06/12/2025
শহরের মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে আধা–পাকা এক বিশাল বিল্ডিং।
নাম তার সিটি বিল্ড টাওয়ার—
মানুষের ভাষায়, “ভূতের বাড়ি।”
বিল্ডিংটির নির্মাণকাজ থেমে যায় প্রায় দশ বছর আগে।
কারণ?
কেউ ঠিক জানে না।
শুধু জানা যায়—এক রাতে হঠাৎ করে
শ্রমিকরা চিৎকার করতে করতে দৌড়ে বেরিয়ে আসে।
কেউ আবার বলে,
সেদিন নাকি কেউ একজন
১৩তম ফ্লোর থেকে পড়ে গিয়ে মারা যায়…
কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়—
বিল্ডিংটিতে ১৩তম ফ্লোরই নেই।
এরপর থেকে রাতে কাছ দিয়ে গেলে
বাতাস না থাকলেও
জানালাগুলো একসাথে ঠাস করে বন্ধ হয়ে যায়,
ফাঁকা সিঁড়িতে জুতোর শব্দ শোনা যায়,
আর কে যেন অন্ধকারে ফিসফিস করে বলে—
“এখনও কাজটা শেষ হয়নি…”
একদিন তিনজন বন্ধু
ভূতের সত্যতা যাচাই করতে
ক্যামেরা নিয়ে ঢুকেছিল।
বিল্ডিংয়ের ভেতরে ঢুকতেই
এক অদ্ভুত ঠান্ডা হাওয়া তাদের ঘিরে ধরে।
হঠাৎ ওপর থেকে কারও হেঁটে নেমে আসার আওয়াজ—
টক… টক… টক…
কিন্তু সিঁড়িতে কেউ নেই।
একসময় তারা ১২তম ফ্লোরে পৌঁছায়।
দরজাটা আধখোলা।
ভেতরে ঢুকতেই দেয়ালে ধুলো জমে লেখা—
“১৩ তম ফ্লোরে আসো…”
শেষ ভিডিওটায় দেখা যায়,
তারা ভয়ে দরজা খুলে পালাতে যাচ্ছিল—
ঠিক তখনই পেছনে এক কালো ছায়া তাদের দিকে ঝুঁকে বলে—
“আমি তো এতদিন তোমাদের অপেক্ষায়…”
এরপর থেকে ওই তিনজনের কেউই আর আগের মতো নেই।
কেউ কথা বলে না,
কেউ রাতে ঘুমাতে পারে না,
আর বিল্ডিংটির পাশ দিয়ে গেলে—
মনে হয় যেন ওপরতলা থেকে
হাসির আওয়াজ ভেসে আসে…