Shiplu and Associates.

Shiplu and Associates. আইনজীবী হিসাবে আইনের সেবা

30/06/2025

চেম্বারে এ নামাজ পড়ার দৃশ্য
চমৎকার

Book, Book and BookThanks mr.KZ
27/08/2024

Book, Book and Book
Thanks mr.KZ

সিলেটে এখন এভারেজ তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রি। বৃষ্টি হয় মাঝেমধ্যে ।গাছের গুরুত্ব ।সাফা ফাউন্ডেশন
26/04/2024

সিলেটে এখন এভারেজ তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রি। বৃষ্টি হয় মাঝেমধ্যে ।
গাছের গুরুত্ব ।

সাফা ফাউন্ডেশন

Me
25/04/2024

Me

05/05/2021

আইন পেশার জন্য একটি অশনিসংকেতঃ-
এখন সময় বদলেছে-আইনজীবীদের "আইনজীবী সহকারী" ! যারা কি-না আমাদের কেরানি কিংবা মহুরি তাদের কার্য্যক্রম নিয়ে সবাই আমরা কম বেশী জানি কিন্তু নিশ্চুপ! আইনজীবী সহকারীরা এখন মামলার মালিক হয়ে নিজেরাই চেম্বার করছেন, মামলা রিসিভ করছেন, টাকা পয়সা লেনদেন করছেন। মামলার প্রয়োজনে সিনিয়র-জুনিয়র দিয়ে শুনানি করাচ্ছেন, আবার দিন শেষে মামলার নথিপত্র নিজের তত্ত্বাবধানে নিয়ে যথারীতি বাসা-বাড়িতে চেম্বার করছেন! অথচ আমরা সিনিয়র জুনিয়র আইনজীবীগন তাদের (?) নিযুক্ত দূই পয়সার উকিল বনে যাচ্ছি। আইনজীবীগন নতুন মামলার স্বপ্নে সকাল সন্ধ্যা ডাবল চেম্বার করছেন। কিন্তু রক্ষকই যে ভক্ষক! 'আইনজীবী সহকারী' কার্ডধারী কেরানিরাই এখন আইন পেশার জন্য বিষফোঁড়া-ুএকটি অশনিসংকেত। বার কাউন্সিল এসব জানেন নিশ্য়ই ! জেলা আইনজীবী সমিতিগুলো অষ্টম শ্রেণি পাশ করা এই কেরানি গুলোকেই কি পরবর্তী প্রজন্মের জন্য সিনিয়র আইনজীবী বানিয়ে যাচ্ছেন? হায়রে আইন পেশা ! হায়রে আইন মন্রক ! হায়রে বার কাউন্সিল ! হায়রা বিচার বিভাগ! হায়রে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা! হায়রে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা! হায়রে আগামী প্রজন্ম! চেয়ে চেয়ে দেখো-আইন পেশার মর্যাদা কোথায় গিয়ে দাড়ায়! ভবিষ্যতে আমরা কি সিনিয়র আইনজীবী হচ্ছি না-কি সিনিয়র সহকারী হচ্ছি!!!!!!

25/04/2021

পু‌রো কোর্ট সি‌স্টেমটা ডি‌জিটাল করা হ‌লে এবং ইফাই‌লিং, ইন‌থি, ইডেট, ইবেইল, ইঅর্ডার সি‌স্টেম চালু করা হ‌লে কোন আইনজীবীই ভাচুয়াল কো‌র্টের বিরু‌দ্ধে যা‌বে না।

24/04/2021

Shiplu & Associates "Law " Chambers.
Head of Chambers
Md.Shiplu Rahman
Criminal lawyer
Advocate
Districts and Sessions judge court Dhaka, Bangladesh.
Membership no :16199.
Districts and Sessions judge court, Naogaon. Rajshahi, Bangladesh
Membership no: 369.

08/04/2021

করোনা মোকাবেলায় বঙ্গবন্ধুকন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা'র পদক্ষেপঃ

★ব্যাংক, এনজিওর ৬ মাসের লোনের কিস্তি স্থগিত;
★স্কুল কলেজ মাদ্রাসা বিশ্ববিদ্যালয় ১৪ দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা;
★গ্যাস বিদ্যুৎ বিল তিন মাস স্থগিত;
★দেশের মানুষের স্বার্থে নববর্ষের অনুষ্ঠান বাতিল এবং সেই টাকা কোরোনা রোগীদের জন্য সরঞ্জাম ক্রয় করতে আদেশ;
★আগামী ২ মাসের বাড়ি ভাড়া মওকুপের জন্য সকল বাড়িওয়ালাদের আদেশ।
★সকল প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানকে তাদের কর্মচারীদের ১ মাসের ছুটি এবং বেতন দেয়ার আদেশ।
★১ লক্ষ দিন মজুরদের ১ মাসের খাবার দ্রব্যাদি দেয়ার জন্য সেনাবাহিনী নিয়োজিত থাকবে।

★এছাড়াও করোনা মোকাবেলার জন্য ১০০ কোটি থেকে
এখন ৫০০০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।

06/04/2021

বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ এক রায়ে বলেছেন, ‘কোনো আসামির ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দেয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি স্বেচ্ছাপ্রণোদিত ও সত্য হলে ৩৪২-এর সময় নির্দোষ দাবি করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রত্যাহারের আবেদন আইনের চোখে গ্রহণযোগ্য নয়। তাদের এ আবেদন আইনের দৃষ্টিতে মূল্যহীন।’

সকিনা বেগম ও সোহেল হত্যা মামলায় দুই আসামির ফাঁসির সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়ে গত বছরের ২১ অক্টোবর দেয়া রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।

আপিল বিভাগের ২৬ পৃষ্ঠার এ রায় সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টের নিজস্ব ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে। মূল রায়টি লিখেছেন বিচারপতি ওবায়দুল হাসান। প্রধান বিচারপতিসহ বেঞ্চের অন্য তিন বিচারপতি এতে সমর্থন দিয়েছেন।

১৬ বছর আগে ২০০৫ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি কামরাঙ্গীরচর থানায় করা সকিনা বেগম ও সোহেল হত্যা মামলায় প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে চার সদস্যের বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত আপিল বিভাগের বেঞ্চ এ সিদ্ধান্ত দিয়েছেন।

আপিল বিভাগের রায়ে বলা হয়, ‘এটা প্রতিষ্ঠিত নীতি যে, স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি স্বেচ্ছাপ্রণোদিত ও সত্য হলে সাজা দেয়ার জন্য অন্য কোনো সমর্থক সাক্ষ্য-প্রমাণের প্রয়োজন নেই। এই মামলায় প্রত্যক্ষদর্শী কোনো সাক্ষী নেই। এখানে সাজা দেয়ার ক্ষেত্রে একমাত্র ভিত্তি হলো আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি।’

‌‘এ মামলায় দুই আসামি যে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে তা স্বেচ্ছাপ্রণোদিত ও সত্য। এ কারণে হাইকোর্ট সঠিকভাবেই সিদ্ধান্ত দিয়েছে।’

আদালত আরও বলেন, ‘এই মামলায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদানকারী আসামিরা ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় বক্তব্য দেয়ার সময় নিজেদেরকে নির্দোষ দাবি করেছে।’

তারা বলেছেন যে, ‘পুলিশ ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে বাধ্য করেছে। তারা নির্দোষ।’

আদালত বলেন, ‘কিন্তু স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়ার সময় তারা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পুলিশের বিরুদ্ধে এ ধরনের কোনো অভিযোগ করেননি।’

‘সুতরাং তাদের দেয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি স্বেচ্ছাপ্রণোদিত ও সত্য বলেই প্রতীয়মান হয়। তাই ৩৪২-এর সময় নির্দোষ দাবি করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রত্যাহারের আবেদন আইনের চোখে গ্রহণযোগ্য নয়। তাদের এ আবেদন আইনের দৃষ্টিতে মূল্যহীন।’

মামলার নথি থেকে জানা যায়, সখিনা বেগম নামে এক নারী ও তার ছেলে সোহেলকে হত্যার অভিযোগে শেফালী বেগম ২০০৫ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি থানায় আফসার আলী শেখসহ চারজনকে আসামি করে মামলা করেন।

এ মামলায় পুলিশ মো. আফসার আলী শেখকে গ্রেফতার করে। আফসার আলী শেখের তথ্যের ভিত্তিতে মো. আব্দুল মান্নান, নুর আলম, মো. আবুল হোসেন ও মাইকেল ফারুককে গ্রেফতার করা হয়। এদের মধ্যে আফসার ও মান্নান আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পুলিশ তদন্ত শেষে ওই বছরের ১৯ এপ্রিল ৫ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয়। এ মামলায় বিচার শেষে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল ২০০৬ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি ৫ আসামিকেই মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করে রায় দেন।

এরপর মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য হাইকোর্টে ডেথ রেফারেন্স পাঠানো হয়। আর কারাবন্দী আসামিরা আপিল করেন। উভয় আবেদনের ওপর শুনানি শেষে হাইকোর্ট স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়া আফসার শেখ ও আব্দুল মান্নানের মৃত্যুদণ্ড বহাল আর অন্য তিন আসামিকে খালাস দিয়ে ২০১১ সালের ১৬ নভেম্বর রায় দেন।

এ রায়ের পর আফসার শেখ ও আব্দুল মান্নান আপিল বিভাগে ২০১২ সালে আপিল করেন। তাদের আপিলের ওপর শুনানি শেষে ২০২০ সালের ২১ অক্টোবর রায় দেন আপিল বিভাগ। রায়ে দুই আসামির সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়।

রায়ে বলা হয়, ‘যেহেতু আসামিরা কনডেম সেলে ১৪ বছর ধরে মৃত্যু যন্ত্রণা ভোগ করছে। তাই তাদের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হলো।’

Address

Dhaka
6500

Telephone

01715637390

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shiplu and Associates. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share