Bangla Stupid Fun

Bangla Stupid Fun শুধু সুস্থ নয়- দুস্থের মুখেও হাসি ফোটাবে
"Salam Entertainment" 🥰

06/11/2017

নানু ও নাতির মধ্যে লৌহযুগ নিয়ে
আলোচনা হচ্ছে—

নানুঃ তুমি কি জান একটা সোয়েটার তৈরি
করার জন্য তিনটি ভেড়ার
প্রয়োজন হয়?
নাতিঃ কী আশ্চর্য! নানু আমি জানতামই
না ভেড়ার সোয়েটার বুনতে
পারে।

06/11/2017

এক ছাত্র পরীক্ষার হলে বসে
প্রশ্নপত্র নিয়ে বেশ অস্থির হয়ে
বিড় বিড় করছে।
শিক্ষকঃ কী ব্যাপার তুমি খাতায় না লিখে
বসে বসে উসখুস করছ কেন?
ছাত্রঃ প্রশ্ন যে রকম কঠিন এসেছে
লিখতে আমার বারোটা বাজবে।
শিক্ষকঃ তাতে কি এখন তো
এগারোটা বাজে।
03
এক ছাত্র তার বন্ধুকে চিৎকার করে
নিহা নিহা বলে ডাকছে—
শিক্ষকঃ এই নিরঞ্জন তুমি নিহা নিহা বলে
কাকে ডাকছ?
ছাত্রঃ আমার বন্ধুকে স্যার।
শিক্ষকঃ নিহা কন ছেলের নাম হতে
পারে?
ছাত্রঃ না, মানে ওর আসল নাম নিরঞ্জ
হাওলাদার স্যার! আমরা সংক্ষেপে নিহা
বলে ডাকি।
শিক্ষকঃ ভাগ্যিস তোদের কালে
আমার জম্ম হয়নি।
আমার নাম শান্তুনু লাহিড়ী। (শালা)

06/11/2017

এক ছাত্র পরীক্ষার হলে বসে
প্রশ্ন পত্র নিয়ে বেশ অসুস্থ্য
হয়ে বিড় বিড় করছে—
শিক্ষকঃ কি ব্যাপার তুমি খাতায় না লিখে
বসে বসে উসখুস করছ কেন?
ছাত্রঃ স্যার, প্রশ্ন যে রকম কঠিন
এসেছে লিখতে আমার বারোটা
বেজে যাবে!!
শিক্ষকঃ তাতে কি? পরীক্ষা ত চলবে
ঠিক একটা পর্যন্ত।

06/11/2017

♥একশো মজার প্রশ্ন
মজার উত্তর শিখুন।
বন্ধুদের সঙ্গে
বিকালের আড্ডায় কিংবা
বিয়ের বাড়িতে মজা
করতে শিখে নিন ১০০
মজার ধাঁধা ও ধাধার উত্তর।♥
ধাঁধাঁ ১.
তিন অক্ষরে নামটি তার আছে সবার ঘরে,
প্রথম অক্ষর কেটে দিলে খেতে ইচ্ছে
করে।
মাঝের অক্ষর উড়ে গেলে বাজে সুরে
সুরে।
উঃ–বিছানা।
ধাঁধাঁ ২.
তিন বর্ণে নাম তার পুস্প কুরে বাস,
দুয়ে তিনে হের মোরে ফরেতে প্রকাশ
এ তিনে যাহা পাও তারে খেরে সবে,
বরো দেখি কোন নামে চলি ভবে
উঃ—বকুল ফুল।
ধাঁধাঁ ৩.
তিন অক্ষরে নাম মোর নাচতে পারি ভাল,
শেষের অক্ষর বাদ দিলে মারতেও পারি ভাল
উঃ—লাটিম।
ধাঁধাঁ ৪.
তিন বর্ণে নাম তার কে বলিতে পারে,
গৃহ ছাড়া থাকে না সে সবে চিনে তারে।
আদি বর্ণ ছেড়ে দিলে পানি যে গড়ায়,
মধ্যম ছাড়িতে তাতে পানি রাখা যায়।
শেষ বর্ণ ছাড় যদি জ্ঞানের মশাল,
ইহা বিনা ধরাতলে সকলি বেতাল।
উঃ–জানালা
ধাঁধাঁ ৫.
তিন অক্ষরে নাম ভাই আছে দুনিয়ায়,
শেষের অক্ষর বাদ দিলে ভাই,
বাংলায় অর্থ তৈরি হতে হয়।
উঃ—রেডিও
ধাঁধাঁ ৬.
তিন বর্ণে নাম যার অনেকেই খায়,
পেট কেটে দিলে তার তাক হয়ে যায়।
শেষ বর্ণ বিহনে সেজে পিতলেতে রয়,
বলো নবীন ভাই-বোনেরা কোন সে
বস্তু হয়।
উঃ—তামাক।
ধাঁধাঁ ৭.
রজনীতে জম্ম তার দিবসে মরণ,
বিনাশ্রমে শূন্যপথে করে সে ভ্রমণ,
ক্ষণে দর্শন হয়ে ক্ষণে অদর্শন,
হঠাৎ পড়িলে সবে বলে অলক্ষণ।
উঃ–তারা
ধাঁধাঁ ৮.
তোমার বৌ তুমি গেলে দেয় না,
কিন্তু আমি গেলে দেয়।
উঃ–ঘোমটা।
ধাঁধাঁ ৯.
রাতের নিঝুম পথে কে চলেছে ছুটে,
রয়েছে কাছে অনেক টাকা পাছে বা কেউ
লুটে
উঃ—রানার।
ধাঁধাঁ ১০.
তোর দেশেতে সূর্য ওঠে
সকাল বেলা ভোর বেলাতে
বলতো দেহি কোন দেশেতে
সূর্য ওঠে মাঝ রাতেতে।
উঃ–নরওয়ে।
ধাঁধাঁ ১১.
রাঙ্গা বিবি জামা গায়,
কাটিলে বিবি দুই খান হয়।
উঃ—মসুরির ডাল।
ধাঁধাঁ ১২.
অন্ধ নদী পিছল পথ
হয়না দিন, সদা রাত,
নদীর জন্য সোবেশাম,
পায়ে পড়ে মাথার ঘাম।
উঃ—পেট।
ধাঁধাঁ ১৩.
রাত্রিকালে আঁধারেতে যার যার ঘরে,
তার বাড়িতে সকল লোকে কান্নাকাটি করে।
উঃ—চোর।
ধাঁধাঁ ১৪.
আকাশ ধুমধুম পাতালে কড়া,
ভাঙ্গল হাঁড়ি লাগল জোড়া।
উঃ—মেঘের ডাক ও বিজলী।
ধাঁধাঁ ১৫.
কোন প্রাণী বল দেহি ছয় ছয় পায়ে হাঁটে,
ঘুরতে তাকে তোমরা দেখো
যেথায় খুশি পথে গাটে।
উঃ—পিঁপড়া।
ধাঁধাঁ ১৬.
আল্লাহর তৈরী পথ, সাত রঙ্গে সৃষ্টি,
কভু কভু দেখা যায়, হয় যদি বৃষ্টি।
উঃ—রংধনু।
ধাঁধাঁ ১৭.
আল্লাহর তৈরী রাস্তা,
তৈরি মানুষের সাধ্য নেই।
হরেক রকম নাম তার
বলোতো কি জিনিষ তা?
উঃ—রংধনু।
ধাঁধাঁ ১৮.
আল্লাহর কি কুদরত,
লাঠির মধ্যে শরবত।
উঃ—ইক্ষু।
ধাঁধাঁ ১৯.
আকাশে ঝিকিমিকি,
চৌতালায় তার বাস।
তাকে আবার,
মানুষের খাইতে বড় আশা।
উঃ—হুক্কা।
ধাঁধাঁ ২০.
আকাশে থাকে, অতশে নেই,
নাম কী তার বল তো ভাই?
উঃ—ক।
ধাঁধাঁ ২১.
আট পা, ষোল হাটু, বসে থাকে বীর বাঁটু,
শূন্যে পেতে জাল, শিকার ধরে সর্বকাল।
উঃ—মাকড়সা।
ধাঁধাঁ ২২.
আকাশে আছি, বাতাসে আছি,
নাই পৃথিবীতে।
চাঁদ আর তারায় আছি,
নাই কিন্তু সূর্যতে।
উঃ—আঁধার।
ধাঁধাঁ ২৩.
আকাশ থেকে পড়ল ফল,
ফলের মধ্যে শুধুই পানি।
উঃ—শিলা।
ধাঁধাঁ ২৪.
আকাশে উড়ি আমি,
পাখির আকারে।
মাছ ধরে যাই আমি
দৈত্যের রূপ ধরে।
উঃ—বক।
ধাঁধাঁ ২৫.
আকাশে নাতাসে আছি,
পৃথিবীতে নেই।
চাঁদ আর তারায় আছি
সূর্যতে নেই।
উঃ—আকার।
ধাঁধাঁ ২৬.
আকাশে মস্তক যার পাতালে আঙ্গুল,
মাথার উপর আছে এক ছাতা।
প্রশারিয়া সুত যদি ভূমি হয় স্থিতি
আনন্দেতে নরগণ ধায় দ্রুত গতি।
উঃ—তাল গাছ।
ধাঁধাঁ ২৭.
আগা গোড়া কাটা,
চুলের জন্য সৃষ্টি।
উঃ—চিরুনী।
ধাঁধাঁ ২৮.
আকাশেতে জম্ম তার,
দিবা রাতি থাকে।
লোকে কিন্তু রাত্রিতে
কেবল দেখে।
উঃ—তারা।
ধাঁধাঁ ২৯.
আগ কেটে বাগ কেটে রূপিলাম চারা,
ফল নেই, ফুল নেই, শুধু লতায় ভরা।
উঃ—পান।
ধাঁধাঁ ৩০.
আকাশের বড়ো উঠান,
ঝাড়ু দেওয়ার নেই।
এই যে ফুল ফুটে আছে,
ধরবার কেউ নেই।
উঃ—তারা।
ধাঁধাঁ ৩১.
আকাশ হতে পড়ল কল,
তার মধ্যে রক্ত।
বলতে হবে,
কি নাম তার?
উঃ—কালোজাম।
ধাঁধাঁ ৩২.
আসবে তারা যাদের স্বভাব,
ভাত ছড়ালে হবে না অভাব।
উঃ—কাক।
ধাঁধাঁ ৩৩.
আসলে নকল দেখি,
মাথা কেটে সিক্ত নাকি।
শেষ জোড়া দু নম্বরটা,
তাই নিয়ে যায় শিকারী।
উঃ—ভেজাল।
ধাঁধাঁ ৩৪.
আঘাত নয়,
দেশের নাম,
বলতে পারলে সম্মান।
উঃ—ঘানা।
ধাঁধাঁ ৩৫.
আচার্য মহাশয় বলেন,
কিন আশ্চর্য কথা!
কোল কালে কে শুনেছে,
ফলের আগায় পাতা।
উঃ—আনারস।
ধাঁধাঁ ৩৬.
ইংরেজিতে বাদ্য, বাংলায় খাদ্য
কিবা সেই ফল, চট করে বল।
উঃ—বেল।
ধাঁধাঁ ৩৭.
আট পায়ে চলি আমি,
চার পায়ে বসি।
কুমির নই, বাঘ তো নই
আস্ত মানুষ কিন্তু গিলি।
উঃ—পালকি।
ধাঁধাঁ ৩৮.
উপরে তা দিলে অন্ডতে হয় বাচ্চা
লেজ বাদ দিলে মাথা বাঁচায় আস্থা।
উঃ—ছাতা।
ধাঁধাঁ ৩৯.
আট চালা ঘর তার,
একটিই খুঁটি
ঘর বন্ধ করতে হলে
তার টিপতে হয় টুটি।
উঃ—ছাতা।
ধাঁধাঁ ৪০.
আদি স্থানে একুশ দিয়ে
পাঁচ অংকের সংখ্যা ভাই।
চার দিয়ে করলে গুণ
উল্টে যায় সংখ্যাটাই।
উঃ—২১৯৭৮।
ধাঁধাঁ ৪১.
আমি যখন এলাম, কেন তুমি এলে না
তুমি যখন এলে, কতো কি খেলে,
একবার গেলে, ফের তুমি এলে,
কিন্তু হায়! বৃদ্ধাকালে মোরে ছেড়ে
গেলে।
উঃ—দাঁত।
ধাঁধাঁ ৪২.
আমি যারে আনতে গেলাম,
তারে দেখে ফিরে এলাম
সে যখন চলে গেলো
তখন তারে নিয়ে এলাম।
উঃ—বৃষ্টিও পানি।
ধাঁধাঁ ৪৩.
উপরে চাপ নীচে চাপ,
মধ্যেখানে চেরোয় সাপ।
উঃ—জিহ্বা।
ধাঁধাঁ ৪৪.
আমি যাকে মামা বলি,
বাবাও বলে তাই,
ছেলেও মামা বলে,
মাও বলে তাই।
উঃ—চাঁদ
ধাঁধাঁ ৪৫.
উপর থেকে পড়ল বুড়ি রঙ্গিন জামা গায়,
যে পায় সে ঘরে নিয়ে রস তার খায়।
উঃ—তাল।
ধাঁধাঁ ৪৬.
আমি তুমি একজন
দেখবে একই রূপ।
আমি কতো কথা কই,
তুমি কেন চুপ।
উঃ—ছবি।
ধাঁধাঁ ৪৭.
এপারে ঢেউ, ওপারে ঢেউ
মধ্যিখানে বসে আছে,
বুড়া বেটার বউ।
উঃ—শাপলা।
ধাঁধাঁ ৪৮.
আত্মীয়রা বসাতে পারে না ভাগ,
চোরে করতে পারে না চুরি।
দান করলে হয় না ক্ষয়।
বলতো দেখি কোন জিনিষ হয়।
উঃ—জ্ঞান।
ধাঁধাঁ ৪৯.
ইড়িং বিড়িং তিড়িং ভাই,
চোখ দুটি তার মাথা নাই।
আছে দুটি বাঁকা হাত,
পানিতে বসে খায় ভাত ।
উঃ—কাঁকড়া।
ধাঁধাঁ ৫০.
এক গোছা দড়ি,
গোছাতে না পারি।
উঃ—রাস্তা।

06/11/2017

♠উত্তর গুলো আপনাকে
সাহায্য করবে।
১০০ মজার ধাঁধা প্রশ্নের
উত্তরে ২য় পর্বে আরো
থাকছে ৫০ টি মজার ধাঁধা ও ধাঁধা
প্রশ্নের উত্তর।♠
ধাঁধাঁর ৫১.
উপর থেকে এলে পাখি
সাদা কাপড় পরে।
ভোজনে বসলে পাখি
মাছ ধরে মারে।
উঃ—বক।
ধাঁধাঁর ৫২.
উপর থেকে এলো পাখি,
শন শন করে।
মরা পাখী কিন্তু,
ধান খায় কড়মড় করে।
উঃ—ঢেকি।
ধাঁধাঁর ৫৩.
উপর হতে পড়লো বুড়ি,
কাথা কম্বল লয়ে।
ভাসতে ভাসতে যায় বুড়ি
কানাই নগর দিয়ে।
উঃ—তাল।
ধাঁধাঁর ৫৪.
উত্তর-দক্ষিণ-পূর্ব-পশ্চিম
দালান বাড়ি কোঠা।
ভাত শালিকে বলে গেলো,
ফলের আগায় পাতা।
উঃ—আনারস।
ধাঁধাঁর ৫৫.
উলটা দেশের আজব কথা,
সত্য কিন্তু বটে,
পেট দিয়ে সে আহার করে,
মাথা দিয়ে চাঁটে।
উঃ—গর্ভস্থ সন্তান।
ধাঁধাঁর ৫৬.
এমন একটা গাই আছে,
যা দেই তাই খায়,
পানি দিলে মরে যায়।
উঃ—আগুন।
ধাঁধাঁর ৫৭.
উলটালে ধাতু হয়,
সোজাতে জননী
কী শব্দ হয় তাহা,
বল দেখি শুনি।
উঃ—মাতা।
ধাঁধাঁর ৫৮.
উড়তে পেখম বীর,
ময়ূর সে নয়।
মানুষ খায় গরু খায়,
বাঘ সে নয়।
উঃ—মশা।
ধাঁধাঁর ৫৯.
এমন আশ্চর্যের কথা শুনেছো কি ভবে,
কাউকে দিলে পরে, রাখতে তোমায় হবে?
উঃ—কথা।
ধাঁধাঁর ৬০.
উঠান টন টন,
ঘন্টায় বাড়ি।
কোন ছাগলের মুখে দাঁড়ি।
উঃ—রসুন।
ধাঁধাঁর ৬১.
এ কোন ব্যাটা শয়তান,
থাকে বসে ধরে কান।
উঃ—চশমা।
ধাঁধাঁর ৬২.
এপার ঝাটি,
ওপার ঝাটি।
ঝাটিতে করে,
পিটা পিটি।
উঃ—চোখের পাতা।
ধাঁধাঁর ৬৩.
এমন কি বস্তু ভাই তিন অক্ষরে হয়,
যা দ্বারা পৃথিবী সদা পূর্ণ রয়।
প্রথম অক্ষর বাদ দিলে খেলার বস্তু হয়,
শেষ অক্ষরে আকার দিলে সবাই মিষ্টি কয়।
উঃ—বাতাস।
ধাঁধাঁর ৬৪.
এমন কোন স্থান আছে, দেখতে যেখা
পাই,
মাকেদাদী, বৌকে মা, বাপকে বলে ভাই।
উত্তরটা সোজা, একটু খুঁজলেই পাবে,
মাথায় হাত দিয়ে ভাই, কে এতো ভাবে!
উঃ—অভিনয় মঞ্চ।
ধাঁধাঁর ৬৫.
এমন কোন বস্তু আছে যে ধরায়,
না চাইতেই তা সর্বলোকে পায়।
উঃ—মৃত্যু।
ধাঁধাঁর ৬৬.
এমন রক প্রাণি বের করো তো খুঁজে,
সর্বদাই সে হেটে বেড়ায় চোখ না ছুঁজে।
উঃ—মাছি।
ধাঁধাঁর ৬৭.
এমন এক প্রাণী আছে,
ধান চাল খায়।
মাইল মাইল দৌড়ে,
যুদ্ধ করতে যায়।
উঃ—ইঁদুর।
ধাঁধাঁর ৬৮.
এমন কি কথা আছে,
শুনলে রাগ হয়।
কোথাও কেউ খুঁজে পায়নি কেহ
কোনদিন, তবু শোনা যায়।
উঃ—ঘোড়ার ডিম।
ধাঁধাঁর ৬৯.
এমন একটি দেশের নাম বলো,
যার প্রথম দুটি অক্ষরে মানুষ হলে,
শেষের দুটিতে রাস্তা বোঝায়।
উঃ—নরওয়ে।
ধাঁধাঁর ৭০.
এমন একটি শহরের নাম বলো,
যা খোলা নয়।
কিন্তু সত্যি তা নয়,
না বলতে পারলে সবে বোকা কয়।
উঃ—ঢাকা।
ধাঁধাঁর ৭১.
এমন একটি কাপের নাম বলো দেখি ভাই,
যে কাপেতে চা চিনি, দুধ পানি একটুও নেই।
উঃ—হিরো কাপ।
ধাঁধাঁর ৭২.
এরা বাপবেটা ওরা বাপবেটা তালতলা দিয়ে যায়।
তিনটি তাল পড়লে তারা, সমান ভাগে পায়।
উঃ—বাপ, ছেলে, নাতি।
ধাঁধাঁর ৭৩.
এক বৃক্ষে ফুটেছে, এক জোড়া ফুল।
হীরা মানিক কভু নয়, তার সমতুল।
উঃ—চোখ।
ধাঁধাঁর ৭৪.
এক বাড়ির দুই দরোজা দিয়া জল গড়িয়ে পড়ে,
হাওয়া ছাড়া আর হাওয়া নেয়ার পরে।
উঃ—সর্দি।
ধাঁধাঁর ৭৫.
এক বুড়ির আছে বারোটি ছেলে।
তার বারো ঘরে থাকে এখন ৩৬৫ টি ছেলে।
উঃ—বৎসর।
ধাঁধাঁর ৭৬.
এক গাছে তিন তরকারী,
আজব কথা বলি হাড়ি।
উঃ—কলাগাছ।
ধাঁধাঁর ৭৭.
এক গাছে বহু ফল, গায়ে কাটা কাঁটা।
পাকলে ছাড়াও যদি, হাতে লাগে আঠা।
উঃ—কাঠাঁল।
ধাঁধাঁর ৭৮.
এক সাথে সাতটা রঙ,
কোথায় থাকে বলো।
না পারলে বুঝবো,
তুমি বিজ্ঞানে নও ভাল।
উঃ—রংধনু।
ধাঁধাঁর ৭৯.
এক শালিকের তিন মাথা, দেহ মুখে আঠা।
বাক্সের ভিতর ফেলি তবু, যায় দেশ বিদেশ।
উঃ—চিঠি।
ধাঁধাঁর ৮০.
এক ঘরে এক থাম। বল কি তার নাম।
উঃ—ছাতা।
ধাঁধাঁর ৮১.
এক ঘরে জম্ম হয়, দুই সহোদর ভাই।
মানুষের শরীর মাঝে, এর দেখা পাই।
উঃ—চোখ।
ধাঁধাঁর ৮২.
এক হাত গাছটা, ফল ধরে পাঁচটা।
উঃ—হাতের পাঁচ আঙ্গুল।
ধাঁধাঁর ৮৩.
লোহার চেয়ে শক্ত তুলোর চেয়ে নরম।
উঃ—মন।
ধাঁধাঁর ৮৪.
একই দামের শাড়ি, পরে দুইটি মেয়ে যায়।
শাড়ি দুইটির দাম কতো?
সম্পর্কটা জানা চাই।
উঃ—দুই সতীন।
ধাঁধাঁর ৮৫.
একলা তারে যায় না দেখা, সঙ্গী গেলে
বাঁচে।
আধার দেখে ভয়ে পালায়, আলোয় ফিরে
আসে।
উঃ—ছায়া।
ধাঁধাঁর ৮৬.
একটুখানি পুস্কনি, পানি টলমল করে।
রাজার ছেলের সাধ্য নেই, জাল ফেলতে
পারে।
উঃ—চোখ।
ধাঁধাঁর ৮৭.
একটি গাছের বাঁট নাই,
তবু দুগ্ধ হয় প্রচুর।
দোহনকালে থাকে নাকো,
তার নিকটে বাছুর।
উঃ—তালগাছ।
ধাঁধাঁর ৮৮.
একটি হলে কাজ হবে না, দুটি কিন্তু চাই।
দুটি পেলে, হবে চাষী ভাই।
উঃ—বলদ।
ধাঁধাঁর ৮৯.
একটি অক্ষর শিক্ষকে আছে, পন্ডিতে
নেই।
কাননে আছে, বাগানে নেই।
উঃ—ক।
ধাঁধাঁর ৯০.
এতো ভালো বিছানা, কেউ যেন বসে না।
উঃ—পানি।
ধাঁধাঁর ৯১.
এখান থেকে ফেললাম ছুরি,
বাঁশ কাটলাম আড়াই কুড়ি।
বাঁশের মধ্যে গোটা গোটা,
আমার বাড়ী চল্লিশ কোটা।
কোঠার উপর কোট জমি,
তার মধ্যে আছে এক রাণী।
উঃ—মৌমাছি।
ধাঁধাঁর ৯২.
ওপারেতে বুড়ি মারল, এপারেতে গন্ধ
এলো।
উঃ—কাঠাল।
ওল্টে যদি দাও মোরে হয়ে যাবো লতা।
কে আমি ভেবে চিনতে বলে ফেলো তা।
উঃ—তাল।
ধাঁধাঁর ৯৩.
কোন ফলের বীজ হয় না, বলো দেখি দাদা,
না পারলে লোকে তোমায় বলবে আস্ত
গাধা।
উঃ—সবরি কলা।
ধাঁধাঁর ৯৪.
কোন সে রসিক চাঁন, নাকে বসে ধরে
কান??
উঃ—চশমা।
ধাঁধাঁর ৯৫.
কোন শহর খুলতে মানা, তা কি তোমার আছে
জানা।
উঃ—খুলনা।
ধাঁধাঁর ৯৬.
কোন ফলের উপরটা খাই, ভিতরে তার ফুল,
ভাবতে গেলে তার কথা, পণ্ডিতের হয় ভুল?
উঃ—চালতা।
ধাঁধাঁর ৯৭.
কোন ফলের বীজ নেই, বল দেখি দাদা।
বলতে না পারলে,
হবে তুমি গাধা।
উঃ—নারিকেল।
ধাঁধাঁর ৯৮.
কোন ব্যাংকে টাকা থাকে না। ধার কখনো
পাওয়া যায় না।
উঃ—ব্লাডব্যাংক।
ধাঁধাঁর ৯৯.
কোন গাছেতে হয় না ফুল, আছে শুধু গন্ধ।
গাছ তলাতে গেলে পরে,
সবাই পাবে গন্ধ।
উঃ—চন্দন।
ধাঁধাঁর ১০০.
কোমর ধরে শুইয়ে দাও,
কাজ যা করার করে নাও।
উঃ—শিল নোড়া।

06/11/2017

ধাঁধা প্রশ্নঃ ছেলেরা
বছরে প্রতিদিন করে,
মেয়েরা বছরে
একবার করে? জিনিস
টি?
-------------***------------
উত্তরঃ এটি একটি জেন্ডার (লিঙ্গ) বৈষম্য প্রশ্ন।
মেয়েদেরকে খাটো করার জন্য একটি
অহেতুক প্রশ্ন সমাজে উত্থাপন করা
হয়েছে। আসলে বাঙ্গালীদের মতো
অলস মস্তিঙ্ক পৃথিবীর দ্বিতীয় কোন
দেশে নেই। তাই এরকম অহেতুক চিন্তা-
ভাবনা। নয়তো ছেলেদের এমন কি বিষয়
বস্তু আছে যা ছেলেদের নিত্য দিন ব্যবহার
করতে হয় এবং মেয়েদের বছরে একবার
ব্যবহার করলেই তাঁদের জীবন অতিবাহিত
হয়ে যায়? আপনি খোঁজে পেয়েছেন?
সম্ভত যে এমন প্রশ্নের উদ্ভাবক সে
নিজেও জানে না। তবে আমি একটি বিষয়
খোঁজে পেয়েছি যা নিচের লাইনে আছে।
দ্বিতীয়ত্বঃ এই ধাঁধা প্রশ্নটি ভুল। যদি ধাঁধা প্রশ্নটি
এরকম ভাবে হতো যে ছেলেরা করে
প্রতিদিন আর মেয়ে ৩,৫,৭, কিংবা ১০ দিনে
করে একবার তাহলে এই ধাঁধার প্রশ্নের
উত্তরে বলা যায়ঃ গোসল। কেননা
মেয়েদের মতো ছেলেদের গোসল না
করার মতো বাধ্যকতা বা স্বাস্থ্যগত সাময়িক
সমস্যা নেই। তাই ছেলেরা প্রতিদিন গোসল
করতে পারলে মেয়েরা মাসের সব সময় সব
দিন গোসল করে যেতে পারে না।
তৃতীয়ত্বঃ এই ধাঁধার প্রশ্নের উত্তরটি
এভাবেও দেওয়া যায়। আর তা হচ্ছে, সহবাস।
ছেলেরা সন্তান লাভের প্রক্রিয়াটি হয়তো
অনেকে প্রতিদিন করেন আর মেয়েরা
সন্তান জন্মদানের মাধ্যমে বছরে এক বার
সম্পন্ন করেন।ত্ত্ব
চতুর্থঃ ছেলেরা প্রতিদিনই শুক্রাণু উৎপাদন
করতে পারে কিন্তু মেয়েরা বছরে একবারই
সন্তান গর্ভ ধারণ করতে পারে।
পঞ্চমঃ ছেলেরা প্রতিদিনই কবর স্থানে
প্রবেশ করতে পারে কিন্তু মেয়েরা বছরে
একবারই কবর স্থানে প্রবেশ করতে পারে
আর তা হচ্ছে মৃত্যুর সময়।
এই প্রশ্নের সূত্রপাত…
“এই ধাঁধাটির সূত্রপাত হয়েছিলো মধ্যপ্রাচ্যে,
আরবি ভাষায়। আর সঠিক অনুবাদে প্রশ্নটি
ছিলো- “কোন জিনিস ছেলেরা প্রতিদিন
করতে পারে কিন্তু মেয়েরা আজীবনে
মাত্র একবার করতে পারে?” আরবি ভাষায় বানান
কিংবা উচ্চারণে সামান্য হেরফের হলেই তার
অর্থ পাল্টে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
দুর্ভাগ্যবশত এর ক্ষেত্রেও হয়েছে তাই,
ইংরেজিতে অনুবাদের সময় কিংবা পরবর্তীতে
কোনোভাবে প্রশ্নটি মূলধারা থেকে বিচ্যুত
হয়ে অযৌক্তিক একটি প্রশ্নে রুপ নেয়। আরবি
ভাষায় থাকা মূল প্রশ্নটির উত্তর “কবরস্থানে
যাতায়াত”, ছেলেরা প্রতিদিন কবরস্থানে যাতায়াত
করতে পারে কিন্তু মেয়েদের কবরস্থানে
যাওয়া নিষিদ্ধ। শুধু মৃত্যুর পরই তারা সেখানে
যেতে পারে। আরবদের প্রেক্ষাপটে এই
উত্তর সঠিক কিন্তু পৃথিবীর অন্যান্য জাতির
ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়। প্রশ্নটি
বিতর্কিত হওয়ার পিছনে এটাও আরেকটি কারন।
শুধু এই প্রশ্নটিই নয়, এরকম আরও কিছু প্রশ্ন
আছে যা কিনা নির্দিষ্ট অঞ্চলের বাইরে
গেলে গাঁজাখুরি টাইপের মনে হবে।
উদাহরণস্বরুপ, মধ্যপ্রাচ্যেরই আরেকটি ধাঁধা-
“What is brighter than the ice and darker
than the night?” উত্তরটা হলো কাফনের
কাপড়, যা কি না ধবধবে সাদা আবার কবরের
ভেতর নিকষ কালো। কিন্তু এই প্রশ্ন যখন
ইংরেজিতে ছড়িয়ে পড়ে তখন জিজ্ঞাসিত
প্রশ্নটির মতো এটিও একটি অবান্তর প্রশ্নে
পরিণত হয়। প্রশ্নটিকে এর বর্তমান অরিজিন
থেকে কল্পনা করলে এর সঠিক উত্তর পাওয়া
যাবেনা, তবে সবচেয়ে কাছাকাছি উত্তর
হলো Gamete Generating System, এই
সিস্টেমটি মেয়েদের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র
একবার ডিম্বাণু তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। কিন্তু
ছেলেদের ক্ষেত্রে সিস্টেমটি
বিরামহীনভাবে প্রায় সারাজীবন ধরে শুক্রাণু
উৎপাদন করতে থাকে।” লাল কালারের এই
অংশটি ফেসবুক থেকে সংগ্রহ করা।
প্রিয় পাঠক-পাঠিকা, আমরা বিষয়টির উপরে আপনার
মনের কৌতুহল মেটানোর চেষ্টা করেছি এবং
বিষয়টি উপরে ভিত্তি করে আমাদের সামনে যা
এসেছে তা শালীন ভাষার মাধ্যমে আপনার
সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করছি। এসম্পর্কে
আপনার যদি কোন ভালো জানা বা ধারণা থাকে,
তাহলে কমেন্টের মাধ্যমে তুলে ধরুন।

06/11/2017

দাদু ও নাতির মধ্যে কথা হচ্ছে—
নাতিঃ আচ্ছা দাদু তোমার বয়স কত?
দাদুঃ কুড়ি বছর।
নাতিঃ তোমার চুল পেকে গেছে,
নাতি নাতনি আছে, তবু তুমি বলছ
তোমার কুড়ি বছর! কি বলছ দাদু?
দাদুঃ আমি যে কুড়ির বেশি গুনতে
পারি না, তাই আমার বয়স কুড়ি বছর।
হাসির
বাক্স ২
নানুঃ আজমল, তোমার বয়স এখন
কত নানু ভাই?
নাতিঃ সাত।
নানুঃ সে তো দু’বছর ধরেই বলছ?
নাতিঃ ঠিকই শুনছেন, নানু ভাই। আমি
অন্যের মতো আজ এক রকম কাল
অন্য রকম কথা বলি না।
হাসির
বাক্স ৩
নাতিঃ আমাদের বাড়ির সামনের
ভদ্রলোক কি গরীব আর
কিপ্টে?
নানুঃ কেন রে, কি হয়েছে। না
তেমন কিছু নয়।
নাতিঃ ওদের ছোট মেয়েটি মাত্র
চার আনা পয়সা গিলে ফেলেছে
তাই সেটা বার করতে কী কান্ডই না
করছে।
হাসির
বাক্স ৪
নানু ও নাতির মধ্যে লৌহযুগ নিয়ে
আলোচনা হচ্ছে—
নানুঃ তুমি কি জান একটা সোয়েটার তৈরি
করার জন্য তিনটি ভেড়ার
প্রয়োজন হয়?
নাতিঃ কী আশ্চর্য! নানু আমি জানতামই
না ভেড়ার সোয়েটার বুনতে
পারে।
হাসির
বাক্স ৫
নানু ও নাতির মধ্যে কথা হচ্ছে—
নানুঃ বলতে পারিস, তোর বাবার বয়স
এখন কত হলো?
নাতিঃ কেন, দশ বছর।
নানুঃ তা কি করে হয়? তোর বয়সই
তো দশ বছর।
নাতিঃ সে জন্যই তো বলছি, আমার
জম্মের পরই তো তিনি বাবা
হয়েছেন।
হাসির
বাক্স ৬
বাবা আর ছেলের মধ্যে কথা
হচ্ছে—
বাবাঃ বুঝলে বাবা, এক জায়গায় বারবার
যেতে নাই। আদর থাকে না।
ছেলেঃ ঠিকই বলেছ বাবা, সে
জন্যই তো প্রতিদিন স্কুলে
যেতে চাই না। অথচ মা আমাকে
পিটিয়ে স্কুলে পাঠান।
হাসির
বাক্স ৭
ছেলে পরীক্ষা দিয়ে বাড়ি
ফিরলে বাবা বললেন—
বাবাঃ কি খোকা পরীক্ষা কেমল
হল?
ছেলেঃ ভালো।
বাবাঃ ফাস্ট হতে পারবে তো?
ছেলেঃ আশা করি ফাস্ট না হলেও
সেকেন্ড হবো।
বাবাঃ খুশী হয়ে বললেন
তোমাদের ক্লাসে ছাত্র কয়জন?
ছেলেঃ দুইজন।
হাসির
বাক্স ৮
ছেলেঃ বাবা তুমি নাকি ঘুষ খাও?
বাবাঃ তুমি দেখেছ?
ছেলেঃ না শুনেছি।
বাবাঃ শুনা কথায় কান দিতে নেই।
কিছু দিন পর—
বাবাঃ তুমি নাকি পরীক্ষায় ফেল
করেছ?
ছেলেঃ তুমি কি দেখেছ বাবা?
বাবাঃ না শুনেছি।
ছেলেঃ শুনা কথায় কান দিতে নেই
বাবা।
হাসির
বাক্স ৯
বাবা ছেলের মধ্যে কথা হচ্ছে—
বাবাঃ হ্যারে পল্টু। তোর অংক
পরীক্ষা কেমন হয়েছে?
ছেলেঃ ভালোই হয়েছে বাবা।
শুধু একটা অংক ভুল হয়েছে মনে
হয়।
বাবাঃ আর বাকী গুলো?
ছেলেঃ এগুলো তো করতেই
পারলাম না।
হাসির
বাক্স
১০
বাবা ও ছেলের মধ্যে কথা হচ্ছে

বাবাঃ ওঠে পড় খোকা, দেখছিস না
সূর্য ওঠে গেছে। পড়তে বস।
ছেলেঃ কিন্তু বাবা, সূর্য তো
সন্ধ্যা ৬ টা বাজতে না বাজতে বিছানায়
চলে যায়। আর আমাকে যে রাত
১১ টা পর্যন্ত পড়তে হয়।
হাসির
বাক্স
১১
বাবাঃ কিরে মুহিত এখন তুমি কী
করছ?
ছেলেঃ কেন বাবা,আমি তো
পড়ছি।
বাবাঃ বলতো কি পড়ছ?
ছেলেঃ ভূগোল।
বাবাঃ আচ্ছা বলতো গাইবান্ধা
কোথায়?
ছেলেঃ কেন বাবা, গাইটা তো
আমাদের ঘরেই বাঁধা আছে?
হাসির
বাক্স
১২
মা তার ছেলেকে পড়ার জন্য তাগাদা
দিচ্ছেন। মার অবশ্য বেশ
রসবোধ।
মাঃ এই তাড়াতাড়ি পড়তে বস। পড়া
শেষ করে খাবি।
ছেলেঃ মা আমার তো সিংহভাগ
প্রশ্ন শেখা হয়ে গেছে।
মাঃ শুধু সিংহ ভাগ শেষ করলেই হবে
না, গরুভাগ, ছাগলের ভাগ, মহিষের
ভাগ, সেগুলো কখন শেষ
হবে.?
হাসির
বাক্স
১৩
মাঃ ইতিহাস পরীক্ষায় নম্বর কত
পেয়েছো?
ছেলেঃ পায়নি।
মাঃ কেন?
ছেলেঃ কি করব। আমার জম্মের
পূর্বের সব ঘটনা যে লিখতে
বলেছে?
হাসির
বাক্স
১৪
মা ও মেয়ের মধ্যে কথা হচ্ছে—
মেয়েঃ মা, আমি নদীতেব সাঁতার
কাটতে যাই?
মাঃ না, নদীতে এখন অনেক পানি।
ডুবে যাবে।
মেয়েঃ আমি তো সাঁতার জানি মা।
মাঃ জানলেও যাওয়া যাবে না। পানিতে
অনেল স্রোত।
মেয়েঃ কিন্তু বাবাতো সাঁতার
কাটতে গেছে। তাঁকে মানা
করোনি কেন?
মাঃ তোমার বাবার জীবন বীমা করা
আছে।
হাসির
বাক্স
১৫
বোনঃ ভাইয়া আমি যখন গান গায় তখন
তুই বাইরে দাঁড়িয়ে থাকিস কেন
রে?
ভাইয়াঃ মা মনে করতে পারে, আমি
তোকে মেরেছি, আর তুই
কাঁদছিস।

06/11/2017

জাহাজের ক্যাপ্টেন নিয়োগ পেতে এক লোক
ইন্টারভিউ দিতে এসেছে
নিয়োগ কর্তা : তুমি কি সাঁতার জানো?
চাকরি প্রার্থী : জি না স্যার।
নিয়োগ কর্তা : সে কী, জাহাজের ক্যাপ্টেন
পদে চাকরি করতে এসেছ অথচ সাঁতার জানো না!
চাকরিপ্রার্থী : কিছু মনে করবেন না স্যার, পাইলটরা
তো উড়োজাহাজ চালায়, কিন্তু তারা কি উড়তে
জানে!
“”"”"”" দুই বন্ধুর আলাপ
১ম বন্ধু : দশতলা থেকে পাঁচ জন লাফ মারল।
আশ্চর্যের ব্যাপার একজনও আহত হল না।
২য় বন্ধু : বলিস কী! অত উঁচু থেকে পড়ল আর
কিছুই হল না।
১ম বন্ধু : কিছুই হবে না কেন? পাঁচজনই নিহত
হয়েছে।
“”"”"”"”" পিতা ও ছেলের আলাপ
ছেলে : বাবা, আমি কোথা থেকে এসেছি?
বাবা : এ্যাঁ: ইয়েঃ বাবা বড় হয়ে বই পড়ে নিজেই
জানতে পারবে?
ছেলে : এটা জানতে আবার বই পড়তে হবে?
রাতুল তো বলল ওরা বরিশাল থেকে এসেছে।
“”"”"”"”"”"”"
ভিক্ষুক ও পথিকের মধ্যে কথোপকথন:
ভিক্ষুক : দশটা টাকা ভিক্ষা দেন স্যার, চা খাব।
পথিক : চা তো পাঁচ টাকা। দশ টাকা চাও কেন?
ভিক্ষুক : বান্ধবীকে নিয়ে খাব স্যার।
পথিক : বাহ, ভিক্ষুক হয়ে আবার বান্ধবী বানিয়েছ!
ভিক্ষুক : না স্যার, বান্ধবীই আমাকে ভিক্ষুক
বানিয়েছে!

06/11/2017

‘সরি. . .। আমি আপনার সাথে এতোদিন ফান করেছি।’
‘ফান করেছো . . .!’
‘হ্যাঁ।’
‘তুমি ফান করতে পারো; আমি করিনি। আমি সত্যি সত্যিই
তোমাকে ভালোবেসে ফেলেছি। তাই তোমার
ফানের জন্য আমি কষ্ট পেতে চাই না। কষ্ট
পেতে পারি না।’
‘সরি, সরি, সরি. . .। আমাকে ক্ষমা করে দিবেন। রাখি
রাখি . . ., আম্মু আসছে।’
ফোন কেটে দিয়ে রাজ্য জয়ের সুখে বিছানায়
গড়াগড়ি খেতে লাগল সাথী। আর সায়েম কষ্টের
তীব্রতায় কাতরাতে থাকে বিছানায় মুখ গুঁজে দিয়ে।
তার একটাই ভাবনা, এতোটুকুন একটা মেয়ে তার
সাথে এভাবে ফান করতে পারল; সে একবারের
জন্যও বুঝতে পারল না!
নানা ভাবনায় বেশ কিছুটা সময় কেটে গেল। কাটা
ঘায়ে নুনের ছিটা দিতে আবার ফোন দেয় সাথী।
চোখ মুছে ফোনটা রিসিভ করে সায়েম।
‘কেমন আছেন?’
‘ভালো থাকি কি করে? এভাবে ফাঁকি দিতে পারলে?
কি দোষ ছিল আমার?’
‘আপনি এতোটা সিরিয়াস হবেন, আমি তা ভাবতেই
পারিনি। ভালো থাইকেন।’
সায়েমকে কথা বলার বিন্দুমাত্র সুযোগ না দিয়ে
লাইন কেটে দিয়ে মুর্হূতমাত্র কালক্ষেপণ না
করে মোবাইল ফোনটা বন্ধ করে দেয় সাথী।
সায়েম বেশ কবার চেষ্টা করে; কিন্তু কোনবারই
খোলা পায় না।
পরের দিন খুব সকালে গ্রামের উদ্দেশ্যে পা
বাড়ায় সায়েম। সোজা হাজির হয় সাথীদের বাড়িতে।
সাথী বাবার সাথে পরিচিত হয় সায়েম। পরিচয় পর্ব
শেষ করে সাথীকাণ্ড সবিস্তারে বর্ণনা করে
সে। সাথীর বাবা কিছুতেই ব্যাপারটা বিশ্বাস করতে
চায় না। সাথীকে ডাকা হয়। সাথী এসে একেবারে
হতভম্ব হয়ে যায়। কিছুক্ষণ বাবা আর সায়েমের
সামনে মাথা নত করে দাঁড়িয়ে থেকে বলল, ‘আব্বা,
কেনো ডেকেছেন?’
‘এই ছেলেটা...?’
সাথী এবার সায়েমের দিকে মুখ তুলে বলল, ‘কে
আপনি?’
‘মানে! তুমি আমাকে চেনো না!’
‘না, চিনি না।’ বলে সাথী দ্রুত ভিতরের রুমে চলে
যায়। সায়েম এবার লজ্জায় কাঁপতে থাকে।
‘এবার হলো-তো। তাড়াতাড়ি ভাগো। নাইলে লোক
ডাকবো কিন্তু...।’
হঠাৎ করে সায়েমের মাথায় একটা অভিনব ভাবোদয়
হল। সে মোবাইলে রেকর্ডিং চালু করে সাথীর
মোবাইল ফোন নাম্বারটা বলে, বলল, ‘এটা আপনার
মেয়ের নাম্বার না?’
‘হ্যাঁ। তাতে কি হয়েছে? তুমি ভালোয় ভালোয়
চলে যাও। না হলে...।’
‘না হলে অনেক কিছুই করতে পারবেন মানছি। তার
আগে নিজের কথা একবার ভাবেন। কি বোকা
আপনি! আপনার ধারণা সাথী এমন কাজ করতেই পারে
না! মানছি, ওতোটুকুন মেয়ে এমন কাজ করতেই
পারে না। তাই বলে আপনি একবারও নিজের
মেয়েকে কিছু জিজ্ঞাসা পর্যন্ত তো করলেন
না? এই দেখুন আপনার মেয়ের পাঠানো
মেসেজগুলো।’
সাথীর বাবা হাত বাড়িয়ে মোবাইলটা নিয়ে একে
একে সবগুলো মেসেজ পড়ে রাগে-
ক্ষোভে ফুঁসতে থাকে। মনে হয় মেয়েকে
নিজ হাতে খুন করে অপমান যন্ত্রণা কষ্ট এ যাত্রায়
সব শেষ করে দিবে সে। কিভাবে তার মেয়ে
হয়ে কোনো ছেলেকে এতো বাজে
মেসেজ লিখতে পারে!
‘এবার বিশ্বাস করেছেন তো আপনার মেয়ে
কতোটা বড় হয়েছে। কেমন মেয়ে জন্ম
দিয়েছেন আপনি? এমন মেয়ে নিয়ে গর্ব করার
আগে শতবার ভাবা উচিত। আসি।’
সায়েমের কথা শুনে সাথীর বাবা মাটিতে উদাস মনে
ধপাস করে বসে পড়ে। সাথী আড়াল থেকে সব
শুনে আবেগে বিবেক বিসর্জন দিয়ে আতœ-
সমস্যার আপত সমাধান করে ফেলে।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bangla Stupid Fun posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share