকে? নাকি? কিভাবে কি চলবে?
প্রত্যেকটা পরিবার যন্ত্র ভাবে তাদের সন্তানকেই সরকারি চাকরি করতে হবে, ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার হতে হবে। ব্যবসা অশিক্ষিত রা করবে। অর্থাৎ কেউ না কেউ তো অশিক্ষিত হবেই!!
এটাই গোঁয়ার্তুমি!

একবারও এসব নিয়ে ভাবার মতো বা এই বিষয়ে জ্ঞানার্জনের জন্য সমাজ বা পরিবারগুলো কাজ করেছে? করেনি।
সেই বৃটিশদের শিক্ষা মগজে গুজে ৫/৭ বা ততোধিক প্রজন্ম পরম্পরায় কাটিয়ে দিলেও এই ঘ্যাচড়ামি থেকে বের হতে পারেনি যে, কেরানি বা চাকর হওয়াই একমাত্র লক্ষ্য নয়। বৃটিশ আমলের একমাত্র পেশা, ডাক্তারি, ইঞ্জিনিয়ারি বা ওকালতি ছাড়াও অনেক পেশা আছে! আজকের এই আধুনিক যুগে!
আর সে সময়ের চিন্তা এখনো আমাদের মগজে গাথা, ব্যবসা বৃটিশরা ই করুক। আমরা তাদের কেরানি হয়েই থাকি। তারা আমাদের সব বানিয়ে এনে বেচুক, আমরা সেটা কিনে খেয়েই বাঁচি!!!

কি অদ্ভুত!
শত শত বছর ধরে একটা চিন্তাধারা কিভাবে একটা সমাজকে আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে রেখে পেছন দিকে নিয়ে যায়, আর আমরা হ্যামিলন এর বাশির সুরের মূর্ছনা থেকে আজো অব্দি বের হতে না পেরে অন্ধের মতো বাশির সুরের পথ ধরে অজানায় লাফ দিয়েই যাচ্ছি!!

নাম: ড. আসিফ মাহমুদশিক্ষাগত যোগ্যতা: ★মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল থেকে এসএসসিতে ৭ম বোর্ড  স্ট্যান্ড,(Batch - 97) ★এক্স নটরডেমি...
03/07/2020

নাম: ড. আসিফ মাহমুদ
শিক্ষাগত যোগ্যতা:
★মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল থেকে এসএসসিতে ৭ম বোর্ড স্ট্যান্ড,(Batch - 97)
★এক্স নটরডেমিয়ান,
★ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাইক্রোবায়োলজিতে ফার্স্ট ক্লাস থার্ড পজিশন,
★মাস্টার্সে ফাস্ট ক্লাস ফাস্ট পজিশন,
★★জাপানের Gifu university থেকেও মাস্টার্স ও পিএইচডি সম্পন্ন করেছেন।

প্রোফাইল দেখেই বুঝতে পারছেন উনি কোনো আলতু ফালতু মানুষ না কিংবা স্বপ্নে পাওয়া কোনো ফর্মুলা থেকে ভ্যাকসিন আবিষ্কার করেন নি।উনি যদি চাইতেন ইউরোপ-আমোরিকার কোনো দেশে রাজকীয় হালে থাকতে পারতেন। ওনার সেই কোয়ালিটি এবং ক্যাপাবিলিটি আছে।

কিন্তু,উনি অন্যদের মত বিদেশ পাড়ি জমান নি।

"ওরা যদি পারে, আমরাও পারবো।"
"We cannot afford to lose people" বলতেই আসিফ মাহমুদের (ইনচার্জ, গ্লোব বায়োটেক লিমিটেড) চোখ ছলছল করে উঠাটা হয়তো অনেকেরই নজর এড়িয়ে গিয়েছে, কিন্তু এর মধ্যে দেশের মানুষের জন্য কতোটা ভালোবাসা ছিলো তা সহজেই অনুৃমান করা যায়।

"বাংলাদেশ করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন আবিষ্কার করার দাবী করেছে" - শুনতেই আমাদের সচেতন ফেসবুক বিশেষজ্ঞগন হাসতে হাসতে মাটিতে শুয়ে পড়ছেন।ট্রল করছেন।মজা নিচ্ছেন। অথচ দফায় দফায় ট্রায়াল দিয়ে ব্যর্থ হওয়া বিভিন্ন দেশের ভ্যাকসিন আবিষ্কার এর খবর শেয়ার দিতে দিতে টাইমলাইন ভরে ফেলেছি।

নিজ দেশের প্রতি এতো অবিশ্বাস আমাদের? আমাদের দেশের হাজার হাজার মেধাবী তরুণরা বর্হিবিশ্বের বিভিন্ন টপ ক্লাস পজিশন দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন এ খবরটা কি আমাদের অজানা? আজ যদি ড.আসিফ মাহমুদ অন্য কোনো দেশে বসে ভ্যাকসিন আবিষ্কার এর দাবী জানাতেন তাহলে কিন্তু আমরা মাথায় তুলে নাচতাম, কিন্তু এখন কি করছি?

ইতিমধ্যেই খরগোশ এর দেহে এই ভ্যাকসিন প্রয়োগে এন্টিবডি উৎপাদনের প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে।আসুন প্রার্থনা করি যেন ক্লিনিক্যাল টেস্টে আমাদের আবিষ্কৃত ভ্যাকসিন সফলতা লাভ করে।
সত্যি বলতে এরকম কিছু হলে পুরো বিশ্বে বাংলাদেশ হইচই ফেলে দিতে পারবে।

আমরাও গর্বের সাথে বলতে পারবো, " ওরা পারলে, আমরাও পারি" 🇧🇩

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Door To Door Business Deal BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Door To Door Business Deal BD:

Share