BALO Ekta page

BALO Ekta page Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from BALO Ekta page, Business service, tangail, Dhaka.

01/03/2017

বর-কনের ব্লাড গ্রুপ জেনে নেয়া জরুরী:
অনেককেই দেখা যায় ব্লাড গ্রুপ নিয়ে চিন্তিত হতে। বেশির ভাগ মানুষের ধারণা, বর ও কনের ব্লাড গ্রুপ মিলে গেলে বিভিন্ন রকম সমস্যা হতে পারে। ধারণাটি একদম ভুল। ব্লাড গ্রুপ মিলে গেলে কোনো সমস্যা নেই। তবে বিয়ের আগে বর ও কনের ব্লাড গ্রুপ পরীক্ষা করা অত্যন্ত জরুরী একটি বিষয়। কেন এটা এত জরুরী? আসুন, জেনে ও বুঝে নেই সেই বিষয়টি।
জেনে নেয়া যাক এই বিষয়ে জরুরী কিছু তথ্য:
স্বামী-স্ত্রীর ব্লাড গ্রুপ কেমন হওয়া উচিত সে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করার আগে প্রথমে আমাদের ব্লাড গ্রুপ সম্পর্কে কিছু কথা জানা দরকার। প্রধানত ব্লাড গ্রুপকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। একটা হল ABO system (A, B, AB & O), আরেকটা হল Rh factor {Rh positive(+ve) & Rh negative(-ve)}. অর্থ্যাৎ Rh factor ঠিক করবে ব্লাড গ্রুপ পজেটিভ হবে না নেগেটিভ হবে।
ব্লাড গ্রুপগুলো হল:
A+ve, A-ve, B+ve, B-ve, AB+ve, AB-ve O+ve, O-ve. জেনে নেয়া যাক, যদি অন্য গ্রুপের ব্লাড কারো শরীরে দেয়া হয় তাহলে কী হবে?
কেন টেস্ট করাবেন?
যখন কোনো Rh নেগেটিভ গ্রুপের ব্যক্তিকে Rh পজেটিভ গ্রুপের ব্লাড দেয়া হয় তখন প্রথমবারে সাধারণত কোন সমস্যা হবে না। কিন্তু এর বিরুদ্ধে রোগীর শরীরে এন্টিবডি তৈরী হবে। ফলে রোগী যদি আবার কখনও পজেটিভ ব্লাড শরীরের নেয় তাহলে তার ব্লাড cell গুলো ভেঙে যাবে, এবং মারাত্মক সমস্যা দেখা দেবে। যেমন জ্বর, কিডনি ফেইলিউর, হঠাৎ মৃত্যু ইত্যাদি। এই সমস্যাকে মেডিকেল টার্ম এ বলা হয় ABO incompatibility।
তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে স্বামী-স্ত্রীর ব্লাড গ্রুপ কী রকম হওয়া দরকার?
যদি স্বামীর ব্লাড গ্রুপ নেগেটিভ হয় তাহলে স্ত্রীর ব্লাড গ্রুপ পজেটিভ বা নেগেটিভ যে কোনো একটি হলেই হবে। কিন্তু স্বামীর ব্লাড গ্রুপ যদি পজেটিভ হয়, তাহলে স্ত্রীকেও পজেটিভ ব্লাড গ্রুপের একজন হতে হবে। কোনোভাবেই স্ত্রীর ব্লাড গ্রুপ নেগেটিভ হওয়া চলবে না। অর্থাৎ একজন নেগেটিভ ব্লাড গ্রুপের নারী কেবলই একজন নেগেটিভ ব্লাড গ্রুপের পুরুষকে বিয়ে করাই নিরাপদ।
যদি স্বামীর ব্লাড গ্রুপ পজেটিভ হয় আর স্ত্রীর ব্লাড গ্রুপ নেগেটিভ হয় তাহলে কী সমস্যা হবে?
রক্তের গ্রুপ মিলে গেলে কোন সমস্যা হয় না। তবে ভিন্ন ব্লাড গ্রুপে স্ত্রী যদি নেগেটিভ হয় আর স্বামী যদি পজিটিভ হয়, তাহলে সন্তান জন্মের সময়ে ‘লিথাল জিন’ বা ‘মারন জিন’ নামে একটি জিন তৈরি হয় যা পরবর্তীতে জাইগোট তৈরিতে বাঁধা দেয় বা জাইগোট মেরে ফেলে। সে ক্ষেত্রে মৃত বাচ্চার জন্ম হয়।
যদি স্বামীর ব্লাড গ্রুপ পজেটিভ হয় তাহলে সাধারণত বাচ্চার ব্লাড গ্রুপও পজেটিভ হবে। যখন কোনো নেগেটিভ ব্লাড গ্রুপের মা ধারন করবে পজেটিভ Fetus (ভ্রুন), তখন সাধারণত প্রথম বাচ্চার ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা হবে না। কিন্তু ডেলিভারির সময় পজেটিভ Fetus এর ব্লাড, placental barrier ভেদ করে এবং placental displacement এর সময় মায়ের শরীরে প্রবেশ করবে। মায়ের শরীরে ডেলিভারির সময় যে ব্লাড প্রবেশ করবে, তা ডেলিভারি হওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই মায়ের শরীরে Rh এন্টিবডি তৈরী করবে। এবং সমস্যা হবে দ্বিতীয় সন্তানের ক্ষেত্রে।
যখন মা দ্বিতীয় সন্তান বহন করবে, তখন যদি তার fetus এর ব্লাড গ্রুপ পুনরায় পজেটিভ হয় তাহলে মায়ের শরীরে আগে যেই Rh এন্টিবডি তৈরী হয়েছিলো সেটা placental barrier ভেদ করে বাচ্চার শরীরে প্রবেশ করবে। আর যখন fetus এর শরীরে Rh antibody ঢুকবে তখন fetal এর RBC এর সাথে agglutination হবে, যার ফলে RBC ভেঙে যাবে। একে মেডিকেল টার্ম এ “Rh incompatibility” বলে। অর্থাৎ শিশুটি মারা যাবে।
অর্থাৎ পজিটিভ ব্লাড গ্রুপের পুরুষ নেগেটিভ গ্রুপের মহিলাকে বিয়ে করলে তাদের একটিই সন্তান থাকার সম্ভাবনা বেশি। কোন কারণে প্রথম সন্তানটি জন্ম না নিলে পরবর্তীতে তারা নিঃসন্তান থেকে যাবার সম্ভাবনাও অত্যন্ত বেশি।
তবে আধুনিক চিকিৎসা ব্যাবস্থায় নেগেটিভ মায়ের প্রথম সন্তান পজেটিভ গ্রুপের হলে "Anti-Immunoglo
bulin" ইনজেকশন দেয়া হলে পরবর্তী সন্তান মৃত্যুর ঝুঁকি থেকে মুক্ত থাকে।
[তথ্যসূত্র : ওয়েব ]

03/11/2016

____________________________
★★★★★★★★★★★★★★★★★
আজ আপনাদের জানাবো মানবদেহে
সর্ব প্রথম কবে রক্ত পরিসঞ্চালন করা
হয়েছিল এবং বাংলাদেশে কে সর্ব
প্রথম সেচ্ছায় রক্তদান করেছিলেন
সেসব ইতিহাস সহ আরো অনেক কিছু।
মানবদেহে প্রথম রক্তদানের সফল
প্রয়োগ ঘটানো হয়েছিল ভেড়ার রক্ত
দিয়ে। আর তা করেছিলেন ফরাসি
বিজ্ঞানী ডাঃ জ্যঁ ব্যাপ্তিস্তে
ডেনিস। ১৬৬৭সালে তিনি এক আহত
কিশোরের দেহে ১২ আউন্স ভেড়ার
রক্ত দিয়ে রক্তদানের সফল সূচনা ঘটান।
এ সালেই ফ্রান্সে মানবদেহে
প্রাণীর রক্ত প্রয়োগের উপর
নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।
পরে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী
অস্ট্রিয়ান জীববিজ্ঞানী ও
চিকিৎসক কার্ল ল্যান্ডস্টেনার
রক্তের গ্রুপ আবিষ্কার করার পর ১৯০২
সালে রক্তদান নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য
বলে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। অবশ্য রক্ত
নিয়ে বিজ্ঞানিদের চিন্তাভাবনা
শুরু আরো অনেক আগে। ১৬১৬ সালে
ইংরেজ চিকিৎসক ডা. উইলিয়াম
হার্ভের গবেষণার মাধ্যমে মানুষ প্রথম
জানতে পারে যে,
মানবদেহের অভ্যন্তরে রক্ত প্রবাহিত
হয়। ১৬৫৭ সালে উইলিয়াম হার্ভে
আবিষ্কৃত যন্ত্র ব্যবহার করে জন্তুর দেহে
ইনজেকশনের মাধ্যমে তরল পদার্থ
প্রবেশ করান স্যার ক্রিস্টোফার রেন।
১৬৬৬ সালে ডা. রিচার্ড লোয়ার
সফলভাবে প্রথমবারের মতো একটি
কুকুরের দেহ থেকে
আরেকটি কুকুরের দেহে রক্ত
সঞ্চালনের পরীক্ষা চালান। অবশ্য এর
পরে পশুর দেহ থেকে
মানবদেহে রক্ত পরিসঞ্চালন করতে
গিয়ে চিকিৎসকদের হাতে প্রাণ
হারান অনেক মানুষ।
১৬৭৮ সালে রক্ত পরিসঞ্চালনের
ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা দেন পোপ।
১৮১৮ সালে ডা. জেমস ব্লান্ডেল
নামে একজন ইংরেজ
ধাত্রীবিদ্যাবিশারদ রক্ত
পরিসঞ্চালনের জন্যে একটি যন্ত্র
আবিষ্কার করেন যা দিয়ে সফলভাবে
একজন সুস্থ মানুষের দেহ থেকে
আরেকজন মৃত্যুপথযাত্রী মানুষের দেহে
রক্ত পরিসঞ্চালন করে তাকে
বাঁচিয়ে তোলা হয়। তিনিই প্রথম
বলেন যে, একজন মানুষের শরীরে কেবল
আরেকজন মানুষের রক্তই দেয়া যাবে।
১৯০১ সালে ডা. কার্ল ল্যান্ডস্টেনার
দেখান, মানুষের রক্তের প্রধানত ৪ টি
গ্রুপ রয়েছে,
অ, ই, অই এবং ঙ. প্রথমবারের মতো মানুষ
বুঝলো যে, এতো ধরে তাদের ভুলটা
ঠিক কোথায় হচ্ছিলো। এরপর ১৯০২
সালে রক্তদান নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য
বলে স্বীকৃতি দেওয়া হয়
১৯১৪-১৯১৮ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের এ
সময়টায় যুদ্ধাহত হাজার হাজার
মানুষকে বাঁচাতে অনেক রক্তের
প্রয়োজন হয়েছিলো। আর তখনই মানুষ
আবিষ্কার করলো দুটো বিষয়।
এক.
রক্তদাতার শরীর থেকে বের করে
নেওয়ার পর ঐ রক্তকে জমাট বাঁধার
হাত থেকে রক্ষা
করা যায় যদি তাতে সোডিয়াম
সাইট্রেট মেশানো হয়।
দুই.
অন্য আরও অনেক জিনিসের মতো
রক্তকেও ফ্রিজে রেখে সংরক্ষণ করা
যায়। ১৯১৬ সালে প্রথমবারের মতো
সফলভাবে সংরক্ষিত রক্তকে
আরেকজনের দেহে প্রবেশ করানো হয়।
এই ধারণা থেকেই ফ্রান্সে বিশ্বের
প্রথম ব্লাড ব্যাংকের সূচনা করেন
একজন আমেরিকান সেনা কর্মকর্তা ও
মেডিকেল গবেষক অসওয়াল্ড হোপ
রবার্টসন।
১৯২১ সালে লন্ডনের কিংস কলেজ
হাসপাতালে বৃটিশ রেডক্রসের
সদস্যরা সবাই একযোগে রক্ত দেন। সূচিত
হয় বিশ্বের প্রথম স্বেচ্ছা রক্তদানের
দৃষ্টান্ত। ১৯২৫ সালে রক্ত পরিসঞ্চালন
নিয়ে গবেষণার জন্যে মস্কোতে ড.
আলেক্সান্ডার বগদানভের নেতৃত্বে
একটি ইনস্টিটিউশন প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৩৭
সালে আমেরিকার শিকাগোর কুক
কাউন্টি হাসপাতালে বিশ্বের প্রথম
ব্লাড ব্যাংক স্থাপিত হয়।
বাংলাদেশে স্বেচ্ছা রক্তদানের
ইতিহাস শুরু হয় ১৯৭২ সালে। দেশের
প্রবীণ রক্তসঞ্চালনবিদ প্রফেসর ডা.
মুজিবুর রহমানের তত্ত্বাবধানে ১৯৭২
সালের ১০ জুন জাতীয় অধ্যাপক ডা. নুরুল
ইসলাম নিজ রক্তদানের মাধ্যমে
বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে
স্বেচ্ছা রক্তদান কার্যক্রমের সূচনা
করেন। ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ
রেডক্রস (পরবর্তীতে ১৯৮১ সালে
বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট
সোসাইটি) শুরু করে তার ব্লাড ব্যাংক
কার্যক্রম।

21/10/2016

# বাংলার_পুরোনো_নাম
-
★ ঢাকা → জাহাঙ্গীরনগর
★ চট্টগ্রাম → ইসলামাবাদ
★ খুলনা → জাহানাবাদ
★ সিলেট → জালালাবাদ
★ যশোর → খিলাফাতাবাদ
★ বাগেরহাট → খলিফাবাদ
★ ময়মনসিংহ → নাসিরাবাদ
★ ফরিদপুর → ফাতেহাবাদ
★ বরিশাল → ইসমাইলপুর/চন্দ্রদ্বীপ
★ কুমিল্লা → ত্রিপুরা
★ কুষ্টিয়া → নদীয়া
★ ফেনী → শমসের নগর
★ জামালপুর → সিংহজানী
★ দিনাজপুর→ গন্ডোয়ানাল্যান্ড
★ ভোলা → শাহবাজপুর
★ মুন্সিগঞ্জ → বিক্রমপুর
★ গাইবান্ধা → ভবানীগঞ্জ
★ রাজবাড়ী → গোয়ালান্দ
★ মহাস্থানগড় → পুন্ড্রবর্ধন
★ ময়নামতি → রোহিতগিরি
★ সোনারগাঁও → সুবর্ণগ্রাম
★ পদ্মা → কীর্তিনাশা
★ যমুনা → জোনাইনদী
★ ব্রহ্মপুত্র → লৌহিত্য
★ বুড়িগঙ্গা → দোলাইনদী/ খাল
★ ময়নামতি → রোহিতগিরি
★ লালবাগ দূর্গ → তেহাবাগ দূর্গ
★ নোয়াখালী → সুধারামপুর
★ সিলেট → শ্রীহট্ট /জালালাবাদ
★ মুজিবনগর → বৈদ্যনাথতলা
★ আসাদ গেট → আইয়ুব গেট
★ সাতক্ষীরা → সাতঘরিয়া
★ শেরে বাংলা নগর → আইয়ুব'নগর
★ রাঙামাটি → হরিকেল
★ সেন্ট মার্টিন
→নারিকেলজিঞ্জির

★ নিঝুম দ্বীপ → বাউলার চর
★ কক্সবাজার → ফালকিং
বি.দ্র: অবসরে পোষ্টটি পড়ার জন্য
শেয়ার করে আপনার টাইমলাইনে
রাখুন।

18/08/2016

আজ যারা এইচএসসি ও সমমান
পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করেছ,
তাদেরকে অভিনন্দন জানাই আর
যারা খারাপ
করেছ মন খারাপ করবেনা
ইনশাআল্লাহ আগামীবার
ভাল রেজাল্ট করবে আশা করি।

07/08/2016

প্রতি মানুষের জীবনে কষ্ট আছে, শুধু
তা প্রকাশ করার পদ্ধতি ভিন্ন,
নির্বোধরা প্রকাশ করে চোখের
পানি
দিয়ে, আর বুদ্ধিমানরা প্রকাশ করে
মৃদু
হাঁসি দিয়ে।
—হুমায়ূন আহমেদ

28/07/2016

Advice । উপদেশ
একটি মিথ্যা প্রতিশ্রুতির দেওয়ার
চেয়ে একটি সত্য রিএ্যাকশন অনেক
বেশি ভালো

14/03/2016

Plz,Ai important post ta kindly poren...plz
plz plz...all BTEB medical technologist...
State medical faculty ra amader sate tokkor
dea partece na..karon tader course
curriculum ministry of education er law
maintain kore na..tai Bangladesh
paramedical education board num dea
medical board kholtece..ar main target holo
BTEB r medical technology course bondo
kore dawa...ata ministry of health er notun 1
sorojonto/cokranto.....amra er ninda
janai....bangladesh e notun kono medical
board er dorkar nie.....medical technology
course BTEB r odhine thakok....r amra
ministry of health er ei sorojonto bondo
kori.....na hole agami 2year er modde BTEB
medical technology course bondo hoye
jabe.....

07/09/2015

-
Ⓓ ২২/১১/২০১৫ - রবিবার - ইংরেজী।
Ⓓ ২৩/১১/২০১৫ - সোমবার - বাংলা ।
Ⓓ ২৪/১১/২০১৫ - মঙ্গলবার -
বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়।
Ⓓ ২৫/১১/২০১৫ - বুধবার - প্রাথমিক
বিজ্ঞান।
Ⓓ ২৬/১১/২০১৫ - বৃহস্পতিবার - ধর্ম ও
নৈতিক শিক্ষা।
Ⓓ ২৯/১১/২০১৫ - রবিবার - গণিত।
-
Note: পরীক্ষার সময় বেলা ১১ থেকে
১.৩০ মিনিট পর্যন্ত।
-
সর্বশেষ আপডেট পেতে AponPost এর
সাথেই থাকুন !!!

12/08/2015

2. পিজি হাসপাতাল : ৯৬৬১০৫১-৫৬
3. বারডেম হাসপাতাল : ৯৬৬১৫৫১,
৮৬১৬৬৪১-৫০
4. আল-মানার হাসপাতাল : ৯১২১৩৮৭,
৯১২১৫৮৮
5. ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল :
৯৩৩৬৪২১-৩, ৯৩৩৬৬৫৭
6. ইসলামীয়া চক্ষু হাসপাতাল : ৮১১২১৫৬
7. স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ
হাসপাতাল : ৭৩১০০৬১-৪
8. সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল :
৯৮৭১৪৯৬, ৮১১০৩৪৫
9. সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল :
৯০৩০৮০০-১৯
10. শিশু হাসপাতাল : ৮১১৬০৬১-২, ৯১১৯১১৯
11. ইসলামী ব্যাংক সেন্ট্রাল
হাসপাতাল : ৯৩৩৮৮১০, ৮৩১৬১৬৬
12. মনোয়ারা হাসপাতাল : ৮৩১৮১৩৫,
৮৩১৯৮০২
13. হলি ফ্যামিলি : ৯৮০১৮৭৮
14. ক্যান্সার গবেষণা ইনষ্টিটিউটও
হাসপাতাল : ৮৮২৬৫৬১-৫
15. ইবনে সিনা হাসপাতাল : ৮১১৩৭০৯,
৮১১৯৫১৩-৫
16. ইবনে সিনা ইমেজিং সেন্টার :
৮৬১৮০০৭, ৮৬১৮২৬২, ৯৬৬৬৪৯৭
17. শমরিতা হাসপাতাল লিঃ : ৮৬১১৩০৭,
৯১৩১৯০১-৩
18. ষ্টোনক্রাস হসপিটাল : ৯৬৬৮৪৮২, ৯১৩৭৩২
19. ফুয়াদ আল খতিব হাসপাতাল : ৯০০৭১৮৮,
৮০১৩৬৩৮
20. হার্ট এন্ড চেষ্ট হাসপাতাল : ৯৮০১৮৭৪
21. ক্রিসেন্ট গ্যাস্ট্রোলিভার এন্ড
জেনারেল হসপিটাল : ৯১১৬৮৫১
22. ঢাকা ডেন্টাল কলেজ হাসপাতাল :
৮০১৭১৪৫, ৮০১৭১৪৭
23. কিডনি হাসপাতাল : ৮১২২০১৯
24. মার্কস এন্ড (নাক-কান-গলা) : ৯৮৭২২৪১
25. মিরপুর জেনারেল হাসপাতাল :
৮০১৫৪৪৪
26. দি বারাকা জেনারেল হাসপাতাল :
৮৩১৭৭৬৫, ৯৩৪৬২৬৫
27. দি বারাকা কিডনী হাসপাতাল :
৯৩৫১১৬৪
28. আদ দ্বীন হাসপাতাল : ৯৩৫১১৬৪
29. আল রাজী হাসপাতাল : ৮১১৯২২৯,
৯১১৭৭৭৫
30. পপুলার মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল :
০২-৯৬৬৩৩০১

Address

Tangail
Dhaka
54148

Telephone

1851678673

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when BALO Ekta page posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share