12/02/2014
“ডিজিটাল বাংলাদেশ
নির্মাণে সরকারের
ঐতিহাসিক পদক্ষেপ:
সমগ্র বাংলাদেশ
কে ফ্রি ওয়াইফাই
জোনে পরিণত করতে যাচ্ছে টেলিটক”
টেলিটকের
মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণে এক ঐতিহাসিক চুক্তি সম্পাদন করল সরকার। চীন এবং রাশিয়ার কারিগরী ও আর্থিক সহায়তায় সমগ্র বাংলাদেশ
কে ফ্রি ওয়াইফাই জোনে পরিনত করতে যাচ্ছে একমাত্র দেশীয় মোবাইল অপারেটর টেলিটক।
জানা গেছে, এই প্রকল্পের
আওতায় বিদ্যমান ‘টেলিটক
থ্রিজি চালু ও সম্প্রসারণ
এবং টুজি সম্প্রসারণ’
প্রকল্পের
আওতা আরো বাড়ানো হবে। সারা বাংলাদেশের তৃণমুল
পর্যন্ত
পৌছে যাবে টেলিটকের
টুজি এবং ৩.৫জি নেটওয়ার্ক।
এরপরই কাজ বাস্তবায়ন শুরু
হবে টেলিযোগাযোগ খাতের ইতিহাসে বিরল দৃষ্টান্তের
এই প্রকল্পটির।
জানা গেছে, টেলিটকের
থ্রিজি ৬৪ জেলা শহর সহ
সারা দেশের সকল
প্রান্তে পৌছানোর কাজ শেষ
হলে প্রতিটি টাওয়ারের
সাথে একটি করে শক্তিশালী ওয়াইফাই রাউটার স্থাপন
করা হবে। একটি রাউটার
অন্তত ১.৫ বর্গকিলোমিটার
শক্তিশালী ওয়াইফাই
নেটওয়ার্ক কাভারেজ
প্রদানে সক্ষম হবে।
এই ওয়াইফাই হবে সবার
জন্য উন্মুক্ত এবং একদম
ফ্রি। স্পিড প্রাথমিক
ভাবে পাওয়া যাবে অন্তত
২৫৬ কেবিপিএস
যা পরবর্তীতে আরো বৃদ্ধির সুযোগ থাকবে।
গতকাল অনানুষ্ঠানিক
ভাবে রাশিয়া এবং চীনের
পক্ষ থেকে উপস্থিত উর্ধতন
কর্মকর্তাদের
উপস্থিতিতে সাথে প্রায়
৭০০ কোটি টাকা ঋনের প্রাথমিক চুক্তি স্থাপন
করেছে টেলিটক বাংলাদেশ
লিমিটেড,
যা পরবর্তীতে আরো বৃদ্ধি
পাবে।
পরবর্তীতে আনুষ্ঠানিক
ভাবে আজ সকাল ১০ টায়
আরো একটি সমঝোতা চুক্তি
সাক্ষর হয়। চুক্তি সম্পাদন
অনুষ্ঠানে ডাক,
টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রনালয়,
টেলিটক বাংলাদেশ
লিমিটেড,
রাশিয়া এবং চীনের
সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিগণ
উপস্থিত ছিলেন।
আশা করা যাচ্ছে,
এটি বাস্তবায়ন হলে দেশের
১৬ কোটি মানুষ ডিজিটাল
বাংলাদেশের পূর্ণ সুফল
পাবেন। বাংলাদেশ
হয়ে উঠবে আধুনিক, বিজ্ঞানমনষ্ক, মেধাভিত্তিক
ও প্রযুক্তিনির্ভর এক উন্নত
রাষ্ট্র।
Source : http://news.zoombangla.com/ডিজিটাল-বাংলাদেশ-নির্মা/
“ডিজিটাল বাংলাদেশ
নির্মাণে সরকারের
ঐতিহাসিক পদক্ষেপ:
সমগ্র বাংলাদেশ
কে ফ্রি ওয়াইফাই
জোনে পরিণত করতে যাচ্ছে টেলিটক”
টেলিটকের
মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণে এক ঐতিহাসিক চুক্তি সম্পাদন করল সরকার। চীন এবং রাশিয়ার কারিগরী ও আর্থিক সহায়তায় সমগ্র বাংলাদেশ
কে ফ্রি ওয়াইফাই জোনে পরিনত করতে যাচ্ছে একমাত্র দেশীয় মোবাইল অপারেটর টেলিটক।
জানা গেছে, এই প্রকল্পের
আওতায় বিদ্যমান ‘টেলিটক
থ্রিজি চালু ও সম্প্রসারণ
এবং টুজি সম্প্রসারণ’
প্রকল্পের
আওতা আরো বাড়ানো হবে। সারা বাংলাদেশের তৃণমুল
পর্যন্ত
পৌছে যাবে টেলিটকের
টুজি এবং ৩.৫জি নেটওয়ার্ক।
এরপরই কাজ বাস্তবায়ন শুরু
হবে টেলিযোগাযোগ খাতের ইতিহাসে বিরল দৃষ্টান্তের
এই প্রকল্পটির।
জানা গেছে, টেলিটকের
থ্রিজি ৬৪ জেলা শহর সহ
সারা দেশের সকল
প্রান্তে পৌছানোর কাজ শেষ
হলে প্রতিটি টাওয়ারের
সাথে একটি করে শক্তিশালী ওয়াইফাই রাউটার স্থাপন
করা হবে। একটি রাউটার
অন্তত ১.৫ বর্গকিলোমিটার
শক্তিশালী ওয়াইফাই
নেটওয়ার্ক কাভারেজ
প্রদানে সক্ষম হবে।
এই ওয়াইফাই হবে সবার
জন্য উন্মুক্ত এবং একদম
ফ্রি। স্পিড প্রাথমিক
ভাবে পাওয়া যাবে অন্তত
২৫৬ কেবিপিএস
যা পরবর্তীতে আরো বৃদ্ধির সুযোগ থাকবে।
গতকাল অনানুষ্ঠানিক
ভাবে রাশিয়া এবং চীনের
পক্ষ থেকে উপস্থিত উর্ধতন
কর্মকর্তাদের
উপস্থিতিতে সাথে প্রায়
৭০০ কোটি টাকা ঋনের প্রাথমিক চুক্তি স্থাপন
করেছে টেলিটক বাংলাদেশ
লিমিটেড,
যা পরবর্তীতে আরো বৃদ্ধি
পাবে।
পরবর্তীতে আনুষ্ঠানিক
ভাবে আজ সকাল ১০ টায়
আরো একটি সমঝোতা চুক্তি
সাক্ষর হয়। চুক্তি সম্পাদন
অনুষ্ঠানে ডাক,
টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রনালয়,
টেলিটক বাংলাদেশ
লিমিটেড,
রাশিয়া এবং চীনের
সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিগণ
উপস্থিত ছিলেন।
আশা করা যাচ্ছে,
এটি বাস্তবায়ন হলে দেশের
১৬ কোটি মানুষ ডিজিটাল
বাংলাদেশের পূর্ণ সুফল
পাবেন। বাংলাদেশ
হয়ে উঠবে আধুনিক, বিজ্ঞানমনষ্ক, মেধাভিত্তিক
ও প্রযুক্তিনির্ভর এক উন্নত
রাষ্ট্র।