STUDY

STUDY Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from STUDY, Dhaka.

06/09/2024
03/08/2019

#চলমান_ব্যাংক ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ৩২ চাকরির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি।
১) বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনস্থ অধিদপ্তর ।
পদ সমূহঃ বিভিন্ন পদ।
আবেদন শেষঃ ২৬/০৮/২০১৯
আবেদন লিংকঃ
https://nsi.teletalk.com.bd
২) বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন
পদঃ বিভিন্ন পদ
আবেদন শেষঃ ০৫/০৯/২০১৯
আবেদন লিংকঃ http://bpsc.teletalk.com.bd/ncad/
৩) বাংলাদেশ ডাক বিভাগ, জেনারেল ম্যানেজার এর কার্যালয়, ডাক জীবন বীমা, পশ্চিমাঞ্চল, রংপুর।
পদ সমূহঃ বিভিন্ন পদ
আবেদন শুরুঃ ০৫-০৮-২০১৯।
আবেদন শেষঃ ২৭-০৮-২০১৯ ।
আবেদনের লিংকঃ
http://pliwc.teletalk.com.bd
৪) বাংলাদেশ ন্যাশনাল সায়েন্টিফিক এন্ড টেকনিক্যাল ডকুমেন্টেশন সেন্টার।
পদঃ বিভিন্ন পদ
আবেদন শেষ তারিখঃ২২/০৮/২০১৯
আবেদন লিংকঃ
http://bansdoc.teletalk.com.bd
৫) জনতা ব্যাংক লিমিটেড।
পদের নাম: অ্যাসিস্ট্যান্ট এক্সিকিউটিভ অফিসার (ক্যাশ)
পদঃ ৫৩৬ টি। (২০১৬)
আবেদনের শেষ তারিখঃ০৪/০৮/২০১৯
আবেদন লিংকঃ
https://erecruitment.bb.org.bd/onlineapp/joblist.php
৬) বাংলাদেশ ব্যাংক
পদঃ সহকারী পরিচালক ( প্রকৌশল-তড়িৎ )
পদ সংখ্যাঃ ০৬ (কম/বেশি)
আবেদন শেষঃ ২১-০৮-২০১৯
আবেদন লিংকঃ https://erecruitment.bb.org.bd/onlineapp/joblist.php
৭) ইসলামি ব্যাংক বাংলাদেশ লিঃ
পদঃ বিভিন্ন পদ।
আবেদন শেষঃ ২০/০৮/২০১৯
আবেদন লিংকঃ
career.islamibankbd.com/career.php
৮) কর কমিশানের কার্যালয়
কর অঞ্চল , নারায়ণগঞ্জ।
পদসমূহঃ বিভিন্ন পদ।
আবেদনের শেষ তারিখঃ ২০/০৮/২০১৯।
আবেদন লিংকঃ
http://taxnar.teletalk.com.bd
৯) শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর ।
পদসমূহঃ বিভিন্ন পদ।
আবেদনের শেষ তারিখঃ ২৭/০৮/২০১৯।
আবেদন লিংকঃ
http://ciid.teletalk.com.bd
১০) বাংলাদেশ ক্যাডেট কলেজ।
পদ সমূহঃ প্রভাষক(বাংলা,ইংরেজি,অর্থনীতি,রসায়ন,পদার্থবিজ্ঞান,গণিত,পরিসংখ্যান)
আবেদনের শেষ তারিখঃ ০৮ আগস্ট ২০১৯।
১১) প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তার কার্যালয়, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
পদের নামঃবিভিন্ন পদ
আবেদনের শেষ তারিখঃ ২৮/০৮/২০১৯
আবেদন দরখাস্ত পূরণের মাধ্যমে করতে হবে।
১২) বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড।
পদসমূহঃ বিভিন্ন পদ।
আবেদনের শেষ তারিখঃ ১৫/০৯/২০১৯।
আবেদন লিংকঃ
http://bcgf.teletalk.com.bd
১৩) বাংলাদেশ ডাক বিভাগ,জেনারেল ম্যানেজার কার্যালয়,ডাক জীবন বীমা পূর্বাঞ্চল, ঢাকা।
পদসমূহঃ বিভিন্ন পদ।
আবেদনের শেষ তারিখঃ ১৪ /০৮/২০১৯।
আবেদন লিংকঃ
http://pliec.teletalk.com.bd
১৪) বস্ত্র অধিদপ্তর।
পদঃ বিভিন্ন পদ
আবেদন শেষ তারিখঃ ২২/০৮/২০১৯
আবেদন লিংকঃ
http://dotr.teletalk.com.bd
১৫) সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন কর্মসূচি (সিভিডিপি)
পদের নাম : সহকারী প্রকল্প পরিচালক
আবেদনের শেষ তারিখঃ ২২/০৮/২০১৯
আবেদনের লিংকঃ
http://cvdp3.teletalk.com.bd
১৬) বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ।
পদসমূহঃ বিভিন্ন পদ ।
আবেদন শেষঃ ২০-০৮-২০১৯
দরখাস্ত পূরণ মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।
১৭) বাংলাদেশ ইনসিওরেন্স একাডেমি ।
পদঃ বিভিন্ন পদ
আবেদন শেষ তারিখঃ ২১/০৮/২০১৯
আবেদন লিংকঃ
http://bia.teletalk.com.bd
১৮) আমার বাড়ি আমার খামার প্রকল্প
(একটি বাড়ি একটি খামার)
পদ সমূহঃ বিভিন্ন পদ
আবেদনের শেষ তারিখঃ ১১/০৮/২০১৯
আবেদনের লিংকঃ
http://www.ebek-reportreturn.info/Pages/ApplicationForm.aspx
১৯) পরমাণু শক্তি কমিশন।
পদের নামঃ বিভিন্ন পদ ।
আবেদন শেষঃ ০৭-০৮-২০১৯
আবেদনের লিংকঃ
http://baec.teletalk.com.bd/
২০) খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা।
পদঃ বিভিন্ন পদ।
আবেদনপত্র আগামী ০৮-০৮-২০১৯ খ্রিঃ অফিস চলাকালীন সময়।
২১) ঢাকা জেলা
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, ঢাকা
পদসমূহঃ বিভিন্ন পদ।
আবেদনের শেষ তারিখঃ ২০/০৮/২০১৯।
আবেদন দরখাস্ত পূরণের মাধ্যমে করতে হবে।
২২) কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানী বাংলাদেশ লিমিটেড (সিপিজিসিবিএল).
পদসমূহঃসহকারী ব্যবস্থাপক (এইচআরএম/এডমিন)
আবেদন শেষ তারিখঃ ০১/০৯/২০১৯।
আবেদন দরখাস্ত পূরণের মাধ্যমে করতে হবে।
২৩) বাংলাদেশ রেলওয়ে, সিআরবি, চট্টগ্রাম।
পদের নাম : ট্রেড এ্যাপ্রেন্টিস
আবেদনের শেষ তারিখ : ০৫/০৯/২০১৯
আবেদন দরখাস্ত পূরণের মাধ্যমে.
২৪) বাংলাদেশ রেলওয়ে।
পদের নামঃ বিভিন্ন পদ
আবেদনের শেষ তারিখঃ ০৫/০৯/২০১৯।আবেদন দরখাস্ত পূরণের মাধ্যমে।
২৫) বিএএফ শাহীন কলেজ, ঢাকা।
পদঃ বিভিন্ন পদ
আবেদন শেষঃ ২০ আগস্ট ২০১৯
২৬) মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর
পদ: ফিল্ড সুপারভাইজার ।
আবেদনের শেষসময়ঃ ০৬-০৮-২০১৯ ।
অনলাইন আবেদনঃ https://erecruitment.bcc.gov.bd
২৭) বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ
পদ সমূহঃ বিভিন্ন পদ
আবেদন শেষঃ ০৬-০৮-২০১৯
আবেদন লিংকঃ
http://12it.teletalk.com.bd
২৮) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।
পদ সমূহঃ বিভিন্ন পদ
আবেদন শেষঃ ২০-০৮-২০১৯
২৯) Brac Bank Limited
Post: Relationship Officer
Apply Deadline: 31/08/2019
৩০) পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়
পদসমূহঃ বিভিন্ন পদ।
আবেদনের শেষ তারিখঃ ০৪/০৯/২০১৯।
আবেদন লিংকঃ
http://mowr.teletalk.com.bd
৩১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ পদসমূহঃ বিভিন্ন পদ।
আবেদনের শেষ তারিখঃ ০৮/০৮/২০১৯।
আবেদন লিংকঃ
http://erecruitment.bcc.gov.bd
৩২) Bangladesh Institute of Maritime Research and Development(BIMRAD)
Post Name: Research Officer
Last Date: 20/08/2019
Notice:
http://www.bimrad.org/Home/Career

29/07/2019

ব্যাচেলর লাইফ

১. উপর দিয়ে যতই ফিটফাট থাকুন না কেন, প্রত্যেক ব্যাচেলরের বিছানার উপর দেখবেন, লুঙ্গি গোল করে পড়া আছে। লুঙ্গি চেন্জ করে প্যান্ট পড়ার পর, লুঙ্গি গুছিয়ে রাখার মত পর্যাপ্ত সময় ব্যাচেলরদের হাতে থাকে না! তাছাড়া, আরেকটা সুবিধা হচ্ছে, বাইরে থেকে এসেই আবার সেই "গোল করা" লুঙ্গির ভিতর ঢুকে পড়া যায়!..... ইটস সিম্পল!

২. ব্যাচেলর সাহেবদের শার্ট, টিশার্ট থাকবে ঝকঝকে। কিন্তু প্যান্ট! একমাস ধরে একই জিন্স প্যান্টের উপর অত্যাচার চলে। দুর্গন্ধ সৃষ্টি হলে, সেন্ট মারলে ঝামেলা শেষ। .... দারুণ!

৩. ধরুন, মেস বা হোস্টেলের একজনের ভাইভা আছে কিংবা "বালিকাবন্ সাথে ১ম সাক্ষাত করতে যাবেন! ব্যাস,
ধার করার হিড়িক পড়ে যাবে। নিজের ভালো ড্রেস থাকা সত্বেও অমুকের প্যান্ট, তমুকের শার্ট, আরেকজনের সু ধার করে নিয়ে যাবেনই।

৪. মেসে যদি বুয়া না আসে, সেদিন লঙ্কাকান্ড হয়। নিজেরাই তখন কুক। কেউ হয়ত পেঁয়াজ কাটতে গিয়ে চোখের
জলে বুক ভাসাবেন, আরেকজন আলু কাটতে গিয়ে নিজের আঙ্গুল কাটবেন, আরেকজন হয়ত গরম পাতিলে হাত পূড়বেন। অবশেষে যুদ্ধ জয়। স্বাদ যেমনই হোক, সবাই বলবে, উফফ দারুণ হইছে .....

৫. পত্রিকা নিয়ে কারো মাথাব্যাথ একজন পত্রিকা পড়া শুরু করলে সবার তখন আগ্রহ বেড়ে যায়। টানাটানি শুরু হয়।

৬. বাইরে থেকে কেউ মেসে/ হোস্টেলে আসলে খুবই অবাক হবেন। রাত বারোটার পর, কিসের যেন গুণগুণ
শব্দ! খেয়াল করলে দেখা যাবে, সবার কানে মোবাইল ফোন। যদি রুমমেটদের গুণগুণানির অভ্যাস না থাকে,
তবে রুমের "রোমান্টিক বেচারা"কে অনেক কষ্ট করতে হয়। প্রচন্ড শীতেও মোবাইল কানে নিয়ে ছাদে কিংবা বারান্দায় চলে যেতে হয়! আহ! কষ্ট!

৭. মেসে/ হোস্টেলে লাইট অফ করা নিয়ে কমন ঝামেলা বাধে, ঝগড়াও হয়। কেউ হয়ত তারাতারি ঘুমিয়ে যান। লাইট জালানো থাকলে তার ঘুম আসে না। রুমমেটের গভীর রাত পর্যন্ত জেগে থাকার অভ্যাস। কি আর করা!

৮. মহামতি ব্যাচেলররা টাকা ধার করতে অসাধারণ দক্ষ। "দোস্ত! খুব ইমার্জেন্ছী। ১০০ টাকা দে। আগামী কালকে দিয়ে দেব।" ধারকারী এবং ধারদাতা উভয়েই জানেন, এই আগামীকাল হয়ত ১৫ দিনেও আসবে না। তবুও ধার দিতে হয়।

৯. একজনের হয়ত বার্থডে। সবাই তাকে বাঁশ দেওয়ার চেষ্টা করবে। "দোস্ত! তোর বার্থডে পার্টির আশায়, সারা বছর ওয়েট করি। খাওয়া, খাওয়া।"

১০. যদি কেউ কোন বিপদে পড়ে, এক্সিডেন্টের শিকার হয় কিংবা কারো আত্মীয় স্বজন মারা যায়, সহপাঠিদের মাঝেও নেমে আসে শোকের ছায়া। হাসি কান্না আনন্দ বেদনা ঝগড়া খুনসুটি নিয়েই ব্যাচেলরদের মেস/ হোস্টেলজীবন।

একটা সময় এই জীবনের সমাপ্তি ঘটে। কিন্তু সুমধুর স্মৃতি গুলো কি ভোলা যায.... সত্যিই জীবনের এক মধুরতম সময় এই ব্যাচেলর লাইফ.
#হাফিজুল

29/07/2019

কোচিং না করে ও খারাপ জিপিএ নিয়েও বিসিএস পাওয়া সম্ভব!
অনুপ্রেরণার গল্প

2015 এর শুরুর দিকে চাকরির বাজারে ঢুকেছি। একাডেমিক পড়াশোনা আরও আগে শেষ হলেও আমার নিজের একটা কোচিং সেন্টার ছিল। এর পেছনে দিনরাত সময় দিয়ে চাকরির পড়াশোনা আর করতে মন চাইত না। তার উপর আমি চরম অলস প্রকৃতির। ক্যারিয়ার নিয়ে সিরিয়াসলি ভাবা শুরু করেছি যখন চাকরির বয়স দুই থেকে আড়াই বছর বাকি । ভেবেছিলাম দু’বছর চেষ্টা করলে একটা প্রথম শ্রেণীর চাকরি হয়ে যাবে। এর মধ্যেই এক ফ্রেন্ড এই গ্রুপটার কথা বলল। তখনো বিসিএস দেব সেটা মাথায় ছিল না। বিসিএসের আগামাথা কিছুই বুঝতাম না। নতুনদের সবাই বোধয় এই সময়টা পার করে।

বিজনেস ব্যাকগ্রাউন্ড এর ছাত্র হওয়ায় কেন যেন ব্যাংকের প্রতি চরম আগ্রহ কাজ করত। আর বিসিএস এর সিলেবাস দেখে বুঝলাম বিসিএস আমাকে দিয়ে হবে না। ব্যাংকের পড়াশোনাতেই বরং একটু ফাকি দেয়া যাবে। কারণ কোচিংয়ে ম্যাথ আর ইংরেজি বেশি পড়াতাম। যাইহোক ব্যাংকে পরীক্ষা দিয়েই বুঝলাম, আমি যতটা সহজ ভেবেছি, চাকরির বাজারটা তার চেয়ে ঢের বেশি প্রতিযোগিতামূলক। এখানে টিকে থাকতে হলে শুধু চাকরির পড়াশোনাতেই কনসানট্রেট করতে হবে। কিন্তু সে সুযোগ ছিল না কারণ তার কয়েক বছর আগেই বাবা রিটায়ার্ড করায় ফ্যামিলিকেও ফিন্যান্সিয়াল সাপোর্ট দেয়া খুব দরকার ছিল। আর বেকার কখনো থাকতে হয় নি বলে চাকরির জন্য যে তীব্র তৃষ্ণা কাজ করে অনেকের তাও ছিল না। এখন মনে হয়, বেকারত্বও অনেকের জন্য আশীর্বাদ।

যা হোক, প্রথম পাঁচটি প্রথম শ্রেণির চাকরির প্রিলি/এমসিকিউতে পাস করেছিলাম। শিক্ষা মন্ত্রনালয়ে, সোনালী, জনতার দুইটা পদে, আর ৩৫তম বিসিএসে। খুব খুশিতে এই গ্রুপে (বিসিএস আওয়ার গোল) একটা পোস্ট দিলাম (সম্ভবত আমার প্রথম পোস্ট ছিল ‘বিসিএস আওয়ার গোল’-এ ) । অনেকে বাজে মন্তব্য করল। কোটা আছে, প্রশ্ন পেয়েছি, মিথ্যে বলছি আরো অনেক কথা।

কিন্তু বিসিএস আওয়ার গ্রুপের এডমিন Espat Manob ভাই বলেছিলেন
“আপনাকে ক্যাডার হিসেবে দেখতে চাই”
বাকিসব খারাপ মন্তব্য কানে দেই নি শুধু ওনার কথাটা মনে রেখে দিয়েছি।
কিন্তু কিভাবে বিসিএস দেব, কি পড়ব বুঝে উঠতে পারছিলাম না। কনফিডেন্স কোচিংয়ে গেলাম। 7000 টাকা পে করলাম, বোধয় সব মিলিয়ে এক সপ্তাহ ক্লাস করেছি, রাজু ভাইয়ের এত পিড়াপিড়ি, অ্যাসাইনমেন্ট দেখে দ্বিতীয়বার মনে হল যারা বিসিএস দেয় ওরা অন্য গ্রহের মানুষ। একটা চাকুরির জন্য মানুষ এত সিরিয়াস হতে পারে জানা ছিল না। (বলে রাখি, কোচিংয়ের একমাত্র অ্যাসাইনমেন্ট আব্বু করে দিয়েছিল)
তারপর দু’বার ফাইন দিয়ে কানে ধরলাম, জীবনেও আর কোচিংয়ের নাম ধরব না।
এর মধ্যে সুশান্ত দাদার একটা ক্যারিয়ার আড্ডা হল চট্টগ্রাম মুসলিম হলে। ছোটবোনসহ গেলাম। দেখলাম ওনিও আমার মতই, বিসিএসে প্রথম হওয়া মানুষ দেখতে অন্যরকম হবে এমন ধারনা ভুল প্রমাণিত হল। এবার সাহস পেলাম, না, আমিও পারব।

বই কিনলাম প্রিলির, উদ্যম যেটা কারিয়ার আড্ডায় পেয়েছিলাম তা বই কিনতে কিনতেই শেষ। কি পড়ব, কোনটা পড়ব বুঝতে বুঝতেই পরীক্ষা চলে এল। পড়া যা পড়ার দরকার ছিল তার 5%ও হয়নি। কিন্তু ভাগ্য ভাল যে ৩৫ এর প্রশ্ন বই থেকে খুব কমন আসে নি। তাই কোচিং যারা করেছে তারা খুব একটা এগিয়ে ছিল না। সাহস করে দাগিয়ে আসলাম, প্রিলি পাস করলাম।

তারপর কিভাবে যেন কনফিডেন্স বেড়ে গেল। এবার আর ছাড় নয়। সুযোগটা কাজে লাগাতেই হবে। কোচিং করতে চাইলাম কিন্তু এর মধ্যে আমার প্রথম শ্রেণির একটা চাকরি হয়ে গেল (শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে )। এবারো কোচিং কপালে জুটল না।
তারপর চাকরিতে যোগদান করলাম। শুরুতেই ট্রেইনিং ছিল নায়েমে। সেখানে পরিচিত হই কয়েকজন ক্যাডারের সাথে (শিক্ষা) যাদের ফাউন্ডেশন কোর্স ছিল। উনাদের সাথে কথা বলে আরেকটু সাহস পেলাম।
তারপর রিটেনের বই কিনি এক সেট। ফেসবুকে একটা গ্রুপও করি যেখানে এখন প্রায় 25,000 মেম্বার। তখনো পড়াশোনা গ্রুপে বিভিন্ন পোস্ট, ফাইল শেয়ারে সীমাবদ্ধ ছিল।

দেখতে দেখতে পরীক্ষার সময় ঘনিয়ে এল। পড়াশোনা শুরু করব। এমন সময় আব্বু খুব অসুস্থ হয়ে পড়লেন। ক্যান্সার ধরা পড়ল। পরিবারের বড় ছেলে হওয়ায় সব আমার দেখাশোনা করতে হয়েছে। চট্টগ্রামে অনেক ডাক্তার দেখিয়েছি। করাইনি এমন কোন টেস্ট বোধয় বাদ ছিল না। কিন্তু ওনাদের ট্রিটমেন্ট একেকরকম হওয়ায় ঢাকা ক্যানসার হসপিটালে নিয়ে গেলাম। বেশ কিছুদিন ট্রিটমেন্ট চলল। ভাবলাম রিটেন আর দেয়া হবে না। কিন্তু কাকতালীয়ভাবে ক্যামোথেরাপি দেয়ার আগেই ঔষধসেবনেই রোগ (CLL, a type of blood cancer) নিয়ন্ত্রণে এল। চট্টগ্রাম ফিরলাম অগাস্ট এর দুই তারিখ। পরের মাসের এক তারিখ রিটেন।

কর্মস্থলে চলে গেলাম বইপুস্তক নিয়ে। তারপর শুরু করলাম পড়াশোনা। অফিসের কর্মচারীরা যথেষ্ট হেল্প করল। আমার অল্প কিছু কাজ ছাড়া প্রায় সব কাজ ওনারাই করে দিয়েছেন। তাই দিনে 15- 16 ঘন্টা করে পড়াশোনা করতে লাগলাম। ইংরেজি আর গণিতে খুব সময় দিতে হয়নি কারণ দীর্ঘ সময় কোচিংয়ে পড়িয়েছি (অনেকের এই দুই বিষয়ে সময় দিতে হয় যা আমাকে একটু এগিয়ে রেখেছে)। বাকি বিষয়গুলো পড়তে লাগলাম ডাইজেস্ট (অ্যসিওরেন্স) ও গাইড (প্রফেসরস) মিলিয়ে। ফেসবুক থেকেও কিছু ম্যাটেরিয়েলস কালেক্ট করেছি বিশেষ করে IA ও BA এর জন্য ( Samad Azad ভাইয়ের নাম না নিলে নয়) । কিছু নোটও করলাম খুব সংক্ষেপে IA, BA ও বাংলা’র।
টানা সাতাশ আটাশ দিন একটানা পড়েছি, দিনরাত পড়েছি। রাত দুইটাই পড়েছি, তিনটায় পড়েছি। রাতে ঘুম হত না, মাঝরাতে ঘুম ভেঙে গেলে উঠে পড়তে বসেছি। রাত জাগার অভ্যেস মোটেও ছিল নানা। মাথা গরম হয়ে যেত, গামছা ভিজিয়ে মাথায় দিয়েছি, দিনে দুইতিন বার মাথায় পানি দিতে হত। ঐ এক মাস কারো সাথে দশ মিনিট কথা বলার সময়ও পাইনি। কাজ বলতে নামাজ আর খাওয়াদাওয়া। সৃষ্টিকর্তার উপর ভরসা ছিল। উনি দেখেছেন এক মাস কিভাবে পরিশ্রম করেছি। এর প্রতিদান নিশ্চয়ই তিনি দিবেন।

রিটেন পাশ করলাম। ভাইভা দিলাম। ক্যাডার চয়েস একটাই ছিল (প্রফেশনালে দিয়েছি, শিক্ষক পরিবার, বাবার পছন্দ, আর প্রায় দশ বছর স্টুডেন্টও পড়িয়েছি, মনে হয়েছে, এই পেশায় সহজে মানিয়ে নিতে পারব আর এই পেশায় নিজের জন্য কিছু সময়ও রাখতে পারব, তাই সবার পরামর্শের ভিত্তিতে তৈরি ক্যাডার লিস্টে সবার শেষে এডুকেশন থাকলেও শেষ মুহূর্তে নিজের কথাই শুনেছি, শুধু প্রফেশনালে দিয়েছি)
এর মধ্যে ঐ তিন ব্যাংকের রিটেন পাস করে ভাইভা দিয়েছি। তিনটাতেই ( সোনালীর SO, জনতার EO, FINANCIAL ANALYST) ও পরবর্তীতে দেয়া বাংলাদেশ বাংকের এডিতে অশ্বডিম্ব। কনফিডেন্স তলানিতে ঠেকল। এই মাসের 14 তারিখ আমার 29তম জন্মদিন ছিল। আম্মু বাড়ি যেতে বলল, আপু ফোন দিল। অফডেতেও বাড়ি গেলাম না। রেজাল্ট পজিটিভ না হলে বাড়িতেই যাব না, এমন একটা জেদ কাজ করছিল। তিনদিন পরই হঠাৎ দেখি রেজাল্ট দিল। নিজের রোলটা রেখে সোজা দুই রাকাত নামাজ আদায় করলাম, নামাজে কেন যেন দু’চোখ ভিজিয়ে কেঁদেছি। তারপর বাসায় রেজাল্ট জানালাম। রিটেন দেয়া কতটা কষ্টের সেটা প্রতিটা ক্যাডার জানেন। সৃষ্টিকর্তা আমার প্রথম প্রচেষ্টাকে পুরস্কৃত করেছেন যার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কোনভাবেই সম্ভব নয়।
সৃষ্টিকর্তা, বাবা-মা, এই গ্রুপ ( বিসিএস আওয়ার গোল), অফিসের সবার কাছে কৃতজ্ঞ।

কিছু কথা:
১। পুরোপুরি ফেয়ারলি নিয়োগ বিসিএসেই হয়। নিশ্চিন্তে পড়তে থাকুন।
২। আমার এসএসসিতে (2003) জিপিএ কম, খুব কম ছিল। সম্ভবত এবার ক্যাডার যারা হয়েছেন তাদের মধ্যে সর্বনিম্ন জিপিএ। আমার শিক্ষাজীবনের ট্রাজেডি ছিল। (তবে এইচএসসিতে তার প্রায় দ্বিগুণ, মানসিক দক্ষতা প্রয়োগ করে জিপিএ অনুমান করে নিন ? পরবর্তী সব পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণী/সমতুল্য রেজাল্ট ছিল)
৩। সিলেবাস বুঝেন, না বুঝেন, কোচিং করেন না করেন, পড়াশোনা চালিয়ে যান, পড়তে পড়তে বুঝে যাবেন।
৪। কারো পরামর্শ, উপদেশ, অনুপ্রেরণা ছাড়া বোধয় বিসিএস সম্ভব না। আশেপাশে কোন ক্যাডার থাকলে পরামর্শ নিন, আলোচনা করুন।
৫। কারো কথায় কান দিবেন না, সৃষ্টিকর্তার উপর ভরসা রাখুন, তিনি কখনো অবিচার করবেন না। আপনাকে পুরস্কৃত করবেনই, কখন করবেন তা তিনিই ভাল জানেন।
দেশের জন্য আরো বৃহত্তর পরিসরে অবদান রাখতে চাই। চাকরির বয়সের শেষ দিন পর্যন্ত প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে আরো ভাল কিছু করার। দোয়া করবেন আমার জন্য।
লেখক
মোজাহিদুল ইসলাম
৩৫তম বিসিএস
(সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত)

বাংলাদেশের চারদিকের সীমানা,,,,,
29/07/2019

বাংলাদেশের চারদিকের সীমানা,,,,,

29/07/2019

মোটিভেশনাল পোস্ট :
বিসিএস ধৈর্যের পরীক্ষা।
আমি ৩৫(প্রথম BCS) ও ৩৬তম বিসিএস প্রিলি ফেল।
৩৭তম বিসিএস রিটেন ফেল।
৩৮ তম ভাইবা প্রার্থী।
৪০ তম পাশ করেছি।
( এর মধ্যে মাস্টার্স পাসের পর ৫টি বছর চলে গেছে। এই ৫ বছর সকাল ৮ থেকে রাত ৮ পর্যন্ত লাইব্রেরিতে বসে পড়েছি অমানুষের মত, এখনও পড়ছি, ভাইবা না পাস করা পর্যন্ত পড়তে থাকবো )। তবে সফলতার কোন নিশ্চয়তা নেই। হয়তো হবে, হয়তো হবে না। আমার দায়িত্ব ছিল পড়ালেখা করা সেটাই আমি করছি। মাইকেল জর্ডানের একটা কথা আমি সবসময়ই মনে রাখি, " আমি ব্যর্থতাকে মেনে নিতে পারি কিন্তু চেষ্টা না করাটাকে আমি মেনে নিতে পারি না"

আমি নিজের ব্যর্থতার জন্য কখনোই কোনকিছুকে দায়ী করিনি, এমনকি নিজেকেও না কারণ আমি জানি সবসময়ই আমি সর্বোচ্চ পরিশ্রম ও চেষ্টা করেছি। সুতরাং নিচেকে ব্যর্থ ভেবে হতাশ হওয়ার কিছু নেই।

বিসিএসের জন্য যারা ধৈর্য ধরে সর্বোচ্চ ৪ বছর সময় (বিজ্ঞপ্তি থেকে নিয়োগ পর্যন্ত) বিনিয়োগ করতে রাজি আছেন শুধু তাদেরই বিসিএসের পেছনে ছোটা উচিত।
যদি মনে করেন সময় দিতে পারবেন, চাপ নেই, কঠোর পরিশ্রম করতে পারবেন। তবেই বিসিএসে আসুন। নতুবা ব্যাংকে ঢুকে পড়ুন তাড়াতাড়ি।
বিসিএস একটা স্বপ্নের নাম যেটাকে বাস্তবায়ন করতে গেলে জীবনে অনেক সময় স্যাক্রিফাইস করতে হয়।

Collected

Address

Dhaka

Telephone

+8801670707586

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when STUDY posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share