শেষ চিঠি 𝐋𝐚𝐬𝐭 𝐥𝐞𝐭𝐭𝐞𝐫

শেষ চিঠি 𝐋𝐚𝐬𝐭 𝐥𝐞𝐭𝐭𝐞𝐫 Social media

প্রায় তিন লক্ষ চুরাশি হাজার কিলোমিটার (৩৮৪০০০ কিমি) দূরে অবস্থিত চাঁদ হতে  Artemis II এর নভোচারিরা এই ছবি তুলেছেন যেখানে...
08/04/2026

প্রায় তিন লক্ষ চুরাশি হাজার কিলোমিটার (৩৮৪০০০ কিমি) দূরে অবস্থিত চাঁদ হতে Artemis II এর নভোচারিরা এই ছবি তুলেছেন যেখানে চাঁদ এবং পৃথিবী একই ফ্রেমে। দূর থেকে চাঁদ যত সুন্দর, কাছ থেকে আসলেই তেমনটা নয়। তবুও চাঁদ আমাদের মনে সৌন্দর্যের এক অনন্য প্রতীক হিসেবেই আছে এবং থাকবে। মায়েরা এই চাঁদ মামাকেই বলবে বাচ্চার কপালে টিপ দিয়ে যেতে।

একাত্তরের দক্ষিণ পশ্চিম রণাঙ্গনের অকুতোভয় গেরিলা যোদ্ধা এবং চুয়াডাঙ্গার সূর্যসন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুজ্জামান নান্টু...
26/02/2026

একাত্তরের দক্ষিণ পশ্চিম রণাঙ্গনের অকুতোভয় গেরিলা যোদ্ধা এবং চুয়াডাঙ্গার সূর্যসন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুজ্জামান নান্টু আমাদের ছেড়ে চিরবিদায় নিয়েছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)।
​মাতৃভূমির তরে নিবেদিত এই মহানায়কের বিদায়ে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। আল্লাহ ওনাকে জান্নাতবাসী করুন এবং তাঁর স্মৃতির প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা ও অতল ভালোবাসা।

২১শে ফেব্রুয়ারি-মাধ্যমিক জীবনে দিনটা ছিল অন্যরকম এক উত্তেজনার।রাত গভীর হলে চুপিচুপি ফুল তোলা, বন্ধুদের সঙ্গে ফিসফিস হাসি...
21/02/2026

২১শে ফেব্রুয়ারি-মাধ্যমিক জীবনে দিনটা ছিল অন্যরকম এক উত্তেজনার।
রাত গভীর হলে চুপিচুপি ফুল তোলা, বন্ধুদের সঙ্গে ফিসফিস হাসি, তারপর সেই ফুল নিয়ে শহীদ মিনারের পথে হাঁটা।
সব ফুলই যে মিনারে দিতাম, তা নয়-কখনও কারও জন্য অপেক্ষা, কখনও অকারণ ভালো লাগা…
নামে শহীদদের স্মরণ করতাম, কিন্তু ভেতরের আনন্দটা ছিল আমাদের কিশোর মনেই।
আজ ভাবি-এ প্রজন্মও অনেক সময় একই ভুল করে।
কারণ, কিশোর-কিশোরীর বেড়ে ওঠার সেই সংবেদনশীল সময়ে ইতিহাসের গভীরতা তাদের হৃদয়ে ঠিকভাবে পৌঁছে দেওয়া হয় না।
তাদের চোখে দিনটি হয়ে ওঠে উৎসব, কিন্তু ভেতরের রক্তাক্ত অধ্যায় অদেখাই থেকে যায়।
একসময় এই দিন ছিল আতঙ্ক আর আত্মত্যাগের দিন।
গুলির শব্দে পাখিরা ডাল ছেড়ে উড়ে যেত ভয়ে,
আর জাতির বীর সন্তানেরা বুক পেতে দাঁড়িয়েছিল বুলেটের সামনে।
রক্ষা করেছিল আমার, আপনার, আমাদের সবার প্রিয় ভাষা
মায়ের ভাষা, মাতৃভাষা, আমাদের বাংলা ভাষা।
তাদের ত্যাগ আর মহিমার বিনিময়ে আজ আমরা স্বাধীনভাবে উচ্চারণ করি বাংলা শব্দ,
লিখি আমাদের অনুভূতি, গাই আমাদের গান।
গভীর শ্রদ্ধা ও বিনম্র কৃতজ্ঞতায় স্মরণ করছি
মাতৃভাষার জন্য প্রাণ উৎসর্গ করা সকল শহীদদের।
শ্রদ্ধায় নত, বাংলা ভাষার কাছে,
আর সেই রক্তাক্ত ফেব্রুয়ারির কাছে।

2 Legends... 🏏&⚽....all over the world..
15/12/2025

2 Legends... 🏏&⚽....all over the world..

শঙ্খমালা— জীবনানন্দ  দাশকান্তারের পথ ছেড়ে সন্ধ্যার আঁধারেসে কে এক নারী এসে ডাকিল আমারে,বলিল, তোমারে চাই:বেতের ফলের মতো ন...
11/12/2025

শঙ্খমালা
— জীবনানন্দ দাশ

কান্তারের পথ ছেড়ে সন্ধ্যার আঁধারে
সে কে এক নারী এসে ডাকিল আমারে,
বলিল, তোমারে চাই:
বেতের ফলের মতো নীলাভ ব্যথিত তোমার দুই চোখ
খুঁজেছি নক্ষত্রে আমি- কুয়াশার পাখনায়-

সন্ধ্যার নদীর জলে নামে যে আলোক
জোনাকির দেহ হতে-খুজেছি তোমারে সেইখানে-
ধূসর পেচার মতো ডানা মেলে অঘ্রাণের অন্ধকারে
ধানসিড়ি বেয়ে-বেয়ে
সোনার সিঁড়ির মতো ধানে আর ধানে
তোমারে খুঁজছি আমি নির্জন পেঁচার মতো প্রাণে।

দেখিলাম দেহ তার বিমর্ষ পাখির রঙে ভরা;
সন্ধ্যার আঁধারে ভিজে শিরীষের ডালে যেই পাখি দেয় ধরা-
বাঁকা চাঁদ থাকে যার মাথার উপর,
শিঙের মতন বাঁকা নীল চাঁদ শোনে যার স্বর।

কড়ির মতন সাদা মুখ তার;
দুইখানা হাত তার হিম;
চোখে তার হিজল কাঠের রক্তিম
চিতা জ্বলে: দক্ষিণ শিয়রে মাথা শঙ্খমালা যেন পুড়ে যায়
সে আগুনে হায়।

চোখে তার
যেন শত শতাব্দীর নীল অন্ধকার!
স্তন তার
করুণ শঙ্খের মতো – দুধে আর্দ্র-কবেকার শঙ্খিনীমালার!
এ পৃথিবী একবার পায় তারে, পায় নাকো আর।

পার্থক্য...মানুষ ও কুকুর......
03/12/2025

পার্থক্য...
মানুষ ও কুকুর......

মা গরুকে জবা+ই করে গরুর মুখটা ঝুলিয়ে রেখেছিল কসাই। মা'কে খুঁজতে খুঁজতে এই রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলো বাচ্চা গরুটা। মায়ের চেহার...
22/08/2025

মা গরুকে জবা+ই করে গরুর মুখটা ঝুলিয়ে রেখেছিল কসাই। মা'কে খুঁজতে খুঁজতে এই রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলো বাচ্চা গরুটা। মায়ের চেহারা দেখে সেদিকে এগিয়ে যায় বাচ্চা গরুটা। আদর পেতে বাচ্চা গরুটা মা গরুর মুখের সাথে মুখ লাগায়। মায়ের শরীরের ঘ্রাণ নেয়। বাচ্চাটার জানার কথা নয় তার মা আজ থেকে তাকে আর আদর করতে পারবে না। কারণ মা তার এখন মানুষের খাবার।
©

(এখানে যেকোন প্রানীই থাকতে পারতো, একটা ছাগলও হতে পারতো বা অন্য কোন পশু!)

বন্ধুত্ব তো এমনি হয়!মাইলস্টোনে দূর্ঘটনার পর বেঁচে যাওয়া একজনছাত্র তার আহত বন্ধুকে ক্লাসরুম থেকে ফিরিয়েআনতে গিয়েছিল।ফায়ার...
22/07/2025

বন্ধুত্ব তো এমনি হয়!

মাইলস্টোনে দূর্ঘটনার পর বেঁচে যাওয়া একজন
ছাত্র তার আহত বন্ধুকে ক্লাসরুম থেকে ফিরিয়ে
আনতে গিয়েছিল।
ফায়ার ব্রিগেডের অফিসার বাধা দিয়ে বললেন,
এর কোনো লাভ নেই!
তোমার বন্ধু অবশ্যই মারা যাবে।

কিন্তু ছাত্রটি তখনও গিয়ে তার বন্ধুকে একা একা ফিরিয়ে আনল।
মৃতদেহ দেখে ফায়ার ব্রিগেডের অফিসার বলে, আমি তোমাকে বলেছিলাম এর কোন মূল্য নেই।
সে মারা গেছে।

ছাত্রটি উত্তর দেয়, না স্যার, এটা সত্যিই মূল্যবান ছিল। যখন আমি তার কাছে গেলাম, সে তখনও জীবিত ছিলো-আমার বন্ধু আমাকে দেখে হাসল এবং তার শেষ কথাটা বলল --

❝আমি জানতাম তুমি আসবে❞।

এই ইউনিফর্ম দেশকে আগলে রাখার 🇧🇩🙌এই ইউনিফর্ম মা-বোনদের সম্মান অক্ষত রাখার..❤️‍🩹
22/07/2025

এই ইউনিফর্ম দেশকে আগলে রাখার 🇧🇩🙌
এই ইউনিফর্ম মা-বোনদের সম্মান অক্ষত রাখার..❤️‍🩹

কারবালার হৃদয়বিদারক ঘটনা এবং একজন ইমাম হুসাইন (রাঃ) এর শেষ আহ্বান ... কারবালার ময়দানে সংঘটিত হয়েছিলো -মানব ইতিহাসের এ...
06/07/2025

কারবালার হৃদয়বিদারক ঘটনা এবং
একজন ইমাম হুসাইন (রাঃ) এর শেষ আহ্বান ...

কারবালার ময়দানে সংঘটিত হয়েছিলো -
মানব ইতিহাসের এক অতি মর্মস্পর্শী ও অবিস্মরণীয় ঘটনা।

ফোরাত নদীর তীরে, ইমাম হুসাইন (রাঃ) এর সঙ্গী ও পরিবার পরিজন একে একে যখন ইয়াজিদ বাহিনীর তীরের,বল্লমের কিংবা তলোয়ারের আঘাতে শাহাদাত বরণ করছিলেন, তখন ইমাম হুসাইন (রাঃ) একাকী দাঁড়িয়েছিলেন ইয়াজিদ বাহিনীর সামনে !

ঐতিহাসিকদের মতে, ইয়াজিদ বাহিনীর ২২ হাজার সৈন্যের মধ্যে প্রায় ৭ হাজার হাফেজ (যারা কুরআন মুখস্থ করেছেন) এবং ৩ হাজার মুফতি (ইসলামী আইন বিশেষজ্ঞ) ছিলেন ! ভাবতেও অবাক লাগে ! এ-ও কী সম্ভব !

এই তথ্যটি কারবালা দিনে সংঘটিত ঘটনাগুলিকে প্রবলভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করে ! শুধু তাই নয়, ঘটনাগুলির ভয়াবহতা সে সময়কার মুসলিম উম্মাহর অনৈক্য, চিন্তার বৈপরীত্য আর নেতৃবৃন্দের পারস্পরিক নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গীকেও একেবারে স্পষ্ট করে তোলে ! যা আজও দেখছে বিশ্ববাসী !

একের পর এক আপনজন হারানোর পর, হত্যার পর ইমাম হুসাইন (রাঃ) যখন একাকী হয়ে পড়লেন, তখন তাঁর মুখ থেকে যে কথাগুলি উচ্চারিত হয়েছিলো, তা ইতিহাসে অমর হয়ে আছে এবং আজও তা মুসলিম উম্মাহকে গভীরভাবে নাড়া দেয়।

ইয়াজিদ বাহিনীর দিকে তাকিয়ে তিনি প্রশ্ন করেছিলেন:
"তোমরা আমাকে কেন হত্যা করতে চাও? আমি কি কোনো পাপ বা অপরাধ করেছি?"

প্রশ্নের জবাবে ইয়াজিদ বাহিনী নীরব পাথরের মতো দাঁড়িয়ে রইলো ! কোনো উত্তর তাদের কাছ থেকে এলো না।

ইমাম হুসাইন (রাঃ) আবারও প্রশ্ন করলেন:
"আমাকে হত্যা করলে আল্লাহর কাছে কী জবাব দেবে? বিচার দিবসে প্রিয় নবী (সাঃ)-এর কাছে কী জবাব দেবে?"

ইয়াজিদ বাহিনী তখনও নির্বাক !
তাদের নীরবতা যেনো এক গভীর অপরাধবোধের প্রতিচ্ছবি।

এরপর ইমাম হুসাইন (রাঃ) তাঁর বিখ্যাত আহ্বান জানালেন:
"হাল মিন নাসরিন ইয়ানসুরুনা ? আমাদের সাহায্য করার মতো কি তোমাদের মাঝে একজনও নেই ?"

এটি ছিলো তাঁর শেষ দিকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আহ্বান।
কিন্তু, তার পরের আহ্বানটি ছিলো একান্তই হৃদয়বিদারক:

"আমার কথা কি তোমরা শুনতে পাও না?
তোমাদের মাঝে কি একজনও মুসলমান নেই?"

এটি কেবল একটি প্রশ্ন ছিলো না !
এটি ছিলো বিশ্বাস, নৈতিকতা আর প্রকৃত মুসলমানিত্বের এক চরম অগ্নিপরীক্ষা !

ইমাম হুসাইন (রাঃ) এর এই আহ্বানের মুখে মুসলিম নামধারী ইয়াজিদ বাহিনী কোনো জবাব দিতে পারলো না ! কারবালার পুরো ময়দান যেনো এই প্রশ্নের ভারে নীরব-নিস্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলো সেদিন !

ইমাম হুসাইন (রাঃ) এর এই শেষ ভাষণটি শুধুমাত্র একটি ছোট্ট বাক্য হলেও এর মনস্তাত্বিক আর দার্শনিক গভীরতা ছিলো অপরিসীম। তিনি যেন স্পষ্ট করে দেখিয়ে দিয়ে গেলেন - কে আসল মুসলমান আর কে নকল !

ইয়াজিদ বাহিনীতে কোনো হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, প্যাগান বা অন্য কোনো ধর্মের অনুসারী ছিলো না। এদের সবাই ছিলো মুসলমান। তবু ইমাম হুসাইন (রাঃ) -কে প্রশ্ন করতে হয়েছিলোঃ

"তোমাদের মাঝে কি একজনও মুসলমান নেই?"

এই প্রশ্নটিই প্রমাণ করে যে, সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা 'মুসলমান' নামধারীদের মধ্যে প্রকৃত অর্থে একজনও খাঁটি মুসলমান ছিলো না !

ইমাম হুসাইন (রাঃ) তাঁর শাহাদাতের মাধ্যমে পৃথিবীকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে গেলেন যে, যারা সেদিন তাঁর বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিলো, তাদের সবাই ছিলো - শুধু নামেই মুসলমান, আত্মায় নয় ! তাদের এই আচরণ ছিলো - প্রকৃত ইসলাম থেকে বিচ্যুত হওয়ারই প্রমাণ !

সংগৃহীত

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when শেষ চিঠি 𝐋𝐚𝐬𝐭 𝐥𝐞𝐭𝐭𝐞𝐫 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share