Jannat's Fashion

Jannat's Fashion Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Jannat's Fashion, Dhaka.

খোরাসানের এক ছোট্ট গ্রামে তিন বছর ধরে বৃষ্টি নেই। মাটি ফেটে গেছে। ফসল নেই। কূপের পানি শুকিয়ে আসছে। গরু-ছাগল মরছে। মানুষ...
07/05/2026

খোরাসানের এক ছোট্ট গ্রামে তিন বছর ধরে বৃষ্টি নেই। মাটি ফেটে গেছে। ফসল নেই। কূপের পানি শুকিয়ে আসছে। গরু-ছাগল মরছে। মানুষ শহরে চলে যাচ্ছে একে একে। যারা থেকেছে — তারা থেকেছে কারণ যাওয়ার মতো শক্তি নেই অথবা এই মাটি ছাড়তে পারছে না।গ্রামের মসজিদে একজন বৃদ্ধ ইমাম ছিলেন — নাম শায়খ নূরুদ্দিন। বয়স সত্তরের উপরে। চলতে কষ্ট হয়, কিন্তু পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ানো কখনো বাদ দেননি। গ্রামের মানুষ তাঁকে ভালোবাসত। কিন্তু এই তিন বছরে কেউ কেউ অভিযোগ করতে শুরু করেছিল — “শায়খ এত দুআ করেন, কিন্তু বৃষ্টি আসে না। কী লাভ?” কেউ কেউ বলত — “হয়তো গ্রামে বড় কোনো পাপ আছে, তাই আল্লাহ মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন।”

এই কথাগুলো শায়খের কানে যেত। তিনি কিছু বলতেন না। শুধু মাথা নিচু করে হাঁটতেন। কিন্তু রাতে একা ঘরে বসে তিনি ভাবতেন — মানুষ ঠিকই বলছে। হয়তো তাঁর দুআতেই কোনো ঘাটতি আছে। হয়তো তাঁর হৃদয় পরিষ্কার নয়। হয়তো আল্লাহ তাঁর ডাক শুনছেন না। এই ভাবনাগুলো তাঁকে ভেতর থেকে কুরে কুরে খাচ্ছিল।

একদিন গ্রামে একজন মুসাফির এলো। নাম তার তাহির। বয়স ত্রিশের কাছাকাছি। পরনে সাধারণ কাপড়, কাঁধে একটি থলে। সে মসজিদে এসে বিশ্রাম নিল। শায়খের সাথে পরিচয় হলো। তাহির জিজ্ঞেস করল — “শায়খ, এই গ্রামে এত শুষ্কতা কেন?” শায়খ বললেন — “তিন বছর ধরে বৃষ্টি নেই।” তাহির বলল — “ইস্তিসকার নামাজ পড়েছেন?” শায়খ বললেন — “অনেকবার।” তাহির বলল — “তাহলে?” শায়খ একটু চুপ করে রইলেন। তারপর বললেন — “আল্লাহর ইচ্ছা।”

তাহির সেই রাতে মসজিদেই রইল। শায়খ লক্ষ্য করলেন — রাত গভীর হলে তাহির উঠে নামাজ পড়তে শুরু করল। দীর্ঘ নামাজ। তারপর দুআ। শায়খ কাছে যাননি — দূর থেকে দেখেছেন। তাহির এমনভাবে দুআ করছিল — যেন সে কারো সাথে কথা বলছে। কোনো আনুষ্ঠানিকতা নেই। কোনো মুখস্থ শব্দের মতো পড়া নেই। একেবারে নিজের ভাষায় — “হে আল্লাহ, এই গ্রামের মানুষগুলো তোমার বান্দা। তারা কষ্টে আছে। তুমি দেখছ। তুমি যদি না দিতে চাও — তোমার অধিকার আছে। কিন্তু তুমি যদি দাও — তোমার রহমত প্রকাশ পাবে। আর তোমার রহমত প্রকাশ পাওয়াই সবচেয়ে সুন্দর।”
শায়খ এই দুআ শুনে থমকে গেলেন। তিনি এতদিন দুআ করেছেন — কিন্তু এভাবে করেননি। তিনি দুআ করেছেন “দাও, দাও, দাও” বলে। কিন্তু তাহির দুআ করল — “তুমি যদি দাও, তোমার রহমত প্রকাশ পাবে।” এই দুটো দুআর মধ্যে একটা বিশাল পার্থক্য আছে। একটা দুআ নিজের জন্য — আরেকটা দুআ আল্লাহর মহিমার জন্য।
পরদিন সকালে শায়খ তাহিরকে জিজ্ঞেস করলেন — “তুমি রাতে এভাবে দুআ করলে কেন? ‘তোমার রহমত প্রকাশ পাবে’ — এই কথাটা কোথা থেকে শিখেছ?” তাহির বলল — “শায়খ, আমরা যখন শুধু নিজের জন্য চাই — তখন দুআটা একটু ছোট হয়ে যায়। কিন্তু যখন বলি — হে আল্লাহ, তুমি দিলে তোমার রহমত প্রকাশ পাবে — তখন দুআটা আর শুধু আমার থাকে না। সেটা আল্লাহর মহিমার সাথে জড়িত হয়ে যায়। আর আল্লাহ তাঁর মহিমা প্রকাশ করতে ভালোবাসেন।” শায়খ অনেকক্ষণ চুপ করে রইলেন। এত বছর ইমামতি করেছেন — কিন্তু এই সহজ কথাটা কেউ কোনোদিন বলেনি।

সেই দিন শায়খ গ্রামের সবাইকে ডাকলেন। মাঠে গেলেন সবাই মিলে। শায়খ বললেন — “আজ আমরা ইস্তিসকার নামাজ পড়ব। কিন্তু আগে আমাদের একটা কাজ করতে হবে।” সবাই জিজ্ঞেস করল — “কী কাজ?” শায়খ বললেন — “যদি কারো সাথে কারো বিরোধ থাকে — এখনই মিটিয়ে নাও। যদি কারো কাছে কারো পাওনা থাকে — এখনই দিয়ে দাও। যদি কেউ কারো উপর অন্যায় করে থাকো — এখনই ক্ষমা চাও।” গ্রামের মানুষ অবাক হলো। এটা তারা আশা করেনি।

কিছুক্ষণ নীরবতা। তারপর একজন বৃদ্ধ উঠলেন। বললেন — “আমি আমার ভাইয়ের সাথে বিশ বছর ধরে কথা বলি না। জমির বিরোধ নিয়ে।” তিনি ভাইয়ের দিকে হাঁটলেন। দুই ভাই কুড়ি বছর পর একে অপরকে জড়িয়ে ধরল। তারপর আরেকজন উঠল — “আমি আমার প্রতিবেশীর সাথে অন্যায় করেছি। তার ফসলের পানি আমি সরিয়ে নিয়েছিলাম।” একে একে মানুষ উঠতে লাগল। পুরনো অভিযোগ, পুরনো রাগ, পুরনো ক্ষত — একে একে বলা হলো, ক্ষমা চাওয়া হলো।

শায়খ দেখলেন — এই মানুষগুলো বদলে যাচ্ছে তাঁর চোখের সামনে। তিন বছরের খরা শুধু মাটিতে নয় — হৃদয়েও ছিল। মানুষে মানুষে দূরত্ব, অবিশ্বাস, পুরনো রাগ — এগুলোই ছিল আসল খরা। তারপর সবাই মিলে নামাজ পড়ল। শায়খ দুআ করলেন — এবার ভিন্নভাবে। বললেন — “হে আল্লাহ, আমরা তোমার বান্দা। আমরা পাপী। আমরা একে অপরের সাথে অন্যায় করেছি। কিন্তু আজ আমরা ক্ষমা করেছি এবং ক্ষমা চেয়েছি। তুমি দেখেছ। এখন তোমার রহমত আসুক। কারণ তোমার রহমত আসলে তোমার মহিমাই প্রকাশ পায়।”

সেই বিকেলে আকাশ মেঘলা হলো। রাতে বৃষ্টি এলো। প্রথমে আস্তে আস্তে। তারপর জোরে। গ্রামের মানুষ ঘর থেকে বের হয়ে বৃষ্টিতে দাঁড়িয়ে রইল। কেউ কাঁদছে, কেউ হাসছে, কেউ সিজদায় পড়ে গেল মাটিতে। শায়খ মসজিদের দরজায় দাঁড়িয়ে বৃষ্টি দেখছিলেন। তাহির পাশে এসে দাঁড়াল। শায়খ বললেন — “বৃষ্টি এলো।” তাহির বলল — “বৃষ্টি আগেই আসত। শুধু পথটা বন্ধ ছিল।” শায়খ জিজ্ঞেস করলেন — “কোন পথ?” তাহির বলল — “হৃদয়ের পথ। মানুষে মানুষে যখন দেওয়াল থাকে — আল্লাহর রহমতও যেন আটকে যায়। আজ দেওয়ালগুলো ভাঙল। বৃষ্টি এলো।”

পরদিন সকালে তাহির চলে গেল। শায়খ তাকে থাকতে বললেন। তাহির বলল — “আমার যাওয়ার আছে। আরো গ্রাম আছে। আরো মানুষ আছে।” শায়খ বললেন — “তুমি কে?” তাহির হাসল। বলল — “একজন মুসাফির। যে শিখতে শিখতে চলে।” শায়খ বললেন — “তুমি আমাকে অনেক কিছু শিখিয়ে গেলে।” তাহির বলল — “আপনি জানতেন শায়খ। শুধু মনে ছিল না।” শায়খ জিজ্ঞেস করলেন — “কী জানতাম?” তাহির বলল — “যে আল্লাহর রহমত পেতে হলে আগে মানুষের সাথে সম্পর্ক ঠিক করতে হয়। উপরে হাত তোলার আগে পাশের মানুষের হাত ধরতে হয়।”

শায়খ দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে রইলেন তাহিরের যাওয়ার পথের দিকে তাকিয়ে। বৃষ্টিতে ভেজা মাটির গন্ধ আসছে। দূরে মাঠে সবুজের একটু আভাস দেখা যাচ্ছে। শায়খ মনে মনে বললেন — “আল্লাহ, তুমি কত উপায়ে শেখাও। কখনো কিতাবে, কখনো কষ্টে, কখনো একজন মুসাফিরের মুখ দিয়ে।” তারপর ঘুরে মসজিদের দিকে হাঁটলেন। ফজরের আজান হয়ে গেছে। মানুষ আসছে। আজ তাদের মুখে হাসি আছে। তিন বছর পর।

“আল্লাহর রহমত পেতে হলে আগে নিজের হৃদয় পরিষ্কার করো। মানুষের সাথে সম্পর্ক ঠিক করো। কারণ যে হৃদয়ে অভিযোগ আছে — সেই হৃদয় দিয়ে দুআ করলে দুআ ভারী হয়ে যায়। আর হালকা হৃদয়ের দুআ সরাসরি আরশে পৌঁছায়।”
— ইমাম ইবনুল জাওযি রহ., আল-লাতাইফ

“তোমরা একে অপরকে ক্ষমা করো। তোমরা কি চাও না যে আল্লাহ তোমাদের ক্ষমা করুন?”
— সূরা আন-নূর, ২৪:২২

“রহমান যারা, তাদেরকে রহমান আল্লাহ ভালোবাসেন। তোমরা পৃথিবীর মানুষদের প্রতি দয়া করো — আকাশের অধিপতি তোমাদের প্রতি দয়া করবেন।”
— সুনানে তিরমিযি, হাদিস: ১৯২৪ — সনদ সহিহ

সূত্র: আল-লাতাইফ ফিল ওয়াআজ, ইমাম আবুল ফারাজ ইবনুল জাওযি রহিমাহুল্লাহ (৫০৮–৫৯৭ হি.)

কপি ফ্রম:ইসলামের সরল পথ©️

বিঃদ্রঃ-লেখাটা পড়তে পড়তে আমি বুঝলাম আমাদের হৃদয়গুলো পাহাড়সম ভারী হয়ে আছে।আত্মীয়/প্রতিবেশীর সাথে সম্পর্ক ঠিক নাই,আমাদের হৃদয়ে অনেক অভিযোগ আছে,তাই দুআ করলে দুআ ভারী হয়ে যায়।
হে আল্লাহ তুমি দয়াশীল তোমার দয়ার মহিমায় আমাদের অন্তরআত্মাকেও শামিল করে নেও।আমিন ইয়া রাব্বুল আলামীন।🌷

14/11/2024
30/10/2024

আল্লাহর নেয়ামতের তথ্য পাবেন।

১. সুবহানাল্লাহ
জান্নাতে একটি ফল গাছ রোপন করে নিলেন। আলহামদুলিল্লাহ

২. আলহামদুলিল্লাহ
মিযানের পাল্লাটা একটু ভারি করে নিলেন। আলহামদুলিল্লাহ

৩. আল্লাহু আকবার
আল্লাহর নামে আর একটি তাকবির পেশ করলেন সুবহানআল্লাহ।

৪. লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাঃ
যার নেক সাত আসমান ও সাত জমিন হইতেও উত্তম। সুবহানআল্লাহ

৫. লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ
জান্নাতের একটি রত্ন কুড়িয়ে ফেলেন আলহামদুলিল্লাহ

৬. আলিফ লাম মিম
পেয়ে গেলেন ৩০ নেকি। আলহামদুলিল্লাহ

৭. সুবহান্নাল্লাহি ওয়াবিহামদিহি, সুবহান্নাহিল আজিম
এবার জান্নাতে একটি খেজুর গাছ রোপন করে নিলেন। আলহামদুলিল্লাহ

৮. আস্তাগফিরুল্লাহ
আর একবার আল্লাহর কাছে ক্ষমা চেয়ে নিলেন
আল্লাহু আকবার

৯. সুবহান্নাল্লাহি ওয়াবিহামদিহি
আসমান আর জমিনের মাঝখানের ফাঁকা জায়গাটি সমান সওয়াব অর্জন করে নিলেন সুবহানআল্লাহ

১০. নেকির বস্তাটা নিয়ে যান?

আল্লাহুম্মাগ ফিরলী ওয়ালিল মু’মিনিনা ওয়াল মু’মিনাতি, ওয়াল মুসলিমিনা ওয়াল মুসলিমাতি

লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লাশারীকালাহু আহাদান ছামাদান লাম ইয়ালিদ ওয়ালাম য়ূলাদ অলাম ইয়া কুল্লাহু কুফু ওয়ান আহাদ।

জাযাল্লাহু আন্না মুহাম্মাদান মা হুয়া আহলুহু

জাযাল্লাহু আন্না সাইয়্যিদিনা মুহাম্মাদান মা হুয়া আহলুহু

আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল আফিয়া ফিদ্দুনিয়া ওয়াল আখিরাহ

আলহামদুলিল্লাহি

09/10/2024

হে আল্লাহ
মুসলমান যখন বানিয়েছো, ঈমানের সাথে মৃত্যু দিও...
আমিন🤲❤️

13/07/2024

হৃদযন্ত্র বন্ধ হয়ে গেলে তা কি চালু করা যায়?
মারা গেলে জীবিত করা যায়?
নাহ, কোনোভাবেই সম্ভব না।

চোখের সামনে হৃদযন্ত্র বন্ধ হয়ে মারা যেতে দেখেছেন?
হাতে হাত রাখা অবস্থায় কাউকে মৃত্যুবরণ করতে দেখেছেন?
আপনি অনুভব করছেন শীতল হাত, চোখের সামনে মারা যাচ্ছে আপনারই অতি ভালাবাসার অতি পছন্দের কেউ, কি করতে পেরেছেন ওই মুহুর্তে?

হায় মৃত্যু! চাইলেও আসবে, না চাইলেও আসবে। আটকানো যায় না, যাবে না।

আল্লাহর রাসূল ﷺ মৃত্যুর পূর্বে বলেছিলেন,
আল্লাহ ব্যতীত কোন মাবুদ নেই, সত্যিই মৃত্যু-যন্ত্রণা কঠিন। (বুখারী:৪৪৪৯)

রাসূলুল্লাহ ﷺ যখন মৃত্যু যন্ত্রণা তীব্রভাবে অনুভব করেন, তখন ফাতিমা (রাঃ) বলেন, হায় আমার আব্বার কত কষ্ট!
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছিলেন, আজকের দিনের পরে তোমার আব্বার আর কোন কষ্ট থাকবে না। তোমার আব্বার নিকট এমন জিনিস উপস্থিত হয়েছে, যা কিয়ামাত পর্যন্ত কাউকে ছাড়বে না। (সুনানে ইবনে মাজাহ:১৬২৯)

আর আমরা তো আল্লাহর রাসূল ﷺ এর তুলনায় অতি নগন্য!

সব সময় তিনটি (৩) সময়ের কথা স্মরণ করা উচিতঃ-
১) জান কবজের সময়কার কথা,
২) কবরের প্রশ্ন এবং কবরের জীবনের কথা,
৩) হাশরের মাঠের কথা।

আল্লাহ সুবাহানাহু ওয়া তা'য়ালা আমাদের বেশি বেশি নেক আমল করার সক্ষমতা দান করুন।

কিছু উত্তম আমল হচ্ছে -

আউয়াল ওয়াক্তে সালাত আদায় করা,
ফরজ সালাতের প্রতি যত্নবান হওয়া,
কোন অন্যায় হয়ে গেলে অযূ করে ২রাকা'আত সালাত আদায় করা,
পুনরায় একই গুনাহ না করার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে বিশুদ্ধ অন্তরে তাওবাহ করা,
দান - সাদকা করা,
যিকর করা,
তাসবীহ-তাহলীল পাঠ করা,
কুরাআন তেলাওয়াত করা,
বেশি বেশি আল্লাহর কাছে চাওয়া, বেশি বেশি দু'আ করা।

12/07/2024

☝️খিলাফার সময়ে প্রতিটি মুসলিম‌ই লড়াই করতে জানতো। হোক সে ব্যবসায়ী, কৃষক, ধনী, গরীব, দাস কিংবা মনিব। প্রত্যেকের ঘরে ঢাল, তলোয়ার স্বাভাবিক ছিল। সামর্থ্যবানদের আস্তাবলে সাজানো থাকতো শক্তিশালী ঘোড়া। স্বামীরা যুদ্ধের ময়দানে যাবে, এটা স্ত্রীদের কাছে স্বাভাবিক ঘটনা ছিল। সন্তানরা ছোট বেলাতেই দেখতো বাড়ির উঠানে পিতার তরবারি ও ধনুক প্রশিক্ষণের দৃশ্য ।

যার ফলাফল ছিল ইসলাম ও মুসলমানদের বিপদে সবাই ময়দানে ঝাঁপিয়ে পড়তে পারতো। কৃষক,মজুর, শ্রমিক,রাখাল, সবাই মুহুর্তের মধ্যেই বীর যোদ্ধায় পরিনত হতো‌। বোঝার উপায় নেই কে কৃষক আর কে ব্যবসায়ী। তখন সবার একটাই পরিচয় যোদ্ধা☝️

এরপর আসলো গনতান্ত্রিক যুগ। সাধারণ জনগনের জন্য অস্ত্র তো দূর কি বাত ট্রেইনিং নেওয়াও নিষিদ্ধ করা হলো। যুদ্ধ কৌশল, শক্তি অর্জন , শুধুমাত্র শাসকদের অনুমোদিত বিশেষ গোষ্ঠী তথা পুলিশ,র‌্যাব ইত্যাদির মধ্যে সীমাবদ্ধ করা হলো। ফলাফল স্বরূপ তৈরি হলো দুর্বল জনগোষ্ঠী। যারা ইসলাম তো দুরের কথা নিজেদেরকেই রক্ষা করতে পারবে না। যাদের উপর আক্রমণ করলেও জানবে না আত্মরক্ষার কৌশল। যার ফলে সবচেয়ে বেশী ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে ইসলাম ও মুসলিমরা।

ক্ষতির মধ্যে অন্যতম হলো - ইদাদ নামক ইবাদত আজ মুছেই গেছে। দুর্বল জনগোষ্ঠী তৈরি হয়েছে। ইসলামের জন্য লড়ার দায়িত্ব সকল মুসলিমের এই মানসিকতা পরিবর্তন হয়ে গেছে। আমাদের পূর্বপুরুষদের বৈশিষ্ট্য আজ বিলুপ্ত হয়ে গেছে, লা-হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহি।,,,,,,

আল্লাহ আমাদের সকলে বুঝার তৌফিক দান করুন আমিন ইয়া রব্বাল আলামিন

23/06/2024
23/06/2024

🌺আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত যে,

🌟রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেনঃ

👉সূর্য উদিত হয় এমন সকল দিনের মধ্যে শ্রেষ্ঠ দিন হ’ল জুমু’আর দিন। এই দিনেই আদম (আলাইহিস সালাম)-কে সৃষ্টি করা হয়েছে। এদিনেই তাঁকে জান্নাতে প্রবেশ করান হয়। এই দিনেই তাঁকে তা থেকে বের করা হয়। আর এই জুমুআর দিনেই কিয়ামত সংঘটিত হবে।

--তিরমিজি: ৪৮৮

11/06/2024

যখন তখন "মৃত্যু" এসে যদি আপনার সাজানো স্বপ্নে হানা দেয় তবে এই "ধোঁকার রাজ্যের" মিছে স্বপ্নে নিজেকে ব্যস্ত রেখে কি লাভ !?

কি লাভ এতো মায়া বাড়ানোর ?
কিংবা ভালোবাসার এক পৃথিবী গল্প বুনার !!

যদি চলেই যেতে হয় তবে ক্ষনস্থায়ী এই কষ্টের জন্য কেন এত আহাজারি !!
কেন , অপ্রাপ্তি আর হতাশার দীর্ঘশ্বাসের ভীড় !
কেন, চোখের লোনা সমুদ্রে অপ্রাপ্তির ঢেউ !?

বলুন না ! কেন এসব ??
বারবার নিজেকে প্রশ্ন করুন । দেখুন আপনার ভিতর কি বলে !!
যদি ভিতর বলে এগুলো মিছে ,
তবে আপনার হতাশা গুলোর মৃত্যু হোক , আখেরাতের জন্য চোখের অশ্রু গুলো মুছে আবার আপনি জেগে উঠুন ‌।

""তুমি কি এতে খুশি নও যে, তাদের জন্য দুনিয়া আর আমাদের জন্য আখিরাত?""

[সহীহ বুখারী:৪৯১৩]

Address

Dhaka
MIRPURDHAKA1216

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Jannat's Fashion posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share