18/08/2026
নারীদের বাসের চালক বা হেলপার বানিয়ে সম্মানিত করা হলো নাকি চরমভাবে লাঞ্ছিত করা হলো—তা আজ গভীরভাবে ভাবনার বিষয়!
নারীরা গোলাপের মতো কোমল ও স্পর্শকাতর। তাদের ওপর বাস চালানোর মতো কঠোর ও ঝুঁকিপূর্ণ দায়িত্ব চাপিয়ে না দিয়ে বরং তাদের বাবা, স্বামী ও প্রাপ্তবয়স্ক পুত্রসন্তানদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করাই বেশি যুক্তিযুক্ত।
পুরুষদের স্বাবলম্বী করে নারীদের ঘরে সম্মানের সাথে রাখাটাই তাদের প্রকৃত মর্যাদা নিশ্চিত করে।
প্রাকৃতিকভাবেই নারীরা গর্ভধারণ, সন্তান লালন-পালন ও স্তন্যপানের মতো অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে থাকেন—যা কোনো পুরুষের পক্ষে বহন করা সম্ভব নয়।
এই প্রাকৃতিক বাস্তবতা বিবেচনা করেই ইসলাম নারীকে মায়ের আসনে বসিয়ে সর্বোচ্চ সম্মান দিয়েছে এবং জীবনসংগ্রাম, অর্থ উপার্জন কিংবা যেকোনো কঠিন শারীরিক শ্রম থেকে তাঁদের সম্পূর্ণ অব্যাহতি দিয়েছে।
ইসলাম নারীকে অতিরিক্ত দায়িত্ব থেকে মুক্ত করে তাদের যাবতীয় ভরণপোষণের দায়িত্ব অর্পণ করেছে পরিবারের পুরুষদের ওপর। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, আধুনিক নারীবাদীরা বিষয়টিকে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করে ধর্মের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে থাকে।
আজকাল রাস্তায় নারীদের অটোরিকশা চালাতে, মাথায় ইট-পাথর বইতে কিংবা কোদাল দিয়ে মাটি কাটতে দেখা যায়। কোনো সভ্য সমাজে নারীর এমন অবর্ণনীয় শারীরিক শ্রম দৃশ্যমান হওয়া কোনো সুসংবাদ কিংবা সুখের লক্ষণ হতে পারে না। এটি অস*ভ্য জাতির পরিচয় হতে পারে।
নারীরা তো পুরুষদের মা, বোন, স্ত্রী কিংবা কন্যা। তাদের উপযুক্ত দেখভাল না করে রুজি-রোজগারের কঠিন ময়দানে ঠেলে দেওয়া কোনো সভ্যতার পরিচয় হতে পারে না।
তাছাড়া, পেশাগত দিক থেকেও ভারী যানবাহন চালনায় শারীরিক সক্ষমতা ও পারিপার্শ্বিক ঝুঁকি বিবেচনা করা জরুরি। সার্বিক বিচারে এই কঠিন পেশায় নারীদের অন্তর্ভুক্তি কতটুকু ফলপ্রসূ হবে—তা সত্যিই প্রশ্নবিদ্ধ।
তবে শেষ কথা- একজন নারী ড্রাইভারের বাসে উঠা মোটেও নিরাপদ নয়। এই বাস গন্তব্যে না পৌঁছে সোজা ডোবায় গিয়ে পড়বে। আল্লাহ হেফাজত করো!!!