02/03/2026
এই নিউজটা গত কালকের। নিউজফিডে শো করল আজকে। তাও দুয়েকটা পোস্ট। অথচ এটা এমন একটা ঘটনা ছিল যেটা দিয়ে দেশের প্রত্যেকটা মানুষের রক্ত গরম হয়ে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অবাক হয়ে দেখলাম হাতে গোনা কয়টা মানুষ ছাড়া কেউ এটা নিয়ে কথা পর্যন্ত বলল না। অর্থাৎ এটা যেন একটা সাধারণ ঘটনা। ইয়া রব্ব, ইয়া কাদীর, যেটা আমার মত পাপী আর নগন্য বান্দা কোনোভাবেই সহ্য করতে পারতেছে না, সেটা তুমি মাবুদ কিভাবে সহ্য করে আছ। তোমার সহ্যশক্তির তুলনা যে নাই, আমাদের চিন্তার বাইরে। ঘটনাটা নিচে লেখা থাকল, যদি কারো মধ্যে শেষবিন্দু মনুষ্যত্ব বেঁচে থাকে তো ঘটনাটা মানুষকে জানায়েন। এটা কোন সাধারণ ঘটনা না, এটা কোন পৃথিবীর মানুষ করতে পারেনা। এটা অসম্ভব, এটা আপনার মেয়েও হতে পারত। আল্লাহ আমাকে মেয়ে দেন নাই, কিন্তু আল্লাহর কসম এই বাচ্চাগুলারে আমার নিজের মেয়ের চোখে ভাবি, আমি যদি ওর বাপ হতাম ঠিক কতটা কষ্ট পাইতাম। আর কারো বিচার চাই না। শুধু লিখে রাখি যাতে ১০ বছর পরে গিয়ে হইলেও এদের কথা না ভুলি।
মূল ঘটনা-
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকোপার্ক এলাকায় এক দ্বিতীয় শ্রেণির শিশুকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। রোববার (১ মার্চ) দুপুরে রক্তাক্ত ও জরাজীর্ণ অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে স্থানীয় শ্রমিক ও যুবকরা। বর্তমানে শিশুটি অত্যন্ত আশঙ্কাজনক অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আহত শিশুটির বয়স সাত বছর। সে উপজেলার কুমিরা ইউনিয়নের মাস্টার পাড়ার বাসিন্দা।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার দুপুর ২টার দিকে ইকোপার্কের প্রায় ৫ কিলোমিটার গভীরে সড়কের ব্লকের কাজ করছিলেন শ্রমিকরা। এ সময় একটি স্কেভেটর চালক দেখতে পান, একটি রক্তাক্ত শিশু জঙ্গল থেকে টলমল পায়ে হেঁটে রাস্তার দিকে আসছে। শিশুটির গলার শ্বাসনালী কাটা ছিল এবং পরনের কাপড় রক্তে ভেজা থাকলেও নিচের অংশ ছিল না। তৎক্ষণাৎ শ্রমিকরা শিশুটির গলার কাটা অংশ কাপড় দিয়ে পেঁচিয়ে একটি ট্রাকে করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। এই ঘটনা কে বা কারা ঘটিয়েছে এ ব্যাপারে কিছু জানা যায়নি। তবে শিশুটি ইশারায় বোঝাতে চেষ্টা করছে- যে এমন নিষ্ঠুর আচরণ করেছে তাকে দেখলে সে চিনতে পারবে।