25/11/2025
ঢাকা কলেজের জমি— যে ইতিহাস কেউ বলে না!
“যে লড়াইয়ের সফলতার গল্প আজ সবাই বলছে… সেই গল্পের শুরুতে আমি ছিলাম একা।”
আজ যারা হৈচৈ করে বেড়াচ্ছে, গলাবাজি করছে, পোস্ট দিচ্ছে—
তাদের কেউ ছিল না সেই প্রথম দিনগুলোতে,
যখন ঢাকা কলেজের হারানো জমির সত্য ইতিহাস খুঁজতে
এটা শুধু জমির যুদ্ধ ছিল না—
এটা ছিল ইতিহাস বনাম চক্রের,
সত্য বনাম সিন্ডিকেটের,
আর ঢাকা কলেজের অস্তিত্ব বনাম দখলদারদের যুদ্ধ।
সেই দীর্ঘ ২০ অগাস্ট ২০২৪ থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত—
আমি এই জমির প্রশ্নে লড়ে যাচ্ছি।
মানুষের উপহাস, অবহেলা, তিরস্কার… এগুলোই হতো আমার সাথে
কিন্তু দু'জন মানুষ সবসময় পাশে ছিলেন—
অধ্যক্ষ এ কে এম ইলিয়াস স্যার এবং
আসাদুল ইসলাম ভাই (মাস্টার্স, ব্যবস্থাপনা)।
আর হ্যাঁ, এটি আমিই প্রথম—
যে ঢাকা কলেজের ইতিহাসে এই জমি উদ্ধারের উদ্যোগ নিলাম।
ইলিয়াস স্যার পুরো ক্যাম্পাসের ডিজিটাল সার্ভে করালেন—
যা কোনো অধ্যক্ষ আগে করেননি।
আসাদুল ভাই মন্ত্রণালয়—সচিবালয়ের দরজা খুলে দিলেন,
মিটিং সেট করলেন
আর যখন অবশেষে আমরা সফলতার দরজায়!
ঠিক তখনই সবার টনক নড়ে উঠলো!
আজ যারা রাতারাতি “নায়ক” হতে চাচ্ছে—
তারা এতদিন কোথায় ছিল?
কোথায় ছিল তাদের দায়িত্ব, তাদের সাহস?
তারা চাইলে নিক ক্রেডিট—
আমার নিয়তটা আল্লাহ জানে
আমি নেতা হতে কাজ শুরু করিনি।
আমি করেছি ঢাকা কলেজের মর্যাদা, ছাত্রদের অধিকার আর শিক্ষকদের জন্য।
সত্যটা হচ্ছে:
এই সফলতা কারো একার নয়।
যদি দিতে হয়—
চারজনকে একসাথে দিতে হবে:
অধ্যক্ষ ইলিয়াস স্যারকে – যিনি প্রশাসনিক শক্তি না দিলে দাবিটা প্রতিষ্ঠিত হতো না
আসাদুল ইসলাম ভাইকে – যিনি মন্ত্রণালয় ও সচিবালয়ের দরজা খুলে দিয়েছে
এ্যাডভোকেট নাজমুল ভাইকে – যিনি আইনি লড়াইয়ের ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছেন
আর আমি- উদ্যোগ না নিলে, নকশা-কাগজপত্র সংগ্রহ না করলে, পরিকল্পনা না নিলে মাঠে এই বিষয় নামতো না।
এই চারজন একে অপরের পরিপূরক।
এই চারজন ছাড়া এই কাজ অসম্ভব ছিল।
আজ তারা ক্রেডিট নিতে চায়— নিলে দিক।
কারণ ইতিহাসের মুখ বন্ধ করা যায় না ঢাকা কলেজের এই পবিত্র জমির সত্য একদিন সবাই জানবেই। আল্লাহ সত্যকে প্রকাশ করেন—সময়ে,কালে,ইতিহাসে
শেষ কথা,এ লড়াই শুধু জমির না
এটা ঢাকা কলেজের পরিচয়,এর ইতিহাস, ঐতিহ্যের
ঢাকা কলেজ শুধু একটি প্রতিষ্ঠান নয়—
এটা একটি আন্দোলন, একটি ইতিহাস, একটি গর্ব।