Apon Aloy Alokito

Apon Aloy Alokito Love all~ Admin

28/12/2016

As Salamualaikum . . ?
✔ (১) তোমরা আল্লাহ সম্পর্কে অবগত কিন্তু
তাঁর প্রদত্ত কর্তব্য সমূহ পালন কর না।
✔ (২) তোমরা কুরআন পড় কিন্তু সে অনুযায়ী
আমল কর না।
✔ (৩) তোমরা দাবী কর রাসুলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم কে ভালোবাসো কিন্তু তাঁর সুন্নাহকে পরিত্যাগ কর।
✔ (৪) তোমরা নিজেদেরকে শয়তানের শত্রু
হিসেবে দাবী কর কিন্তু তোমরা তার
পদাংক অনুসরণ কর।
✔ (৫) তোমরা জান্নাতে যেতে উদগ্রীব
কিন্তু তার জন্য পরিশ্রম কর না।
✔ (৬) তোমরা স্বীকার কর মৃত্যু অনিবার্য
কিন্তু তার জন্য নিজেকে প্রস্তুত কর না।
✔ (৭) তোমরা সর্বদা অন্যের দোষ বের করতে
সচেষ্ট কিন্তু নিজের দোষ-ত্রুটির ব্যাপারে
উদাসীন।
✔ (৮) তোমরা আল্লাহর অনুগ্রহ উপভোগ কর কিন্তু তার জন্য শুকরিয়া আদায় কর না।
✔ (৯) তোমরা মৃতদেহের দাফন সম্পন্ন করার পর
তার থেকে শিক্ষা গ্রহণ কর না।

10/11/2016

দৃষ্টভঙ্গি বদলান জীবন বদলে যাবে,,,
গত শতাব্দীর শীর্ষস্থানীয় দার্শনিক এবং
মনোবিজ্ঞানী উইলিয়াম জেমস খুব
সুন্দরভাবে বলেছেন, আমার প্রজন্মের
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার হলো,
দৃষ্টিভঙ্গি বদলে একজন মানুষ পারে তার
জীবনকে বদলে ফেলতে। এ কথার সত্যতা
সম্বন্ধে এখন বিজ্ঞানীমহলেও মিলছে
সমর্থন। নিউরোসায়েন্টিস্টরা বলেন,
মানুষের মস্তিষ্কের রয়েছে যেকোনো
চিন্তাকে বাস্তবায়িত করার এক অসাধারণ
ক্ষমতা। মন ও মস্তিষ্কের সম্পর্ক নিয়ে
দশকের পর দশকব্যাপী গবেষণার ওপর ভিত্তি
করে গড়ে উঠেছে সাইকোনিউরো-
ইমিউনলজি নামে বিজ্ঞানের নতুন শাখা ।
এ বিষয়ে ডা. অ্যালেন গোল্ডস্টেইন, ডা.
জন মটিল, ডা. ওয়াইল্ডার পেনফিল্ড ও ডা. ই
রয় জন দীর্ঘ গবেষণার পর বলেছেন, একজন
প্রোগ্রামার যেভাবে কম্পিউটারকে
পরিচালিত করে, তেমনি মন মস্তিষ্ককে
পরিচালিত করে। মস্তিষ্ক হচ্ছে হার্ডওয়ার
আর মন হচ্ছে সফটওয়ার। নতুন তথ্য ও নতুন
বিশ্বাস মস্তিষ্কের নিউরোনে নতুন
ডেনড্রাইট সৃষ্টি করে। নতুন সিন্যাপসের
মাধমে তৈরি হয় সংযোগের নতুন রাস্তা।
বদলে যায় মস্তিষ্কের কর্মপ্রবাহের
প্যাটার্ন। মস্তিষ্ক তখন নতুন দৃষ্টিভঙ্গির
আলোকে নতুন বাস্তবতা উপহার দেয়। নতুন
বাস্তবতা ভালো হবে না খারাপ হবে,
কল্যাণকর হবে না ক্ষতিকর হবে তা নির্ভর
করে মস্তিষ্কে দেয়া তথ্য বা প্রোগ্রাম এর
ভালো-মন্দের উপর। কল্যাণকর তথ্য ও
বিশ্বাস কল্যাণকর বাস্তবতা সৃষ্টি করে আর
ক্ষতিকর তথ্য বা বিশ্বাস ক্ষতিকর বাস্তবতা
উপহার দেয়। তাই নিঃসন্দেহে বলা যায়,
জীবনের নতুন বাস্তবতার চাবিকাঠি হচেছ
দৃষ্টিভঙ্গি বা নিয়ত।
বিজ্ঞানীরা বলেন দৃষ্টিভঙ্গি দু’ধরনের।

১) প্রো-অ্যাকটিভ।
২) রি-অ্যাকটিভ।

জীবনকে বদলাতে হলে একজন মানুষকে
জানতে হবে রি-অ্যাকটিভ নয়, প্রো-
অ্যাকটিভ দৃষ্টিভঙ্গি ধারণ করতে হবে।
একজন প্রো-অ্যাকটিভ মানুষের বৈশিষ্ট্য ৩
টি :

১. তারা উত্তেজিত বা আবেগপ্রবণ না হয়ে
ঠান্ডা মাথায় চিন্তাভাবনা করে সিদ্ধান্ত
ও প্রদক্ষেপ গ্রহণ করেন।

২. তারা কি কি নেই তা নিয়ে হা হুতাশ না
করে যা আছে তা নিয়েই সুপরিকল্পিতভাবে
কাজ করেন।

৩. তারা সাময়িক ব্যর্থতায় ভেঙে পড়েন না।

নিচের গল্পটি পড়ুন:
বাবা, ছেলে ও গাধার গল্প
বাবা ও ছেলে বিশেষ প্রয়োজনে বাড়ির
পোষা গাধাটিকে বিক্রি করার জন্যে
হাটের পথে যাত্রা শুরু করল। বাবা,ছেলে ও
গাধা তিনজনই হেঁটে যাচ্ছে। কিছুদূর
যাওয়ার পর তাদেরকে দেখে একজন বললো
লোক দুটো কি বোকা। গাধা থাকতে হেঁটে
যাচ্ছে। একজন তো গাধার পিঠে উঠে আরাম
করে যেতে পারে। বাবা ছেলেকে গাধার
পিঠে উঠিয়ে দিলেন। ছেলে গাধার পিঠে
আর বাবা হেঁটে চলছেন। কিছুদূর যাওয়ার পর
আরেকজন বলল, কী বেয়াদব ছেলে। নিজে
গাধার পিঠে আরাম করে যাচ্ছে আর বুড়ো
বাপকে হাঁটিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। এ মন্তব্য
শোনার পর বাবা ও ছেলে স্থান পরিবর্তন
করলো। বাবা গাধার পিঠে আর ছেলে
হেঁটে। আরও কিছুদূর অগ্রসর হওয়ার পর
আরেক ব্যাক্তি মন্তব্য করল, কী নিষ্ঠুর
পিতা। নিজে গাধার পিঠে আরাম করছে
আর মাসুম বাচ্চাটাকে হাঁটিয়ে নিয়ে
যাচ্ছে। এ মন্তব্য শোনার পর বাবা ও ছেলে
দু’জনই গাধার পিঠে উঠল। গাধা চলতে শুরু
করল। কিছুদূর অগ্রসর হওয়ার পর একজন
পশুপ্রেমিকের নজরে পড়ল তারা। পশুপ্রেমিক
তাদের দেখে আক্ষেপ করে বলতে শুরু করল,
কী অত্যাচার! কী অবিচার! একটি গাধা
তার উপর দুটি লোক!

বাবা ও ছেলে পড়ল সমস্যায়। কী মুশকিল!
গাধার সাথে হেঁটে গেলে দোষ। ছেলে
উঠলে দোষ! বাবা উঠলে দোষ! দু’জন উঠলে
দোষ! এখন কি করা যায়? বাবা ছেলে দুজন
মিলে নতুন এক বুদ্ধি বের করল। বাঁশ ও রশি
জোগাড় করল। গাধার চার পা ভালো করে
বাঁধল। তারপর পায়ের ফাঁক দিয়ে বাঁশ
ঢুকিয়ে দিল। বাবা সামনে আর ছেলে
পিছনে বাঁশ কাঁধে নিয়ে হাঁটতে শুরু করল।
গাধা রইল ঝুলে। গাধাকে কাঁধে নিয়ে পুল
পার হওয়ার সময় গাধা ভয় পেয়ে চিৎকার
করে নড়ে উঠল। বাব, ছেলে ও গাধা পড়ে
গেল খালে। গাধার মেরুদণ্ড ভাঙল। বাবা ও
ছেলের ভাঙল পা। গাধা আর বেচা হলো না।
বাবা ও ছেলে আহত অবস্থায় ফিরে এল
ঘরে।

এই বাবা-ছেলে হলেন রি-অ্যাকটিভ। রি-
অ্যাকটিভ হলে নিয়ন্ত্রণ তখন নিজের হাতে
থাকে না। নিয়ন্ত্রণ চলে যায় অন্যের হাতে।
আপনি যখন অন্যের কথায় কষ্ট পান, অন্যের
কথায় রেগে যান, অন্যের আচরণে ক্রোধে
ফেটে পড়েন, অন্যের তোষামোদিতে উৎফুল্ল
হয়ে ওঠেন, অন্যের চাটুকারিতায় গলে যান,
অন্যের কথায় নাচেন, তখন নিয়ন্ত্রণ আর
আপনার হাতে থাকে না। গল্পের এ বাবা-
ছেলের মতোই রি-অ্যাকটিভ দৃষ্টিভঙ্গি
সবসময় ব্যর্থতা, হতাশা ও অশান্তি সৃষ্টি
করে।

প্রো-অ্যাকটিভ অর্থ হচ্ছে যে কোন
পরিস্থিতিতে উত্তেজিত বা আবেগপ্রবণ না
হয়ে ঠাণ্ডা মাথায় চিন্তা-ভাবনা করে
সিদ্ধান্ত ও প্রদক্ষেপ গ্রহণ। প্রো-অ্যাকটিভ
অর্থ হচ্ছে অন্যের কাজের প্রতিক্রিয়া
হিসেবে কোন কাজ বা আচরণ না করা।
প্রো-অ্যাকটিভ অর্থ হচ্ছে কি কি নেই তা
নিয়ে হা-হুতাশ না করে যা আছে তা নিয়েই
সুপরিকল্পিতভাবে কাজ শুরু করা। প্রো-
অ্যাকটিভ দৃষ্টিভঙ্গি সবসময় সাফল্য ও বিজয়
ছিনিয়ে আনে। প্রো-অ্যাকটিভ মানুষই
অন্যকে প্রভাবিত করে, পরিস্থিতিকে
নিয়ন্ত্রণ করে নিজের পক্ষে নিয়ে আসতে
পারে।

এই জন্যেই মহামানবরা সবসময় প্রো-
অ্যাকটিভ ছিলেন। নবীজী (স)-র জীবন
দেখুন। তিনি সবসময় প্রো-অ্যাকটিভ ছিলেন।
ফলে প্রভাবিত করতে পেরেছেন সবাইকে।
এক বৃদ্ধা প্রতিদিন নবীজী (স)-র পথে কাঁটা
বিছিয়ে রাখত। উদ্দেশ্য নবীজীকে কষ্ট
দেয়া। নবীজী (স) প্রতিদিন কাঁটা সরিয়ে
পথ চলতেন। যাতে অন্যের পায়ে কাঁটা না
বিঁধে। একদিন পথে কাঁটা নেই। দ্বিতীয়
দিনও পথে কাঁটা নেই। নবীজী (স) ভাবলেন,
একদিন হয়তো ভুল করে বৃদ্ধা কাঁটা বিছায়
নি। দুই দিন তো ভুল হতে পারে না। নিশ্চয়
বৃদ্ধা অসুস্থ। তিনি খোঁজ নিলেন। বৃদ্ধা ঠিকই
গুরুতর অসুস্থ। আমরা হলে হয়তো বলতাম,
‘বেটি বুড়ি আমার পথে কাঁটা বিছিয়েছিস!
আল্লাহ তোকে উপযুক্ত শাস্তি দিয়েছে।’
কিন্তু নবীজী বৃদ্ধার প্রতি সমবেদনা প্রকাশ
করলেন। তার চিকিৎসা ও সেবা শুশ্রূষার
ব্যবস্থা করলেন। বৃদ্ধা সুস্থ হয়ে উঠলেন।
সুস্থ হওয়ার পর বৃদ্ধার মনে প্রশ্ন জাগল,
যাদের কথায় নবীর পথে কাঁটা বিছিয়েছি
তারা তো কেউ আমাকে দেখতে আসে নি।
বরং যাকে কষ্ট দেয়ার জন্যে কাঁটা
বিছিয়েছি তিনিই আমার সেবা শুশ্রূষার
ব্যবস্থা করলেন। মানুষ হিসেবে নবীজীই
ভাল মানুষ। বৃদ্ধা নবীজীর ধর্ম গ্রহণ করলেন।
নবীজী (স) প্রো-অ্যাকটিভ ছিলেন বলেই
বৃদ্ধাকে প্রভাবিত করতে পেরেছিলেন।
বৃদ্ধা যা-ই করুক না কেন, বৃদ্ধার আচরণ
দ্বারা নবীজী (স) প্রভাবিত হন নি। নবীজী
(স) বৃদ্ধার সাথে সেই আচরণই করেছেন, যা
তিনি সঙ্গত মনে করেছেন। সে কারণেই
বিরুদ্ধাচরণকারী বৃদ্ধা নবী অনুরাগীতে
রূপান্তরিত হলো।
তারা কি কি নেই তা নিয়ে হা হুতাশ না
করে যা আছে তা নিয়েই সুপরিকল্পিতভাবে
কাজ করেন।

যেমন=
এক ছিলো বুড়ি। তার দুটিই মেয়ে। বড় মেয়ের
জামাই একজন ছাতা বিক্রেতা। আর ছোট
মেয়ের জামাই সেমাই বানিয়ে বিক্রি
করে। এই বুড়িকে কেউ কখনো হাসতে
দেখেনি। সারাক্ষণই সে শুধু কাঁদতো। যখন
রোদেলা দিন তখন বড় মেয়ের কথা মনে
করে। আর বৃষ্টির দিনে ছোট মেয়ের কথা
মনে করে। কারণ রোদ হলে বড় মেয়ের
জামাইয়ের ছাতার বিক্রি তেমন ভালো হয়
না। আর গ্রীষ্ম ফুরিয়ে বৃষ্টির দিন যখন আসে
তখন আবার ছোট মেয়ের জামাইয়ের ব্যবসায়
মন্দা যায়। দুই মেয়ের কথা ভেবে রোদ বা
বর্ষা কোনোসময়ই তার কোনো সুখ ছিলো
না।
একদিন এক সাধুর সাথে তার দেখা হলো।
সাধু যখন জানতে চাইলেন সে কেন এভাবে
সবসময় কাঁদে। সে ঘটনা বললো। সাধু বললেন,
এখন থেকে তুমি তোমার চিন্তাটাই বদলে
ফেলো। রোদেও দিন তুমি তোমার বড়
মেয়ের কথা ভাববে না। ভাববে ছোট মেয়ের
কথা। কত সুন্দর করে সে এই চমৎকার রোদে
সেমাই শুকোচ্ছে। আর গ্রীষ্ম শেষে যখান
বর্ষা আসবে, ভাববে বড় মেয়ের কথা। যে
এখন দেদারসে ছাতা বিক্রি করছে। তখন
ছোটমেয়ের কথা মনে করার দরকার নেই।
বুড়ি তাই করলো। সমাধানও হয়ে গেলো
তাড়াতাড়ি। এখন আর তাকে কাঁদতে হয় না।

আমরা আরেকটা উধারন দিতে পারি= ২১
বছর বয়সে তিনি ব্যবসায়ে লস করেন। ২২ বছর
বয়সে তিনি রাজনীতিতে পরাজিত হন। ২৩
বছর বয়সে আবারও ব্যবসায়ে লস করেন। ২৬
বছর বয়সে হারান প্রিয়তমা স্ত্রীকে । ২৭
বছর বয়সে তার নার্ভাস ব্রেকডাউন হয়। ৩৪
বছর বয়সে কংগ্রেস নির্বাচনে হেরে যান।
৪৫ বছর বয়সে সিনেট নির্বাচনে হেরে যান।
৩৭ বছর বয়সে ভাইস প্রেসিডেন্ট হওয়ার
সুযোগ হাতছাড়া হলো। ৪৯ বছর বয়সে আবারও
সিনেট নির্বাচনে পরাজিত হন। এবং ৫২ বছর
বয়সে তিনি হন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট।
তিনি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম
লিংকন। এতগুলো হারের পরও যিনি কখনো
ভাবেন নি, রাজনীতি আমার জন্যে নয়। আর
তাইতো তিনি হতে পেরেছিলেন
আমেরিকার সর্বকালের ইতিহাসে সবচেয়ে
আলোচিত প্রেসিডেন্টদের একজন।

আবারো বলতে পারি যে বেক্তি ৯৯৯৯ বার চেশটা
পরে গিয়া সফল হলেন বাল্প তইরি করতে
যার নাম টোমাস আলবা এদিসন। সফল
মানুষদের জীবনে বাধা বা প্রতিক্থলতা
নেই, এ কথাটি ঠিক নয়। বরং তাদের জীবনে
বাধা বা সমস্যা সাধারণ মানুষদের চেয়েও
বেশি এবং বিচিত্রতর। কিন্তু তাদের তফাৎ
হচ্ছে তারা কখনো বাধার মুখে ভেঙে পড়েন
না। বাধাটাকে জয় করেন। আসলে কোনো
পরাজয়ই পরাজয় নয় যদি তা মানসিকভাবে
আপনাকে পরাজিত করতে না পারে। প্রো
অ্যাকটিভ মানুষেরা এ সত্যটিই উপলব্ধি
করেন এবং সাময়িক ব্যর্থতায় ভেঙে না
পড়ে কাজ করে যান। ফলে তারা লক্ষ্যে
পৌঁছতে পারেন।

সুতরাং আপনি যেখানে আছেন সেখান
থেকেই শুরু করুন। যা আছে তা নিয়েই শুরু
করুন। সাময়িক ব্যর্থতায় মুষড়ে পড়বেন না।
নেতিবাচক লোকদের কথায় প্রভাবিত হবেন
না। আপনি জয়ী হবেনই।

25/10/2016

"শিক্ষণীয় পোস্ট"
ট্রেনে এক অর্থনীতিবিদের পাশে
বসে ছিল এক যুবক।
যুবকের চেহারায় ছিল
দুশ্চিন্তার ছাপ। কিছুক্ষণের মধ্যে
তাদের দুইজনের পরিচয় হল। কথা-বার্তার এক
পর্যায়ে যুবকটি অর্থনীতিবিদকে বলল...
যুবকঃ আমি ৬ বছর আগে বিয়ে
করেছি। আমার স্ত্রী আমাকে খুব
ভালোবাসে। আমার ৫ বছরের একটি মেয়েও
আছে। কর্মক্ষেত্রেও আমি
যথেষ্ট সাফল্য অর্জন করেছি। কিন্তু ১
বছর আগে একটি সুন্দরী মেয়ের সাথে
আমার পরিচয় হয় এবং আমরা একে-
অপরের প্রেমে পড়ে যাই।
অর্থনীতিবিদঃ এখন আপনি কি করবেন?
যুবকঃ আমি আমার স্ত্রীকে তালাক
দিতে চাই। তবে, এখনো ফাইনাল
ডিসিশন নিতে পারি নি। ভীষণ
দুশ্চিন্তায় আছি। কি করা যায়,
বলুনতো? অর্থনীতিবিদঃ হুম...,
এই দুটোর মধ্যে
একটি বাছাই করা সত্যিই খুব কঠিন
কাজ। কিন্তু অর্থনীতির হিসাব
দিয়ে বিশ্লেষণ করলে আপনার
সমস্যার সমাধান করা যায়!! ধরুন, আপনি
আপনার বসের কঠিন কোন
সমস্যার সমাধান করে দিলেন। এখন
তিনি আপনাকে পুরষ্কার দিতে চান।
তিনি আপনাকে দুটো পুরষ্কারের
থেকে একটি বেছে নিতে বললেন।
আপনাকে নগদ ৫ লাখ টাকা দেয়া হবে। অথবা,
২ বছর পর ৭ লাখ টাকা দেয়া হবে।
তখন আপনি কোনটি নেবেন?
যুবকঃ অবশ্যই নগদ ৫ লাখ টাকাই নেবো।
অর্থনীতিবিদঃ কেন? যুবকঃ কে জানে, ২ বছর
পর কী ঘটবে?
২ বছর পর আমি টাকাটা পাবোই, এমন
তো কোন নিশ্চয়তা নেই। কিন্তু ৫ লাখ
টাকা তো আমাকে এখনই দেওয়া
হবে। অর্থনীতিবিদঃ (হেসে বলল) আপনি
একদম ঠিক বলেছেন। একইভাবে,
ভবিষ্যতে ঐ সুন্দরী আপনাকে এখনকার
মতই ভালোবাসবে, এমন তো কোন
নিশ্চয়তা নেই। কিন্তু আপনি তো
এটা নিশ্চিত যে, আপনার স্ত্রী আপনাকে
কতোটা ভালোবাসে...
যুবকটি তার ভুল বুঝতে পেরে প্রচন্ড
আবেগে অর্থনীতিবিদকে জড়িয়ে ধরল এবং
কেঁদে ফেলল...
পোস্টটি কেমন লাগলো?
লাইক দিয়ে কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না।

14/10/2016

যেসব ছেলেরা চুলগুলোকে শজারুর মত খাড়া খাড়া করে, ছেঁড়া জিন্স কিংবা কোমর থেকে খুলে পড়া প্যান্ট পরে নিতম্বের এক তৃতীয়াংশ দেখিয়ে ঘুরে বেড়ায়, ফেসবুকে যার সিক্স প্যাকের ছবি দেখে তোমার ভেতর ক্রাশ খাওয়ার অনুভূতি জন্মেছে কিংবা অনেকদিন চুলে চিরুণি না দেয়া ছেলেটাকে দেখে বুকে যে কাপন উঠে তা জেল লাগানো চুলের স্মার্ট ছেলেটারর জন্য হয় না। আচ্ছা, তাদের মধ্যে কি তুমি কোন ডিসেন্সি খুঁজে পাও? তোমার কি মনে হয় এই ছেলে কখনও তোমার নারীত্বকে সম্মান জানাবে? তাকে দেখে মনের মাঝে উথাল-পাতাল ভালোবাসা অনুভব করো? করার কথা নয়। কারও চেহারা আর শরীর দেখে ক্রাশানুভূতি বলে যে ব্যাপারটা ঘটে সেটাও এক ধরণের যৌন সুড়সুড়ি ছাড়া আর কিছুই নয়। আবার যেসব মেয়েরা আঁটসাঁট পোশাক পরে শরীরের ভাঁজ দেখিয়ে বেড়ায়, তাদের শরীরের দিকে নয়, মুখের দিকে ঠিকঠাক ভাবে তাকিয়ে বলো তো, তাদের দেখে তোমার হুমায়ুন আহমেদের বইতে পড়া মায়াবতী মেয়েটার কথা কি একটিবারের জন্যও মনে পড়ে? বুকের ভেতর কি তোলপাড় করা ভালোবাসারা জন্ম নেয়? সম্ভবত না। যেটা জন্মায়, সেটা সাময়িক যৌনাবেদন। এখনকার অনেক ছেলেমেয়েরা (উভয়েই) নিজেদের পশ্চিমা আর ভারতীয় সংস্কৃতির সাথে গুলিয়ে ফেলে নিজেদের যৌনাবেদনের পণ্য হিসেবে বাজারজাত করে বেড়াচ্ছে। যেহেতু তারা নিজেদের পণ্যের কাতারে নামিয়ে নিয়ে এসেছে, বাকী মানুষেরাও তাদের পণ্যের মতই ব্যবহার শেষে ডাস্টবিনে ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে চলে যাচ্ছে। দিন শেষে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে "সব ছেলেরা একই রকম" আর "মেয়েরা এমনই হয়" টাইপের কিছু স্ট্যাটাসের জন্ম নিচ্ছে। ভালোবাসা এখন চার দেয়ালের অন্ধকারের মাঝে শুরু হয়ে অখ্যাত কোন ক্লিনিকে গিয়ে শেষ হয়ে যায়। কিছু কিছু ভালোবাসার ভিডিও আর স্থির চিত্র ফোন মেমোরিতে জমা থাকে, ভবিষ্যতে ব্ল্যাকমেইলের আশায়। অথচ ভালোবাসা এমনটা হবার ছিলো না। মেয়েটার নীল শাড়ির আঁচলে একটু একটু করে ভালোবাসা জমে ওঠার কথা ছিলো। ছেলেটার সাদা পাঞ্জাবীর পকেটে লুকানো গোলাপের কাঁটার আঘাতে পাঞ্জাবীর পকেট লাল হয়ে ওঠার কথা ছিলো। দু'জন দু'জনার দিকে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকার সময় হৃৎপিণ্ডের ধুকপুকানিতে ভালোবাসার স্পন্দন অনুভব করার কথা ছিলো। এখনকার ভালোবাসা থেকে ভালোটাই উড়ে গেছে, শুধু বাসাটা রয়ে গেছে। 'বাসা' চার দেয়ালের অন্ধকার গোপন কোন কক্ষ, যেখানে সম্ভবত গোপন কাজ গুলোই করা হয়।
লেখিকা : Israt Jahan Tamanna

15/08/2016

সর্বদা সত্যের জয় হয় একথা সত্য নহে। কখনও কখনও মিথ্যারও জয় হয় প্রচার, সাখী এবং সমর্থকের জোরে।
------ দানিয়েল ডিফো।

28/06/2016

যা অনুধাবন করলে আপনি একজন ভালো মানুষ হবার সাথে সাথে সফলতার চরম সিমানায় পউছুতে পারবেন।

" যদি কারো কাছে ৭ টি যাদুরকাঠি থাকে তাহলে সে নিশ্চিত সফল হবে!
আসুন পালাক্রমে আলোচনা করি।

১. Decision - সিদ্ধান্ত .......

সিদ্ধান্তহীনতা র চেয়ে একটি খারাপ সিদ্ধান্ত উত্তম। সফল হবার জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়ার শক্তি থাকতে হবে। আজকে এই পৃথিবিতে যারা সফল তাদের মধ্যে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার শক্তি ছিল! Indecision and late decision দুটিই ক্ষতিকর। একটা উদাহরণ দেওয়া যেতে পারে যেমন :- বাংলাদেশের উপর দিয়ে সাবমেরিন ক্যাবল নিতে চেয়েছিল ১৯৯২ সালে ফুল ফ্রি তে। কিন্তু বাংলাদেশ তখন ভেবেছিল দেশের তথ্য গুলো প্রাচার হয়ে যাবে সেজন্য অনুমতি দেওয়া হয়নি। কিন্তু যখন তার প্রয়োজনীয়তা বোধ হয় তখন ২০০২ সালে প্রায় ৬ হাজার কোঠি টাকা ব্যায় করে পুনরায় সে সাবমেরিন ক্যাবল প্রতিষ্ঠা করতে হয়েছিল। এই বিশাল ক্ষতি কেন হয়েছিল? শুধু মাত্র দেরীতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য। আরেক্টা উদাহরণ দিচ্ছি ইন্ডিয়ায় বানর ধরার গল্প নিয়ে। শিকারি রা কাঠের একটি ফ্রেম বানায় ছোট একটি ছিদ্র থাকে যা দিয়ে শুধু মাত্র হাত টি ডুকে অনেক কষ্টে।বানর যে রাস্তা দিয়ে যায় অই রাস্তায় ফ্রেমটির মধ্যে বানরের কিছু প্রিয় খাবার দিয়ে রাখে যেমন কলা, বাদাম বানর তার প্রিয় খাবার দেখে ছিদ্রটি দিয়ে হাত ডুকায় কলা টা মুঠ করে ধরে তখন হাত টি মোটা হয়ে যায়। ঠিক অই সময়ে শিকারি বাশি হুইসাল দেয়, বানর তখন কলার লোভ ছাড়বে কি ছাড়বেনা এই সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগে আর তখনি শিকারি এসে বানর কে ধরে ফেলে।

২. Believe - বিশ্বাস........

বিশ্বাস হচ্ছে সফল হবার ২য় গুরুত্বপূর্ণ যাদুরকাঠি। নিজের উপর বিশ্বাস সফলতার অন্যতম প্রথম গোপন রহস্য। যে অন্যরা পারলে আমিও পারবো। যিনি সফল হয়েছে তিনিও মানুষ আমিও মানুষ। আমি পারবো, আমাকে পারতেই হবে।

৩. Commitment - প্রতিজ্ঞা.........

এই প্রতিজ্ঞা নিজের সাথে যে আমি শেষ পর্যন্ত লেগে থাকবো ফলাফল যাই আসুক।
আমার এলাকায় আমার দেখা একজন নাম্বার ভীতুলোক হচ্ছে বিজরাবাজার এর নামকরা একজন পাইকার আক্কাস মিয়া। এই মানুষ হাটের দিন সামান্য কয়টা বুট বাদাম নিয়ে ভাউকসার আর বিজরা বাজারে যেতেন। তিনি নিজের সাথে ওয়াদাবদ্ধ যে তিনি ব্যবসা করবেন। আর এই জন্যই তিনি বাড়ি করেছেন সম্পদ করেছেন। নিজের পজিশন এ অনেক বড় ব্যবসায়ী হলেন। ঘনঘন পেশা বদলানো লোক সফল হয় না। আমি যে পেশায় আছি সে পেশায় লেগে থাকবো এই প্রতিজ্ঞা করতে হবে।
"Commitment is the glue that bonds you to your goals "
I will do it. I will lead other people for do it. শেষ পর্যন্ত লেগে থাকবো ইনশাল্লাহ। (আমার ব্যক্তিগত ওয়াদা)

৪. Honesty - সততা..........

Honesty is the only one policy.....সৎ আর সত্যবাদীতা এই দুটি নিয়ে হয় সততা। এক ছাত্র কে শিক্ষক জিজ্ঞেস করলো যদি তোমার সামনে এক বস্তা টাকা থাকে তাহলে তুমি কি করবা?
ছাত্র : যদি কেউ না দেখে তাহলে আমি বাসায় নিয়ে যাব।
ছেলেটি সত্যবাদী হলেও সৎ না।
এক দোকানদার তার কর্মচারী কে জিজ্ঞেস করলো দোকানের ডেট ওভার ময়দা গুলো কাকে দিছো?
উত্তর : মোজান্মেল কে
দোকানের পচা আলু গুলো কাকে দিয়েছো
উত্তর : মোজাম্মেল কে
দোকানের পচা ডিম গুলো কাকে দিছো
উত্তর :- মোজান্মেল কে
দোকানদার এর মন খুব খারাপ কারন আজকে তার বউ বাচ্চা মোজান্মেল এর বাসায় দাওয়াত খেয়ে আসছে।
আসলে আমরা কে কাকে ঠকাচ্চি?
"Honest men are the gentlemen of Nature "
Honest heart produce honest actions.
আপনি যদি ভালো হোন তাহলে আপনার জেনারেশন ও ভালো হবে।
Honesty is very expensive gift, don't want to cheap people.

৫.Discipline - শৃঙ্খলতা.........

"With self discipline most anything is possible"- Theodore Roosevelt
আমরা স্বাধিন কিন্তু মুক্ত নয়।
# যা করবেন :-
ভদ্র হোন, সাহায্যকারী হোন, কঠোর পরিশ্রমী হোন, শুনার অভ্যাস করতে হবে,
সৎ হোন.....
# যা করবেন না :-
অন্য কে কষ্ট দেয়া যাবেনা, কারো অনুভূতি কে কষ্ট দেয়া যাবেনা, অন্য কারো সময় নষ্ট করবো না, কারো কোন ব্যক্তিগত বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা যাবে না.........
তাহলে আমরা সুশৃঙ্খল হতে পারবো।
Love, Self-control, Trust, Obedience, Journey এই ৫ টি বিষয় নিয়ে Discipline.........
একবার হযরত মুহাম্মদ (স.) এর নিকট এক ব্যক্তি আসলেন আর বললেন আমাকে এমন দুটি কাজের কথা বলেন যা করলে আমি বেহেস্তে যাবো।
তখন হুজুর বললেন দুটি জিনিস কে কন্ট্রোল করেন ..........
****প্রথমত, দুই ঠোটের মাঝখানের অংশ কন্ঠ্রোল এ রাখেন মানে হলো -জিব্বা।
জিব্বায় স্বাদ থাকে দেড় সেকেন্ড, অথচ এই খাবারের ব্যাপারে অনেক অভিযোগ করে থাকি। এই খাবার এর জন্য অনেক অপরাধের ও সৃস্টি হয়। হারাম খাবারের জন্য নানান সমস্যা সৃস্টি হয়।
****দ্বিতীয়ত, দু পায়ের মাঝখানের অংশ।আমরা যদি আমাদের অই অংগটা কে নিয়ন্ত্রনে রাখি তাহলে মেক্সিমাম পাপ থেকে আমরা বিরত থাকবো।
হুজুরের কাছে আরেক ব্যক্তি আসলেন উনি বললেন আমাকে এমন একটি কাজের কথা বলেন যা করলে আমি বেহেস্তে যাব...........
তিনি বললেন "মিথ্যা থেকে বিরত থাকো"।

৬. Mentality of Stay- লেগে থাকার মানুষিকতা :-..........

৭. Relation - সম্পর্ক.........

রিলেশন হচ্ছে পাখির মত জোরে ধরলে মরে যাবে। লোজ দিলে উড়ে যাবে। যদি যত্নের সাথে ধরেন তাহলে সারাজিবন এর জন্য রিলেশন থাকবে। ব্যবসার জন্য রিলেশন নষ্ট করা যাবেনা। রিলেশন ঠিক থাকলে ব্যবসা হবেই।"

27/06/2016

মেয়েরা তাদের প্রেমিককেও ভুলতে পারে। কিন্তু যাকে
প্রত্যাখ্যান করে, তাকে জীবনে ভোলে না।

—সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় (আত্মপ্রকাশ)

24/06/2016

""স্টিভ জবস যখন মারা যান তখন
এ্যাপলের ব্যাংক একাউন্টে জমা
ছিলো ৫০ বিলিয়ন ডলারেরও
বেশী"" টেকনোলজির এই প্রফেট বা
রাজপূত্র মুমূর্ষু অবস্থায়
হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে
একেবারে অন্তিম মুহুর্তে জীবন
সম্পর্কে কিছু অসাধারণ কথা
বলেছিলেন-যা জাপানি,
চায়নীজ, হিন্দি, উর্দু, আরবী,
স্প্যানিশ, পর্তুগীজ, রুশ সহ প্রায়
আঠারোটি ভাষায় অনুদিত হয়েছে।
শুধু তাই নয়- শিশুদের মানসিক
উৎকর্ষতা বিধান এবং তাদের সুন্দর
মনন গঠনের লক্ষে একাধিক ভাষায়
স্টিভ জবসের এই অমর কথাগুলো সহ
উনার জীবনী বিভিন্ন দেশের
পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভূক্ত করা
হয়েছে।)
বাণিজ্যিক দুনিয়ায় আমি
সাফল্যের একেবারে সর্বোচ্চ
চুড়োয় আরোহণ করেছি।যা
আপনাদের কাছে সাফল্যের এক
অনুপম দৃষ্টান্ত।কিন্তু,এ কথা ধ্রুব সত্য
কাজের বাইরে আমার সামান্যই
আনন্দ ছিলো। সম্পদের প্রলোভনে
বিভোর ছিলাম সারা জীবন। আজ
মৃত্যুশয্যায় শুয়ে যখন জীবনটাকে
দেখি-তখন আমার মনে হয়, আমার সব
সম্মান, খ্যাতি আর অর্জিত সম্পদ
আসন্ন মৃত্যুর সামনে একেবারেই
ম্লান, তুচ্ছ আর অর্থহীন।এ্যাপলের
বিশাল সাম্রাজ্য আমার নিয়ন্ত্রনে
ছিলো-কিন্তু মৃত্যু আজ আমার
নিয়ন্ত্রণের বাইরে।পৃথিবীর অন্যতম
ধনী ব্যক্তি কবরের বিছানায় শুয়ে
আছে সেটা আদৌ কোনো বড়
ব্যাপার না। প্রতি রাতে নিজের
বিছানায় শুয়ার আগে আমি কি
করলাম -সেটাই আসল ব্যাপার।
অন্ধকার রাতে জীবনরক্ষাকারী
মেশিনের সবুজ বাতিগুলোর দিকে
চেয়ে আমার বুকের গহীনে
হাহাকার করে ওঠে। মেশিনের
শব্দের ভিতরে আমি নিকটবর্তী মৃত্যু
দেবতার নিঃশ্বাস অনুভব করতে
পারি। অনুধাবন করতে পারি-শুধু সম্পদ
না, সম্পদের সাথে সম্পর্কহীন
জিনিসেরও মানুষের অন্বেষণ করা
উচিত।
বেকুবের মতো সম্পদ আহরণই সবকিছুই
নয়- আরো অনেককিছু মানুষের
জীবনে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।আর তা
হলো- মানুষের সাথে সুসম্পর্ক
তৈরী করা,চিত্রকলার সৌন্দর্য্য
উপলব্ধি করা আর তারুণ্যে একটি সুন্দর
স্বপ্ন নিজের হৃদয়ে লালন করা। শুধু
সম্পদের পেছনে ছুটলেই মানুষ আমার
মতো এক ভ্রান্ত মানুষে পরিণত হতে
পারে। ঈশ্বর আমাদের সবার হৃদয়ে
ভালবাসা অনুভব করার জ্ঞান
দিয়েছেন।কেবলমাত্র এই নশ্বর
দুনিয়ায় সম্পদের মোহে জড়িয়ে
পড়ার জন্য নয়। এই যে মৃত্যু শয্যায় শুয়ে
আছি।কই, সব সম্পদতো এই বিছানায়
নিয়ে আসতে পারিনি। শুধু আজ
সাথে আছে ভালোবাসা, প্রেম,
মায়া, মমতার স্ম্বতিগুলোই । এগুলোই
শুধু সাথে থেকে সাহস যোগাবে ,
আলোর পথ দেখাবে। ভালোবাসা
পৃথিবীর সর্বত্র ছড়িয়ে আছে- সম্পদ
না খুঁজে ভালোবাসাও খোঁজে
নিতে হয়। সম্পদ কভু শান্তি আনেনা।
মানুষের প্রতি গভীর মমত্ববোধ আর
ভালোবাসাই শান্তি আনে।
পৃথিবীটাকে দেখো। শুধু সম্পদের
পেছনে ছুটে হাহাকার করলে
জীবনটাকে উপভোগ করতে পারবে
না...
পৃথিবীতে সবচেয়ে দামী
বিছানা কি জানেন? তাহলো-
হাসপাতালের মৃত্য শয্যা। আপনাকে
নিয়ে ঘুরে বেড়ানোর জন্য আপনি
একজন গাড়ি চালক রাখতে পারেন।
আপনার নিযুক্ত কর্মচারীরা আপনার
জন্য অনেক টাকাই আয় করে দিবে।
কিন্তু এটাই সবচেয়ে বড় সত্য গোটা
পৃথিবী চষে, পৃথিবীর সব সম্পদ দিয়ে
দিলেও একজন মানুষও পাবেন না যে
আপনার রোগ বয়ে বেড়াবে।
বৈষয়িক যে কোনো জিনিস
হারালে আপনি পাবেন। কিন্তু
একটা জিনিসই হারালে আর
পাওয়া যায়না তা হলো মানুষের
জীবন। মানুষ যখন অপারেশান
থিয়েটারে যায় তখন সে কেবলি
অনুধাবন করে- কেন জীবনের মূল্যটা
আগে বুঝিনি!! জীবনের যে
স্টেজেই আপনি আজ থাকুন না
কেন- ,মৃত্যু পর্দা আপনার জীবনের
সামনে হাজির হবেই, সাঙ্গ হবে
জীবন। ""তাই, এই নশ্বর জীবনের
পরিসমাপ্তির আগে পরিবারের
জন্য, আপনজনের জন্য, বন্ধুদের জন্য
হৃদয়ে সবসময় ভালোবাসা রাখুন।
নিজের জীবনটাকে ভালোবাসুন।
ঠিক নিজের মতো করে অন্যকেও
ভালোবাসুন""

Address

Mouchak
Dhaka
1200

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Apon Aloy Alokito posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share