Online Eshop BD

Online Eshop BD অভ্যন্তরীণ সুন্দর্য আসল হলেও
বাহ্যিক সুন্দর্য বাড়ালে দোষের কিছু নয়।

28/09/2024

#কাপড় #বিক্রি

Mode বা পরিবেশ/পরিস্থিতি অনুযায়ী কোন ধরনের কাপড় পরা উচিত আপনার? :----

বিভিন্ন রঙের জামা কাপড় আমাদের মানসিক অবস্থা, ব্যক্তিত্ব এবং আবেগের উপর প্রভাব ফেলে এবং সেগুলো প্রকাশও করতে পারে। রঙের মনস্তত্ত্ব অনুযায়ী প্রতিটি রঙ ভিন্ন ভিন্ন অনুভূতি ও মনের অবস্থাকে প্রতিফলিত করে। নিচে কিছু সাধারণ রঙ এবং তার মানসিক প্রভাব ব্যাখ্যা করা হলো:
1. লাল (Red):-
প্রতীকী অর্থ: আবেগ, শক্তি, ভালোবাসা, উষ্ণতা।
মনের অবস্থা: আপনি যদি লাল পরেন, তা দেখায় যে আপনি উত্তেজিত, দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ বা আত্মবিশ্বাসী। এটি অনেক সময় স্নায়ুতান্ত্রিক উত্তেজনা, রোমাঞ্চ বা আকর্ষণীয়তার ইঙ্গিত দেয়। লাল পরলে শক্তি ও গতি প্রকাশ পায়।
2. নীল (Blue):-
প্রতীকী অর্থ: শান্তি, শীতলতা, স্থিরতা।
মনের অবস্থা: নীল রঙ সাধারণত শান্ত ও বিশ্রামপ্রাপ্ত মানসিক অবস্থাকে প্রতিফলিত করে। যারা চাপ মুক্ত থাকতে চান বা মনের শীতলতা প্রকাশ করতে চান, তারা নীল বেছে নেন। এটি নির্ভরযোগ্যতা ও আত্মনিয়ন্ত্রণের প্রতীক।
3. সবুজ (Green):-
প্রতীকী অর্থ: প্রকৃতি, বৃদ্ধি, ভারসাম্য।
মনের অবস্থা: সবুজ রঙ প্রায়শই এক ধরনের স্থিতিশীলতা ও ভারসাম্য প্রতিফলিত করে। এটি শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা, তৃপ্তি ও সতেজতার ইঙ্গিত দেয়। সবুজ পরলে প্রাকৃতিক ও শান্তিপূর্ণ মনোভাব প্রকাশ পায়।
4. হলুদ (Yellow):-
প্রতীকী অর্থ: সুখ, উদ্দীপনা, আশাবাদ।
মনের অবস্থা: হলুদ সাধারণত আনন্দ এবং ইতিবাচকতার রঙ হিসেবে দেখা হয়। এটি আশাবাদী মনোভাব, সৃজনশীলতা এবং মনের খোলা ভাব প্রকাশ করে। তবে অতিরিক্ত উজ্জ্বল হলে কখনও কখনও উত্তেজনা বা উদ্বেগও সৃষ্টি করতে পারে।
5. কালো (Black):-
প্রতীকী অর্থ: ক্ষমতা, গোপনীয়তা, পরিশীলন।
মনের অবস্থা: কালো রঙ সাধারণত গুরুতর বা রহস্যময় মনের অবস্থা বোঝায়। এটি ক্ষমতা, শক্তি ও শোকের প্রতীক হতে পারে। অনেকে আত্মবিশ্বাসী ও স্টাইলিশ দেখানোর জন্য কালো পরেন। এটি আত্মরক্ষা এবং আনুষ্ঠানিকতা বোঝাতেও ব্যবহৃত হয়।
6. সাদা (White):-
প্রতীকী অর্থ: পবিত্রতা, সরলতা, নির্দোষতা।
মনের অবস্থা: সাদা সাধারণত নির্মলতা, সতেজতা, এবং নতুন সূচনার ইঙ্গিত দেয়। এটি মনের বিশুদ্ধতা, শান্তি ও সরলতাকে প্রতিফলিত করে। সাদা পরলে নির্ভীকতা এবং স্পষ্ট চিন্তার ইঙ্গিত দেওয়া হয়।
7. গোলাপী (Pink):-
প্রতীকী অর্থ: ভালোবাসা, কোমলতা, স্নেহ।
মনের অবস্থা: গোলাপী রঙ সাধারণত কোমলতা এবং স্নেহপ্রবণতা প্রকাশ করে। এটি অনেক সময় ভালোবাসা, সহানুভূতি এবং মনের কোমল অবস্থাকে বোঝায়। এটি রোমান্টিকতারও প্রতীক হতে পারে।
8. বেগুনি (Purple):-
প্রতীকী অর্থ: সৃজনশীলতা, সম্মান, আভিজাত্য।
মনের অবস্থা: বেগুনি রঙ সৃজনশীল এবং আভিজাত্যপূর্ণ মনের অবস্থার ইঙ্গিত দেয়। এটি রহস্যময়তা, আধ্যাত্মিকতা এবং অনুপ্রেরণা বোঝায়।
9. কমলা (Orange):-
প্রতীকী অর্থ: উদ্যম, উদ্দীপনা, আনন্দ।
মনের অবস্থা: কমলা রঙ সাধারণত উৎসাহ ও উদ্দীপনার ইঙ্গিত দেয়। এটি সৃজনশীলতার প্রতি আগ্রহ ও উত্তেজনা প্রকাশ করে। এই রঙটি অনেক সময় আকর্ষণ ও প্রফুল্লতার সাথে সম্পর্কিত।
10. বাদামী (Brown):-
প্রতীকী অর্থ: স্থিতিশীলতা, নিরাপত্তা, পৃথিবী।
মনের অবস্থা: বাদামী রঙ বাস্তববাদী ও মাটির সংযোগের ইঙ্গিত দেয়। এটি স্থিতিশীলতা ও নির্ভরযোগ্যতার প্রতীক।
এই রঙগুলো আপনার মনের অবস্থা এবং ব্যক্তিত্বের ইঙ্গিত দিতে পারে।

কাপড়ের কালার মেচিং করে পরিধান করা স্টাইল ও ফ্যাশনে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। সঠিকভাবে মেচিং করলে আপনার লুক হবে আরো আকর্ষণী...
10/09/2024

কাপড়ের কালার মেচিং করে পরিধান করা স্টাইল ও ফ্যাশনে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। সঠিকভাবে মেচিং করলে আপনার লুক হবে আরো আকর্ষণীয়। নিচে কিছু টিপস দেওয়া হলো যা আপনাকে সাহায্য করতে পারে:

1. বেসিক কালার চয়ন: সাদা, কালো, গ্রে, এবং বেজ কালার সহজে অন্য যেকোনো রঙের সাথে মেচিং করা যায়। এগুলো আপনার আউটফিটকে নীরব কিন্তু স্টাইলিশ করে তোলে।

2. একসাথে সাদৃশ্য রঙ নির্বাচন করুন: একসাথে একই পরিবারের রঙ ব্যবহার করুন। যেমন, হালকা নীল এবং গাঢ় নীল বা পেস্টেল রঙের বিভিন্ন শেড।

3. বিরোধী রঙের ব্যবহার: একসাথে বিপরীত রঙ ব্যবহার করতে পারেন যা কনট্রাস্ট সৃষ্টি করে। যেমন, নীল এবং কমলা, লাল এবং সবুজ।

4. কালার হুইল ব্যবহার করুন: কালার হুইল ব্যবহার করে আপনি complementary (বিরোধী) এবং analogous (নিকটবর্তী) রঙগুলো চিনে নিতে পারেন। Complementary রঙ দুটি বিপরীত দিকের হয়, যেমন নীল এবং কমলা। Analogous রঙগুলো একে অপরের পাশের হয়, যেমন নীল এবং সবুজ।

5. প্যাটার্ন এবং প্রিন্ট: যদি আপনার পোশাকের প্যাটার্ন বা প্রিন্ট থাকে, তবে সেই অনুযায়ী সাদৃশ্য কালার নির্বাচন করুন। প্যাটার্ন এবং প্রিন্টের মধ্যে একে অপরের সাথে মিলিয়ে অথবা সাদৃশ্য রেখে পরিধান করুন।

6. আলাদা রঙের ব্লকিং: বিভিন্ন রঙের ব্লকিং করলে একটি চমৎকার আধুনিক লুক আসে। উদাহরণস্বরূপ, একটি লাল টপ এবং নীল প্যান্ট।

7. আনকমন রঙ মেচিং: কখনো কখনো অদ্ভুত রঙের সংমিশ্রণও আকর্ষণীয় হতে পারে, যেমন হলুদ এবং গাঢ় নীল।

8. একটি প্রধান রঙ নির্বাচন করুন: আপনার আউটফিটের একটি প্রধান রঙ নির্বাচন করুন এবং অন্য রঙগুলো সেটির সাথে মিলিয়ে ব্যবহার করুন।

9. অ্যাকসেসরি: আপনার লুক পূর্ণ করার জন্য উপযুক্ত রঙের এক্সেসরি ব্যবহার করুন, যেমন বেল্ট, শু, বা হ্যাট।

10. নিজস্ব স্টাইল: সর্বোপরি, আপনার নিজের স্টাইল এবং আরামকে গুরুত্ব দিন। আপনার নিজের স্টাইলের প্রতি সৎ থাকুন, এটি আপনাকে সবচেয়ে ভালো লুক দিবে।

টিপসগুলো মেনে চললে আশা করি আপনি আরো সুন্দরভাবে কাপড় মেচিং করতে পারবেন।

বাংলাদেশে বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠান পালন করা হয়। প্রধানত ধর্মীয়, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাষ্ট্রীয়, ও ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠানগুল...
09/07/2024

বাংলাদেশে বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠান পালন করা হয়। প্রধানত ধর্মীয়, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাষ্ট্রীয়, ও ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠানগুলি উল্লেখযোগ্য। কিছু প্রধান ধরনের অনুষ্ঠান হলো:

***** ধর্মীয় অনুষ্ঠান *****

1) ইদ-উল-ফিতর: রমজান মাসের শেষে মুসলিমদের বড় ধর্মীয় উৎসব।
2) ইদ-উল-আযহা: কুরবানির ইদ।
3) দূর্গা পূজা: হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব।
4) পূজা-পার্বণ: বিভিন্ন হিন্দু পূজা যেমন, সরস্বতী পূজা, লক্ষ্মী পূজা ইত্যাদি।
5) বুদ্ধ পূর্ণিমা: বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের প্রধান উৎসব।
6) বড়দিন: খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব।

***** সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান *****

1) বৈশাখী মেলা: পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে বাংলা নববর্ষ উদযাপন।
2) নববর্ষ উৎসব: পহেলা জানুয়ারি ইংরেজি নববর্ষ উদযাপন।
3) পহেলা ফাল্গুন: বসন্তবরণ উৎসব।
4) জাতীয় চলচ্চিত্র দিবস: চলচ্চিত্র জগতের উদযাপন।
5) বইমেলা: বাংলা একাডেমি আয়োজিত একুশে বইমেলা।
6) বিজয় দিবস: ১৬ ডিসেম্বর, মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের স্মরণে।

*****রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান*****

1) স্বাধীনতা দিবস: ২৬ মার্চ, বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস।
2) ভাষা দিবস: ২১ ফেব্রুয়ারি, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।
3) বিজয় দিবস: ১৬ ডিসেম্বর, মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের স্মরণে।
4) জাতীয় শোক দিবস: ১৫ আগস্ট, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী।

*****ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠান*****

1) নবান্ন উৎসব: নতুন ধান কাটার উৎসব।
2) পান্তা ইলিশ: বাংলা নববর্ষে ঐতিহ্যবাহী খাবার উদযাপন।

*****আঞ্চলিক ও জাতিগত অনুষ্ঠান*****

1) চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর বৈসাবি উৎসব: তিন দিনব্যাপী জল উৎসব।

বাংলাদেশে এইসব অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় এবং রাষ্ট্রীয় ঐতিহ্য সংরক্ষণ করা হয় এবং জনগণের মধ্যে ঐক্য ও সংহতির বোধ বৃদ্ধি পায়।

         বৃষ্টির দিনে কাপড়ের যত্ন নেওয়ার জন্য কিছু বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। এখানে কয়েকটি টিপস রয়েছে যা আপনাকে...
03/07/2024



বৃষ্টির দিনে কাপড়ের যত্ন নেওয়ার জন্য কিছু বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। এখানে কয়েকটি টিপস রয়েছে যা আপনাকে সাহায্য করতে পারে:

1) সঠিক সময়ে কাপড় ধোয়া: বৃষ্টির দিনে কাপড় ধোয়ার জন্য উপযুক্ত সময় বেছে নিন, যাতে পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যায় কাপড় শুকানোর জন্য।

2) ইনডোরে কাপড় শুকানো: বৃষ্টির দিনে কাপড় বাইরে শুকানোর পরিবর্তে ইনডোরে শুকানোর ব্যবস্থা করুন। বাতাস চলাচলের জন্য পাখা বা এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহার করতে পারেন।

3) শুকানোর সময় বাড়ানো: বৃষ্টির দিনে আর্দ্রতা বেশি থাকে, তাই কাপড় শুকানোর সময় বেশি লাগতে পারে। তাড়াহুড়ো না করে কাপড় শুকাতে দিন।

4) মোল্ড ও ফাঙ্গাস প্রতিরোধ: বৃষ্টির দিনে আর্দ্রতার কারণে মোল্ড ও ফাঙ্গাস জন্মাতে পারে। তাই কাপড় শুকানোর সময় ঘন ঘন ঘর বাতাস চলাচল করুন এবং ইনডোর ডিহিউমিডিফায়ার ব্যবহার করতে পারেন।

5) ফুলে যাওয়া বা গন্ধ থেকে রক্ষা: কাপড় যদি ভিজে যায় বা গন্ধ হয়, তবে দ্রুত ধুয়ে শুকানোর ব্যবস্থা করুন। গন্ধ দূর করার জন্য ল্যাভেন্ডার অয়েল বা বেকিং সোডা ব্যবহার করতে পারেন।

6) পরিষ্কার ও সংরক্ষণ: পরিপূর্ণ শুকানো কাপড়গুলো আলমারিতে বা ড্রয়ারে সংরক্ষণ করুন। আর্দ্র পরিবেশে কাপড় বেশিদিন রেখে দিলে ক্ষতি হতে পারে।

7) বৃষ্টি থেকে রক্ষা: বৃষ্টির দিন বাইরে গেলে ছাতা ব্যবহার করে কাপড় ভিজতে দেবেন না। বৃষ্টির পানি থেকে কাপড়ের রঙ ও ফ্যাব্রিক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

বৃষ্টির দিনে এমন পোশাক পরা উচিত যা আপনাকে আরামদায়ক এবং সুরক্ষিত রাখবে। এখানে কয়েকটি টিপস রয়েছে:১) রেইনকোট বা রেইন জ্য...
10/06/2024

বৃষ্টির দিনে এমন পোশাক পরা উচিত যা আপনাকে আরামদায়ক এবং সুরক্ষিত রাখবে। এখানে কয়েকটি টিপস রয়েছে:

১) রেইনকোট বা রেইন জ্যাকেট: জলরোধী রেইনকোট বা রেইন জ্যাকেট পরুন যাতে আপনি ভিজে না যান। এগুলো হালকা ওজনের এবং সহজে বহনযোগ্য।

২) রেইন প্যান্ট: আপনার প্যান্ট ভেজা থেকে রক্ষা করার জন্য জলরোধী রেইন প্যান্ট পরুন।

৩) রাবারের বুট বা রেইন বুট: রাবারের বুট বা রেইন বুট পরুন যাতে আপনার পা শুকনো থাকে এবং কাদায় না ভেজে।

৪) ছাতা: একটি ভালো মানের ছাতা বহন করুন যা আপনাকে বৃষ্টির হাত থেকে রক্ষা করবে।

৫) সামগ্রী নির্বাচন: সিন্থেটিক ফ্যাব্রিক যেমন পলিয়েস্টার বা নাইলন ব্যবহার করতে পারেন, যা দ্রুত শুকিয়ে যায় এবং বৃষ্টির পানিতে ভিজে না থাকে।

৬) লেয়ারিং: ঠান্ডা আবহাওয়ায় লেয়ারিং করার চেষ্টা করুন, যাতে আপনি গরম এবং আরামদায়ক থাকতে পারেন।

৭) হুডযুক্ত পোশাক: হুডযুক্ত জ্যাকেট বা সোয়েটশার্ট পরতে পারেন যা আপনাকে মাথা ভেজা থেকে রক্ষা করবে।

24/05/2024

#পোশাক #কাপড় #মার্কেট #শাড়ী

আজ আমরা কথা বলবো বাংলাদেশে কি কি ধরনের পোশাক পাওয়া যায় সেই বিষয়েঃ-

বাংলাদেশে বিভিন্ন ধরনের পোশাক পাওয়া যায়, যা স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে জনপ্রিয়। এই পোশাকগুলোর মধ্যে কিছু বিশেষ ধরণের উল্লেখযোগ্য:

সালোয়ার কামিজ: এটি মেয়েদের জন্য জনপ্রিয় পোশাক, যা সাধারণত বিভিন্ন ধরনের কাপড় এবং ডিজাইনে পাওয়া যায়।

শাড়ি: বাংলাদেশের সবচেয়ে ঐতিহ্যবাহী এবং জনপ্রিয় পোশাক। বিভিন্ন ধরনের শাড়ি পাওয়া যায় যেমন- জামদানি, টাঙ্গাইল, বেনারসি, তাত।

লুঙ্গি: পুরুষদের জন্য একটি ঐতিহ্যবাহী পোশাক। এটি সাধারণত গ্রামাঞ্চলে বেশি ব্যবহৃত হয়।

পাঞ্জাবি: পুরুষদের জন্য আরেকটি জনপ্রিয় ঐতিহ্যবাহী পোশাক, যা সাধারণত বিশেষ উপলক্ষ্যে পরা হয়।

কাপড়ের তৈরি পোশাক (গার্মেন্টস): বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প বিশ্বব্যাপী প্রসিদ্ধ। এখানে বিভিন্ন ধরনের টি-শার্ট, প্যান্ট, জিন্স, শার্ট, ব্লাউজ ইত্যাদি তৈরি হয়।

ফতুয়া: আরামদায়ক একটি পোশাক যা সাধারণত তরুণ এবং বয়স্কদের মধ্যে জনপ্রিয়।

আধুনিক পোশাক: ওয়েস্টার্ন স্টাইলের পোশাক যেমন- জিন্স, টি-শার্ট, টপস, স্কার্ট ইত্যাদি।

বাচ্চাদের পোশাক: শিশুদের জন্য বিভিন্ন ধরনের রঙিন ও আরামদায়ক পোশাক পাওয়া যায়।

22/05/2024

#কাপড় #পোশাক
#কটন #ভালকাপড়

আজ আমরা দেখবো কোন সিজনে কোনধরনের পোশাক পরিধান করা প্রয়োজন ঃ
বিভিন্ন সিজনে বিভিন্ন ধরনের সুতার পোশাক পড়ার প্রয়োজন হয় আরামদায়ক এবং আবহাওয়ার সঙ্গে মানানসই থাকার জন্য। নিচে সিজন অনুযায়ী পোশাকের পরামর্শ দেওয়া হল:
১) গ্রীষ্ম (Summer)
গরমের সময় হালকা ও শীতল কাপড় পড়া উচিত:
কটন (Cotton): হালকা, আরামদায়ক, এবং বাতাস চলাচল করতে দেয়।লিনেন (Linen): হালকা ও শ্বাসপ্রশ্বাসযোগ্য, তবে খুব বেশি কুঁচকে যেতে পারে।রেয়ন (Rayon): কটনের মত হালকা এবং শীতল, কিন্তু অনেক টেকসই।
২) শীত (Winter)
ঠাণ্ডায় উষ্ণ থাকার জন্য মোটা এবং উষ্ণ কাপড় পরা প্রয়োজন:
উল (Wool): অত্যন্ত উষ্ণ এবং আরামদায়ক, বিশেষ করে সোয়েটার, কার্ডিগান, এবং জ্যাকেট হিসেবে।ফ্ল্যানেল (Flannel): উলের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যায়, নরম এবং উষ্ণ।থার্মাল (Thermal): উষ্ণ রাখতে সাহায্য করে, সাধারণত ইনসুলেটেড আন্ডারওয়্যার বা বেস লেয়ার হিসেবে।
৩) বসন্ত (Spring)
মধ্যম আবহাওয়ার জন্য হালকা এবং আরামদায়ক কাপড় পরা উচিত:
কটন (Cotton): হালকা এবং আরামদায়ক, সাধারণত সিজনের শুরুতে ভালো।পলিস্টার মিশ্রণ (Polyester Blends): হালকা ও আরামদায়ক, এবং অনেক সময় কটনের সাথে মিশ্রিত হয়।লাইটউইট উল (Lightweight Wool): একটু ঠাণ্ডা থাকলে কাজের আসে।
৪) শরৎ (Autumn/Fall)
আবহাওয়ার পরিবর্তনের জন্য স্তরে স্তরে পোশাক পরা ভালো:
ডেনিম (Denim): আরামদায়ক এবং শক্তপোক্ত, জ্যাকেট বা প্যান্ট হিসেবে।ফ্ল্যানেল (Flannel): উষ্ণ এবং নরম, শার্ট হিসেবে ভালো।হেভি কটন (Heavy Cotton): দীর্ঘস্থায়ী এবং আরামদায়ক, সোয়েটার বা কার্ডিগান হিসেবে।

      অরিজিনাল কটন সুতার কাপড় চেনার উপায় কি কি?অরিজিনাল কটন সুতার কাপড় চেনার কয়েকটি নির্দিষ্ট উপায় আছে। সেগুলো হলো:>১) স...
18/05/2024


অরিজিনাল কটন সুতার কাপড় চেনার উপায় কি কি?

অরিজিনাল কটন সুতার কাপড় চেনার কয়েকটি নির্দিষ্ট উপায় আছে। সেগুলো হলো:>

১) স্পর্শ ও অনুভূতি (Touch and Feel): কটন কাপড় সাধারণত নরম এবং আরামদায়ক হয়। এটি হাতের স্পর্শে স্বাভাবিক ও প্রাকৃতিক মনে হয়।

২) শ্বাসপ্রশ্বাস ক্ষমতা (Breathability): কটন কাপড়ের শ্বাসপ্রশ্বাস ক্ষমতা বেশি থাকে। এটি গরম আবহাওয়ায় শীতল অনুভূতি দেয় এবং সহজেই ঘাম শোষণ করে।

৩) ভাঁজ পরীক্ষা (Wrinkle Test): কটন কাপড় সহজেই ভাঁজ পড়ে। কাপড়টি মুঠোয় ধরে কিছুক্ষণ রেখে দিলে এবং তারপর ছেড়ে দিলে ভাঁজ পড়ে কিনা দেখুন। ভাঁজ পড়লে এটি সম্ভবত কটন।

৪) পানি শোষণ পরীক্ষা (Water Absorption Test): কটন কাপড় দ্রুত পানি শোষণ করে। কিছু পানির ফোঁটা কাপড়ে ফেলে দেখুন, যদি এটি দ্রুত শোষিত হয় তবে এটি কটন।

৫) জ্বালানোর পরীক্ষা (Burn Test): কটন কাপড় জ্বললে এটি দ্রুত পুড়ে যায় এবং কাগজ বা কাঠের মতো গন্ধ বের হয়। জ্বলন্ত অংশটি ছাই হয়ে যাবে এবং এটি হালকা ও নরম থাকবে। তবে এই পরীক্ষাটি সতর্কতার সঙ্গে করা উচিত।

৬) লেবেল পরীক্ষা (Label Check): বেশিরভাগ কটন কাপড়ে লেবেলে "100% Cotton" লেখা থাকে। এই লেবেল দেখে সঠিক তথ্য জানা যায়।

কাপড় আমরা সবাই পরি কিন্ত চেনে কয়জনে, ভাল কাপড় চিন্তে হলে সুতা চেনা জরুরী।  কাপড় তৈরির জন্য বিভিন্ন ধরনের সুতা ব্যবহৃত হয়...
17/05/2024

কাপড় আমরা সবাই পরি কিন্ত চেনে কয়জনে, ভাল কাপড় চিন্তে হলে সুতা চেনা জরুরী। কাপড় তৈরির জন্য বিভিন্ন ধরনের সুতা ব্যবহৃত হয়, যেগুলো মূলত তন্তু বা ফাইবার থেকে তৈরি করা হয়। কিছু প্রধান সুতা হল:

১) কটন সুতা (Cotton Yarn): তুলা থেকে তৈরি, যা নরম ও আরামদায়ক।

২) পলিয়েস্টার সুতা (Polyester Yarn): সিনথেটিক ফাইবার থেকে তৈরি, যা মজবুত ও দীর্ঘস্থায়ী।
সিল্ক সুতা (Silk Yarn): রেশম গুটি থেকে তৈরি, যা মসৃণ ও চকচকে।

৩) উল সুতা (Wool Yarn): ভেড়ার লোম থেকে তৈরি, যা গরম ও নরম।

৪) নাইলন সুতা (Nylon Yarn): সিনথেটিক ফাইবার, যা মজবুত ও স্থিতিস্থাপক।

৫) রেয়ন সুতা (Rayon Yarn): সেলুলোজ থেকে তৈরি, যা মসৃণ ও নরম।

৬) লিনেন সুতা (Linen Yarn): ফ্ল্যাক্স গাছ থেকে তৈরি, যা ঠান্ডা ও আরামদায়ক।

Address

Uttara
Dhaka
1230

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Online Eshop BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Online Eshop BD:

Share