20/10/2017
★ (বগুড়াবাসীর পর প্রতারক সাগরের ফাঁদে এবার ঢাকার পর্যটন ব্যবসায়ীরা, প্রতারণা করা হচ্ছে বগুড়া ও বগুড়াবাসীর নামে) ★
বরাবর,
প্রেসিডেন্ট সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও সদস্যবৃন্দ।
ট্যুর অপারেটরস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব)।
বিষয়ঃ 'বগুড়া ট্যুরিস্ট ক্লাব' ও বহিষ্কৃত শহিদুল ইসলাম সাগর বিষয়ে অবহিতকরণ।
জনাব,
বিগত কিছুদিন যাবৎ আপনাদের ‘টোয়াব’ সংগঠনের কিছু নেতাকর্মী আমাদের 'বগুড়া ট্যুরিস্ট ক্লাব' এবং আমাদের সংগঠন থেকে গত ফেব্রুয়ারিতে আনুষ্ঠানিকভাবে বহিষ্কৃত শহিদুল ইসলাম সাগরের বিষয়ে জানার আগ্রহ প্রকাশ করলে আমরা মৌখিকভাবে তাদেরকে বারংবার বিস্তারিত জানাই। পরে আপনাদের নেতৃবৃন্দ লিখিতভাবে বিস্তারিত জানানোর অনুরোধ করলে- নানান ব্যস্ততার দরুন চিঠি লিখতে ও প্রেরণ করতে যে অনিচ্ছাকৃত কালক্ষেপণ হয়েছে সেজন্য আমরা আমাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ করছি।
প্রকৃতপক্ষে, আপনাদের ‘টোয়াব’ সংগঠন বিষয়ে আমাদের কোন মৌলিক ধারণা বা নূন্যতম কোন যোগাযোগ কখনো কারো সাথে ছিলো না বা থাকরাও কথাও নয়। যতদূর সামান্য ও স্বাভাবিক জ্ঞানে আমরা বুঝি, আপনাদের সংগঠন একটি উচ্চতর ব্যবসায়ী সংগঠন এবং ট্যুরিজম সংশ্লিষ্ট ব্যবসা-বাণিজ্যের সাথে সম্পর্কিত। অন্যদিকে আমাদের 'বগুড়া ট্যুরিস্ট ক্লাব' আপাদমস্তক একটি সামাজিক সংগঠন; যার প্রধান কার্যালয় গোহাইল রোড, সুত্রাপুর, বগুড়া।
বগুড়ার অন্তর্ভুক্ত ও আওতাধীন সকল বিভাগে ঐতিহাসিক, বিখ্যাত, বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ও উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলোকে দেশবিদেশে স্রেফ তুলে ধরা ও ব্রান্ডিং করার নিমিত্তে এবং পাশাপাশি বগুড়ায় নিয়মিত বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডের সাথে নিজেদের সম্পৃক্ত করার আকাঙ্খায় ২০১৬ সালের ১লা এপ্রিল 'বগুড়া ট্যুরিস্ট ক্লাব'-এর আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ ঘটে এবং এর কার্যক্রম ধারাবাহিক ও নিয়মতান্ত্রিক ভাবে এখনো চলছে। আমাদের সংগঠনের নির্বাহী কমিটি, উপদেষ্টা মন্ডলী, স্থায়ী সদস্যবৃন্দ, সাধারণ সদস্য সহ বন্ধু সদস্যদের তালিকা এবং নানান উপজেলা ও কলেজ কমিটির খবর গত দেড় বছরে স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় সহস্রাধিক বার প্রকাশিত হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, 'বগুড়া ট্যুরিস্ট ক্লাব' একটি বাস্তবধর্মী (ফেসবুক বা অনলাইন ভিত্তিক অদৃশ্য কোন সংগঠন নয়) ও অলাভজনক সংগঠন এবং এটি প্রোগ্রাম অনুযায়ী সংগঠনের সদস্যদের চাঁদার ভিত্তিতে পরিচালিত হয়; অপরদিকে সংগঠন কোন আদম ব্যবসা, ভিসার ব্যবসা, বিমানের টিকিট বিক্রয়, ভিসা প্রসেসিং, প্যাকেজ ট্যুর বিক্রয় সহ অন্যন্য ট্যুরিজম ভিত্তিক ব্যবসার সাথে সম্পৃক্ত নয়; এমনকি ‘বগুড়া ট্যুরিস্ট ক্লাব’ সদস্যদের বাহিরে কোন প্রকার অনুদানও গ্রহন করে না।
এমতাবস্থায় গত ৩ ফেবব্রুারি ২০১৭ ইং শহিদুল ইসলাম সাগরকে ‘বগুড়া ট্যুরিস্ট ক্লাব’র নির্বাহী পরিষদ আয়োজিত এক জরুরী সভায় সংগঠনের আড়ালে আদম ব্যবসা করা সহ নানান সংগঠন বিরোধী কর্মকান্ড এবং ব্যক্তিগত ও নারী ঘটিত চারিত্রিক অপকর্মের অপরাধে সর্বসম্মতিক্রমে সংগঠনের সভাপতি পদ থেকে বরখাস্থ এবং সংগঠনের প্রাথমিক সদস্য পদ থেকে বহিস্কার করা হয়। পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে একাধিক আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়; এরপর থেকে সে পলাতক থাকায় তাকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য সংগঠনের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। উক্ত নেক্কারজনক ঘটনার পর থেকে বহিষ্কৃত সাগর বহিস্কারের পূর্বে থেকে বর্তমান পর্যন্ত প্রায় ১ বছর যাবৎ বগুড়া থেকে পলাতক রয়েছে। এদিকে আমাদের সংগঠনের কার্যক্রম ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সহ বাকি অন্যান্য নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণে যথারীতি অব্যাহত রয়েছে। এখানে উল্লেখ্য যে, আমাদের সংগঠনের সকল পর্যায়ের প্রতিটি নেতাকর্মী ও সদস্য এক ও অভিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং আমাদের মাঝে কোন বিভেদ বা ভাঙ্গন নেই। আরো উল্লেখ থাকে যে, একটি সংগঠনের একই নামে পাল্টা কমিটি করতে গেলেও আইনত উক্ত কমিটির অন্তত ৪০ শতাংশ সদস্যদের প্রয়োজন পড়ে। তাই বগুড়ায় 'বগুড়া ট্যুরিস্ট ক্লাব'-এর নামে অদ্যাবধি পর্যন্ত কোন পাল্টা কমিটি অথবা বস্তুত পাল্টা কোন কার্যক্রম গড়ে ওঠেনি।
#শহিদুল_ইসলাম_সাগরঃ ২০১৬ সালের জানুয়ারী মাসের দিকে বগুড়ায় সাগরের আগমণ ঘটে। বগুড়া ধুনট উপজেলার একটি গ্রামে জন্মগ্রহণকারী এবং ঢাকার বড় ট্যুরিজম ব্যবসায়ী হিসেবে সে আমাদের কাছে নিজেকে তুলে ধরে। সে বলে, ঢাকায় তার ৩টি (মগবাজার, সার্কুলার রোড ও বনানী) মাল্টি ন্যাশনাল ব্যবসায়ীক অফিস রয়েছে এবং ঢাকা বনানীতে তার বাসা এবং সেখানেই সে ছোট থেকে বড় হয়েছে। সম্প্রতি ব্যবসায় ৬৫ লক্ষ টাকা লোকসান খাওয়ার দরুন এবং হাতে ৪ মাস অবসর সময় থাকার কারণে সে তার জন্মস্থান বগুড়ায় এসেছে মানুষিক প্রশান্তি ও বগুড়ার মানুষের সাথে পরিচিত হতে। ২০১৬ ফেব্রুয়ারী মাসে সাগর বগুড়ায় ‘ফেসবুক ফোরাম’ নামের একটি সংগঠনের সাথে জড়িয়ে পড়ে এবং মাত্র ১৫ দিনের মাথায় একটি পিকনিক আয়োজনকে কেন্দ্র করে আয়োজিত পিকনিকের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে বহিস্কৃত হয়। এরপর সে আমাদের সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা ও সমন্বয়ক তারেক হাসান শেখ পাপ্পুর সাথে পরিচিত হয় এবং তার আশ্রয় ও প্রশ্রয়ে এবং অর্থনৈতিক ভরণপোষণ ও সহযোহিতায় বগুড়ায় একে একে অন্য সবার সাথে পরিচিত হতে থাকে। পরে ২০১৬, পহেলা এপ্রিলে আমাদের সবার অংশগ্রহণে ‘বগুড়া ট্যুরিস্ট ক্লাব’ গঠিত হয়। এমতাবস্থায় দেখতে হিরোইন সেবী, কথায় বিশ্ব বাটপার এবং আচারণে বস্তি থেকে ওঠে আসা কোন নিচুমানের ব্যক্তি মনে হলেও; সংগঠনের সমন্বয়কের একক কর্তৃত্ব, চাপ ও অনুরোধে আমাদের অমত থাকলেও আমরা সবাই সাগর নামের অপরিচিত ছেলেটিকে আমাদের সংগঠনের সভাপতি হিসেবে মেনে নেই; কিন্তু মাত্র তিন মাসের মধ্যেই সাগরের প্রতারণার ফাঁদ ফাঁস হয়ে যায়। আমাদের সংগঠনের নামে ও সদস্যদের পরিচয়ে সাগর আদম ব্যবসা ও ট্যুর প্যাকেজ বিক্রয় শুরু করে এবং বগুড়া থেকে প্রায় ৩ লক্ষাধিক টাকা আত্মসাৎ করে নেয়। খোঁজ নিয়ে জানাযায়, সাগরের প্রতারণার জাল প্রাথমিক অবস্থায় ধরা না পড়লে কিম্বা সংগঠনে যথাসময়ে পীড়িতদের লিখিত অভিযোগ দাখিল না হলে; বগুড়া থেকে সে অন্তত কয়েক কোটি টাকা আত্মসাৎ করে পালিয়ে যেত। তৎকালীন তাকে ফোনে এ বিষয়গুলো নিয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে সে এটিকে ব্যক্তিগত ব্যাপার বলে এড়িয়ে যায় এবং এ সংক্রান্ত কোন সুরহা বা সমাধান করতে অস্বীকৃতী জানায়। এদিকে গত ২৭ জানুয়ারীর পর সাগর বগুড়া থেকে পালিয়ে যায় এবং আমরা তাকে বাধ্য হয়ে ৩ ফেব্রুয়ারী বহিস্কার করি। আনুষ্ঠানিকভাবে বহিস্কৃত হওয়ার প্রায় ৭ মাস পর গত সেপ্টেম্বরে আমরা জানতে পারি সাগর ফেসবুকের মাধ্যমে ইজহারুল হক জিহাদ নামের কোন এক ব্যক্তিকে প্রথমে ‘বগুড়া ট্যুরিস্ট ক্লাব’-এর বগুড়া সমন্বয়ক ও পরে সাধারণ সম্পাদক দাবী করে ফেসবুকে প্রচারণা চালাচ্ছে। পরে ২৭ সেপ্টম্বর বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে আমরা যখন বগুড়া জেলা প্রশাসন কর্তৃক আয়োজিত র্যালীতে ব্যস্ত ছিলাম ঠিক তখন আমাদের ‘বগুড়া ট্যুরিস্ট ক্লাব’-এর শাজাহানপুর উপজেলা কমিটির নাম ভাঙ্গিয়ে বগুড়া পর্যটন মোটেলের ব্যবস্থাপককে নিয়ে উক্ত ইজহারুল ইসলাম জিহাদ ফটোসেশন করে এবং প্রতারণামূলক ভাবে একটি প্রেস রিলিজ পাঠায় যা বগুড়ার ২টি পত্রিকা না বুঝে আমাদের সংগঠনের প্রেস রিলিজ মনে করে ছেপে দেয়। পরে আমরা উক্ত খবরের যথারিতি প্রতিবাদ পাঠাই। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠিত একটি সংগঠনের নাম ও ভুয়া পদবী ব্যবহার করে প্রতারণা করার অপরাধে মামলা করার জন্য অফিসিয়াল দাললিক প্রমাণ সংগ্রহ করার কাজে নেমে পড়ি। উল্লেখ্য সংগঠনের সাধারন সম্পাদক পরিচয়দানকারী উক্ত ব্যক্তি সহ গত ২৭ সেপ্টম্বর পর্যটন মোটেলের বাহিরে ফটোসেশনে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিবর্গ আমাদের সংগঠনের সাথে কোন কালেই কোন পর্যায়ে সম্পৃক্ত ছিল না। আর বাংলাদেশের সাংগঠনিক আইনে একটি সংগঠনের সদস্যদের বাহিরের কেও একই নামে আরেকটি সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে না।
যাইহোক, এদিকে আপনাদের ‘টোয়াব’ সংগঠনের মারফত আমরা জানতে পারি যে, উক্ত প্রতারক সাগর এখন ঢাকায় বসে বগুড়া ও বগুড়াবাসীর নামে প্রতারণা শুরু করেছে। তাই এখানে উল্লেখ করার আবশ্যকতা রয়েছে যে, ২০১৬ সালের জানুয়ারী মাসের পূর্বে সাগর নামের কোন ব্যক্তিকে বগুড়াবাসীর কেও চিনতো না। আমাদের মাধ্যমে এবং ‘বগুড়া ট্যুরিস্ট ক্লাব’ থেকে বহিস্কৃত হওয়ার দরুন সে বগুড়ায় একটু-আধটুকু নেতিবাচক পরিচয় পেয়েছে। বগুড়া শহরে সাগরের কোন বসতবাড়ী নেই, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নেই বা কখনো ছিলও না; এমনকি বগুড়া জেলার কোন স্কুল কলেজে সে পড়াশুনাও করেনি। বগুড়ায় ৬/৭ মাস থাকাকালীন সময়ে সে হতদরিদ্র অবস্থায় একটি ছাত্রাবাসে থাকতো।
এদিকে বগুড়ার ঐতিহাসিক নবাব বাড়ী বিক্রয় বিরোধী আন্দোলন শহিদুল ইসলাম সাগরের নেতৃত্বে হয়েছিল এমন গাঁজাখোরী গালগল্প শুনলে এ আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী বগুড়ার প্রথিতযশা শাতাধিক সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ সহ তাদের সৃষ্ঠ সুনামধন্য প্রায় অর্ধ শাতাধিক সংগঠনের সহস্রাধিক সদস্য হাসতে হাসতে হাসপাতালের জরুরী বিভাগে ভর্তি হতে বাধ্য হবেন। আমরা আপনাদের স্পষ্ট ও পরিষ্কার ভাষায় জানিয়ে দিতে চাই, ঐতিহাসিক নবাব বাড়ী বিক্রয় বিরোধী আন্দোলনে ‘বগুড়া ট্যুরিস্ট ক্লাব’-এর প্রধান উপদেষ্টা ও সমন্বয়ক তারেক হাসান শেখ পাপ্পুর নেতৃত্বে অন্যান্য সদস্যরা একাত্মতা ঘোষণা করে অংশগ্রহণ করেছিল মাত্র। নেতৃত্ব দেওয়া তো দুরে থাক, এ আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের নামের যথাক্রমিক তালিকা প্রনয়ণ করতে গেলে আমাদের সংগঠনের সমন্বয়কের নাম মাইক্রোস্কোপ দিয়ে খুঁজতে হবে; সেখানে সাগর কে বা তার নেতৃত্বে এ আন্দোলন সংঘঠিত হয়েছিল এমন কথা কতটা অযৌক্তিক ও গাজাখোরী তা আপনারাই বুঝে নিন।
এছাড়াও বগুড়ায় বন্যার্তদের ত্রাণ বিতরণ, ট্যুরিস্ট পুলিশ, পূর্নাঙ্গ বিমান বন্দর চালু করার দাবী ও আন্দোলন বিষয়েও সাগরের গালগল্প ও কল্পকাহনী ‘ঐতিহাসিক নবাব বাড়ী বিক্রয় বিরোধী আন্দোলন’-এর গল্পের মতোই অসার ও অযৌক্তিক বলে আমরা মনে করি।
অতএব, পরিশেষে নিবেদন এই যে- উক্ত আন্তর্জাতিক মানের প্রতারক শহিদুল ইসলাম সাগরের বিরুদ্ধে অধিকতর তদন্তের প্রয়োজন দেখা দিলে আপনাদের সংগঠনের ৩ বা ৫ সদস্য নিয়ে গঠিত একটি নিরপেক্ষ কমিটিকে বগুড়ায় মাঠ পর্যয়ে তদন্ত করে সত্য উদঘাটন করে দেখার জন্য আমন্ত্রণ জানাচ্ছি; পাশাপাশি আমাদের উপরোক্ত তথ্যগুলো যাচাই-বাছাই করে; সংযোযিত প্রমাণাদি, পেপারক্লিপ ও কাটিং সহ অন্যান্য সমস্ত বিষয়াদি তদন্ত ও বিবেচনাপূর্বক উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে উপযুক্ত ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করার অনুরোধ জানাচ্ছি।
শুভেচ্ছান্তে,
তারেক হাসান শেখ পাপ্পু,
প্রধান উপদেষ্টা ও সমন্বয়ক
০১৭১১-৪৭৮৯৬৭, ০১৯১৫-৭৯২৬২৬
সামিউল আলম জুমা,
ভারপ্রাপ্ত সভাপতি।
০১৭১২-৬৪৩৯৫০
আইয়ুব আলী,
সাধারণ সম্পাদক।
০১৭২৮-৪০৬০৮০
এবং
রাফেল শাহাজালাল,
সাংগঠনিক সম্পাদক।
০১৭১৭-৮৫১৪৫১
'বগুড়া ট্যুরিস্ট ক্লাব'
★ (Some facebook Links about Sagor)
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=134832397037279&id=100015315584087
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=130600374127148&id=100015315584087
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=127581084429077&id=100015315584087
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=152068321980353&id=100015315584087
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=262477294272788&id=100015315584087