মোল্লা হজ্ব & উমরাহ ট্রাভেলস

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • মোল্লা হজ্ব & উমরাহ ট্রাভেলস

মোল্লা হজ্ব & উমরাহ ট্রাভেলস 🕌 Hajj & Umrah Services
✈️ Air Ticket | 🏨 Hotel | 🚐 Transport
🤝 বিশ্বস্ত সেবা, সঠিক গাইডলাইন
📞 Contact: +8801626659698
👉 বিশ্বাসের সাথে পবিত্র সফর

09/05/2026
আলহামদুলিল্লাহ মুয়াল্লিম ও হাজীদের কল্যানে.....
07/05/2026

আলহামদুলিল্লাহ
মুয়াল্লিম ও হাজীদের কল্যানে.....

05/05/2026

*আলহামদুলিল্লাহ, সু- খবর*
🕋 আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু--
অত্যন্ত আনন্দ ও খুশির সাথে জানানো যাচ্ছে-✨
আগামী ২১শে জিলহজ্ব থেকে আবারও শুরু হতে যাচ্ছে পবিত্র ওমরাহ ভিসা কার্যক্রম, আলহামদুলিল্লাহ।
💫 এবার আপনার স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার সময়...
পবিত্র -Haram-এর সান্নিধ্যে গিয়ে নিজেকে আল্লাহর রহমতের ছায়ায় সোপর্দ করুন।
ইবাদত, দোয়া ও আত্মশুদ্ধির মাধ্যমে কাটান জীবনের সবচেয়ে বরকতময় কিছু মুহূর্ত।
🤝 সম্মানিত হাজীগণ, গ্রুপ লিডার ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি আন্তরিক আহ্বান—
আসন্ন ওমরাহ মৌসুমের জন্য এখনই প্রস্তুতি নিন।
আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ-
আপনাদের প্রতিটি সফর হবে নিরাপদ, স্বাচ্ছন্দ্যময় ও স্মরণীয়, ইনশা আল্লাহ।
🤲 আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকলের নিয়ত, ইবাদত ও সফর কবুল করুন, আমিন।
━━━━━━━━━━━━━━━
🌐 Molla Hajj Travels
🕋 Hajj, Umrah & Global Travel Management
━━━━━━━━━━━━━━
📌 Visa | Tour Package | Travel Support
━━━━━━━━━━━━━━━
📍 অফিস ঠিকানা:
১০৪,গ্রীনরোড, ক্যাপিটাল সুপার মার্কেট (৩য় তলা),ফার্মগেট, ঢাকা-১২১৫।

📞 যোগাযোগ:
☎️ 01626659698

━━━━━━━━━━━━━━━
✨ বিশ্বস্ততা • অভিজ্ঞতা • আন্তরিক সেবা
🕋 আপনার পবিত্র সফরের নির্ভরযোগ্য সঙ্গী

রিযিক বন্ধ হয়ে যাওয়ার ২০টি গুনাহ!১. সু/দ (Riba):যে ব্যবস্থার বিরুদ্ধে আল্লাহ নিজেই যু/দ্ধ ঘোষণা করেছেন, সেখানে কখনো বারক...
02/05/2026

রিযিক বন্ধ হয়ে যাওয়ার ২০টি গুনাহ!
১. সু/দ (Riba):
যে ব্যবস্থার বিরুদ্ধে আল্লাহ নিজেই যু/দ্ধ ঘোষণা করেছেন, সেখানে কখনো বারকাহ আসতে পারে না।
📖 রেফারেন্স: সূরা আল-বাকারা ২৭৯ — “আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের পক্ষ থেকে যুদ্ধের ঘোষণা।”

২. অকৃতজ্ঞতা:
যে রিযিককে তুমি তুচ্ছ করো, সেটাই ধীরে ধীরে তোমার হাত থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়।
📖 রেফারেন্স: সূরা ইবরাহীম ৭ — “কৃতজ্ঞ হলে বাড়িয়ে দেব, অকৃতজ্ঞ হলে শাস্তি কঠিন।”

৩. আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা:
রিযিকের সাথে আত্মীয়তার সম্পর্ক সরাসরি যুক্ত। সম্পর্ক কেটে দিলে রিযিকের দরজা বন্ধ হয়।
📖 হাদিস: “যে রিযিক বাড়াতে চায়, সে যেন আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখে।”
— বুখারি ৫৯৮৬

৪. অসততা:
ব্যবসায় মিথ্যা বললে সাময়িক লাভ হতে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে রিযিক নষ্ট হয়।

৫. প্রতারণা:
কারও হক মেরে খেলে প্রতিটি হা/রাম টাকা জীবনে অভাব ডেকে আনে।
📖 হাদিস: “যে প্রতারণা করে, সে আমার উম্মতের মধ্যে নয়।” — মুসলিম ১০২

৬. সালাত অবহেলা:
আজান—সালাত গুরুত্বহীন মনে করলে রিযিকের বারকাহ কমে যায়।
📖 হাদিস: “রিযিক সালাতে আছে।”
— সহিহ অর্থে বহু বর্ণনায় প্রমাণিত

৭. গীবত:
অন্যের পিঠ পেছনে খারাপ বলা তোমার নিজ জীবনের বারকাহ খেয়ে ফেলে।
📖 সূরা হুজুরাত ১২

৮. অহংকার:
রিযিক উপহার, প্রমাণ নয় যে তুমি শ্রেষ্ঠ।
অহংকার আসমানের দরজা বন্ধ করে দেয়।
📖 হাদিস: “যার অন্তরে অহংকারের অণু পরিমাণ থাকে, সে জান্নাতে যাবে না।”
— মুসলিম ৯১

৯. যাকাত আটকে রাখা:
যাকাত না দিলে সম্পদ অপবিত্র হয়ে যায় এবং ধ্বংস হতে থাকে।
📖 সূরা তাওবা ৩৪-৩৫

১০. কর্মচারীদের ওপর জুলুম:
যাদের তোমার ওপর কিছুটা অধিকার আছে, তাদের হক না দিলে রিযিক শুকিয়ে যায়।
📖 হাদিস: “মজদুরের মজুরি ঘাম শুকানোর আগেই পরিশোধ করো।”
— ইবনে মাজাহ ২৪৪৩

১১. বেচাকেনায় প্রতারণা বা জিনিসের দোষ লুকানো:
এতে সম্পদের বারকাহ সম্পূর্ণ তুলে নেওয়া হয়।

১২. লোভ:
যে শুধু আরও আরও চায় কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ বলে না—সে শেষ পর্যন্ত কম পায়।
📖 হাদিস: “মানুষের মন যদি দুই পাহাড় ভরা সম্পদ পায়, তবুও সে তৃতীয়টি চাইবে।”
— বুখারি ৬৪৩৯

১৩. বাবা-মাকে অবহেলা:
তোমার রিযিক তাদের দোয়া বা অভিশাপের সাথে জড়িত।
📖 হাদিস: “রিযিক ও আয়ু বাড়ে বাবা-মাকে সন্তুষ্ট রাখলে।”
— মুসলিম (হাসান সনদে বহু রেওয়ায়েতে প্রমাণিত)

১৪. জুলুম করে সম্পদ অর্জন:
জুলুমের সম্পদে কোনো বারকাহ নেই, বরং ধ্বংস ডেকে আনে।

১৫. সদকা অবহেলা:
সদকা কখনো সম্পদ কমায় না, বরং বাড়ায়।
📖 হাদিস: “সদকা সম্পদ কমায় না।”
— মুসলিম ২৫৮৮

১৬. হিংসা:
অন্যের রিযিক দেখে মন খারাপ করা নিজের রিযিকের দরজা বন্ধ করে দেয়।

১৭. নারীদের ও বাচ্চাদের প্রতি জুলুম:
যাদের যত্নের অধিকার সবচেয়ে বেশি, তাদের প্রতি অন্যায় করলে রিযিক উঠে যায়।

১৮. মিথ্যা কসম খাওয়া:
টাকা বা ব্যবসার জন্য মিথ্যা শপথ বারকাহ পুড়িয়ে ফেলে।
📖 বুখারি ২০৮৭

১৯. অলসতা:
রিযিক চেষ্টা করা মানুষের কাছে আসে। যারা চেষ্টা করে না, ভাগ্যও দরজা খোলে না।

২০. তাকদির নিয়ে অসন্তুষ্টি:
আল্লাহর সিদ্ধান্ত নিয়ে অভিযোগ করা ভবিষ্যতের রিযিকের দরজা বন্ধ করে দেয়।
📖 হাদিস: “আল্লাহর সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট থাকলে সে হৃদয়কে পরিপূর্ণ করেন।”
— তিরমিজি ২৫১০

এক নজরে ওমরার বর্ণনা! শরু হয়েছে হজের সফর। সারাবিশ্ব থেকে লাব্বাইক ধ্বনিতে পবিত্র নগরী মক্কার দিকে যাচ্ছে মুমিন মুসলমান ন...
28/04/2026

এক নজরে ওমরার বর্ণনা!

শরু হয়েছে হজের সফর। সারাবিশ্ব থেকে লাব্বাইক ধ্বনিতে পবিত্র নগরী মক্কার দিকে যাচ্ছে মুমিন মুসলমান নর-নারী। যাদের অনেকেই মক্কা গিয়েই আদায় করবেন ওমরা। হজের আগে নারী-পুরুষের ওমরা পালনের ধারাবাহিক নিয়মগুলো যেমন জেনে নেয়া জরুরি। তেমনি ওমরার রোকনগুলোতে পড়া দোয়া গুলোও জেনে নেয়া জরুরি।

ওমরা আদায়ে নারী-পুরুষের জন্য রয়েছে নির্ধারিত ৪টি কাজ ও গুরুত্বপূর্ণ দোয়া। ৪টি কাজ সম্পাদনে নারী পুরুষের জন্য রয়েছে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা। যা তুলে ধরা হলো-

>> ইহরাম বাধা।
>> কাবা শরিফ (৭ চক্করে) তাওয়াফ করা।
>> সাফা-মারওয়া সাঈ করা।
>> হলক করা। পুরুষরা পুরো মাথার চুল ছোট করবে বা মুণ্ডন করবে আর নারীরা চুলে আগা কর্তন করার মাধ্যমে হালাল হয়ে যাবে।

নারী-পুরুষের ওমরার ধারাবাহিক বিস্তারিত নিয়ম ও দোয়া

প্রথম কাজ : ইহরাম বাঁধা (ফরজ)

নির্ধারিত মিকাত থেকে (সম্ভব হলে) গোসল করে অথবা অজু করে নেয়া। পুরুষরা সেলাইবিহীন ২টি কাপড় পরবে। আর নারীরা পর্দাসহ শালীন পোশাক পরবে। অতঃপর ২ রাকাআত নামাজ পড়ে ইহরামের নিয়ত করে নেবে-
اَللَّهُمَّ اِنِّي اُرِيْدُ العُمْرَةَ فَيَسِّرْهُ لِيْ وَ تَقَبَّلْهُ مِنِّي
উচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মা ইন্নি উরিদুল উমরাতা ফাইয়াসসিরহু লি ওয়া তাকাব্বালহু মিন্নি’
অর্থ : হে আল্লাহ! আমি ওমরার ইচ্ছা করছি; আপনি আমার জন্য তা সহজ করে দিন এবং আমার পক্ষ থেকে তা কবুল করুন।’

অতঃপর তালবিয়া পড়বে (১ বার তালবিয়া পড়া শর্ত)
لَبَّيْكَ اَللّهُمَّ لَبَّيْكَ – لَبَّيْكَ لاَ شَرِيْكَ لَكَ لَبَّيْكَ – اِنَّ الْحَمْدَ وَالنِّعْمَةَ لَكَ وَالْمُلْكَ – لاَ شَرِيْكَ لَكَ

উচ্চারণ : ‘লাব্বাইকা আল্লা-হুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইকা লা শারিকা লাকা লাব্বাইক, ইন্নাল হামদা ওয়ান্‌নিমাতা লাকা ওয়ালমুল্‌ক, লা শারিকা লাক।’

তালবিয়ার সঙ্গে সঙ্গে এ দোয়াটিও পড়বে-
اَللَّهُمَّ اِنِّيْ اَسْئَلُكَ رِضَاكَ وَ الْجَنَّةَ وَ اَعُوْذُبِكَ مِنْ غَضَبِكَ وَ النَّارِ
উচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা রিদাকা ওয়াল জান্নাতা ওয়া আউ’জুবিকা মিন গাদাবিকা ওয়ান্নারি’
অর্থ : ‘হে আল্লাহ! আমি আপনার সন্তুষ্টি ও জান্নাতের আশা করছি এবং আপনার অসুন্তুষ্টি ও জাহান্নাম থেকে আশ্রয় চাচ্ছি।’

বাংলাদেশ থেকে যারা প্রথমে মক্কায় যাবেন তারা বাসা কিংবা হজ ক্যাম্প থেকে ইহরামের কাজ সম্পন্ন করে নেবে।

মসজিদে হারামে প্রবেশ
ওমরা উদ্দেশ্যে মসজিদে হারামে ডান পা দিয়ে প্রবেশ করে এ দোয়া পড়া-
بِسْمِ اللهِ وَ الصّلَاةُ وَ السَّلَامُ عَلَى رَسُوْلِ اللهِ
أعُوْذُ بِاللهِ الْعَظِيْم وَ بِوَجْهِهِ الْكَرِيْمِ وَ سُلْطَانِهِ الْقَدِيْمِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيْمِ
اَللهُمَّ افْتَحْ لِىْ اَبْوَابَ رَحَمَتِكَ
উচ্চারণ : বিসমিল্লাহি ওয়াস সালাতু ওয়াস সালামু আলা রাসুলিল্লাহ। আউজুবিল্লাহিল আজিম ওয়া বি-ওয়াজহিহিল কারিম ওয়া সুলতানিহিল কাদিমি মিনাশশায়ত্বানির রাজিম। আল্লাহুম্মাফতাহলি আবওয়াবা রাহমাতিকা।

কাবা ঘর দেখে এ দোয়া পড়া-
اَللَّهُمَّ أَنْتَ السّلَامُ وَ مِنْكَ السَّلَامُ حَيِّنَا رَبَّنَا بِالسَّلَامِ اَللَّهُمَّ زِدْ هَذَا الْبَيْتَ تَشْرِيْفاً وَ تَعْظِيْماً وَ تَكْرِيْماً وَ مَهَاَبَةً وَ زِدْ مَنْ شَرّفَهُ وَ كَرّمَهُ مِمَّنْ حَجَّهُ وَاعْتَمَرَهُ تَشْرِيْفاً وَ تَعْظِيْماً وَ بِرُّا
উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা আংতাস সালামু ওয়া মিনকাস সালামু হাইয়্যিনা রাব্বানা বিস্‌সালাম। আল্লাহুম্মা যিদ হাজাল বাইতা তাশরিফান ওয়া তা’জিমান ওয়া তাকরিমান ওয়া মুহাবাতান; ওয়া জিদ মান শার্‌রাফাহু ওয়া কার্‌রামাহু মিম্মান হাজ্জাহু ওয়া’তামারাহু তাশরিফান ওয়া তাকরিমান ওয়া তা’জিমান ওয়া বির্‌রা।

দ্বিতীয় কাজ : তাওয়াফ করা (ফরজ)
ওমরার দ্বিতীয় ফরজ কাজ হলো কাবা শরিফ তাওয়াফ করা। হাজরে আসওয়াদ চুম্বন, ইসতেলাম (স্পর্শ) বা হাজরে আসওয়াদ বরাবর কোনায় দাঁড়িয়ে কাবার দিকে ফিরে দুই হাত দিয়ে ইশারা করে পুরুষরা ইজতিবা ও রমলসহ আর নারীরা সাধারণভাবে তাওয়াফ শুরু করবে আর এ দোয়া পড়া-
بِسْمِ اللهِ اَللهُ اَكْبَر - اَللَّهُمَّ اِيْمَنًا بِكَ و بصديقًا بِكِتَابِكَ وَرَفَعًا بِعَهْدِكَ وَ اِتِّبَعًا لِسُنَّةِ نَبِيِّكَ
উচ্চারণ : ‘বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার; আল্লাহুম্মা ইমানান বিকা ওয়া তাসদিকান বিকিতাবিকা ওয়া রাফাআন বিআহদিকা ওয়া ইত্তিবাআন লিসুন্নাতি নাবিয়্যিকা।’

তাওয়াফের সময় কাবা শরিফ ও হাজরে আসওয়াদকে বাম দিকে রেখে রোকনে শামি ও রোকনে ইরাকি অতিক্রম করে রোকনে ইয়ামেনিতে আসবে। এ স্থানে তালবিয়া, তাকবির তাসবিহ ইত্যাদি পড়বে।
অতঃপর (সম্ভব হলে) রোকনে ইয়ামেনি স্পর্শ করবে। সম্ভব না হলে দূর থেকে ইশারা করে হাজরে আসওয়াদের দিকে অগ্রসর হবে এবং কুরআনে শেখানো এ দোয়া পড়বে-

رَبَّنَا اَتِنَا فِى الدُّنْيَا حَسَنَةً وَّ فِى الْاَخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ
উচ্চারণ : রাব্বানা আতিনা ফিদদুনিয়া হাসানাতাও ওয়া ফিল আখিরাতি হাসানাতাও ওয়াক্বিনা আজাবান্ নার।’

হাজরে আসওয়াদ পৌঁছার সঙ্গে সঙ্গে এক চক্কর সম্পন্ন হবে। এভাবে সাত চক্কর দেয়ার মাধ্যমে পুরো এক (ফরজ) তাওয়াফ সম্পন্ন হবে।

ইজতিবা ও রমল-
ফরজ তাওয়াফের জন্য পুরুষরা ইজতিবা ও রমল করবে। এটি নারীদের জন্য প্রযোজ্য নয়। আর তাহলো-

- ইজতিবা
পুরুষরা গায়ের চাদরটিকে মুঠিবদ্ধ করে বাম কাধের ওপর দিয়ে পিঠ ঘুরিয়ে ডান বগলের নিচ দিয়ে এনে বুকের ওপর থেকে বাম কাঁধের ওপর দিয়ে পেছনে ফেলা। এভাবে বাহাদুরি সুলভ আচরণ প্রকাশে গায়ের চাদর পরাই হলো ইজতেবা। আর এটা করা সুন্নাত।

- রমল
ফরজ তাওয়াফের প্রথম ৩ চক্করে রমল করাও সুন্নাত। দুই হাত শরীর ও কাঁধ হেলিয়ে দুলিয়ে দ্রুত গতিতে প্রথম ৩ চক্কর সম্পন্ন করা। এভাবে তাওয়াফ করাকে রমল বলে।

তাওয়াফে রমল ও ইজতিবা পুরুষের জন্য পালন করা সুন্নাত। এটা নারীদের জন্য নয়।

মাকামে ইবরাহিমে নামাজ-
তাওয়াফ শেষে সম্ভব হলে মাকামে ইবরাহিমে কিংবা মাকামে ইবরাহিমের ওই দিকটায় ২ রাকাআত নামাজ আদায় করা। নারীদের নামাজের জন্য ওই দিকটায় নির্ধারিত স্থানও রয়েছে।

অতঃপর ঝমঝমের পানি পান-
মাকামে ইবরাহিমে নামাজ আদায় করে ঝমঝমের পানি পান করে নেয়া। মাতআফের চর্তুদিকে ঝমঝমের পানির ঝার/ড্রাম রয়েছে। যাদের ঠাণ্ডার সমস্যা রয়েছে তাদের জন্য ঝমঝমের গরম পানির ব্যবস্থাও রয়েছে।

তৃতীয় কাজ : সাফা-মারওয়ায় সাঈ করা (ওয়াজিব)
ঝমঝমের পানি পান করে ধীরে ধীরে সাফা পাহাড়ে আরোহন করা। সাফা ও মারওয়া পাহাড় দুটি কাবা শরিফের পাশেই অবস্থিত। ‘আবদাউ বিমা বাদাআল্লাহু বিহি ইন্নাস সাফা ওয়াল মারওয়াতা মিন শাআইরিল্লাহি’ বলে এ পাহাড় দুটি মাঝে ৭ বার আসা-যাওয়া করাকে সাঈ বলা হয়।
সাঈতে করণীয়-
কাবা শরিফ তাওয়াফের পর মাকাকে ইবরাহিমে দুই রাকাআত নামাজ আদায় করে সম্ভব হলে হাজরে আসওয়াদ স্পর্শ করে মসজিদে হারামের বাবুস সাফা দিয়ে সাফা পাহাড়ে আরোহন করা। সাফা পাহাড়ে দাঁড়িয়ে এ আয়াত পাঠ করা-
إِنَّ الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ مِن شَعَائِرِ اللَّهِ فَمَنْ حَجَّ الْبَيْتَ أَوِ اعْتَمَرَ فَلَا جُنَاحَ عَلَيْهِ أَن يَطَّوَّفَ بِهِمَا وَمَن تَطَوَّعَ خَيْرًا فَإِنَّ اللَّهَ شَاكِرٌ عَلِيمٌ
উচ্চারণ : ইন্নাস সাফা ওয়াল মারওয়াতা মিং শাআয়িরিল্লাহি ফামান হাজ্জাল বাইতা আয়ি’তামারা ফালা ঝুনাহা আলাইহি আঁইয়্যাতত্বাওয়াফা বিহিমা ওয়া মাং তাত্বাওওয়াআ খাইরান ফাইন্নাল্লাহা শাকেরুন আলিম।’ (সুরা বাকারা : আয়াত ১৫৮)
এ আয়াতটি সাফা পাহাড়ের ওপরে গম্বুজের মধ্যে লেখা রয়েছে। চাইলে যে কেউ তা দেখে দেখেও পড়ে নিতে পারবেন।

- সাফা পাহাড় থেকে কাবা শরিফ দেখা যায়। কাবার দিকে ফিরে আলহামদুলিল্লাহি আল্লাহু আকবার (اَلْحَمْدُ لِلَّهِ اَللهُ اَكْبَر) বলে আল্লাহর কাছে দোয়া করা।

- অতঃপর এ দোয়াটি ৩ বার পড়ে সাফা পাহাড় থেকে মারওয়ার দিকে চলা শুরু করা-
لَا اِلَهَ اِلَّا اللهُ وَاللهُ اَكْبَر – لَا اِلَهَ اِلَّا اللهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ – لَهُ المُلْكُ وَ لَهُ الْحَمْدُ يُحْيِى وَ يُمِيْتُ وَ هُوَ عَلَى كُلِّ شَيئ قَدِيْر
لَا اِلَهَ اِلَّا الله وَحْدَهُ أنْجَزَ وَعْدَهُ – وَ نَصَرَ عَبْدَهُ وَ هَزَمَ الأحْزَابَ وَحْدَهُ
উচ্চারণ : লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ্দাহু লা শারিকালাহু লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হাম্দু ইউহয়ি ওয়া ইউমিতু ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদির। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ্দাহু আনজাযা ওয়াহদাহু ওয়া নাসারা আবদাহু হাযাামাল আহযাবা ওয়াহদাহু।’

সবুজ চিহ্নিত স্থান
সাফা পাহাড় থেকে চলা শুরু করতেই পড়বে ‘সবুজ চিহ্নিত স্থান’। এ স্থানটিকে লাইট দিয়ে বিশেষভাবে চিহ্নিত করে রাখা হয়েছে। পুরুষরা এ স্থানটি দৌড়ে অতিক্রম করবে আর নারীরা স্বাভাবিকভাবে হেটে হেটে অতিক্রম করবে।

সবুজ চিহ্নিত স্থানে এ দোয়া পড়া-
رَبِّ اغْفِرْ وَارْحَمْ وَ اَنْتَ الْاَعَزُّ الْاَكْرَمُ
উচ্চারণ : ‘রাব্বিগফির ওয়ারহাম ওয়া আংতাল আআযযুল আকরাম।’

সবুজ চিহ্নিত স্থান অতিক্রম করে নারী-পুরুষ সবাই স্বাভাবিক গতিতে হাটবে। আর তাসবিহ পড়বে-
اَللهُ اَكْبَر - اَللهُ اَكْبَر- اَللهُ اَكْبَر- وَ لِلَّهِ الْحَمْدُ
اَللَّهُمَّ حَبِّبْ اِلَيْنَا الْاِيْمَانَ وَ كَرِّهْ اِلَيْنَا الْكُفْرَ وَالْفُسُوْقَ وَالْعِصْيَانَ وَاجْعَلْنَا مِنْ عِبَادِكَ الصَّالِحِيْنَ
উচ্চারণ : আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়ালিল্লাহিল হামদু। আল্লাহুম্মা হাব্বিব ইলাইনাল ইমানা ওয়া কাররিহ ইলাইনাল কুফরা ওয়াল ফুসুক্বা ওয়াল ইসয়ানা ওয়াঝআলনা মিন ইবাদিকাস সালিহিন।’

মারওয়া পাহাড়ে আরোহন
সাফা থেকে গিয়ে মারওয়া পাহাড়ে ওঠা। সেখানে গিয়ে আবার সাফার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হওয়া। সেখানে এ দোয়া পড়া-
اَللهُ اَكْبَر - اَللهُ اَكْبَر- اَللهُ اَكْبَر- وَ لِلَّهِ الْحَمْدُ - لَا اِلَهَ اِلَّا الله وَحْدَهُ صَدَقَ وَعْدَهُ وَ نَصَرَ عَبْدَهُ وَ هَزَمَ الأحْزَابَ وَحْدَهُ – لَا اِلَهَ اِلَّا اللهُ
وَ لَا نَعْبُدُ اِلَّا اِيَّاهُ مُخْلِصِيْنَ لَهُ الدِّيْنَ وَلَوْ كَرِهَ الْكَفِرُوْنَ - رَبِّ اغْفِرْ وَارْحَمْ وَ اَنْتَ الْاَعَزُّ الْاَكْرَمُ
إِنَّ الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ مِن شَعَائِرِ اللَّهِ ۖ فَمَنْ حَجَّ الْبَيْتَ أَوِ اعْتَمَرَ فَلَا جُنَاحَ عَلَيْهِ أَن يَطَّوَّفَ بِهِمَا ۚ وَمَن تَطَوَّعَ خَيْرًا فَإِنَّ اللَّهَ شَاكِرٌ عَلِيمٌ
উচ্চারণ : আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়ালিল্লাহিল হামদু। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু সাদাক্বা ওয়াদাহু ওয়া নাসারা আবদাহু ওয়া হাযামাল আহযাবা ওয়াহদাহু; লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া লা নাবুদু ইল্লা ইয়্যাহু মুখলিসিনা লাহুদদ্বীন ওয়া লাও কারিহাল কাফিরুন। রাব্বিগফির ওয়ারহাম ওয়া আংতাল আআযযুল আকরাম। ইন্নাস সাফা ওয়াল মারওয়াতা মিং শাআয়িরিল্লাহি ফামান হাজ্জাল বাইতা আয়ি’তামারা ফালা ঝুনাহা আলাইহি আঁইয়্যাতত্বাওয়াফা বিহিমা ওয়া মাং তাত্বাওওয়াআ খাইরান ফাইন্নাল্লাহা শাকেরুন আলিম।’

সাফা পাহাড়ে আসার সময়ও সবুজ চিহ্নিত স্থানে আগের নিয়মে পুরুষরা দ্রুত আর নারীরা স্বাভাবিকভাবে হেটে হেটে আসবে পূর্বোল্লিখিত দোয়া পড়া-
رَبِّ اغْفِرْ وَارْحَمْ وَ اَنْتَ الْاَعَزُّ الْاَكْرَمُ
উচ্চারণ : ‘রাব্বিগফির ওয়ারহাম ওয়া আংতাল আআযযুল আকরাম।’

এভাবে আসা-যাওয়া মিলিয়ে ৭ বার চলাচলের মাধ্যমে সাঈ সম্পন্ন হবে। সাঈ শেষ হলে এ দোয়া পড়া-
رَبَّنَا تَقَبَّلْ مِنَّا اِنَّكَ اَنْتَ السَّمِيْعُ الَعَلِيْمُ – وَ تُبْ عَلَيْنَا اِنَّكَ اَنْتَ التَّوَّابُ الرَّحَيْمُ –
وَ صَلَّى اللهُ تَعَالَى عَلَى خَيْرِ خَلْقِهِ مُحَمَّدٍ وَّاَلِهِ وَ اَصْحَابِهِ اَجْمَعِيْنَ وَارْحَمْنَا مَعَهُمْ بِرَحْمَتِكَ يَا اَرْحَمَ الرَّحِمِيْنَ

উচ্চারণ : ‘রাব্বানা তাক্বাব্বাল মিন্না ইন্নাকা আনতাছ্ ছামিউল আলিম। ওয়অতুব্ আলাইনা ইন্নাকা আংতাত্ তাওয়্যাবুর্ রাহিম। ওয়া সাল্লাল্লাহু তাআলা আলা খাইরি খালক্বিহি মুহাম্মাদিউ ওয়া আলিহি ওয়া আসহাবিহি আজমাইন ওয়ারহামনা মাআহুম বিরাহমাতিকা ইয়া আরহামার রাহিমিন।’

ওমরার শেষ কাজ : মাথা মুণ্ডন করা (ওয়াজিব)
সাফা এবং মারওয়া পাহাড়দ্বয় সাঈ করার পর মাথা মুণ্ডন করা অথবা মাথার চুল ছেটে ফেলা। আর নারীরা চুলের আগার দিকে কিছু অংশ কাটার মাধ্যমে ইহরাম থেকে বের হয়ে যাবে।

উল্লেখ্য যে, যারা হজে ক্বিরান আদায় করবে তারা মাথা মুণ্ডন করবে না। আর যারা তামাত্তু হজ করবেন শুধু তারাই মাথা মুণ্ডন করে ইহরাম থেকে হালাল হবে। আর ইফরাদ হজ আদায় কারীর জন্য তো ওমরা করার প্রয়োজন নেই।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে যথাযথ নিয়মে ওমরা আদায় করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

✈️ হজ্জ ফ্লাইটের দিন: হজ্জ ক্যাম্প থেকে বিমান ওঠা পর্যন্ত সম্পূর্ণ গাইড👉 হজ্জের যাত্রার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিন—আজকের দি...
25/04/2026

✈️ হজ্জ ফ্লাইটের দিন: হজ্জ ক্যাম্প থেকে বিমান ওঠা পর্যন্ত সম্পূর্ণ গাইড

👉 হজ্জের যাত্রার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিন—আজকের দিনটা ঠিকভাবে ম্যানেজ করতে পারলে পুরো সফরের শুরুটাই হবে সহজ ও স্ট্রেস-ফ্রি।

🏢 হজ্জ ক্যাম্পে কখন যাবেন?
✔️ হজ্জ ফ্লাইটের কমপক্ষে ৪–৫ ঘণ্টা আগে হজ্জ ক্যাম্পে প্রবেশ করতে হবে
✔️ বাস্তবে নিরাপদ থাকতে ৫–৬ ঘণ্টা আগে রওনা হওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ

📌 গুরুত্বপূর্ণ:
👉 রাস্তার জ্যাম, দূরত্ব—সবকিছু মাথায় রেখে বাসা থেকে বের হবেন
👉 দেরি করলে পুরো প্রসেসে ঝামেলা হতে পারে

🚪 হজ্জ ক্যাম্পে প্রবেশের সময় যা লাগবে
✔️ শুধুমাত্র হজ্জযাত্রীদের প্রবেশ করতে দেওয়া হয়
✔️ সাথে রাখবেন:
হজ্জ আইডি কার্ড (সরকারি)
👉 প্রবেশের সময় এটি দেখাতে হবে—ভুলে গেলে সমস্যায় পড়বেন

📱 প্রবেশের পর প্রথম কাজ
✔️ ভলান্টিয়াররা আপনাকে দিকনির্দেশনা দিবে
✔️ অনেক সময় জিজ্ঞেস করা হয়:
👉 Labbaik App ইনস্টল করেছেন কিনা
📌 এটি কেন গুরুত্বপূর্ণ?
✔️ আপনার হজ্জ আইডি দিয়ে লগইন করলে দেখতে পারবেন:
আপনার এজেন্সি
আপনার গ্রুপের সদস্যরা
মিনার তাঁবু
আরাফাতের তথ্য
অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা
👉 তাই বাসা থেকেই ইনস্টল করে রাখলে ভালো
👉 না থাকলে ক্যাম্পে ভলান্টিয়াররা সাহায্য করবে

🧳 এজেন্সির সাথে যোগাযোগ ও লাগেজ প্রসেস
✔️ ক্যাম্পে ঢুকেই প্রথমে আপনার এজেন্সির লোকদের খুঁজুন
✔️ তাদের সাথে যোগাযোগ করুন
👉 এরপর:
✔️ আপনার বড় লাগেজ কাউন্টারে জমা দিবেন
✔️ লাগেজে ট্যাগ লাগানো হবে
📌 খুব গুরুত্বপূর্ণ:
👉 ট্যাগ লাগানো হয়েছে কিনা নিশ্চিত হন
👉 ট্যাগসহ লাগেজের একটি ছবি তুলে রাখুন
→ পরে লাগেজ খুঁজে পেতে অনেক কাজে আসবে

🕋 ইহরাম পরিধান প্রস্তুতি
✔️ লাগেজ জমা দেওয়ার পর ইহরাম পরতে পারেন
✔️ ক্যাম্পে:
বড় মসজিদ আছে
পর্যাপ্ত ওযুর ব্যবস্থা আছে
ওয়াশরুম আছে
👉 করণীয়:
✔️ ফ্রেশ হয়ে ওযু করুন
✔️ ২ রাকাত নফল নামাজ পড়ুন
✔️ এরপর ইহরাম পরিধান করুন

🍽️ খাবারের ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ
✔️ ক্যাম্পে ক্যান্টিন/খাবারের ব্যবস্থা থাকে
📌 কিন্তু খেয়াল রাখুন:
👉 সামনে ৭–৮ ঘণ্টার ফ্লাইট
👉 তাই বেশি খাবেন না
✔️ হালকা খাবার খান
✔️ পানি পান করুন
✔️ ভারী খাবার এড়িয়ে চলুন

🛂 ইমিগ্রেশন প্রসেস (ক্যাম্পেই সম্পন্ন)
✔️ কখন ইমিগ্রেশন শুরু হবে:
👉 এজেন্সি/ভলান্টিয়ারদের কাছ থেকে জেনে নিন
👉 অপেক্ষার সময়:
✔️ নামাজ পড়ুন
✔️ তসবিহ/তিলাওয়াত করুন

ইমিগ্রেশনে যা হবে:
✔️ পাসপোর্ট চেক
✔️ ভিসা কপি চেক
✔️ হেলথ কার্ড চেক
✔️ (সরকারি হলে) GO/NOC চেক
👉 সব ঠিক থাকলে:
✔️ পাসপোর্টে সিল দেওয়া হবে
✔️ আপনাকে বোর্ডিং পাস দেওয়া হবে
📌 বোর্ডিং পাসে থাকবে:
সিট নাম্বার
বোর্ডিং জোন
👉 এটা খুব যত্নে রাখবেন
⏳ ওয়েটিং লাউঞ্জ

✔️ ইমিগ্রেশন শেষে নির্দিষ্ট লাউঞ্জে অপেক্ষা করবেন
👉 এখান থেকে:
✔️ বাসে করে আপনাকে এয়ারপোর্টে নেওয়া হবে
📌 ভুল করবেন না:
❌ অযথা বাইরে যাওয়া
❌ গ্রুপ থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া

🚌 ক্যাম্প → শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর
✔️ নির্দিষ্ট বাসে করে ট্রান্সফার করা হবে
✔️ আপনার গ্রুপ অনুযায়ী ডাকা হবে
👉 বাসে উঠে এয়ারপোর্টে পৌঁছাবেন

🛫 এয়ারপোর্টে পৌঁছে করণীয়
✔️ ডিসপ্লে বোর্ডে আপনার ফ্লাইট নাম্বার দেখুন
✔️ গেট নাম্বার ডিক্লেয়ার হয়েছে কিনা চেক করুন
📌 যদি না হয়:
👉 শান্তভাবে অপেক্ষা করুন
👉 অযথা হাঁটাহাঁটি করবেন না

🛂 সৌদি ইমিগ্রেশন (বাংলাদেশেই সম্পন্ন)
👉 গেটের দিকে যাওয়ার সময়ই হবে
✔️ আবার পাসপোর্ট দেখাতে হবে
✔️ ভিসা/অন্যান্য ডকুমেন্ট লাগতে পারে
✔️ ইমিগ্রেশন সম্পন্ন হবে

🔐 ফাইনাল সিকিউরিটি চেক
✔️ আবার লাইনে দাঁড়াতে হবে
👉 চেক করা হবে:
হ্যান্ড লাগেজ
মোবাইল
পাওয়ার ব্যাংক
ঘড়ি / স্মার্টওয়াচ
মানিব্যাগ

✔️ সব স্ক্যান শেষে ক্লিয়ার হবেন
🛬 বোর্ডিং গেট ও অপেক্ষা
✔️ গেটের পাশে বসে অপেক্ষা করুন
✔️ বোর্ডিং শুরু হলে জোন অনুযায়ী ডাকবে
📌 গুরুত্বপূর্ণ:
👉 আপনার বোর্ডিং পাসে যে জোন লেখা আছে সেটি ফলো করুন

✈️ বিমানে ওঠার সময়
✔️ লাইনে দাঁড়িয়ে বোর্ডিং সম্পন্ন করুন
✔️ বিমানে উঠে:
👉 নিজের সিট নাম্বার খুঁজুন
👉 নির্দিষ্ট সিটেই বসুন
📌 ভুল করবেন না:
❌ অন্য সিটে বসা
❌ আইলে দাঁড়িয়ে থাকা
👉 এতে অন্যদের সমস্যা হয় ও বিলম্ব হয়

💺 বসার পর
✔️ হ্যান্ড লাগেজ ঠিকভাবে রাখুন
✔️ সিটবেল্ট বেঁধে নিন
✔️ শান্ত থাকুন
👉 এরপর আপনার হজ্জ যাত্রা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে ✨

⚠️ গুরুত্বপূর্ণ সারসংক্ষেপ
✔️ আগে রওনা দিন (৫–৬ ঘণ্টা বাফার)
✔️ হজ্জ আইডি অবশ্যই সাথে রাখুন
✔️ Labbaik App ইনস্টল করুন
✔️ লাগেজ ট্যাগ চেক + ছবি তুলুন
✔️ হালকা খাবার খান
✔️ সবসময় গ্রুপের সাথে থাকুন
✔️ বোর্ডিং পাস ও পাসপোর্ট আলাদা করে রাখুন

🎯 Bottom Line
👉 “সময় ম্যানেজমেন্ট + ডকুমেন্ট রেডি + গ্রুপ ডিসিপ্লিন”
= ঝামেলামুক্ত, স্মুথ ও স্বস্তিদায়ক হজ্জ যাত্রা

⚠️ ডিসক্লেইমার:
এই লেখাটি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও বাস্তব প্রস্তুতির ভিত্তিতে তৈরি। তাই আপনার ব্যক্তিগত প্রয়োজন, স্বাস্থ্য ও এজেন্সির নির্দেশনার উপর ভিত্তি করে এতে কিছুটা পরিবর্তন (কম-বেশি) হতে পারে।

📌 উপকারী মনে হলে লাইক ও শেয়ার করুন, কপি করবেন না
📌 আপনার মন্তব্য বা প্রশ্ন কমেন্ট সেকশনে জানাতে পারেন
📌 হজ্জ সম্পর্কিত প্রয়োজনীয় টিপস পেতে পেজটি ফলো করে পাশে থাকুন

24/04/2026

🌙 শুক্রবারের ফজিলতপূর্ণ আমল 🌙
🕌 জুমার দিনটি মুসলমানদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও বরকতময়। চলুন আজকের দিনটা কিছু সুন্দর আমলে ভরে তুলি—
✨ সূরা কাহফ তিলাওয়াত করুন
✨ বেশি বেশি দরুদ শরীফ পড়ুন
✨ গোসল করে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকুন
✨ সুগন্ধি ব্যবহার করুন
✨ সময়মতো জুমার নামাজ আদায় করুন
✨ আগে আগে মসজিদে যান
✨ আসর থেকে মাগরিবের মধ্যে বেশি বেশি দোয়া করুন
✨ ইস্তেগফার করুন — “আস্তাগফিরুল্লাহ”
🤲 আল্লাহ আমাদের সবাইকে আমলগুলো করার তৌফিক দান করুন। আমিন।

Address

104, Capital Super Market(2nd Floor), West Side Suite No-40, Tejgaon
Dhaka
1215

Opening Hours

Monday 10:00 - 19:00
Tuesday 10:00 - 19:00
Wednesday 10:00 - 19:00
Thursday 10:00 - 19:00
Saturday 10:00 - 19:00
Sunday 10:00 - 19:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মোল্লা হজ্ব & উমরাহ ট্রাভেলস posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share